Blog

  • মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসীদের ছাড় দেওয়া হবে না-ভালুকায় ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসীদের ছাড় দেওয়া হবে না-ভালুকায় ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
    : মাদক কারবারী,ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ।

    বুধবার (২৮ফেব্রুয়ারী) বিকালে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের হবিরবাড়ী হাইস্কুলে আয়োজিত মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সভায় তিনি এ কথা বলেন।
    ‘বিট পুলিশিং বাড়ি বাড়ি, নিরাপদ সমাজ গড়ি’- এ প্রতিপাদ্যে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ এই সমাবেশের আয়োজন করে।

    ওসি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য লোভের বশীভূত হয়ে অপরাধমূলক পথে পা দিলে তাকেও কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

    তিনি আরো বলেন, অপরাধীদের তথ্য জানানোর জন্য জেলা পুলিশের বিশেষ সেল রয়েছে। এই বিশেষ সেলে সব অপরাধীদের তথ্য দিতে সহায়তা করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। অপরাধীূের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে জনগনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মাদক কারবারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্কে জড়াবেন না। এসময় তিনি ওয়ারেন্টভূক্ত মাদক মামলার পলাতক আসামীদের আটকে সবাই সহায়তা করতে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ভালুকা মডেল থানায় টাউট-বাটপার আর দালালদের স্থান হবে না। থানায় সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে। থানায় জিডি করতে কোনো ধরনের টাকা-পয়সা লাগবে না।

    হবিরবাড়ী ইউনিয়নে নিয়োজিত বিটবঅফিসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থাবীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা ।

  • কুসিক উপ-নির্বাচনে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে চলছে প্রচারণা

    কুসিক উপ-নির্বাচনে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে চলছে প্রচারণা

    কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুসিক মেয়র উপনির্বাচনে একে অপরের দোষ খোজে বেড়াচ্ছে ভোটের মাঠে, বলা যাচ্ছে না কার ভাগ্যে নগর সিংহাসন।সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু মাঠে ভোট ভিক্ষা চাচ্ছেন। তেমনি কুসিক মেয়র প্রার্থী সূচনার পক্ষে দেবিদ্বার এমপি কালাম সমর্থকদের গণসংযোগ করতে খবর পাওয়া গেছে।
    কুসিক উপ-নির্বাচনে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে চলছে প্রচারনা,চার প্রার্থীই ভোটের মাঠ গরম রাখছে প্রচারনা চালিয়ে।

    প্রতীক পাবার পর থেকেই নির্বাচনি প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে কুমিল্লা নগরী।
    পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ-জনবহুল এলাকা।

    গতকাল বুধবার দুপুর দুইটার পর থেকেই প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণার মাইকিংয়ে নির্বাচনি আমেজ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
    উপ- নির্বাচন শুধু মেয়র পদে হওয়ায় চার জন প্রার্থীই চষে বেড়াচ্ছেন পুরো নগরী।

    সকাল থেকে সন্ধ্যা গণসংযোগ প্রচার-প্রচারণা ও উঠান বৈঠকে সময় পাড় করছে প্রার্থী ও নেতা কর্মী সমর্থকেরা।

    সকাল ১০ টায় ০৩ নং ওয়ার্ডের শাসন গাছা ডাকবাংলো রোডে ও ১৬নং ওয়ার্ডের সংরাইশ এবং বাদ মাগরীব ৭নং ওয়ার্ডের গোবিন্দপুর উঠান বৈঠকে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন বিএনপি নেতা টেবিল ঘড়ি প্রতীকের মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে। এসময় মনিরুল হক সাক্কু বলেন,তার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে তাকে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে ভোট দিতে অনুরোধ করছেন ভোটারদের। এখন সিটি কপোরেশনে কেউ ঢুকতে পারবে না, আপনারা যাকে ভোট দেন আমার তাতে সমস্যা নেই। আপনারা দয়া করে ৯ মার্চ ভোট কেন্দ্র যাবেন
    , বিগত নির্বাচনের মতো আর হবে না, আমি সাক্কু বেঁচে থাকলে এটা আর হতে দিমু না।

    অপর দিকে, ডা. তাহসীন বাহার সূচনার ২৩ নং ও ২৪ নং ওয়ার্ডের গণসংযোগে গণ মানুষের উপস্থিতি বেশ সরগরম করে রাখে।

    কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উপ-নির্বাচনে মেয়র পদে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাহসিন বাহার সূচনা বুধবার সকালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ডের কোটবাড়ীর গন্ধামতি, সালমানপুর ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বার্ড সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন ও পথ সভায় বক্তব্য রাখেন । পরে তিনি ২৩ নং ওয়ার্ডের চাঙ্গিনী, বাতাবাড়িয়া,মটপুস্কুনী এলাকায় গণসংযোগ করেন। বাস প্রতীকের প্রার্থী ডা: তাহসিন বাহার সূচনার গণসংযোগে সাথে ছিলেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই বাবলু ,আদর্শ সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোতালেব লিটন, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান পিয়াস, স্থানীয় কাউন্সিল, ২৩ নং ও ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

    এ সময় সিটি কর্পোরেশনের উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ তাহসিন বাহার সূচনা বাস মার্কায় ভোট চেয়ে সকলের নিকট দোয়া চান। প্রয়াত মেয়র আরফানুল হক রিফাতের এর অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে সুযোগ দেওয়ার আহবান জানান। এসময়দলীয় নেতা কর্মীরা দুই হাত তুলে তাকে সমর্থন জানান।

    কুমিল্লা নগরীর চকবাজার ফয়সাল হসপিটালের মোড় থেকে, ছাতিপট্টি, রাজগঞ্জ, কান্দিরপাড়, ঝাউতলা, পুলিশলাইন, শাসনগাছা স্টেশন রোড হয়ে অশোকতলা রানীর বাজার, কান্দিরপাড় পূবালীচত্বর এলাকায় গণসংযোগ করেন নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম। এসময় তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ অফিসকে নির্বাচনী অফিস বানিয়ে মাননীয় সাংসদ প্রকাশ্যে নির্বাচনকে প্রভাবিত করছেন, মাননীয় সংসদ সদস্যের ভুমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “এ ধরনের প্রকাশ্য তৎপরতার জন্য তো কোন অভিযোগের প্রয়োজন পড়ে না৷ যেখানে অপরাধ প্রকাশ্যে সংঘটিত হচ্ছে সেখানে কে অভিযোগ করল কে তা আলোচিনার বিষয় হতে পারেন৷ আপনারা দায়িত্বশীল টিম দিয়েছেন৷ তারা পর্যবেক্ষন করে ব্যবস্থা নিবেন এমনটাই কুমিল্লাবাসী আশা করে৷”

    অন্যদিকে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে নগরীর চকবাজার থেকে প্রচারণা শুরু করেন এই প্রার্থী পরে পাশের, শুভপুর, চাঁদপুর, জামতলা, গর্জন খোলা, চকবাজার দীঘির পাড়সহ ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকায় সাংবাদিকদের ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন,চকবাজারে এখন মানুষ না পারতে আসে। অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘ যানজট লেগে থাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রোগীবাহী এম্বুলেন্স পর্যন্ত আটকে যায়। ভয়াবহ অবস্থা দেখলাম। মেগা প্রকল্পের নামে হাতিরঝিলের যেই কপি পেস্টের প্রকল্প দিয়েছে তা কোন কাজে এসেছে তা কুমিল্লার মানুষ দেখছে। প্রকল্পের নাম করে হাঁট বাজার বসিয়ে লুটে পুটে খেয়েছে। তারা আবার জনগণের কাছে ভোট চাইতে আসে। ইনশাআল্লাহ কুমিল্লার মানুষ যেভাবে ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে আমার ডাকে এবার কুমিল্লার মানুষ নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করবে। খুব শিগগিরই এই চকবাজারসহ কুমিল্লার শহরের যানজটের লাঘবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবং সেটা হবে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায়। তিনি আরও বলেন, মামা-ভাগিনা মিলে কুমিল্লার মেঘাপ্রকল্প খেয়েছে। এই শহরে পরিমাপ মতো একটা ড্রেন নাই। তাহলে পানি সরবে কিভাবে? বার বার মানুষকে ধোকা দেয়া যায় না। এসব মেগা প্রকল্পের নাম করে ৬০/৪০ এর ভাগ বসে এটা কুমিল্লার মানুষ শুনে গেছে। সিটি কর্পোরেশনকে কেনাবেচার হাঁট আর হতে দেয়া হবে না। একজনতো আগেই বলে দিয়েছে কাজ কিভাবে ভাগ করবেন। কে কতভাগ পাবেন! যারা নির্বাচনের আগেই ভাগ করে তারা নির্বাচিত হলে কি করবে তা সবাই বুঝে। মানুষকে আর ভূয়া বুঝ দেয়া যাবে না।

    এদিকে কুমিল্লা সিটি উপ- নির্বাচনে আচরণ বিধি পর্যবেক্ষণের জন্য ২৭টি ওয়ার্ডে ৯ জন ম্যাজিষ্ট্র্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। ম্যাজিষ্ট্রেটগণ প্রচার-প্রচারণা শুরু হবার পর থেকে সকল প্রার্থী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের আচরণবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন। আচরণবিধি অমান্য করলে নির্বাচনি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন

  • কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ২১নং কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও শ্রেনি উত্তরণ মেধা পুরস্কার বিতরণ ২০২৪ খ্রি: অনুষ্ঠান সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত ২৭ও ২৮ ফেব্রুয়ারি দিনব্যাপী ২১নং কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।২৭ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ২১নং কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহেআলম শিকদার। দুইদিনব্যাপী এ খেলার বিভিন্ন ইভেন্টের মধ্যে ছিল ১০০ মিটার দৌড়, চকলেট দৌড়, ক্রিকেট বল নিক্ষেপ, ভারসাম্য দৌড়, অংক দৌড়, মারবেল কুড়ানো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল কবিতা আবৃত্তি, একক অভিনয় , দেশাত্ববোধক গান, একক নিত্য,দলিয় নিত্য, যেমন খুশি তেমন সাজ ইত্যাদি। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী নেতা আব্দুস সালাম সেরনিয়াবাত সাবেক সভাপতি কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , উপজেলা আওয়ামী নেতা মোঃ মোশাররফ ফকির সাবেক সভাপতি কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী নেতা, কাজী নাসির উদ্দীন, আলাম মৃধা, সেন্টু মৃধা, ছাত্রলীগ নেতা শিবলী সাদিক, মোঃ আরিফুল ইসলাম মার্কেটিং অফিসার আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ হাসপাতাল, উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আমন্ত্রিত সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দদের মধ্যে উপস্থিত মোঃ হানিফ সরদার সিনিয়র শিক্ষক চাঁদশী ইশ্বর চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়,মোঃ শফিকুল ইসলাম (নান্নু) সিনিয়র শিক্ষক কটকস্থল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,
    অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ২১ নং কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নাজমা খানম, তানিয়া আক্তার, ফারজানা আক্তার রিনা শিকদার সুফিয়া আক্তার ও অফিস সহকারী মোঃ সুজন ফকির সহ এলাকার যুবসমাজ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন মোঃ গোলাম রাব্বি হাওলাদার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ২১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ রিয়াদ সেরনিয়াবাত। ২৮ ফেব্রুয়ারী বিকেলে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে সম্মানিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন।

  • ঝালকাঠি বাজার তদারকি অভিযান দুই ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    ঝালকাঠি বাজার তদারকি অভিযান দুই ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলার সদর চৌমাথা বাজার এলাকায় বুধবার দুপুরে বাজার তদারকিমূলক অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯ এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে ০২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

    জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এর অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং জেলা প্রশাসক ঝালকাঠির নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঝালকাঠি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাফিয়া সুলতানা। এ সময় তিনি বনকলি মুসলিম সুইট মিট এন্ড রেস্টুরেন্টে মিষ্টি জাতীয় দ্রব্যে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হাইড্রোজেন মিশ্রিত করা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকার অপরাধে ২০ হাজার টাকা এবং মেসার্স মেডিসিন ট্রেডার্সে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়ার অপরাধে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি।

    সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন আনসার ব্যাটেলিয়ন ২২ এর একটি চৌকস টিম। অভিযান চলাকালে স্থানীয় নাগরিকদের মাঝে ভোক্তা-অধিকার আইন সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় নিদের্শনা প্রদান করা হয়। জনস্বার্থে বাজার তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

  • র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেলেন

    র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেলেন

    হেলাল শেখঃ সততা ও অসীম বীরত্ব-সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’পেলেন র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান। অতি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামলূক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য তাকে এই পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

    গত মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি-২০২৪ইং) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে “পুলিশ সপ্তাহের” প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অবদানের জন্য পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন শাখার ৪০০ কর্মকর্তা ও সদস্যকে সম্মানসূচক পদক পরিয়ে দিয়েছেন সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

    এ সময় সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৫ জন পুলিশ সদস্যকে এবার ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) দেওয়া হয়।

    এছাড়া ৬০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামলূক আচরণের জন্য প্রশংসনীয় অবদান রাখায় ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ এবং ২১০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ দেওয়া হয়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সেই পদক পরিয়ে দেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন। মোঃ রাকিব মাহমুদ খান রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানাধীন বাহাদুরপুর এলাকার মোঃ আকবর আলী খানের পূত্র, ৬ ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট, বড় ভাই রিপন খান (ব্যাংকার), মেজ ভাই রাসেল খান, সেজ ভাই মাসুদ খান, তার ছোট শামীম খান, তার ছোট রাজিব খান এবং সকলের আদরের, সবার ছোট মোঃ রাকিব মাহমুদ খান।

    বিশেষ করে রাকিব মাহমুদ খান গোয়ালন্দ নাজিরউদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি, গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি থেকে বিএসসি (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) পাশ করেন এবং পহেলা ডিসেম্বর ২০১৪ সালে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে যোগদান করেন। বিভিন্ন স্টেশনে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের পর সর্বশেষ তিনি র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে কর্মক্ষেত্র শুরু করেন।

    মোঃ রাকিব মাহমুদ খান খুবই দক্ষতার সঙ্গে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‍্যাব) ৪ এর , সিপিসি-২ (সাভার ও ধামরাই উপজেলা) এর কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রতিনিয়ত তিনি গুরুত্বপূর্ণ আলোচিত ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনসহ আসামিদেরকে গ্রেফতার এবং মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে অসীম সাহসীকতার সাথে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন। এর সুফলে পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেলেন

  • ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনালেখ্য ও যুদ্ধকালীন ঘটনা/স্মৃতি নিয়ে নির্মিত “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিও চিত্র উদ্বোধন

    ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনালেখ্য ও যুদ্ধকালীন ঘটনা/স্মৃতি নিয়ে নির্মিত “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিও চিত্র উদ্বোধন

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীত।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ে জেল প্রশাসনের আয়োজনে ২৮শে ফেব্রুয়ারী বুধবার জেলা প্রশাসন সন্মেলন কক্ষে
    ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনালেখ্য ও যুদ্ধকালীন ঘটনা/স্মৃতি নিয়ে নির্মিত “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জানাযায়,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, প্রধান অতিথি রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান,বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হিসাব ও অর্থ) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতীপ্রাপ্ত) মোছাঃ লিজা বেগম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সোলেমান আলী, এনএসআই’র জয়েন্ট ডিরেক্টর হেমায়েত হোসেন, জেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুর রহমান বাবলু,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়,সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন,জেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুদ্দৌজা বদর প্রমুখ।

    তবে এ অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা,জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও জেলার বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।সে সময় “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের বিভিন্ন ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।সেখানে জানানো হয়,“আত্মকথন” পৃথকভাবে জেলার মোট ৭৮৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার ৬১৫টি খন্ডে নির্মিত হয়েছে।প্রতিটি ভিডিও চিত্রের ব্যাপ্তি গড়ে ৫-৬ মিনিট। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধার ব্যক্তিগত তথ্য,যুদ্ধকালীন স্মৃতিসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ,প্রশিক্ষণ গ্রহণ, রণকৌশল,গেরিলা যুদ্ধসহ যুদ্ধকালীন বিভিন্ন ঘটনা, অভিযান,স্মৃতি স্বতঃস্ফুর্তভাবে উঠে এসেছে।ধারণকৃত ভিডিওগুলিকে উপজেলাভিত্তিক এবং ইউনিয়নভিত্তিক সাজিয়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং জেলা পর্যায়ের জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ ধরনের সমন্বিত কাজ বাংলাদেশে এটাই প্রথম বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। অনুষ্ঠানে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বার্ধক্য, ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্থায়ী স্মৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ইতিহাসের প্রচার ও প্রসার এবং ভবিষ্যত গবেষণামূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে পর্যালোচনা ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টির জন্য এ উদ্যোগ নেন বলে জানানো হয়েছে।

  • ময়মনসিংহ নগরীকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা চাই- টিটু

    ময়মনসিংহ নগরীকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা চাই- টিটু

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ নগরবাসীর উদ্দেশ্য করে সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ইকরামুল হক টিটু বলেছেন, ময়মনসিংহ নগরের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আগামী ৯মার্চ নির্বাচনে ঘড়ি প্রতীকে ভোট দেবেন। নগরীকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে ভোটের পাশাপাশি নগরবাসীসহ সবার সহযোগিতা চাই।

    বুধবার (২৮শে ফেব্রুয়ারী) আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০২৪ উপলক্ষে তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ শেষে গাঙ্গিনার পাড় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি।

    ইকরামুল হক টিটু বলেন, কোনো অপরিচিত ড্রাইভারের হাতে যেন নগরীর উন্নয়নের চাবি না উঠে। তাদের হাতে চাবি দিয়ে ময়মনসিংহ নগরীর উন্নয়নের চাকা ধ্বংস না করার জন্য আহবান জানান তিনি। তারা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে, ময়মনসিংহের উন্নয়নের অদম্য গতি যেন কোনো ক্রমেই ব্যাহত না হয় নগরব্যাপী বসবাসকারী ভোটারদের এ বিষয়ে সজাগ থাকার আহবান জানান মেয়র টিটু।

    মেয়র প্রার্থী ইকরামুল হক টিটু বলেন, আমি জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি, তাদের দুঃসময়ে পাশে থাকি এবং তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার করছি। আগামীতেও করবো ইনশাআল্লাহ।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে বিশ্ব বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ ও উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত করেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ চলছে। নগরবাসীরা ভোট দিয়ে পাশে থেকে সহযোগীতা করলে আমরা দ্রুত এই নগরীকে উন্নত নগরের কাতারে নিয়ে যেতে পারবো। এসময় সকলের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করে ময়মনসিংহ নগরীকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি

  • সাভারে বিএনসিসির ভলিবল বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন এমপি সাইফুল ইসলাম

    সাভারে বিএনসিসির ভলিবল বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন এমপি সাইফুল ইসলাম

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এর আন্তঃরেজিমেন্ট ভলিবল প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইলে অবস্থিত বিএনসিসি একাডেমিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভলিবল প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন ও বিজয়ী ক্যাডেটদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

    এই প্রতিযোগীতায় বিএনসিসি ময়নামতি রেজিমেন্ট চ্যাম্পিয়ন এবং মহাস্থান রেজিমেন্ট রানার্সআপ নির্বাচিত হয়।

    এর আগে বিএনসিসি একাডেমি প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন করেন সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। পরে বিএনসিসি ক্যাডেটদের সমৃদ্ধি কামনা করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন তিনি।

    এবারের উক্ত ক্যাম্পিং -এ বিএনসিসির সেনা, নৌ ও বিমান শাখার সর্বমোট ৬৭১ জন ক্যাডেট অংশগ্রহণ করছে। ক্যাম্পিং এ বিএনসিসি ক্যাডেটদের ড্রিল, প্রাকৃতিক দূর্যোগে করনীয়, প্রাথমিক চিকিৎসা, অস্ত্র প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সামরিক ও অসামরিক বিষয়াবলীর উপরে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনসিসি কেন্দ্রীয় ক্যাম্পিং এর প্রধান সমন্বয়ক রমনা রেজিমেন্ট কমান্ডার লেফটেনেন্ট কর্নেল নাহিদুজ্জামানসহ অন্যান্য সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পিং শেষ হবে আগামী ০২/০৩/২০২৪ইং।

  • তানোরে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন

    তানোরে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ২৭ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে এদিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আবিদা সিফাত, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান সোনীয়া সরদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এটিএম কাওসার আলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু ও সহকারী অধ্যাপক মুন্সেফ আলীপ্রমুখ। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিন এর আগে, ‘স্মার্ট হবে স্থানীয় সরকার, নিশ্চিত করবে সেবার অধিকার’ প্রতিপাদ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়।#

  • সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সময়সীমা বাড়লো ১০৮ বার

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সময়সীমা বাড়লো ১০৮ বার

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের বহুল আলোচিত খ্যাতনামা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা আবারও বাড়িয়েছেন আদালত। এ নিয়ে মোট ১০৮ বার সময়সীমা বাড়ানো হলো।

    মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত সংস্থা র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ এপ্রিল নতুন তারিখ ধার্য করেন।

    বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক তারই সহধর্মিণী রুনিকে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে তাদের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয়। যা সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

    ওই ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন এসআই। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি পুলিশ। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি। মামলাটিতে সন্দেহভাজন হিসেবে এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পার হয়েছে ১২ বছর, আর কতো ?

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ১২ বছর পার হলেও তাদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার এখনো স্বপ্নের মতো। মামলার অগ্রগতি নিয়ে কোনো আশা আছে কি না তা নিয়েও রয়েছে সন্দেহ। কারণ দিন যত গড়াচ্ছে, ধুম্রজাল ততই বাড়ছে।

    পরিতাপের বিষয় হলো- মামলাটি নিয়ে শুরু থেকেই চলছে অদৃশ্য এক খেলা। গণমাধ্যমে সাড়া জাগানো জোড়া খুনের মামলাটিতে আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বারবার তারিখ দেন। তবে কোনোবারই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে না। আদালত আবারও সময় বাড়ান। আবারো প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ, আবার বাড়ান সময়। ঠিক এভাবেই চলছে।

    বলতে অস্বস্তি বোধ হলেও এটাই সত্যি। লজ্জাজনক এই হতাশাজনক চক্র গত ১২ বছর ধরে চলছে। তদন্তকারীরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য এর আগে মোট ১০৭ বার সময় চেয়েছেন। এবার তা দাঁড়ালো ১০৮ বারে।

    এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার হতাশা প্রকাশ করে এই চক্রকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ১২ বছরের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেছে। যা রীতিমতো সবার জন্য লজ্জার।

    এইতো গত সপ্তাহেই মাননীয় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জাতীয় সংসদে বলেন, “সাংবাদিক দম্পতি হত্যার তদন্ত শেষ করার কোনো সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সম্ভব নয়।”

    তারও আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি আনিসুল হক বলেছিলেন, “সাগর-রুনির খুনিদের খুঁজে বের করতে যদি তদন্ত ৫০ বছর লেগে যায়, তাহলে দিতে হবে।”

    প্রেক্ষাপট:
    ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন।

    সেই সময় ফ্ল্যাটটিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছিল তাদের একমাত্র সন্তান মাহির সারোয়ার মেঘ। তার বয়স ছিল তখন মাত্র ৫ বছর। বাবা-মায়ের সেই নৃশংস মৃত্যুর কল্পনা নিয়ে কিশোর মেঘের বয়স এখন ১৭ বছর।

    সবচেয়ে হতাশার ব্যাপার হলো, হত্যাকাণ্ডের পরপরই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তারের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। সেই ৪৮ ঘণ্টা এখন ১ লক্ষ ঘণ্টা অতিক্রম করেছে, কিন্তু প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।

    ১০৭ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়িয়ে পুনরায় আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদালতে এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়। অবশেষে সময়সীমা বেড়ে ১০৮ বারে গিয়ে ঠেকলো।

    একই ঘটনা আপনার সাথে ঘটলে বিচার পাবেনতো?
    আমাদের দেশের গণমাধ্যম সেক্টরটি খুব বেশি নিরাপদ নয়। গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য খুব বেশি শক্ত প্রতিরক্ষা আইন নেই। অবশ্য অদৃশ্যভাবে সাংবাদিকদের হাত-পা বেঁধে দেয়ার জন্য আইন আছে। যার নাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইনের মার-প্যাচ সবারই জানা।

    দেশের অন্যতম দুটি বৃহত টেলিভিশন চ্যানেলের নামকরা দু’জন সাংবাদিক খুন হলেন। তাদের বিচার প্রক্রিয়ার হাল আমরা সকলেই দেখতে পাচ্ছি।

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সাংবাদিকতা নেশা পেশা যাদের, তাদেরকে এই পেশা থেকে বিরত থাকা কঠিন। এখন প্রশ্ন-
    সাংবাদিকতায় আপনার জীবন নিরাপদতো ?
    আপনার সাথে এমনটা ঘটলে আপনি বিচার পাবেনতো ?
    প্রশ্ন আরো- আপনি কি সাংবাদিকতায় থাকবেন ? আর কতদিন?