Blog

  • নড়াইলের নড়াগাতীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনার অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

    নড়াইলের নড়াগাতীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনার অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলের নড়াগাতীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনার অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার দুইজন। নড়াইলের নড়াগাতীতে ২৪ কেজি গাঁজাসহ লেকবার সরদার (২৪) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় গোয়েন্দা শাখা। গ্রেফতার লেকবার সরদার নড়াগাতি থানার পাখিমারা পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত: লুৎফর রহমানের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৬ফেব্রুয়ারি) সকালে নড়াগাতী থানার পাখিমারা পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার বাড়িতে তল্লাশী করে ২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় গোয়েন্দা শাখার সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াগাতির পাখি মারা পশ্চিমপাড়া এলাকায় লেকবারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের নিচ থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে স্কচটেপ দিয়ে পলিখিনে মোড়ানো ১২ টি প্যাকেটে, প্রতি প্যাকেটে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা ২ কেজি করে মোট ২৪ কেজি উদ্ধার করি। যার মূল্য ৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। এ সময় আসামী কে ঘটনাস্থলে হাতেনাতে গ্রেফতার করি। এ ঘটনায় নড়াগাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতাকৃত আসামিকে নড়াইল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • পাইকগাছা পৌরসভা লবণ পানি মুক্ত রাখতে তালাবদ্ধ করা হলো সরকারি স্লুইচ গেট

    পাইকগাছা পৌরসভা লবণ পানি মুক্ত রাখতে তালাবদ্ধ করা হলো সরকারি স্লুইচ গেট

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥এবার পাইকগাছা পৌরসভা এলাকায় লবণ পানি উত্তোলন বন্ধে সরকারি স্লুইচ গেট তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। রোববার সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে দায়িত্বরত কর্মচারী এরশাদ বয়রা সরকারি স্লুইচ গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। উল্লেখ্য, পৌরসভা লবণ পানি মুক্ত রাখতে পৌরসভা এবং উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পৌর এলাকার কোথাও লবণ পানি উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত না থাকলেও এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কতিপয় ব্যক্তিরা শিবেরবাটী সরকারি স্লুইচ গেট এবং বয়রা সরকারি স্লুইচ গেট দিয়ে পানি ঢুকিয়ে পৌর এলাকার মধ্যে লবণ পানির চিংড়ি চাষ করে আসছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সম্প্রতি আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এ্যাডঃ এফএমএ রাজ্জাক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনী নোটিশ প্রদান করে। এদিকে সর্বশেষ পৌরসভাকে লবণ পানি মুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বয়রা সরকারি স্লুইচ গেট তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহজালাল জানিয়েছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • চিংড়ি ঘের জবর দখল ও বাসাবাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

    চিংড়ি ঘের জবর দখল ও বাসাবাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে চিংড়ি ঘের জবর দখল, মারপিট ও বাসা বাড়ী ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করার অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগ এনে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড গোপালপুর গ্রামের সহিল উদ্দীন মিস্ত্রীর স্ত্রী হাচেনা বিবি। তিনি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি ভূমিহীন কৃষক হিসেবে ১৯৯২ সালে উপজেলার শিবেরবাটী মৌজায় এক একর সম্পত্তি বন্দোবস্ত প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ভোগ দখলে থাকি। চলমান জরিপে দখল মতে আমার নামে বিআরএস ২০০ খতিয়ানে বিআরএস ২৬৮ দাগে উক্ত সম্পত্তি রেকর্ড হয়ে চূড়ান্ত প্রকাশিত হয়েছে। চলতি সন পর্যন্ত উক্ত জমির সরকারি কর খাজনা পরিশোধ রয়েছে। ইতোপূর্বে উক্ত সম্পত্তি সাবেক কাউন্সিলর মনিরুল ইসলাম মন্টু সহ অনেকেই জবর দখল করার চেষ্টা করেন। তখন তাদের বিরুদ্ধে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা করি। মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে। মামলায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এদিকে চলতি বছর আমি ও আমার পুত্র আজিবর রহমান উক্ত সম্পত্তিতে দুইটি বাসাবাড়ী নির্মাণ পূর্বক লিজ ঘেরে পোনা মাছ ছাড়ি।বর্তমানে মাছ গুলো ধরার উপযোগী হয়েছে। এ অবস্থায় প্রতিপক্ষ গোপালপুর গ্রামের মঈনুল ইসলাম বাবু, বুলবুল গোলদার, রিপন গোলদার, শরিফুল ইসলাম, শামীম গাজী, সালাম সরদার, ফারুক, কামাল সরদার ও সরল গ্রামের ইমরান গাজী ২০ ফেব্রুয়ারি লিজ ঘেরে অনোধিকার প্রবেশ করে বাসাবাড়ী ভাংচুর করার চেষ্টা করে। এ সময় আমার পুত্র ও পুত্রবধু বাঁধা দিলে তাদেরকে বেদম মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এ সময় তারা ঘেরের বাসাবাড়ী ভাংচুর ও মাছ ধরে নিয়ে যায়। এতে প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী নারী।

