Blog

  • পাইকগাছায় সরস্বতী প্রতিমার হাট জমে উঠেছে

    পাইকগাছায় সরস্বতী প্রতিমার হাট জমে উঠেছে

    পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় সরস্বতী প্রতিমার হাট জমে উঠেছে। বসন্ত পঞ্চমীতে সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে পাইকগাছা পৌর বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও পুরাতন খেয়াঘাট গলিতে সরস্বতী প্রতিমার এ হাট বসেছে। ছোট বড় মাঝারী বিভিন্ন ধরনের প্রতিমা রয়েছে। সর্বনিন্ম এক শত টাকা থেকে ২ হাজার টাকা দামের প্রতিমা রয়েছে।হিন্দু পুরাণ অনুসারে সরস্বতী হলেন জ্ঞান, বিদ্যা, সংগীত ও শিল্পকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী। বসন্ত পঞ্চমীতে পূজায় বিদ্যার দেবী সরস্বতী আরাধনায় মেতে উঠবে হিন্দু ধর্ম অবলম্বীরা।১৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার পঞ্চমী তিথীতে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। তাই প্রতিমা তৈরী ও রং তুলির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করে বিক্রির জন্য হাটে তুলেছে প্রতিমা। তার পাশাপাশি বিক্রয়ের জন্যে বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করতে রয়েছে ব্যস্ততা। উপজেলার পৌর সদর ছাড়াও কপিলমুনি, বাঁকা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে প্রতিমা ক্রয় করতে পাওয়া যাচ্ছে।

    পাইকগাছা বাজারে উপজেলার হিতামপুর গ্রামের অরুন দাশ, অরবিন্দ দাশ, গোপালপুর গ্রামের নিমাই দাশ. দিপংকর দাশ, রবি দাশ, সোলাদানা গ্রামের মান্দার সরদার, পুরাইকাটী গ্রামের তারক পাল, অজিত পাল, শুভ মণ্ডল পাইকগাছা পৌর বাজারে প্রতিমার হাটে তাদের তৈরী প্রতিমা সরবরাহ করছেন। ভাস্কর দিপংকর দাশ জানান, এবার পূজায় তিনি প্রায় ৮০টি প্রতিমা তৈরী করেছেন। তাছাড়া অর্ডারী ৫শত টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা মূল্যের প্রতিমাও তৈরী করেছেন।স্কুল-কলেজ ছাড়াও বিভিন্ন মন্দির ও বাড়ীতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।সে অনুযায়ি বায়না নেওয়া হয়। ব্যবসাহী নারায়ণ মণ্ডল জানান,বাড়ীতে পূজা করার জন্য হাট থেকে প্রতিমা ক্রয় করেছেন।হাটে অনেক প্রতিমা দেখে পছন্দমত প্রতিমা ক্রয় করা যায়। বাজারে প্রতিমা সরবরাহকারী দিপংকর দাশ জানান, বিগত বছরের তুলনায় এবার প্রতিমার বিক্রয় কিছুটা কম। তবে কম-বেশি প্রতিমা বিক্রয় হচ্ছে।পূজার আগের দিন সব প্রতিমা বিক্রয় হবে বলে তারা আশা করছেন।

    ইমদাদুল হক,

    পাইকগাছা,খুলনা।

  • সুলতানগঞ্জ-ময়া নৌপথে পণ্যবাহী নৌযান চলাচলের উদ্বোধন

    সুলতানগঞ্জ-ময়া নৌপথে পণ্যবাহী নৌযান চলাচলের উদ্বোধন

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ বাংলাদেশ ও ভারতের নৌ প্রটোকলের আওতায় চালু হলো বহুল কাঙ্খিত রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ পোর্ট অব কল এবং সুলতানগঞ্জ-মায়া নৌপথে পণ্যবাহী নৌযান চলাচল। পদ্মা ও মহানন্দার মোহনায় অবস্থিত গোদাগাড়ী উপজেলার সুলতানগঞ্জ অংশ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর এবং ভারতের মুর্শিদাবাদের মায়া নৌবন্দর পর্যন্ত পণ্যবাহী নৌযান চলাচলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
    উল্লেখ্য, রাজশাহী থেকে ভারতের মুর্শিদাবাদের ধূলিয়ান ও মায়া নৌবন্দর পর্যন্ত নৌরুটে নৌযান চালু ও রাজশাহীতে আন্তজার্তিক নৌবন্দর প্রতিষ্ঠায় গত ৫ বছর নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এটি মেয়র লিটনের একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর চালু ও সুলতানগঞ্জ-মায়া নৌপথে নৌযান চলাচল শুরুর মাধ্যমে মেয়র লিটনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলো এবং পূরণ হলো রাজশাহীবাসীর বহুল কাঙ্খিত স্বপ্ন।
    এদিকে সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর ও সুলতানগঞ্জ-মায়া নৌপথে নৌযান চলাচলের উদ্বোধন উপলক্ষে এক সূধী সমাবেশের আয়োজন করে বিআইডব্লিউটিএ। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, রাজশাহী -১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ, রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল কালাম আজাদ।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্মসচিব সেলিম ফকির।
    রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ধূলিয়ান থেকে নৌপথটি গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ, রাজশাহী ও পাকশী হয়ে আরিচাঘাট পর্যন্ত গেছে। দীর্ঘদিন এটির ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ ছিল না। আমি গত পাঁচ বছর বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া, লেখালেখি ও ডিও লেটার দিয়েছি। ফলে এটা গতিশীল হয়েছে। অবশেষে প্রথম পর্যায়ে সুলতানগঞ্জ-মায়া নৌপথে নৌযান চলাচলের শুরু হলো। পরবর্তীতে এটি রাজশাহী হয়ে আরিচা পর্যন্ত চালু হবে। রাজশাহী নগরীতে নৌবন্দর স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে রাজশাহীর অর্থনীতি গতিশীল হবে, অনেক কর্মসংস্থান হবে।
    তিনি আরও বলেন, আমরা আজ অত্যন্ত আনন্দিত। পিছিয়ে পড়া রাজশাহীতে নৌবন্দর চালু হলো। এটির মাধ্যমে রাজশাহীর ব্যবসা বাণিজ্য বাড়বে। আমরা অনেক দিক দিয়ে উপকৃত হবো।
    জানা গেছে, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আগপর্যন্ত সুলতানগঞ্জ-মায়া গোদাগাড়ী-ভারতের লালগোলা নৌঘাটের মধ্যে নৌপথে বাণিজ্য চালু ছিল। পরে রুটটি বন্ধ হয়ে যায়। সোমবার বাংলাদেশ সীমান্তের সুলতানগঞ্জ নৌ-বন্দরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পরে রাজশাহীর সুলতানগঞ্জ ঘাটটি নদী বন্দরের মর্যাদা পেলো। সুলতানগঞ্জ নৌ-বন্দরের মাধ্যমে এসব পণ্য ভারত থেকে আমদানিতে সময় ও খরচ কমে যাবে। এতে উপকৃত হবেন বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, বছরে এই নৌপথে দুই দেশের মধ্যে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হবে।
    এর আগে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশের রাজশাহীর সুলতানগঞ্জ আর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ধুলিয়ান নৌরুটে বাণিজ্য চালুর। রাজশাহী থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান পর্যন্ত ৭৮ কিলোমিটার একটি নৌপথের অনুমোদন থাকলেও পদ্মার নাব্যতা সংকটের কারণে কার্যকর করা হয়নি। ফলে রুটটি সংক্ষিপ্ত করে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ থেকে ভারতের মুর্শিদাবাদের ময়া নৌবন্দর পর্যন্ত আড়াআড়িভাবে ২০ কিলোমিটার পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে পণ্য আনা নেওয়া হবে। শুরুতে এই নৌপথে ভারত থেকে পাথর বালি ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী আনা হবে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুলতানগঞ্জ থেকে ময়া নৌঘাটের নদীপথে দূরত্ব মাত্র ১৭ কিলোমিটার। সুলতানগঞ্জ নৌঘাটটি রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণের পদ্মার শাখা নদী মহানন্দার মোহনার কাছাকাছি। সারাবছর সুলতানগঞ্জের এই পয়েন্টে গভীর পানি থাকে। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের ময়া নৌঘাটটি মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমা শহরের কাছে ভারতীয় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত। ফলে সুলতানগঞ্জ-ময়া পথে নৌবাণিজ্য শুরু হওয়ায় পরিবহন খরচ অনেকাংশে কমে যাবে। এতে রাজশাহীর অর্থনীতি গতিশীল হবে এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় স্বামীর নির্যাতনে সংসার ত্যাগ করলেন গৃহবধু প্রিয়াংকা

