Blog

  • ময়মনসিংহ সিটির ২নং ওয়ার্ড, জনগণের আস্থা ‘সাব্বির হোসেন বিল্লাল

    ময়মনসিংহ সিটির ২নং ওয়ার্ড, জনগণের আস্থা ‘সাব্বির হোসেন বিল্লাল

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। তফসিল অনুযায়ী ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ই মার্চ। সে লক্ষ্যে দলীয় প্রতীক না থাকলেও কমিশনের বরাদ্দকৃত বিভিন্ন প্রতীকে মেয়র প্রার্থীরা প্রচারণাসহ নানাবিধ নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন।

    শুধু মেয়র প্রার্থীরাই নন, নগরীর ৩৩ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরাও তোরজোড় করে গোছাচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। পৌছে যাচ্ছেন ভোটারদের দোড়গোড়ায়।

    মেয়রের পাশাপাশি এবারে কাউন্সিলর প্রার্থীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোটারদের অধিকাংশের প্রত্যাশা নতুন নেতৃত্ব। তবে অধিকাংশ ওয়ার্ডেই নতুন মুখের পাশাপাশি ভরসা ও আস্থার প্রতিক হিসেবে পুনরায় বর্তমান কাউন্সিলরদেরই পাশে চাচ্ছেন তারা।

    এমনি নগরীর ২ নং ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছে। তারা বর্তমান কাউন্সিলরের ওপর আস্থা রাখতে না পারায় নতুন মুখকে জনপ্রতিনিধির চেয়ারে তাকেই বসাতে চাচ্ছেন। সূত্রে জানা যায়, ওয়ার্ডটির নতুন মুখ হিসাবে কাউন্সিলর পদে আলোচনায় রয়েছেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা সাব্বির হোসেন বিল্লাল। তিনি কাটা চামচ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    গত নির্বাচনে পরাজিত হলেও করোনা পরিস্থিতিসহ নানান দুর্যোগে মানুষের পাশে থাকায় আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেছেন এবং ভোটারদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। জনসাধারণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে ওয়ার্ড থেকে এবারের নির্বাচনেও অংশ নিয়েছেন তিনি।

    স্থানীয়রা জানান , ময়মনসিংহ নগরীর ২নং ওয়ার্ডে একজন সফল জনসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাব্বির হোসেন বিল্লাল । তিনি ইতিবাচক কর্মকান্ডে প্রশংসা কুড়িয়েছেন সর্ব মহলে। ওয়ার্ডবাসীর সুবিধা-অসুবিধায় তিনি সর্বদাই একধাপ এগিয়ে রয়েছেন । ওয়ার্ডের ইতিবাচক নানামুখী কর্মকান্ড বাস্তবায়ন ও মসজিদ মাদ্রাসায় উন্নয়নে সহযোগীতায় তার ভুমিকা ছিল লক্ষনীয়।

    ইতিবাচক মুল্যবোধের অধিকারী সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব বিল্লাল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় মানুষকে সেবার মধ্য দিয়ে কাটিয়ে যাচ্ছেন। তার নানাবিধ মানবিক কর্মকান্ডে ইতিমধ্যেই তিনি একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেছেন। ওয়ার্ডবাসীর ভাগ্যয়োন্ননে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি সর্বদা দান-সদকার পাশাপাশি সমাজের গরীব দুঃখী অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দুর্ভোগ লাঘবের প্রচেস্টা অব্যাহত রেখেছেন। ইসলামের খেদমতেও বারংবারই একধাপ এগিয়ে তিনি।

    স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায়সই নানাবিধ চাহিদা সাধ্যমত পূরণ করছেন তিনি। সমাজ সেবামুখী প্রত্যেক ইতিবাচক কর্মকান্ডে তাকে সক্রিয় অবস্থানেই দেখা যায়। তিনি শুধু এই এলাকায়ই নয়, নিজের সর্বোচ্চ সাধ্যমত বিভিন্ন স্থানের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রায়সময়ই প্রশংসা কুড়িয়ে চলেছেন।