  • আশুলিয়ায় এক জনপ্রতিনিধি কর্তৃক সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা-আহত ৩

    আশুলিয়ায় এক জনপ্রতিনিধি কর্তৃক সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা-আহত ৩

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে উজ্জল মেম্বার নামের এক জনপ্রতিনিধি কর্তৃক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এর অন্যতম সদস্য সাইদুর রহমান সহ পার্শবর্তী দুই জনের হাত পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসী বাহিনী। এব্যাপারে সাইদুর রহমানের স্ত্রী মোমেনা খাতুন বাদী হয়ে আশুলিয়ার ৩নং ওয়ার্ড উজ্জ্বল মেম্বার কে ১নং আসামি করে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন যার(নং৬৪)

    উক্ত মামলার আসামিরা হলেন(১)উজ্বল মেম্বার ৩নং ওয়ার্ড আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ(২)বিল্লাল(৩)মোসলেম(৪)মান্নান(৫)মোকসেদ আলী সহ অজ্ঞাত নামা ৪ থেকে ৫ জন।আহত সাইদুর রহমান বলেন, গত ২৩ শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার আইকপাড়া টু খাগান রোড আমার বাসা সংলগ্ন রাস্তার পাশে বসে ছিলাম। হঠাৎ কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই লোহার রড লাঠিসোঁটা জিআই পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উজ্বল মেম্বার গং সহ ৭,৮ জনের একটি বাহিনী আমার উপরে অতর্কিত হামলা করেন।এ সময় আমার আত্নচিৎকারে এলাকাবাসীরা ছুটে আসলে সন্ত্রাসী বাহিনী পালিয়ে যায় এবং আমাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। শুধু তাই নয় পার্শবর্তী আহত আরো দুইজন কে উদ্ধার করে প্রথমে সাভার সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।এরপর সেখানে তাদের শরীরের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় পরবর্তীতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।

    বর্তমানে আহতদের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাত পা ভাঙ্গা অবস্থায় চিকিৎসা চলছে। ইতিপূর্বে উজ্জল মেম্বার হওয়ার পর ময়লার ব্যবসা কে কেন্দ্র করে আউট পাড়া বস্তিতে সন্ত্রাসী হামলা চালায় এই উজ্জ্বল মেম্বার। তখন তার বিরুদ্ধে আশুলিয়ার ৩নং ওয়ার্ডে ঝাড়ু মিছিল করেছেন সাধারণ এলাকাবাসী। এলাকাবাসী জানায়, উজ্জ্বল মেম্বার একজন বিএনপি নেতা বর্তমানে আওয়ামী লীগে প্রবেশ করে চালাচ্ছেন ভূমিদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপকর্ম। তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানাসহ আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে চলমান মামলার ধারা-(১৪৩)(৪৪৭)(৩২৩)(৩০৭)(৩৮৫)(৩৮৭)(৫০৬)(১০৯)উক্ত বিষয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে একটি মামলা দায়ের করা সহ সরকারের নিকট সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচারের দাবি জানান ভুক্তভোগী।

