Blog

  • তিতাস গ্যাসের অ*বৈধ সংযোগে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান-বৈধ গ্রাহকদের সমস্যা

    তিতাস গ্যাসের অ*বৈধ সংযোগে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান-বৈধ গ্রাহকদের সমস্যা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দেওয়ার কারণে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান- বৈধ গ্রাহকদের নানারকম সমস্যা দেখার কেউ নাই। কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ সংযোগ-দালালদের পকেটে যাচ্ছে মোটা অংকের টাকা। অভিযান অব্যাহত আছে বলে দাবী করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে বৈধ গ্রাহকদের গ্যাসের চুলাও জ্বলছে না। মোমবাতির মতো টিপটিপ করে জ্বললে রান্না করা যায়না বলে অনেকেই জানান।
    রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার ইউসুফ মার্কেট, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া ও মীরবাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সম্পদ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। তথ্যমতে, এসব অবৈধ সংযোগ দাতারা হলো, আশুলিয়ার জামগড়া এরাকার নাজিম উদ্দিন, সোহেল মীর, সায়েদ মীর, শামীম, শরীফ, মোস্তফা, হাবিব, সেলিমসহ ১৫-২০জন। অনেকেই তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এক একটি অবৈধ সংযোগ থেকে ৫০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা কালেকশন করা হয়, পুরো উপজেলায় ৬০ হাজারের বেশি অবৈধ সংযোগ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দালালদের পকেটে কোটি কোটি টাকা যাচ্ছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডে নারী ও শিশুসহ গত দুই বছরে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।
    সরকারের সিদ্ধান্তে দুই শ্রেণীর গ্রাহক সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণির হলো সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বাসা বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকেরা। আরেকটি হলো বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাহকদের গ্যাসের পাইপলাইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আবাসন কোম্পানির অনেকেই বলেন, এখন গ্যাসের সংযোগ না পেলে তাদের প্লট, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। অনেকেই দাবি করেন যে,এখন প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে ইনকাম কম, খরচ বেড়েছে এর কারণে মানুষের অভাব বাড়ছে। গ্যাস সংযোগ নতুন করে আর কেউ পাচ্ছেন না, এতে গ্রাহকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন।
    সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ইং সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ নতুন করে শুরু হওয়ার কথা নীতিনির্ধারণী মহলেও শুনা যাচ্ছিল। তখন ঢাকা ও সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর কাশিমপুরসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ সংযোগের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেয় দালাল চক্র সিন্ডিকেটগুলো। গ্রাহকদের তারা আশ্বাস দেয়, কিছুদিন পরে গ্যাসের নতুন বৈধ সংযোগ দেওয়া শুরু করলে তারা এগুলোকে বৈধ করে দেবেন কিন্তু এখন সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পালায় এই গ্রাহকদের সংযোগও কাটা পড়ছে। জানা গেছে, সরকারি ভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
    জানা গেছে, একটি অভিযানে সরকারের লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়, অভিযানের ১-২দিন পর আবারও সেখানেই অবৈধ সংযোগ দেয়া হয়, আবার অভিযান চালানো হয়, এতে সরকারের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে কিছুদিন আগে জ্বালানি বিভাগ উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছেন। সূত্র জানায়, ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করা হবে। তাদের অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মতো সারাদেশে। গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতের নেতৃত্ব প্রদানকারী সংস্থা পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধ অবৈধ নানা উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ হবে।
    দেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। গৃহস্থালিতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। যেসব গ্রাহক সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন এবং টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের নাম আমাদের তথ্যভান্ডারে রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা একটি সভা করে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করবো। বিঃ বা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দেশে গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমা ল গ্যাস কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি। এই সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, আগামীতে সভা করে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা ঠিক করবেন। উক্ত ব্যাপারে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। নানা প্রলোভন দেখিয়ে জনগণকে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিতে বাধ্য করে কিছু দালাল চক্র। আবার অনেক গ্রাহকও নানাভাবে তদবির-প্রচেষ্টায় অবৈধ সংযোগ নেন। এখন স্থায়ীভাবে আবাসিক সংযোগ বন্ধ হওয়ায় নতুন করে অবৈধ সংযোগ নেওয়া অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে। জানা গেছে, ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাসা বাড়িতে প্রায় লক্ষাধিক অবৈধ সংযোগ রয়েছে।
    আশুলিয়ায় দায়িত্বে থাকা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ ব্যবস্থাপক (জোবিঅ) প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোহাম্মাদ সায়েম বলেন, গত তিন বছরের তেমন মামলা করা হয়নি, সাভার ও আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা ৫২ হাজারের বেশি হবে। শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১৫০০। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে সাভার থানায় ৬টি ও আশুলিয়ায় ৪৬টি মামলাসহ প্রায় ৫২টির মতো মামলা করা হয়েছে, গত দুই বছরের মধ্যে মামলা করা হয়নি। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান। তবে এক স্থানে ৬-৮ বার অভিযান করা হয় বলে সরকারের মোটা অংকের অর্থ হরিলুট হচ্ছে। সাভার আশুলিয়ায় অবৈধ গ্যাসের চুলা জ্বললেও বৈধ গ্রাহকের চুলায় গ্যাস থাকে না, বিল ঠিকই নেওয়া হচ্ছে কিন্তু গ্যাস থাকেনা চুলার পাইপলাইনে, এ ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যথা নাই। কিছু দুষ্টুলোকের কারণে সরকার প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে এসব অবৈধ সংযোগ থেকে। অভিযানে আসার পূর্বে দালালদেরকে আগেই বলে দেয়ার কারণে চোর পুলিশের খেলা শুরু হয়, এ খেলা আর কতদিন চলবে তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না।