    পাইকগাছায় স্বামীর নির্যাতনে সংসার ত্যাগ করলেন গৃহবধু প্রিয়াংকা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় যৌতুক লোভী স্বামীর অমানবিক নির্যাতন সইতে না পেরে সেচ্ছায় নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে স্বামীর স্বামীর সংসার ত্যাগ করলেন গৃহ বধু প্রিয়াংকা রায়।জানা গেছে,খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আকড়া গ্রামের নারায়ন চন্দ্র রায়ের কণ্যা প্রিয়াংকার সাথে পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের বিপুল রায়ের ছেলে তাপস রায়ের সাথে গত ইং ২৯/১২/২০০৮ সালে পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।বিবাহের পর থেকে প্রিয়াংকার স্বামী যৌতুক লোভী তাপস রায় বিভিন্ন সময় প্রিয়াংকার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। প্রিয়াংকা বলেন, সর্বশেষ গত ০৯/০৮/২০২৩ ইং তারিখে মারপিট করে আমার স্বামী আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।এমতবস্থায় আমি বাধ্য হয়ে আমার বাপের বাড়ি চলে আসি।
    এর মধ্যে আমার স্বামী আমার ও আমার সন্তানের কোন খোঁজ খবর না নিলে আমি উপায়ন্ত না পেয়ে ০৮ নং নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাং ২৪/০১/২০২৪ ইং আমার স্বামীকে সেচ্ছায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। আদ্য তারিখের পর থেকে আমাদের মধ্যে আর কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা খুলনা।

  • নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ে জমিদারদের রেখে যায়া বাঁধাঘাট আজও কালের সাক্ষী দাঁড়িয়ে আছে

    নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ে জমিদারদের রেখে যায়া বাঁধাঘাট আজও কালের সাক্ষী দাঁড়িয়ে আছে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ে জমিদারদের রেখে যায়া বাঁধাঘাট আজও কালের সাক্ষী দাঁড়িয়ে আছে। কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে চিত্রা পাড়ের জমিদারদের বাঁধাঘাট ১৬৫ বছরের কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নড়াইলের চিত্রা পাড়ের জমিদারদের বাঁধাঘাটটি। নাটোরের রাণী ভবানীর পতনের পর নড়াইলের জমিদার কালী শংকর রায় ছিলেন এ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী জমিদার। খুলনা, যশোর ও নড়াইল জেলার বিশাল এলাকা ছিল এই জমিদারদের অধীনে।
    তবে কালের পরিক্রমা আর হিংস্র হায়েনাদের কালো হাতের থাবায় হারিয়ে গেছে অধিকাংশ স্থাপনা। প্রভাবশালী এই জমিদার নির্মাণ করেছিলেন চিত্রা পাড়ের জলজ তাজমহল খ্যাত বাঁধাঘাটটি। কালের সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে এটি।
    ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৭৯১ সালে জমিদাররা এ এলাকায় আসেন। জমিদার রূপরাম রায় প্রথমে নড়াইলের আলাদাতপুর তালুক ক্রয়ের মাধ্যমে জমিদারির গোড়া পত্তন করলেও এর প্রকৃত প্রসার ঘটে জমিদার কালী শংকর রায়ের আমলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান,
    ইংরেজদের চিরস্থানী বন্দোবস্ত চালুর সময়ে তিনি নামে বেনামে রাণী ভবানীর তেলিহাটি, বিনোদপুর, রূপপাত, তরফ কালিয়া, তরফ দারিয়াপুরসহ বিভিন্ন তালুক ক্রয়ের মাধ্যমে জমিদারির বিস্তৃতি করেন।
    বৃহৎ অট্টালিকা, ডজনখানেক দীঘি, পুকুর, নাট্যমঞ্চ, মন্দির, ফলের বাগানসহ এক বিশাল রাজবাড়ী নির্মাণ করেন। কালী শংকর রায়ের পর তার দুই ছেলে রাম নারায়ণ নড়াইলের জমিদার এবং জয় নারায়ণ নড়াইলের হাটবাড়িয়ার জমিদার হিসেবে জমিদারি পরিচালনা করতে থাকেন। রাম নারায়ণের মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে রাম রতন রায় জমিদারির হাল ধরেন।
    জানা যায়, নড়াইল শহরের কুড়িগ্রাম এলাকায় নড়াইল-লক্ষ্মীপাশা-নওয়াপাড়া সড়কের পাশে চিত্রা নদীর পাড়ে ১৮৫৩ সালে নির্মাণ করা হয় বাঁধাঘাটটি। জমিদার বাড়ির গৃহবধূদের স্নান করার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল এ বাঁধাঘাটটি। চুন সুরকির প্রলেপ আর রেলের স্লিপার দিয়ে বাঁধাঘাটটি তৈরি করা হয়েছিল। ২১টি সিড়ি বেয়ে চিত্রা নদীর দিকে নামিয়ে দেওয়া হয় ঘাটটি।
    দীর্ঘদিন কোনো সংস্কার না হওয়ায় ভেঙে পড়ে সিড়িগুলো। বর্তমানে ১৫টি সিড়ি অক্ষত রয়েছে। প্রতি দিনই বিভিন্নস্থান থেকে অনেক মানুষ নড়াইল জমিদার বাড়ির ঐতিহ্যবাহী এ বাঁধাঘাট দেখতে আসেন। বাঁধাঘাটের পাশেই রয়েছে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ। শহরে কোনো বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় ঈদসহ বিভিন্ন বিশেষ দিনগুলোতে বাঁধাঘাটটি দর্শনার্থীদের আড্ডার স্থলে পরিণত হয়।
    দেশ বিভাগের পর জমিদাররা ভারতে চলে যান। ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত দুই একজন আসলেও তার পর আর কেউ আসেনি। ১৯৬৫ সালে জমিদারি প্রথার বিলুপ্ত ঘটে।
    নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী শান্তা বিশ্বাস বলেন, কলেজের ক্লাস যখন থাকে না তখন বন্ধুরা মিলে বাঁধাঘাটে এসে আড্ডা দেন। চিত্রা নদীর কারণে এ স্থানটিতে মনোরম অনেক সুন্দর পরিবেশ থাকে সব সময়। আমাদের খুব ভাল লাগে। নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র হিমেল কুন্ড, দিগন্ত বিশ্বাস, জসিম ও তিতাস বলেন, প্রচণ্ড গরমেও বাঁধাঘাটের আবাহওয়া সব সময় ঠান্ডা থাকে। আমাদের এখানে কোনো বিনোদন কেন্দ্র নেই। তাই অবসরে এখানে এসে সময় কাটাতে অনেক ভালো লাগে। এখানে প্রায় আসা হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেই, ছবি তুলি। বাঁধাঘাটের পরিবেশটা অনেক সুন্দর।
    নড়াইলের জেলা প্রশাসক আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, নড়াইল জেলাটি বৈশিষ্ট্য মন্ডিত আছে ক্রীড়া সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য। পাশাপাশি নড়াইলের ঐতিহ্য আরো বেগবান হয়েছে এখানে জমিদারদের কিছু স্মৃতি রেখে যাওয়ায়। নড়াইলে যারা বৃটিশ আমলের জমিদার ছিলেন, ওনাদেরই রেখে যাওয়া স্মৃতি বাঁধাঘাট। এখন নড়াইলে যারা আসেন তাদের জন্য এটি দর্শনীয় স্থান। তিনি আরও বলেন, জমিদারদের রেখে যাওয়া বৃস্তিত সম্পত্তি ছিলো সেগুলা অবৈধভাবে দখল করা হয়। পরে জেলা প্রশাসন সেগুলা উচ্ছেদ করে। সেখানে ডিসি ইকোপার্ক করা হয়েছে। যেখানে বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থী আসেন এবং এটি উপভোগ করেন। পাশাপাশি চিত্রার পাড়ে যে বাঁধাঘাট রয়েছে জমিদারদের আমলে যেটি তৈরি করা হয়েছিল সেটি বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংস্কার করা হয়েছে।

