Blog

  • ধামইরহাটে এডভোকেসি নেটওয়ার্ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে এডভোকেসি নেটওয়ার্ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট প্রতিনিধি:

    ধামইরহাটে এডভোকেসি নেটওয়ার্ক কমিটি (এএনসি) এর ষান্মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ মার্চ সকাল ১১ টায় ধামইরহাট ভবনে খ্রিষ্টান এইড এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় ওয়েভ ফাউন্ডেশন ‘পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায় ও বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে। এএনসি নেটওয়ার্ক কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মন্ডলের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের ডিভিশনাল এ্যাসিসটেন্ট ফ্যাসিলিটেটর সুদীপ কুমার ঘোষ, ইউপি সদস্য আবু মুছা, মামুনুর রশীদ, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য রেবেকা পারভীন, রওশন আরা, সংস্থার উপজেলা প্রতিনিধি জিহিস্কেল সরেন, সাংবাদিক আবু মুছা স্বপন, হারুন আল রশীদ, উপজেলা পারগানা সেবাস্তিয়ান হেমরম, শিক্ষক লাঝারুষ মার্ডি, নারী নেত্রী বেলী খাতুন, শিক্ষার্থী মুরাদুজ্জামান মুরাদ, জাহিদ ইকবাল, আশেয়া সিদ্দিকা প্রমুখ।

    আবুল বয়ান ।।

  • তারাগঞ্জ কাপড় মার্কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি অগ্নিকাণ্ড আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

    তারাগঞ্জ কাপড় মার্কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি অগ্নিকাণ্ড আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

    খলিলুর রহমান- নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    তারাগঞ্জ “বাজার কাপড় মার্কেট” এর ভিতরে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ইলেক্ট্রিক শর্ট সার্কিটের ফলে অগ্নিকাণ্ডের মত দূর্ঘটনা হলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে ঝুঁকিতে দাঁড়িয়ে আছে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি, টিনের চালার উপরিভাগ জরাজীর্ণ তবুও চাল ঘেঁষে ৫০টির বেশি দোকানে দেয়া হয়েছে গ্রাহক সংযোগ।

    সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পুরো “বাজার কাপড় মার্কেট” প্রতিটি কাপড় ব্যবসায়ির দোকান সারিবদ্ধ ও গা ঘেঁষে তৈরি। দোকানগুলো চলতি রমজান ও আগত ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বাহারি ও আধুনিক কাপড়ে পরিপূর্ণ ও সজ্জিত। বৈদ্যুতিক খুঁটির এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাপড় ব্যবসায়ীরা আছেন আতঙ্কে। বিগত সময়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক কাপড় সহ সাধারণ ব্যবসায়ি।

    তথ্য মতে, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিটি “বাজার কাপড় মার্কেট” এর গার্মেন্টস ব্যবসায়ি জনক রায়ের দোকানের ভিতরে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি, বারবার বলা সত্ত্বেও কোন উদ্যোগ নেয়নি তারাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কর্তৃপক্ষ। ব্যবসায়িদের দাবি এবার যদি আমরা কোনভাবে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হই তাহলে আর ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা থাকবে না। ব্যবসায়িগণের পূনরায় আহ্বান, বৈদ্যুতিক ও বাজার পরিচালনা কমিটির সংশ্লিষ্ট সকলে যেন ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিটি দ্রুত অপসারণ করার ব্যবস্থা করেন।

    কাপড় ব্যবসায়ি মোঃ লিমন হোসেন বলেন, সারা দেশে যেভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে আমরা আল্লাহ্’র অশেষ রহমতে কিছুদিন ধরে ভালই আছি, বিগত সময়ে বেশ কয়েকবার অগ্নিকাণ্ডে আমরা যে পরিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি, তা পুষিয়ে উঠে ভালো আছি- আলহামদুলিল্লাহ্।

    তবে ভয়ে আছি ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিটি নিয়ে, বিভিন্ন ভাবে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, বাজারের এই সমস্যাটি অবগত থাকলেও সমাধানে আসেনি। আমাদের জনবান্ধব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুবেল রানার মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। যেন ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিটি অপসরনে মাধ্যমে “বাজার কাপড় মার্কেট” আমাদের ব্যবসায়িক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

  • শার্শার অগ্রভুলোট সীমান্ত থেকে ৫ কেজি সোনা সহ পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার

    শার্শার অগ্রভুলোট সীমান্ত থেকে ৫ কেজি সোনা সহ পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার

    আজিজুল ইসলাম: যশোরের শার্শার অগ্রভুলোট সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে ৪ দিন পর বুধবার সকালে মশিয়ার রহমান (৫৫) নামে এক সোনা পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বিজিবি। মশিয়ার রহমান হরিশ্চন্দ্র পুর গ্রামের বুড়ো মোড়লের ছেলে।

    বুধবার দুপুরের সময় এ মরদেহটি অগ্রভুলোট দক্ষিণ পাড়া সীমান্তের ইছমতি নদীতে ঘাসকাটা লোকজন ভাসতে দেখে বিজিবিকে খবর দেয়। বিজিবি এসে মরদেহটি উদ্ধার করেন। এসময় মরদেহের শরীরে বাঁধা ৫ কেজি ২শ গ্রাম ওজনের ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

    খুলনা ২১ বিজিবির সিও লে. কর্নেল খুরসিদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ১০মার্চ বিকেলে একটি স্বর্ণের চালান নিয়ে ইছামতি নদী দিয়ে ভারতের পিপলি সীমান্তে প্রবেশকালে নদীতে ডুবে যান মশিয়ার। গত ৩ দিন ধরে সীমান্তের ইছামতি নদীতে তার মরদেহ উদ্ধারে বিজিবি, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) চেষ্টা চালায়। তবে ভারত অংশে প্রবেশে বিএসএফ বাধা দেওয়ায় ডুবুরিরা মরদেহ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। অবশেষে ৪ দিন পর সকালে ঘটনাস্থল থেকে দেড় কিলোমিটার দূরেঅগ্রভুলোট সীমান্ত এলাকায় মরদেহটি ভেসে ওঠে।

    স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে বিজিবি ও পুলিশকে খবর দেয়। এদিন দুপুরে বিজিবি সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করে শার্শা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

    জামাল ও রহিম বক্স নামে দুজন চোরাকারবারি মশিয়ারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিযে গিয়েছিল বলে জানায় মশিয়ারের স্বজনেরা।

    স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তবিবর রহমান বলেন, নদীতে ভেসে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ ও যশোর ডিবি পুলিশ চেষ্টা করছে।

    উদ্ধারকৃত স্বর্ণ যশোর ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হবে বলে জানান ওসি মনিরুজ্জামান।

  • উজিরপুরে  পথচারীকে চাঁপা দিয়ে বাস পুকুরে, দুই লাশ উদ্ধার

    উজিরপুরে পথচারীকে চাঁপা দিয়ে বাস পুকুরে, দুই লাশ উদ্ধার

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

    বরিশালের উজিরপুরে পথচারী কিশোরকে চাঁপা দিয়ে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে পড়েছে। এ ঘটনায় পথচারীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদুজ্জামান জানিয়েছেনে। বাসের ১৫ যাত্রী আহত হয়েছে।
    নিহত একজনের পরিচয় নিশ্চিত করে পরিদর্শক। তিনি হলেন উজিরপুর উপজেলার সানুহার গ্রামের বাসিন্দা মো. বেল্লাল সরদারের ছেলে সুমন সরদার (১৫)।
    পরিদর্শক তৌহিদুজ্জামান বলেন, যশোর থেকে সকাল ৬ টায় বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে চাকলাদার পরিবহনের একটি বাস। বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের সানুহার এলাকায় পৌছুলে রাস্তা পার হতে যাওয়া সুমনকে চাঁপা দেয়। পরে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের উপর সজোরে আছড়ে পড়ে। এতে গাছটি ভেঙ্গে বাস পুকুরে পড়ে যায়।
    পরিদর্শক জানান, পুকুরের মধ্যে বাসের নিচে চাঁপা পড়ে থাকা অজ্ঞাত একজনের লাশ রয়েছে। সেই লাশ উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। বাস সম্পূর্ন উদ্ধার করা না হলে কতজন মারা গেছে নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।
    এখন পর্যন্ত ২ জন নিশ্চিত হওয়া গেছে জানিয়ে পরিদর্শক বলেন, বাসে থাকা অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হয়েছে। তারা বিভিন্ন চিকিৎসা নিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বর্তমানে উদ্ধার কাজ চলছে।