  • রংপুর বিভাগে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সেন্সিটাইজেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    রংপুর বিভাগে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সেন্সিটাইজেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চতকল্পে রংপুর বিভাগের ২২টি সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সেন্সিটাইজেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর যৌথ আয়োজনে এবং ইউএসএইডি ফিড দি ফিউচার বাংলাদেশ পলিসি লিংক পলিসি এ্যাক্টিভিটি ও বিসেফ এর সহযোগিতায় আরডিআরএস এর সম্মেলন কক্ষে রংপুর বিভাগের আওতাধীন ০৮টি জেলার ২২টি সরকারী দপ্তরের ৪৫জন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক আইন, এসআরও, রুলস ও রেগুলেশন বিষয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জনাব আবু জাফর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসেফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জনাব আনোয়ার ফারুক। সভাপতিত্ব করেন রংপুর জেরা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব হাবিবুল হাসান রুমি। অনুষ্ঠানে পলিসি লিংক এর বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানটির জেষ্ঠ্য ব্যবস্থাপক জনাবা খালেদা খানম এবং পলিসি লিংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জেষ্ঠ্য ব্যবস্থাপক তাহসিন রহমান, এবং ব্যবস্থাপক এএসএম মুনিরুজ্জামান, মামুনুল ইসলাম এবং লাবন্য রাজপাল।

    নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ বিষয়ে আলোকপাত করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য জনাব আবু নূর মো: শামসুজ্জামান।

    কর্মশালায় বিএসটিআই আইন-২০১৮ বিষয়ে আলোকপাত করেন বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক (সিএম) প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান।

    হোটেল ও রেস্তোরা আইন-২০১৪ বিষয়ে আলোকপাত করেন ফুড সেফটি অফিসার জনাব মো: লোকমান হোসেন।

    ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ বিষয়ে আলোকপাত করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক জনাব মো: আজাহারুল ইসলাম।

  • পীরগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান পদর্প্রাথী ধ্রুব’র মত বিনিময়  সভা

    পীরগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান পদর্প্রাথী ধ্রুব’র মত বিনিময় সভা

