আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। আদর্শিক, পরিক্ষিত, জন ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে সর্ব মহলে প্রশংসিত ময়না। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলীয় সমর্থন পাচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। তানোর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ময়নার কোনো বিকল্প নাই।কারণ এখন পর্যন্ত তার বিপক্ষে প্রতিদন্দীতা করার মতো কারো নাম শোনা যায়নি। তার বিপক্ষে মনোনয়ন চাইবেন এমন সক্ষমতা সম্পন্ন কোনো নেতৃত্ব নাই।
জানা গেছে, প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে, তবে স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে নানা প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন তিনিই হন সফল। ওয়ার্ড থেকে ধীরে ধীরে উঠে আশা এমনই একজন সফল জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্ব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। যিনি রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই অনেক বাধা, বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।তিনি রাজনীতিক নেতা হিসেবেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়নে ও গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন সর্বদায়। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করে দলকে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে নিতে নিরলস ভাবে শ্রম দিয়েছেন এখানে দিচ্ছেন। তিনি কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) পরপর দু’বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসবে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি এখানো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে নিরলস ভাবে জনগণের সেবায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ময়না তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার মধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তাঁর সময়ে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে (ইউপি) সরকারের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিটা, কাবিখা ও কর্মসৃজন কর্মসূচিসহ প্রতিটি উন্নয়ন কাজ সঠিক ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলীয় সমর্থন পাবার দৌড়ে অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। দলীয় সমর্থন পেলে এবারো তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত। আগামী নির্বাচনে আবারও বড় ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এলাকায় তিনি একজন ক্রীড়ামোদী সাদা মনের, উদার মানসিকতা ও দানশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত।স্থানীয় বাসিন্দাগণ বলেন, তারা নেতা বা চেয়ারম্যান বোঝেন না তারা নেতা বলতে বোঝেন ময়না।
ময়না ভাই একজন ভাল মানুষ, তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। তারা বলেন, ময়না ভাই রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কতটা সফল বা ব্যর্থ তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হতেই পারে, তবে সংগঠন শক্তিশালী করতে তার যে অবদান সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই। আবার
জনপ্রতিনিধি হিসেবে শতভাগ সফল এটা অস্বীকার বা এনিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নাই। একটা সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয় ছিল অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া। কিন্ত্ত তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর বদলে গেছে পুরো উপজেলা পরিষদের চিত্র। এখানো তাদের দু:খ-দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী, মেধাবী জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণায় সময়ে সাধারণ মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন ময়না। এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর
উপজেলার উন্নয়নে মহা- পরিকল্পনা গ্রহন করেন। স্থানীয় সাংসদের সার্বিক সহযোগিতায় গৃহীত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।
সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী ও মহতী মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছেন জনগণ। তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্টির উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, কালভাট, ব্রীজ স্কুল,মাদ্রাসা,কবরস্থান, মসজিদ ,ঈদগা মাঠ সংস্কার করেছেন। অসহায় গরীব দু:খী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ইত্যাদি বিতরণ কার্যক্রম দেখভাল করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন।অন্যদিকে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) গ্রাম আদালত কার্যক্রম তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন। এছাড়াও তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। আগামী দিনে তিনি তার সততা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে উপজেলা বাসীকে সেবা দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন।#
Blog
-

তানোর উপজেলা নির্বাচনে পচ্ছন্দের শীর্ষে ময়না
-

তানোরে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সেবার মান বেড়েছে
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সেবার মান বেড়েছে, হ্রাস পেয়েছে লোডশেডিং। বিগত দিনে পল্লী বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিং ছিলো। এছাড়াও দুর্বল সঞ্চালন লাইনের কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছিলো নিত্যসঙ্গী।
জানা গেছে, বিগত ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ
সুবিধাভোগীর হার ছিলো প্রায় ২৮ শতাংশ। কিন্ত্ত আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে বিদ্যুৎ সুবিধাভোগীর বেড়ে দাড়িয়েছে শতভাগ। এছাড়াও প্রায় এক হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তানোরে
পল্লী বিদ্যুতের মোট গ্রাহক রয়েছে ৫২ হাজার ৪০৮ জন। এর মধ্যে আবাসিক ৪৩ হাজার ৯৭৫ জন, বাণিজ্যিক ২ হাজার ৭২৩টি,শিল্প ৫২০টি, সেচ ৮৭৮টি ও দাতব্য ৯৫৮টি এবং বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২৫ মেঘাওয়াট। এদিকে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সুবিধা বৃদ্ধি ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে দেবীপুর, কালীগঞ্জ ও আয়ড়া ৩টি সাব-স্টেশন নির্মান এবং সরনজাই, বাধাইড়, কলমা, কামারগাঁ ইউপিতে ৪টি অভিযোগ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে সেচ সুবিধায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পোল্ট্রি ও মৎস্যখাতে অনেক বেকারের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এবিষয়ে তানোর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা (ডিজিএম) জহুরুল ইসলাম বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্যে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, সেই লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।# -

নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে বাঙালির ঐতিহ্যে পিঠা উৎসব
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে বাঙালির ঐতিহ্যে পিঠা উৎসব। বাঙালির শখের খাবারের প্রথম সারির তালিকায় রয়েছে শীতের পিঠা। শীতকালীন পিঠা বাঙালির ঐতিহ্যের ধারক-বাহক । বাঙালির এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নড়াইল জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে পিঠা উৎসব-২০২৪ এর আয়োজন করা হয়। এ পিঠা উৎসবের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা পুলিশের অভিভাবক পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
এ সময় পুলিশ সুপার’র সাথে ছিলেন তার দুই শিশু সন্তান ও সহধর্মিনী নড়াইল জেলা পুলিশের পুনাক সভানেত্রী নাজিয়া খান। এছাড়া পুনাক সহ-সভানেত্রী জান্নাতুল ফিরদাউস কেয়া ও পুনাক সহ-সভানেত্রী মোশারত আক্তার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয় এবং তার সহধর্মিনীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে পুলিশ সুপার মহোদয় অনুষ্ঠানিকভাবে পিঠা উৎসবের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পুলিশ সুপার পুলিশের সকল সদস্যকে নিয়ে একসাথে বসে পিঠা খাওয়ায় অংশগ্রহণ করেন। পিঠা খাওয়া শেষে পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের সকল অফিসার-ফোর্সদের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় সকলের সাথে পিঠা উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
এ সময় তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্তসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। -

নড়াইলে পৃথক অভিযানে ইয়াবা গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা গাঁজাসহ গ্রেফতার তিনজন। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ লালন শেখ (৩৮) ও কামরুল শেখ (২৮) নামের দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ লালন শেখ (৩৮) নড়াইল জেলার কালিয়া থানার বিনদারচর গ্রামের সাহেব আলী শেখের ছেলে এবং কামরুল শেখ (২৮) একই থানার চাঁদপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোঃ আহমেদ শেখের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নড়াইল জেলার সদর থানাধীন পৌরসভাধীন ৯ নম্বর ওয়ার্ড হাটবাড়িয়া গ্রামস্থ অপু ভদ্রের দোকানের সামনে থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ লালন শেখ (৩৮) ও কামরুল শেখ (২৮)কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের নিকট থেকে মাদকদ্রব্য পঞ্চান্ন পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরদিকে
নড়াইলে পাঁচশত গ্রাম গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করে। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ হাসিব মোল্যা (২৪) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ হাসিব মোল্যা (২৪) নড়াইল জেলার সদর থানাধীন মধুরগাতি গ্রামের মোঃ ইখলাস মোল্যর ছেলে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি)’ নড়াইল জেলার সদর থানাধীন ৮ নম্বর কলোড়া সাকিনস্থ গোবরা মিত্র মহাবিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ হাসিব মোল্যা (২৪) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীর নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য পাঁচশত গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ছবি দুইটি এটাস্ট করে দিবেন। -