    এ বিষয়ে বিবাদী উজ্জ্বল মেম্বারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, সরকারি রাস্তার ইট বালি নেওয়া কে কেন্দ্র করে আমার লোকজনের সাথে টুকটাক কথা কাটাকাটি ও মারামারি হয়েছে। আমি শুনেছি, এখানে জমি সংক্রান্ত কোন বিষয় নাই। এ বিষয়ে আমি আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।

    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি মারামারি ঘটনা ঘটেছে,উক্ত বিষয়ে আশুলয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিপূর্বে একটি সি আর মামলা রয়েছে, এ ঘটনা সত্যতা পেয়েছি, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান। উক্ত এলাকায় দুই পক্ষের সাথে যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ সংঘটিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

  • কালাইয়ে প্রার্থীতা জানান দিতে ৫ হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর শোডাউন

    কালাইয়ে প্রার্থীতা জানান দিতে ৫ হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর শোডাউন

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    প্রথম ধাপে ৪ মে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে মাঠে নেমে পড়েছেন সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।

    উপজেলাবাসীকে প্রার্থীতার জানান দিতেই ৫ হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান মিলন।

    গতকাল রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি)বিকালে জয়পুরহাট-বগুড়া সড়কের বালাইট এলাকা থেকে এ শোডাউন শুরু হয়। পরে মোটরসাইকেলগুলো উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারও সেখানে গিয়ে শেষ হয়।

    পরে এক পথ সভায় বক্তব্য দেন, কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান, কালাই পৌর সভার মেয়র রাবেয়া সুলতানা, পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন মোল্লা, আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর,জিন্দাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান, পুনট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস, উদয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াজেদ আলী প্রমুখ।

    মিনফুজুর রহমান মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। এলাকায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। আমি পর পর তিনবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আজ আমার ভালোবাসার টানে হাজার হাজার মানুষ এই মোটরসাইকেল শোডাউনে এসেছে। আমার বিশ্বাস এবারো বিপুল ভোটে জয়লাভ করব।

    নিরেন দাস,জয়পুরহাট

  • নলছিটিতে শ্রমিক লীগ কর্মীকে হত্যায় মামলা দায়ের, গ্রেপ্তার- ১

    নলছিটিতে শ্রমিক লীগ কর্মীকে হত্যায় মামলা দায়ের, গ্রেপ্তার- ১

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে শ্রমিক লীগ কর্মী ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল সমিতির সভাপতি ইমরান হাওলাদারকে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার(২৫ফেব্রæয়ারী) বিকেলে নলছিটি থানায় এ মামলা দায়ের করেন নিহতের পিতা রশিদ হাওলাদার।

    মামলাসূত্রে জানা গেছে, ইমরান হাওলাদার হত্যার ঘটনায় তার পিতা রশিদ হাওলাদার দুইজনকে এজাহার নামীয় আসামী উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০-১২জনসহ মোট ১৪জনকে আসামী এ মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য গত ২৪ ফেব্রæয়ারী রাত ৯টার দিকে বাড়ী ফেরার পথে উপজেলার পৌর এলাকার নান্দিকাঠি গ্রামের সড়কের পাশে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রাখে সন্ত্রাসীরা। পরবর্তীতে বরিশাল শেবাচিমে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামীর নাম সাইদুল ইসলাম অভি। পিতার নাম মাসুম হাওলাদার। সে উপজেলার পৌর এলাকার ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা।

    নিহতের ভাই রাসেল হাওলাদার জানান, আমার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যেই তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখে। ভাই মারা যাওয়ার আগে আমার এলাকার বাসিন্দা ও প্রতিবেশী ইদ্রিস হাওলাদার ও তার ছেলে আলামিন হাওলাদারের নাম বলে গেছে। তারা দুজনসহ আরও কয়েকজন মিলে আমার ভাইকে কুপিয়েছে। এসময় তাদের সাথে আরও কয়েকজন ছিল যাদের সে চিনতে পারেনি।

    নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো.মুরাদ আলী জানান, শ্রমিক লীগ কর্মী ইমরান হাওলাদার হত্যার ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার গ্রহনের পর রাতেই অভিযান চালিয়ে সাইদুল ইসলাম অভি নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য সাড়াশি অভিযান চলমান আছে। খুব শীঘ্রই তাদের গেপ্তার করা হবে।