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষনা দিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখারুল হক ধ্রুব।
    শনিবার সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব হল রুমে উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় এ ঘোষনা দেন তিনি।
    পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মেহের এলাহীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন, পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ¦ শাহজান আলী ও শামিমুজামান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মোল্লা, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মফিজুল হক, সহ-প্রচার সম্পাদক ও সহকারী অধ্যাপক সবুর আলম, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি আব্দুল জলিল, শহিদ সন্তান ও সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, পীরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক এনামুল হক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আই পজেটিভ এর প্রতিষ্ঠাতা সফিক পারভেজ পরাগ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল কিবরিয়া আবেদীন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদ নবাব হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুর নবী চ ল প্রমূখ।
    সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র কশিরুল আলম, সহ সভাপতি আফতাব উদ্দীন, যুগ্ন সম্পাদক কবিরুজ্জামান রির্চাড, দপ্তর সম্পাদক তফিকুল আজাদ বাদল, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল বাবু, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ মো: আকলিমুর রহমান আরফিন, সহ-সভাপতি মশিউর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সহ অন্যান্য নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্মার্ট গোদাগাড়ী গড়তে আবারো  সুযোগ চাই চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর

    স্মার্ট গোদাগাড়ী গড়তে আবারো সুযোগ চাই চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা ডিজিটাল হয়েছে অনেক আগেই, এবার স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আরো একবার সুযোগ চান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, তরুণ নেতৃত্বের আইডল, আদর্শিক, মেধাবী নেতৃত্ব এবং স্থানীয় সাংসদের বিশস্ত সৈনিক উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা জাহাঙ্গীর আলম গোদাগাড়ী উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। এ জন্য তিনি দলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা
    করেছেন।
    জানা গেছে, বিগত দিনে গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের চেয়ারে যারা বসেছিলেন।অধিকাংশক্ষেত্রে তারা নিজেদের উন্নয়নে ব্যস্ত থাকায় উপজেলায় তেমন কোনো উন্নয়ন করতে পারেননি। অনেকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিযে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ধরাকে শরা জ্ঞান করে দল, নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানী করে এই জনপদের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ তাদেরকে উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মনে করেছে। গোদাগাড়ীর টেকশই, দৃশ্যমান উন্নয়নের মাধ্যমে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা অনেকটা চ্যালেঞ্জ তবে সেটা অসম্ভব নয়। তবে সব প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা কেবলমাত্র জাহাঙ্গীরের পক্ষেই সম্ভব তার সেই সক্ষমতা রয়েছে।
    জানা গেছে, তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর স্থানীয় সাংসদের সার্বিক সহযোগীতায় উপজেলার উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ইতমধ্যে তিনি গ্রাম হবে শহর এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে উপজেলার দুর্গম প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ, পর্যটনে উন্নয়ন,স্যানেটিশেন, সৌর বিদ্যুৎ, কুটির শিল্প, রাস্তা আলোকরণ ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামের উন্নয়নে ব্যাপক ভুমিকা রেখেছেন।
    স্থানীয় সাংসদ ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর সার্বিক সহযোগীতায় তিনি এসব উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছেন।
    স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণের অভিমত, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে
    জাহাঙ্গীরের নিবিড় সম্পর্ক, উন্নয়ন
    মানুষিকতা,রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ইত্যাদি কাজে লাগাতে পারলে তার নেয়া উন্নয়ন
    পরিকল্পনা ও স্বপ্ন বাস্তবাায়ন করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এসব বিবেচনায় এবারো দলমত নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে এলাকার উন্নয়নের আশায় জাহাঙ্গীর আলমকে আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে চাই। চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে টেকশই উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা। স্থানীয় সাংসদের এই বিশস্ত সৈনিক কথা নয় কাজে বিশ্বাসী।এবার তিনি উপজেলার টেকশই উন্নয়নের মাধ্যমে উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
    এদিকে বিভিন্ন কর্মসূচি ও উঠান বৈঠকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সাংসদের পৃষ্ঠপোষকতায় টেকশই-দৃশ্যমান উন্নয়নের মাধ্যমে গোদাগাড়ী উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তার এই ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। ওদিকে প্রাণহীন মরুময় উপজেলা চত্ত্বর ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, গোদাগাড়ীর রাজনৈতিক অঙ্গনে জাহাঙ্গীর আলম যুবলীগের ওয়ার্ড কমিটি থেকে ধাপে ধাপে আজকের অবস্থানে উঠে এসেছেন। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে তার বিপুল সংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী ও কর্মী-সমর্থক রয়েছে। গোদাগাড়ীর মানুষ জাহাঙ্গীর আলমের হাতে গোদাগাড়ী উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন।

