Blog

  • আজমিরীগঞ্জে আকবর হোসেন ফাউন্ডেশনের গণসংবর্ধনায় এমপি এডঃ ময়েজউদ্দিন শরীফ রুয়েল

    আজমিরীগঞ্জে আকবর হোসেন ফাউন্ডেশনের গণসংবর্ধনায় এমপি এডঃ ময়েজউদ্দিন শরীফ রুয়েল

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
    গত শনিবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪ ঘটিকায় আকবর হোসেন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত হাজার হাজার জনগনের উপস্থিতিতে হবিগঞ্জ ২ আসনের নবনির্বচিত সাংসদ এর উপলক্ষে একটি আলোচনা ও জাঁকজমকপূৰ্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় l উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আজমিরীগঞ্জ বানিয়াচং হবিগঞ্জ ২ আসনের নব নির্বাচিত এমপি এডভোকেট ময়েজউদ্দিন শরীফ রুয়েল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে যথাক্রমে ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট লুৎফর রহমান তালুকদার, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া।

    উক্ত বিশাল গণসংবর্ধনায় সভাপতিত্ব করেন সমাজ উন্নয়ন, মানবিক ও ক্রীড়ানুরাগী আজমিরীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও আকবর হোসেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জনাব, আকবর হোসেন।

    আজমিরীগঞ্জ গরুহাটা মাঠে হাজার হাজার লোকের সমাগম ছিলো অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ আকর্ষণ l আকবর হোসেন ফাউন্ডেশন ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেনীর লোকজন মিছিলে মিছিলে করতালির মাধ্যমে এই বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে এমপি এডভোকেট ময়েজউদ্দিন শরীফ রুয়েল বলেন,আকবর হোসেন,দেশে বিদেশে ব্যবসা বানিজ্য করে যে অর্থ উপার্জন করেন তা সমাজ উন্নয়ন ও মানুষের উপকারের জন্য ব্যয় করেন।উনাকে দিয়ে সমাজের অনেক কিছু করা সম্ভব।

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মিসবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন,আকবর হোসেন আমার আপন ভাগিনা,সে দীর্ঘ দিন আকবর হোসেন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মানুষের সেবা করে আসছে, আপনারা তার পাশে থাকলে
    সমাজের অগ্রগতি ও উন্নয়ন সুনিশ্চিত l
    বিশেষ অতিথি হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট লুৎফর রহমান তালুকদার বলেন, আকবর হোসেন রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডের জন্য শুধু আজমিরীগঞ্জেই সু পরিচিত নয়,বরং উনার নেটওয়ার্কিং এর জোর বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ে যা গর্ব করার মতো l জনগন উনার পাশে থাকলে উনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা এবং এমপি ময়েজউদ্দিন শরীফ রুয়েল এর সাথে সমন্বয়রেখে দ্রুত গতিতে কাজ করে যেতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস।

    জনাব আকবর হোসেন সমাপনী বক্তব্য বলেন ,মানবতার প্ল্যাটফর্ম আকবর হোসেন ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য – মানব মানবের তরে,সেই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত মানবিক কর্মকান্ডের উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে যা ২০২৪ সালের শুরুতে বর্তমান আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমভাগে ৪৫ লক্ষ টাকার অনুদানে একটি মসজিদ নির্মানাধীন l স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে চাই স্মার্ট লিডারশীপ। আর আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টি কর্তা প্রদত্ত আমাদের সক্ষমতাকে আমলে নিয়ে অত্র অঞ্চলের মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন।
    কোনায় কোনায় পরিপূর্ণ লোকজনের উপস্থিতি ছিলো যেন এক সংবর্ধনা থেকে জনসমুদ্র l

  • র‌্যাব-১২ ও র‌্যাব-৪ অভিযানে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ ও র‌্যাব-৪ অভিযানে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার এর যৌথ অভিযানে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ শাহাদাৎ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ০৪ আগস্ট ২০১০ খ্রি. তারিখ ভোমরা স্থলবন্দর হতে ট্রাক চালক মোঃ জয়নাল হোসেন (৪০) ও হেলপার রুবেল@রাসেল (২৮) পাথর বোঝাই ট্রাক নিয়ে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানা এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেন। পরবর্তীতে ৬ আগস্ট ২০১০ তারিখ উক্ত পাথর বোঝাই ট্রাকটি ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন শ্রীরামপুর নামক স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং ৭ আগস্ট ২০১০ তারিখ মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানা এলাকা হতে উক্ত ট্রাকের চালক এবং হেলপার এর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    ২। উক্ত হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে নিহত ট্রাক চালকের ছোট ভাই বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং- ০৬, তারিখ- ০৭-০৮-২০১০ খ্রি. ধারাঃ-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। মামলার তদন্ত শেষে ধৃত আসামির বিরুদ্ধে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত গত ৯ অক্টোবর ২০২৩ তারিখ আসামিকে উক্ত ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এবং মৃত্যুদন্ডে দন্ডিতসহ আরও ৩০,০০০/- টাকা জরিমানা করে রায় প্রদান করেন। হত্যাকান্ডের পর থেকেই আসামি আত্মগোপনে চলে যায় এবং সাভার থানার কর্ণপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতে থাকে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের ব্যাপারে র‌্যাব উদ্যোগী হয়ে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে।

    ৩। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম অধিনায়ক র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহায়তায় সদর কোম্পানি, র‌্যাব-১২ ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ রাতে “ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন কর্ণপাড়া এলাকায়” অভিযান পরিচালনা করে মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৪৩), পিতা-মৃত কাইয়ুম মোল্লা, সাং-মধুপুর, থানা-উল্লাপাড়া, জেলা-সিরাজগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করতঃ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    তথ্য দিন :

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানী, সিরাজগঞ্জ।

    ফোন-০১৭৭৭৭১১২৫৮

  • নড়াইলে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে দীর্ঘদিন ধরে

    নড়াইলে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে দীর্ঘদিন ধরে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে শোধনাগারটি অকার্যকর দীর্ঘদিন ধরে। ৫ বছর ধরে অকেজো নড়াইলের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণের পর মাত্র তিন মাস নড়াইলের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা প্লান্টটি তৎকালীন মেয়র জেড়াতালি দিয়ে কিছুদিন চালালেও নানাবিধ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমান মেয়র পুণরায় আর চালু করতে সক্ষম হননি। এরপর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৫ বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে প্লান্টটি। এতে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এ নিয়ে গত পাঁচ বছরে একাধিকবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলেও কোনো সুফল মেলেনি। পৌর কর্তৃপক্ষের বলছে, বার বার চেষ্টা করেও নানা যান্ত্রিক সমস্যার কারণে এটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নড়াইলবাসীর বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে শহরের গোহাটখোলায় এলাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০১৪ সালে ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এর কাজ শুরু করে। ১০ কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত এই মেগা প্রকল্পটি ২০১৯ সালে পরিচালনার জন্য পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রায় সাত বছর ধরে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবার পরে নড়াইলবাসী বিশুদ্ধ পানি পেতে শুরু করেছিল। কিন্তু মাত্র ৩ মাস যেতে না যেতেই নানা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্লান্টটি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমান মেয়র দায়িত্ব পেয়ে সেই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে পুণরায় চালু করলেও একের পর এক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। আবারও বন্ধ হয়ে যায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি।
    পৌরবাসীদের সঙ্গে কথা হলে অনেকেই জানান, পৌর এলাকার দুই লক্ষাধিক জনগোষ্ঠীর বিশুদ্ধ পানির সমস্যা সমাধানে এই প্লান্টটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, এটির মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি পাবে পৌরবাসী। কিন্তু বাস্তবে এটি কোনো কাজে আসছে না। আমরা বিশুদ্ধ পানি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। পুনরায় চালু করা গেলে বিশুদ্ধ পানির সংকট কমবে বলেও জানান তারা।
    পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা বলেন, নড়াইলে পানি শোধনাগারটি অকার্যকর হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। কার্যকারী ব্যবস্থা নিয়ে নড়াইলবাসীর পানির কষ্ট দূর করার আবেদন করছি।
    আরেক বাসিন্দা বলেন, পৌরসভা থেকে বর্তমান যে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা খাওয়ার উপযোগী নয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ময়লা থাকে। প্রতিমাসে পৌরসভার ৩০০ টাকা পানির বিল দিয়েও আমার মাসে আরও ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার পানি কিনে খেতে হচ্ছে। বিকাশ নামের আরও একজন বলেন, আমাদের এখানে বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে। সাপ্লাই থেকে যে পানি আমরা পাই, তা পানযোগ্য নয়। ওই পানি পান করলে অসুস্থ হয়ে পড়তে হয়। আমি নিজে অসুস্থ হয়ে সপ্তাহ খানেক হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। পানিতে বিশ্রি গন্ধ। এছাড়া গোসলের সময় মাথায় ঢাললে চুল পড়ে যায়।
    এ ব্যাপারে নড়াইল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এমএম আবু সালেহ বলেন, পানি শোধনাগারটি তৈরি করে চালু অবস্থায় আমরা পৌরসভার নিকট হস্তান্তর করেছি তখন এটা চলছিল। চালু রাখার জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। তারা (পৌরসভা) নিয়মিত রিপেয়ার করছে না বলেই হয়ত এটা চলছে না।
    এ ব্যাপারে নড়াইল পৌরসভার বর্তমান মেয়র আঞ্জুমান আরা বলেন, পানি শোধনাগারটি আমার আগের মেয়রের আমলে করা। তখন তিন মাস ভালো সার্ভিস দেওয়ার পর সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আমি আসার পর চেষ্টা করি এটাকে চালু করার। কিন্তু চালু করার অল্প কয়েকদিন পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। আমি যকটুকু বুঝেছি, ওটা রিপেয়ার করলেও আর চলবে না। আমি জনস্বাস্থ্যের প্রধানের কাছে বিনীত অনুরোধ রাখতে চাই, এটা যদি কিছু করা যায় তাহলে করুন, না হলে নতুন করে পানি শোধনাগার নির্মাণ করা হোক।

  • নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর ৮৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত স্মৃতিসৌধে বিনম্র শ্রদ্ধায় পুষ্পস্তবক অর্পণ

    নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর ৮৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত স্মৃতিসৌধে বিনম্র শ্রদ্ধায় পুষ্পস্তবক অর্পণ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর ৮৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত। নূর মোহাম্মদ নগর, নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধে দেশ ও জাতির কল্যাণে জীবন উৎসর্গকারী স্বাধীনতার সূর্য সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এর ৮৮তম জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ উপলক্ষে জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানের স্মৃতিসৌধে বিনম্র শ্রদ্ধায় পুষ্পস্তবক অর্পণ ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর ৮৮তম জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়।
    প্রধান অতিথি হিসেবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল এবং বিশেষ অতিথি নড়াইল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাঃ মেহেদী হাসান’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত, নড়াইল।
    এ সময় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ, কোমলমতি শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ; প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ বিভিন্ন সংগঠন ও শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছায় ক্ষেতে ছাগল যাওয়া কে কেন্দ্র করে ঘেরা বেড়ায় অগ্নিসংযোগ ও চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ

    পাইকগাছায় ক্ষেতে ছাগল যাওয়া কে কেন্দ্র করে ঘেরা বেড়ায় অগ্নিসংযোগ ও চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছায় তরমুজ ক্ষেতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা ক্ষেত মালিকের তরমুজের চারা উপড়ে ফেলে দেওয়া ও সীমানা ঘেরা বেড়া দেওয়ার জাল,খুটি,পানির পাইপসহ ক্ষেতে কাজ করার সরঞ্জাম আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া এবং চাষ করতে রাখা একটি পাওয়ার টিলার,সার,তেল,স্প্রে মেশিন নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ বাইনবাড়িয়া এলাকায় রোববার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই বাইনবাড়িয়া ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে।
    সোমবার সকালে সরেজমিনে গেলে ওই এলাকার স্থানীয়রা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত মালিক উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়রা উপজেলার চান্নিরচক গ্রামের মৃত্যু গোষ্ট মন্ডলের ছেলে অজয় মন্ডল বলেন,আমার বাড়ীর পার্শবর্তী পাইকগাছা উপজেলার দক্ষিণ বাইনবাড়িয়া এলাকায় ২২ বিঘা জমি লিজ নিয়ে আমি তরমুজের চাষ করেছি। যে চারার বর্তমান বয়স ১৫/১৬ দিন। ঘটনার দিন রোববার বিকালে দক্ষিণ বাইনবাড়িয়া গ্রামের মৃত্যু তারাপদ মন্ডলের ছেলে জবতোষ মন্ডলের একটি ছাগল আমার ক্ষেতে প্রবেশ করে তরমুজের চারা খেতে থাকে তখন আমার ছেলে সৌরভ মন্ডল ২/৩ বার তাড়িয়ে দেয়। পরে আবার আসলে ছাগল তাড়া দিলে পানিতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় জবতোষ মন্ডল আমার ছেলে সৌরভ কে মারপিট করে। এ কথা আমি জবতোষের কাছে জানতে চাইলে আমাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় গড়ইখালী ইউনিয়নের ইউ পি সদস্য অচিন্ত্যর কাছে মিমাংসার কথা বলা হলে তিনি দু পক্ষকে ডাকেন এবং মিমাংসার চেষ্টা করেন। এমতবস্থায় জবতোষ মন্ডলের নেতৃত্বে দক্ষিণ বাইনবাড়িয়া এলাকার মৃত্যু তপন মন্ডলের ছেলে জয়ন্ত মন্ডল,মৃত্যু ভোলা নাথ মন্ডলের ছেলে বিপুল মন্ডল, চিন্ময় মন্ডল, তরুন সানা,সঞ্জয় মন্ডলসহ ৩০/৩৫ জন লোক আমার ক্ষেতে যেয়ে, ক্ষেতের ঘেরা-বেড়া দেওয়া খুটি,কটের জাল সেচ পাইপ ভাংচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় ও তরমুজের চারা উপড়ে ফেলে দিয়ে নষ্ট করে। এ ছাড়া আমার ক্ষেতের বাসায় রাখা চাষাবাদের জন্য একটি পাওয়ার টিলার, ১০ বস্তা সার,দুটি স্প্রেমেশিন কাজের সরঞ্জামদি লুট করে নিয়ে যায়। এতে আমার প্রায় ৫/৬ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। চান্নির চক এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য অমলেন্দু সানা বলেন,আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, ছাগলে ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে ফসলের ক্ষতি ও মালামাল নিয়ে যাওয়া ওদের ঠিক হয়নি এটা দুঃখজনক ঘটনা।
    দক্ষিণ বাইনবাড়িয়া এলাকার ইউপি সদস্য অচিন্ত সরদার বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। অজয় মন্ডলের ছেলে সৌরভ মন্ডল জবতোষের মেরে নাক ফাটিয়ে দিয়েছে, এ জন্য জবতোষের লোকজন রাগ করে অজয় মন্ডলের ক্ষেতের কিছু জাল বেড়া তুলে ফেলেছিল এ কথা সত্য কিন্ত আগুন কে বা কাহারা দিয়েছে সে কথা আমি জানি না। পাওয়ার টিলার ও স্প্রেমেশিন নিয়ে গেছে ও গুলো পুলিশ ক্যাম্পে দিয়ে আসতে বলেছি এবং উভয় পক্ষকে ডেকে একটা সমাধান করে দেওয়ার চেষ্টা করছি।
    বাইনবাড়িয়া পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ ফরহাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, কিছু জাল খুটি পুড়িয়ে দিয়েছে, দু ইউপি সদস্যদের উপর দায়িত্ব দিয়েছি,ক্ষেতের ঘেরা বেড়া দিয়ে দেওয়ার জন্য। আর যারা মালামাল নিয়ে গেছে সব কিছু ক্যাম্পে নিয়ে আসতে বলেছি। আনলে ওদের সরঞ্জামদি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • সুন্দরগঞ্জে ইজিবাইকসহ চাঞ্চল্যকর মলমপাটির ২ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

    সুন্দরগঞ্জে ইজিবাইকসহ চাঞ্চল্যকর মলমপাটির ২ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মলম পার্টি চক্রের সাথে জড়িত ২ ছিনতাইকারীসহ একটি ইজিবাইক উদ্ধার করেছেন।
    পুলিশ ব্রিফিংয়ে জানা গেছে , চলতি বছরের ০৪/০১/২০২৪ ইং তারিখে দুপুরপ গাইবান্ধা সদর উপজেলার বড়আটা গোবিন্দপুর গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলামের ইজিবাইকে গাইবান্ধায় যাত্রী হিসেবে জনৈক শামীম নামক এক যাত্রী উঠে সে হাটলক্ষীপুরে এসে নামেন। এসময় রাতে বিয়ের ভাড়ার কথা বলে ৮০০ টাকায় ভাড়া ঠিক করে দুজনার মধ্যে মোবাইল নাম্বার বিনিময় হয়। পরে ওইদিনেই রাত ৯ টার দিকে শামীম ধোপাডাঙ্গা বাজারে মনিরুলকে ফোনে ডেকে ইজিবাইকে উঠে চৌমহনী বাজারের দিকে রওয়ানা দেয়। পথিমধ্যে সুরুজ্জামান মিয়া ও নজরুল ইসলাম নামে ২ যাত্রী গাড়ি থামানোর সিগনাল দিলে শামীমও থামাতে বলে। গাড়ি থামালে ওই দুই যাত্রী ইজিবাইকে উঠে পড়ে। তাদের কথা মত নজরুলের বাড়িতে গাড়ি নিয়ে গেলে তারা বিয়ে বাড়িতে গাড়ি যাবেনা জন্য এখানে নিয়ে আসলাম বলে। সেই সাথে বলে বিয়ের লোকজন পায়ে হেটে এসে গাড়িতে চড়বে। তারা মনিরুলকে নাস্তা খেতে বললে সে রাজি না হওয়ায় পান খাওয়ার অফার করলে সে রাজি হয়। পান খাওয়ার পর সে আর কিছু বলতে পারেনা। তখন শামীম, সুরুজ্জামান ও নজরুল মিলে মনিরুলের গলায় রশি লাগিয়ে ইজিবাইকে তুলে নিয়ে ঘটনাস্থল হতে ৬ কিলোমিটার দূরে হাতিয়া চৌরাস্তা মোড়ের পাশে মৃত্যু নিশ্চিতে ভেবে ফেলে দিয়ে ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে এনিয়ে মামলা হলে পুলিশ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে আসামি গ্রেফতার ও ইজিবাইক উদ্ধারে রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সন্দেহজনক আসামি গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মলমপাটির মুলহোতা লুৎফর রহমান(৪৮), জাগড়িভিটা গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মুর্শিদ মিয়া(৩৫) ও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার হাতিপাগার গ্রামের হযরত আলীর ছেলে নাজমুল ইসলামকে ১৫/০২/২৪ ইং তারিখে কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সহায়তায় কঞ্চিবাড়ি বাজার থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এদিকে ইজিবাইক চালক মনিরুল ইসলামের করা মামলার ১নং আসামি ধুবনী খামার গ্রামের আবু বক্করের ছেলে সুরুজ্জামান মিয়া(৩০)কে গ্রেফতারপূর্বক জেল হাজতে প্রেরণের পর ২দিনের জিঙ্গাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হলে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোঃ কামাল হোসেনের দিকনির্দেশনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব জোতির্ময় গোপ বিপিএম সেবা এর তত্ত্বাবধানে সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম ও পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জীর পরামর্শে মামলার আইও তারেকুল তৌফিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম পাশ্ববর্তী রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানাধীন রসুলপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে কুমেতপুর বাজার হতে তদন্তে প্রাপ্ত ওই গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া(২৮)কে গ্রেফতার করে। পাশাপাশি তার ৭২ হাজার টাকায় কেনা ইজিবাইক টি উদ্ধার করেন পুলিশ । পরে এনিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব জোতর্ময় বিপিএম সেবা সোমবার সুন্দরগঞ্জ থানায় সাংবাদিকদের ব্রিফিপ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, তদন্ত ওসি মিলন কুমার চ্যাটার্জী, মামলার আইও এসআই তারেকুল ইসলাম তৌফিক, এসআই জুয়েল রানা প্রমূখ। পরিশেষে জব্দকৃত ইজিবাইকটি বাদী মনিরুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

  • মুন্সিগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের অগ্নিকাণ্ড, ১টি বসত ঘর পুড়ে ছাঁই

    মুন্সিগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের অগ্নিকাণ্ড, ১টি বসত ঘর পুড়ে ছাঁই

    লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ

    মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের শর্ট-সার্কিটের আগুনে পুড়েছে ১টি বসত ঘরের ৫টি রুম সহ ভেতরে থাকা মালামাল। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

    গতকাল ২৫শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের মাদবর বাড়ী ব্রীজ সংলগ্ন ফরিদ হোসেনের বাড়ির সামনে সালাম ঢালীর একটি ভাড়া বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল আনুমানিক রাত ৮ঘটিকার সময়
    ঘরের মধ্যে হঠাৎ আগুনের ধোঁয়া দেখতে পায় স্থানীয়রা,পরে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে একটি বাড়ীর পাঁচ টা রুমে,এরপর প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নিভাতে চেষ্টা চালায এবং ফায়ার সার্ভিসের জন্য এলাকা বাসীরা ৯৯৯ ফোন করে পরে মু্ন্সীগঞ্জ সদর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে।

    প্রায় ৪৫ মিনিট চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে এর আগেই আগুনে পুড়ে গেছে টিন-কাঠের তৈরি ১টি চৌচালা বাড়ির পাঁচটি রুম সহ ভেতরে থাকা সব ধরনের মালামাল। তবে এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ইনচার্জ, মো:আবু ইউসুফ জানান, গতকাল রাত ৮টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিভাতে চেষ্টা চালায়, পরে ৪৫ মিঃ চেষ্টায় পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। তিনি আরো বলেন,বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখন পর্যন্ত জানা না গেলেও বেশ কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

    এছাড়াও এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে বাড়িটির আশেপাশের প্রায় অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন।

  • সুন্দরগঞ্জে ইজিবাইকসহ চাঞ্চল্যকর মলমপাটির ২ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

    সুন্দরগঞ্জে ইজিবাইকসহ চাঞ্চল্যকর মলমপাটির ২ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মলম পার্টি চক্রের সাথে জড়িত ২ ছিনতাইকারীসহ একটি ইজিবাইক উদ্ধার করেছেন।
    পুলিশ ব্রিফিংয়ে জানা গেছে , চলতি বছরের ০৪/০১/২০২৪ ইং তারিখে দুপুরপ গাইবান্ধা সদর উপজেলার বড়আটা গোবিন্দপুর গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলামের ইজিবাইকে গাইবান্ধায় যাত্রী হিসেবে জনৈক শামীম নামক এক যাত্রী উঠে সে হাটলক্ষীপুরে এসে নামেন। এসময় রাতে বিয়ের ভাড়ার কথা বলে ৮০০ টাকায় ভাড়া ঠিক করে দুজনার মধ্যে মোবাইল নাম্বার বিনিময় হয়। পরে ওইদিনেই রাত ৯ টার দিকে শামীম ধোপাডাঙ্গা বাজারে মনিরুলকে ফোনে ডেকে ইজিবাইকে উঠে চৌমহনী বাজারের দিকে রওয়ানা দেয়। পথিমধ্যে সুরুজ্জামান মিয়া ও নজরুল ইসলাম নামে ২ যাত্রী গাড়ি থামানোর সিগনাল দিলে শামীমও থামাতে বলে। গাড়ি থামালে ওই দুই যাত্রী ইজিবাইকে উঠে পড়ে। তাদের কথা মত নজরুলের বাড়িতে গাড়ি নিয়ে গেলে তারা বিয়ে বাড়িতে গাড়ি যাবেনা জন্য এখানে নিয়ে আসলাম বলে। সেই সাথে বলে বিয়ের লোকজন পায়ে হেটে এসে গাড়িতে চড়বে। তারা মনিরুলকে নাস্তা খেতে বললে সে রাজি না হওয়ায় পান খাওয়ার অফার করলে সে রাজি হয়। পান খাওয়ার পর সে আর কিছু বলতে পারেনা। তখন শামীম, সুরুজ্জামান ও নজরুল মিলে মনিরুলের গলায় রশি লাগিয়ে ইজিবাইকে তুলে নিয়ে ঘটনাস্থল হতে ৬ কিলোমিটার দূরে হাতিয়া চৌরাস্তা মোড়ের পাশে মৃত্যু নিশ্চিতে ভেবে ফেলে দিয়ে ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে এনিয়ে মামলা হলে পুলিশ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে আসামি গ্রেফতার ও ইজিবাইক উদ্ধারে রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সন্দেহজনক আসামি গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মলমপাটির মুলহোতা লুৎফর রহমান(৪৮), জাগড়িভিটা গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মুর্শিদ মিয়া(৩৫) ও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার হাতিপাগার গ্রামের হযরত আলীর ছেলে নাজমুল ইসলামকে ১৫/০২/২৪ ইং তারিখে কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সহায়তায় কঞ্চিবাড়ি বাজার থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এদিকে ইজিবাইক চালক মনিরুল ইসলামের করা মামলার ১নং আসামি ধুবনী খামার গ্রামের আবু বক্করের ছেলে সুরুজ্জামান মিয়া(৩০)কে গ্রেফতারপূর্বক জেল হাজতে প্রেরণের পর ২দিনের জিঙ্গাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হলে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোঃ কামাল হোসেনের দিকনির্দেশনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব জোতির্ময় গোপ বিপিএম সেবা এর তত্ত্বাবধানে সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম ও পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জীর পরামর্শে মামলার আইও তারেকুল তৌফিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম পাশ্ববর্তী রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানাধীন রসুলপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে কুমেতপুর বাজার হতে তদন্তে প্রাপ্ত ওই গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া(২৮)কে গ্রেফতার করে। পাশাপাশি তার ৭২ হাজার টাকায় কেনা ইজিবাইক টি উদ্ধার করেন পুলিশ । পরে এনিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব জোতর্ময় বিপিএম সেবা সোমবার সুন্দরগঞ্জ থানায় সাংবাদিকদের ব্রিফিপ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, তদন্ত ওসি মিলন কুমার চ্যাটার্জী, মামলার আইও এসআই তারেকুল ইসলাম তৌফিক, এসআই জুয়েল রানা প্রমূখ। পরিশেষে জব্দকৃত ইজিবাইকটি বাদী মনিরুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

  • সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ এর আয়োজনে গীতার শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ ও অভিবাবক সমাবেশ

    সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ এর আয়োজনে গীতার শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ ও অভিবাবক সমাবেশ

    নুরুল ইসলাম( টুকু)
    খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রতিনিধি

    “এসো গীতা শিখি গীতা পড়ি সুন্দর জীবন গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শ্রী শ্রী গীতা ও নৈতিক শিক্ষালয় এর শিক্ষার্থীদের গীতা শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করণ ও বার্ষিক মূল্যায়ন -২০২৩ এর সনদপত্র বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার ( ২৬ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার সময় সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা শাখার আয়োজনে শ্রী শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    এতে সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলার সদর উপজেলা শাখার সভাপতি বাবু নয়ন আচার্য্য এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র বাবু নির্মলেন্দু চৌধুরী।

    এতে সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ শান্তিনগর আঞ্চলিক শাখার অর্থ সম্পাদক প্রিতময় সেন এর সঞ্চালনায়
    স্বাগত বক্তব্য রাখেন সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তুষার দে।

    এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন শ্রী শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল দেব, সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা স্বপন দেবনাথ,সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি স্বপন ভট্টাচার্য্য, শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি শাখার সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার দে,সনাতন ছাত্র যুব পরিষদ স্থায়ী কমিটির সদস্য রনজিত দে,সদর উপজেলা শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক বাবলু সেন,হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট খাগড়াছড়ি জেলার প্রকল্প সহকারী পরিচালক সজিব বিশ্বাস, সাবেক সহকারী পরিচালক দীপঙ্কর চন্দ্র মণ্ডল।

    এতে অভিভাবক মন্ডলি থেকে আরও বক্তব্য রাখেন পপি বিশ্বাস।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক পায়েল দাশসহ সনাতন ছাত্র যুব পরিষদের সদর উপজেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।

    আলোচনা সভা শেষে গীতা শিক্ষা ২০২৩ এর বার্ষিক মূল্যায়নে অংশ৷ নেওয়া ১২৫ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৪ জন শিক্ষার্থীকে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় অনুযায়ী সার্টিফিকেট ও মেডেল এবং বাকি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

    এইছাড়াও গীতা শিক্ষায় সহযোগিতাকারী ২৫ জন সনাতনী ব্যক্তিবর্গদের মাঝে কৃতজ্ঞতা সনদ প্রদান করেন কমিটির নেতৃবৃন্দরা।

    আলোচনা সভায় বক্তারা প্রত্যেক সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,ধর্মীয় সংস্কার ও সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করে দেওয়া প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।ধর্মীয় জ্ঞান না থাকলে একজন মানুষ পরিপূর্ণ ভাবে নিজেকে বিকোশিত করতে পারেনা।

    সবশেষে সনাতন ছাত্র যুব পরিষদের উদ্যোগে ধর্মীয় কল্যাণে নানা মূখী কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন বক্তারা।

  • উজিরপুরে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলেন শিক্ষক

    উজিরপুরে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলেন শিক্ষক

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা শিকারপুর ইউনিয়নের ৮৮নং মুণ্ডপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষকের বেদম প্রহরে রক্তাক্ত জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । এক ঘটনায় ঐ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার মুন্ডপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শাজাহান মুণ্ডপাশা গ্রামের সোহেল সরদারের প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী শারমিন আক্তার ইভাকে পানির কলের ট্যাপ ভেঙে ফেলার অপরাধে লাঠি দিয়ে বেদম মারধর করে, এতে ওই শিক্ষার্থী গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। পরে স্থানীয়রা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

    এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি এবং ঐ শিক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।
    শিক্ষার্থীর দাদা আজিজ সরদার জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক শাজাহান এর বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ রয়েছে।
    শিক্ষার্থীর বাবা সোহেল সরদার জানান, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম মনির মাস্টার আমাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে।অভিযুক্ত শিক্ষককে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
    এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম মাস্টার জানান, পানির কলের ট্যাব ভেঙে ফেলা শিক্ষক রাগ করে দুই একটা বেত্রাঘাত করেছে কিন্তু বিষয়টি একশ্রেণীর লোক জটিল করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে।