Blog

  • মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যু, বিভিন্ন মহলের শোক

    মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যু, বিভিন্ন মহলের শোক

    রক্সী খান মাগুরা প্রতিনিধি \ মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, কালের কন্ঠ ও চ্যানেল আই এর মাগুরা প্রতিনিধি শামীম খানের পিতা আব্দুস সামাদ খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না … ..রাজেউন)। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের খান পাড়ায় নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি দীর্ঘদিন যাবত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৮ বছর। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টায় স্থানীয় মোল্যাপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে ভায়না পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়। তিনি ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে নাতি নাতনিসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি মাগুরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন পরবর্তীতে সময়ে জেলা শিক্ষা অফিস এবং মাগুরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চাকরি শেষে অবসর গ্রহন করেন।
    তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. বীরেন শিকদার, মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল ফাত্তাহ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পঙ্কজ কুমার কুন্ডু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নাসির বাবলু, পৌর মেয়র খুরশীদ হায়দার টুটুল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট মাহাবুবুল আকবর কল্লোল ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রাশেদ মাহমুদ শাহীন, মাগুরা প্রেসক্লাবসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা।

    রক্সী খান মাগুরা।

  • রাজশাহীর চারঘাটে উপজেলা নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে

    রাজশাহীর চারঘাটে উপজেলা নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট থেকেঃ

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই রাজশাহীর চারঘাটে উপজেলা নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হতেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঠে নেমে পড়েছে।

    উপজেলার সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে তারা হলেন, বর্তমান চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম। গত ২০১৯ সালের ১০ শে মার্চ চারঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করে চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

    ফখরুল ইসলাম নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেন এবং উপজেলার প্রতিটি এলাকায় গিয়ে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের সাথে মিশতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তার মিষ্টি মুখের হাসি দিয়ে এলাকবাসীর মন জয় করেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকার জনগণ নিয়েই আমার গর্ব, এলাকাবাসী আমার ক্ষমতার উৎস তাই এলাকাবাসীর মুখে হাসি ফুটাতে চলে যায় তাদের দোরগোড়ায়।

    বর্তমানে তিনি চেয়ারম্যান দ্বায়িত্ব পালন করা কালীন সময়ে এলাকায় স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা-ঘাট সহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছে।

    ফখরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান চারঘাট-বাঘার সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম এর সাথে আমার অনেক সুসম্পর্ক রয়েছে। তিনি আমাকে উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করে আমার সাথে ছিলেন এবং এখনো আমাকে সাহস যোগান দেন। সব সময় তিনি আমার সাথে রয়েছেন।

    এদিকে, বর্তমান চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক, উপজেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি, চারঘাট উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি ও উদীয় মান তরুণ নেতা কাজী মাহমুদুল হাসান মামুন। তিনিও উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইবে বলে এই প্রতিবেদককে জানান।

    মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকেই আওয়ামী লীগের সাথে আছি। আমি গত ২০১৯ সালের অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পত্র চাইলে আমাকে মনোনয়ন না দিয়ে দলের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে কাজ করান নির্দেশ দিলে আমি দলীয় গঠনতন্ত্র মেনে ফখরুলের সাথে নির্বাচনি মাঠে কাজ করি। শুধু তাই নয় বর্তমান চারঘাট-বাঘা মাননীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম এর সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং তার দলীয় নির্দেশনা মেনে কাজ করেছি।

    মামুন একজন প্রথম শ্রেণির টিকাদার হিসেবে ৭ বার জেলা শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন। এ ছাড়া এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মন্দির, মসজিদ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তার রয়েছে অবদান। তিনি বর্তমানে চারঘাট উপজেলা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান। সে একজন হাসিখুশি মনের মানুষ এবং এলাকার গরীব দুঃখীদের সাথে আছে তার নিবিড় সম্পর্ক। তিনি দলীয় সমর্থন নিয়ে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন অংশ গ্রহণ করবেন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

    অপর দিকে, চারঘাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বিল্পব তিনিও এবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন বলে জানান। তিনি রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে ছোট বেলা থেকেই সম্পৃক্ত বলে জানান। তিনি বর্তমানে দীর্ঘ ৫ বছর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন তরুণ এই নেতা এলাকাবাসীর সাথে ব্যাপক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানান।

    সবমিলিয়ে চারঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে ৩৬ ঘন্টায় রিক্সা চালক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ ৭ আসামি গ্রেফতার

    ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে ৩৬ ঘন্টায় রিক্সা চালক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ ৭ আসামি গ্রেফতার

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের নগরের জয়নুল আবেদীন পার্ক সংলগ্ন সিভিল সার্জনের বাসভবনের উত্তর পাশে ব্রহ্মপুত্র নদের কিনারায় হাত-পা ও মুখ বেঁধে মিশুক রিক্সা চালক হাসেমকে হত্যা করে মিশুক রিক্সা ছিনতাইয়ের ঘটনার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন; লুন্ঠিত মিশুক রিক্সা উদ্ধার, ০৪ ঘাতকসহ ৭জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। নিহত হাসেম মিয়া উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের কলাপাড়ার এলাকার জহির উদ্দিন ওরফে জহুর উদ্দিন এ পুত্র। তিনি পেশায় একজন মিশুক রিক্সাচালক।

    মঙ্গলবার (১৩ই ফেব্রুয়ারী) বিকালে এক প্রেস ব্রিফিং এ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা।

    তিনি জানান- গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ সকাল ০৮:০০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ নগরীর জয়নুল আবেদীন পার্ক সংলগ্ন সিভিল সার্জনের বাসভবনের উত্তর পাশে ব্রহ্মপুত্র নদের কিনারায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাতনামা রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে অজ্ঞাতনামা এ লাশটিকে তার আত্মীয়-স্বজনগণ সনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহত হাসেম মিয়ার ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে এজহারটি জেলা গোয়েনন্দা পুলিশ তদন্ত করে মামলাটির রহস্য উদঘাটনসহ আসামী গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    গোয়েন্দা পুলিশ সুত্র জানিয়েছে- মিশুক অটো রিক্স চালক হাসেম হত্যা মামলার দায়িত্ব জেলা গোয়েন্দা শাখায় ন্যাস্ত করা হলে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা এর দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনায়নের নিমিত্তে মাঠে নামেন। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কোতোয়ালী ও গৌরীপুর থানা এলাকা হইতে উক্ত হত্যাকান্ডে ঘটনায় সরাসরি জড়িত মোঃ আলমগীর (২০) মোঃ রাকিবুল হাসান তপু (৩০), মোঃ রাকিব হাসান ওরফে রাকিবুল ইসলাম (২১), মোঃ আরাফাত হোসেন বাবু (২৭) সহ মোট ০৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরে আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকান্ডে ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত মর্মে জানান। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গত (০৮ ফেব্রুয়ারি) তারিখ রাত ০৯.০০ ঘটিকার সময় ধৃত আলমগীর, রাকিবুল হাসান তপু, রাকিবুল, আরাফাত হোসেন বাবু ও পলাতক অপর একজন সহ মোট ০৫ জন একত্রে শম্ভুগঞ্জ ব্রীজ স্মৃতিসৌধের মাঠে বসে একটি অটো ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনা মোতাবেক অনুমান রাত ১২.০০ ঘটিকার সময় তারা শম্ভুগঞ্জ ব্রীজ হতে ভিকটিম হাসেমের মিশুক রিক্সা ভাড়া করে সার্কিট হাউজ মাঠে নিয়ে যায় যায়। তারপর সার্কিট হাউজ মাঠে দাঁড়িয়ে মিশুক রিক্সা চালক হাসেমের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে তারা এলোপাথাড়ি মারপিট করে বেড়িবাঁধের নিচে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। ধৃত আলমগীরের কোমরে পরিহিত বেল্ট দিয়ে ধৃত রবিন ভিকটিমের পা বাঁধে এবং গেঞ্জি দিয়ে আরাফাত হোসেন বাবু ভিকটিমের হাত বাঁধে। আরাফাত হোসেন বাবু ভিকটিম হাসেমের পরিহিত চাদর দিয়ে তার মুখ বাঁধে এবং সবাই মিলে তাকে মাটিতে চেপে ধরে রাখে। এরপর আরাফাত হোসেন বাবুর পকেটে থাকা চাকু দিয়ে পলাতক রবিন ভিকটিমের বুকে ও পেটে একাধিক আঘাত করে এবং তাকে মাটিতে ফেলে রেখে সবাই ভিকটিমের মিশুক রিক্সাটি নিয়ে শম্ভুগঞ্জ ব্রীজ এলাকায় গিয়ে ধৃত আলমের কাছে নগদ ৩৪০০০/- টাকায় বিক্রি করেন। পরে মিশুক বিক্রির টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে। এ ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত ০৪ জন সহ মিশুক ক্রয় বিক্রয়ের সাথে জড়িত আরো ০৩ জন, ফরহাদ (৩১), সুমন শেখ (৩৫) এবং আলম (৪০) সহ মোট ০৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে-আসামী মোঃ আলমগীর (২০)-এর বিরুদ্ধে ০১টি হত্যা মামলা, মোঃ রাকিবুল হাসান তপু (৩০)-এর বিরুদ্ধে ০১টি হত্যা মামলা, মোঃ রাকিব হাসান ওরফে রাকিবুল ইসলাম (২১) এর বিরুদ্ধে ০১টি চুরি মামলা, মোঃ আরাফাত হোসেন বাবু (২৭) এর বিরুদ্ধে ০১টি হত্যা ও ০১ টি চুরি মামলা রয়েছে। উল্লেখ্য, রাকিবুল ইসলাম তপু চরপাড়া মেডিকেল এর সামনে সংঘটিত শরিফ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামী ছিলেন। উক্ত মামলায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছিলেন এবং ১৯ মাস জেলে থেকে গত ০২ মাস আগে জামিনে বের হন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • ফুলবাড়ীতে বীর নিবাস নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

    ফুলবাড়ীতে বীর নিবাস নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় বীর নিবাস নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে এবং নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন পাঁচজন অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা।

    অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজের গুণগত-মান যাচাইয়ের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই তদন্ত কাজ শুরু করেছেন।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থ বছরে উপজেলায় ৩৬জন অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য বীর নিবাস নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি বীর নিবাস নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১৪লাখ ১০হাজার ৩৮২টাকা। ৬টি লটে ৩৬টি বীর নিবাস নির্মাণের জন্য আলাদা আলাদা ৬টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ৫নং লটের অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। লটের ঠিকাদার ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ।

    সরেজমিন ঘুরে কথা হয় অভিযোগকারী অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে। বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক ব্যাপারী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দয়া করে আমার মত গরীব মুক্তিযোদ্ধার জন্য ঘরের বাজেট দিয়েছে। কিন্তু ঠিকাদার হারুন অর রশিদ ঘরের ঠিকাদারি নিয়ে আমার সাথে তাফালিং শুরু করেছে। আমার বাড়িতে ঘর নির্মাণের জন্য ইট, খোয়া ও বালু এনেছে। সবগুলো নিম্নমানের। আমি একারণে অভিযোগ দিয়েছি। আমি এর প্রতিকার চাই।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমার এখানে ঠিকাদার যে মালামাল এনেছে সব নিম্নমানের। তাই আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা হানিফ উদ্দিন ব্যাপারী বলেন, আমার ঘর নির্মাণে বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। হারুন ঠিকাদার কাজ শুরু করেছে। কাজের মান একেবারে ভালো না। আমি কাজ বন্ধ করতে বলেছি। ঠিকাদার হারুন আমাকে হুমকি দিয়ে বলে কাজে বাধা দিলে বন্ধ করে দিব। আপনার আর ঘর হবে না। আমি বিচার চাই। সে কেন এভাবে বলবে। এছাড়াও ৫নং লটের অপর দুই মুক্তিযোদ্ধাও নির্মাণ কাজে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। এখনো একজন মুক্তিযোদ্ধার বীর নিবাস নির্মাণকাজ শুরু করাই হয়নি।

    ঠিকাদার হারুন অর রশিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ বলেন, বীর নিবাস নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পেয়েছি। মুক্তিযোদ্ধাগণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যেই তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, ফুলবাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিবাস নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত চলছে। অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • শার্শার দাউদখালী সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি শেখ আফিল উদ্দীন

    শার্শার দাউদখালী সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি শেখ আফিল উদ্দীন

    আজিজুল ইসলাম, বাগআঁচড়া (যশোর) সসংবাদাতা: মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দীন এমপি নিজেই কাঁদা পানিতে নেমে ধান রোপন করে দাউদখালী সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন।

    কৃষক বাঁচলে,বাঁচবে দেশ,শেখ হাসিনা’র বাংলাদেশ এই শ্লোগানে মঙ্গলবার দুপুরে কৃষিবান্ধব প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা’র অনুপ্রেরণায় ৮৫ যশোর-১ শার্শা আসনের মাননীয় এমপি শেখ আফিল উদ্দীন কায়বা ইউনিয়নের ঠেংগামারি ও গোমর বিলে দীর্ঘ ৩০ বছর পর তার নিজস্ব অর্থায়নে সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন করে বিলে ধান রোপনের উদ্বোধন করেন। এতে করে চাষীরা চলতি বছর ২০০ একর জমিতে বোরো ধান লাগাতে পারবেন। উল্লেখ্য দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে শার্শা উপজেলার ১৫২ টি বিলের হাজার হাজার একর জমি জলাবদ্ধতার কারনে আমন চাষ করা সম্ভব হয়না। এর মধ্য ঠেঙামারী ও গোমর বিল উল্লেখযোগ্য। চলতি মৌসুমে সেচ ব্যাবস্থা না হলে ঠেঙামারী ও গোমর বিলে বোরো চাষ করাও সম্ভব হতোনা।

    কৃষকদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতে দীর্ঘ ৩০ বছরের দুঃখ ঘুচিয়ে তাদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে মাননীয় এমপি আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দীন নিজে মাঠে নেমে ধান রোপণ করেন।

    শেষে বি আর ডি বি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত বোরো ধান রোপণ কর্মসূচী ও কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

    কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসান ফিরোজ আহমেদ টিংকুর সভাপতিত্বে কৃষকদের মধ্য বক্তব্য রাখেন, সিরাজুল ইসলাম, তাইজেল হোসেন ও শওকত আলী। এসময় এমপি শেখ আফিল উদ্দীন বলেন এক ইঞ্চি জমিও শার্শায় পড়ে থাকবেনা। তিনি বলেন পরিকল্পনার মাধ্যমে শার্শার প্রতিটি বিলের জলাবদ্ধতা দুর করে আমন চাষের ব্যাবস্থা করা হবে।

  • ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন জমা দিলেন টিটু

    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন জমা দিলেন টিটু

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, বর্তমান সফল ও জনপ্রিয় মেয়র ইকরামুল হক টিটু।

    মঙ্গলবার (১৩ফেব্রুয়ারী) দুপুর ২টার দিকে এ
    আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে
    নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরীর কাছে তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন তিনি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউছুফ খান পাঠান,জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল,সহভাপতি আমিনুল হক শামীম সিআইপি, শওকত জাহান মুকুল,দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল,মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মোর্শেদুল আলম জাহাঙ্গীর সহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