  • বানারীপাড়ায় বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের সভাপতি হরে কৃষ্ণ এবং সম্পাদক এস মিজান

    বানারীপাড়ায় বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের সভাপতি হরে কৃষ্ণ এবং সম্পাদক এস মিজান

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের সভাপতি হরে কৃষ্ণ বিশ্বাস এবং সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সংগঠনের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ঘোষনা করেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের বরিশাল কমিটির সভাপতি অপূর্ব গৌতম এবং সম্পাদক শোভন কর্মকার কৃষ্ণ।কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আশীষ রঞ্জণ ঘোষ, দেবাশীষ দাস,যুগ্ম সম্পাদক মোঃ কাওছার হোসেন। কোষাধ্যক্ষ মোঃ শাজাহান মিয়া। বিভাগীয় সম্পাদক মোঃ জুলকার নাঈম সৌরভ, মোঃ খাইরুল ইসলাম, সিফাত জাহান জেরীন। নির্বাহী সদস্য- মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক, অধ্যাপক আশ্রাফুল হাসান সুমন, অধ্যাপক ইমরান হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিলন, মোঃ জাহিদ হোসেন, সুদীপ্ত ঘোষ সোভন।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অন্তরা হালদার, উদ্বোধক ছিলেন বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল সহ বিশেষ অতিথিবৃন্দ।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।

  • এবার পাবলিকের বাশঁ কেটে নিল বন বিভাগ

    এবার পাবলিকের বাশঁ কেটে নিল বন বিভাগ

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার বেতাগীতে জনগণের ব্যক্তি মালিকানাধীন শতাধিক বাশঁ বিনা অনুমতিতে কেটে নিয়েছেন বন বিভাগের লোকজন। বন বিভাগের দাবি সরকারি নার্সারির কাজে ব্যবহার করা হবে এসব বাশঁ । তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
    গতকাল উপজেলার বেতাগী সদর ইউনিয়নের জিনবুনিয়া ও মোকামিয়া ইউনিয়নের ছোট মোকামিয়া গ্রামের বেরিবাধের পাশে রোপিত ব্যক্তি মালিকানাধীন বাশঁ ঝাড় থেকে কাউকে না বলে প্রায় দুই শতাধিক বাশঁ কেটে নিয়ে যায়। মোকামিয়া ইউনিয়নের ছোট মোকামিয়া গ্রামের মোহাম্মদ রাব্বির নিজস্ব জমির একটি বাঁশঝাড় থেকে প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশটি বাশঁ তাকে না বলে কেটে নিয়ে যায় বন বিভাগের লোকজন। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেরিবাধ জমিতে রোপিত ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন বাঁশঝাড় থেকে এভাবে বাঁশ কেটে নেয়। বেতাগী সদর ইউনিয়নের জিনবুনিয়া গ্রামের নজরুল খান উপজেলা বন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানালেও কোন প্রতিকার পাননি।
    মোকামিয়া ইউনিয়নের ছোট মোকামিয়া গ্রামের মোহাম্মদ রাব্বি বলেন, আমার নিজের জমিতে রোপিত বাঁশঝাড় থেকে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশটি বাশঁ আমাকে না বলে কেটে নিয়ে যায়।
    উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, সরকারি নার্সারী করার জন্য এসব বাশঁব্যবহার করা হবে। নার্সারি করার জন্য সরকারিভাবে কোন অর্থ বরাদ্দ থাকে না তাই আমাদেরকে এই প্রক্রিয়ায় বাশঁ সংগ্রহ করতে হয়।

