Blog

  • যে কোন ধর্মীয় উৎসব সকলের মাঝে সম্প্রীতি বন্ধনের সৃষ্টি করে -ভূমিমন্ত্রী

    যে কোন ধর্মীয় উৎসব সকলের মাঝে সম্প্রীতি বন্ধনের সৃষ্টি করে -ভূমিমন্ত্রী

    খুলনা প্রতিনিধি।।
    ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সবাই যার যার ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করছে। যে কোন ধর্মীয় উৎসব সকলের মাঝে সম্প্রীতি বন্ধনের সৃষ্টি করে। কাউকে পেছনে ফেলে নয়, সকল সম্প্রদায়ের জনগনকে নিয়ে আমাদের সামনে এগুতে হবে।
    তিনি শুক্রবার সকালে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে বিভাগীয় পুরোহিত ও সেবাইত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ধর্মীয় ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরোহিত ও সেবাইতদের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) এর আওতায় হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
    মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ ডিজিটালে পরিণত হয়েছে। এখন সবাই মিলে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সকল ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে পুরোহিত ও সেবাইতরা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পুরোহিত ও সেবাইতদের চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নয় মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এ দেশ আমাদের সকলের। বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যেতে মন্ত্রী সকলের প্রতি আহবান জানান।
    ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মুঃ আঃ আউয়াল হাওলাদারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপসচিব মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়বেদ চৌধুরী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হুসাইন খাঁন ও হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব ড. কৃষ্ণেন্দু কুমার পাল। এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন ধর্মীয় ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরোহিত ও সেবাইতদের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) এর প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর শিখা চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি নান্টু রায়, অধ্যাপক নিমাই চন্দ্র রায়, এ্যাডভোকেট শম্ভু নাথ রায়সহ পুরোহিত ও সেবাইতরা বক্তৃতা করেন। সম্মেলনে খুলনা বিভাগের আটটি জেলার প্রায় দুইশত জন পুরোহিত ও সেবাইতরা অংশ নেন।
    এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ৪১,২১৬জন পুরোহিত ও সেবাইতদের নেতৃত্বদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা, পুরোহিত ও সেবাইতদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় যেমন: মাদকাসক্তি, যৌতুক, সন্ত্রাস, পরিবেশ বিপর্যয়রোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা এবং উন্নত মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করা, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, সামাজিক কুসংস্কার, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধ এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবেলা সক্রিয় ভূমিকা পালন করা, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে হিন্দু আইন ও পূজা পদ্ধতি এবং ভূমি আইন ও আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে পুরোহিত ও সেবাইতকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা, খাদ্যপুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও বনায়ন, হর্টিকালচার, গবাদি পশুপালন এবং সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে পুরোহিত ও সেবাইতকে ধারনা প্রদান করা এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পাশাপাশি সকল ধর্মের মধ্যে আন্ত: ধর্মীয় সম্প্রীতি জাগ্রত করা।
    বিকালে মন্ত্রী ডুমুরিয়ার পূর্ব বিলপাবলা কালিতলা মন্দিরে মতুয়া সম্মেলন ও কালিপূজা অনুষ্ঠানে এবং কুলটি যজ্ঞানুষ্ঠানে যোগদান করেন।

  • খুলনায় পাঁচ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন

    খুলনায় পাঁচ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন

    খুলনা প্রতিনিধি।।
    খুলনায় পাঁচ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন শুক্রবার বিকালে জেলা শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে । এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ।
    অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, পিঠা বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাঙালির শখের খাবার হলো পিঠা। দেশে এমন মানুষ কমই আছে যারা পিঠা পছন্দ করে না। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছিলো বাঙালির পিঠা, এই উৎসবের মাধ্যমে তা আবার ফিরে আসবে। বাঙালির এই পিঠার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে হবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে তা ছড়িয়ে দিতে হবে। গত তিন বছর যাবত খুলনায় বিভাগীয় পর্যায়ে পিঠা উৎসব হয়ে আসছে। পিঠা উৎসব আমাদের প্রাণের মেলায় পরিণত হবে বলে অতিথিরা আশা করেন।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সরকারি ব্রজলাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফ আতিকুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবীর। জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন সদস্য সচিব শামীমা সুলতানা শীলু। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির ও জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ সাদ্দাম হোসেন বক্তৃতা করেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, খুলনা বিভাগীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
    পাঁচ দিনব্যাপী পিঠা উৎসবে ৫০টি স্টলে তৈরি করা বিভিন্ন রকমের পিঠা বিক্রি ও প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত এই পিঠা উৎসব সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়া প্রতিদিন বিকাল থেকে নাটক, আবৃত্তি, নৃত্য ও সংঙ্গীতানুষ্ঠান পরিবেশন করা হবে।

