Blog

  • মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় বাধা হুমকি ও আতঙ্কিত পরিবেশ তৈরির অভিযোগ তোলে সংবাদ সম্মেলন

    মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় বাধা হুমকি ও আতঙ্কিত পরিবেশ তৈরির অভিযোগ তোলে সংবাদ সম্মেলন

    লিটন মাহমুদ,

    মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

    মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে
    প্রচার-প্রচারণায় বাধা হুমকি ও আতঙ্কিত পরিবেশ তৈরির অভিযোগ তোলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র প্রার্থী মাহতাবউদ্দিন কল্লোল। রবিবার বেলা ১১টার দিকে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিন ও তার স্বামী মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফয়সাল বিপ্লব প্রভাব খাটিয় আতঙ্কিত পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে ভোট কাস্টিং কমানোর অপ-তৎপরতা অভিযোগ করেন নাড়িকেল গাছ প্রতীকের এই প্রার্থী।

    মেয়র প্রার্থী কল্লোল বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই বিভিন্ন ভাবে বাঁধে দিচ্ছে প্রতিপক্ষ জগ প্রতীকের প্রার্থী ফাহরিয়া আফিরনের লোকজন। প্রচারনার প্রথম দিন গেল ২৩ ফেব্রুয়ারী পৌরসভার রণছ রুহিতপুর এলাকায় কল্লোল পক্ষে ভোট চাওয়া তাদের সমর্থক অপু আমার মহিলা কর্মী লাকিকে গালিগালাজ ও শ্লীলতাহানি করেছে। তার বাড়িঘরে হামলা করেছে। ওইদিন বিকালে শহরের মানিকপুর এলাকায় আমার সহধর্মিণী জেলা যুব মহিলা লীগের আহবায়ক মোরশেদা বেগম লিপির পথরোধ করে তার সাথে থাকা ছাত্রলীগ কর্মী শান্তকে ছুড়ি দিয়ে আঘাত করে জখম করেছে। পরদিন গতকাল ২৪ ফেব্রুয়ারী শহরের হাটলক্ষীগঞ্জ এলাকায় ভোট চাইতে গেলে জগ প্রতীকের সমর্থক সোহেল মহিলা কর্মী পুতুলসহ তার সাথে থাকা মহিলাদের লাঞ্চিত ও অপদস্ত করে। একইদিন দক্ষিণ ইসলামপুর এলাকায় জগ প্রতীকের সমর্থক মনির আমার মহিলা কর্মী হালিমা, মঞ্জু ও সাফাকে লাঠি দিয়ে পেটাতে এগিয়ে আসে। এসময় তারা স্থানীয়দের সহয়তায় প্রাণে বেঁচে ফেরে।

    নিপীড়নের মাত্রা দিনদিন আরো বাড়ছে ও এসব ঘটনায় থানায় এপর্যন্ত ৫টি অভিযোগ করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনকে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিন ভয় পাচ্ছেন। তার পেছনে যে শক্তিটি কাজ করছে তাদের উদ্দেশ্য মূলত সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করা ও মুন্সিগঞ্জ পৌরসভাকে ‘টেন্ডারবিহীন’ লুটপাটের অভয়ারণ্যে পুন:প্রতিষ্ঠা করা।

    এমতাবস্থায় সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ প্রশাসনিক আচরণের দাবি জানান মাহতাবউদ্দিন কল্লোল ।

  • সুন্দরগঞ্জে মাকে নিয়ে ভাইবোনের দ্বন্দ্বের জেরে ৩৭৫ মন পাটে আগুন

    সুন্দরগঞ্জে মাকে নিয়ে ভাইবোনের দ্বন্দ্বের জেরে ৩৭৫ মন পাটে আগুন

    গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় মাকে নিজের বাড়িতে রাখা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে মজুত করা ৩৭৫ মন পাটে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

