Blog

  • ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মোঃ শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর সিএমপি ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
    গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪; ১৯.৩০ ঘটিকায় সময় বাদী এসআই(নিঃ) মোঃ বেলায়েত হোসেন থানা এলাকায় মোবাইল-৫১ ডিউটি করাকালীন সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া আসামী আকাশ প্রধান (২০) কে গ্রেফতার করতঃ তাহার হেফাজত হতে ১১০ (একশত দশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ উদ্ধার পূর্বক জব্দ করেন।উক্ত ঘটনায় ইপিজেড থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। আসামীকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম আকাশ প্রধান (২০), পিতা-শাহআলম প্রধান প্রকাশ হামিদুল প্রধান, মাতা-সোনালী বেগম, সাং-বরকতপুর, ০৭ নং প্রবনাপুর ইউপি, পোঃ ফকিরহাট, থানা-পলাশবাড়ি, জেলা-গাইবান্ধা, বর্তমানে-সিমেন্ট ক্রসিং, রাসেল কমিশনারের ভাড়া বাসার নীচতলা, থানা-ইপিজেড, জেলা- চট্টগ্রাম।

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীর পিতা-মাতার নামসহ বিভিন্ন ভুল, একাধিক মামলা ও শিক্ষক কর্তৃক হয়রানি

    এসএসসি পরীক্ষার্থীর পিতা-মাতার নামসহ বিভিন্ন ভুল, একাধিক মামলা ও শিক্ষক কর্তৃক হয়রানি

    হেলাল শেখঃ সারাদেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। এই পরীক্ষায় ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭০০টি কেন্দ্রে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। দেশের উত্তরা লের রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা ও বেড়া উপজেলার একাধিক হাই স্কুলে শিক্ষকদের অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
    এসএসসি পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষর দিয়েছে কথিপয় শিক্ষক, এক শিক্ষার্থীর রোল নং ১-টেস্ট পরীক্ষায় ফেল দেখিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামের প্রবাসী মোঃ হযরত আলীর ছোট ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলা করাসহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহ সচেতন মহল।
    জানা গেছে, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানাধীন সাগারকান্দি ইউনিয়নের কদিম মালি অবস্থিত ১৯৯৫ইং সালে স্থাপিত কদিম মালি উচ্চ বিদ্যালয়। এই উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ শাকিব শেখ রোল নং ১ থেকে এসএসসি পরিক্ষায় টেস্টে ফেল দেখানো হয়। এরপর এই শিক্ষার্থীর নাম ভুল এবং শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর দিয়েছেন শিক্ষক। একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার্থী মোঃ রবিন শেখ এর নাম ও মাতার নাম ভুল, মোঃ শহিদুল ইসলামের পিতার নাম ভুল, মোঃ শান্ত মন্ডলের পিতার নাম ভুল, মোছাঃ তামান্না আক্তারের সাইন্স এর সাবজেক্ট ভুল করা হয়েছে।
    ঢাকা কোর্টের সূত্রঃ সি. আর মামলা নং ৮৩২/২০২৩। ধারা ঃ ১৪৩/ ৪৪৭/১০৯/৩২৩/৩০৭/৩৭৯/৫০৬। এ মামলার বাদী হলেন, আশুলিয়া থানার ইয়ারপুর গ্রামের মৃত মান্নান মোল্লার ছেলে ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র ছোট ভাই মোঃ নাজিম উদ্দিন মোল্লা ওরফে নাজি (৪১)। উক্ত প্রবাসীর স্ত্রী এই মামলার আসামী মোছাঃ ইয়াসমিন ও তার বড় ছেলে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য আলামিন (২৫) এবং ২০২৪ইং সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী আশরাফুল (১৬), এই এসএসসি পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করার সময় তার বয়স দেথানো হয় ২০ বছর।
    এই ভুক্তভোগী এসএসসি পরীক্ষার্থী মোঃ আশরাফুল গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বাবা চাচাদের পরিবারের সাথে নাজিম উদ্দিন মোল্লাদের মামলা চলছে, আমার বাবা বিদেশে থাকেন প্রবাসী, আমার বড় ভাই আলামিন পুলিশের চাকরি করেন, আমি লেখাপড়া করি, আমার মা বাড়িতে একা থাকেন, নাজিম উদ্দিন মোল্লা বাদী হয়ে পুলিশ সদস্য আমার ভাই আলামিন ও আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমার লেখাপড়ার চরম ক্ষতি করেছে এই নাজিম উদ্দিন মোল্লা, আমি এর সঠিক বিচার দাবী করছি।
    পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার রতনগঞ্জ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ৭টি হাই স্কুলের ৬৪৩জন অংশগ্রহণ করবে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায়। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত-১৯৩৪ সালে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন এই সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আব্দুল কাদের। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক গত (১২/০১/২০২৪০ইং) তারিখে ৪৩নং রতনগঞ্জ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে রাতে কোনো এক সময় অফিস ভবনসহ ৩টা রুমের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে বেশ কয়েকটি আলমারি ভেঙ্গে নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে পালিয়েছে চোর চক্রের সদস্যরা। শিক্ষকদের দাবী চোর হয়তো শুধু টাকা নিতেই এসেছিলো, সকল কাগজপত্র ঠিক আছে।
    উক্ত ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’সহ শিক্ষা মন্ত্রী ও শিক্ষা অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহ সচেতন মহল ও এলাকাবাসী।

