Blog

  • র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেলেন

    র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেলেন

    হেলাল শেখঃ সততা ও অসীম বীরত্ব-সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’পেলেন র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান। অতি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামলূক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য তাকে এই পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

    গত মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি-২০২৪ইং) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে “পুলিশ সপ্তাহের” প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অবদানের জন্য পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন শাখার ৪০০ কর্মকর্তা ও সদস্যকে সম্মানসূচক পদক পরিয়ে দিয়েছেন সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

    এ সময় সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৫ জন পুলিশ সদস্যকে এবার ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) দেওয়া হয়।

    এছাড়া ৬০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামলূক আচরণের জন্য প্রশংসনীয় অবদান রাখায় ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ এবং ২১০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ দেওয়া হয়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সেই পদক পরিয়ে দেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন। মোঃ রাকিব মাহমুদ খান রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানাধীন বাহাদুরপুর এলাকার মোঃ আকবর আলী খানের পূত্র, ৬ ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট, বড় ভাই রিপন খান (ব্যাংকার), মেজ ভাই রাসেল খান, সেজ ভাই মাসুদ খান, তার ছোট শামীম খান, তার ছোট রাজিব খান এবং সকলের আদরের, সবার ছোট মোঃ রাকিব মাহমুদ খান।

    বিশেষ করে রাকিব মাহমুদ খান গোয়ালন্দ নাজিরউদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি, গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি থেকে বিএসসি (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) পাশ করেন এবং পহেলা ডিসেম্বর ২০১৪ সালে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে যোগদান করেন। বিভিন্ন স্টেশনে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের পর সর্বশেষ তিনি র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে কর্মক্ষেত্র শুরু করেন।

    মোঃ রাকিব মাহমুদ খান খুবই দক্ষতার সঙ্গে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‍্যাব) ৪ এর , সিপিসি-২ (সাভার ও ধামরাই উপজেলা) এর কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রতিনিয়ত তিনি গুরুত্বপূর্ণ আলোচিত ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনসহ আসামিদেরকে গ্রেফতার এবং মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে অসীম সাহসীকতার সাথে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন। এর সুফলে পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেলেন

  • ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনালেখ্য ও যুদ্ধকালীন ঘটনা/স্মৃতি নিয়ে নির্মিত “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিও চিত্র উদ্বোধন

    ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনালেখ্য ও যুদ্ধকালীন ঘটনা/স্মৃতি নিয়ে নির্মিত “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিও চিত্র উদ্বোধন

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীত।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ে জেল প্রশাসনের আয়োজনে ২৮শে ফেব্রুয়ারী বুধবার জেলা প্রশাসন সন্মেলন কক্ষে
    ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনালেখ্য ও যুদ্ধকালীন ঘটনা/স্মৃতি নিয়ে নির্মিত “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জানাযায়,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, প্রধান অতিথি রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান,বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হিসাব ও অর্থ) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতীপ্রাপ্ত) মোছাঃ লিজা বেগম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সোলেমান আলী, এনএসআই’র জয়েন্ট ডিরেক্টর হেমায়েত হোসেন, জেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুর রহমান বাবলু,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়,সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন,জেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুদ্দৌজা বদর প্রমুখ।

    তবে এ অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা,জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও জেলার বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।সে সময় “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের বিভিন্ন ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।সেখানে জানানো হয়,“আত্মকথন” পৃথকভাবে জেলার মোট ৭৮৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার ৬১৫টি খন্ডে নির্মিত হয়েছে।প্রতিটি ভিডিও চিত্রের ব্যাপ্তি গড়ে ৫-৬ মিনিট। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধার ব্যক্তিগত তথ্য,যুদ্ধকালীন স্মৃতিসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ,প্রশিক্ষণ গ্রহণ, রণকৌশল,গেরিলা যুদ্ধসহ যুদ্ধকালীন বিভিন্ন ঘটনা, অভিযান,স্মৃতি স্বতঃস্ফুর্তভাবে উঠে এসেছে।ধারণকৃত ভিডিওগুলিকে উপজেলাভিত্তিক এবং ইউনিয়নভিত্তিক সাজিয়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং জেলা পর্যায়ের জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ ধরনের সমন্বিত কাজ বাংলাদেশে এটাই প্রথম বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। অনুষ্ঠানে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বার্ধক্য, ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্থায়ী স্মৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ইতিহাসের প্রচার ও প্রসার এবং ভবিষ্যত গবেষণামূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে পর্যালোচনা ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টির জন্য এ উদ্যোগ নেন বলে জানানো হয়েছে।

  • ময়মনসিংহ নগরীকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা চাই- টিটু

    ময়মনসিংহ নগরীকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা চাই- টিটু

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ নগরবাসীর উদ্দেশ্য করে সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ইকরামুল হক টিটু বলেছেন, ময়মনসিংহ নগরের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আগামী ৯মার্চ নির্বাচনে ঘড়ি প্রতীকে ভোট দেবেন। নগরীকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে ভোটের পাশাপাশি নগরবাসীসহ সবার সহযোগিতা চাই।

    বুধবার (২৮শে ফেব্রুয়ারী) আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০২৪ উপলক্ষে তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ শেষে গাঙ্গিনার পাড় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি।

    ইকরামুল হক টিটু বলেন, কোনো অপরিচিত ড্রাইভারের হাতে যেন নগরীর উন্নয়নের চাবি না উঠে। তাদের হাতে চাবি দিয়ে ময়মনসিংহ নগরীর উন্নয়নের চাকা ধ্বংস না করার জন্য আহবান জানান তিনি। তারা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে, ময়মনসিংহের উন্নয়নের অদম্য গতি যেন কোনো ক্রমেই ব্যাহত না হয় নগরব্যাপী বসবাসকারী ভোটারদের এ বিষয়ে সজাগ থাকার আহবান জানান মেয়র টিটু।

    মেয়র প্রার্থী ইকরামুল হক টিটু বলেন, আমি জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি, তাদের দুঃসময়ে পাশে থাকি এবং তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার করছি। আগামীতেও করবো ইনশাআল্লাহ।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে বিশ্ব বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ ও উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত করেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ চলছে। নগরবাসীরা ভোট দিয়ে পাশে থেকে সহযোগীতা করলে আমরা দ্রুত এই নগরীকে উন্নত নগরের কাতারে নিয়ে যেতে পারবো। এসময় সকলের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করে ময়মনসিংহ নগরীকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি

  • সাভারে বিএনসিসির ভলিবল বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন এমপি সাইফুল ইসলাম

    সাভারে বিএনসিসির ভলিবল বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন এমপি সাইফুল ইসলাম

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এর আন্তঃরেজিমেন্ট ভলিবল প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইলে অবস্থিত বিএনসিসি একাডেমিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভলিবল প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন ও বিজয়ী ক্যাডেটদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

    এই প্রতিযোগীতায় বিএনসিসি ময়নামতি রেজিমেন্ট চ্যাম্পিয়ন এবং মহাস্থান রেজিমেন্ট রানার্সআপ নির্বাচিত হয়।

    এর আগে বিএনসিসি একাডেমি প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন করেন সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। পরে বিএনসিসি ক্যাডেটদের সমৃদ্ধি কামনা করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন তিনি।

    এবারের উক্ত ক্যাম্পিং -এ বিএনসিসির সেনা, নৌ ও বিমান শাখার সর্বমোট ৬৭১ জন ক্যাডেট অংশগ্রহণ করছে। ক্যাম্পিং এ বিএনসিসি ক্যাডেটদের ড্রিল, প্রাকৃতিক দূর্যোগে করনীয়, প্রাথমিক চিকিৎসা, অস্ত্র প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সামরিক ও অসামরিক বিষয়াবলীর উপরে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনসিসি কেন্দ্রীয় ক্যাম্পিং এর প্রধান সমন্বয়ক রমনা রেজিমেন্ট কমান্ডার লেফটেনেন্ট কর্নেল নাহিদুজ্জামানসহ অন্যান্য সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পিং শেষ হবে আগামী ০২/০৩/২০২৪ইং।

  • তানোরে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন

    তানোরে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ২৭ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে এদিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আবিদা সিফাত, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান সোনীয়া সরদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এটিএম কাওসার আলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু ও সহকারী অধ্যাপক মুন্সেফ আলীপ্রমুখ। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিন এর আগে, ‘স্মার্ট হবে স্থানীয় সরকার, নিশ্চিত করবে সেবার অধিকার’ প্রতিপাদ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়।#

  • সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সময়সীমা বাড়লো ১০৮ বার

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সময়সীমা বাড়লো ১০৮ বার

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের বহুল আলোচিত খ্যাতনামা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা আবারও বাড়িয়েছেন আদালত। এ নিয়ে মোট ১০৮ বার সময়সীমা বাড়ানো হলো।

    মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত সংস্থা র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ এপ্রিল নতুন তারিখ ধার্য করেন।

    বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক তারই সহধর্মিণী রুনিকে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে তাদের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয়। যা সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

    ওই ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন এসআই। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি পুলিশ। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি। মামলাটিতে সন্দেহভাজন হিসেবে এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পার হয়েছে ১২ বছর, আর কতো ?

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ১২ বছর পার হলেও তাদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার এখনো স্বপ্নের মতো। মামলার অগ্রগতি নিয়ে কোনো আশা আছে কি না তা নিয়েও রয়েছে সন্দেহ। কারণ দিন যত গড়াচ্ছে, ধুম্রজাল ততই বাড়ছে।

    পরিতাপের বিষয় হলো- মামলাটি নিয়ে শুরু থেকেই চলছে অদৃশ্য এক খেলা। গণমাধ্যমে সাড়া জাগানো জোড়া খুনের মামলাটিতে আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বারবার তারিখ দেন। তবে কোনোবারই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে না। আদালত আবারও সময় বাড়ান। আবারো প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ, আবার বাড়ান সময়। ঠিক এভাবেই চলছে।

    বলতে অস্বস্তি বোধ হলেও এটাই সত্যি। লজ্জাজনক এই হতাশাজনক চক্র গত ১২ বছর ধরে চলছে। তদন্তকারীরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য এর আগে মোট ১০৭ বার সময় চেয়েছেন। এবার তা দাঁড়ালো ১০৮ বারে।

    এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার হতাশা প্রকাশ করে এই চক্রকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ১২ বছরের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেছে। যা রীতিমতো সবার জন্য লজ্জার।

    এইতো গত সপ্তাহেই মাননীয় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জাতীয় সংসদে বলেন, “সাংবাদিক দম্পতি হত্যার তদন্ত শেষ করার কোনো সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সম্ভব নয়।”

    তারও আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি আনিসুল হক বলেছিলেন, “সাগর-রুনির খুনিদের খুঁজে বের করতে যদি তদন্ত ৫০ বছর লেগে যায়, তাহলে দিতে হবে।”

    প্রেক্ষাপট:
    ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন।

    সেই সময় ফ্ল্যাটটিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছিল তাদের একমাত্র সন্তান মাহির সারোয়ার মেঘ। তার বয়স ছিল তখন মাত্র ৫ বছর। বাবা-মায়ের সেই নৃশংস মৃত্যুর কল্পনা নিয়ে কিশোর মেঘের বয়স এখন ১৭ বছর।

    সবচেয়ে হতাশার ব্যাপার হলো, হত্যাকাণ্ডের পরপরই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তারের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। সেই ৪৮ ঘণ্টা এখন ১ লক্ষ ঘণ্টা অতিক্রম করেছে, কিন্তু প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।

    ১০৭ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়িয়ে পুনরায় আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদালতে এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়। অবশেষে সময়সীমা বেড়ে ১০৮ বারে গিয়ে ঠেকলো।

    একই ঘটনা আপনার সাথে ঘটলে বিচার পাবেনতো?
    আমাদের দেশের গণমাধ্যম সেক্টরটি খুব বেশি নিরাপদ নয়। গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য খুব বেশি শক্ত প্রতিরক্ষা আইন নেই। অবশ্য অদৃশ্যভাবে সাংবাদিকদের হাত-পা বেঁধে দেয়ার জন্য আইন আছে। যার নাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইনের মার-প্যাচ সবারই জানা।

    দেশের অন্যতম দুটি বৃহত টেলিভিশন চ্যানেলের নামকরা দু’জন সাংবাদিক খুন হলেন। তাদের বিচার প্রক্রিয়ার হাল আমরা সকলেই দেখতে পাচ্ছি।

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সাংবাদিকতা নেশা পেশা যাদের, তাদেরকে এই পেশা থেকে বিরত থাকা কঠিন। এখন প্রশ্ন-
    সাংবাদিকতায় আপনার জীবন নিরাপদতো ?
    আপনার সাথে এমনটা ঘটলে আপনি বিচার পাবেনতো ?
    প্রশ্ন আরো- আপনি কি সাংবাদিকতায় থাকবেন ? আর কতদিন?

  • বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, কে  ফুলেল শুভেচ্ছা

    বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, কে ফুলেল শুভেচ্ছা

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ মঙ্গলবার (২৭ই ফেব্রুয়ারি/২০২৪ ,সকাল ১১:০০ ঘটিকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নীলফামারী, (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), নীলফামারী জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ সহ সরকারি উর্ধতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালন করেছে সিটি করপোরেশন

    ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালন করেছে সিটি করপোরেশন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস-২০২৪ উদযাপন করেছে সিটি কর্পোরেশন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৭ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১১ টায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি সিটি করপোরেশন নগর ভবন থেকে শুরু হয়ে শশী লজ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে শশী লজে দিবস উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

    র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ আলী। র‌্যালি পরবর্তীতে তিনি বলেন, আধুনিক ও জনবান্ধব নগরী বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য সেবার পরিধি বৃদ্ধি, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন সহ নাগরিকসেবা উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। এছাড়াও বিভিন্ন সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সেবাসমুহকে আরও জনবান্ধব করার প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।

    এ সময় ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক দিলরুবা আহমেদ, মসিক সচিব মো: আরিফুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম মিঞা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সেঁজুতি ধর, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা দীপায়ন দাস শুভ ও এস এম মাজহারুল ইসলাম, প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা মোঃ বুলবুল আহমেদ, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা অসীম সাহা অন্যান্য বিভাগ ও শাখা প্রধান, অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও দিবস পালন উপলক্ষ্যে নগরভবন প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

  • ময়মনসিংহ সদরেন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে মিলন

    ময়মনসিংহ সদরেন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে মিলন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে(সম্ভাব্য)প্রার্থীদের নিয়ে উপজেলাজুড়ে সর্বত্র চলছে আলোচনা,তবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ওয়াহেদুজ্জামান মিলন। তিনি ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন।

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী মার্চ থেকে কয়েক ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন।এই ঘোষণার সাথে সাথে নিজ নিজ এলাকার প্রার্থীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রচার-প্রচারণা নিয়ে। অন্যান্য প্রার্থীদের ন্যায় প্রচার প্রচারণায় পিছিয়ে নেই ওয়াহিদুজ্জামান মিলন। তিনি নিয়মিত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।

    ঘাগড়া ইউনিয়নের কয়েকজন বলেন,ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সম্প্রতি মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান মিলন প্রার্থিতা ঘোষণা করায় তার প্রার্থীতায় ভোটের মাঠে নতুন মেরুকরণের সৃষ্টি হয়েছে। একজন শিক্ষক হিসাবে তার পক্ষ ভোটারদের সমর্থন দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান-ছাত্রজীবন থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন ওয়াহিদুজ্জামান মিলন ।এছাড়া তিনি রাজনীতির পাশাপাশি একজন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক হিসেবেও মানুষের কাছে অত্যন্ত সুপরিচিত।

    ইতোমধ্যে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে উপজেলাবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়ে বাজার গঞ্জে আলোচনা করে যাচ্ছেন।

    দলীয় নেতাকর্মীদের মতে,আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে জীবন বাজি রেখে আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে আসা ওয়াহিদুজ্জামান মিলন সদর উপজেলায় আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন।পাশাপাশি তিনি পর্যায়ক্রমে উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজাসহ সাংস্কৃতিক সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

    এছাড়াও রাজনীতির পাশাপাশি তিনি উপজেলার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজের একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সকলের কাছে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন।

    উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান মিলন জানান,আমি শেখ হাসিনার উন্নয়নের আদর্শকে বিশ্বাস করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে সব চ্যালেঞ্জ এবং ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সারা দেশব্যাপী উন্নয়নের যে যাত্রা শুরু করেছেন তা বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল।বর্তমানে আমি দলমত নির্বিশেষে সদর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের দোয়া,সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।

    তিনি আরো বলেন,দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাড়া পেয়েই আমি প্রচার প্রচারণায় নেমেছি।যদি নির্বাচনে আল্লাহ আমাকে জয়ী করেন তাহলে উপজেলার উন্নয়ন ও জনগণের পাশে থেকে সদর উপজেলাকে একটি’স্মার্ট উপজেলা’হিসেবে যা যা করার দরকার,তা করার চেষ্টা করবো,ইনশাআল্লাহ।

    এলাকার মানুষের সুখে-দুখে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

  • মসিক নির্বাচনে ২২নং ওয়ার্ডে লাঠিম নিয়ে ঘুরছেন সাজু মাষ্টার

    মসিক নির্বাচনে ২২নং ওয়ার্ডে লাঠিম নিয়ে ঘুরছেন সাজু মাষ্টার

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ময়মনসিংহ সিটির বর্ধিত এলাকা সাবেক বয়ড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গুরুত্ব পুর্ন গ্রাম নিয়ে গঠিত ২২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লাঠিম প্রতীক নিয়ে মাঠে গণসংযোগ করতে নেমেছেন জনবান্ধব ব্যক্তি ও জনগণের প্রিয় প্রার্থী শাহজাহান সাজু মাষ্টার। তিনি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আমেজ শুরু হওয়ার পর থেকেই জনসমর্থন প্রত্যাশা করে মাঠ পর্যায়ে দিন-রাত গনসংযোগ করে ওয়ার্ডের ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়ে তুলেছেন। তার মত একজন জনবান্ধব ও কর্মীবান্ধব ব্যক্তি নির্বাচনী প্রার্থী হিসাবে মাঠে থাকায় সাধারণ ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার দেখা দিয়েছে। সাজু মাষ্টার ওয়ার্ডের নির্বাচনী মাঠে একজন সৎ,আদর্শবান ও শিক্ষিত তরুণ প্রার্থী হওয়ায় তার পক্ষে স্থানীয় ভোটাররা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লাঠিম প্রতীক নিয়ে ওয়ার্ডে ব্যাপক শোডাউন করে ওয়ার্ডবাসীকে সাজু মাষ্টারের লাঠিম প্রতীকের কথা জানান দিয়েছেন। দীর্ঘ সময়ধরে জনকল্যাণে জনসেবায় নিয়োজিত থাকায় জনগণের মাঝে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসাবে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী সাজু মাষ্টার ।