    এছাড়া সর্বদা ওয়ার্ডবাসীর পাশে থেকে শুধু প্রশংসাই কুড়ান না বরংচ স্থানীয়দের মাঝে আস্থার প্রতিক হিসেছে মুল্যায়িত হয়েছেন ।

    সাব্বির হোসেন বিল্লাল জানান, জনগণের সুবিধা-অসুবিধায় সার্বক্ষনিক পাশে থাকার চেষ্টা করি। মানুষের কাঙ্খিত উন্নয়ন করতে পারিনি। জলাবদ্ধতা যেন মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    এগুলো নিরসন অতীব জরুরী। এছাড়া রাস্তাগুলোতে পর্যাপ্ত লাইট নেই। রাতে মানুষের অন্ধকারে চলাচল করতে হয়। আমি নিজস্ব অর্থায়নে রোড লাইট দিয়েছি। এবার আমি জনগণের ভালবাসার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হতে পারলে ওয়ার্ডের এসব সমস্যা নিরসন করতে চেষ্টা করবো । ওয়ার্ডকে একটি উন্নত ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছি। জনগণের ভালবাসার মধ্য দিয়ে মৃত্যুর আগ মুহুর্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে নিরলস কাজ করে যাব।

    সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনে শতভাগ প্রত্যাশী। কেননা ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে। সেখানে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইভিএমও একটি অংশ। ওয়ার্ডে নির্বাচন ঘিরে নানাবিধ অসাধু পহ্না অবলম্বন করে চলেছে একটি পক্ষ বলে শঙ্কাও প্রকাশ করেন বিল্লাল।

    তিনি বলেন, আমার কর্মী সমর্থকদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। তথাপি এসব কিছুর কর্ণপাত না করে মানুষের ভালবাসাকে শক্তিতে রুপান্তরিত করে পুনরায় নিজেকে জনসেবায় বিলিয়ে দেয়ার মাধ্যমে বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, জনগণের পাশে আগেও যেমন ছিলাম, মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাদের সেবায় নিয়োজিত রাখতে চাই। জনগণ যোগ্য প্রার্থীকেই বাছাই করে নিবেন বলেও জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, আগামী ৯ই মার্চ ইভিএম পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে কোটি কোটি মানুষ ঐক্য থাকায় স্বাধীনতা অর্জন-বাকিটা ইতিহাস

    ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে কোটি কোটি মানুষ ঐক্য থাকায় স্বাধীনতা অর্জন-বাকিটা ইতিহাস