  • ত্রিশালে রাস্তা ও খাল খনন কাজের উদ্বোধন করে ২৫বছরে সমস্যা সমাধান করলেন এমপি আনিছ

    ত্রিশালে রাস্তা ও খাল খনন কাজের উদ্বোধন করে ২৫বছরে সমস্যা সমাধান করলেন এমপি আনিছ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ত্রিশালের সাবেক ৩বারের মেয়র, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
    ১৫২ ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ বলেছেন, সব সময় ত্রিশালের সর্বস্তরের জনগণ, দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতেও আমাকে পাশে পাবেন। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় জনগণ, দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করি,জনগণকে মুল্যায়ন করি এবং তাদের যে কোন সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করি, ত্রিশালের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য আগামীতেও তা করবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা আমাকে সব সময় আপনাদের সন্তান-ভাই হিসেবে সাথে পাবেন। ক্ষমতায় থাকি বা না থাকি, সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো।

    সোমবার (২৬শে ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার কোনাবাড়ী এলাকার জনগণের দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের সমস্যা ত্রিশাল কোনাবাড়ী পাকা রাস্তা হতে কোনাবাড়ী শিংমাড়ার পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তার কাজ ও খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করে জনগণের সমস্যা সমাধান করে সেখানে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমপি আনিছ ।।

    এমপি আনিছ বলেন, অতীতে এই এলাকায় যিনি জনপ্রতিনিধি ছিলেন তিনি এলাকাবাসী ও তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাউকে মূল্যায়ন করেননি। তিনি বলেন, ‘আমার প্রয়াত বাবাও সুখে-দুঃখে সবসময় আপনাদের পাশে ছিলেন। বাবার আদর্শ নিয়ে আমিও আছি আপনাদের সেবায়। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে ত্রিশাল পৌরসভার ৩বার মেয়র নির্বাচিত করেছিলেন। মেয়র হিসেবে দীর্ঘ প্রায় ১২বছর দায়িত্ব পালন করেছি। আমার সাধ্যমত কাজ করেছি। চেষ্টার কোনো কমতি ছিলো না, সুখে-দুঃখে আমি আপনাদের পাশে ছিলাম। গত নির্বাচনে আমাকে এমপি নির্বাচিত করেছেন।

    তিনি বলেন, মেয়র হিসাবে যেভাবে আপনাদের পাশে ছিলাম,এমপি হিসাবেও আমি আপনাদের পাশে থাকবো। আমি আপনাদের সন্তান হিসাবে সুখে-দুঃখে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি আগামী দিনেও করবো। আমার উপর আপনাদের যে হক তা আমি পালন করার চেষ্টা করবো। এসময় আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
    অপরদিকে ত্রিশাল কোনাবাড়ী পাকা রাস্তা হতে কোনাবাড়ী শিংমাড়ার পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তার কাজ ও খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেদীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের সমস্যা সমাধান করায় নবনির্বাচিত এমপির প্রশংসায় মেতে উঠেছেন কোনাপাড়া ও পাশ্ববর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ।

  • মানুষের সুখে দুঃখে পাশে ছিলাম, আগামীতেও থাকবো : ময়মনসিংহে টিটু

    মানুষের সুখে দুঃখে পাশে ছিলাম, আগামীতেও থাকবো : ময়মনসিংহে টিটু

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ময়মনসিংহ সিটির মেয়র পদে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সদ্য সাবেক মেয়র বলেছেন, দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর থেকেই ময়মনসিংহ নগরের মানুষের সুখে দু:খে পাশে ছিলাম। করোনাকালীন সময়ে এই এলাকার রাজনীতিবিধরা,বহু জনপ্রতিনিধিরা বাসায় ছিলেন কিন্তু জনগণের এই দুঃসময়ে আমি আপনাদের পাশে ছিলাম। দীর্ঘ ক্ষমতায় থেকে ময়মনসিংহ সিটির উন্নয়ন আপনাদের সামনে দৃশ্যমান। ভোট আসলেই অনেকেই এলাকায় এসে নানা প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু ভোটের পরে আর খুঁজে পাওয়া যায়না। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর জনগণকে ধোকা দেওয়া যাবেনা। জনগণ এখন খুবই সচেতন।