  • আলকিরহাট শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪৯তম বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে

    আলকিরহাট শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪৯তম বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি//

    আলকিরহাট শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪৯তম বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ ফেব্রুয়ারী রবিবার এ প্রতিযোগিতা শুরু হয় ১২ ফেব্রুয়ারী বিকেলে এ প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে।

    ক্রীড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মোঃ শাহ আলম মাননীয় সদস্য, নবম জাতীয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ জাতীয় পরিষদ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাকারিয়া খান স্বপন, প্যানেল চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ পিরোজপুর। উপাধ্যক্ষ মোঃ নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান সারেংকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ। মোঃ মহাসিন মিয়া সাবেক মহাপরিচালক খামারবাড়ি কৃষি মন্ত্রণালয় ঢাকা।মোঃ আব্দুল গাফফার সাবেক প্রধান শিক্ষক আলকিরহাট শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    বিদ্যালয় এর পরিচালনা পর্ষদ এর সভাপতি ড.রফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আলকিরহাট রজ্জব আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ মকবুল হোসেন তার সুযোগ্য সন্তানরা। মোঃ হুমায়ুন কোভিদ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন আমেরিকা প্রবাসী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জেড এস এম আশা ভারত, মোসাঃ নার্গিস আক্তার।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরুল ইসলাম সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ ও সাবেক সভাপতি, জনাব মো. আব্দুস সালাম সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ, জনাব মো. আব্দুল কাইউম সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ, জনাব মো. আসাদুজ্জামান সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ জনাব মো. মেহেদী হাসান সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও যুবকবৃন্দ।

    ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রঙ-বেরঙের পতাকা, বেলুন এবং ফেস্টুন শোভিত সবুজ-শ্যামলিমাময় বিদ্যালয়টি হয়ে ওঠে নান্দনিক সৌন্দর্যে অতুলনীয়। ছাত্রীদের পরিবেশিত মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ ও মিউজিক ডিসপ্লে এবং নির্বাচিত ক্রীড়ানুষ্ঠান উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে।

    মাননীয় প্রধান অতিথি তাঁর ভাষণে ছাত্রদেরকে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি ক্রীড়া ও অন্যান্য সহশিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে ভবিষ্যতে আদর্শ নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

    বিদ্যালয়ের ও অনুষ্ঠানের সভাপতি ড.রফিকুল ইসলাম বলেন, শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া চর্চার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। আগামী বছর বিদ্যালয়ের ৫০তম বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠানটি জমকালো আয়োজনের ব্যাবস্থা করবেন। তিনি আরো বলেন,তার একক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়ের জন্য একটি ভবন অনুমোদন করিয়েছেন। এবং সকল ভেদাভেদ ভুলে বিদ্যালয়ের সার্কিক কাজ করার জন্য আহবান জানান সর্বোপরি অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৪৮১ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১টি ট্রাক জব্দ

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৪৮১ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১টি ট্রাক জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকা হতে ৪৮১ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০১টি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

    ১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ২। র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর কোম্পানি কমান্ডার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, নীলফামারী হতে গাজীপুরগামী ০১টি ট্রাকযোগে ০১ জন ব্যক্তি নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল বহন করে সিরাজগঞ্জের দিকে আসছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে ১২ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ খ্রি. ভোর ০৪.০০ ঘটিকায় “সিরাজগঞ্জ জেলার সিরাজগঞ্জ সদর থানাধীন কড্ডা কৃষ্ণপুর গ্রামস্থ মোঃ ফরিদুল ইসলাম শেখ (৩৮), পিতাঃ মৃত হায়দার আলী শেখ এর বসত বাড়ির দক্ষিণ পার্শে¦ হাইওয়ের উপর” একটি অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়। চেকপোষ্ট চলাকালিন উপরোক্ত স্থানে ০১টি ট্রাক যার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ন-১৩-৭৩০৯ আসতে দেখে ট্রাকটি সংকেত দিয়ে থামানো হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে সন্ধিগ্ধ মোঃ জুয়েল হোসেন (৪৮), পিতা-মৃত আইয়ুব আলী, সাং-কামতারা, পোঃ- বুড়িগঞ্জ, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়াকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে যে ট্রাকের উপরে ৪৮১ বোতল ফেন্সিডিল লুকানো আছে।

    ৩। এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ীর সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন, ০৪টি সিম কার্ড এবং ০১টি ট্রাক জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে বড় বড় মাদকের চালান সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাকযোগে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে আনিত অনিয়ম-দূর্নীতির সত্যতা মিলেছে

    নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে আনিত অনিয়ম-দূর্নীতির সত্যতা মিলেছে

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//
    নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের বিরুদ্ধে আনিত অনিয়ম-দূর্নীতির সত্যতা মিলেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিবের কাছে এই প্রতিবেদন পাঠানে হয়েছে। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম,দূর্নীতি ও দুর্বব্যবহারের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দেয় নড়াইলের ৩২জন সংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও ব্যবসায়ী। এ স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম.এম আরাফাত হোসেন। প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর সম্মিলিত সংস্কৃতিক জোট, নড়াইলের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর কাছে জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ এনে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, এরই প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক অতিরিক্ত জপলা প্রশাসক এম.এম আরাফাত হোসেনকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করেন ।
    অভিযোগে জানা গেছে,বর্তমান জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমান ২০২৩ সালের জানুয়ারী মাসে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান শিল্পী, বিচারক ও কলাকুশলীদের জন্য সরকারি নির্ধারিত সম্মানি দেন না। অনুষ্ঠানের জন্য যা বরাদ্দ থাকে তার চার ভাগের একভাগও খরচ করেন না। গত বছরের মাঝামাঝি জেলা শিল্পকলা অডিটারিয়ামের লাইটিং, সাউন্ড, ইলকট্রিক ও ভবন সংস্কারের ১০ লাখ টাকার কাজ হলেও অভিযোগ রয়েছে, এ কাজ খাতা-কলমে টেন্ডার দেখিয়ে মূলত নিজেই কাজ করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, যোগদানের এক বছরের মধ্যে জেলা কালচারাল অফিসার প্রায় ৩০-৩৫ লাখ টাকার দূর্নীতি করেছে। এছাড়া শিল্পকলা একাডেমিতে সংগীতের বিভিন্ন শাখার ক্লাস চলাকালীন সময় কালচারাল অফিসার সংগীত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে তিনি অসদাচরণ করে থাকেন।

    সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, নড়াইলের সভাপতি মলয় কুন্ডু জানান, বর্তমান জেলা কালচারাল অফিসার যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত ৩০-৩৫ লাখ টাকার দূর্নীতি করেছে। তিনি যে একজন দূর্নীতি পরায়ন অফিসার তা এখন স্বীকৃত। তাকে আমরা নড়াইলে একদিনও দেখতে চাই না। তাকে অপসারণ করা না হলে মানববন্ধন, বিক্ষোভসহ বৃহত্তর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।
    জেলা কালচারাল অফিসার মো: হামিদুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল ষড়যন্ত্র করছে ।
    নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, জেলা কালচারাল অফিসারের বিরুদ্ধে আনিত বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব মহোদয়ের কাছে গতকাল রোববার (১১ ফব্রুয়ারী) এ প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

  • ভালোবাসা দিবসে পলক-অথৈ এর ‘Love Feelings’

    ভালোবাসা দিবসে পলক-অথৈ এর ‘Love Feelings’

    লিটন মাহমুদ মুন্সীগঞ্জঃ
    এ সময়ের তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় দুই অভিনয়শিল্পী শেখ ফরিদ পলক ও অথৈ সম্প্রতি কাজ করলেন ভালোবাসা দিবসের বিশেষ শর্ট ফিল্মে। ‘Love Feelings’ শিরোনামের এ শর্ট ফিল্মে প্রথমবার জুটিবেঁধে কাজ করেছেন পলক এবং অথৈ।

    পলক এন্টারটেনমেন্ট’র ব্যানারে সদ্য নির্মিত ভালোবাসা দিবসের বিশেষ এই শর্ট ফিল্মটির গল্প ও চিত্রনাট্য করেছেন শেখ শান্তা ইসলাম, চিত্রগ্রহণ ও পরিচালনা করেছেন মামুন নুর তুষার। যার ট্রেইলার ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে এবং ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

    গল্প প্রসঙ্গে নির্মাতা তুষার বললেন, ‘আমাদের গল্পটি একটি অ্যাক্সিডেন্ট দিয়ে শুরু হলেও দ্রুতই চরিত্র দুটি মধ্যে খুব ভালো একটি বন্ধুত্ব তৈরি হয় আর সেই বন্ধুত্ব থেকেই ভালোবাসার সৃষ্টি। দুটি চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছেন পলক ও অথৈ। আশা করছি ভালোবাসা দিবসের শর্ট ফিল্ম হিসেবে দর্শকরা অন্য এক প্রেমের গল্প দেখতে পাবেন।’

    ‘Love Feelings’ শর্ট ফিল্মে আরও অভিনয় করেছেন আবির আরিয়ান, প্রযোজনা করেছেন শ.ম. সাইফুল ইসলাম, প্রধান সরকারি পরিচালক হিসেবে ছিলেন আহমেদ বাদশা, শর্ট ফিল্মটির গান করেছেন কন্ঠ শিল্পী মি. সালমান ফারছি ও জান্নাতুল ফেরদৌস।

  • পটিয়ায় যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক বদিউল আলম এর পক্ষে  জাতীয় শ্রমিকলীগের কল্বল বিতরণ

    পটিয়ায় যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক বদিউল আলম এর পক্ষে জাতীয় শ্রমিকলীগের কল্বল বিতরণ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক বদিউল আলম এর পক্ষে শীতার্ত মানুষের মাঝে কল্বল বিতরণ করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারী সোমবার সন্ধায় পটিয়া পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ড পাইক পাড়া এলাকায় শেখ কামাল সৃতি সংসদ কার্য়লয়ে এ কল্বল বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে জাতীয় শ্রমিকলীগ পটিয়া পৌরসভার নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ৬ নং ওয়ার্ড জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: রুবেল। যুব নেতা সাজ্জাদ আহমদ রুবেল এর পরিচালনায় কল্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ পটিয়া পৌরসভার সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফি, প্রধান বক্তা ছিলেন পটিয়া পৌরসভা জাতীয় শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মাজু, বক্তব্য রাখেন,
    সমাজ সেবক নুরুল আলম,যুবলীগ নেতা মো: ইমরান, মো: সোহেল, কিং মাসুদ, মো: ইকবাল প্রমুখ। শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, শীতার্ত মানুষের পাশে থাকা ইবাদতের কাজ, যার যতটুকু সম্ভব শীতার্ত মানুষের পাশে থাকা। তাই সকল বিত্তশালীদের শীতার্ত মানুষের পাশে এগিয়ে আসতে হবে।

  • নাগেশ্বরী উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মুকুল কে দেখতে চায় জনগন

    নাগেশ্বরী উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মুকুল কে দেখতে চায় জনগন

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী উপজেলা নাগরিক কমিটি সমর্থিত, রায়গঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল ও অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম (মুকুল) কে নাগেশ্বরী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ জনগণ। তিনি নাগেশ্বরী উপজেলা পরিষদকে মডেল উপজেলা রূপান্তরিত বাস্তবায়নের প্রত্যয় নিয়ে জনগনের সেবক হয়ে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছেন ও নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

    আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম (মুকুল) নাগেশ্বরী পৌরসভার মৃত আলহাজ্ব বাহার উদ্দিনের ষষ্ঠ সন্তান সফল মেয়র মোহাম্মদ হোসেন ফাকু ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ খায়রুল ইসলামের ভাই । স্থানীয় ভোটার ও তরুণ প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপের মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদের রেষ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ঢামাঢোল। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রথম দফার উপজেলা নির্বাচন। উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের তফসীল ঘোষণা হবে এপ্রিল মাসে।

    চেয়ারম্যান নয় উপজেলাবাসীর সেবক হতে চাই। মানুষের সেবা করার সুযোগ পেলে মডেল উপজেলা গড়ে তুলবো। রাস্তাঘাট ব্রিজ-কালভার্ট, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সেনিটেশন, রোড লাইটসহ নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত করার অঙ্গীকার বদ্ধপরিকর এবং উপজেলা পরিষদকে মাদক সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ মুক্তসহ শিক্ষা স্বাস্থ্যর উন্নয়ন, অবহেলিত নেতিয়েপড়া জনগোষ্ঠীদের সহযোগিতা-আর্থ সামাজিক উন্নয়নের দাবি আদায়ে বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখবেন নির্বাচনকে সামনে রেখে নাগেশ্বরী উপজেলা নাগরিক কমিটি সমর্থিত, রায়গঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল ও অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম (মুকুল) উপজেলাবাসীর উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

    উপজেলাবাসী অনেকে তাদের নেতা হিসেবে ঘুরেফিরে আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম (মুকুল) কে সবসময় কাছে পায়। তাই তাঁরপ্রতি এলাকার সাধারণ জনগণের বড় রকমের একটা আস্থা তৈরি হয়েছে। এ আস্থা থেকেই আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম (মুকুল) কে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায়।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নাগরিক কমিটি সমর্থিত, রায়গঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল ও অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম (মুকুল) জানান, দেশকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন এখন তৃনমূল পর্যায়ে আরও যোগ্য নেতৃত্বের। সেই যোগ্য নেতৃত্ব দিতে অতন্ত্রপ্রহরীর মতো নিজেকে প্রস্তুত রেখেছেন। নাগেশ্বরী উপজেলাবাসীর স্বপ্নীল স্বপ্ন বাস্তবায়নে নাগেশ্বরী উপজেলা পরিষদকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর সেজন্য আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি উপজেলাবাসীর সমর্থন ও সহযোগিতা চেয়েছেন।