  • নড়াইল পুলিশ লাইনস্ জামে মসজিদের দোতলার কাজের শুভ উদ্বোধন

    নড়াইল পুলিশ লাইনস্ জামে মসজিদের দোতলার কাজের শুভ উদ্বোধন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল পুলিশ লাইনস্ জামে মসজিদের দোতলার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। পুলিশ সুপার প্রথমে জেলার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ ও মসজিদের সভাপতির সাথে প্রাথমিক নির্মাণ কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দোতলা নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। পরে পুলিশ লাইনস্ জামে মসজিদের পেশ ইমাম কর্তৃক পরিচালিত মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
    মঙ্গলবার (১২ মার্চ) পুলিশ লাইনস জামে মসজিদের নিচতলায় নামাজে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই নড়াইল জেলা পুলিশ এবং পুলিশ লাইনস কেন্দ্রিক এলাকার মানুষের স্বপ্ন ছিল মসজিদটি দোতলা করার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং আন্তরিকতায় মাহে রমজান মাসের প্রথম দিনে শুভ সূচনা হলো।
    এ সময় তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); জনাব মীর শরিফুল হক, ডিআইও-১; শাহ্ দারা খান, ইনচার্জ, সিসিআইসি; জনাব মোঃ সাবিরুল আলম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা; মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, সদর থানা, মোঃ আব্দুল হোসেন, আর আই, নড়াইলসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • লালমনিরহাটে গাঁজা, ও বাইসাইকেলসহ গ্রেফতার ১

    লালমনিরহাটে গাঁজা, ও বাইসাইকেলসহ গ্রেফতার ১

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    গত(১১ই মার্চ) ২০২৪ইং সোমবার লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ)/এ এস এম মাহমুদুল হাসান এএসআই আব্দুল বারী, কং৬৯১ মোঃ রাশেদ মিয়া, কং৮২মোঃ:বেলাল হোসেন, কং১৭৬মো:আশরাফুল ইসলাম, ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিশেষ অভিযানে সদর থানাধীন চরকুলাঘাট আল-মদিনা মসজিদ সংলগ্ন কুলাঘাট হইতে ফুলবাড়ি গামী পাকা রাস্তার উপর হইতে টায়ারের ভিতর বিশেষ কায়দায় আলম মিয়া(৪০) ,একটি বাইসাইকেলে ১কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা বহন করার সময় উপরোক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে লালমনিরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু হয়। লালমনিরহাট গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার চরকুলাঘাট আল-মদিনা মসজিদ সংলগ্ন কুলাঘাট হইতে ফুলবাড়ি গামী পাকা রাস্তার উপর হইতে একটি বাইসাইকেলে ০১(এক)কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ এক জনকে গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • র‌্যাবের পৃথক যৌথ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত চার আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের পৃথক যৌথ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত চার আসামী গ্রেফতার

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকা, ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৮ ও ১৪ এপিবিএন কর্তৃক যৌথ অভিযান পরিচালনা করে সাজাপ্রাপ্ত এবং ওয়ারেন্টভুক্ত চারজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন,উখিয়ার ৮নম্বর ক্যাম্পের/ডব্লিউ ব্লক-এ/২৯ এর বাসিন্দা জাফর উল্লাহর ছেলে রোহিঙ্গা রহিম উল্লাহ(৩৫), কুতুপালং ৪ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক-এ/১১ এর বাসিন্দা মোঃ রশিদের ছেলে আতাউল্লাহ(২২),উখিয়া ৮নম্বর ক্যাম্পের মেইন ব্লক-ডি, -৮/ডব্লিউ এর বাসিন্দা মোহাম্মদ প্রকাশ ওলা মিয়ার ছেলে হাশিম উল্লাহ প্রকাশ মাষ্টর হাশিমুল্লাহ(২৯) ও টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ওয়াব্রাং এলাকার মোঃ সৈয়দ নুরের ছেলে সেলিম মিয়া (২৯)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও
    সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
    মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
    তিনি জানান,উখিয়া থানার মামলা নং-৩৪ তাং ৭/০২/২২, ধারা-১৪৩/১৮৬/৩৩২/৩৫৩ পেনাল কোড ১৮৬০ এবং জিআর নং-২৪৫/২২, ধারা-৩৬(১) এর ১০(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ মোতাবেক পলাতক আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার তৎপরতা অব্যাহত রাখে। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার (১১ মার্চ) রাতে
    র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এবং ৮ ও ১৪ এপিবিএন কর্তৃক ১৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে বর্ণিত মামলার পলাতক আসামী রহিম উল্লাহ(৩৫) (রোহিঙ্গা), আতাউল্লাহ(২২), (রোহিঙ্গা) এবং হাশিম উল্লাহ প্রকাশ মাষ্টর হাশিমুল্লাহ(২৯), (রোহিঙ্গা) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
    এছাড়া অপরদিকে, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ভোরে
    র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের পৃথক আরেকটি অভিযানে টেকনাফ থানার মামলা নং-৮৮, তারিখ ২৬/০২/২০২২, জিআর নং-১৮৮/২২, প্রসেস নং-১৭৮৩১/২১, ১০(গ)/৪১ এর ৩৬(০১) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ মোতাবেক মাদক মামলার পলাতক আসামী সেলিম মিয়াকে টেকনাফ থানাধীন ওয়াব্রাং এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীরা নিজেদেরকে সংশ্লিষ্ট মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী বলে স্বীকার করে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল।

    তিনি আরো জানান,গ্রেফতারকৃত আসামীদের সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ ও বিয়ারসহ আটক-১

    টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ ও বিয়ারসহ আটক-১

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৪ বোতল বিদেশী মদ ও ১১০ বিয়ার ক্যান বিয়ারসহ এক মহিলা মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা।

    আটককৃত মাদক কারবারী হলেন, টেকনাফ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড উত্তর জালিয়া পাড়ার
    দীঘির পূর্ব পাশে (আলম শাহের বাড়ি) এর
    আলমগীর প্রকাশ আলম শাহের মেয়ে ও নুর কায়েসের স্ত্রী শাবনুর প্রকাশ মনি (২৬)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও
    সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
    মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
    তিনি জানান, রবিবার (১১ মার্চ) রাতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়া এলাকাস্থ জনৈক মৃত আবুল কালামের বসত ঘরের ভিতর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্যসহ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের আভিযানিক দল উক্ত স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উক্ত ঘর থেকে কৌশলে পালানোর একপর্যায়ে র‌্যাবের আভিযানিক দল এক মহিলা মাদক কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত শাবনুর প্রকাশ মনি উক্ত বসত বাড়ির রান্না ঘরের ভিতর বিক্রির উদ্দেশ্যে বিদেশী মদ ও বিয়ার মজুদ রয়েছে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক আটককৃত মহিলার দেহ ও রান্না ঘর তল্লাশী করে ১৪টি বিদেশী মদের বোতল (যার প্রতিটি বোতলের গায়ে ইংরেজীতে MANDALAY RUM লেখা আছে) এবং ১১০ ক্যান বিয়ার (যার প্রতিটি ক্যানের গায়ে ইংরেজীতে ANDAMAN GOLD LAGER SPECIAL BEER ALC 6.5% ABV লেখা আছে) উদ্ধার করা হয়।
    জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত শাবনুর প্রকাশ মনি জানায় যে, সে ও তার স্বামী দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারের সাথে জড়িত। তারা পরস্পর যোগসাজসে টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে বিয়ার ও বিদেশী মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে থাকে। পরবর্তীতে নিজেদের হেফাজতে বসত বাড়ি ও রান্না ঘরের বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্য লুকিয়ে মজুদ রাখে এবং তাদের সুবিধামত সময়ে বেশি দামে মজুদকৃত মাদকদ্রব্য স্থানীয় এলাকাসহ জেলার অন্যান্য স্থানেও বিক্রয় করে আসছিল বলে জানায়।

    তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত আলামতসহ আটককৃত মহিলা মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে চোরাইমালসহ চোর সিন্ডিকেটের ৮ জন গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে চোরাইমালসহ চোর সিন্ডিকেটের ৮ জন গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল এলাকা হতে চোরাইমালসহ চোর সিন্ডিকেটের ০৮ জন সক্রিয় সদস্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ২। ইং ১১ মার্চ ২০২৪ খ্রি. রাত্রী ০২.০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন ধোপাকান্দি গ্রামস্থ হাটিকুমরুল টু ঢাকাগামী মহাসড়কের এরিস্টোক্রেট হোটেলের বিপরীত পার্শে জনৈক মোঃ ফরিদুল ইসলামের ৫তলা বিল্ডিংয়ের নীচতলায় অভিযান পূর্বক উক্ত গোডাউনের মালিক ধৃত আসামী নুর ইসলামের নিকট ট্রাক ড্রাইভার জসিম ও খোরশেদদ্বয় ৩৯১ কেজি চোরাই রোড বিক্রয় করার সময় হাতেনাতে ধৃত করা হয়। একই এলাকায় আসামী আশরাফুলের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী ইমরান এর নিকট হতে সরকারী খাদ্য গুদামের ছয় বস্তা চাল যার ওজন ১৮০ কেজি, আসামী আলমগীর এর নিকট হতে ৩৭ কেজি চোরাই গম, এবং ধৃত আসামী মোঃ হাফিজুল ইসলাম ও মোঃ মিরাজুল ইসলাম এর নিকট হতে সর্বমোট ৯০ কেজি কয়লা ও ৮৪,৪০০/- নগদ টাকা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় তাদেরকে হাতেনাতে ধৃত করা হয়। ধৃত আসামীগণ চোর সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীন পণ্য (রড, গম, চাল, কয়লা) পরিবহণকালে মালিকের অগোচরে ট্রাক হতে অসাধূভাবে চুরি করে বিক্রয় করে আসছে। ধৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে তাদের সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া যায়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৫), দোকানদার, পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং- সরাতুল, থানা-উল্লাপাড়া, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ২। মোঃ হাফিজুল ইসলাম (২১), দোকানদার, পিতা-মোঃ আমিনুল ইসলাম, সাং- বাশুলিয়া, থানা-রায়গঞ্জ, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ৩। মোঃ মিরাজুল ইসলাম (২১), দোকানদার, পিতা-মুকুল হোসেন, সাং- ধোপাকান্দি, থানা-সলঙ্গা, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ৪। মোঃ নুর ইসলাম (২৬), দোকানদার, পিতা-মোঃ আব্দুর রশিদ, সাং- ধোপাকান্দি, থানা-সলঙ্গা, জেলা-সিরাজগঞ্জ, ৫। মোঃ ইমরান হোসেন (৩৫), ড্রাইভার, পিতা-মৃত আব্দুল মালেক, সাং- ইটাখোলা বাজার, থানা-ক্ষেতলাল, জেলা-জয়পুরহাট, ৬। মোঃ আলমগীর হোসেন (২৪), ড্রাইভার, পিতা-হাইকুল ইসলাম, সাং-রাজারামপুর ফকিরপাড়া, থানা-ফুলবাড়ি, জেলা-দিনাজপুর, ৭। খোরশেদ আলম (৩০), ড্রাইভার, পিতা-মোঃ জামাল উদ্দিন, সাং-ভুজারীপাড়া, ৮। মোঃ জসিম উদ্দিন (২৪), ড্রাইভার, পিতা-হাফেজ আলী, সাং-পশ্চিম মলানী, উভয়ের থানা- পঞ্চগড় সদর, জেলা-পঞ্চগড়।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিগণ পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীণ পণ্য (রড, গম, চাল, কয়লা) দেশের বিভিন্ন স্থান হতে ট্রাকে লোড করে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন ধোপাকান্দি এলাকার মহাসড়কের উভয়পাশের্^ রাস্তা সংলগ্ন কিছু স্থায়ী/অস্থায়ী টিনশেড ও পাকা বিল্ডিংয়ের দোকানঘরে কালোকাপড় দিয়ে ঢেঁকে সেখানে ট্রাক প্রবেশ করতঃ পণ্য চোরাইভাবে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    তথ্য দিন :-
    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়ড্রন লীডার

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ।

  • সৈয়দপুর, নীলফামারী তে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

    সৈয়দপুর, নীলফামারী তে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    সৈয়দপুর, নীলফামারী তে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ২৮,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর ও উপজেলা প্রশাসন, সৈয়দপুর, নীলফামারী এর উদ্যোগে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করা হয়:
    ১. মেসার্স হিরো স্টোর, করিম মোড়, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ৪০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ২. মেসার্স সুলতান ট্রেডার্স, শহিদ জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ৩০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৩. মেসার্স আমান স্টোর, শহিদ জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী তে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ২০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৪. মেসার্স আবিদ স্টোর, শহিদ জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয়/পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ৪০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৫. মেসার্স হোমায়রা স্টোর, ইসলামবাগ সৈয়দপুর, নীলফামারী তে মেয়াদ উত্তীর্ন পন্য বিক্রয় করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন-২০০৯ এর ৫১ ধারায় ৪০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৬. মেসার্স লাকী ট্রেডার্স, শহিদ জহুরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে মোড়কজাত সনদ ব্যতিত পন্য বিক্রয় /পরিবেশন করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮ এর ২৪(১)/৪১ ধারায় ১০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
    ৭. মেসার্স সনু স্টোর, সৈয়দপুর, নীলফামারীতে অনুমোদন বিহীন মেহেদি বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫২ ধারায় ১০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।

    উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে মেয়াদ উত্তীর্ন ও অনুমোদন বিহীন পন্য জব্দ করা হয় এবং উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে সকলের উপস্থিতিতে জব্দকৃত মালামাল ধ্বংস করা হয়।

    উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটিং হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস রংপুর এর পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌ: মোঃ আহসান হাবীব এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌ: মোঃ তাওহিদ আল আমিন ও সৈয়দপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ আলতাফ হোসেন সরকার।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।