    বরগুনার সরকারি বন সংরক্ষক মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, আমি বিষয়টি জানিনা তবে জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদ বলেন, জনগণের বাশঁ এনে নার্সারি করার কোন সুযোগ নেই। যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

  • আশুলিয়ায় একাধিক ডাকাতি- অ*স্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেছেন ডিবি পুলিশ

    আশুলিয়ায় একাধিক ডাকাতি- অ*স্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেছেন ডিবি পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আাশুলিয়ায় একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে গুলিভর্তি অবৈধ পিস্তলসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়।

    রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব।

    গত শনিবার (২৪ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ডিএমপিসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার সোনাখালী গাজীবাড়ী এলাকার মৃত আনছার আলী গাজীর ছেলে মোঃ সুমন গাজী ওরফে সজল ওরফে পটকা সুমন (৩৬), খুলনা জেলার রূপসা থানার পালবাড়ী আলাইপুর এলাকার মৃত আকবর আলী শেখের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান বাপ্পি ওরফে কলম বাপ্পি (৩২), যশোর জেলার মনিরামপুর থানার খানপুর বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে মোঃ রাজু ওরফে মুরাদ (৩৮), খুলনা সদর থানাধীন খুলনা শিপইয়ার্ড এলাকার মৃত মোশারফ খানের ছেলে মনিরুল ইসলাম খান ওরফে মনির (৩৫), খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত আলমগীর শেখের ছেলে আইনুল হক (৩২) ও ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার উত্তর চেশ্রীরামপুর এলাকার ইউনুছ আলীর ছেলে ইয়াসিন আলী (২৯)।

    ডিবি পুলিশ জানায়, সাম্প্রতি সময়ে আশুলিয়া থানাধীন এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ীতে কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পরে এ সকল ঘটনায় থানা পৃথক পৃথক মামলা রুজু করা হয়। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার সহ উর্ধতন অফিসারদের দিক-নির্দেশনায় ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মামলা গুলোর রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ ফেব্রুয়ারি ডিএমপিসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলাগুলোর ঘটনার সাথে জড়িত দুর্ধ্বষ ৬ ডাকাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    পরে গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিকট হইতে ৪ রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল, প্রায় ৩ ভরি ওজনের স্বর্নালংকার ও নগদ ২ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-২৩-৫৮৩৬) ও সুজুকি মোটর সাইকেলসহ গাড়ির ভিতরে থাকা একটি অত্যাধুনিক হাইড্রলিক কাটার এবং বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ডিবি পুলিশ।

    ঢাকা জেলা উত্তর (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব জানান, আসামীদের নিকট হতে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার সংক্রান্তে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। সকল আসামীদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। মামলাগুলোর তদন্ত অব্যাহত আছে এবং অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারসহ অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান।

  • আশুলিয়ায় কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গণধ*র্ষণের শিকার এক নারী-৫ জন গ্রেফতার

    আশুলিয়ায় কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গণধ*র্ষণের শিকার এক নারী-৫ জন গ্রেফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় নারী পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ আসামীকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব- ৪)। এ ঘটনায় পলাতক রয়েছে আরও ২জন আসামী।

    গত শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে আটককৃতদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব ৪। এর আগে শুক্রবার আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। পরে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আজ শনিবার ভোরে ৫ আসামীকে আটক করে র‍্যাব ৪।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হল, মনিরুল ইসলাম ওরফে পাপ্পু (২৫), আহসান আহম্মেদ রায়হান (২২), রফিকুল মিয়া (২২), আরাবি হুসাইন শান্ত (১৯), মো. জুয়েল (২২)। পলাতক আসামীরা হল, সাগর ওরফে লিটন (২২) ও মো. তুহিন (২৩)।

    ভুক্তভোগীর এজাহার থেকে জানা যায়, আসামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর এক বান্ধবীকে নিশ্চিন্তপুর স্কুল মাঠে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় সাগর ওরফে লিটন। সেখানে তাকে কুপ্রস্তাব দেয় পাপ্পু। পরে পাপ্পু ও রায়হান তাকে ধর্ষণ করে এবং বাকিরা সহায়তা করে। পরে রফিকুল মিয়া ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভুক্তভোগীর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে। পরে র‍্যাবের কাছে অভিযোগ দিলে অভিযান চালিয়ে ৫ আসামীকে আটক করে র‍্যাব।

    আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) নির্মল কুমার দাস বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান আছে। অভিযুক্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বাকিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আগামিকাল আদালতে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

  • শার্শার পল্লীতে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা

    শার্শার পল্লীতে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা

    আজিজুল ইসলাম: যশোরের শার্শা উপজেলার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক ১৪ বছরের তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে বিআর ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী। এ ব্যাপারে শার্শা থানায় শনিবার রাতে একটি মামলা হয়েছে।

    তরুনী জানিয়েছেন, সে, শার্শা উপজেলার দাউদখালী গ্রামের ডাবলু রহমানের ছেলে সোহানকে ভালো বাসতো। গত ২৩ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার রাতে সোহান তাকে পরিবারের অজান্তে বিয়ে করবে বলে তার নানা বাড়ি কলারোয়ার গয়ড়া গ্রামে নিয়ে যায়। রাতে কাজি অফিস বন্ধ, সকালে বিয়ে হবে বলে মেয়েটিকে সেখানে সারা রাত তার নানা বাড়ি রাখে এবং শারিরিক সম্পর্ক তৈরী করে। সারা রাত ধর্ষণের পর সোহান তার মামাতো বোনকে দিয়ে তরুণীকে তার বান্ধবীর বাড়ি রেখে আসে।

    শনিবার সকালে তরুণীর পরিবার বান্ধবীর বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে সোহানের পরিবারের সাথে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চালায়। কিন্তু সোহানের পরিবার গুরুত্ব না দেয়ায় শনিবার রাতে ধর্ষিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে গতকাল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং শারিরীক পরীক্ষার জন্য তরুণীকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষককে আটকের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

  • ঝালকাঠির নলছিটিতে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে কু*পিয়ে হ*ত্যা

    ঝালকাঠির নলছিটিতে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে কু*পিয়ে হ*ত্যা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে মো.খলিলুর রহমান হাওলাদার(৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বত্তরা। শনিবার রাতের কোন সময় তার বসতঘরের ভিতর এ ঘটনা ঘটে। নিহত খলিলুর রহমান উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত হামিজ উদ্দিন হাওলাদার।

    জানা গেছে, শনিবার(২৪ফেব্রুয়ারী) রাত আনুমানিক এগারোটার দিকে রাতের খাবার খেয়ে খলিলুর রহমান তার স্ত্রী ছালেহা বেগম ও ছেলে রমজান কে সাথে নিয়ে তার বসতঘরের একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে রাত(রবিবার) ২টার দিকে তার স্ত্রী ছালেহা বেগম গোঙানীর শব্দ পেয়ে ঘুম থেকে জেগে তার স্বামীকে রক্তমাখা অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাকচিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে মো. খলিলুর রহমানকে বরিশাল শেবাচিমে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরে তার ছেলে রমজান হাওলাদারকে বসতঘরে পাওয়া যায়নি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের ছেলে নিখোঁজ রয়েছে।

    নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মুরাদ আলী জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।