পাইকগাছায় অপরাধমূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় এলাকাবাসী
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুন, ধর্ষণ সহ চেতনানাশক ব্যবহার করার মাধ্যমে চুরির প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে এলাকার সাধারণ মানুষ। এ ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিটকে গতিশীল করার উপর তাগিদ দিয়েছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, জেলার শান্তিপ্রিয় এলাকার মধ্যে অত্র উপজেলা অন্যতম। আশপাশ এলাকার চেয়ে অত্র উপজেলায় বরাবর অপরাধমূলক কর্মকান্ড কম ছিল। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো একটা অবস্থানে ছিল। হঠাৎ করে সাম্প্রতিক সময়ে খুন সহ অন্যান্য অপরাধ মূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্বাভাবিক করে তুলেছেন দুর্বৃত্তরা। গত রোববার গভীর রাতে উপজেলার রাড়ুলীতে বয়স্ক এক নারী পাশবিক নির্যাতনের শিকার হন। এর পরের দিন সোমবার রাতে উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষদের হামলায় কুশিলাল মন্ডল নামে এক বৃদ্ধ নিহত হন।
গত কয়েকদিন আগে উপজেলার গদাইপুর কাজীপাড়ায় চেতনা নাশক ছিটিয়ে কাজী রেজাউল করিম রেজা (৫৫) নামের ব্যক্তিকে অচেতন করে অজ্ঞান পার্টির দুর্বৃত্তরা। এরপর গদাইপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আমিনুর রহমান লিটু (৪০) বাড়িতে চেতনানাশক ব্যবহার করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরি করে দুর্বৃত্তরা। গত সোমবার রাতে উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের কাটিপাড়া গ্রামের ০২ নং ওয়ার্ডের নারায়ণ দত্ত, আনন্দ দত্ত এর বাড়ি থেকে গভীর রাতে চেতনা নাশক স্প্রে করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়েছে চোরেরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কপিলমুনি ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের মশিউর রহমানের বাড়িতে রাতে চেতনা নাশক স্প্রে করে চোরেরা। একই রাতে গদাইপুর ইউনিয়নের কার্তিকের মোড় নামক স্থানে কেসমত সরদারের বাড়িতে হানা দেয় চোরেরা এ সময় কেসমত সরদারের স্ত্রীর কান থেকে একটি কানের দুল ছিড়ে নিয়ে যায় তারা।
অপরদিকে, হাবিবনগর ফাজিল মাদ্রাসায় রোববার রাতে ৩য় ও ৪র্থ তলার চারটি বাথরুমের দরজার ছিটকিনি কেটে সকল ট্যাব সহ আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় র্দুবৃত্তরা। তার আগে ভৈরবঘাটা রামচন্দ্রনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙ্গে ২০ টি সিলিং ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। হাউলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙ্গে ২০ টি সিলিং ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এসব অপরাধ দমনে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামকে গতিশীল করার মাধ্যমে সামাজিক ভাবে অপরাধ মূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধ গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন অনেকেই। এ ব্যাপারে থানার ওসি ওবাইদুর রহমান বলেন, নারী নির্যাতন ও নিহতের ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে নিহতের ঘটনায় দুইজন এবং নারী নির্যাতনের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশ সার্বক্ষনিক কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

পাইকগাছার আলোচিত নারী নির্যাতনের ঘটনায় আটক-১
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
অবশেষে পাইকগাছার আলোচিত নারী নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এ মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে একজনকে আটক করেছে। এ দিকে নির্যাতিত নারী অনেকটাই সুস্থ্য হলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে এখনো সময় লাগবে বলে তার পরিবার জানিয়েছে। উল্লেখ্য, গত রোববার গভীর রাতে উপজেলার রাড়ুলী গ্রামে জনৈক কাঁচামাল ব্যবসায়ীর স্ত্রী পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়। বর্তমানে ওই নারী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে নির্যাতনের এ ঘটনায় সোমবার থানায় মামলা হয়েছে।
নির্যাতিতার স্বামী আব্দুল মান্নান সরদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে ৩৯৪ পেনাল কোর্ড তৎসহ ২০০০ সালের নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন ( সংশোধনী) ২০২০ এর ৯ (৩) ধারায় এ মামলা দায়ের করেন। যার নং-১৩।
এ মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুস সামাদকে আটক করা হয়েছে বলে থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে থানা পুলিশের এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। -

নড়াইলে সরকারি গুদামের চাল আত্মসাতের মামলায় উপ-খাদ্য পরিদর্শকের ১০ বছর কারাদণ্ড
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
সরকারি গুদামের চাল আত্মসাতের মামলায় নড়াইলের উপ-খাদ্য পরিদর্শক ইসমাইল মৃধাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক এ আদেশ দেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, ইসমাইল মৃধা লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের আব্দুল্লাহর ছেলে ও নড়াইলের লোহাগড়ার নলদী খাদ্য গুদামের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-খাদ্য পরিদর্শক। তিনি যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা।
দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আশরাফুল আলম বিপ্লব জানান, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই উপ-খাদ্য পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন নলদী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৫ সালের ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত গুদামে সাপ্তাহিক সমাপনী মজুদ ছিল ৯৭ দশমিক ৫২০ মেট্রিকটন চাল। ১ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত গুদামের সাপ্তাহিক মজুদ প্রতিবেদনে ২৭ দশমিক ৫২০ মেট্রিক টন চাল দেখানো হয়। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনের হিসাব অনুযায়ী ৭০ মেট্রিক টন চালের হিসাবে গড়মিল পাওয়া যায়। যার দাম ১১ লাখ ৫৬ হাজার ১০৮ টাকা। এ ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায় ইসমাইল হোসেন ৭ এপ্রিল গুদামের রেজিস্টারপত্র নিয়ে বাসায় চলে গেছেন। পরদিন তিনি লেবার সর্দারের কাছে রেজিস্ট্রারপত্র পাঠিয়ে অফিসে অনুপস্থিত থাকেন। এ ঘটনায় ৯ এপিল লোহাগড়া উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শুধাংশু হাওলাদার বাদী হয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনকে আসামি করে লোহাগাড়া থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ইসমাইল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুভাষ চন্দ্র দাস।পরে এ মামলার অধিকতর তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৌরভ দাশ দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করে ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ ইসমাইল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৪০৯ ধারায় চার বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড, আরেক ধারায় তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুর্নীতি প্রতিরোধ দমন আইনে তাকে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।###
-

ফেনীতে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ১৭৮ পরীক্ষার্থী-১৪৪ ধারা ও লাল পতাকা
হেলাল শেখঃ
সারাদেশের ন্যায় ফেনীতেও প্রথম দিনের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ৩৭টি কেন্দ্রে প্রথম দিনের বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় ফেনীতে ১৭৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ফেনীতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ৩৭টি কেন্দ্রে ২১ হাজার ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসিতে ১৫ হাজার ২৬১ জন, দাখিলে ৪ হাজার ৮৯৮ জন ও ভোকেশনালে ১ হাজার ৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এসএসসিতে অনুপস্থিত ছিলো ১০৭ জন, দাখিলে ৬৯ জন, ভোকেশনালে দুইজন সহ মোট অনুপস্থিত ছিলো ১৭৮ জন। কি কারণে এসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন থেকে বিরত ছিলো এ বিষয়ে কোন তথ্য জানাতে পারেনি তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলা ১ম পত্র (আবশ্যিক) এর মাধ্যমে শুরু হওয়া পরীক্ষা আগামী ১২ মার্চ শেষ হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৩ মার্চ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে।
এ প্রসঙ্গে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফী উল্লাহ জানান, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে প্রথম দিনের পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়োজিত ছিলো।
এ ব্যাপারে ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, প্রথম দিনের বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় ১৭৮ জন অংশগ্রহন করেনি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিলো। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা ও লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়।
-

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবিতে রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিকদের মানববন্ধন
সাভারের আশুলিয়ায় রাস্তা আছে যেখানে রিক্সা চলবে সেখানে এমন স্লোগানে শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন আশুলিয়া থানা রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর মহাসড়কে রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন-বিষয়ক সম্পাদক কেএম মিন্টু নেতৃত্বে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালনা করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, শ্রমিকনেতা খাইরুল মামুন মিন্টু, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, আলম পারভেজ, আলতাব শেখ ও নান্নু মিয়ার নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। রিক্সা-অটোরিক্সা, ভ্যান-অটোভ্যান চলাচলে বাঁধা নিষেধ প্রত্যাহার, চাঁদাবাজি হয়রানী বন্ধ করে চলাচলের জন্য আলাদা লেন ও মোড়ে মোড়ে রিক্সা-ভ্যান স্ট্যান্ড নির্মাণ করতে হবে।
রিক্সা-অটোরিক্সা, ভ্যান-অটোভ্যান এর জন্য নিবন্ধন প্লেট ও চালকদের ডাইভিং লাইসেন্স প্রদান করতে হবে। অলি-গলিসহ সকল রাস্তা মেরামত, সোলার লাইট স্থাপন করে রিক্সা-অটোরিক্সা, ভ্যান-অটোভ্যান চলচল উপযোগি করতে হবে। সকল সেক্ট্ররের শ্রমিকদের জন্য রেশনিং প্রথা চালু করতে হবে। রেকার বিলের নাম করে রিক্সা চালকদের কাছ থেকে জোর করে চাঁদা আদায় বন্ধ করতে হবে।
উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র সাভার-আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি শ্রমিকনেতা খাইরুল মামুন মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, সহসভাপতি সাইফুল্লাহ আল মামুন, আশুলিয়া থানা রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক আলতাব শেখ,শ্রমিক বসির আহম্মেদ ও জামাল সরকারসহ অন্যান্যরা।
-

সকল জাতি গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে তোলা: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা
রিপন ওঝা, বিশেষ বার্তাপ্রেরক
আমরা চাই, সকল জাতি গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে তুলতে- পার্বত্য মেলায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এমপি ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রি.পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতা, আন্তরিকতা, মানবতাবোধের কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্যাতিত, ক্ষুধার্ত ও পশ্চাদপদ মানুষকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সাথে সম্পৃক্ত করার জন্যই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য মেলার মাধ্যমে দেশের সকল মানুষের মাঝে আমাদের পার্বত্য মানুষের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য তুলে ধরা। পাশাপাশি আমাদের আহার, আচার ব্যবহার, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সবকিছু তুলে ধরাই হলো পার্বত্য মেলার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমরা চাই, সকল জাতি গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মাঝে ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করা।
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবন-কৃষ্টি, সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ক তথ্যাদি সমতলের মানুষের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী প্রচার ও বিপণনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর বেইলি রোডস্থ ‘শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে আগামি ১৪-১৭ ফেব্রুয়ারি চার দিনব্যাপী পার্বত্য মেলার বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পার্বত্য বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন রয়েছে।
রাজধানী ঢাকার বুকে একখন্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম,আর একখন্ড স্থানে প্রতিবছরের ন্যায় ২০২৪সালেও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার সভাপতিত্বে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন তিন পার্বত্য জেলার আপামর জনগোষ্টীর আংশগ্রহণে ও সমন্বয়ে পার্বত্য মেলা শুরু হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ (মন্ত্রী পদমর্যাদা) এমপি, বিশেষ অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জৌতিরিন্দ্র বৌধিপ্রিয় লারমা, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি, পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশ্যে সিং এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, বান্দরবন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যা শৈ হ্লা, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু।
আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩.০০ঘটিকায় পার্বত্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি সভাপতিত্ব করবেন।
পার্বত্য তিন জেলার ২৭৫ জন শিল্পীর ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনায় প্রতিদিন বিকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। চার দিনব্যাপী এ পার্বত্য মেলায় ৯৭টি স্টল বসেছে। মেলার স্টলে তিন পার্বত্য জেলায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী কোমর তাঁতে বোনা পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পার্বত্য খাবার দ্রব্য প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হচ্ছে।