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীর পিতা-মাতার নাম ভুল অনেকের ভবিষ্যৎ অন্ধকার-প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

    এসএসসি পরীক্ষার্থীর পিতা-মাতার নাম ভুল অনেকের ভবিষ্যৎ অন্ধকার-প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ সারাদেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। এই পরীক্ষায় ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭০০টি কেন্দ্রে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। দেশের বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ-এসএসসির এক পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা এবং অনেক পরীক্ষার্থীর নাম ও পিতা-মাতার নাম ভুল করে শিক্ষকরা আবার সেগুলো সংশোধন করতে অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নষ্টকারী জড়িত শিক্ষকদের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ সচেতন মহল।
    জানা গেছে, পাবনা সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার সাগরকান্দি ইউনিয়নের “কদিম মালি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী মোঃ শাকিব শেখ এর নাম ভুল, মোঃ রবিন শেখ এর মাতার নাম ভুল, মোঃ শহিদুল ইসলাম এর পিতার নাম ভুল, মোঃ শান্ত মন্ডল এর পিতার নাম ভুল, মোছাঃ তামান্না আক্তার এর এসএসসির সাবজেক্ট ভুল, তার সাইন্স থেকে আর্টসে পাল্টে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীরা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর কিন্তু তাদের অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এইসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানান ভুক্তভোগীরা। অন্যদিকে পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানাধীন রতনগঞ্জ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২০২৪ সালে ৭টি বিদ্যালয়ের মোট ৬৪৩ জন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা দিবে বলে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের ও সহকারি শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নিশ্চিত করেন।
    ঢাকা জেলার আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামের প্রবাসী হযরত আলী’র ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলা করে হয়রানি করার অভিযোগ।প্রকাশ্যে দিবালোকে ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ি ঘর ভাংচুরের ঘটনার পর জমি দখলের চেষ্টা করে স্থানীয় মোল্লা নাজিম উদ্দিন (৪১)সহ তাদের লোকজন। প্রবাসীর স্ত্রী মোছাঃ ইয়াসমিন (৪১) ও বড় ছেলে পুলিশ সদস্য আলামিন (২২) এর বয়স ২৫ দিয়ে এবং ছোট ছেলে এসএসসির পরীক্ষার্থী আশরাফুল (১৬) এর বয়স ২০ বছর দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়েছে নাজিম মোল্লা। সূত্রঃ সি. আর. মামলা নং ৮৩২/২০২৩। ধারাঃ ১৪৩/৪৪৭/ ১০৯/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬। সরেজমিনে এলাকাবাসী অনেকেই বলেন, নাজিম মোল্লা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলা করেছে, আসল কাহিনী হলো একটি জমি দখল। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা কিন্তু এই পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করায় তার পরীক্ষা দেওয়া কঠিন হবে বলে সে জানিয়েছে।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার ইয়ারপুরের হযরত আলী প্রবাসীর ছেলে পুলিশ সদস্য আলামিন ও এসএসসির পরীক্ষার্থী আশরাফুল ইসলামের মা ইয়াছমিন গণমাধ্যমকে বলেন, আশুলিয়ার “ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র ভাই নাজিম উদ্দিন মোল্লা নাজি (৪১) পিতা- মৃত মান্নান মোল্লা। এই নাজিম আমাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং মারপিট করেছে। আমার স্বামী বিদেশ থাকে প্রবাসীর স্ত্রী আমি, আমার বড় ছেলে আলামিন পুলিশ সদস্য ডিউটিরত অবস্থায় এবং ছোট ছেলে আশরাফুল নাবালক ছেলে এসএসসির পরীক্ষার্থী, আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে, সেই সাথে আমাদের সম্মানহানী করছে, আমরা এই মামলার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত দাবী করছি, দোষীদের আটক করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি।
    এ ব্যাপারে পাবনার সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার সাগরকান্দি ইউনিয়নের কদিম মালি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও আমিনপুর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, আমাদের কদিম মালি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-এসএসসি পরীক্ষার্থী কয়েক জনের নাম ও পিতা-মাতার নাম সহকারি শিক্ষক (কেরানি) মোঃ মগবুল ভুল করেছে, তা রাজশাহী গিয়ে সংশোধন করতে হবে।
    উক্ত ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, জন্মদাতা পিতা-মাতার পরেই শিক্ষকদের মর্যাদা আর সেই শিক্ষক যদি হয় দুর্নীতিবাজ তাহলে শিক্ষার মানমর্যাদা কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছে তা বলা খুবই দুঃখদায়ক। দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ে ব্যাঙের ছাতার মতো স্কুল স্থাপিত হয়েছে, সেইসব স্কুলের শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে লেখাপড়া করতে পারেনা কিছু অসাধু শিক্ষকদের কারণে। এসব স্কুলের কিছু শিক্ষক কর্তৃক ভুল ও অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকারের বদনাম হচ্ছে, এ ব্যপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা। আমরা মানবাধিকার কর্মীরাও বলতে চাই যে, শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করাসহ অনিয়ম দুর্নীতি করলে এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান, সচেতন মহল।