  • পীরগঞ্জে খলিশাডাঙ্গার কন্যা ও উলঙ্গ সভ্যতা নামে দুইটি কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

    পীরগঞ্জে খলিশাডাঙ্গার কন্যা ও উলঙ্গ সভ্যতা নামে দুইটি কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

    পীরগঞ্জ ঃ ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জে “খলিশাডাঙ্গার কন্যা” ও “উলঙ্গ সভ্যতা” নামে দুইট কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব হলরুমে কাব্যগ্রন্থ দুটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক কবি মো. রবিউল আউয়াল ছদ্ম নাম রবি বাঙালির লেখা কাব্যগ্রস্থ দুটির মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুল হুদা। প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুলের সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন সভায় বক্তব্য দেন, পীরগঞ্জ সরকারি কলেেেজর দর্শন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক কবি মো. রবিউল আউয়াল, উপজেলা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি মাসুদুর রহমান মাসুদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মেহের এলাহী, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, যুগ্ম সম্পাদক বিষ্ণুপদ রায়, অর্থ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দুলাল সরকার, সাহিত্য, সাংস্কৃতি ও পত্রিকা বিষয়ক সম্পাদাক বাদল হোসেন, কবি কৃষ্ণচন্দ্র মালাকার প্রমূখ। এ সময় কবি মাসুদুর রহমানের “জীবন জলের ঘ্রাণ” নামে একটি উপন্যাস এবং কবি কৃষ্ণচন্দ্র মালাকারের “এই আছি এই নাই” নামে একটি কবিতার বইয়েরও মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

  • পীরগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে জেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আপেলের সৌজন্য সাক্ষাত

    পীরগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে জেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আপেলের সৌজন্য সাক্ষাত

    পীরগঞ্জ ঃ ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ আপেল পীরগঞ্জের সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে করেছেন। শুক্রবার সন্ধায় পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব হলরুমে তিনি সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এ সময় জেলার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সমির দত্ত, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খোরশেদ আলম মোল্লা, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, যুগ্ম সম্পাদক বিষ্ণুপদ রায়, অর্থ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দুলাল সরকার, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল বাবু, যুব নেতা সোহরাব আলী, বেলাল হোসেন, প্রেসক্লাবের সাহিত্য, সাংস্কৃতি ও পত্রিকা বিষয়ক সম্পাদাক বাদল হোসেন, সাংবাদিক ফাইদুল ইসলাম সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • তানোরে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সড়ক-সেতুর উন্নয়নে জনমনে স্বত্তি

    তানোরে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সড়ক-সেতুর উন্নয়নে জনমনে স্বত্তি

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী)সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও বর্ষিয়ান রাজনৈতিক নেতা আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর প্রচেষ্টায় উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন এলাকায় সড়ক-সেতুর উন্নয়নে আর্থসামাজিক ও জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল পাচ্ছেন। উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমানের কঠোর দেখভালের কারণে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এসব উন্নয়ন কাজে কোনো আনিয়ম-দূর্নীতির সুযোগ পাইনি।
    উপজেলা প্রকৌশলীর প্রচেষ্টায় প্রায়
    স্বচ্ছতার সঙ্গে এসব উন্নয়ন কাজের বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এবং এখানো অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা সদর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেঠোপথ
    পাকাকরণ, সংস্কার, সেতু-কালভ্রাট নির্মাণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধূনিক ও দৃষ্টিনন্দন একাডেমিক ভবন
    নির্মাণ এবং সংস্কার,হাট-বাজার ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হচ্ছে, মুন্ডুমালা-সাতপুকুরিয়া প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার, মালশিরা মাদরাসা মোড়-কামারগাঁ প্রায় ৫ কিলোমিটার, চন্দনকৌঠা-হাতিনান্দা প্রায় ৪ কিলোমিটার, হরিপুর প্রায় ৫০০মিটার,, হরিশপুর প্রায় ৩ কিলোমিটার, কোয়েল-বানিয়াল প্রায় দেড় কিলোমিটার,
    গোয়ালপাড়া প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা ইউড্রেন ও কালভ্রাটসহ পাকাকরণ করা হয়েছে। এছাড়াও তানোর-চৌবাড়িয়া সড়কের চাপড়া ও হাতিশাইল দুটি সেতুর নির্মান করা হচ্ছে। এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নমূলক কাজগুলো জলবায়ৃ পরিবর্তনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। #

  • উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের  মতবিনিময়

    উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের মতবিনিময়

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্যে সাক্ষাৎ এবং আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
    জানা গেছে, ১ মার্চ শুক্রবার উপজেলার
    মাটিকাটা ইউনিয়ন ও বাসুদেবপুর ইউনিয়নে (ইউপি) ইসলামি জালসায় অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও উপজেলা নির্বাচনে করনীয় বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
    এদিকে এসব মতবিনিময় সভায় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো।
    অন্যদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। কাজেই সরকার তথা এমপি সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। ফলে উপজেলার মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে কোনো ব্যক্তি নয়, সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় চাই।#

  • মোংলা পৌর শহরের ঠাকুরানী খাল পরিচ্ছন্ন অভিযানে পৌর মেয়র আ. রহমান

    মোংলা পৌর শহরের ঠাকুরানী খাল পরিচ্ছন্ন অভিযানে পৌর মেয়র আ. রহমান

    মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।

    দখলে-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে মোংলার অধিকাংশ নদী-নালা-খাল। মোংলা উপজেলার পাশ দিয়ে প্রবাহিত পশুর নদীর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ঠাকুরানী খাল দিন দিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া পানি প্রবাহের জন্য বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত নালাগুলোও দখল করে নিয়েছেন প্রভাবশালীরা।

    খালের দুই পাড়ে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। এতে দিন দিন সংকুচিত হয়ে এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরানী খাল এখন তার অস্তিত্ব হারাতে বসেছে।
    এছাড়া বাজারকেন্দ্রিক ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে দূষিত হচ্ছে খালের পানি।

    এছাড়া দীর্ঘদিন থেকে দখলদাররা খাল দখল করে ইমারত নির্মাণ করে ব্যবসা ও বসবাস করে আসছেন। ফলে অনেক খাল মরা খালে পরিণত হয়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও শুকনো মৌসুমে সেচ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    দখলদারদের হাত থেকে ঠাকুরানী খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছেন মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ. রহমান।

    বৃহস্পতিবার (২৯শে ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় মোংলা পোর্ট পৌরসভার আয়োজনে মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ. রহমান’র নেতৃত্বে ঠাকুরানী খালে এই কার্যক্রম শুরু হয়।

    অভিযান চলাকালে পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ. রহমান সাংবাদিকদের জানান, জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্ত রাখতে হলে নগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত সব খাল, নালা ও নর্দমা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে। এর অংশ হিসেবে মোংলা পোর্ট পৌরসভার পক্ষ থেকে এখন ঠাকুরানী খাল ও মধুর খালে অভিযান চালানো হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি উচ্ছেদ অভিযানও চলবে।

    এসময় খালের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলকৃত স্থাপনা স্বেচ্ছায় দ্রুত অবৈধ দখলকারীদের স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ. রহমান। এর ব্যত্যয় ঘটলে মোংলা পোর্ট পৌরসভা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

    এ অভিযানে মোংলা পোর্ট পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন।

  • গদখালী থেকে টিকটক থ্রিডি মেশিন জব্দ : প্রশংসায় ভাসছে ঝিকরগাছা পুলিশ

    গদখালী থেকে টিকটক থ্রিডি মেশিন জব্দ : প্রশংসায় ভাসছে ঝিকরগাছা পুলিশ

    আজিজুল ইসলাম : ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের গদখালীর পানিসারা ফুল মোড় এলাকা থেকে টিকটকের থ্রিডি মেশিন জব্দ করেছে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ। বোরকা পরিহিত অবস্থায় এবং অশালীনভাবে বিভিন্ন ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৬টার দিকে ঝিকরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন ভুইঁয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে এ টিকটক থ্রিডি মেশিন জব্দ করে।

    ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভুইঁয়া জানান, ফুলের জন্য গদখালীর সুনাম গোটা দেশজুড়ে। তবে সম্প্রতি সময়ে অসামাজিক অশালীন কিছু কার্যকলাপের জন্য এখানকার পরিবেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছিলো। টিকটক থ্রিডি স্ট্যান্ড মেশিনের মাধ্যমে বিভিন্ন টিকটক ভিডিও বানিয়ে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল এবং সেগুলো নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছিলো। যা গদখালির সুনামকে নষ্ট করছিল। কিছু অসাধু লোক লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে এ ধরনের কার্যকলাপে লিপ্ত হচ্ছিল। এজন্য আমরা আইনগতভাবে অভিযান চালিয়ে টিকটকের থ্রিডি মেশিন জব্দ করেছি এবং মনোয়ারা ফ্লাউয়ার পার্কের মালিক শাহাজাহান আলিকে এধরণের কাজ না করার জন্য সতর্ক করেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোন কার্যকালাপ যাতে না হয় এজন্য আমাদের নজর থাকবে।