    সোমবার (২৬ফেব্রুয়ারী) দিনব্যাপী ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এর বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আগামী ৯মার্চ দেয়াল ঘড়ি প্রতিকে ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, আমি নির্বাচিত হলে আপনারা নির্বাচিত হবেন। এই সিটি করপোরেশন এলাকার সবধরনের সমস্যাগুলো আমি সমাধানের চেষ্টা করে যাবো।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ অধিক সংখ্যক কর্মী ও সমর্থকবৃন্দ।

  • শার্শার সাবেক অধ্যক্ষ শাহাজান কবির আর নেই

    শার্শার সাবেক অধ্যক্ষ শাহাজান কবির আর নেই

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ
    শার্শার ঐতিহ্যবাহি বাগআঁচড়া ডা: আফিল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শাহাজান কবির আর নেই। সোমবার (২৬ শে ফেব্রুয়ারি) ভোরে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫১ বছর।

    অধ্যাক্ষ শাহাজান কবিরের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থ ছিলেন। সোমবার অসুস্থবোধ করায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে তিনি মারা যান।

    যোহর নামাজের পর বাগআঁচড়া ডা: আফিল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজে প্রথম জানাজা শেষে তার গ্রামের বাড়ী ঝিকরগাছা বাঁকড়া বল্লায় আছর বাদ দ্বিতীয় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

    শাহাজান কবিরের জন্ম ১৯৭৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারী । তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে বিএসএস অনার্স ও এমএসএস থেকে ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন৷

    কর্মজীবনে তিনি বাগআঁচড়া ডা:আফিল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালিন অধ্যাক্ষ ছিলেন।
    সর্বশেষ তিনি ১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি বাগআঁচড়া ডা: আফিল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজে অধ্যাক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    এদিকে বাগআঁচড়া ডা: আফিল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজে যোহর বাদ অনুষ্ঠিত জানাযায় উপস্থিত ছিলেন ডা: আহসান হাবীব লাল্টু, উপজেলা আ.লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ রফিকুল ইসলাম, কায়বা ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু প্রমুখ।

    জানাযা পরিচালনা করেন বাগআঁচড়া ছিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাও. হাবিবুর রহমান।

  • তিতাস গ্যাসের অ*বৈধ সংযোগে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান-বৈধ গ্রাহকদের সমস্যা

    তিতাস গ্যাসের অ*বৈধ সংযোগে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান-বৈধ গ্রাহকদের সমস্যা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দেওয়ার কারণে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান- বৈধ গ্রাহকদের নানারকম সমস্যা দেখার কেউ নাই। কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ সংযোগ-দালালদের পকেটে যাচ্ছে মোটা অংকের টাকা। অভিযান অব্যাহত আছে বলে দাবী করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে বৈধ গ্রাহকদের গ্যাসের চুলাও জ্বলছে না। মোমবাতির মতো টিপটিপ করে জ্বললে রান্না করা যায়না বলে অনেকেই জানান।
    রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার ইউসুফ মার্কেট, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া ও মীরবাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সম্পদ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। তথ্যমতে, এসব অবৈধ সংযোগ দাতারা হলো, আশুলিয়ার জামগড়া এরাকার নাজিম উদ্দিন, সোহেল মীর, সায়েদ মীর, শামীম, শরীফ, মোস্তফা, হাবিব, সেলিমসহ ১৫-২০জন। অনেকেই তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এক একটি অবৈধ সংযোগ থেকে ৫০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা কালেকশন করা হয়, পুরো উপজেলায় ৬০ হাজারের বেশি অবৈধ সংযোগ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দালালদের পকেটে কোটি কোটি টাকা যাচ্ছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডে নারী ও শিশুসহ গত দুই বছরে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।
    সরকারের সিদ্ধান্তে দুই শ্রেণীর গ্রাহক সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণির হলো সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বাসা বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকেরা। আরেকটি হলো বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাহকদের গ্যাসের পাইপলাইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আবাসন কোম্পানির অনেকেই বলেন, এখন গ্যাসের সংযোগ না পেলে তাদের প্লট, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। অনেকেই দাবি করেন যে,এখন প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে ইনকাম কম, খরচ বেড়েছে এর কারণে মানুষের অভাব বাড়ছে। গ্যাস সংযোগ নতুন করে আর কেউ পাচ্ছেন না, এতে গ্রাহকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন।
    সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ইং সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ নতুন করে শুরু হওয়ার কথা নীতিনির্ধারণী মহলেও শুনা যাচ্ছিল। তখন ঢাকা ও সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর কাশিমপুরসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ সংযোগের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেয় দালাল চক্র সিন্ডিকেটগুলো। গ্রাহকদের তারা আশ্বাস দেয়, কিছুদিন পরে গ্যাসের নতুন বৈধ সংযোগ দেওয়া শুরু করলে তারা এগুলোকে বৈধ করে দেবেন কিন্তু এখন সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পালায় এই গ্রাহকদের সংযোগও কাটা পড়ছে। জানা গেছে, সরকারি ভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
    জানা গেছে, একটি অভিযানে সরকারের লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়, অভিযানের ১-২দিন পর আবারও সেখানেই অবৈধ সংযোগ দেয়া হয়, আবার অভিযান চালানো হয়, এতে সরকারের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে কিছুদিন আগে জ্বালানি বিভাগ উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছেন। সূত্র জানায়, ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করা হবে। তাদের অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মতো সারাদেশে। গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতের নেতৃত্ব প্রদানকারী সংস্থা পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধ অবৈধ নানা উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ হবে।
    দেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। গৃহস্থালিতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। যেসব গ্রাহক সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন এবং টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের নাম আমাদের তথ্যভান্ডারে রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা একটি সভা করে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করবো। বিঃ বা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দেশে গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমা ল গ্যাস কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি। এই সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, আগামীতে সভা করে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা ঠিক করবেন। উক্ত ব্যাপারে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। নানা প্রলোভন দেখিয়ে জনগণকে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিতে বাধ্য করে কিছু দালাল চক্র। আবার অনেক গ্রাহকও নানাভাবে তদবির-প্রচেষ্টায় অবৈধ সংযোগ নেন। এখন স্থায়ীভাবে আবাসিক সংযোগ বন্ধ হওয়ায় নতুন করে অবৈধ সংযোগ নেওয়া অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে। জানা গেছে, ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাসা বাড়িতে প্রায় লক্ষাধিক অবৈধ সংযোগ রয়েছে।
    আশুলিয়ায় দায়িত্বে থাকা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ ব্যবস্থাপক (জোবিঅ) প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোহাম্মাদ সায়েম বলেন, গত তিন বছরের তেমন মামলা করা হয়নি, সাভার ও আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা ৫২ হাজারের বেশি হবে। শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১৫০০। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে সাভার থানায় ৬টি ও আশুলিয়ায় ৪৬টি মামলাসহ প্রায় ৫২টির মতো মামলা করা হয়েছে, গত দুই বছরের মধ্যে মামলা করা হয়নি। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান। তবে এক স্থানে ৬-৮ বার অভিযান করা হয় বলে সরকারের মোটা অংকের অর্থ হরিলুট হচ্ছে। সাভার আশুলিয়ায় অবৈধ গ্যাসের চুলা জ্বললেও বৈধ গ্রাহকের চুলায় গ্যাস থাকে না, বিল ঠিকই নেওয়া হচ্ছে কিন্তু গ্যাস থাকেনা চুলার পাইপলাইনে, এ ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যথা নাই। কিছু দুষ্টুলোকের কারণে সরকার প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে এসব অবৈধ সংযোগ থেকে। অভিযানে আসার পূর্বে দালালদেরকে আগেই বলে দেয়ার কারণে চোর পুলিশের খেলা শুরু হয়, এ খেলা আর কতদিন চলবে তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না।