Blog

  • বরগুনার তালতলীতে জলবায়ু ঋণ বা-তিল করার দা-বিতে পদযাত্রা কর্মসূচি

    বরগুনার তালতলীতে জলবায়ু ঋণ বা-তিল করার দা-বিতে পদযাত্রা কর্মসূচি

    মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
    ক্ষতিপূরণ এবং ন্যায্য রূপান্তর এখনই’ এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে জলবায়ু ঋণ বাতিল করার দাবিতে বরগুনার তালতলীতে পদযাত্রা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১ টার দিকে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা),  পিপীলিকা’র পাঠশালা, বিডি ক্লিন-তালতলী ও নিদ্রা পর্যটন উদ্যোক্তা কমিটির আয়োজনে এ পদযাত্রা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    এ পদযাত্রা উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু হয়ে সোনাকাটা ইউনিয়নের নিদ্রার চর সৈকতে গিয়ে শেষ হয়। এসময় শতাধিক শিক্ষার্থী পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের শরীরে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবি সম্বলিত টি শার্ট ও বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করতে দেখা যায়।

    বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ-সম্পাদক আবু জাফর সালেহ পদযাত্রা কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন, বরগুনা জেলা টেলিভিশন ফোরামের সাবেক সাধারণ-সম্পাদক বেলাল হোসেন মিলন, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র (তালতলী-আমতলী) সমন্বয়ক আরিফুর রহমান, পরিবেশ ও উন্নয়নকর্মী এম মিলন, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী মো. মোস্তাফিজ, তালতলী চারুকলা একাডেমীর পরিচালক রফিকুল ইসলাম অন্তর প্রমুখ।

    এ সময় বক্তারা বলেন, ‘আমাদের সকল প্রকার জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং সকল ক্ষেত্রে নবায়ন শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলে সূর্যের তাপ বেশি উষ্ণ বিধায় এখানে সোলার প্রযুক্তি স্থাপন, সমুদ্র তীরের বাতাসকে ব্যবহার করে বায়োবিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রামীণ এলাকায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করতে হবে। সকল প্রকার জলবায়ু ঋণ বাতিল করে এ সময় ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি ।।

  • এইচএসসি পরীক্ষায় পঞ্চগড় তিনটি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ ক-রেনি

    এইচএসসি পরীক্ষায় পঞ্চগড় তিনটি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ ক-রেনি

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পঞ্চগড় জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ফলাফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা গেছে।শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনোটিই এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ জন, আর আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ২ জন অনুপস্থিত ছিল।মাড়েয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, ‘আমাদের কলেজ শাখা এমপিওভুক্ত হয়নি। কয়েক বছর ধরে নেই কোনো শিক্ষক। এজন্য একজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করতে পারেনি।’

    বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী বলেন, ‘ভর্তি হওয়ার পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, এ জন্য কেউ পাস করতে পারেনি।’

    আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী বলেন, ‘আমাদের কলেজের চারজনের মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। দুজনে পাস করার কথা ছিল। আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করব।’এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি, তাদের শোকজ করা হবে। কেন এমন ফল হলো, তা খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে কিভাবে উন্নতি আনা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • সাভারে সংখ্যালঘু কর্তৃক এক মুসলিম শিক্ষার্থী গণধ-র্ষণের শি-কার

    সাভারে সংখ্যালঘু কর্তৃক এক মুসলিম শিক্ষার্থী গণধ-র্ষণের শি-কার

    হেলাল শেখঃ সাভারের খ্রীষ্টান অধ্যুষিত বিরুলিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গণধর্ষণের শিকার এক শিক্ষার্থী। সে ঝালকাঠি জেলার সদর থানার অন্তর্গত গগন গ্রামের মেয়ে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওরীন জাহান বিগত ১৪ই অক্টোবর রাতে টিউশন শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় সংখ্যালঘু খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের সন্তোষ রোজারিওর ছেলে সোহেল রোজারিও(৩৭), বানার্ড রোজারিও মেঘার ছেলে বিপ্লব রোজারিও ওরফে তিলক রোজারিও (৪০) ও মৃত দেবেন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে মিঠু বিশ্বাস(৩৫) ভিকটিমের পথ রোধ করে। এক পর্যায়ে তার মুখ চেপে ধরে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়।

    উল্লেখ্য ভিকটিম ও আসামীদের বাড়ি কমলাপুর গোয়ালিও পাড়ায়। আসামীরা এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি ও দুশ্চরিত্র হিসেবে পরিচিত। ঘটনার পর থেকে আসামীরা পলাতক থাকলেও ভিকটিমের পরিবারকে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে আসামী পক্ষের লোকজন।

    এদিকে উক্ত ঘটনায় সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার জানান।

  • সুজানগরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পা-লিত

    সুজানগরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পা-লিত

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি : ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ প্রতিপাদ্যে পাবনার সুজানগরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে।এ উপলক্ষ্যে বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে হাত ধোয়া প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। পরে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে উদ্যোগে বের হওয়া র‍্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে হাত ধোয়া শিক্ষন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইউএনও মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ প্রাথমিকের শিশু শিক্ষার্থীদের সঠিক নিয়মে হাত ধোয়া শিক্ষন কার্ষক্রম পর্ষবেক্ষণ করেন। তিনি শিশু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, হাতের মাধ্যমে অনেক জীবানু ছড়াই। এজন্য খাবারের পূর্বে অবশ্যই সঠিক নিয়মে হাত পরিষ্কার করতে হবে। এতে অনেক রোগ বালাই থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। এ সময় সুজানগর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর উপ সহকারী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।।

  • ঝিনাইদহ স্ত্রী হ-ত্যার দায়ে স্বামী গ্রে-ফতার

    ঝিনাইদহ স্ত্রী হ-ত্যার দায়ে স্বামী গ্রে-ফতার

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    ঝিনাইদহ পৌরসভার গোপিনাথপুর এলাকায় হাইওয়ে সড়কের পাশে কাঠের দোকানের ভেতর থেকে তাসলিমা খাতুন (৪০) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধারের তিন দিন পর হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।স্বামী লাল মিয়া (৪৫) গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশকে জানান পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন । সুত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ পৌরসভার গোপিনাথপুর এলাকায় হাইওয়ে সড়কের পাশে লাল মিয়ার কাঠের দোকান থেকে তাসলিমা খাতুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তালাবদ্ধ দোকান থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চৌকির নিচে লুকানো অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে। নিহতের মুখ ও গলায় পুরনো টাই বাঁধা ছিল। ঘটনার পর নিহতের ছেলে রাজন (২১) বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাজিব আলী সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সহায়তায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাতে হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চাঁদপুর এলাকা থেকে ঘাতক স্বামী লাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন। ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাল মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। লাশ দোকানের চৌকির নিচে লুকিয়ে রেখে স্ত্রীর ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে পালিয়ে যান। ওসি আরও জানান, আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নিহতের স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়েছে। কানের দুল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছায় নবাগত এসি-ল্যান্ড মো. ফজলে রাব্বী’র যোগদান

    পাইকগাছায় নবাগত এসি-ল্যান্ড মো. ফজলে রাব্বী’র যোগদান

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেছেন মো. ফজলে রাব্বী। তিনি মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর নিকট থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন সহ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দের পক্ষ থেকে নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে ফুলেল শুভেচ্ছান্তে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রশান্ত পাল সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, নবাগত এসিল্যান্ড মো. ফজলে রাব্বী ২০২২ সালে বিসিএস ৪০ তম ব্যাচে প্রশাসন ক্যাডারে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ১৪ সেপ্টেম্বর তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসাবে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় যোগদান করেন। যোগদান করেই নবাগত এসিল্যান্ড মো. ফজলে রাব্বী এ প্রতিনিধির সাথে আলাপচারিতায় সেবার মানসিকতা নিয়ে পূর্বের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে ভূমি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিতামূলক ও সহজীকরণ সেবা নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় এক বছরে ৭৯ সড়ক দু-র্ঘটনা ; মৃ-ত্যু ১৫

    পাইকগাছায় এক বছরে ৭৯ সড়ক দু-র্ঘটনা ; মৃ-ত্যু ১৫

    ইমদাদুল হক ,পাইকগাছা ( খুলনা) ।।

    খুলনার পাইকগাছায় গত এক বছরে ৭৯ টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময় দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৮ জন। ১৫ অক্টোবর বুধবার সকালে সড়ক দুর্ঘটনার এমন চিত্র তুলে ধরেন নিরাপদ সড়ক চাই পাইকগাছা উপজেলা শাখার উপদেষ্টা অধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ বাহার। ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি কার্যালয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস কে সামনে রেখে নিসচা’র পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর হতে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এক বছরের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং এর অভাব, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, লাইসেন্স বিহীন চালক নিয়োগ, ফিটনেস বিহীন গাড়ি ব্যবহার, বিরতি ছাড়া দীর্ঘ সময় একটানা গাড়ি চালানো, সড়কের বেহাল অবস্থা, চালক এবং পথচারীদের মধ্যে আইন না মানার প্রবণতা সহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। গত এক বছরে যারা নিহত হয়েছেন তারা হলেন ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর চেচুয়ার তারক বিশ্বাসের ছেলে তমাল বিশ্বাস (২২), ৭ ডিসেম্বর কাজীমুছার জহুর হালদারের মেয়ে সেলিনা বেগম (৪৫), ৩১ ডিসেম্বর মধুখালি গ্রামের কবিতা মন্ডল (৫৯), ৯ জানুয়ারি ২০২৫ হরিঢালীর সোহরাব বিশ্বাসের ছেলে হাবিবুর রহমান ঝন্টু(৪০), ১৩ জানুয়ারি আগড়ঘাটার শেখ আবুল হোসেনের ছেলে রুহুল আমিন (৩০), ১২ এপ্রিল হরিদাসকাটীর প্রভাষক নিত্যনন্দ দাশ, ২১ এপ্রিল পুরাইকাটী গ্রামের মৃত মাদার সরদারের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন (৭০), ২৩ এপ্রিল বিরাশী গ্রামের মুছা গাজী (৫৫), ২৫ নভেম্বর কপিলমুনির ব্যবসায়ী অপূর্ব সাধুর স্ত্রী রীতা সাধু(৩২) ও ছেলে সৌরভ সাধু(০৫), পহেলা মে মটবাটিয়া গ্রামের ফিরোজ মোড়ল (২৭), ১৪ মে পাইকগাছার সুবোধ, ২০ জুলাই বোরহানপুরের মৃত মনু গাজীর ছেলে মোকছেদ গাজী ও ১১ সেপ্টেম্বর আগড়ঘাটার মফিজুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজ (১৭)। নিসচা’র পক্ষ থেকে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সড়ক পরিবহণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন, ট্রাফিক আইন মানা, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, বাধ্যতামূলক হেলমেট ব্যবহার সহ সচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে লন্ডনে চিকিৎসাধীন নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠিতা চেয়ারম্যান চিত্র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এর দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়। নিসচা উপজেলা শাখার সভাপতি এইচ এম শফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জিএম শুকুরুজ্জামান, নিসচা’র সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক জিএম মিজানুর রহমান, এসএম আলাউদ্দিন সোহাগ, যুবদল নেতা আবু হুরায়রা বাদশা, চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম ও কাজী ফারহানা আফরোজ।

  • ধামইরহাটে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পা-লিত

    ধামইরহাটে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পা-লিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

    ধামইরহাটে বিশ্ব হাত ধােয়া দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের আয়োজনে ডাসকো ফাউন্ডেশন (থ্রাইভ প্রকল্প) ও ওয়ার্ল্ড ভিশন ধামইরহাট এপি’ র সহযোগীতায় ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও এনজিও প্রতিনিধিগণ দিবস উদযাপনে অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালি শেষে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারি প্রকৌশলী মিলন কুমার এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি শাহরিয়ার রহমান হাত ধোয়া দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন। আরও বক্তব্য প্রদান করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আশীষ কুমার সরকার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরদার প্রমূখ। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আশীষ কুমার সরকার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মিলন কুমার শিক্ষার্থীইদের হাত ধোয়া পদ্ধতি শিখিয়ে দেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি।।

  • উজিরপুরে নি-ষেধাজ্ঞা অ-মান্য করে মা ইলিশ আহ-রন করায় ৩ জেলের কারা-দন্ড

    উজিরপুরে নি-ষেধাজ্ঞা অ-মান্য করে মা ইলিশ আহ-রন করায় ৩ জেলের কারা-দন্ড

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ মাছ আহরন করায় ৩ জেলেকে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

    সূত্রে জানা যায়,১৫ই অক্টোবর বুধবার উজিরপুর উপজেলার সন্ধ্যা নদী থেকে উপজেলা প্রশাসন, উজিরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় এবং উজিরপুর মডেল থানার যৌথ অভিযানে সকাল ০৬.৪০ টার সময় ০৩ জনকে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ এর ৫(১) ধারা অনুযায়ী নিষিদ্ধকালীন সময়ে সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে ইলিশ মাছ আহরণ করার অপরাধে ০৭ (সাত) দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উজিরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহেশ্বর মন্ডল।

    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার জানান, যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সেনবাগের ৪৪ টি লাইসেন্স বিহীন অ-বৈধ করাতকলে রমরমা বানিজ্য – রাজস্ব ফাঁ-কি

    সেনবাগের ৪৪ টি লাইসেন্স বিহীন অ-বৈধ করাতকলে রমরমা বানিজ্য – রাজস্ব ফাঁ-কি

    রফিকুল ইসলাম সুমন,
    নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।।

    প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন আইন ১৯২৭ ও করাতকল(লাইসেন্স) বিধিমালা ২০১২ কে অমান্য করে, নোয়াখালীর সেনবাগে ৪৪ টি অবৈধ করাতকলে রমরমা বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

    করাতকল স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশিত ১৯৫৬ সালের আইন অনুযায়ী ৩ বছরের কারাদন্ড ও অর্থ জরিমানার বিধান থাকলে এব্যাপারে উদাসীন রয়েছে সেনবাগ উপজেলা প্রশাসন।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে লাইসেন্স বিহীন ৪৪ টি করাতকলের মালিকগন তাদের অনুমতি বিহীন করাতকল পরিচালনার কথা স্বীকার করেন।পাশাপাশি গণমাধ্যমকে জানান, সেনবাগ উপজেলা বন বিভাগে কর্মরত ফরেষ্টগার্ড শরিফকে বিভিন্ন সময়ে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে তাদের করাতকল গুলি চালিয়ে যাচ্ছেন। শরিফ প্রতিটি করাতকল থেকে ১৬ই ডিসেম্বর, ২১শে ফেব্রুয়ারী, ২৬ শে মার্চ সহ বিভিন্ন দিবসে ১(এক) হাজার টাকা থেকে ২(দুই) হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে নেয়।এছাড়া ও বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি করাতকল মালিক থেকে অর্থ আদায় করে। করাতকল মালিকদের নিকট হতে অর্থ আদায়ের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ফরেষ্টগার্ড শরিফ গণমাধ্যমকে কোন সদুত্তর না দিয়ে বলেন, যারা অভিযোগ করেছে তাদের চেহারা গুলো আমাকে দেখান, ওদেরকে আমি দেখে নিবো।আমাদের পাওয়ার না থাকলে কি আমরা সরকারি চাকুরী করি?

    অবৈধ করাতকল স্থাপন,
    পরিচালনা ও ফরেষ্টগার্ড শরিফের মাসোয়ারা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, সেনবাগ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: এহসানুল হক গণমাধ্যম কে জানান,সেনবাগের ৬০টি করাতকলের মধ্যে ১৬টি করাতকলের লাইসেন্স আছে। বাকী ৪৪ টি করাতকলের লাইসেন্স ও অনান্য প্রয়োজনীয় কোন কাগজপত্রই নাই। অধিকাংশ করাতকল মালিক ১৫ থেকে ২০ বছর যাবত লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধ করাতকল চালিয়ে যাচ্ছেন।
    আমি কিছুদিন পরপর নোটিশ প্রেরন করে লাইসেন্স করার জন্য তাগিদ দেই, কিন্তু তারা এতে কর্ণপাত না করেই পূর্বের মতো অবৈধভাবে করাতকলগুলো চালিয়ে যাচ্ছেন। আর বনপ্রহরী শরিফ করাতকল মালিকদের নিকট হতে টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি অবগত নই।কেউ যদি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে তাহলে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো।

    এদিকে লাইসেন্সধারী করাতকল মালিকগন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,,আমরা সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে,লাইসেন্স করে কি লাভ? বন বিভাগের অসাধু কর্মচারীদের টাকা দিয়ে অবৈধভাবে অনেকেই চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের করাতকল গুলি। বৈধ করাতকল মালিকদের দাবি, খুব শীগ্রই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে লাইসেন্স বিহীন অবৈধ করাতকল মালিকদের বিরুদ্ধে যেন আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।