    এদিকে অভিযান চালিয়ে এই মেশিন জব্দ করে নিয়ে আসায় প্রশংসায় ভাসছে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ। এই সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর সর্বস্তরের জনগণ পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অসংখ্য পোস্ট করেছেন। উল্লেখ্য গতকাল বিভিন্ন ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় ফুলের রাজ্যে অশ্লীলতা সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হলে গতকালই প্রশাসন এব্যাপারে তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং টিকটক মেশিন আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

  • মহালছড়িতে জাতীয় বীমা দিবসে চেক বিতরণ

    মহালছড়িতে জাতীয় বীমা দিবসে চেক বিতরণ

    (রিপন ওঝা, মহালছড়ি)

    খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে জাতীয় বীমা দিবসে “ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, মহালছড়ি উপজেলা সাংগঠনিক অফিসের” ১ম, ২য় বোনাস ও মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় উপস্থিত গ্রাহকদের মাঝে চেক বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভীন খানম।

    স্বাধীনতার মাসের ১মদিনে ১লা মার্চ রোজ শুক্রবার সকাল ১০.০০ঘটিকায় ” করবো বীমা গড়বো দেশ’ স্মার্ট হবে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে জাতীয় বীমা দিবস উদযাপিত হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভীন খানম’র সভাপতিত্বে এ সময়ে মোর্শেদা আক্তার বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন। তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্বরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার। ঐ বছরের ১ মার্চ প্রথম জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর ১ মার্চ এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। বক্তাগণ বক্তব্যে বলেন দুঃখের বিষয় যে, এ পহেলা মার্চ জাতীয় বীমা দিবস সরকার কর্তৃক ”ক” শ্রেণির দিবস ঘোষণা পেলেও উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে পালনে যথেষ্ট যেমন তেমন অবস্থা।

    বীমা দিবসকে পূর্তিতে ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন যে, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি জাতীয়করন করেছি আগে ছিলো কয়েকজনের, এখন হয়েছে জনগণের। ২০২০ সালে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণার সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন আমি নিজেকে বীমা পরিবারের একজন মনে করি।

    র‍্যালী শেষে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভীন খানম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রবীন কুমার চাকমা, উপজেলা আইসিটি প্রোগ্রামার সলিল চাকমা, ট্রাস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের পক্ষে মোছাঃ পারুল বেগম, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপক মোর্শেদা আক্তার ও ক্যাশিয়ার রিপন ওঝা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন।

  • বেইলি রোডে ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না-আইজিপি

    বেইলি রোডে ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না-আইজিপি

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২.৩০ এর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের দেখতে এসে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি নাশকতা কিনা জানতে চাইলে আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা বর্তমানে উদ্ধারকাজে জোর দিচ্ছি। বেইলি রোডে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি র‍্যাব-পুলিশ বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উদ্ধারকাজে কাজ করছে। একইভাবে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা আহত ও দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। আমি এটা বলতে পারি যে, এই ঘটনায় যদি কারও ত্রুটি বিচ্যুতি থাকে তাহলে ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এ ঘটনায় নিহতদের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইজিপি। নিহতের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নিহত হয়েছেন ৪৪ জন। রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে একজন, ঢামেক হাসপাতালে ৩৩ জন ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জনের মরদেহ রয়েছে।

    এর আগে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ৪৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। রাত ২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে মারা যান আরও একজন। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ৩৩ জন এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জন মারা গেছেন। জরুরি বিভাগ ও বার্ন ইনস্টিটিউট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আহত ২২ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

    এদিকে ভয়াবহ এই আগুনের ঘটনার নেপথ্যের কারণ, ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণসহ হতাহত বেশি হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

    পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে। তিনি ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক। কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে মো. ছালেহ উদ্দিনকে। তিনি সংস্থাটির ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক। এছাড়া কমিটির তিনজন সদস্য হলেন- সংশ্লিষ্ট জোনের ডিএডি, সিনিয়র স্টেশন অফিসার এবং ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে ভবনটিতে আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার সঠিকভাবে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।