    থানা পুলিশসহ একাধিক সূত্রে থেকে জানা গেছে, চলতি মাসের ১২ ফেব্রুয়ারী রাতে পৌর সভার ৭নং ওয়ার্ড রামডাকুয়া মহল্লার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুর আলমের সাথে তার বোন জাহানারা বেগম মাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব বাঁধে। পরে ট্রিপল নাইনে ফোন করা হলে পুলিশ এসে অসুস্থ নুর আলমের মায়ের জবানবন্দি অনুযায়ী ছেলেদের বাড়িতেই থাকতে চাইলে জাহানারা ও তার মেয়েদের পুলিশ সরিয়ে দেন। পর দিন বৃদ্ধা মারা গেলে ওসিয়ত অনুযায়ী তাকে তার স্বামীর পাশে দাফন করানোর জন্য রামজীবন ইউনিয়নের সূবর্ণদহ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। লাশ দাফন করে বাড়ি ফেরার সময় নুর আলম ও তার ভাইকে জাহানারা বেগম তার স্বামী সুরুজ্জামানসহ মেয়েরা মিলে মারধর করার চেষ্টা করে। সেই সাথে মায়ের ব্যবহৃত গহনার ভাগ নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে জাহানারা বেগম বলে বসে আমার ঘরে থাকা একটি পাটও তোকে বের করে নিয়ে যেতে দেবনা। পরে এনিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ইং তারিখে পৌর সভায় নুর আলমের স্ত্রী মরিয়ম বেগম একটি অভিযোগ দায়ের করেন। দুদিন পর সে মোতাবেক ১৬ ফেব্রুয়ারী গাবের তলে সালিস হয়। এতেও সমাধান না হওয়ায় ২৩ তারিখ রাতে মামলা হলে পুলিশ জাহানারা বেগমের জামাতা ও ২ মেয়েকে ধরে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে পুলিশ পাট উদ্ধার করতে আসলে জাহানারা বেগম তার বাসার সমস্ত গেট বন্ধ করে দেয়। পুলিশ গেট খোলার জন্য বারবার ডাকার একপর্যায়ে ওই মজুত করা পাটের ঘরে আগুন লাগানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সব পাট উদ্ধার করে পুলিশ। এ নিয়ে মামলার আইও এসআই আবু তালেবের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ৩৭৫ মন পাটের মধ্যে ১২০ মন সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে, আংশিক পুড়ে গেছে ৫০ মন আর বাকী গুলো অক্ষত রয়েছে।
    সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইন্চার্জ গোলজার হোসেনকে আগুনের সূত্রপাতের কথা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সঠিক তদন্ত না করা পর্যন্ত বলা যাবেনা আগুন কে লাগিয়েছে।
    এব্যাপারে তদন্ত ওসি মিলন কুমার চ্যাটার্জীর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, মামলার ভিত্তিতে ৩ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পাটের মালিক ও আগুন দেয়ার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।

  • নড়াইলে ডিবি পুলিশের সফল অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের সফল অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে ডিবি পুলিশের সফল অভিযানে পঞ্চাশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ সবুজ কাজী (২৫) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। গ্রেফতারকৃত মোঃ সবুজ কাজী (২৫) নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন ধানাইড় গ্রামের মোঃ টিটন কাজীর ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে নড়াইল সদর থানাধীন চণ্ডীবরপুর ইউনিয়নের আলীগঞ্জ ফেদী গ্রামের লিয়াকত আলীর বাগানের মধ্য থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ সবুজ কাজী (২৫)কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির নিকট থেকে পঞ্চাশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম বলেন, নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • তাঁতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    তাঁতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে বার্ষিক এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। পরে তাঁতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল খানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.সোলায়মান হোসেন ,উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন তাতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক । ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন খান, আইনজীবী শাহজাহান আলী খান, উপজেলা আওয়ামী কৃষকলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খন্দকার, সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, সুজানগর এন এ কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার আব্দুর রউফ, সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মুজিব আদর্শে জীবন গড়ার শপথ নিতে হবে বলে জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করে গেছেন ঠিক তেমনি ভাবে যেন তোমরাও গড়ে উঠতে পারো সেই লক্ষ্যে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। উদ্বোধকের বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবককে তাদের সন্তানদের বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানানোর প্রতি আহ্বান জানান ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪

    আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাবনার মোঃ সিরাজুল ইসলাম (২৮) ও বি-বাড়িয়ার মোঃ সাদিও (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ এর চৌকস একটি দল। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি পিকআপ ভ্যান ও মোবাইল জব্দ করা হয়েছে।
    শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) সকালে গ্রেফতারকৃতদেরকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে একটি মাদক মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব-৪। এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিস্তারিত, ঠিকানা হলো-পাবনা জেলার চাটমহর থানার ফৈলজানা গ্রামের মোঃ মফিজ উদ্দিন প্রমানিকের ছেলে মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও বি-বাড়িয়ার বিজয়নগর থানার মহেশপুরের মৃত আব্দুল হাসিম মেম্বারের ছেলে সাদির।
    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় র‌্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, অবৈধ মাদক গাঁজা বিক্রি করছে। র‌্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করেন। এসময় তাদের কাছ থেকে স্কচটেপ দিয়ে পেঁচানো প্রায় ২৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার মূল্য প্রায় পাঁচ লাখ ১৩ হাজার দুই শত টাকা। এসময় জব্দ করা হয় একটি পিকআপ ভ্যান ও মোবাইল ফোন। র‌্যাব জানায়, দীর্ঘদিন যাবত তারা পিকআপ ভ্যানে করে বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি করে আসছিল।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোহাব আলী গণমাধ্যমকে বলেন, গ্রেফতারকৃতদেরকে র‌্যাব-৪ কর্তৃক আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে। তিনি জানান, অদূর ভবিষ্যতেও এইরুপ মাদক বিরোধী জোড়ালো সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ দিকে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ, পলাশবাড়ি, ভাদাইল ও ইয়ারপুর ইউনিয়নের রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠ ও জামগড়া এলাকায় কিশোর অপরাধ বেড়েই চলেছে, কিশোর গ্যাং বাহিনী ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে এলাকাবাসী জিম্মী হয়ে পড়েছে। পুলিশ তাদেরকে রহস্যজনক কারণে আটক করতে পারেন না, বেশিরভাগ বড় ধরণের অপরাধীদেরকে র‌্যাব কর্তৃক গ্রেফতার করার নজির রয়েছে।

  • আশুলিয়ায় নয়নজুলি খালসহ ৮টি খাল শত বছরেও উদ্ধার হয়নি-বৃষ্টির পানিতে রাস্তা দেখা যায় না

    আশুলিয়ায় নয়নজুলি খালসহ ৮টি খাল শত বছরেও উদ্ধার হয়নি-বৃষ্টির পানিতে রাস্তা দেখা যায় না