  • সাংবাদিকদের মহান পেশায় দায়িত্ব পালনের সময় নানারকম ভাবে বাঁধা সৃষ্টি করা হচ্ছে

    সাংবাদিকদের মহান পেশায় দায়িত্ব পালনের সময় নানারকম ভাবে বাঁধা সৃষ্টি করা হচ্ছে

    হেলাল শেখঃ সাংবাদিক ও পুলিশ একে অপরের বন্ধু উল্লেখ করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি জনাব হাবিবুর রহমান বলেছেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনের সময় বাঁধা দেয়া হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো বাঁধা সৃষ্টিকাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। দেশের যেসকল সম্পাদক ও সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা নির্যাতন করা হয়েছে, সেইসকল ঘটনা ও অপরাধের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ), তিনি বলেন, সাংবাদিকদেরকে ঘায়েল করতে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় একটি মহল। সাংবাদিকদের মহান পেশাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই। তবে কিছু সম্পাদক সাংবাদিকদের বেতনতো দেনই না, উল্টো প্রতি মাসে সাংবাদিকদের কাছ থেকে অর্থ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর কারণে অনেক সাংবাদিক এই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে দিচ্ছেন।
    বিশেষ করে প্রিন্ট প্রত্রিকা-সংবাদপত্র ছাপা ও সাংবাদিকতায় চরম বাধা সৃষ্টি করছে যারা তাদের অপকর্ম, অনিয়ম, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতায় এক পর্যায়ে কাজ করছে কিছু অসাধু লোকজন, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরী, এতে প্রকৃত সাংবাদিক ও সম্পাদক মহোদয়ের সম্মান রক্ষা হবে। অন্যদিকে কাগজপত্র প্লেটের দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণে প্রিন্ট পত্রিকা ছাপানো কঠিন হচ্ছে। মাদক সন্ত্রাস, চোর বাটপার ও খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তির কারণে প্রকৃত সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি করেছে। যা প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য লজ্জাজনক। কিছু অসাধু ব্যক্তির অত্যাচারের কারণে অনেকেই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় যাচ্ছেন।
    কলম সৈনিক সাংবাদিক দাবিদার নিজেদের মধ্যে যারা শক্রতা সৃষ্টি করছেন তারা বেশিরভাগই সংবাদ লিখতে পারেন না, প্রকৃত সাংবাদিকরা কখনো কারো বদনাম করেন না, নিজেদের মধ্যে শক্রতা সৃষ্টি করেন না, জাতির বিবেক হওয়া এতো সহজ নয়। সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এই পেশাকে যারা ছোট করে দেখেন, সাংবাদিকদেরকে অপমান করছেন তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন, দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না, এমনকি যেকোনো পুলিশ অফিসার সাংবাদিকদের অপমান করার অধিকার রাখেন না। আপনাদের ইতিহাস প্রকৃত সাংবাদিকরাই প্রকাশ করতে পারে। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ইতিহাস জানেন যে, আপনারা কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী ? কে কেমন চরিত্রবান। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটেছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল। সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়ে থাকেন। প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে কেউ ভয় দেখাবেন না, কলমের শক্তি দিয়েই তার জবাব দেয়া হবে। আমরা সাংবাদিকরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় শিকার হয়ে থাকেন, ভয় করবেন না “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। সাংবাদিককে অপমান করার অধিকার কারো নেই। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা নিয়মিত ভাবে প্রকাশ করতে হবে। আমরা বলতে চাই ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারী মানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হয়, মিথ্যাচার করলে তা বিপদজনক।
    সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যায়। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন সাংবাদিক। সাংবাদিক জাতির বিঊেশ, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে আমাদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না ?। অনেক সাংবাদিক আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই। দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিকতা”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে।
    সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। স্বাধীনতা ও সম্মান অর্জন করা অনেক কঠিন-বাকিটা ইতিহাস। সাভার আশুলিয়ায় কিছু পুলিশ সদস্য মাদক সন্ত্রাসীদের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করলে তাদের নামে থানায় অভিযোগ ও জিডি মামলা করা হয়, আমরা সাংবাদিকরা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

  • আশুলিয়ায় দি-ল্যাবএইড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় নারীর মৃত্যুর পর আরো এক যুবকের মৃত্যু

    আশুলিয়ায় দি-ল্যাবএইড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় নারীর মৃত্যুর পর আরো এক যুবকের মৃত্যু


    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়া জামগড়া দি ল্যাব এইড হাসপাতালের মহিলা ডাক্তার কর্তৃক জরায়ু টিউমারের অপারেশন করার সময় মূত্রখলি কেটে ভুল চিকিৎসায় এক মায়ের মৃত্যুর ঘটনার পর আরো এক যুবকের মৃত্যু হলো। প্রায় এক মাস এই নারী রোগী মৃত্যু শর্যায় ছিলেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি-ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার কারণেই তাদের রোগীর মৃত্যু হয়। এরকম ডাক্তাররের ভুল চিকিৎসায় একাধিক রোগীর মৃত্যুর পরও কিভাবে প্রতিষ্ঠানটি চলছে এমনই অভিমত প্রকাশ করেন সচেতন মহল।
    সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) সকালে আশুলিয়ার জামগড়া ছয়তলা মোল্লা সুপার মার্কেটে দি ল্যাব এইড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, গত রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে এই প্রতিষ্ঠানে রোগীর পিত্তথলির অপারেশন বাবদ ৪০ হাজার টাকা চুক্তিতে ভর্তি করা হয়, এরপর রাতে পিত্তথলির অপারেশন করার পর একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়, এসময় রোগীর মুখ দিয়ে ফেনা উঠে তার মৃত্যু হয়। নিহহের নাম মোঃ মিজানুর রহমান বেপারী (৩০), সে মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার সূর্যমুখী গ্রামের মোঃ লুৎফর বেপারীর ছেলে।
    এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জুন ২০২২) ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, রহিমা বেগম (৪৮) কে গত (২৮ এপ্রিল ২০২২ইং) তারিখে জামগড়ার বেরুণ ছয়তলা মোল্লা সুপার মার্কেটে অবস্থিত দি- ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এইদিনেই জরায়ু টিউমারের অপারেশন করেন হাসপাতালের এক মহিলা ডাক্তার, তাকে অপারেশন করার পর থেকেই অবস্থা অবনতির দিকে যেতে থাকে। হাসপাতালের মালিক মন্টুসহ ডাক্তারকে জানানো হলে তারা কোনো ব্যবস্থা নেইনি বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। এমনকি তারা বলেওনি যে, রোগীর ভুল অপারেশন করা হয়েছে। চলমান দীর্ঘ ৩৫দিন চিকিৎসা করা অবস্থায় গত বুধবার দিবাগত রাত ৯টা ১৫ মিনিটে রহিমা বেগম এর মৃত্যু হয়।
    নিহতের স্বামী মোঃ রেজাউল (৫৮) অভিযোগ করে বলেন, আশুলিয়ার জামগড়ার ছয়তলা এলাকার দি-ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তির পর অপারেশন করাই এরপর থেকে আমার স্ত্রীর অবস্থা বেশি খারাপের দিকে গেলে আমি দিশেহারা হয়ে তাকে নিয়ে ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে ফেরত দেয়া হলে, পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে ভর্তি করি। সেখানে দীর্ঘ ১৮দিন ভর্তি রাখা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক এর মাধ্যমে জানতে পারছি আমার স্ত্রীর জরায়ু টিউমারের অপারেশনে ডাক্তার ভুল করে প্রসাবের নাল কেটে অন্য জায়গায় জয়েন্ট করে দিয়েছিলো। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দ্রুত পুনরায় অপারেশন করা হয়। সেখান থেকে বাসায় আনার পর আবার শরীর ফোলে যায়, গতকাল আবার রোগী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে তার হাসপাতালেই মৃত্যু ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদেরকে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট নিয়ে যেতে বাধ্য করেছে উক্ত অভিযুক্তরা। এই ভুল চিকিৎসার সাথে জড়িত সবার আটক করাসহ দ্রুত বিচারের দাবী করেন ভুক্তভোগীর স্বামী রেজাউল শিকদার, তিনি আরও বলেন যে, আর যেন কোনো রোগীর এমন ভুল চিকিৎসা না করতে পারে, আমার রোগীর ভুল চিকিৎসার কারণে প্রায় ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা খরচ হওয়ার পর, আবার বুধবার আরও লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে, আমার এই ক্ষতিপুরণসহ এ ঘটনার সাথে জড়িতদের কঠিনতম শাস্তি দাবী করছি।
    এ বিষয়ে নিহত রহিমা বেগমের ধর্ম ছেলে সম্রাট বলেন, আমার মায়ের জরায়ু টিউমারের অপারেশন করার জন্য জামগড়া ছয়তলা দি-ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করি কিন্তু এক মহিলা ডাঃ মাকে অপারেশন করলে মায়ের মূত্রথলি কেটে ফেলে অনত্র লাগিয়ে দেয়া হয়েছে, এর কারণে ১৭ দিন প্রস্রাব বন্ধ ছিলো। ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে মাকে নিয়ে চিকিৎসা করা হলেও বুধবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটে মায়ের মৃত্যু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে আমাদের। ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ মায়ের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী, তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ, প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
    সে সময়ে দি-ল্যাবএইড হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন মন্টু’র কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে মোছাঃ ফৌজি সামের এক ডাক্তারের ভুলের কারণে এমনটি হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে, এতে আমার কোনো হাত ছিলো না। পরে আরও বলেন, যেহেতু আমার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান তাই দায়ভার আমাকেই নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, রোগীর পক্ষের ৫০-৬০জন এসে এর আগে আমার হাসপাতালে হামলা করেছে, ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম, তারা মানেনি, এরপর ১ লক্ষ টাকা দিয়ে মিমাংসা করি। আমি এ বিষয়ে এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। এখন রোগীর মৃত্যুর ঘটনার পর কোনো আলোচনা হয়নি।
    সূত্রে জানা গেছে, দেশে ভুয়া ডাক্তারের সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। তারা রাজধানীসহ সারাদেশে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করছে। সেই সাথে অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ রোগীদের কাছে বিক্রি করছে। সংশ্লিষ্টরা অবৈধভাবে অর্র্থ কামিয়ে বাড়ি গাড়ি করছে, রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন অনেকেই। স্থান ও প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে অনেকেই জমজমাট ভাবে ব্যবসা করছে। রোগীদেরকে চিকিৎসার জন্য ক্লিনিক, হাসপাতালে নিলেই অপ্রয়োজনীয় পরিক্ষা, টেস্ট দেওয়া হয়, ভুয়া ডাক্তার দিয়ে অপারেশন করানোর অভিযোগও রয়েছে। অন্যদিকে নামী দামি কোম্পানীগুলো ওষুধের গায়ে মূল্য লিখছেন না। ওষুধের গায়ে মূল্য না থাকায় কৌশলে দাম বেশি নিচ্ছেন অনেক ওষুধের দোকানদার। সেই সাথে নকল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার কারবার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এক কথায় চিকিৎসা সেবার নামে অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকারের বদনাম হচ্ছে। ভেজাল ওষুধে মানবদেহে রোগ ভালো না হয়ে আরও খারাপ পরিণতি হচ্ছে, রোগ বাড়ছে, অকালে মৃত্যু হচ্ছে।দেখা যায়, রাস্তা-ঘাটে ও মুদি দোকানেও ওষুধ বিক্রি করছে, ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেও অনেকেই ডাক্তার সেজে ওষুধের দোকান খুলে বসে চিকিৎসা করছে এবং ওষুধ বিক্রি করছে। যাদের ওষুধ সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই তারাও এখন কথিত ডাক্তার। শুধু সচেতনতার অভাবে মানুষের শরীর স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ঢাকার ধামরাই ও সাভার-আশুলিয়ায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন থানায় প্রায় ১৫ হাজারের বেশি ওষুধের দোকান রয়েছে, এ যেন ব্যাঙের ছাতার মতো দোকান। তাদের অনেকেরই সঠিক কাগজপত্র নেই। অনেকের আবার বৈধ কাগজপত্র থাকলেও তার মেয়াদ নেই। সেই সাথে ক্লিনিক ব্যবসায় বিভিন্ন টেস্টের নামে অবৈধ ভাবে ভোক্তাকে ঠকানো হচ্ছে। ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান ও ক্লিনিক, হাসপাতাল গড়ে উঠেছে।
    র‌্যাব জানায়, ভুয়া চিকিৎসক নিজেকে ডাক্তার হিসেবে উল্লেখ করে আসে। রোগ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি থাকার কথাও অনেক ব্যবস্থাপত্রে লিখেন এবং অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ লিখে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে। ক্লিনিক ও হাসপাতালের সামনে ওষুধ কোম্পানির গাড়ী-মটরসাইকেল দেখলে মনে হয় সেখানে মটরসাইকেলের বাজার লেগেছে। এ বিষয়ে র‌্যাব ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানায়, উক্ত ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে।
    রাজধানী ঢাকার ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক সৈকত কুমার বলেন, ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ করাসহ নিয়মিত অভিযান চলছে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সায়েমুল হুদা গণমাধ্যমকে বলেন, এসকল বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে দি-ল্যাব এইড হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন মন্টু বলেন, আমি অসুস্থ, ঢাকায় চিকিৎসার জন্য আসছি। তিনি আরো বলেন, আশুলিয়া সকল সাংবাদিকদের সাথে তার ভালো সম্পর্ক আছে এবং থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ হয়েছে, আমার আত্মীয় এসপি’র দিয়ে ফোন করানো হয়েছে, তারা বিষয়টি দেখবেন।

  • ভবানীপুর বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    ভবানীপুর বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর পৌরসভার ৪০ নং ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার এ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহিদুল হাসান রোজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুশতাক আহমেদ, উপজেলা রির্সোস কর্মকর্তা সৈয়দ আবু আলী ফারমুদা ও বিদ্যালয়ের পি.টি.এ সভাপতি মোস্তফা জামাল। স্বাগত বক্তব্য দেন ৪০ নং ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ শাহনাজ বেগম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন রাজশাহী ডিবির ওসি আব্দুল হাই ও সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাছেত বাচ্চু ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ ও পৌর কাউন্সিলর জায়দুল হক জনি। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য আবিদা সুলতানা, সাফাজ উদ্দিন, আঞ্জুমান-আরা বেগম, ফরিদা খাতুন, উমাইয়া তাসমিন, লিয়াকত আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন,,অত্র বিদ্যালয়র সহকারী শিক্ষক শামীমা নাছরীন, শাহনাজ আক্তার, কামরুন্নাহার, জান্নাতুল ফেরদৌস, শামীমা নাসরিন, আব্দুল আলিম, মাহফুজা খাতুন, রোকনুজ্জামান, রুমা পারভিন, জিয়াসমিন আক্তার রুনা,কোরবান আলী। সহযোগিতায় ছিলেন বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী চন্দন কুমার সরকার।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।।

  • কেশবপুর কেন্দ্রীয় কালিবাড়ীর কমিটি গঠন সভাপতি শ্যামল সরকার, সম্পাদক কনক সেন

    কেশবপুর কেন্দ্রীয় কালিবাড়ীর কমিটি গঠন সভাপতি শ্যামল সরকার, সম্পাদক কনক সেন

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুর কেন্দ্রীয় কালিবাড়ী কমিটি গঠন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারী কালিবাড়ী অঙ্গনে শুকুমার সাহার সভাপতিত্ত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি ও কেশবপুর উপজেলা পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামল সরকার। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পংকজ কুমার দাস ও উদয় শংকর সিংহ প্রমূখ।
    আলোচনা সভা শেষে সর্বস্মতিক্রমে সভাপতি করা হয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি ও কেশবপুর উপজেলা পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামল সরকার ,সহ সভাপতি পংকজ কুমার দাস ও দুলাল কুমার সাহা, সাধারন সম্পাদক কনক কুমার সেন, সহ সম্পাদক স্বপন মুখার্জি,কোষাধ্যক্ষ উদয় শংকর সিংহ সহ ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। একমিটির অন্যরা হলেন নারী সম্পাদক শ্যামলি মজুমদার ,প্রকাশনা প্রবীর দত্ত,মন্দির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আশুতোষ মজুমদার,সংস্কৃত সম্পাদক অলোক বসু,। সদস্যরা হলেন শুকুমার সাহা,চন্দ্র শেখর সাহা, মদন সাহা অপু,উৎপল দে, বাবলু ঘোষ,সঞ্জয় দে, শিবু চক্রবর্ত্তি,কার্তিক রায় ,সত্যজিৎ সাহা ও গৌতম সেন ।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর।।

  • ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ায় ওয়ালিদ করিম সান কে সংবর্ধনা

    ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ায় ওয়ালিদ করিম সান কে সংবর্ধনা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ শাহীন শিক্ষা পরিবার এর (এস. ই. এফ) ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০২৩ সালের ৫ম শ্রেণীর বৃত্তি ওয়ালিদ করিম সান ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মিলনায়তনে শাহীন শিক্ষা পরিবার(এস.ই.এফ) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ওয়ালিদ করিম সান সহ বৃত্তিপ্রাপ্ত অন্য মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের এ সংবর্ধনা ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ওয়ালিদ করিম সান সহ বৃত্তিপ্রাপ্ত অন্য মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন শাহীন শিক্ষা পরিবার এর (এস. ই. এফ) ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীন। এ সময় অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সান বৃত্তি পরীক্ষায় পাবনার মধ্যে নবম স্থান অধিকার করে। ওয়ালিদ করিম সান সুজানগর পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রেজার পুত্র। ওয়ালিদ করিম সান পুলিশ লাইনস স্কুল এন্ড কলেজ পাবনা থেকে ২০২৩ সালের ৫ম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদিকে ওয়ালিদ করিম সান যেন সু শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে এ জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন সান এর পিতা সুজানগর পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও সান এর মা সম্পা খাতুন। উল্লেখ্য সান এর ছোট ভাই ওয়াহিদ করিম মুন ও পুলিশ লাইনস স্কুল এন্ড কলেজ পাবনার ৩য় শ্রেণীর একজন মেধাবী ছাত্র।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।।

  • তানোরে খামারের নামে সংযোগ নিয়ে অবৈধ সেচ বাণিজ্য

    তানোরে খামারের নামে সংযোগ নিয়ে অবৈধ সেচ বাণিজ্য

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে চলছে মুরগী বিহীন খামারের আড়ালে কৃষকদের জিম্মি করে
    রমরমা সেচ বাণিজ্য। অল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফা হওয়ায় কথিত খামার গড়ে উঠেছে। এসব খামারে মুরগীর কোনো অস্থিত্ব নাই। সরেজমিন উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) গাংহাটি মাঠে গেছে, জনমানব শূণ্য বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের মধ্যে টিনের চালাতুলে মুরগী খামারের নামে অবৈধ মটর বসানো হয়েছে।
    স্থানীয়রা জানান, কৃষকদের বাঁধা উপেক্ষা করে এমাজ উদ্দিন গাংহাটি মাঠে গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় অবৈধ মটর স্থাপন করেছেন। তানোর পল্লী বিদ্যুত অজ্ঞাত কারণে সেই অবৈধ মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন। এদিকে এমাজ উদ্দিন মুরগী খামারের কৃষকদের জিম্মি করে সেচ চার্জ আদায়ের নামে রীতিমতো চাঁদাবাজি করছে। এলাকায় তিনি (ওয়াটার লর্ড) বা জল জমিদার নামে পরিচিত। অন্যদিকে তাঁর অবৈধ মটর থেকে সেচ বাণিজ্য করায় পাশের গভীর নলকুপ লেয়ার ফেল করে প্রায় অকেজো হবার পথে।
    সুত্র জানায়, মুরগী খামারে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গেলে তিনি কখানো কোনো অবস্থাতে কৃষি জমিতে সেচ দিবেন না, দিলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে ৩০০ টাকা মূল্যর ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মটর মালিকের এমন অঙ্গীকার নামা দেবার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়াও সেই খামারে মুরগী পালন করা হয় কি না সেটা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার কথা বলা আছে। কিন্ত্ত এমাজ উদ্দিন এসব নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে সেচ বাণিজ্যে করছে।
    সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, বিগত ২০১৪ সালে কৃষি মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেন। পরিপত্রে বলা হয় বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির সংকট মোকাবেলায় সেচ মটর স্থাপন নিরুৎসাহিত (বন্ধ) করে তা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা সেচ কমিটিকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়।
    এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা (ডিজিএম) জহুরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে এমাজ উদ্দিনের মটরের সংযোগ দ্রুত বিচ্ছিন্ন করা হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে এমাজ উদ্দিন বলেন, অনেক টাকা খরচ করে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন, তিনি সেচ দেন এটা পল্লী বিদ্যুৎ জানেন। তিনি বলেন, খামার না দেখালে সংযোগ দিবে না তাই খামার দেখানো হয়েছিল।

  • পাইকগাছায় চুরি করতে যেয়ে চোখ-মুখে সুপারগ্লু আঠা দিয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন

    পাইকগাছায় চুরি করতে যেয়ে চোখ-মুখে সুপারগ্লু আঠা দিয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার রাড়ুলী ইউনিয়নের ষষ্ঠীতলা এলাকায় এক কাঁচামাল ব্যাবসায়ীর বাড়িতে চুরি করতে এসে তার স্ত্রীর হাত- পা বেধে, চোখ-মুখে সুপারগ্লু আঠা দিয়ে মারপিট ও নির্যাতন করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার সকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেলে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ব্যবসায়ী মান্নান সরদার ব্যবসায়িক কাজে বাহিরে ছিলেন। বাড়িতে মান্নানের স্ত্রী একা থাকায় দুর্বৃত্তরা এমন ঘটনা ঘটায় বলে এলাকাবাসী জানান।
    ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার অজ্ঞত চোরেরা মই দিয়ে ছাদে উঠে সিড়ির দরজা শাবল দিয়ে ভেঙে গৃহবধূর বেডরুমে প্রবেশ করেন। ওই গৃহবধূর স্বামী ব্যবসার কাজে বাইরে থাকায় তিনি একা বাড়িতে ছিলেন। এ সময় গৃহবধূকে হাত -পা বেঁধে চোখে সুপারগ্লু আঠা লাগিয়ে মুখে টেপ লাগিয়ে রেখে নির্যাতন করেন এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করেন। মান্নান বলেন, এসময় ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল নিয়ে গেছে এবং বাড়িতে টাকা ছিল কত টাকা নিয়ে গেছে আমার স্ত্রী বলতে পারবে(এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুপুর ২ টা) কিন্তু তিনি এখনোও অচেতন রয়েছে।
    ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনাটি দুঃখ জনক,আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম এবং এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনা যারা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলুক শাস্তির ব্যবস্থা করতে প্রসাশনের প্রতি আহ্বান জানান।
    পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, গৃহবধূকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। নির্যাতন হয়েছেন কিনা বা সুপারগ্লু দিয়েছে কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায় তদন্ত শুরু হয়েছে। অতি সত্তর আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।