Blog

  • পাঁচ বছরেও দৃশ্যমান হয়নি জয়পুরহাটে চার লেন সড়ক

    পাঁচ বছরেও দৃশ্যমান হয়নি জয়পুরহাটে চার লেন সড়ক

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাট শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে চার লেন সড়ক নির্মাণ করছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। হারাইল বাস টার্মিনাল থেকে রেলগেট পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার সড়কটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। কার্যাদেশে দেড় বছরের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা থাকলেও সাড়ে পাঁচ বছরেও দৃশ্যমান হয়নি মূল সড়ক। শুধু দুই পাশের ড্রেনের কাজ হয়েছে ৬০ শতাংশ।

    কারণ হিসেবে প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়কের দুই পাশের কিছু স্থানে স্থাপনা এখনো সরানো যায়নি। এছাড়া ড্রেনের নকশা পরিবর্তন করায় দীর্ঘ সময় পার হয়েছে।

    প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়। মোট ব্যয় ধরা হয় ১ শত ৭৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৯০ কোটি টাকা। তিনটি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করে সওজ বিভাগ। কাজটি করার জন্য দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর ও ২০১৮ সালের ২৭ জুন কার্যাদেশ দেয়া হয়।

    জয়পুরহাট সওজ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চার লেনের সড়কটি হবে ৬০ ফুট প্রশস্ত। মাঝখানে থাকবে চার ফুট প্রশস্ত আইল্যান্ড এবং পুরো সড়কের দুই পাশে থাকবে ড্রেনসহ চার ফুট করে আট ফুট প্রশস্ত ফুটপাত।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক রাস্তার শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে জয়পুরহাট। শহরের একমাত্র প্রধান সড়ক দিয়ে পার্শ্ববর্তী দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের ভারী যানবাহনসহ জেলার অভ্যন্তরীণ যানবাহন চলাচল করে। শহরের লোকসংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি যানবাহনের সংখ্যাও বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি প্রশস্তকরণের কাজ না হওয়ায় যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন শহরের বাসিন্দারা। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে জয়পুরহাট-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণের পরিকল্পনা নেয়া হয়। এ অবস্থায় শহরের যানজট নিরসনে হারাইল বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে রেলগেট পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার সড়ক চার লেন করার পরিকল্পনা নেয় সরকার। ২০১৮ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও সাড়ে পাঁচ বছরে দৃশ্যমান হয়নি মূল সড়ক। শুধু দুই পাশের ড্রেনের কাজ হয়েছে ৬০ শতাংশ।

    রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকঢোল পিটিয়ে চার লেন সড়কের কাজ উদ্বোধন করা হলেও সাড়ে পাঁচ বছরেও কোনো কিছুই হয়নি। ড্রেনের কাজ দীর্ঘদিন ধীরে ধীরে হওয়ায় যানজট বেড়েছে। এ অবস্থায় রিকশা চালিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’

    সুজন, কাজল, মিঠুসহ কয়েকজন ভ্যান-রিকশা ও অটোরিকশাচালক জানান, আগে অটোরিকশা চালিয়ে ছেলেমেয়েদের স্কুলের বেতন দিয়েও সংসার ভালোভাবে চলছিল। এখন তা কষ্টকর হয়ে গেছে। কবে শেষ হবে ড্রেনের কাজ তা কেউ সঠিকভাবে বলতে পারছে না।’

    এদিকে কার্যাদেশ অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার কথা থাকলেও পাঁচ বছরেও মূল কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা বলছেন, রাস্তার দুই পাশে ভবন আর দোকানপাট ভেঙে শুধু ড্রেন নির্মাণকাজ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে যানজট আর ধুলোবালির মধ্যে ভোগান্তি বেড়েছে পথচারীদের। বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, অফিসগামী ও সাধারণ লোকজনকে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। ৫ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে এখন সময় লাগছে পাঁচ-ছয় গুণ বেশি।

    নির্মাণকাজ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে যানজট আর ধুলোবালির মধ্যে ভোগান্তি বেড়েছে পথচারীদের। বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, অফিসগামী ও সাধারণ লোকজনকে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। ৫ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে এখন সময় লাগছে পাঁচ-ছয় গুণ বেশি।

    জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘এক সড়কের শহর জয়পুরহাট। এখানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সাড়ে পাঁচ বছরেও চার লেনের কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা হতাশ। এক সড়কে যানবাহন অতিরিক্ত। ফলে যানজটে ভোগান্তি শেষ হয় না।’ চার লেনের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানান তিনি।

    এ বিষয়ে জয়পুরহাট সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘রাস্তার দুই পাশের কিছু কিছু স্থাপনা এখনো সরানো যায়নি। দ্রুত এসব স্থাপনা সরাতে পারলে কাজ দ্রুত শেষ করা যাবে। শহরের পানি নিষ্কাশনে ড্রেনের নকশা পরিবর্তন করা হয়েছ। নতুন নকশায় ড্রেনটি বড় করার কারণে কাজ করতে দীর্ঘ সময় পার হয়েছে। এখন ড্রেনের নকশা পরিবর্তন করে ক্যাপাসিটি ও সেকশন বাড়ানো হয়েছে। ড্রেনের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। উন্নয়নকাজ করতে গেলে সাধারণ মানুষের কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আশা করছি দ্রুত ড্রেনের কাজ শেষ করতে পারব।

  • আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার চার পুলিশ সদস্য

    আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার চার পুলিশ সদস্য

    হেলাল শেখ,
    সাভারের আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন এএসআই’সহ চার পুলিশ সদস্যকে গনধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

    পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে তাদেরকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    মঙ্গলবার (১৩ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের রণস্থল এলাকার ডিজাইনার ফ্যাক্টরির সামনে আব্দুল মান্নানের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

    চাঁদাবাজির অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার পুলিশ সদস্যরা হলো, আশুলিয়া থানার এএসআই উৎপল, এএসআই এমারত ও কনস্টেবল রয়েল এবং গাজীপুর পুলিশের এএসআই সোহাগ।

    স্থানীয়রা জানান, এদিন বিকেল সাড়ে চারটারদিকে আশুলিয়ার ওই এলাকায় শারীরিক প্রতিবন্ধী আঃ মান্নানের চায়ের দোকানে বসে বিপিএল খেলা দেখছিলেন স্থানীয়রা।

    এসময় সাদা পোশাকে আসেন এএসআই উৎপল, এএসআই এমারত, কনস্টেবল রয়েল ও গাজীপুর জেলায় কর্মরত এএসআই সোহাগসহ ৫/৬ জন। পরে তারা সেখানে জুয়া খেলা হয় বলে সবাইকে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন।

    এক পর্যায়ে প্রতিবন্ধী আব্দুল মান্নানের পকেটে থাকা ৫০ হাজার টাকা, গরু ব্যবসায়ী মোঃ নজরুল ইসলাম (৫০) এর কাছ থেকে ৪৮ হাজার ৭৭০ টাকা, মোঃ রাসেলের মোবাইলের বিকাশ একাউন্টে থাকা ৫০ হাজার টাকা এবং মোঃ সোনা মিয়ার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে ভুয়া পুলিশ বলে তাদের মধ্যে ৪ জনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল করেন।

    খবর পেয়ে আশুলিয়া থানার এএসআই মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    ভুক্তভোগী দোকানী মান্নান বলেন, বিকেলে হঠাত তারা এসে আমাকে বলে তুই জুয়া খেলস জুয়ার ডিলার এই বলে আমার পকেটে হাত দিয়ে মোবাইল ও টাকা নিয়ে যায়। আমার স্ত্রী দুপুরে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা উঠিয়ে আমাকে দিয়েছিল। সে টাকাটা ওরা নিয়ে গেছে। আমার মত আরও অনেকের কাছ থেকে এসব বলে টাকা নিয়ে গেছে তারা।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এএসআই মিজানুর রহমান বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হবে বলে উত্তেজিত জনতাকে আশ্বস্ত করি। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের থানায় নিয়ে আসি।

    এবিষয়ে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আব্দুল্লাহিল কাফি বলেন, এই ঘটনা আমি আপনার কাছ থেকে প্রথম শুনলাম। ঘটনার বিস্তারিত না জেনে আমি কিছু বলতে পারব না।

  • কুসিকের উপ নির্বাচনে চার প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা

    কুসিকের উপ নির্বাচনে চার প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন দুইবারের সাবেক মেয়র ও বিএনপির সাবেক নেতা মনিরুল হক সাক্কু, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহসিন বাহার সূচনা, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও গত সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার।

    তবে এদিন মনিরুল হক সাক্কু নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসেননি। তার পক্ষে নেতাকর্মীরা মনোনয়ন ফরম জমা দেন। তিনি ছাড়া বাকি তিন প্রার্থীই নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসেন।

    আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কুসিক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে এ চার প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন।

    তিনি জানান ‘মেয়র পদে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ছিলেন। এরমধ্যে মঙ্গলবার বিকেল তিনটা পর্যন্ত চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উপ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • আদিতমারী ওসির জন্য অপরাধ করতে ভয় পায় অপরাধীরা

    আদিতমারী ওসির জন্য অপরাধ করতে ভয় পায় অপরাধীরা

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার (ওসি) মাহমুদ উন নবী, যোগদানের পর থেকে অপরাধ করতে ভয় পায় অপরাধীরা বিধায় খুবই শান্তিতে আছে আদিতমারী উপজেলার সাধারন মানুষ। ওসি মাহমুদ উন নবী, এর চৌকস বুদ্ধিতে আদিতমারী উপজেলার মানুষ খুবই শান্তিতে আছে। মাঝে মাঝে কিছু অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটলেও তার উপস্থিত বুদ্ধিতে সমাধান হচ্ছে।তার কারনে অপরাধিরাও অপরাধ করতে ভয় পায়। আদিতমারী থানার একঝাঁক তরুন পুলিশ সদস্য দিনরাত পরিশ্রম করছে।ডিউটি তাদের দ্বায়িত্ব আর দ্বায়িত্ব পালোন করতে গিয়ে ডিউটি করে ১৮ ঘন্টার উপরে মোটা কাপড় ও ভারি বুট পড়ে।আদিতমারী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পুলিশ সদস্যরা টহল দিয়ে সকল ধরনের অপরাধ মাদকাসক্ত, জুয়া, চুরি, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী সহ অপরাধ দমনে পেশাদ্বারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে থানার (ওসি) মাহমুদ উন নবী, পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, এস আই রেজাউল আলম, এস আই জয়ন উদ্দিন, এস আই আমিনুল ইসলাম, এ এস আই তপন কুমার,সহ থানার সকল পুলিশ সদস্য বৃন্দ। আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী,এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি পেশাদ্বারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছি। তবে আমার থানার পুলিশ সদস্য দের নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টায় সফলতা অর্জন করেছি, পাশাপাশি রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।আমার এই সাফল্যর জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি পুলিশ সুপার সহ যারা আমার কাজে সহযোগীতা করেছেন। তিনি পরিশেষে আরো বলেন আদিতমারী উপজেলাকে মাদক মুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহমুদ উন নবী, গত ১২ডিসেম্বর / ২৩ ইং যোগদান করেন। তিনি ছাত্রজীবনেও ফুটবল, ক্রিকেট এর ক্যাপ্টেন পদে থেকে দল পরিচালনা করেছেন।

    মো.হাসমত উল্ল্যাহ ।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হলেন সংগীত শিল্পী চৈতালী মুখার্জ্জী

    সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হলেন সংগীত শিল্পী চৈতালী মুখার্জ্জী

    রক্সী খান স্টাফ রিপোর্টার : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতে জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র ক্রয়ের শেষ তারিখ ছিলো ৮ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র দাখিলের বিরুদ্ধে আপিল ২২ ফেব্রুয়ারি, আপিল নিষ্পত্তি ২৪ ফেব্রুয়ারি ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর ভোট গ্রহণ হবে ১৪ মার্চ।

    সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরা-০৩ আসন থেকে জাতীয় সংসদের নারী সংরক্ষিত আসনের জন্য মনোনয়নপত্র ক্রয় ও দাখিল করলেন দুই বাংলার স্বনামধন্য সংগীত শিল্পী ও সমাজসেবিকা চৈতালী মুখার্জ্জী।

    জন্মসূত্রে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত এই গুণী শিল্পী। পিতা কার্তিক মুখার্জ্জী পুরোহিত চর্চার সাথে সাথে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। বড় ভাই সাংবাদিক সুমন মুখার্জ্জী আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠিতা সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

    সংগীত শিল্পী চৈতালী মুখার্জ্জী বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী লীগের ছাত্র রাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মনে প্রানে ধারণ করে চলি,বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন,আমি যদি তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে সোনার বাংলা গড়ার সুযোগ পাই তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।

    বর্তমানে জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক, উদীচী শিল্প সংসদের সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগ আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক , জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ- সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, জেলা সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক কমিটির সদস্য, জেলা বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের আহবায়ক কমিটির সদস্য সহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছি। জাতীয় প্রোগ্রাম সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করে আসছি।

    এছাড়া ও আমার স্বামী টিটু চক্রবর্ত্তী দেশের প্রখ্যাত একজন সংগীত পরিচালক ও মিউজিক কম্পোজার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে তার সুরের গান ও আমার সংগীত জীবনে বঙ্গালী ও বাংলার গান দিয়ে দেশের সুনাম কুঁড়িয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন উদার সাংস্কৃতিক প্রেমি মানুষ। আমি একাদশ জাতীয় সংসদে নারী সংরক্ষিত আসনের জন্য মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলাম। এবার ও সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ নিয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন উত্তম বিচক্ষণ মানুষ সবকিছু তিনি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন। তবে আমি ভালো কিছুর জন্য আশাবাদী।

    সাতক্ষীরার এই প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পীর দ্বাদশ জাতীয় নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়ায় সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্তরের আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনসাধারণ , সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শিল্পী ও কলা-কুশলীগণ ভালোবাসায় সিক্ত করছেন।

    সাতক্ষীরাবাসী এই সুমিষ্ট কণ্ঠশিল্পীকে মহান জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে পেতে চাই।

    রক্সী খান।

  • সাংবাদিক স্বপন দাসের মৃত্যুতে  বেতাগী প্রেসক্লাবের শোক পালন

    সাংবাদিক স্বপন দাসের মৃত্যুতে বেতাগী প্রেসক্লাবের শোক পালন

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার প্রথিতযশা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বপন দাসের মৃত্যুতে বেতাগী প্রেসক্লাব শোক পালন করে।
    গত রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রেসক্লাবের সকল সদস্য, সহযোগী সদস্য-সংবাদকর্মীরা ৩ দিন কালো ব্যাচ ধারণ করে এ শোক পালন করে।
    প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টুর সভাপতিত্বে শোক পালন কালে সকল সাংবাদিক নেতারা বলেন, স্বপন দাস ছিলেন জেলার খ্যাতিমান একজন সাংবাদিক। তার কলমে ফুটে উঠেছে জন দুর্ভোগ, দুর্নীতি-অসঙ্গতি, নাগরিক সমস্যা ও সম্ভাবনার নানান চিত্র। তার মৃত্যুতে বরগুনা জেলার সাংবাদিক অঙ্গনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ এবং তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
    এতে বিষখালী পত্রিকার সম্পাদক আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, বেতাগী প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মহসিন খান, সাংবাদিক প্রভাষক আবুল বাসার খান, প্রভাষক আশ্রাফুল ইসলাম লিটন, প্রভাষক আব্দুল কাইয়ূম সিকদার, অলি আহম্দে, শাহাদাত হোসেন, আব্দুল হাই, মো: শাকিল আহমেদ, মো: সুজন, আরিফ সুজন, মো: সুমন মিয়া অংশ গ্রহন করেন।
    গত শুক্রবার (৮ ফ্রেরূয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে পৌরশহরের আমতলার পাড় এলাকার নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুর সময়ে তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর।স্বপন দাস দীর্ঘদিন বিভিন্ন জটিল রোগে শয্যাশায়ী ছিলেন।
    সাংবাদিক স্বপন দাস বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের একজন নাট্যাভিনেতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ছিলেন। আশির দশকের দিকে বরগুনা একটি স্থানীয় সাপ্তাহিক পত্রিকায় লেখালেখির মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। সর্বশেষ ভোরের পাতার জেলা প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত অবস্থায় বরগুনা প্রেসক্লাবের নিয়মিত সদস্য ছিলেন।

  • হ*ত্যা মামলার  রহস্য উদঘাটনসহ বিভিন্ন কর্মদক্ষতায়  পুরুস্কৃত ময়মনসিংহের ডিবি পুলিশ

    হ*ত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ বিভিন্ন কর্মদক্ষতায় পুরুস্কৃত ময়মনসিংহের ডিবি পুলিশ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলার মাদক,ছিনতাই, হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ অপরাধ নির্মুল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে ভূমিকা পালন করায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এর অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন সহ গোয়েন্দা বিভাগের ৭পুলিশ কর্মকর্তাকে পুরুস্কৃত করেছে জেলা পুলিশ।

    বুধবার সকালে জেলা পুলিশের এক আইনশৃঙ্খলা সভায় তাদের হাতে পুরুস্কার তুলে দিয়েছে জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা।

    তথ্য সুত্রে জানা গেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ ভূঞা এর দিকনির্দেশনায়, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন এর নেতৃত্বে প্রকাশ্য দিবালোকে মুক্তাগাছা থানার চাঞ্চল্যকর অটোচালক শামীম হত্যার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনার সহিত জড়িত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। পাগলা থানা এলাকা হইতে ০১টি রিভলবার, ০১টি একনালা বন্দুক, রিভবারের ০৪ রাউন্ড গুলি ও বন্দুকের ০৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার ও ঘটনার সহিত জড়িত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে ০৩ টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত ০২ জন আসামী গ্রেফতার। ঈশ্বরগঞ্জ থানা এলাকা হইতে রচোরাই বাই সাইকেল, মোবাইল ফোন উদ্ধার ও ঘটনার সহিত জড়িত ০৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করায়, ডিবির ওসি মোঃ ফারুক হোসেন, এসআই শাহ মিনহাজ উদ্দিন, এসআই রেজাউল আমীন র্বষন, এসআই পরিমল চন্দ্র সরকার, পিপিএম, এসআই (নিঃ) সুমন চন্দ্র সরকার, এসআই মোঃ আব্দুল জলিল, এসআই আলমগীর কবিরকে মাসিক ক্রাইম কনফারেন্স জানুয়ারি- ২০২৪ মাসে মাননীয় আইজিপি এবং মাননীয় পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ কর্তৃক বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার প্রদান।

    জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন এর মাদক,ডাকাতি, চুরি,জঙ্গি সন্ত্রাস,হত্যা মামলা রহস্য উদঘাটন বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে জেলায় প্রকাশ্য মাদক বিক্রি প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। শহরে আর দেখা যায় না মাদক বিক্রেতাদের। তবে মাদক নির্মূলে যারা দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন তাদের নিরুৎসাহিত করলেন না বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ও ময়মনসিংহ রেঞ্জের পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ ভূঞা। বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যার মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক নির্মূলে অবদান রাখায় তাদের উৎসাহ প্রদানে পুরস্কৃত করলেন তিনি।

    পুরস্কার প্রাপ্তি মনকে আনন্দিত করে। ভালো কাজের পুরষ্কার জাতির কাছে প্রশংসায় ভাসে। এ জাতীয় পুরষ্কার এর জন্য গুটা পুলিশ বাহিনী কম্পিটিশনে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। শুধু পুরষ্কার এর আশায় নয় বরং দেশ ও জাতির জান, মাল নিরাপত্তা সহ সকলকে নিরাপদে রাখতে সকল চেষ্টায় মগ্ন পুলিশ বাহিনী। জনমনে আজ পুলিশ বাহিনী আস্থা অর্জন করতে পেরেছে।

    ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি পুলিশ)এ’র অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন জানান, পুরস্কার পাওয়াটা আনন্দময়। এ ভাবে পুরস্কার পেলে আমাদের দেখাদেখি দেশের সকল পুলিশ বাহিনীর কাজের আরও গতি বাড়বে। জেলা পুলিশ সুপার এর হাত থেকে পুরস্কার পেয়ে ডিবি পুলিশের ওসি ফারুক হোসেনসহ ডিবি পুলিশের কর্মকর্তাগণ খুশি।

  • ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই তাইজুল

    ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই তাইজুল

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই তাইজুল জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার সকালে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় এ ঘোষনা দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা তার হাতে এই সম্মাননা ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট তুলে দেন।

    ২০২৪ এর জানুয়ারী মাসে মাদক বিরোদী অভিযানে ১৭০ বোতল ভারতীয় মদ ও মামলা নিষ্পতি এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় অপরাধ পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে কোতোয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র) তাইজুল ইসলাম কৃতিত্বের সাথে অপরাধ দমনে সফলতা অর্জন করায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

    কোতোয়ালী মডেল থানায় গত জানুয়ারী মাস ২৪ সালে দাখিলকৃত মাদক মামলায় আসামী গ্রেপ্তার, ধৃত আসামীদের নিকট থেকে মাদক উদ্ধার,ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে এস আই তাইজুল ইসলামে শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগেও তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় পুরস্কৃত হয়েছেন।

    এস তাইজুল ইসলাম গত ২৫/৯/২০২১ ইং তারিখে থানায় যোগদানের পর তাকে থানার ৪৪নং বিট এলাকা ভাবখালী ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার দায়িত্বে পাল্টে গেছে বিট এলাকা তথা ভাবখালী ইউনিয়নের চিত্র। কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এর দিক নির্দেশনা মোতাবেক দমন করছেন ভাবখালী ইউনিয়নের মাদক,ইভটিজিং, ছিনতাই,চুড়ি,ডাকাতি জুয়াসহ অপরাধীদের দৌরাত্ম্য। বিটে সেবা নিতে আসা লোকজন সহজেই পাচ্ছেন আইনী সেবা, বড় ধরণের অভিযোগ ও মামলা ছাড়া ছোটোখাটো যেকোন অভিযোগ ও ঘটে যাওয়া ঘটনা বিট অফিসেই সমাধান দেওয়া হচ্ছে। এতে মানুষকে থানায় দৌড়াতে হয়না,অনেক সময় যে কোন বিষয়ে কল দিলেই হাজির হয়ে যান বিট এলাকার সেবা প্রত্যাশীদের কাছে। তাছাড়াও বিভিন্ন সময়ে অসহায়-বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থাভাজন হয়ে ওঠেছেন তিনি।

    বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষ এই সাব ইন্সপেক্টর এস আই তাইজুল ইসলাম শেরপুর জেলার সদর থানার ১নং কামারের চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ৬নং চর গ্রামের স্কুল শিক্ষক মৃত আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল ইসলাম মাষ্টারের সন্তান।১৯৯৩ সালে এসএসসি পাশ করেন পরবর্তীতে কলেজ জীবন শেষ করে
    ১৯৯৭ সালে পুলিশের একজন কনস্টেবল পদে চাকরীতে যোগদান করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ ও পুলিশ ও র্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়ন র্যাব সদস্য হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে সর্বশেষ কোতোয়ালি মডেল থানায় যোগদান করে বর্তমানে এই থানাতেই কর্মরত আছেন।

    পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় এস আই তাইজুল ইসলাম বলেন,পুলিশে যোগদানের পর থেকে ন্যায়, নীতি ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় ও কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করায় আমি স্যারদের উপস্থিতিতে জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহণ করতে পেরে গর্বিত বলে মনে করি। এ পুরস্কার আমার আগামী দিনের পথ চলার পাথেয় হবে।

    কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাইন উদ্দিন জানান, এস আই তাইজুল ইসলাম তার কর্তব্য-কর্মের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আজকের এই পুরস্কার গ্রহণ তাকে আরো দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

  • ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই মাসুম রানা

    ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই মাসুম রানা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এ এসআই মাসুম রানা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার সকালে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় এ ঘোষনা দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা তার হাতে এই সম্মাননা ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট তুলে দেন।

    ২০২৪ এর জানুয়ারী মাসে মাদক বিরোদী অভিযানে ভারতীয় মদ ও মামলা নিষ্পতি এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় অপরাধ পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে কোতোয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এএসআই (নিরস্ত্র) মাসুম রানা কৃতিত্বের সাথে অপরাধ দমনে সফলতা অর্জন করায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

    কোতোয়ালী মডেল থানায় গত জানুয়ারী মাস ২৪ সালে দাখিলকৃত মাদক মামলায় আসামী গ্রেপ্তার, ধৃত আসামীদের নিকট থেকে মাদক উদ্ধার,ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে এএস আই মাসুম রানা শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়িত্ব পালন করছেন।

    পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভূতি জানতে চাইলে এএসআই মাসুম রানা বলেন, জনগণের টাকায় আমার চাকরি। জনগণকে সেবা দেওয়া আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করি। এ ধরনের পুরস্কারে কাজের প্রতি স্পৃহা আরও কয়েকগুণে বেড়ে যায়। আমি ধন্যবাদ জানাই আমার শ্রদ্ধাভাজন অভিভাবক জেলা পুলিশ সুপার স্যার,কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্যারসহ থানা কর্মরত সহকর্মী পুলিশ কর্মকর্তাদের। তাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অর্জন।

  • জেলায় শ্রেষ্ট ওসি নির্বাচিত ভালুকার ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    জেলায় শ্রেষ্ট ওসি নির্বাচিত ভালুকার ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের দক্ষ, কৌশলী ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা, কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ। যিনি বর্তমানে ভালুকা মডেল থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ওসি শাহ কামাল আকন্দ যেখানেই দায়িত্ব পালন করেন সেখানেই মানবিক দায়িত্ববোধ সম্পন্ন দক্ষ, কৌশলী এবং কাজে পারদর্শী একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় রেখে যান। এর আগে তিনি ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক প্রশংসা কুরিয়েছেন। কোতোয়ালি মডেল থানা ও ডিবি পুলিশের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অসংখ্য অজ্ঞাত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার, ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন ও আন্তঃজেলা ডাকাতদলকে গ্রেফতার করেন।
    অপরদিকে ময়মনসিংহ নগরী চুরি, ছিনতাইরোধসহ মাদকমুক্ত বাসযোগ্য নগরী গড়তে দিবারাত্রি কাজ করে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের সাজা নিশ্চিত করে ব্যাপক প্রশংসা কুরিয়েছেন। একইসাথে পরোয়ানা ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আদালতের নির্দেশে গ্রেফতার করে চলমান বিচার কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করেন। তার এ সকল কর্মকান্ডে জেলা ও রেঞ্জ পুলিশে বার বার তিনি শ্রেষ্টত্বের পুরস্কার লাভ করেছেন। সম্প্রতি তিনি ভালুকা মডেল থানায় গিয়েও থেমে নেই।
    আবারো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হলেন শাহ-কামাল আকন্দ। অনেকেই মনে করছেন মানুষের নিশ্চিত করণেই তিনি দায়িত্ব পালন কাজ করেন। তার নিরলস দায়িত্ব ও প্রচেষ্টা থেকেই তিনি ওসি শাহ কামাল আকন্দ বুধবার আবারো শ্রেষ্টত্বের পুরস্কার লাভ করেছেন। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা মাসিক কল্যাণ সভায় তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন।

    ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন-মানুষ মানুষের জন্য–সেবার ব্রত নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাই প্রকৃত মানবতা। তিনি বলেন- পুলিশের একজন ইনচার্জ হিসেবে আমি আমার সর্বোচ্চ মেধা, শ্রম আর প্রজ্ঞা দিয়ে চেষ্টা করছি। যখন যে থানায় ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করি সে থানাকে জনবান্ধব, সৎ এবং দক্ষ ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে সব সময় চেষ্টা করে থাকি। সে ক্ষেত্রে আমার সহকর্মীরা আমাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেন। আমাকে কাজ করার এবং এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন। যতটুকু সফল হয়েছি তার সব কৃতিত্ব আমার সহকর্মীদের আর ব্যর্থতার সব দায় আমার। আমার এই কর্মকাল আমৃত্যু আমার স্মৃতিতে জাগরুক থাকবে। সহযোগিতার জন্য সম্মানিত ভালুকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’