    হেলাল শেখঃ স্বাধীনতা আমরা সকলেই চাই কিন্তু স্বাধীনতা পাওয়া এতো সহজ নয়, আমাদের স্বাধীনতা কলংকিত নয় যদিও মা-বোন কলংকিত হায়, ১৭৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে কোটি কোটি মানুষ ঐক্য থাকায় যুদ্ধে শক্র পক্ষকে হারিয়ে আজকের স্বাধীনতা অর্জন। এখন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করি বাঙ্গালিরা। স্বাধীনতার পর এখন দেশে নির্বাচন হচ্ছে আর বাংলাদেশের জনগণের ভোটার তালিকাভুক্ত হতে হলে কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে? কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড-১৫২ পাতার (ক) বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। (খ) বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। (গ) প্রয়োজন হলে অপ্রকৃতিস্থ নয় বলে আদালত কর্তৃক ঘোষিত হতে হবে। (ঘ) নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।
    সূত্রমতে, বাংলাদেশের প্রথম-প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন, বিচারপতি এম. ইদ্রিস। নির্বাচন কমিশনার এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক কর্মাবসানের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন পদে নিযুক্ত হবার যোগ্য হবেন না। নির্বাচন কমিশনার এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক কর্মাবসানের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মে অন্য কোন পদে নিযুক্ত হবার যোগ্য হবেন না। অবশ্য কেবল নির্বাচন কমিশনারগণ কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররুপে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন। “জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন” জাতীয় সংসদ কি? তা আমাদের জানা দরকার। বাংলাদেশের আইনসভা হল জাতীয় সংসদ, এটি এক কক্ষবিশিষ্ট এবং প্রজাতন্ত্রের সকল প্রকার আইন প্রণয়নের কেন্দ্র। জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত বছর তা আমাদের জানা দরকার, মাত্র পাঁচ বছর। রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে না দিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হলে সংসদ আপনা-আপনি ভেঙ্গে যাবে। জাতীয় সংসদের গঠন কিরুপ?: সমগ্র দেশে থেকে নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। তবে সংবিধানে মেয়াদী ৩০জন মহিলা সংসদ সদস্য রাখার বিধান রাখা হয়েছে। সংরক্ষিত আসন ব্যতীত মহিলা সদস্যগণ অন্যান্য সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। সূত্রমতে, জাতীয় সংসদের মোট সদস্য ৩৩০ জন। তা সংবিধান পরিবর্তন করা হলে এই সংখ্যা বাড়তে পারে। জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য কি যোগ্যতার প্রয়োজন? প্রথমত বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। দ্বিতীয়ত কমপক্ষে ২৫ বছর বয়স হতে হবে।
    বিশেষ করে কখন ও কিভাবে বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ গঠিত হয় তা সবার জানা দরকার, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি। এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। মোটামুটিভাবে (১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে গন্য হয়)। এ আদেশ অনুযায়ী ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান অংশ থেকে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সব সদস্য (৪৬৯জন= ১৬৯ জন=৩০০জন) নিয়ে এই পরিষদ গঠিত হয়। শেষ পর্যন্ত গণপরিষদের সদস্য সংখ্যা ৪০৪ জনে দাঁড়ায়। গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন-১০ এপ্রিল ১৯৭২। সেসময় গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ, দ্বিতীয় স্পীকার মোহাম্মদ উল্লাহ, গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পীকার মোঃ রায়তুল্লাহ, গণপরিষদের নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রে কতজন সদস্য স্বাক্ষর করেন তা জানা প্রয়োজন, ১৪ ডিসেম্বর ৩৫০জন এবং ১৫ ডিসেম্বর ৪৭জন-৩৯৭ জন। ২০২৩ বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা সাহাবুদ্দিন মহোদয়, ডিপুটি স্পীকার এ্যাডঃ শামসুল হক টুকু। এবার আসি বাকি ইতিহাস কি বলে? জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন আদর্শবান মানুষ ছিলেন, বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের সৈনিক ও ত্যাগী নেতা হওয়া এতো সহজ নয়। দেশের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হলে সবাইকে বেশি বেশি বই পড়তে হবে। বিশেষ করে ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন এবং ১৫ আগস্ট মৃত্যু বার্ষিকী তা অনেকেই জানেন। বর্তমানে কিছু অনুপ্রবেশকারী, তাদের মুখে নৌকা, অন্তরে ধানের শীষ।
    শক্রমুক্ত হোক দেশ, স্বাধীনতা সে আমার-স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রিয় মানুষগুলোর রক্তে কেনা অমূল্য ফসল লাল সবুজের পতাকা। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা। বাংলাদেশের স্থপ্রতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উচ্চারণ ও দেশের জন্য মরতে পারি প্রয়োজনে মহারণ, তবুও শক্রমুক্ত হোক বাংলাদেশ, এই কথাগুলো আমরা ভুলতে পারি না কারণ,যা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, তা এখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষ জানেন, তা এখন ইতিহাস। বিশেষ করে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে মানুষ ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা শক্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ। লাখো মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝড়ছে পাহাড় পরিমাণ রক্ত, কত অশ্রুবারি হয়েছে বাংলার বুকে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ বীর সন্তান, তাদের রক্তে আজ এই বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা। দেশ ও জাতির স্বার্থে যারা কাজ করেছেন, যারা স্বাধীনতার জন্য হাসি মুখে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
    মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করে আসছেন জাতি। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার। বাংলাদেশের নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এই দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়ুন, দেশ ও জাতির জনকের সম্পর্কে সবকিছু জানুন, শেখ মুজিবুর রহমানের কেমন নীতি ছিলো, কেমন আদর্শবান মানুষ ছিলেন তিনি। কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
    বিশেষ করে ২৪তম বিসিএস ২০০৩ সালের ১২২ পাতায় কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইডের সুত্র: বাংলাদেশের মোট জমির পরিমাণ ৩ কোটি ৬৬ লক্ষ ৭০ হাজার একর। বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ২৫একর (২৫শতাংশ)। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির কতভাগ লোক কৃষি কাজে নিয়োজিত, তা আমরা অনেকেই জানিনা। তথ্যমতে প্রায় ৬৬ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করেন, কিন্তু আবাদী জমিতে বাড়ি, ঘর, ইটভাটা ও কল কারখানা হওয়ায় এখন ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এরপর ২০০২ সালে ৪র্থ কৃষি শুমারি হয় এরপর ২০২২ সালে। কৃষি জমি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য ২০০০ সাল পর্যন্ত মহাপরিকল্পনা নেয়া হয় কিন্তু দেশের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ বা সেতু নির্মাণ করছে সরকার-এতে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না, এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে। তথ্যমতে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৭ কোটি, যা বর্তমানে ২০২৪ইং সালে প্রায় ১৮ কোটির মতো দাঁড়িয়েছে। মানুষের খাদ্য বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে পাচ্ছেনতো?।

  • কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক চুরি, ডাকাতি ছিনতাই, চাঁদাবাজি’সহ বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধ

    কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক চুরি, ডাকাতি ছিনতাই, চাঁদাবাজি’সহ বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধ

    বিশেষ প্রতিনিধি-হেলাল শেখঃ সারাদেশে কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক চুরি ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, খুনসহ বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী এবং কিছু চোর, ডাকাত ও ছিনতাইকারীসহ অপরাধী আটক হলেও থানা পুলিশের এ বিষয়ে তেমন কার্যক্রম দেখা যায় না। অপরাধীরা আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে।
    জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া ও ভাদাইল এলাকার সবচেয়ে বড় (ক্রাইম জোন এলাকা রূপায়ন আবাসন-১ এর ভেতরে ২০-২৫ জনের কিশোর গ্যাং) দেশীয় অস্ত্র চাকু ছুরি ও দা নিয়ে প্রায়ই মহরা দিতে দেখে লোকজন, এই কিশোর গ্যাং আতংকে পুরো এলাকাজুড়ে। অন্যদিকে কিশোর গ্যাং বাহিনীর আরো একটি হামলার ঘটনায় গত (১৩ আগস্ট ২০২৩ইং) তারিখ রাতে একটি গ্রুপের পক্ষে মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় অভিযোগ করেছেন লুৎফর সরকারের ছেলে রবিন সরকার (২১)।
    গত (১৪ আগস্ট ২০২৩ইং) সকালে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবো আনন্দ বাজার, কুন্ডলবাগ এলাকার স্থানীয় বিপ্লব এর ছেলে রাকিব (২২) ও রবিন (২১) এই দুই গ্রুপের সাথে মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা এবং ক্ষমতা বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে তার দুইদিন আগে। এই ঘটনা নিয়ে ৩য় পক্ষ অনৈতিক সুবিধা নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীসহ পুলিশ ও র‌্যাবকে নিয়ে গালিগালাজ করার অভিযোগ রয়েছে। সেই সাথে কিছু সংবাদকর্মীদের ভিডিও করে রেখে তারা বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে। উক্ত এলাকায় প্রায় শতাধিক কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী সক্রিয় ভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলেই তাদের উপর হামলা ও মারপিট করা হয়।
    উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান শাহেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে আওয়ামীলীগ সরকার জঙ্গি দমন করেছে। আশুলিয়ায় এখন কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। তারা প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসায় ক্ষমতা বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ করছে, এতে আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটছে। তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে কারো কোনো ছাড় দেওয়া যাবেনা, সাংবাদিক, পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এই আওয়ামীলীগ নেতা।
    এর আগে আশুলিয়ার নরসিংহপুর ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আবু সামার মার্কেটে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলার ঘটনা ঘটে। চাঁদাবাজ, অপহরণকারী কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের সাথে জড়িত কারা? পুলিশ কেন তাদেরকে গ্রেফতার করছেন না বলে সচেতন মহলের প্রশ্ন। কিশোর গ্যাং এর ধারাবাহিক হামলা ও চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে, এতে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহল।
    গত (৫ আগস্ট ২০২৩ইং) আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং, ৫নং ও ৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক ভাবে অপরাধমূলক কর্মকান্ড করেছে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা। এর আগে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া হেয়ন গার্মেন্টস রোডে বকুল ভুঁইয়ার বাড়ি এবং ভুঁইয়া পাড়া, ফকিরবাড়ি ও ভাদাইলের আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী-ধারাবাহিক ভাবে হামলায় ভাংচুর ও অপহরণ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা, তারা প্রায়ই অপহরণ-খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে। এইসব অপরাধীদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা কারা? পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাবকে জানানো হলেও তেমন কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে এসব অপরাধীরা প্রকাশ্যে অপরাধ করছে বলে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান।
    র‌্যাব-৪ জানায়, গত (১৮ মে ২০২৩ইং) তারিখে বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন শ্রীপুর মোজারমিল এলাকার একটি পুকুর থেকে এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ভিকটিম মোঃ ফারাবী আহমেদ হৃদয় (২১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র, সে স্থানীয় মোঃ ফজলুল হক মিয়ার বড় ছেলে। গত ৮মে ২০২৩ইং জামগড়া নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে ভিকটিম হৃদয় নিখোঁজ ছিলেন। জানা যায়, কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী মোঃ ময়েজ হোসেন পরাণ (২২)সহ ৪-৫ জন তাকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে না পেয়ে তাকে হত্যা করে, পরে জানা যায়, ভিকটিমের পরিবারের কাছে টাকা চাওয়ার আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। অপহরণের দিনই বিকালে হৃদয়কে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বস্তাবন্দি করে শ্রীপুর এলাকায় নিয়ে একটি পুকুরে ফেলে দেয় তারা, দুইদিন পর লাশ ভেসে উঠলে আবার তারা ৮টি ইট বস্তার ভেতরে দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়, যাতে লাশ না দেখা যায়।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আল মামুন ও র‌্যাব-৪ এর সদস্যরা জানান, অপরাধী দেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে, অপরাধী সে যেইহোক না কেন কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
    উক্ত ব্যাপারে (আইজিপি ব্যাচ প্রাপ্ত) অফিসার ইনচার্জ ডিবি (উত্তর) ঢাকা জেলা এর মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) বলেন, এর আগে চৌকস ডিবি পুলিশ সদস্যরা মোবাইল ট্যাকিং করে ৬জন কুখ্যাত ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে, ৫জনকে ২দিনের রিমান্ডে আনার পর চা ল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশ কর্তৃক অভিযানে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, ডাকাতসহ কুখ্যাত অপরাধীদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

  • সুজানগরে অবৈধভাবে কৃষি জমিতে চলছে মাটি কাটার মহোৎসব

    সুজানগরে অবৈধভাবে কৃষি জমিতে চলছে মাটি কাটার মহোৎসব

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার গাজনার বিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেকু দিয়ে গভীর গর্ত করে চলছে মাটি কাটার মহোৎসব। এতে হারিয়ে যাচ্ছে উপজেলার শতশত বিঘা কৃষি জমি। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের নজর ফাঁকি দিয়ে এভাবে মাটি কেটে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে মানচিত্র থেকে উধাও করে দিচ্ছে কৃষি জমি। এতে জমি ফসল উৎপাদনের উপযোগিতা হারানোর পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে রাস্তা-ঘাটও। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ থাকলেও প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। যদিও কৃষি জমি রক্ষায় সরকারের কড়া নির্দেশ রয়েছে। এরপরও সেগুলো রক্ষা হচ্ছে না। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গাজনার বিলের মানিকহাট ইউনিয়নের উলাট, দুলাই ইউনিয়নের পাইকপাড়া, রাণীনগর ইউনিয়নের ভাতশালা,শারীরভিটা, বাঘলপুর বেলতলা, নাখারাজসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাটি কাটার মহোৎসব চলছে। সংশ্লিষ্টরা ভেকু দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে ২৫ থেকে ৪৫ ফুট গভীর গর্ত করে কৃষি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে ফসলি জমি চিরতরে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে। এভাবে গভীর গর্ত করায় পাশের কৃষি জমিও ভেঙে পড়ছে। এছাড়া মাটি ব্যবসায়ীদের থাবা থেকে বাদ যাচ্ছে না খাস জমি,খাল এবং নদ-নদীর তীরও। এসব মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটাসহ বিভিন্ন এলাকায়। এভাবে কৃষি জমি নষ্ট করায় উপজেলায় ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। সরকারি গেজেটে প্রকাশিত মাটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণ ২০১৩ সালের ৫৯ নং আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ইট প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে কৃষি জমি হতে মাটি কাটা বা সংগ্রহ করে ইটের কাচাঁমাল হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে না। যদি কোন ব্যক্তি আইনের এই ধারা লঙ্ঘন করেন তা হলে তিনি অনধিক ২ বৎসরের কারাদন্ড বা দুই লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন। অন্যদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত গ্রামীন সড়ক ব্যবহার করিয়া কোন ব্যক্তি ভারি যানবাহন দ্বারা ইট বা ইটের কাচাঁমাল পরিবহন করিতে পারিবেন না। যদি কোন ব্যক্তি আইনের এই ধারা লঙ্ঘন করেন তা হইলে তিনি এক লাখ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন। এসব আইন থাকার পরও ভূমিদস্যুরা আইনের তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে মাটি কাটার এসব কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় শিক্ষার্থীরা জানান, রাতে অবৈধভাবে মাটি পরিবহনের ট্রাক ও ড্রাম ট্রাক চলাচল করায় শব্দে আমরা ঠিকমত পড়ালেখা ও ঘুমাতে পারিনা। দিনের বেলায়ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় ধোলায় জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। কৃষি জমি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ২৫ হাজার ৮০ হেক্টর আবাদি কৃষি রয়েছে, কৃষি জমির ৮ থেকে ১২ ইি পরিমান থাকে টপ সয়েল। টপ সয়েল কেটে ফেলার কারণে জমি অনুর্বর হয়ে পড়ছে। পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যে অবৈধভাবে মাটি কাটায় রাণীনগরের বিজয়,ফরিদসহ উপজেলার একাধিক ব্যক্তির নামে মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার জানান, অবৈধভাবে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটায় অভিযান পরিচালনা করে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও প্রশাসনের নজর ফাঁকি দিয়ে রাতের আধাঁরে মাটি কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • সুজানগরে ছাগল ও ভেড়ার ঘর পেল ৪০ অসহায় পরিবার