    মনোনয়নপত্র দাখিলের পর ইকরামুল হক টিটু সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য মনোনয়ন পত্র নির্বাচন অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। আবারও মেয়র নির্বাচিত হলে আধুনিক সিটি করপোরেশন গড়তে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো। অন্যান্য প্রার্থীদের স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “অন্য যে কেউ, যে কোন দলের পক্ষে যেই প্রার্থী হউক, সবাই আসুক। খেলার মাঠে আমি খেলতে চাই। গোলকিপার ছাড়া আমি গোল দিতে চাই না। সবাই আসুক, অংশগ্রহণ করুক।“জনগণ তার রায় প্রদান করবে।

    উল্লেখ্য আগামী ৯ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • অধ্যক্ষ জীবুন নিছাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে পেতে চায় টাঙ্গাইলবাসী

    অধ্যক্ষ জীবুন নিছাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে পেতে চায় টাঙ্গাইলবাসী

    মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ।

    রাজপথের বাঘিনী, সভ্য সমাজ গড়ার কারিগর ,
    দলের দুর্দিনের হাল ধরার কান্ডারি, অধ্যক্ষ জীবুন নিছাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে পেতে চায় টাঙ্গাইলবাসী শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। আর জাতির মেরুদন্ড গড়ার কারিগর হচ্ছেন একজন শিক্ষক। শিক্ষক ছাড়া যেমন জাতির উন্নতি হয় না ঠিক তেমনি একটি দলের নিবেদিত প্রাণ কর্মী ছাড়া দল সুসংগঠিত হয়না। দলের জন্য আত্নত্যাগী কর্মী দলের উন্নয়ন সাধনে ব্যাপক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভুমিকা পালন করে থাকে। পুরুষ শাষিত সমাজেও যে নারীদের অবদান ব্যাপক তা আমাদের দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাই তার দৃষ্টান্ত উদাহারণ। ঠিক তেমনি আজ এমন একজন নারী নেত্রীর কথা বলব যিনি আ.লীগের দুর্দিনে পুরুষ নেতা কর্মীদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে রাজপথে অবিচল সংগ্রামে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন। তিনি একাধারে একজন সভ্য জাতি গড়ার কারিগর অন্যদিকে রাজপথে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বিপক্ষে রাজপথে হামলা মামলা নির্যাতন উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রনিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নিবেদিত কর্মী রাজপথের বাঘিনী কন্যা বাংলাদেশ মহিলা লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি ও ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জীবুন নিছা (জেবু)। ১৯৬৬ সালের ০২ জুন টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের জন্ম গ্রহণ করেন জীবুন নিছা জেবু। তার পিতা কাজী নূরুল হক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন নিঃস্বার্থ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত কর্মী ছিলেন। যার কারনে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাক হানাদার বাহিনী তাদের বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পিতার ইচ্ছায় জীবুন নিছা (জেবু) ১৯৮৭ সালে মাত্র অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী হয়েও রাজনীতির প্রতি প্রবল আকর্ষনের ফলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জননেতা শামছুর রহমানের হাত ধরে রাজনেতিক অঙ্গনে পা রাখেন। স্কুল জীবনের অনেক সীমাবদ্ধতার কারনে স্কুলের ছাত্রী হয়েও ঘাটাইল কলেজে ছাত্র সংসদ পরিষদের নির্বাচনের সময় বংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। জীবুন নিছা (জেবু) ঘাটাইল উপজেলা শাখা (নির্বাচিত) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি, ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের টাঙ্গাইল জেলার সদস্য, ২০০২ সালে ঘাটাইল উপজেলা শাখার আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন। ঘাটাইল উপজেলা শাখার সম্মানিত সদস্য নারী নেত্রী নেটওয়ার্ক, টাঙ্গাইল জেলার সদস্য, পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদ ঘাটাইল উপজেলা শাখার সম্মানিত সদস্য হিসেবে নিজের উপর নানাবিধ গুরু দায়িত্ব সম্মানের সহিত পালন করেছেন। তাছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের স্বীকৃতি স্বরূপ যেমন শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে কাজী নজরুল ইসলাম গোল্ডেন সম্মাননা পদক, সামাজিক কর্মকান্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি সাজেশ মাদার তেরেসা সম্মানা, শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে ইউনাইটেড রাজ্জাক স্মৃতি পদক, শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে ইউনাইটেড টেলিফিল্ম স্টার এ্যাওয়ার্ডে পদক প্রাপ্ত হন। একুশে সৃতি পদক পাপ্ত হন ২০১৯ সালে। এছাড়াও সমাজে বাল্যবিবাহ বন্ধ এছাড়া ও সমাজের সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী সকল প্রকার কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশগ্রহন করে থাকেন অধ্যক্ষ জীবুন নিছা (জেবু) । ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে ওতপ্রত যুক্ত ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি আ.লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। দলের প্রয়োজনে দলের দুর্দিনে জীবুন নিছা সবসময় মহিলা লীগের নেতা কর্মীদের সুসংগঠিত করে দলীয় সকল প্রকার কর্মসূচি দায়িত্বশীলতার সাথে পালন করে আসছেন। তিনি সবসময় দলের প্রতি অবিচল ও আস্থাশীল রাজপথের বাঘিনী কন্যা। দলের প্রতি তার নিষ্ঠা নিবেদিত প্রান আত্নত্যাগের কারনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন প্রদানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন ঘাটাইলের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এলাকার জনসাধারনের ভাষ্য মতে একজন নারী নেত্রী হিসেবে জীবুন নিছা (জেবু) দলের জন্য যেভাবে কাজ করেছেন বর্তমানে এমন নিবেদিত কর্মী পাওয়া খুবই বিরল। তিনি একজন শিক্ষক। যিনি সভ্য সমাজ গড়ার কারিগর তিনি যদি এমপি নির্বাচিত হন তাহলে এলাকার জনসাধারনের উন্নয়ন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মাট ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় এই টাঙ্গাইল জেলা থেকেই শুরু হবে জীবুন নিছার হাত ধরেই। মনোনয়ন প্রত্যাশার বিষয়ে অধ্যক্ষ জীবুন নিছা (জেবু) বলেন, আওয়ামী লীগের দুর্দিনে অনেক সুবিধাভোগীদের পাওয়া যায়না কিন্তু সুদিনে তার বসন্তের কোকিল হয়ে ফিরে আসে যা এলাকার জনসাধারন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবই জানেন। আমার এলাকার জনগনের প্রত্যাশা পুরনে এবং উন্নয়ন বান্ধব সমাজ গঠনে আমার রাজনৈতিক কর্মকান্ড বিবেচনা ও জনসমর্থন সবকিছু মিলিয়ে জননেত্রী দেশরত্ন বঙ্গবন্ধু কন্যা স্মার্ট জাতির রুপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে জনকল্যানে দলের জন্য কাজ করার সুযোগ দেবেন এটাই আমার এলাকার জনসাধারনের প্রত্যাশা।

  • মানসিক ও শারিরীক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নাইঃ ইনচার্জ নাসির উদ্দিন

    মানসিক ও শারিরীক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নাইঃ ইনচার্জ নাসির উদ্দিন

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি

    খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি গোল্ডকাপ কাবাডি টুর্ণামেন্ট-২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ ১৩ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকাল ৩.০০ঘটিকায় মহালছড়ি সদর ইউনিয়ন একাদশ ও মুবাছড়ি শাপলা সংঘ মুখোমুখি হয়। নির্দিষ্ট সময় খেলা শেষে মুবাছড়ি শাপলা সংঘকে ৪৯/৪৮ পয়েন্টে হারিয়ে মহালছড়ি সদর ইউনিয়ন একাদশ বিজয় অর্জন করে।

    উক্ত টুর্ণামেন্টে সভাপতিত্ব করেন মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন ও মহালছড়ি উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ রোকন মিয়া সঞ্চালনায় ছিলেন এবং উক্ত খেলায় ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ মেহেদী হাসান রাজীব ও মোঃ হাসিবুল হাসান শান্ত।

    উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে ১নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রতন কুমার শীল।

    এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে মহালছড়ি থানার টিআই জাহিদ সুমন নোবেল, সম্মানিত সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী সমর চাকমা, এসআই মোঃ আল আমিন, এএসআই তরুণ মজুমদার ও সৈনিকগণ, সিঙ্গিনালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণ।

  • ত্রিশালে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন  এমপির সহধর্মিণী শামীমা

    ত্রিশালে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এমপির সহধর্মিণী শামীমা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ত্রিশালে পৌরসভার উপনির্বাচনে নির্বাচনের মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাবেক তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র, ময়মনসিংহ-৭ত্রিশাল আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান এমপি এর সহধর্মিণী বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা শামীমা আক্তার।

    মঙ্গলবার (১৩ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের নিকট থেকে শামীমা আক্তারের পক্ষে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল মতিন সরকার, প্যানেল মেয়র মেহেদী হাসান নাসিম, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহিদা ইয়াসমিন
    ,মাজহারুল ইসলাম সুমন, উপজেলা যুবলীগ নেতা তরিকুল হাসান আমির প্রমুখ।

    এর আগে রবিবার (১১ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের নিকট থেকে শামীমা আক্তারের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন নেতাকর্মীরা।

    পৌরবাসীর ভাষ্যমতে জাতীয় সংসদ সদস্য ও তার স্ত্রী শামীমা মিলেমিশে কাজ করলে পৌরসভায় অনেক উন্নয়ন হবে,তাই উন্নয়নের স্বার্থে তারা উপনির্বাচনে শামীমা আক্তারকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।

    এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ আসনে ত্রিশাল পৌরসভার সাবেক ৩বারের মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান এমপি মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করে সংসদ সদস্য প্রার্থী হলে মেয়র পদটি শূন্য হয়।

    এব্যাপারে মেয়র প্রার্থী শামীমা আক্তার বলেন, আমি জনগণের ভালবাসা ও সমর্থন নিয়ে মেয়র পদে প্রার্থী হতে চাই। আমার স্বামী বর্তমান এমপি মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। স্ত্রী হিসাবে উনার অসমাপ্ত উন্নয়নের কাজটুকু এমপি সাহেবের সাথে পরামর্শ করে তার দিক- নির্দেশনায় ত্রিশাল পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জনগণই আমার আস্থার প্রতীক।

    এরআগে সংবাদ সম্মেলনে এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম। তফসিলে রিটার্নিং অফিসে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি। রিটার্নিং অফিসে মনোনয়ন বাছাই হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। রিটার্নিং অফিস থেকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থিতা আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর ভোট গ্রহণ হবে ৯ই মার্চ সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

    উল্ল্যেখ-ত্রিশাল পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। ২৬ হাজার ৮২২ জন নারী-পুরুষ ভোটার রয়েছে। ১৪টি ভোট কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

  • ভালুকায় ৬ চোরাই রিকশাসহ চোর চক্রের  ৪ সদস্য আটক

    ভালুকায় ৬ চোরাই রিকশাসহ চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

    ময়মনসিংহের ভালুকায় ৬টি চোরাই অটোরিকশাসহ চোর চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। আটককরা কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী গোয়ালগ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে হাশেম (২৪), জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থানার সাপমারী এলাকার মৃত জহির শেখের ছেলে লালচাঁন (৩৫), কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার খামার তলবপুর এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৩০), একই থানার আমভদ্র এলাকার আবু তাহেরের ছেলে চাঁন মিয়া (৩৫)।

    সোমবার (১২ফেব্রুয়ারী) রাতে পৌর এলাকা ও গাজীপুর থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    ভালুকা মডেল থানার ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দ জানান, দিনের পর দিন অভিনব কায়দায় চক্রটি বিভিন্ন স্থান থেকে অটোরিকশা চুরি করে বিক্রি করতো। গোপন সংবাদদের ভিত্তিতে থানা এলাকা থেকে হাশেম ও লালচান শেখকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে মিজানুর রহমান ও চাঁন মিয়াকে আটক করা হয়। এব্যাপারে মঙ্গলবার সকালে মামলা রুজু করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।