Blog

  • দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করব : ত্রিশালে মেয়র প্রার্থী শামীমা

    দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করব : ত্রিশালে মেয়র প্রার্থী শামীমা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভায় উপনির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে স্বামীর অসমাপ্ত কাজগুলোকে সম্পন্ন করে পৌর এলাকাকে উন্নয়নের রুল মডেল হিসাবে গড়তে জগ প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, পৌরসভার সাবেক ৩ বারের মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান এর সহধর্মিণী শামীমা আক্তার। স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে ত্রিশাল পৌরসভা এলাকাকে নবরুপে সাজাতে চান তিনি।

    প্রতীক পেয়ে পৌরবাসীর উদ্দেশ্যে শামীমা
    বলেন,গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পৌর মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করে আমার স্বামী ময়মনসিংহ-৭আসনের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি একাধারে তিনবার মেয়র ছিলেন। তার পদত্যাগের কারনে পৌরসভার কিছু উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অবশিষ্ট থাকায় সেগুলো সম্পন্ন করতে আসন্ন উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে স্বামীর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে ত্রিশালকে একটি আধুনিক এলাকা উপহার দিবো, মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে আমি আমার স্বামীর মতই পৌরবাসীর পাশে থাকতে চাই। এক্ষেত্রে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ত্রিশালেরনউন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য কাজ করব।

    তিনি বলেন, আমি সবার কাছে দোয়া চাই। এই এলাকার সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করব। কেননা এখানকার সব মানুষ অনেক সচেতন এবং তাদের বিবেকবোধ অনেক সমৃদ্ধ। তাই মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের জন্য দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনায় স্বামী-স্ত্রী মিলে ত্রিশালকে স্মার্ট পৌর এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব। দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি পর্যায়ের ও শ্রেণি পেশার সবার কাছেই আমি দোয়া চাই।

    বিপুল ভোটে এই পৌরসভার উপনির্বাচনে ভোটাররা তাকে জয়ী করবেন এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি ত্রিশাল পৌরসভার ভোটাররা ভোট দিয়ে শামীমাকে জয়যুক্ত করবে। এসময় তারা পৌর এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে এগিয়ে নিতে জগ প্রতীকের পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

  • প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় ৫মেয়র,১৪৯ কাউন্সিলর ও ৬৯ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী

    প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় ৫মেয়র,১৪৯ কাউন্সিলর ও ৬৯ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি,

    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক পেয়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন ৫মেয়র প্রার্থী,১৪৯ জন সাধারণ কাউন্সিলর এবং ৬৯ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

    শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নগরীর টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রতীক বরাদ্দ নিতে আসেন প্রার্থীরা।

    এর প্রথমদিকে পাঁচজন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। তাদের মধ‍্যে জাতীয় পার্টি মনোনীত জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম স্বপন মণ্ডল পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ‍্যে মসিকের সদ্য সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু পেয়েছেন দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক, শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাড. সাদেক খান মিল্কী টজু পেয়েছেন হাতি প্রতীক, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাবেক সদস্য কৃষিবিদ ড. রেজাউল হক পেয়েছেন হরিণ প্রতীক।

    এ সময় মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, ঘড়ি উন্নয়নের প্রতীক। উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজ করতে নগরবাসী আবারও ঘড়ি প্রতীকে আস্থা রাখবে। বিগত পাঁচ বছরে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব হয়নি। সাধারণ মানুষ আমার প্রতি তাদের সমর্থন দিলে চলমান উন্নয়ন কাজ ভালো ভাবে সম্পন্ন করতে পারব। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে রয়েছে। আশ রাখছি জয় সহজেই আসবে।

    হাতি প্রতীক পাওয়া সাদেক খান মিল্কী টজু বলেন, নগরের মানুষ আকাশ দেখতে চায়, পরিচ্ছন্ন নগরীতে বসবাস করতে চায়, যানজট সমস্যার নিরসন চান তাই তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমি প্রার্থী হয়েছি। পছন্দের প্রতীক হাতি পেয়েছি। মানুষ পরিবর্তনের লক্ষ্যে হাতি প্রতীকেই আস্থা রাখবে।

    ঘোড়া নিয়ে প্রচারণার মাঠে নেমেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম। এ সময় তিনি বলেন, প্রতীক হাতে পেয়েই মানুষের ধারে ধারে যাচ্ছি। আমার পক্ষে সাধারণ মানুষের বেশ সাড়া রয়েছে। কারণ বিগত সময়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। মানুষকে সুন্দর স্মার্ট শহর উপহার দিতেই আমার প্রার্থী হওয়া।

    সেই সঙ্গে প্রতীক পেয়ে মেয়র প্রার্থীদের পাশাপাশি প্রচারণায় নেমেছেন সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

    প্রসঙ্গত, নগরের ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৯ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আগামী ৯ মার্চ ইভিএম এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহণ। এতে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৯৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭২ জন, নারী ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১৫ জন এবং হিজড়া ৯ জন।

  • ফুলবাড়ীয়া দৃষ্টি নন্দন ফজলুল হক সরকার হাফেজিয়া মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন

    ফুলবাড়ীয়া দৃষ্টি নন্দন ফজলুল হক সরকার হাফেজিয়া মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধি ঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি জুমআ বাদ ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় রাধাকানাই ইউনিয়ন পলাশতলী গ্রামের মরহুম আলহাজ্ব ফজলুল হক সরকার হাফেজিয়া ও ফুরকানিয়া মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অত্র হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি এ.কে.এম সায়ফুল ইসলাম কাজলে সভাপতিত্বে করেন। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শায়েখ এম.এম ইউসুফ আলী নূরী, ধমীর্য় আলোচক বাংলাদেশ টেলিভিশন ঢাকা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসা হেফজ প্রধান শায়েখ মোঃ আব্দুল্লাহ বিন ফজল, অত্র মাদ্রাসা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, সুরুজ্জামান মাস্টার, অত্র মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষক আবু সিয়াম আহম্মেদ, পলাশতলী দাখিল মাদ্রাসারা ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ আমিরুল ইসলাম, ধুরধুরিয়া আলিম মাদ্রাসা অবসর প্রাপ্ত প্রভাষক আলহাজ্ব আইউব আলী মাস্টার,স্থানীয় ইউপি সচিব রফিকুল ইসলাম বাবুলসহ অভিভাবক, মুসুল্লিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন মাওলানা মোঃ আবুল কালাম আজাদ ।
    উল্লেখ্য, আলহাজ্ব ফজলুল হক সরকার হাফেজিয়া ও ফুরকানিয়া মাদ্রাসাটি ১৯৯১ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে ১০ শতাংশ জায়গায় উপর প্রথম যাত্রা শুরু করে। মাদ্রাসাটি পলাশতলী বাজার উত্তর পাশে অবস্থিত। মাদ্রাসার হাফেজিয়া ও ফুরকানিয়া হেফজখানা অসহায় এতিম, স্থানীয় শিক্ষার্থীদের কুরআন শিক্ষা দানে কাজ করে যাচ্ছে।

  • তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানা পুুলিশের কাছ থেকে তথ্য চাওয়ার অধিকার সাংবাদিকের নেই- ওসি জাকির হোসেন মোল্লা

    তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানা পুুলিশের কাছ থেকে তথ্য চাওয়ার অধিকার সাংবাদিকের নেই- ওসি জাকির হোসেন মোল্লা

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে খালে পড়ে থাকার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের বালুবাড়ী এলাকা সংলগ্ন পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়কের করতোয়া সেতুর ৮০গজ পূর্বে এই ঘটনাটি ঘটে।

    ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে ও জানতে পারা যায়, সকালের দিকে ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো-ট-২২-২৬৪৭) প গড় থেকে ভজনপুরে আসার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাতীয় মহাসড়কের এলিভেশনের চিহ্নিত ছোটো সিমেন্টের খুঁটি টেনে-হেঁচড়ে ভেঙে খালে পড়ে যায়। এরপর ট্রাকটি বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটিতে ধাক্কা লেগে খুঁটি সামান্য বেঁকে যায়। জানা যায়, ট্রাকটি মৃত নিজাম উদ্দীনের ছেলে জাকের হোসেনের।
    ওই সময় ঘটনাস্থলে হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন মোল্লার কাছ থেকে ট্রাকের বিষয়ে তথ্য চাইতেই রেগে যায় এবং বলেন, ‘কোন আইনে আছে পুলিশের কাছ থেকে সাংবাদিক তথ্য নিতে পারবে, যদি দেখিয়ে দিতে পারেন তেঁতুলিয়া ছেড়ে চলে যাব। তিনি আরোও বলেন, ট্রাকের মালিকের বিষয়ে জানিনা, আপনার (সাংবাদিকের) কাজ সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা, আপনিও তথ্য সংগ্রহ করুন’।

    প গড় সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে মুঠোফোনে কল করলে রিসিভ না হওয়ায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলামকে মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, হাইওয়ে ওসি স্যারকে জানিয়েছেন আমাদের লোক ঘটনাস্থলে গিয়েছে।

    এ ব্যাপারে প গড় পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম সিরাজুল হুদা পিপিএম বলেন, ‘তিনি এই ঘটনার বিষয়ে অবগত আছেন। ঘটনার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাইওয়ে ওসিকে বলবেন জানিয়েছেন। এদিকে পুলিশের কাছ থেকে সাংবাদিক তথ্য নিতে পারবেন না হাইওয়ে থানার ওসি বলছেন এমন জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, যদি তিনি (হাইওয়ে ওসি) এ কথা বলে থাকে তাহলে সেটি ভুল বলছেন।’

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই উৎসব অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই উৎসব অনুষ্ঠিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে সরকারি বালিকা ও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বই উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ, একাডেমিক সুপার ভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বানু ডলি, প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ দে ও শহিদুল ইসলাম। অনুরূপভাবে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করেন প্রধান শিক্ষক মিলিজিয়াসমিন।

    প্রেরক ঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় কাচ্চি বাড়ীতে পঁচা মাংশের বিরিয়ানি বিক্রি;৪০ হাজার টাকা জরিমানা

    পাইকগাছায় কাচ্চি বাড়ীতে পঁচা মাংশের বিরিয়ানি বিক্রি;৪০ হাজার টাকা জরিমানা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)
    খুলনার পাইকগাছায় কাচ্চি বাড়ীতে মিলবে শান্তি মিলবে প্রশান্তি স্লোগানে পৌরসদের অবস্থিত কাচ্চি বাড়ী রেস্টুরেন্টে পঁচা মাংশের কাচ্চি বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরে অবস্থিত কাচ্চি বাড়ী বিরিয়ানি হাইজে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে মঙ্গলবার সন্ধায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র আলামিন সহ তার দুই বন্ধু আবির ও সাজু মিলে পাইকগাছা পৌরসদের নতুন রেস্টুরেন্ট কাচ্চি বাড়ীতে বিরিয়ানি খেতে যান। ঐ সময় তাদের তিন বন্ধু কে প্লেটে করে বিরিয়ানি খেতে দেওয়া হয়। তবে খাওয়ার সময় বিরিয়ানি তে পঁচা মাংশের গন্ধ পেয়ে তারা কর্তৃপক্ষ কে জানান। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানা মাত্রই তাদের দেওয়া পঁচা মাংশের বিরিয়ানি বদলে দিয়ে নতুন করে বিরিয়ানি দেন। আর পঁচা মাংশের ঐ বিরিয়ানি ফেলে দিতে যান।এসব দেখে তিন বন্ধুর চিৎকার ও চেঁচামেচিতে আশে পাশের ব্যবসায়ী সহ পথচারীরা কাচ্চি বাড়ি ঘেরাও করে রাখেন। কাচ্চি বাড়ির আশপাশের ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের বলেন আমাদের এই পঁচা মাংস প্রতিনিয়তই খাওয়াচ্ছে।এই কাচ্চি বাড়ি বিরিয়ানি হাউস প্রশাসনের কাছে দ্রুত সিলগালা করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। এনার বাড়ি বরিশালে সেখান থেকে এসে আমাদের পাইকগাছায় ব্যবসা করছে তাও আবার পঁচা মাংস খাওয়াচ্ছে ।এনাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত শুধু জরিমানা করলে চলবে না। দুইদিন পরে আবারো একই অবস্থা হবে ,তাই আমরা জনসাধারণ এই কাচ্চি ঘর বন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। এখানে তিনটা বিরানির ঘর করেছেন। প্রতি ঘরে এমন পঁচা মাংস খাওয়াচ্ছে।ঐ মালিকের আরো দুটি ঘর আছে বলে স্থানীয় সূত্র মতে জানা যায়।এ বিষয় জানতে পেরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুজ্জামান ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনার বিষয়ে প্রশাসন সহ উপস্থিত তার সম্মুখে কাচ্চি বাড়ি রেস্টুরেন্টের মালিক আক্তার হোসেন বলেন,তিনি বড়দল থেকে মাংশ আনেন মরা কি পঁচা জানেন না। এ বিষয়ে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উদয় কুমার মন্ডল জানান, ঘটনাটি শুনেছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃআরিফুজ্জামান বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে হোটেল মালিক কে ৪০হাজার টাকা জরিমানা করেন।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • ইপিজেড থানা দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শনে, (অতিরিক্ত আইজিপি) কৃষ্ণপদ রায়

    ইপিজেড থানা দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শনে, (অতিরিক্ত আইজিপি) কৃষ্ণপদ রায়

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ-

    চট্টগ্রাম সিএমপি পুলিশ কমিশনার, কৃষ্ণপদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) অদ্য ২২/০২/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ ইপিজেড থানা দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনকালে ইপিজেড থানা চত্ত্বরে খোলামেলা পরিবেশে তিনি উপস্থিত সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে পুলিশের করণীয় ও বর্জনীয় সংক্রান্তে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এসময় চট্টগ্রাম সিএমপি,পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার), সিএমপি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি হওয়ায় উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর), সিএমপির, শাকিলা সোলতানা”র টিম ইপিজেড এর পক্ষ থেকে সিএমপি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত আইজিপি কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রসাশন ও অর্থ) আ স ম মাহতাব উদ্দিন পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেসন্স) আব্দুল মান্নান মিয়া, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত উপ- পুলিশ কমিশনার(বন্দর) জনাব শেখ-শরীফ উজ জামান সহ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • ত্রিশালে নতুন প্রজন্মকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত করতে ইউএনও’র উদ্যোগ সাইকেল র‍্যালি

    ত্রিশালে নতুন প্রজন্মকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত করতে ইউএনও’র উদ্যোগ সাইকেল র‍্যালি

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ‘বাংলা ভাষা মোদের প্রাণ, শুদ্ধ চর্চায় রাখবো মান’- স্লোগান কে সামনে নিয়ে জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আগামী প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে, বাংলা ভাষা ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণে সচেতন করতে সাইকেল র‍্যালি ‘চেতনায় একুশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (২১ফেব্রুয়ারি) ত্রিশাল হেল্পলাইনের আয়োজনে ও উপজেলা প্রশাসনেট সার্বিক সহযোগিতায় ত্রিশাল সরকারী নজরুল কলেজ মাঠে সাইকেল র‌্যালীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা জুয়েল আহমেদ। ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত প্রায় ৩০০ ভাষাপ্রেমী সাইকেলিস্ট এই র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করে।

    এ সময় সাইকেল র‍্যালি পুর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব জুয়েল আহমেদ সহকারী কমিশনার (ভূমি), জনাব হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল হোসেন।

    ত্রিশাল হেল্পলাইনের সভাপতি ফয়সাল আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন- ত্রিশাল হেল্পলাইনের সাবেক সভাপতি খাইরুল ইসলাম,ত্রিশাল হেল্পলাইনের কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য, ইউনিয়ন সমন্নয়ক, সহ-সমন্বয়ক, ত্রিশাল হেল্পলাইনের বিভিন্ন ইউনিয়ন শাখার সদস্য এবং ত্রিশালের ভাষাপ্রেমী সুধীমহল।

    এসময় ইউএনও জুয়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলা ভাষার জন্য জীবন দান করে আমরা পৃথিবীতে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। আমাদের অবহেলার কারণে সেই ভাষা আজ বিভিন্নভাবে কলুষিত হতে বসেছে। আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকে প্রমিত বাংলায় কথা বলতে পারে না। সেই বোধ থেকে একুশে পরিষদ এ বছর স্কুল-কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া সাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে সারাদেশের মানুষ জানতে পারবে আমাদের দাবির কথা। এতে মানুষের মধ্যে একটু সচেতনতা সৃষ্টি হলেই আমরা সার্থক।’

    উদ্বোধন শেষে সরকারী নজরুল কলেজ মাঠ থেকে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ৩ শতাধিক সাইকেলিস্টদের নিয়ে সাইকেল র‌্যালী শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শেষ হয়।

  • পাইকগাছায় আমের মুকুল সৌরভ ছড়াচ্ছে ; চাষির মুখে হাসি

    পাইকগাছায় আমের মুকুল সৌরভ ছড়াচ্ছে ; চাষির মুখে হাসি

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)
    দেরিতে হলেও প্ইাকগাছায় আম গাছ মুকুলে ভরে গেছে। আমের মুকুলে সৌরভ ছড়াচ্ছে। সুমিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে পরিবেশ। বসন্তের শুরু থেকেই মুকুলে শোভা পাচ্ছে গাছ। মৌমাছির দল গুনগুন করে ভিড়তে শুরু করছে আমের মুকুলে। মুকুলের সেই সু-মিষ্টি সুবাসে আন্দোলিত হয়ে উঠেছে চাষীর মনও। তবে এ বছর প্রথম দিকে আশানারুপ মুকুল ধরেনি। তারপরও মনে আশা নিয়ে আমচাষি ও বাগান মালিকরা বাগানের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।নাবিতে মুকুল এসেছে আর পুরা গাছ মুকুলে ভরে গেছে।চাষির মুখে হাসি ফুটেছে।চাষিরা গাছে মুকুল আশার আগে থেকেই গাছের পরিচর্যা করে আসছেন তারা। যাতে করে গাছে মুকুল বা গুটি বাঁধার সময় কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়।
    পাইকগাছা সহ উপকুল এলাকায় চলতি বছর অনেক দেরিতে আম গাছে মুকুল বের হওয়া শুরু হয়েছে। অধিকাংশ গাছের মুকুল ভালো হয়েছে। তবে অল্প কিছু গাছে কোন মুকুলই বের হয়নি।পাইকগাছার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়ুলী ও পৌরসভা ছাড়া বাকি ইউয়িনগুলোতে সীমিত আমের গাছ রয়েছে। উপজেলায় ৫শত ৮৫ হেক্টর জমিতে মোট আম গাছ রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজার। কিছু কিছু পরিকল্পিত আম বাগান রয়েছে। এসব বাগানে সর্বনিন্ম ১০টি গাছ রয়েছে। ৫ শতক, ১০ শতক, ১ বিঘা ও ৩ বিঘা পর্যন্ত আমের বাগান রয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে ছড়ানো ছিটানো আম গাছ আছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এসব বাগানের ৯০ ভাগ গাছেখুব ভালো মুকুল ধরেছে। মাত্র ৫ ভাগ আম গাছে মুকুল বের হয়নি।কৃষি অফিস আশা করছে, আম বাগান থেকে চলতি মৌসুমে ৫ হাজার ৮ শত মেট্রিক টন আমের ফলন পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তারপরও বাগান মালিক, কৃষিবিদ, আমচাষিরাও আশা করছেন বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উপজেলায় আমের ফলন আশানারুপ হবে।উপজেলায় মল্লিকা, চুষা, আশ্বিনা, ল্যাংড়া, হিমসাগর, ফজলি, লতা, বারি ৪, আম্রপলি, গোপালভোগ সহ অন্যান্য জাতের আম চাষের হয়। সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ও বাগান মালিক জানান, নিয়মিত পরিচর্যা, গাছের গোড়ায় বাঁধ দিয়ে পানি সেচের কারণে সব বাগানে গাছগুলো নিয়মিত খাদ্য পাচ্ছে। ফলে আশানুরূপ ফলন বাড়ছে।
    উপজেলার কপিলমুনি, গদাইপুর, হরিঢালী, রাড়ুলী, পৌরসভা, চাঁদখালীসহ বিভিন্ন এলাকা আম বাগানের গাছে মুকুল ভালো হয়ছে। আম চাষি মজিবুর রহমান জানান, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। বাগানের আম গাছে মুকুলে ভরে গেছে। আমরা কৃষি বিভাগে গিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করছি। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও আমাদের বাগানে এসে আমের বাগান ভাল রাখার জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। পুরোপুরিভাবে শীত বিদায়ের আগেই মুকুল না আসলে ভাল ফলন ভালো হবে না। ঘন কুয়াশায় মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদিও ফাগুনে কুয়াশার আশংকা কম তারপরও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রকৃতির বিরূপ আচারণে আমের মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।হরিঢালীর আকবর হোসেন, গদাইপুরের মোবারক ঢালী, তকিয়ার মুজিবর গাজীসহ বিভিন্ন এলাকার আম ব্যবসায়ীরা জানান, ঋণ করে আগাম আম বাগান নিয়েছে। অনেক চাষী আম বিক্রি ঋণের টাকা পরিশোধ করবে।তাই আমের মুকুল বের হওয়া আর ফলনের উপর নির্ভর করছে করছে আম চাষির স্বপ্ন।কৃষিবিদরা জানান, আমগাছের বহু সমস্যার মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো প্রতি বছর ফুল ও ফল না আসা। দেখা গেছে, একেবারেই ফুল হয় না বা হলেও কোনো কোনো বছর খুব কম হয়। যখন অনেক গাছে এক বছর খুব ফুল হয় আর পরের বছর একেবারেই হয় না বা খুব সামান্য হয় এবং তৃতীয় বছর আবার খুব বেশি ফুল আর চতুর্থ বছর কিছুই না বা কম অর্থাৎ এরা একটু ছন্দের মতো চলে। এই রকম হলে বলা হয় ‘অলটারনেট বা বায়িনিয়াল বেয়ারিং। বাণিজ্যিক জাত যেমন, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, খিরসাপাত, আশ্বিনা ইত্যাদির অলটারনেট বেয়ারিং হ্যাবিট আছে এবং বারি আম-১, বারি আম-২, বারি আম-৩, বারি আম-৪ ইত্যাদি রেগুলার বেয়ারর জাত। তাই বাগানে শুধু ‘অলটারনেট বেয়ারার’ জাতের গাছ না লাগিয়ে, অন্তত কিছুসংখ্যক ‘রেগুলার বেয়ারার’ জাতও লাগানো উচিত। এতে প্রতি বছরই বাগান থেকে কিছু না কিছু ফলন পাওয়া যাবে। বাগানের গাছগুলোকে অধিক উৎপাদনক্ষম করার জন্য অবশ্যই আম বাগান বছরে ৩ বার বর্ষার আগে, বর্ষার পরে ও শীতকালে লাঙল, পাওয়ার টিলার অথবা কোদাল দ্বারা কুপিয়ে ভালোভাবে গভীর চাষাবাদ করতে হবে। ফলে বাগানের আগাছা মারা যাবে এবং মাটির সাথে মিশে জৈবসারে পরিণত হবে। মাটির ভেতরকার পোকামাকড়ও মরে জৈব পদার্থ হিসেবে মাটিতে যোগ হবে। তাছাড়া মাটির আর্দ্রতা ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং পুষ্টি উপাদানগুলো গাছের গ্রহণের উপযোগী হবে।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, আমাদের পাইকগাছায় ৯৫ ভাগ গাছে মুকুল চলে এসেছে, চাষীদের ফুল ফোটার অবস্থায় কোন ঔষধ বা কীটনাশক ব্যবহার না করতে বলা হয়েছে। এ সময়ে বাগানে হপার এবং ফুলকী পোকাগুলো গাছের বাকলে লুকিয়ে থাকে। এ ধরনের পোকা খুব বেশী দেখা দিলে অনুমোদিত কীটনাশক নাশক স্প্রে করার পরামর্শ প্রদান করছি। কুয়াশার কারণে আমের মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতেপারে। এজন্য অনুমোদিত সালফার বা বালাই নাশক স্প্রে’র পরামর্শ দিয়েছেন। আবহাওয়া যদি রৌদ্রজ্জ্বল হয় এবং তাপমাত্রা বাড়ে তবে গুটি ভালো হবে। তিনি আরও জানান,মাটিতে প্রয়োজনীয় পানিওরসের অভাব হলে সার প্রয়োগের পর সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। ফিডার রুটগুলো গাছের গোড়া থেকে দূরে থাকে। যে বছর গাছে প্রচুর ফুল আসে, সে বছর যদি গাছের অধের্ক ফুল ভেঙে দেয়া হয়, তাহলে গাছের সেই অংশ নতুন শাখা উৎপন্ন করবে। আগামী বছর সেই অংশে ফুল ও ফল উৎপন্ন করবে। এভাবে আম গাছ থেকে নিয়মিত ফলন পাওয়া যেতে পারে।

  • সুজানগরে এস এস সি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন পাওয়ায়  ১৪ শিক্ষককে অব্যাহতি

    সুজানগরে এস এস সি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন পাওয়ায় ১৪ শিক্ষককে অব্যাহতি

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে চলমান এস এস সি পরীক্ষা চলাকালে দুটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সঙ্গে মোবাইল পাওয়ায় ১৪ শিক্ষককে চলমান পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদের দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। সুজানগর এ কেন্দ্র,কেন্দ্র কোড-৩৩০ সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং সুজানগর ডি কেন্দ্র,কেন্দ্র কোড-৩৩৩ শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে গত মঙ্গলবার ইংরেজী প্রথম পত্র পরীক্ষা চলাকালীন পরিদর্শনে গিয়ে বোর্ডের ভিজিলেন্স টিম কর্তৃক ১৪ কক্ষ পরিদর্শকের মধ্য ১২ জনের কাছে স্মার্ট মোবাইল ফোন এবং অপর ২ জন শিক্ষকের কাছে নরমাল বাটন ফোন পাওয়ায় কেন্দ্র সচিবদের মাধ্যমে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা উপজেলার উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আলাউদ্দিন, মালিফা হাবিবুর রহমান বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খাদিজা আক্তার, তাঁতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুনর রশিদ, পোড়াডাঙ্গা হাজী এজেম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফারজানা ইয়াসমিন, সাবিনা খাতুন, হাবিবুর রহমান ও হাজী অজেল আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল জলিল, উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়র সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান ও সাবিনা ইয়াসমিন, রাইপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মালেকা পারভিন, সাদুল্লাপুর উচ্চ বিদ্যািলয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুদ্দিন, কামালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গণেশ চন্দ্র সরকার এবং শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু বকর ও গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রুহুল আমিন। এর মধ্য সুজানগর এ কেন্দ্র,কেন্দ্র কোড-৩৩০ সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে ১২ জন শিক্ষককের কাছ থেকে স্মার্ট ফোন এবং সুজানগর ডি কেন্দ্র,কেন্দ্র কোড-৩৩৩ শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ২ শিক্ষককের নিকট থেকে নরমাল বাটন ফোন উদ্ধার করে বোর্ডের ভিজিলেন্স টিম। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন বলেন, বোর্ডের ভিজিলেন্স টিম পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টির সতত্যা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বৃহস্পতিবার বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্মার্ট ফোন অথবা নরমাল বাটন ফোন যেটাই হোক কোন ফোনই পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পরবেন না কক্ষ পরিদর্শকগণ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।