    সুজানগরে ছাগল ও ভেড়ার ঘর পেল ৪০ অসহায় পরিবার

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার চরা লে বসবাসরত ৪০ অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভেড়া ও ছাগলের ঘর বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কার্যালয়ে রবিবার দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে এ ভেড়া ও ছাগলের ঘর বিতরণ করা হয়। উপজেলা প্রাণী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো.আবু রেজা তালুকদারের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার। অনুষ্ঠানে দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নদী বিধৌত চরা লে বসবাসরত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এ ভেড়া ছাগলের ঘর বিতরণ । এই ভেড়া ও ছাগল পালন করার মাধ্যমে সুজানগর উপজেলার চরা লে বসবাসরত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন ঘটিয়ে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে।এবং একই সঙ্গে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,উত্তরা লের সীমান্তবর্তী সুবিধাবি ত ৮৬টি এলাকা ও নদী বিধৌত চরা লের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বাস্তবায়নে সুজানগর চরা লের ২০ পরিবারের মাঝে ভেড়ার ঘর এবং ২০টি পরিবারের মাঝে ছাগলের ঘর বিতরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।

  • পীরগঞ্জে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার বন্ধ

    পীরগঞ্জে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার বন্ধ

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় এ্যাপোলো ডিজিটাল ডায়াগষ্টিক সেন্টার ইউনিট-২ এবং হিমালয় ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারসহ দুইটি ডায়াগনষ্ঠিক সেন্টার বন্ধ করা এবং চিকিৎসা সেবা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমিজ আলম।
    গতকাল রোববার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে এসব ডায়াগনষ্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেন ইউএনও ।
    এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল জব্বার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুর রহমান সোহান, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা উপস্থিত ছিলেন।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমিজ আলম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন বিহীন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার গুলোতে অভিযান চালানোর সময় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় পৌর শহরের এ্যাপোলো ডিজিটাল ডায়াগষ্টিক সেন্টার ইউনিট-২ এবং হিমালয় ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টার দুটি আপাতত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    এদিকে অভিযানের খবর জানতে পেরে বিভিন্ন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক বন্ধ করে পালিয়ে যান ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের মালিকরা।

  • পাইকগাছায় গোলপাতার ঘরে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান

    পাইকগাছায় গোলপাতার ঘরে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা, (খুলনা)।।
    পাইকগাছার ১১৯নং স্মরণখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ ধ্বসে পড়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নানা সংকট নিয়ে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। পাশ্ববর্তী জৈনক ব্যক্তির জায়গায় জরাজীর্ণ গোলপাতার ঘর তৈরী করে শিক্ষার্থীরা সেখানে ক্লাস করছে,কিন্ত সেটি প্রধান সড়কের পাশে হওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দূর্ঘটনার সম্ভবনা আছে বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোহিনুর ইসলাম ।অতি সত্তর বিদ্যালয়ের ছাদ সংষ্কারের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক।
    সরেজমিন যেয়ে দেখা যায়,পাইকগাছা-চাঁদখালী সড়কের পাশে অবস্থিত ১১৯নং স্মরণখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ চিত্র।১৯৯০ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৮০ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ছাদ ধ্বসে পড়ায় গোলপাতার ঘরেই ঝুঁকির মধ্যেই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।
    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোহিনুর ইসলাম বলেন,গত ২০/০৮/২০২৩ সালে স্কুল চলাকালিন সময়ে হঠাৎ বিদ্যালয়ের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কক্ষের ছাদ ধ্বসে পড়ে।শ্রেণী শিক্ষক ঐ সময় শিক্ষার্থীদের ডেকে র্বোডের কাজ করাচ্ছিলেন ফলে শিক্ষার্থীরা মারাত্বক দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায়।বিষয়টি অভিবাবকরা জানার পর সরেজমিনে এসে ধ্বসে পড়া অংশ দেখেন এবং ছেলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।এমতবস্থায় আমরা শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি মিলে তাৎক্ষনিক পরের দিন অস্থায়ীভাবে বিদ্যালয়ের পাশে গোল পাতার ছাওনি ও বাশের চটার বেড়া দিয়ে পাঠদান অব্যাহত রাখার ব্যাবস্থা করি।কিন্ত অস্থায়ী ঘরটি প্রধান সড়কের পাশে হওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দূর্ঘটনার ঝুকি আছে। এবং আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে বিদ্যালয়টি মেরামত করা না গেলে বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ জন্য আমি উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর ০৪/০৯/২০২৩ সালে বিদ্যালয়ের ছাদ সংষ্কারের জন্য লিখিত আবেন করেছি।
    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা বলেন,আমি সরেজমিন যেয়ে বিষয়টি দেখেছি ও বিদ্যালয়ের ছাদ সংষ্কারের জন্য চাহিদা পত্র পাঠিয়েছি।আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে বরাদ্ধ চলে আসবে। উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু বলেন আমি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি।ছাদ ধ্বসে পড়ায় ছেলে মেয়েদের পড়া লেখায় একটু অসুবিধা হচ্ছে। আমি উপজেলায় মিটিংয়ে বিদ্যালয়ের বিষয়টি উত্তাপন করেছিলাম খুব তাড়াতাড়ি বিদ্যালয়ের ছাদ সংষ্কার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • বানারীপাড়ায়  পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গাছ কর্তন

    বানারীপাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গাছ কর্তন

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের গাছের সাথে মিটিয়ে পালিয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সরেজমিনে গেলে এমনটাই দেখা যায় ,
    জানাগেছে উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের খেজুরবাড়ি সরকারি আবাসনের তৈয়বআলি বালীর ছেলে নুরু বালী জায়গাসহ ঘর পায়। ওই ঘরের সাথে সরকারিভাবে নির্ধারিত যতটুকু জমি পেয়েছে তার মধ্যেই নুরু বালী বিভিন্ন ধরনের উচ্চ ফলন জাতের ফলজ গাছ রোপন করেন। তবে তার ঘরের পাশের ঘর যিনি পেয়েছেন সে নুরুর রোপনকৃত জমির দাবী করে বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিলো। অভিযুক্ত বকর ডুবুরী ও তার ছেলে নুরু ডুবুরী ৩ মার্চ দুপুরে উল্লেখিত ফলদ গাছগুলো দেশীয় দা দিয়ে নির্বিচারে কর্তন করে। এ সময় নুরু বালীসহ তার পরিবারের অন্যরা বাধা দিলে তাদেরকে গালাগাল করে এবং অন্য রোপিত গাছও কর্তন করার হুমকি দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আবু বকর ডুবুরীকে পাওয়া না যাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে নুরু বলেন আমরা আইনের মাধ্যমে মোকাবেলা করব।

  • বানারীপাড়ায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    বানারীপাড়ায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা: বানারীপাড়ায় ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি ১৬ বছর পরে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেপ্তারকৃত আসামী উদয়কাঠি ইউনিয়নের তেতলা গ্রামের মোঃ মালেক বেপারির পুত্র মাহাবুব।

    এবিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাইনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা আসামি মোঃ মাহাবুবকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপ-পরিদর্শক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী উপ-পরিদর্শক জাকির হোসেন ও কনস্টবল মোঃ সাকিল কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থেকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে বরিশাল জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।#

  • নড়াইলে ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

    নড়াইলে ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলের নড়াগাতি থানা পুলিশের অভিযানে বিশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত পারভেজ ফকির (২৭) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত পারভেজ ফকির (২৭) কালিয়া থানাধীন সুক্তগ্রাম সাকিনের মৃত লিয়াকত ফকিরের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সকাল দশ টার দিকে নড়াগাতি থানাধীন মাউলি ইউনিয়নের অন্তর্গত মহাজন ফেরিঘাটের রাস্তার উপর থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দিন এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) পুলক চন্দ্র মন্ডল ও এসআই (নিঃ) মোঃ মফিজ মোল্লা সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে পারভেজ ফকির (২৭) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীর নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য বিশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াগাতি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
    নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দিন বলেন, নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।