Blog

  • পাইকগাছায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

    পাইকগাছায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা)প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত হয়েছে।এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।মঙ্গলবার সকালে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে “স্মার্ট হবে স্থানীয় সরকার, নিশ্চিত করবে সেবার অধিকার” প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, ওসি ওবাইদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্র নাথ সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন সোয়েব, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা কবিরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক শেখ রুহুল কুদ্দুস ও প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ।

  • স্থানীয় সরকার দিবসে আগৈলঝাড়ার রাজিহার ইউনিয়নে র‌্যালী আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত

    স্থানীয় সরকার দিবসে আগৈলঝাড়ার রাজিহার ইউনিয়নে র‌্যালী আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    ‘স্মার্ট হবে স্থাণীয় সরকার, নিশ্চিত করবে সেবার অধিকার’ এই প্রাতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষ্যে ১নং রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে র‌্যালী আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্মিত কমপ্লেক্স ভবনে (বাশাইলে) এসভা অনুষ্ঠিত হয়।১নং ইউনিয়ন রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক উপাধ্যক্ষ এস এম হেমায়েত উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশের আলো দৈনিক হিরন্ময় পত্রিকার প্রতিনিধি বি এম মনির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বক্তিয়ার হোসেন শিকদার, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হরে কৃষ্ণ হালদার, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন তালুকদার, ইউপি সচিব গৌতম পালসহ স্থানীয় ইউপি সদস্যবৃন্দ। এ সময় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে । সভায় বক্তারা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। র‌্যালী ও আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের নতুন ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে অফিস কার্যক্রমের শুরু করা হয়।

  • পাইকগাছা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পৃথক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়,ওসি ওবাইদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল,কাজল কান্তি বিশ্বাস, আব্দুল মান্নান গাজী,শাহাজাদা আবু ইলিয়াস,জিএম আব্দুস সালাম কেরু,প্যানেল চেয়ারম্যান শংকর বিশ্বাস, প্যানেল মেয়র এসএম তৈয়বুর রহমান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিষ্ণু পদ বিশ্বাস, প্রকৌশলী শাফিন সোয়েব, শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহাজাহান আলী শেখ,খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা কবিরুল ইসলাম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার,বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায়, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জিএম বাবলুর রহমান, সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাস, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক জাহিদুর রহমান, শিক্ষক রহমত আলী,প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্র নাথ সরকার, প্রভাষক মোমিন উদ্দিন,প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দীন আহমেদ।সভায় খুন, ধর্ষন, চুরি, অনলাইন জুয়া, রমজানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, হাটবাজার ও জলমহল ইজারা সংক্রান্ত আলোচনা হয়।এ ছাড়া সভায় পৌর এলাকায় লবন পানি উত্তোলন বন্ধ ,বয়রা স্লুইচ গেট বন্ধ রাখা এবং রাড়ুলীর কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গন রোধে চলমান নির্মিত এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্ট নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

  • উজিরপুরে পৌরসভা ও প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

    উজিরপুরে পৌরসভা ও প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ
    বরিশালের উজিরপুর উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার আয়োজনে পৃথক পৃথক ভাবে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত হয়েছে।
    ২৭ ফেরুয়ারী মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উজিরপুর পৌরসভার উদ্যোগে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্ন কাজের উদ্ভোধন করেন পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন, যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র হেমায়েত উদ্দিন , পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসেন ,কাউন্সিলর মজিবুর রহমান , খায়রুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম মামুন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর রানী বেগম, শেখ আখি খানম পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফারুক হোসেন, উজিরপুর বাজার কমিটির সভাপতি সামছুল হক সিকদার সহ স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গরা । বেলা ১১ টায় এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যেগে হল রুমে আলোচনা সভা অনুস্ঠিত হয় ।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু, বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন , পৌরসভার মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারি , ভাইস চেয়ারম্যান অপুর্ব কুমার বাইন রন্টু, সীমা রানী শীলসহ অনেকে। দেশের উন্নায়নে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা করা হয়।

  • রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার

    রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ।
    গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য সুনামগঞ্জ জেলার মান্যবর পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ এহ্সান শাহ্ রাষ্ট্রপতি পদক (পিপিএম-সেবা) প্রাপ্ত হয়েছেন।

    আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রি. থেকে শুরু হওয়া ‘পুলিশ সপ্তাহে’র প্রথম দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে এ পদক পরিয়ে দেন।##

  • খুলনায় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

    খুলনায় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

    খুলনা প্রতিনিধি।। খুলনায় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা মঙ্গলবার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ হুসাইন শওকত। জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট পরিসংখ্যান, উন্নয়নের সোপান’।
    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, সঠিক পরিসংখ্যান থাকলে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা যায়। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও সঠিক পরিসংখ্যান অপরিহার্য। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জনশুমারি ও গৃহগণনার কাজ সম্পন্ন করেছে ও অল্প সময়ের মধ্যে শুমারির প্রাথমিক তথ্য প্রকাশ করেছে। তথ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে পরিসংখ্যান ব্যুরো তার কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে। আবার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়া জাতি সামনে এগুতে পারবে না। স্থানীয় সরকার দপ্তরের মাধ্যমে সঠিকভাবে সকল শিশুর জন্মনিবন্ধন হলে জনসংখ্যার হিসাব সহজে পাওয়া যাবে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন শুমারি ও জরিপ পরিচালনা করে। এর মাধ্যমে দেশে মূল্যস্ফীতি, মজুরি সূচক, বাড়িভাড়া সূচক, নির্মাণসামগ্রী সূচক নির্ধারণ করা হয়। আবার জলবায়ু ও পরিবেশ, দারিদ্র্য ও কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা হয়। একই সাথে এসডিজির ২৩১টি সূচকের মধ্যে ১১১টি সূচকের তথ্য বিবিএস এককভাবে সরবরাহ করে। বিবিএস এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালে বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিলো ৪৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা ১৯৭১ সালে ছিলো ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মাথাপিছু আয় ২৭৬৫ মার্কিন ডলার যা ১৯৭১ সালে ছিলো ৯৩ মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালে দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২.৩ বছরে উন্নীত হয়েছে এবং দারিদ্রের হার ১৮.৭০ শতাংশে নেমে এসেছে।
    খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পুলক কুমার মন্ডল, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সবিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) সুশান্ত সরকার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আকমল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহাবুবার রহমান। স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যুগ্মপরিচালক মো: আক্তার হোসেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
    এর আগে দিবস দুইটি উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।

  • খুলনায় জাতির পিতার ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    খুলনায় জাতির পিতার ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    খুলনা প্রতিনিধি।।
    আগামী ১৭ মার্চ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক সভা মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় জানানো হয়, দিবসটি উপলক্ষ্যে আগামী ১৭ মার্চ সকাল সাড়ে আটটায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সকাল সোয়া নয়টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া শিশুদের জন্য রচনা, চিত্রাংকন ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। একই সাথে দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে আলোচনা সভা, গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা, সড়কদ্বীপ সজ্জিত করাসহ বিস্তৃত কর্মসূচি পালন করা হবে।
    এর আগে একইস্থানে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজা রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পুলক কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাফিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহাবুবার রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।

  • খুলনায় শিশুশ্রম নিরসন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    খুলনায় শিশুশ্রম নিরসন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    খুলনা প্রতিনিধি।। ‘শিশুশ্রম নিরসন বিষয়ক’ দিনব্যাপী কর্মশালা মঙ্গলবার খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন।কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সচিব বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে কাজ করছে সরকার। শিশুশ্রম রোধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা। উন্নত জাতি গঠনে শিশুশ্রম নিরসনের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের একার পক্ষে দেশে শিশুশ্রম নিরোধ করা অনেক কঠিন। সকলে মিলে কাজ করলে শিশুশ্রম নিরসন করা সম্ভব। জাতীয় শিশুশ্রম নিরসননীতি ২০১০ প্রণয়ন করা হয়েছে। শিশুশ্রম নীতি যথাযথো প্রয়োগ করলে শিশুশ্রম কমে আসবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি বলেন, আমরা চাইনা কোন শিশু শ্রমে নিয়োজিত থাকুক। শিশুদের ভালোভাবে গড়ে ওঠার পরিবেশ সুযোগ করে দিতে হবে আমাদের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুশ্রম নিরসনের দিক নিদের্শ দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসন করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে শিশুশ্রম নিরসনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধান অতিথি।খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ তরিকুল আলম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যুগ্ম মহাপরিদর্শক মোঃ মতিউর রহমান, খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ নিজামুল হক মোল্যা ও খুলনা ইউনিসেফের চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার মুমিনুন নেছা। কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ নাজমুল হক শামীম। স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক সানতাজ বিল্লাহ। মুক্ত আলোচনা করেন খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. ফারুক আহাম্মদ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ ইউসুপ আলী, শ্রম অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার এ এস এম কবীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুনর রশীদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
    কর্মশালায় জানানো হয়, খুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে থেকে নিয়মিত পরিদর্শন ৪৫১৩টি, উদ্বুদ্ধকরণ সভা ১০৭টি এবং ৪০২জন শিশুকে শ্রম থেকে প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের আওতায় ৯টি এনজিওর মাধ্যমে প্রায় সাত হাজার পাঁচশত জন শিশু শ্রমিককে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা কমছে এবং এ পর্যন্ত ৮টি সেক্টরকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় শিশুশ্রম নিরসননীতি ২০১০ অনুসারে নয়টি প্রধান কৌশলগত ক্ষেত্র চিহিৃত করা হয়েছে। এগুলো হলো: নীতি-বাস্তবায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধকরণ, আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ, কর্মসংস্থান ও শ্রমবাজার, শিশুশ্রম প্রতিরোধ এবং শ্রমে নিযুক্ত শিশুদের সুরক্ষা, সমাজ ও পরিবারে পুন:একীভূতকরণ ও গবেষণা ও প্রশিক্ষণ।কর্মশালায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শ্রমিক, মালিক, শিশু ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

  • আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৬জন ডাকাত গ্রেফতারের পর রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৬জন ডাকাত গ্রেফতারের পর রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার নয়ারহাট বাজার এলাকায় ১৯টি স্বর্ণের দোকানে গণডাকাতির ঘটনার পর আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া এলাকায় একাধিক বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ অস্ত্র লুটের পর ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) এর নেতৃত্বে চৌকস গোয়েন্দা টিম অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেন এবং ৫জনকে দুই দিনের রিমান্ডে আনা হয়, রিমান্ডে চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে গ্রেফতারকৃত ডাকাত দল।
    মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) দুপুর ১ টার দিকে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) সংবাদ সারাদেশ’কে বলেন, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ১৯টি সোনার দোকানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট, কাঠগড়া এলাকায় আজিজুর রহমানের বাড়িতে অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা ও স্বর্ণ লুট, ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতদের গুলিতে একজন নিহত, ইয়ারপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এক বাড়িতে ডাকাতিসহ আশুলিয়ায় ৬-৭টি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসব ডাকাতির ঘটনার পর থেকে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি গোয়েন্দা টিম ছায়া তদন্ত করে মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করার পর তাদের মধ্যে ৫জনকে আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, দুইদিনের রিমান্ডে ৫জন ডাকাত সদস্য চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে বলে তিনি জানান, তবে অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
    ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) বলেন, গত শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) রাজধানী ডিএমপিসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬জন দুর্ধর্ষ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার সোনাখালী গাজীবাড়ি এলাকার মৃত আনছার আলী গাজীর ছেলে মোঃ সুমন গাজী ওরফে সজল ওরফে পটকা সুমন (৩৬), খুলনা জেলার রূপসা থানার পলাশবাড়ী আলাইপুর এলাকার মৃত আকবর আলী শেখের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান বাপ্পি ওরফে কলম বাপ্পি (৩২), যশোর জেলার মনিরামপুর থানার খানপুর বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে মোঃ রাজু ওরফে মুরাদ (৩৮), খুলনা সদর থানাধীন খুলনা শিপইয়ার্ড এলাকার মৃত মোশারফ খানের ছেলে মনিরুল ইসলাম খান ওরফে মনির (৩৫), খুলনা জেলার বাটিয়াঘাটা থানার রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত আলমগীর শেখের ছেলে মোঃ আইনুল হক (৩২), ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার উত্তর শ্রীরামপুর এলাকার ইউনুছ আলীর ছেলে ইয়াছিন আলী (২৯)। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল গুলি ও নগদ টাকা, একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ২৩-৫৮৩৬) ও সুজুকি মোটরসাইকেলসহ গাড়ির ভেতরে থাকা একটি অত্যাধুনিক হাইড্রলিক কাটার এবং বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। উক্ত ৬জন ডাকাত সদস্যের মধ্যে ইয়াছিন ছাড়া বাকী ৫জনকে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি কার্যালয়ে ২দিনের ডিমান্ডে আনা হয়। (ডিবি) জানায়, রিমান্ডে তারা চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে, এই ডাকাত দলের সাথে আরো যারা জড়িত আছে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
    জানা গেছে, এর আগে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ডাকাতদল বাজারের নাইটগার্ড ও দোকানের কারিগর কর্মচারীদেরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৯টি দোকানের প্রায় ২শ’ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় ৪০-৫০ জনের ডাকাত দল। গত ২৪/০৬/২০২৩ইং তারিখ রাত অনুমান ০২, ৩০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার কাঠগড়া নয়াপাড়ার হাজী মোঃ আব্দুল আজিজ এর বাড়ির দোতালার পশ্চিম পাশের জানালার গ্রীল কাটিয়া ৮-১০ জনের ডাকাত দল রুমে প্রবেশ করে বাড়ির লোকজনের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা ও স্বর্ণ লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এর আগে একইভাবে কাঠগড়া এলাকায় আরো ৩-৪টি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
    উক্ত আশুলিয়া থানায় ডাকাতি মামলা নং ৭৩। তারিখ: ২৪/০৬/২০২৩ইং এ মামলার বাদী মোঃ আব্দুল আজিজ বলেন, ডাকাতির ঘটনার দিনগত রাত ৩টার দিকে আমার বাড়ির ২য় তালার একটি খালি রুমের ভিতরে প্রবেশ করে ৮-১০ জন ডাকাত দল এসময় আমার এবং আমার স্ত্রীসহ বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২৫ লক্ষ টাকা ও ২টি মোবাইলসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, উক্ত মামলায় পুলিশ আসামীর সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে ৩-৪জনকে আসামী করেছে। নগদ ১৯,৫০,০০০/ টাকাসহ মোট অনুমান ২০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে এমনটি উল্লেখ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন ডাকাতদের ২জন লোহার পাইপ দ্বারা আমার স্ত্রীর হাতে, পায়ে আঘাত করিয়া নীলাফুলা জখম করেছে, তিনি আরো বলেন, দুইজন ডাকাতের কাছে পিস্তল ছিলো, আরও দুইজনের কাছে লোহার পাইপ ছিলো এবং ৩-৪ জন লুটপাট করেছে। মামলার বাদী আজিজ হাজীর স্ত্রী মোছাঃ সুমি আক্তার বলেন, ডাকাতরা আমাকে এবং আমার বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অনেক মারধর করে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ ও প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে পারিয়েছে।
    এর আগে গত ০৫/০৯/২০২১ইং দিবাগত রাতে আশুলিয়ার বংশী নদী তীরবর্তী আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় স্বর্ণের ১৯টি দোকানে গণডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতি হওয়া এক দোকানের মালিক রিদয় রায় ও আব্দুল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রী বিপ্লবসহ দোকান কর্মচারীরা গণমাধ্যমকে জানান, রাত দেড়টার দিকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে ৪০-৫০ জনের দুর্ধর্ষ ডাকাত দল নয়ারহাট বাজারে প্রবেশ করে। এসময় তাদের হাতে বন্দুক, পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র ছিলো। ডাকাতরা বাজারের নিরাপত্তারক্ষী ও বিভিন্ন দোকানের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যাপক মারধর করে এবং একে একে ১৯টি দোকানে ড্কাতি করে প্রায় ২শ’ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে ইঞ্জিনের নৌকাযোগে নদীপথে পালিয়ে যায়।
    উক্ত স্বর্ণের দোকানে ড্কাতির ঘটনার পর ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর এসব ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত কোনো ডাকাতকে আশুলিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেননি। এরপর ধারাবাহিকভাবে একাধিক দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। অনেকদিন পর হলেও ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছেন। এই ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করায় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও ভুক্তভোগীরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশকে।

  • স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রে জনগণের বন্ধু পুলিশ ও সাংবাদিকের দায়িত্ব কি?-বাকিটা ইতিহাস

    স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রে জনগণের বন্ধু পুলিশ ও সাংবাদিকের দায়িত্ব কি?-বাকিটা ইতিহাস

    হেলাল শেখঃ স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রে জনগণের বন্ধু পুলিশ ও সাংবাদিকের দায়িত্ব কি?-বাকিটা ইতিহাস কি বলে.. গণমাধ্যম কর্মী জাতির বিবেক সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা মামলা করা হচ্ছে কেন? এর জন্য সাংবাদিকরাই বেশি দায়ী বলে অভিমত প্রকাশ করেন সাংবাদিক নেতারা। কারণ, তারা অর্থ ও স্বার্থের জন্য নিজেদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করেন এবং তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করায় জটিলতা বাড়ছে। একজন অন্যজনের হিংসা করেন কেন। ডিএমপির কমিশনার ও অতিরিক্ত আইজিপি জনাব হাবিবুর রহমান বলেছেন সাংবাদিক ও পুলিশ ভাই এবং একজন অন্যজনের সহযোগী।
    কলম সৈনিক সাংবাদিকরা হামলা মামলা ও হত্যার শিকার হচ্ছেন কিন্তু সেই সাংবাদিকরাই আজ বেশি অবহেলিত। সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক-দেশ ও জাতির বিবেক। জাতির কাছে প্রশ্ন কেন সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা করা হয়?। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ শান্তি প্রিয় তাহলে এই পরিস্থিতি কেন। জনগণের তুলনায় সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম। ৯০% মানুষ তাদের সেবা সঠিকভাবে পাচ্ছেন। তুলনামূলক বাংলাদেশে মাত্র ১০% জনগণ খারাপ, এর কারণে ভালো মানুষগুলোর বদনাম হয়, বাকিটা ইতিহাস।
    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে ১৯৭৫ সালে নিষ্টুরের মতো হত্যা করেছে ঘাতকরা, বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই হত্যাকারীদেরকে পুরোপুরিভাবে বিচার করতে পারেননি, এখনো অনেকেই বিদেশে পালিয়ে আছে। বিশেষ করে ১। প্রজাতন্ত্র-বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত। ২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা-প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হইবে। ১২বছর আগের পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিক এবং চলমান পরিস্থিতি আর বর্তমান সময়ের হিসাব অনেকটা আলাদা। বর্তমানে যারা উক্ত দুইটি পেশায় আছেন, তারা বেশিরভাগ ব্যক্তিই সৎ ও সাহসীকতার সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন বলে অনেকেরই অভিমত। আপনারা জানেন যে, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও সাংবাদিকদের দায়িত্ব এবং ভুমিকা কি? এ আলোচনা নিয়ে পরে আসি।
    (বাংলাদেশের ইতিহাস)ঃ তথ্য সুত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২মার্চ ১৯৭১। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। তথ্য-কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড এর ৮৭নং পাতা। যাঁর ডাকে বাংলার মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তিনিও আজ আমাদের মাঝে নেই, তাহার স্মৃতিটা সবার মাঝে বেঁচে আছে। এখন আমরা স্বাধীনভাবে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি, স্বাধীনভাবে পথ চলছি, একবারও কি তাদের আত্মার মাফেরাতের জন্য আমরা দোয়া করি? সবাই সবার জন্য দোয়া করা দরকার, এই দেশ আপনার আমার সবার, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না কেউ।
    ১৯৭১ইং সালের পর বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো-বিভাগ সংখ্যা ছিলো ৬টি যা বর্তমানে ৮টি করা হয়েছে। ৬৪টি জেলা। প্রতিটি জেলায় পুলিশ প্রশাসন ও সংবাদ কর্মী আছেন, সেই সাথে প্রতিটি এলাকায় জনপ্রতিনিধি জনগণের স্বার্থে কাজ করছেন। যে পেশায়, যে দায়িত্বে রয়েছেন, সবাই যদি সঠিকভাবে সেই দায়িত্ব পালন করেন তাহলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে, উন্নয়ন হবে, স্মার্ট হবে। উন্নয়নমূলক কাজ করার কথা সবাই বলা যায় কিন্তু উন্নয়ন করা সহজ নয়। আমাদের সবাইকে সরকারী সম্পদ রক্ষায় কাজ করতে হবে। যেমনঃ সরকারী খাল, বিল, নদী ও গ্যাস, বিদ্যুৎসহ যেসকল সেক্টর রয়েছে, সবগুলোর দিকে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি যানবাহনের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র লাগবে। মাদক, জুয়া, দেহ ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। এই ৩টি অপরাধ বন্ধ হলে দেশে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণ, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড কমে যাবে বলে অনেকেরই অভিমত।
    বিশেষ করে আপনার আমার পরিবার, সমাজ, দেশ ও দেশের সম্পদ রক্ষা করতে আমাদেরকেই সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। যে জাতি যতো সচেতন হবেন-সেই জাতি ততই উন্নতির দিকে যাবে। আমরা কেউ কারো হিংসা ও নিন্দা না করি, বিবাদ সৃষ্টি না করি, যার যে কাজ,সেই কাজ সঠিকভাবে গুরুত্বর সাথে করবো। আমরা দুইদিনের মেহমান, আজ আছি, আগামীকাল হয়ত আর থাকবো না। খারাপ কাজ করা সহজ কিন্তু ভালো কোনো কাজ করে দেখাই যে, এই কাজটি আমরা মানবতার কল্যাণে করেছি। ভালো কিছু করতে বেশি অর্থ লাগেনা, ভালো মনমানুষিকতা হলেই চলে। হে মানুষ তোমার সবকিছুতেই চাহিদা আছে সত্য কিন্তু যৌবনের চাহিদা আর পেটের খাবারের চাহিদা না থাকলে কোনো কাজ করার দরকার হইতো না। যৌবন মানব জীবনের এক শ্রেষ্ট সম্পদ তাকে অস্বীকার করা যায় না,দেহগত যৌবন আর মানুষিক যৌবন একরকম না। মানুষিক আত্মার অভাব হলে সেই মানুষটি ভালো হতে পারবেন না। আমরা যে মানুষ, যে ধর্ম পালন করি না কেন, একদিন বিচারকের সামনে হাজির হতেই হবে। আমরা অন্যের জন্য সবকিছু করছি, নিজের জন্য কি স য় করলাম? বুঝতে পারলে সেই বুদ্ধিমান। মানুষের চাওয়া পাওয়ার শেষ নাই। আমি অভিনয়ে বেশি চাই না,বাস্তবে আমাকে কম দাও। ধর্ম, কর্ম নিয়ে মানুষের জীবন আর কে কেমন ভালো কর্ম করেছেন? কারো মনে কষ্ট দিয়ে বা কারো ক্ষতি করে কেউ কি লাভবান হওয়া যায়? আসুন আমরা সত্যের সন্ধ্যানে মানবতার কল্যাণে কাজ করি। বাংলাদেশের মানুষ আমরা, আমাদের সঠিক ইতিহাস জানা দরকার। অবশ্যই আইন মেনে কাজ করতে হবে, সেজন্য সচেতন মহল ও সাংবাদিকদেরকে বেশি বেশি আইনের বই পড়তে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান মানতে হবে। সংবাদকর্মী বা সাংবাদিক হলে তার আগে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়তে হবে। প্রতিদিন সংবাদ সংগ্রহ করে তা সংশ্লিষ্ট মিডিয়াতে প্রকাশ করতে হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই পড়তে হবে, জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব প্রতিটি এলাকায় গিয়ে খোজখবর নিতে হবে যে, জনগণের নাগরিক সমস্যা কি? বাস্তবতা অনেক কঠিন। আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন আমাদের সবার স য় দরকার, তবে সেই স য় অর্থ বা সম্পদ নয়। অর্থ সম্পদের জন্য মানুষ খারাপ কাজ ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ অপকর্ম করলে তার হিসাব দিতে হবে একদিন।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) অভিমত প্রকাশ করে বলেন যে, মানুষ হলে কর্মফল সবাইকে ভোগ করতে হবে আর বাস্তবতা কঠিন হলেও তা মানতে হবে এটা নতুন কিছু নয়। তবে সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবসময় কাজ করেন কিন্তু সরকার বা কোনো সংস্থা সেই প্রকৃত সাংবাদিকদের কি সুবিধা দিচ্ছেন? পুলিশ ও সাংবাদিক একজন অন্যজনের সহযোগী বন্ধু এটাই সত্য।