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় শত বছরেও নয়নজুলি খালসহ ৮টি খাল উদ্ধার করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। প্রভাবশালীদের দখলে থাকলেও খালগুলো উদ্ধার না হওয়ার কারণে বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা, আগামী বর্ষাকালে বৃষ্টি হলে পূর্বের চেয়ে আরো বেশি ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
    শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় অবস্থিত সরকারি নয়নজুলি খালসহ বিভিন্ন খালগুলোর অবকাঠামোগত সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিকবার এলাকাবাসী মানববন্ধন করলেও কোনো ফায়দা হয়নি। এর আগে “চির তারণ্য সমাজকল্যাণ সংগঠন” এবং জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী একাধিকবার মানববন্ধন করার পরও নয়নজুলি খালসহ সরকারি ৮টি খাল শত বছরেও উদ্ধার হয়নি। জনগণের অভিযোগ-সামান্য বৃষ্টির পানিতে রাস্তা দেখা যায় না, পুরো এলাকা যেন বেহাল অবস্থা। রাস্তার পানিতে জলাবদ্ধতা চোখে পড়ার মতো। এর কারণে এলাকায় বসবাসরত লাখ লাখ মানুষের চরম দূর্ভোগ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া থেকে নয়নজুলি খালটি জিরাবো পুকুরপাড় এসে লোসাকা গ্রুপ, আমান স্প্রিনিং মিলের রাসায়নিক পানি, বর্জ্যগুলোর কারণে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এলাকায় বেশ কয়েকটি শিল্পকারখানা ও স্থাপনার মালিক কর্তৃক নয়নজুলি খালটি অবৈধ ভাবে দখল করার কারণে বৃষ্টির পানি ও ময়লা আটকে গিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এর কারণে উক্ত এলাকায় বসবাসকারী গার্মেন্টেসের লাখ লাখ শ্রমিক ও জনসাধারণের চরম ভোগান্তি হলেও কেউ কোনো ভাবে এ সমস্যার সমাধান করছেন না।
    উক্ত এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য জিরাবো পুকুরপাড় বাজার সংলগ্ন ব্রিজের উপরে নয়নজুলি খালের পানি নিস্কাশনের দাবিতে এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন একাধিকবার কিন্তু এতে কোনো সুফল হয়নি। স্থানীয় আব্দুল রশিদ কাজী জানান, এলাকাবাসীর এই সমস্যাটি নিয়ে বেশ কয়েকবার সাবেক ঢাকা-১৯ আসনের এমপি, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানের কাছে স্বারকলিপি পেশ করেছি কিন্তু তা আমলে নেননি। আমরা মানববন্ধনের মাধ্যমে এমপি মন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর করতে চাই। তিনি বলেন, আশা করি খুব দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে। বর্ষাকালে বৃষ্টির সময় এলাকাবাসীর দূর্ভোগ দেখে জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী সাথে সম্মিলিতভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে এসে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন চির তারণ্য সমাজকল্যাণের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক বলেছিলেন, এর আগে এমন দূর্ভোগ চোখে পড়েনি। তিনি আরও বলেন, এই এলাকার শিল্পকারখানা “লোসাকা গ্রুপ ও আমান স্প্রিনিং মিলের মালিক অবৈধভাবে দখল করে তাদের রাসায়নিক ক্ষতিকর বর্জ্য ফেলছেন। ৬ফিট পাইপ লাইনের মাধ্যমে তাদের রাসায়নিক পানি নিস্কাশনের ধারণ ক্ষমতা না থাকায় উল্টো পানি পেছনের দিকে চলে যায়। এর কারণে বৃষ্টিপাত হলেই এলাকার শত শত বাড়ি ঘর ও রাস্তা প্লাবিত হয়ে যায়।
    এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে লোসাকা গ্রুপের “এমডি” শফিক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, এলাকার কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে আমরা পানি নিস্কাশনের কাজ করেছি। তাদের মধ্যে এলাকার স্থানীয় মোঃ আফজাল মেম্বার ও লিয়াকত দেওয়ানকে সাথে নিয়েই আমরা কাজ করেছি। অবৈধভাবে দখলের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা প্রশাসন ও ভূমি অফিস থেকে পাস এনেছি। নয়নজুলি খালের লিজিং দেওয়ার নিয়ম না থাকলেও তার দাবির প্রেক্ষিতে কোনো লিখিত কাগজপত্র প্রমাণ দেখাতে পারেননি তিনি। অথচ লিয়াকত দেওয়ান মোল্লা বাজার এলাকায় নয়নজুলি খাল দখল করে রেখেছেন।
    আশুলিয়ায় নয়নজুলি খালসহ সরকারি ৮টি খাল প্রভাবশালীদের দখলে-এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভুমিকায় থাকার কারণে এসব খাল উদ্ধার করা যায়নি বলে স্থানীয়দের দাবি। একদিন বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাটু পানি হয়, সেই পানি ৭-১০দিন থাকে। সেই সাথে পোশাক কারখানার ময়লা আবর্জনা বর্জ্যরে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা থাকে, এর কারণে জনসাধারণের চরম দূর্ভোগ ও ভোগান্তি হয়। অপরিকল্পিত বাসা বাড়ি ও ঘর নির্মাণ করায় রাস্তা নিচু হয়ে গেছে। বাসা বাড়িসহ শিল্পকারখানার নোংরা পানি ও বর্জ্যে পরিবেশ দূর্ষণ করছে। বিভিন্ন রাস্তা গর্তের সৃষ্টি হয়ে এখন তা মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। মাঝে মধ্যে ভাঙ্গা রাস্তায় পড়ে গিয়ে আহত হয় অনেক মানুষ।
    আশুলিয়ার জামগড়া হইতে পুরাতন আশুলিয়া তুরাগ নদী পর্যন্ত নয়নজুলি খাল ৭কি. মি.। নলীর খাল, ক্যান্টনমেন্ট হইতে বংশাই নদী পর্যন্ত ৬ কি. মি.। ডগরতলীর খাল, ডগরতলী হইতে বারল খাল পর্যন্ত ৪ কি. মি.। বারল খাল, চক্রবর্তী হইতে বংশাই নদী পর্যন্ত ৬ কি. মি.। কন্ডার খাল, কন্ডা হইতে সুগন্ধী পর্যন্ত ৩ কি. মি.। গাজীবাড়ি খাল, নন্দনপার্ক হইতে সুবেদী পর্যন্ত ৫ কি. মি.। ভারারিয়ার খাল, শিমুলিয়া হইতে নলাম পর্যন্ত ৪ কি. মি. গাজারিয়ার খাল, ইয়ারপুর হইতে মনসস্তোষ তুরাগ পর্যন্ত ৫ কি. মি.। সর্বমোট প্রায় ৪০ কিলোমিটার খালগুলো প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। প্রশাসন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এসব খালের পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। বাসা বাড়ির ময়লা পানি রাস্তায় ছেড়ে দেওয়াসহ বর্জ্যরে দুর্গন্ধে মানুষ নাক ধরে রাস্তায় চলাচল করেন। দূষিত পানিতে এলাকায় বসবাসকারী মানুষগুলো চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হচ্ছেন। শিল্পা ল আশুলিয়ায় হাইওয়ে রোড থেকে শুরু করে শাখা রোডগুলোর বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা-সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় হাটু পানি হয়। সেই সাথে উচু বাসা বাড়ির পানি রাস্তায় ফেলার কারণে তা মানুষের শরীরে লেগে চর্মরোগসহ নানারকম রোগ হয়। এতে পোশাক শ্রমিকসহ লাখ লাখ মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। ঢাকার আশুলিয়ার অনেকেই গণমাধ্যমকে জানান, ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সকলে মিলে নয়নজুলি খালের বিষয়ে ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানকে জানানো হয়, তিনি মসজিদে দাড়িয়ে শত শত মানুষের সামনে উন্নয়নের বাণী শোনায়ে গেলেও এলাকার উন্নয়নমূলক কোনো কাজ করেননি, এর কারণে জনগণ তাকে ভোট না দিয়ে স্বতন্ত্র ট্রাক মার্কার প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। তবে বর্তমান এমপি সাহেব উন্নয়নমূলক কাজ করবেন বলে এলাকাবাসী আশাবাদী।
    আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোর্শেদ ভুঁইয়া বলেন, সরকারি নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করতে আমাদের ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ সুমন ভুঁইয়া ও ঢাকা-১৯ আসনের এমপি জনাব মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে জানানো হয়, তারা এ ব্যাপারে অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।
    আশুলিয়া থানা আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমান ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ সুমন ভুঁইয়া জানিয়েছেন যে, আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ঘোষবাগ, নরসিংহপুর, তেঁতুলতলা রোড, জামগড়া হেয়ন মোড় থেকে মোল্লাবাড়ি মসজিদ সড়কটির কাজ করেছি, পর্যায়ক্রমে আমাদের ইউনিয়নের রাস্তার কাজসহ ড্রেনের কাজ করা হবে। সেই সাথে আমাদের ঢাকা-১৯ আসনের এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মহোদয়ের সাথে নয়নজুলি খালটি উদ্ধারের ব্যাপারে কথা হয়েছে, আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সবাইকে নিয়ে খালটি উদ্ধার করে জনগণের সমস্যা সমাধান করার জন্য, দ্রুত নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করবো ইনশাল্লাহ।
    ঢাকা-১৯ আসনের এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী লক্ষ লক্ষ শ্রমিকসহ এলাকাবাসী। উক্ত নয়নজুলি খালসহ নদী ও খালের বিষয়ে ধামসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সফল সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এমপি বলেছেন, সরকারি নদী, খাল উদ্ধারসহ এলাকায় মাদক সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, জমি দখলকারীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, অপরাধীর সংখ্যা কম, আমরা সবাই মিলে অপরাধ দমন করবো ইনশাআল্লাহ।

  • পোড়াডাঙ্গা হাজী এজেম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

    পোড়াডাঙ্গা হাজী এজেম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার হাজী এজেম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে বার্ষিক এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। পরে হাজী এজেম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ¦ খন্দকার আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেনের স ালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.সোলায়মান হোসেন ,উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন হাজী এজেম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন খান, আইনজীবী শাহজাহান আলী খান, উপজেলা আওয়ামী কৃষকলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খন্দকার, সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, সুজানগর এন এ কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার আব্দুর রউফ, সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মুজিব আদর্শে জীবন গড়ার শপথ নিতে হবে বলে জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করে গেছেন ঠিক তেমনি ভাবে যেন তোমরাও গড়ে উঠতে পারো সেই লক্ষ্যে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। উদ্বোধকের বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবককে তাদের সন্তানদের বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানানোর প্রতি আহ্বান জানান ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে সুবিধা পাবে উত্তর-পশ্চিমা লের প্রায় ৪-৫কোটি মানুষ

    ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে সুবিধা পাবে উত্তর-পশ্চিমা লের প্রায় ৪-৫কোটি মানুষ

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজধানী- উত্তরা, মিরপুর ও ঢাকার আশপাশের এলাকার নাগরিক জীবনে সবচেয়ে বড় অস্বস্তির নাম হলো যানজট। বিশেষ করে এই যানজট থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ শুরু করেছে এই সরকার।
    শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) আশুলিয়া-আব্দুল্লাহপুর সড়কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। সড়ক ও জনপদে বিভিন্ন প্রান্তে নির্মিত হচ্ছে ফ্লাইওভার। বিশেষ করে দেশে চালু হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল, নির্মাণ হচ্ছে পাতাল রেল। তবে ঢাকার মানুষের জন্য স্থায়ী সুখবর নিয়ে আসতে পারে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। যেখানে একযোগে দুটি এক্সপ্রেসওয়ের কাজ চলমান। এর মধ্যে একটির একাংশ চালু হয়েছে। এসব প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হলে ঢাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি দ্রুতসময়ে রপ্তানিপণ্য পরিবহনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বাড়বে উৎপাদন বা জিডিপি কিন্তু সড়কের দুই পাশের জমি, বাড়ি, মার্কেটের মালিকরা দিশেহারা, তাদের অনেকেই কোনো নোটিশ পাননি বলে আমাদের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।
    ঢাকার যানজট নিরসনে সম্প্রতি বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা ঢাকা উড়াল সড়কের একাংশে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের এ উড়াল সড়ক উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উড়াল সড়কটি বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত যাবে। যার মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। যেখানে প্রথম পর্বে চালু হয়েছে ১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার। এখন পর্যন্ত প্রকল্পটির ৬০-৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হতে পারে ২০২৪ সালের জুন নাগাদ। তবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাক্সিক্ষত সুফল পেতে এখন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে চোখ সরকারের। এর কারণে সব বাধা কাটিয়ে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে এ প্রকল্পের কাজ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন ছাড়া ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সুফল মিলবে না। কারণ নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি বিমানবন্দরের কাওলা প্রান্তে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে মিলিত হবে। সেটি হলে সাভার উপজেলার আশুলিয়া ডিইপিজেড সংলগ্ন শিল্পা ল ও ঢাকা-চট্রগ্রাম হাইওয়ে সরাসরি সংযুক্ত হবে। তখন ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম রপ্তানিপণ্য পরিবহন অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।
    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ মনে করেন, এ দুটি প্রকল্পের কাজ শতভাগ শেষ হলে এসব অ লে রপ্তানিযোগ্য পণ্য পরিবহনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসবে। সময়ের পাশাপাশি পরিবহন খরচও হবে সাশ্রয়ী। উন্নত ও দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা আশুলিয়া শিল্পা লে নতুন নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে। এতে প্রচুর নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি ঢাকার গাবতলী, সাভার, আশুলিয়া, নবীনগর ও ইপিজেড সংলগ্ন এলাকার যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যা সেসব এলাকায় শিল্প বিকাশে আরো সহায়ক হবে। এ এক্সপ্রেসওয়েটি ডিইপিজেড থেকে আশুলিয়া- বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাওলা প্রন্তে নির্মাণাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। এতে দেশের ৩০ জেলার অন্তত ৪কোটি মানুষ উপকৃত হবে।
    ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়েটির মোট দৈর্ঘ্য ২৪ কিলোমিটার। অন্যদিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটির মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। দুটি এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ৪৩ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। রাজধানী ও ঢাকা শহরের উত্তরা ল তথা সাভার, আশুলিয়া, নবীনগর ও ইপিজেড সংলগ্ন শিল্প এলাকার যানজট নিরসন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়, শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। যার ৬৫ শতাংশ অর্থাৎ ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বা ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা দিচ্ছে চীনা এক্সিম ব্যাংক। ঢাকা- আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দেশের উত্তর-পশ্চিমা লের প্রায় ২০টি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমা লের প্রায় ৫ থেকে ৬টি জেলার মানুষ আশুলিয়া-নবীনগর-বাইপাইল হয়ে সহজে দ্রুত ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ জেলার আনুমানিক চার কোটি মানুষ এ প্রকল্পের সুবিধাভোগী হবে।
    প্রকল্প পরিচালক মোঃ শাহাবুদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হবে। এভাবে পরিকল্পনা করেই দুটি প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। এ দুটি এক্সপ্রেসওয়ে পুরোপুরি চালু হলে ইপিজেড থেকে সরাসরি পণ্যবাহী যানবাহন ঢাকার ওপর দিয়ে চট্রগ্রাম চলে যাবে। এখন ঢাকার ভেতরে যানজটের কারণে দিনে পণ্যবাহী যানবাহন চলে না। দুটি এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে তা থাকবে না। তখন রাজধানী ও ঢাকা শহরে কোনো ধরণের যানজট বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করেই পণ্যবাহী যানবাহণ চলাচল করবে। এতে আমাদের রপ্তানি খাতেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়ক নির্মাণ কাজে কোনো সমস্যা নেই। সব বাধা কাটিয়ে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে প্রকল্পের কাজ। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হওয়ার সময় নির্ধারণ ছিলো। মেয়াদ চার বছর বাড়িয়ে এখন ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, উক্ত ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজ দেখিয়ে আশুলিয়ার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও শাখা রোডগুলোর কাজ তেমন করছেন না সংশ্লিষ্টরা। এদিকে সরকারি নয়নজুলি খালটি প্রভাবশালীদের দখলে, যা গত ৫০ বছরেও উদ্ধার হয়নি। এই খালটি প্রভাবশালীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হলে আশুলিয়ার ড্রেন সচল রাখা যাবে বলে এলাকাবাসী জানান। এ ব্যাপারে ধারাবাহিক ভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

  • সীমান্তে হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে তেঁতুলিয়ায় প্রতীকী লাশের মিছিল

    সীমান্তে হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে তেঁতুলিয়ায় প্রতীকী লাশের মিছিল

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ সীমান্তে হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবীতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রতীকী লাশের মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় উপজেলার তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের তেঁতুল তলায় মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় হানিফ বাংলাদেশীর নেতৃত্বে লাশের মিছিল এসেছে। এই মিছিল বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত আছে এমন সব জেলা ও উপজেলা প্রদক্ষিণ করে প্রতিবাদ জানাবে।

    মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- গণতন্ত্রের রাজা এন ইউ আহম্মেদ, সৌরভ হোসেন বেলাল, আরিফসহ স্থানীয় অনেকে। এ সময় অনেককেই সংহতি জানাতে দেখা গেছে। জানা যায়, হানিফ বাংলাদেশীর এই কর্মসূচী যশোরের বেনাপোল উপজেলায় গিয়ে শেষ হবে। ইতোমধ্যে তিনি সীমান্ত রয়েছে এমন ২০টি জেলায় এই কর্মসূচি পালন করেছেন।

    কর্মসূচি সম্পর্কে হানিফ বাংলাদেশী বলেন, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দুইটি দেশ ভারত ও মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশের উপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। ভারত সব সময় সীমান্তে নিরিহ মানুষকে পাখির মত গুলি করে হত্যা করছে। কিছুদিন আগে বাংলাদেশের একজন বিজিবি সদস্যকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি করে হত্যা করেছে।

    গত ৪ মাসে ভারত সীমান্তে ২১জন বাংলাদেশী বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সংগ্রহ করা তথ্যানুযায়ী ২০১০ সাল থেকে প্রায় ১২৭৬ জন বাংলাদেশীকে বিএসএফ হত্যা করেছে। ১১৮৩ জন আহত হয়েছেন। আরেক প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার তাদের ১২ লাখ রহিঙ্গাকে অত্যাচার করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারী মিয়ানমারের আভ্যন্তরিন যুদ্ধে মটারসেলে দুজন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছেন। সীমান্ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে আমি প্রতিকী লাশ কাঁধে নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম পদযাত্রা করেছি।

    হানিফ বাংলাদেশী আরো বলেন, বাংলদেশের জনগণ সব সময় প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়।কিন্তু প্রতিবেশী দেশ দুইটি বাংলাদেশের সাথে বৈরি আচরণ করে। সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার পরে বলা হয় এরা গরু চোর চোরাকারবারি। হতে পারে এরা গরু চোর চোরাকারবারি এদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক গুলি করে হত্যা করবে কেন? ভারত ও মিয়ানমার যদি তাদের দেশের পাচারকারিদের দমন করে তাহলে বাংলাদেশের পাচারকারিরা এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে।
    তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যে দলই এসেছে সে দলই দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশের মানুষের আর্ত মর্যাদা বিসর্জন দিয়ে বিদেশীদের দ্বারস্থ হয়েছেন। শাসকদের এই দুর্বল নতজানুর কারনে ভারত ও মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশের উপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। বিদেশী অন্য দেশ গুলো বাংলাদেশের উপর তাঁবেদারী করার সাহস পাচ্ছে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশের মানুষ কখনও কোন দেশের দাদাগিরি মেনে নেয়নি নতুন প্রজন্মও কোন দেশের আগ্রাসন মেনে নেবেনা। বাংলাদেশের মানুষ আর্ত মর্যাদা নিয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উচ্ছু করে বাঁচতে চায়। এই কর্মসূচিতে আমারা দেশবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। দেশের সচেতন মানুষদের এই কর্মসূচী অংশ গ্রহণ করার আহবান জানাচ্ছি। যেদিন যে জেলা উপজেলায় এই মিছিল যাবে সেখানে যেকোনো দল, সংগঠনকে আমাদের সাথে সংহতি জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • বানারীপাড়ায় প্রগতি লেখক সংঘের দ্বিতীয় সম্মেলন ও নতুন কমিটির ঘোষণা

    বানারীপাড়ায় প্রগতি লেখক সংঘের দ্বিতীয় সম্মেলন ও নতুন কমিটির ঘোষণা

    এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া(বরিশাল) সংবাদদাতা।। শুক্রবার বিকাল ৪ টায় বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের দ্বিতীয় সম্মেলন স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন নতুনমুখ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রগতি লেখক সংঘের নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়।
    সভায় সংগঠনের সভাপতি ও লেখক মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক সভাপতিত্ব এবং স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডা: অন্তরা হালদার। উদ্বোধক ছিলেন বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল।
    বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ বানারীপাড়ার সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক, লেখক, কবি ও মানবাধিকার কর্মী এস মিজানুল ইসলাম, তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক প্রতিবেদন পাঠ করেন। সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সদস্য মোঃ কাওছার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল খেলাঘরের সাবেক সভাপতি কবি নজমুল হোসেন আকাশ, বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের বরিশালের সভাপতি অপূর্ব গৌতম, সম্পাদক শোভন কর্মকার, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাবেক সভাপতি মিন্টু কুমার কর, সংগঠনের স্বরুপকাঠীর সাধারণ সম্পাদক ধীরেন হালদার, সাংস্কৃতিক কর্মী ও লেখক রুহুল আমিন চৌধুরী, অধ্যাপক ও কবি আশ্রাফুল হাসান সুমন, বানারীপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সভাপতি দেবাশীষ দাস, অধ্যাপক ও কবি মামুন আহমেদ,
    প্রমূখ।
    অনুষ্ঠানের প্রথমে মহান ভাষা দিবস উপলক্ষে লিটল ম্যাগাজিন প্রদর্শন করা হয়। সভায় বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, বানারীপাড়া শাখার সভাপতি হরে কৃন্ষ বিশ্বাস ও এস মিজানুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি ঘোষনা করেন সংগঠনের বরিশালের জেলা কমিটির সভাপতি অপূর্ব গৌতম ও সম্পাদক শোভন কর্মকার।#

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল।