Blog

  • নেছারাবাদে ধার করা শিক্ষার্থী নি‌য়ে চল‌ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

    নেছারাবাদে ধার করা শিক্ষার্থী নি‌য়ে চল‌ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ (পিরোজপুর)প্রতিনিধি //

    স্বরূপকা‌ঠি উপ‌জেলার সু‌টিয়াকা‌ঠি ইউ‌নিয়নে ১৩২ নং মধ্য সু‌টিয়াকা‌ঠি সরকা‌রি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংকট প্রকট। মাত্র ১৭ জন শিক্ষার্থী নি‌য়ে চল‌ছে তৃতীয়,চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেনী‌র পাঠদান। এই ১৭ জ‌নের ম‌ধ্যে আবার ৭ জন পার্শবর্তী ধারকরা মাদ্রাসার ছাত্র। আবার স্কু‌লের তিন শি‌ক্ষিকার তিনজন বাচ্চার পড়াশুনা চলে পার্শবর্তী এক থে‌কে দের কি‌লো‌মিটার দু‌রে কিন্ডার গা‌র্টে‌নে স্কুলে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এটিও গিয়াসউদ্দিন বলেন,আমি এই ক্লাটারে নতুন এসেছি কিছু বলতে পারবো না।

    বেলা সা‌রে এগা‌রোটায় ক্লাস ঘু‌রে দেখা যায় যায় স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে তিন জন, চতুর্থ শ্রেনীতে দুইজন এবং পঞ্চম শ্রেনীতে তিনজন এর মধ্যে একজন এক ছাত্রীর বাসায় বেড়াতে এসেছে। শিক্ষিকার কাছে জিগ্যেস করলে কে‌নো তা‌দের বাচ্চা‌দের এ স্কু‌লে পড়াশুনা করান না এ ব্যাপা‌রে স্কু‌লের সহকা‌রি‌ শি‌ক্ষিকা দিবা আ‌মিন ব‌লেন, স্কু‌লের প‌রি‌বেশ ভা‌লো না থাকার কার‌নে আ‌মি আমার বাচ্চা এ স্কু‌লে পড়াইনা। অন্য আ‌রেক শি‌ক্ষিকা সুগন্ধা ব‌লেন আমার মে‌য়ে‌কে কিন্ডার গা‌র্টে‌নে পড়া‌লেও ওখা‌নের ক্লাস শে‌ষে আবার এখা‌নেই ক্লাস করাই। তিন ক্লা‌সে মাত্র পাচজন শিক্ষার্থী উপ‌স্থিত আ‌ছেন যার ম‌ধ্যে একজন এ স্কু‌লে বেড়া‌তে আস‌েছিলো ।

    এ‌দি‌কে সা‌বেকুন্নাহার না‌মে এক শিক্ষার্থী আন্তঃইউ‌নিয়ন প্রাথ‌মিক বিদ্যালয় দৌড় প্র‌তি‌যো‌গিতায় প্রথম হয়।এই সা‌বেকুন্নাহারের গা‌নে নাম থাক‌লেও তা‌কে গা‌নে অংশগ্রহন কর‌তে দেন‌নি প্রধান শিক্ষক।‌ এ ব্যাপা‌রে প্রধান শিক্ষক ব‌লেন অনুষ্ঠা‌নে রাত হ‌য়ে যাওয়ায় সা‌বেকু‌নের অ‌ভিভাবক তা‌কে বাসায় নি‌য়ে আস‌তে ব‌লেন।তাৎক্ষ‌নিক শিক্ষার্থীর বাবার সা‌থে লাউড স্পিকা‌রে মু‌ঠো‌ফো‌নে কথা হয় এ প্র‌তি‌নি‌ধির।‌তি‌নি ব‌লেন এ ব্যাপা‌রে প্রধান শি‌ক্ষিকা বা অন্য কা‌রো সা‌থেই আমা‌দের কথা হয়‌নি।ওনারা ইচ্ছা ক‌রেই আমার মে‌য়ে‌কে গা‌নে অংশগ্রহন কর‌তে দেয়‌নি। কে‌নো মিথ্যার আশ্রয় নি‌লেন জান‌তে চাই‌লে প্রধান শিক্ষিকা আন্জুয়ারা বেগম নিশ্চুপ থা‌কেন।

    এ‌দি‌কে প্রধান শি‌ক্ষিকাসহ ৬ জন ‌শি‌ক্ষিকাই স্কু‌লে দে‌রি ক‌রে আ‌সেন ও সম‌য়ের আ‌গেই চ‌লে যান এমন অ‌ভি‌যোগ স্বীকার ক‌রে ব‌লেন আমার কথা সহকা‌রি শি‌ক্ষিকারা শো‌নেনা।তারা একজন দে‌রি কর‌লে অন্যজনও দে‌রি ক‌রে আ‌সে এভা‌বেই চল‌ছে।

    এছারা খুদ্র মেরামত ও স্লি‌পের টাক‌ার যথাযথ ব্যবহার না ক‌রার অ‌ভি‌যোগও র‌য়ে‌ছে প্রধান শিক্ষ‌কের বিরু‌দ্ধে।খুদ্র মেরাম‌তের টাকায় শুধ‌ু চুনকাম ক‌রি‌য়েই খ্যান্ত দেন ব‌লে জানান দুজন অ‌ভিভাবক । অ‌ফিস ক‌ক্ষে ছা‌দের প‌লেস্তারা ঝু‌লে র‌য়ে‌ছে যে কো‌নো সময় ঘট‌তে পা‌রে দুর্ঘটনা এ ব্যাপা‌রে প্রধান শি‌ক্ষিকা ব‌লেন কাজ ক‌রি‌য়ে‌ছি কিন্ত সবটা হয়‌নি।

    এসব ব্যাপা‌রে জানার জন্য কথা হয় সা‌বেক সভাপ‌তি মোঃ খোকন সা‌হে‌বে‌র সা‌থে।‌তি‌নি ব‌লেন আমার সম‌য়ে স্কু‌লে সব ক্লাস মি‌লি‌য়ে মাত্র ৫ জন ছাত্র ছি‌লো।স্কু‌লের প্রধান শিক্ষক খুদ্র মেরামতসহ কাজ ক‌রি‌য়ে‌ছেন বা না ক‌রি‌য়ে‌ছেন আ‌মি এগুলার কিছুই জা‌নিনা। বর্তমান সভাপ‌তি সাই‌য়েদা জা‌হিদা সাংবা‌দিক প‌রিচয় পাওয়ার পরই, প‌রে কথা বল‌বো ব‌লে সং‌যোগ কা‌টেন।কিন্ত ২০ ঘন্টা প‌ার হ‌লেও তি‌নি আর কল ক‌রেননি।

    অ‌নিয়‌মের আখড়া এ স্কুল নি‌য়ে মু‌ঠো‌ফো‌নে কথা হয় এ‌টিও গিয়াসউ‌দ্দি‌নের সা‌থে।‌তি‌নি ব‌লেন আ‌মি এ ক্লাস্টা‌রে নতুন এ‌সে‌ছি তাই ভা‌লো ক‌রে সব কিছু বল‌তে পার‌বোনা।আপনা‌দের প্রকা‌শিত সংবাদ আমার জন্য উপকার ব‌য়ে আন‌বে এবং শিক্ষার প‌রি‌বেশ ফিরি‌য়ে আন‌বে আশা রা‌খি।

    নেছারাবাদ (পিরোজপুর)প্রতিনিধি।

  • নড়াইলের জিলানী স্ত্রীকে ভারতে ঘুরতে যেয়ে যৌনপল্লীতে ২৫ লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ

    নড়াইলের জিলানী স্ত্রীকে ভারতে ঘুরতে যেয়ে যৌনপল্লীতে ২৫ লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ

    উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে জিলানীর বিরুদ্ধে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভারতের একটি যৌনপল্লীতে ২৫ লাখ টাকায় স্ত্রীকে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ এক বছর নির্যাতনের পর পালিয়ে দেশে এসে স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী। তবে মামলার ‘মনগড়া’ চার্জশিটের কারণে সুবিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি। উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, ঘটনার সূত্রপাত ২০২০ সালে। মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় নড়াইলের কালিয়া পেড়লী গ্রামের আব্দুল কাদের জিলানীর সঙ্গে। প্রেমের সম্পর্ক বিয়েতে গড়ায় ২০২২ সালের জুলাইয়ে। তিন মাস যেতে না যেতে পরিবারিক কলহ ও মনমালিন্য দূর করতে ভারতে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন স্বামী জিলানী। ওই বছর ৭ অক্টোবর ননদ ও শাশুড়ির উপস্থিতিতে দৌলতপুর থেকে স্বামীর সঙ্গে বাসে রওনা হন ভারতের উদ্দেশে।

    ভুক্তভোগী নারী বলেন, বিয়ের পর সুখে শান্তিতে জীবন কাটছিল তাদের। মাস খানেকের মধ্যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এরপর থেকেই অশান্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ডাক্তারখানায় নিয়ে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করেন স্বামী ও তার বাড়ির লোকজন। তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। কয়েকদিন পর স্বামী জিলানী ফোন করে ক্ষমা চান। সম্পর্ক ভালো হলে এক পর্যায়ে ভারতে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। ওই বছর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ডে শাশুড়ি, ননদ ও স্থানীয় দুই ব্যক্তির উপস্থিতিতে ভারতের উদ্দেশে রওনা হন স্বামীর সঙ্গে। এ সময় ননদ ও শাশুড়ি কিছু শুকনা খাবারও কিনে দেন।
    এরপর প্রথমে বাসে করে যশোর তারপর যশোর থেকে অন্য বাসে করে বেনাপোল পৌঁছান। সেখানে কিছু লোকজনের সহায়তায় একটি জঙ্গল এলাকা দিয়ে বর্ডার পার হয়ে অবৈধ পথে ভারতে নিশান নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ওঠেন। সেখানে ৩-৪ দিন থাকার পর নিশান ও জিলানী তাকে ভারতের মুম্বাই শহরের একটি বাড়িতে নিয়ে যান। চলাচলের সুবিধার্থে ভারতীয় আধার কার্ডও বানিয়ে দেন। এরপর ওই বাড়িতে রেখে বাজার করার কথা বলে নিশান ও জিলানী বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।
    ওই নারী আরও বলেন, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও তারা ফিরে না এলে আকস্মিকভাবে সেখানে অপরিচিত কয়েকজন এসে তার ঘরে প্রবেশ করে। তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে যে, তার স্বামী ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে বিক্রি করে দিয়েছেন। এরপর তিনি কান্নাকাটি শুরু করলে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়। ওখানকার লোকজন তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং জোর করে দেহ ব্যবসায় লিপ্ত হতে বাধ্য করে।
    পরবর্তীতে স্বামীকে কল করে তার সঙ্গে এ কাজ করার কারণ জানতে চাইলে তাকে গালাগালি দিয়ে বলে, ‘তোর সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই। তুই ওখানে পড়ে থাক এবং ওদের হাতেই ধুকে ধুকে মর।’
    এভাবে অনেক দিন চলার পর এক পর্যায়ে ওখানে থাকা এক বাঙালির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তার সহযোগিতায় প্রায় এক বছর পর ওখান থেকে পালাতে সক্ষম হন। দেশে ফিরে পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে স্বামীর বাড়ি নড়াইলে গিয়ে বিচার পাননি। এরপর খুলনার মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল আদালতে স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের নামে মামলা করেন।
    মামলার তদন্তের ভার পায় পিবিআই। তবে ওই নারীর অভিযোগ, প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, তার স্বামী তাকে যশোর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি ভারতে গিয়ে বিক্রি করেননি। আর শাশুড়ি ও ননদ দৌলতপুর বাসে তুলে দিলেও তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার ব্যাপারে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে এ বিষয়ে কোনও কথা বলতে রাজি হয়নি পুলিশ।
    এদিকে অভিযুক্তের এলাকাবাসীরা বলছেন, ন্যায় বিচার পাননি ভুক্তভোগী। আর সব অভিযোগ অস্বীকার করছেন শাশুড়ি। তার ভাষ্য, ওই মেয়ে নিজের ইচ্ছায় ভারতে গিয়েছেন। এসব বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। তার ছেলে ঢাকার একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত ডিসেম্বর মাসে ওই মেয়ে বাড়িতে এসে ঝামেলা করেন। তার ছেলে সে সময় তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন।

    এদিকে খুলনার মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিশেষ পিপি সুমন্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, অনেক সময় দেখা যায় দুর্বল চার্জশীটের কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। আর আমাদের কাছে চার্জশীট প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর মামলাটি আসে।###

  • উজিরপুরে ওয়ার্কার্স পার্টির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে ওয়ার্কার্স পার্টির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

    উজিপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে আজ ২৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় উপজেলার হারতা ইউনিয়ন ওয়ার্কার্স পার্টির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হারতা বন্দরের উত্তর পাড় ইউনিয়ন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বিমল চন্দ্র করাতীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি উজিরপুর উপজেলা সভাপতি ফায়জুল হক বালী ফারাহীন, বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম টুটুল, এইচ এম হারুন, উজিরপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সীমা রানী শীল, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী সভাপতি অতুলন দাস আলো,ওয়ার্কার্স পার্টি উজিরপুর উপজেলা কমিটির সদস্য জাহিদ হোসেন খান ফারুক, শফিকুল আলম খান করিম, বাংলাদেশ যুবমৈত্রী কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনোজ বাড়ৈ, হারতা ইউনিয়ন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক হরলাল মন্ডল, স্হানীয় নেতা নরেন্দ্র নাথ বাড়ৈ, দিলিপ কুমার মন্ডল, অবিনাশ বড়াল প্রমুখ। সভায় বক্তারা ওয়ার্কার্স পার্টির কর্যক্রমকে গতিশীল করার উপর জোরদেন এবং পার্টিকে নিজস্ব সাংগঠনিক শক্তি ভিতের উপর দাড়িয়ে আগামী নির্বাচন ও সন্ত্রাস সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী লড়াইসহ সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহণ করার প্রত্যায় ব্যাক্ত করেন।

  • ডিমলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে- হামিদার রহমান

    ডিমলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে- হামিদার রহমান

    নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হাওয়া লেগেছে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে মোঃ হামিদার রহমান। প্রতিনিয়ত পাড়া মহল্লা,হাটে বাজারের চায়ের আড্ডায় চলছে নির্বাচনী আলাপ-আলোচনা। কে হবেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, এখানে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অনেক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও ভোটারদের মুখে আলোচনা হচ্ছে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ হামিদার রহমানের কথা। তৃণমুলের আলাপ আলোচনায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে অনেক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও জোড়ে সোরে আসছে বাংলাদেশ প্রেস নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ডিমলা উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ হামিদার রহমানের নাম। ইতোমধ্যে তার অনুগত সমর্থকেরা ফেসবুক সহ ভিবিন্ন মাধ্যমে জানান দিয়েছেন পছন্দের প্রার্থী মোঃ হামিদার রহমানের নাম। সাধারন ভোটার সহ তরুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে তার গ্রহনযোগ্যতা সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে উপজেলার একমাএ ভরসা মোঃ হামিদার রহমান। উপজেলার মোট ১০টি ইউনিয়নের স্থানীয় ভোটারদের মতে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ হামিদার রহমান বিপুল ভোটে বিজয়ি হবেন। মোঃ হামিদার রহমান বলেন ,ভোটারদের ইচ্ছে পূরনে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করার আশা প্রকাশ করছি। আমি আশা করছি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আমি ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হব ইনশাআল্লাহ।

  • বাগআঁচড়ায় ৩ টি ক্লিনিক সিলগালা

    বাগআঁচড়ায় ৩ টি ক্লিনিক সিলগালা

    আজিজুল ইসলাম: যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় ৩ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল।

    বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্তুস সালামের নেতৃত্বে বাগআঁচড়ায় এ অভিযান চালিয়ে এসব ক্লিনিক ও হাসপাতাল গুলো সিলগালা করে।

    তিনি জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেঁধে দেওয়া ১০ টি নির্দেশনার একটিও যথাযথ ভাবে না পাওয়া সহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে বাগআঁচড়ায় অবস্থিত জনসেবা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার,আল-মাদিনা হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ও বাগআঁচড়া নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে । পরবর্তিতে এ প্রতিষ্ঠান গুলোকে নিদের্শনা পূরণ ও অনিয়ম গুলো সংশোধন করে এবং নির্দেশনা গুলো পালন করে যথাযথ ভাবে প্রয়োগ করলে এ গুলোর সঠিক পদক্ষেপ নিলে ও অনিয়ম গুলো না থাকলে পরবর্তীতে ভিজিট এর মাধ্যমে তাদের প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেয়া হবে।

    উল্লেখ্য,এর আগে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে দুটি অভিযানে শার্শা উপজেলার নাভারনে অবস্থিন ৫ টি ক্লিনিক বন্ধ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ প্রতিনিধি দল।

  • পুলিশ বিভাগের সর্বোচ্চ পদকে ভূষিত হলেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান

    পুলিশ বিভাগের সর্বোচ্চ পদকে ভূষিত হলেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান (পিপিএম) পুলিশ বিভাগের সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। স্মার্ট পুলিশ স্মার্ট দেশ, শান্তি প্রগতির বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিঃ সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং বার্ষিক পুলিশ প্যারেড পরিদর্শন করেন।

    পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে চারটি ক্যাটাগরিতে ৪০০ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পদক দেওয়া হয়েছে।

    মোঃ আসাদুজ্জামান এর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট হামিদুজ্জামান সরকার এর সাহস ও প্রতিশ্রুতিশীল চরিত্রকে হৃদয়ে ধারণ করে এবং মাতা সামসুন নাহার এর অপরিসীম ত্যাগ ও অনুপ্রেরণায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগ থেকে এম এস সি সম্পন্ন করে জীবনের পাথেয় হিসেবে বেছে নেন পুলিশ পেশাকে।রংপুরের মিঠাপুকুর থানার এই কৃতিসন্তান ২৫ তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে ২০০৬ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি , সারদা থেকে মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষানবীশকাল সম্পন্ন করে কিশোরগঞ্জ জেলার অস্টগ্রাম সার্কেল ও নেত্রকোনা জেলার সদর সার্কেলে এএসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

    এরপর দেশের বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু মতিঝিলে যথাক্রমে এসি ও এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন৷ তারপর তিনি ডিসি- ডিবি পূর্ব, ডিসি -ডিবি মতিঝিল ও ডিসি মতিঝিল এবং রাজধানী আধুনিক ঢাকার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র গুলশানের ডিসি হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন৷ ।বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী এই কর্মকর্তা কর্মজীবনে তার সাহসিকতা ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যথাক্রমে ২০১৪ ও ২০১৯ সালে পিপিএম (বার) পদকে ভূষিত হয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট থেকে পদক গ্রহণ করেন৷ তিনি সুদানের দারফুর মিশনে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন; ভূষিত হয়েছেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদকে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে মালদ্বীপ ভ্রমণ করেন। এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ইতালি, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, তুরস্ক ও ফ্রান্স ভ্রমণ করেছেন।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক কণ্যা ও পুত্র সন্তানের জনক।

    দেশের সবচেয়ে জনবহুল ও প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী জেলা ঢাকার সম্মানিত পুলিশ সুপার হিসেবে ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট যোগদান করেন অত্যন্ত দক্ষ ও চৌকস কর্মকর্তা জনাব মো: আসাদুজ্জামান পিপিএম- বার। কর্মজীবনে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠী ও আধুনিক নাগরিকদের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালনের ফলে সঞ্চিত অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের সমন্বয়ে বর্তমান দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে ঢাকা জেলার নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ঢাকা জেলা পুলিশকে পুলিশের সবচেয়ে স্মার্ট ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে আত্মপ্রত্যয়ী তিনি।

    সাহসী এই পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্ব গুণে পরিবর্তিত পুলিশ সদস্যরা নিজ দায়িত্ব পালনের সক্ষমতার উন্নয়নের মাধ্যমে গুরত্বপূর্ণ, চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস অভিনব অপরাধসমূহের রহস্য উদঘাটন করেছে৷ডাকাতি, দস্যুতা,নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সফলতার হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার হয়েছে হামদাদ,তাবাসসুমের মত অপহৃত শিশুরা।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশের পুলিশকে চ্যালেঞ্জিং সময়ে দায়িত্বপালনে সক্ষম করতে স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার ও নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অপরাধ সনাক্তকরণের ব্যবস্থা করে স্মার্ট পুলিশিং প্রবর্তণ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তিনি। এই পুলিশ কর্মকর্তা একজন সাদা মনের মানুষ।

  • মারধরের শিকার হয়ে মৃত্যুশয্যায় ‘রবি’ কর্মকর্তা

    মারধরের শিকার হয়ে মৃত্যুশয্যায় ‘রবি’ কর্মকর্তা

    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:- চট্টগ্রামের পটিয়ায় মারধরের শিকার হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে রবি ডিস্ট্রিবিউশন লিঃ চট্টগ্রাম শাখায় কর্মরত তাহমিনা আকতার নামের এক নারী কর্মকর্তা।

    তিনি উপজেলার ভাটিখাইন ৬ নং ওয়ার্ড এলাকার আইয়ুব খানের কন্যা।

    বর্তমানে গুরতর আশংকাজনক অবস্থায় পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

    এদিকে এই ঘটনায় ভুক্তভোগী তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে তার নিজ ভাই মোসাদ্দেক হোসেন সহ ৩জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তাহমিনা আক্তার চট্টগ্রামে রবি কোম্পানিতে চাকরী করে তার নিজ ছোট দুই বোনকে বিবাহ দেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়ি চলে আসেন। সুস্থ হলে তার পরিবারের কাছে তার বিয়ের বেপারে কথা বলতে গেলে তাকে তার পরিবারের লোকজন অস্বিকার করে। এর এক পর্যায়ে তাকে স্থানীয় কয়েকজন সহ বেদরক মারধর করে।

    এবিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত সাইফুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

  • নওগাঁর ধামইরহাটে পাওয়ার ট্রলির চাপায় এক বৃদ্ধ নিহত

    নওগাঁর ধামইরহাটে পাওয়ার ট্রলির চাপায় এক বৃদ্ধ নিহত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে পাওয়ার ট্রলির চাপায় এক বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় উপজেলার ধামইরহাট-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পার্শ্বে শল্পী বাজার নামক এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তি পার্শ্ববতী রুপনারায়ণপুর গ্রামের ও জাহানপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মামুনুর রশীদ এর পিতা মোঃ জিল্লুর রহমান (৬৬) ।

    স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় নিহত জিল্লুর রহমান তার ছেলের বাড়িতে দুপুরে খাবারের উদ্দেশ্যে রাস্তার এপার থেকে ওপার যাচ্ছিল। পথে এক বেপরোয়া পাওয়ার ট্রলি তাকে ধাক্কা দিলে চাকার তলে পৃষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। এদিকে ঘটনাটি ঘটার পর থেকে ঘাতক চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে।

    ধামইরহাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়ার ট্রলি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে। চালক ও হেলপার কে আটক করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আবুল বয়ান।

  • সুন্দরগঞ্জে এসএমসি-কমিউনিটি মবিলাইজেশন কার্যক্রম উপজেলা এ্যাডভোকেসী সভা

    সুন্দরগঞ্জে এসএমসি-কমিউনিটি মবিলাইজেশন কার্যক্রম উপজেলা এ্যাডভোকেসী সভা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এসএমসি- কমিউনিটি মবিলাইজেশন কার্যক্রমের উপজেলা এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সচেতন সোসাইটির বাস্তবায়নে ও সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানী (এসএমসি) এর আর্থিক সহযোগিতায় ইউএনও মোঃ তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু, থানা অফিসার ইনচার্জ (ভার প্রাপ্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জী, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সায়্যিদ মুহাম্মদ আমরুল্লাহ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওয়ালিফ মণ্ডল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে সালমা প্রমূখ। এসময় পঃ পঃ কর্মকর্তা এই প্রকল্পের কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়া কবিতা রানী সরকার, শিল্পী রানী সরকার, রুজিনা খন্দকারসহ বেশ কজন আমন্ত্রিত অতিথি এ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে পারেনি।

  • ধামইরহাটে কেজি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    ধামইরহাটে কেজি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি :

    নওগাঁর ধামইরহাটে ধামইরহাট কিন্ডার গার্টেন (কে.জি) স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ধামইরহাট কে.জি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আসমা খাতুনের সভাপতিত্বে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোসা. জেসমিন আক্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি এম এম কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ইতিহাসবিদ মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সোহেল রানা, কাউন্সিলর আমজাদ হোসেন, জেসমিন সুলতানা কানন, সমাজসেবক মফিজ উদ্দিন, বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আব্দুল বারী, শিক্ষক রবিউল ইসলাম, সঞ্চালক আব্দুস সামাদ, শিক্ষক নিহার বানু প্রমুখ। এ সময় স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক-অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়টি উপজেলার অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

    আবুল বয়ান।