Blog

  • আশুলিয়ায় স্টারলিং স্টাইলস লিঃ পোশাক কারখানা খোলে দেয়ার দাবীতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

    আশুলিয়ায় স্টারলিং স্টাইলস লিঃ পোশাক কারখানা খোলে দেয়ার দাবীতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের সরকার মার্কেট এলাকায় স্টারলিং স্টাইলস লিঃ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থল কারখানাটি খোলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন।

    শুক্রবার (১৫ মার্চ ২০২৪ইং) সকাল ১০টার দিকে স্টারলিং স্টাইলস লিঃ কারখানার প্রায় পাঁচ শতাধিক শ্রমিক ঈদের আগে তাদের কর্মস্থলে যোগদান করার ইচ্ছা পোষণ করে কারখানা খোলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন। এসময় মোছাঃ রাজিয়া বেগম নামের এক শ্রমিক বলেন, কিছু দুষ্কৃতিকারী কারখানার ভেতরে মারামারি করেছে, দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অপরাধের শাস্তি হোক, আর ঈদের আগে আমরা চাই না কারখানা বন্ধ থাক, দ্রুত কারখানাটি খোলে শ্রমিকদের কাজে যোগদান করার জন্য কারখানার মালিকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    এ বিষয়ে আরো একাধিক শ্রমিক বলেন, গত ৭ মার্চ কিছু দুষ্কৃতকারী স্টাফদের লাঞ্চিত করাসহ মারপিট ও কারখানা ভাংচুর করে, এর কারণে আমাদের কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়, গত ৭ তারিখ থেকে শুক্রবার ১৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ। সামনে ঈদ তাই মালিক পক্ষকে আমরা অনুরোধ করছি, আগামীকাল শনিবার থেকে কারখানাটি খোলে দেয়া হোক, তা নাহলে আমরা রাস্তায় বের হয়ে আন্দোলন করবো। গত ৭ মার্চ কিছু সংখ্যক দুষ্কৃতিকারী কারণে শ্রমিক অসন্তুষ্ট হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এমত অবস্থায় কোম্পানির সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলো ফ্যাক্টরি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ দেওয়া।

    মালিক পক্ষের কর্মকর্তারা বলেন, সকালে আমরা দেখতে পেলাম ফ্যাক্টির সামনে কিছু সংখ্যক শ্রমিক একত্রিত হয়ে মানববন্ধন পালন করতেছে কোম্পানির প্রদত্ত সুবিধাদি মেনে আমরা কাজ করতে ইচ্ছুক , তারা বলছে, অনতিবিলম্বে আমাদের ফ্যাক্টরি খুলে দেওয়া হোক, আমরা কাজ করতে আগ্রহী আমরা চাই না আমাদের ফ্যাক্টরি বন্ধ থাকোক, যারা অন্যায় করছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

    স্টারলিং স্টাইলস লিঃ এর কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান সিনিয়র প্রোডাকশন ম্যানেজার বলেন, উপস্থিত শ্রমিকদেরকে আশ্বস্ত করলাম আমি আমার সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের সাথে পরামর্শ করে ফ্যাক্টরি খোলার ব্যবস্থা নেব, এই বলে আমি আমার শ্রমিকদেরকে আশ্বস্ত করায় তারা মানববন্ধন থেকে শান্তিপূর্ণভাবে কারখানার সামনে থেকে সরে যান। তিনি জানান, হয়তো আগামীকাল কারখানা খোলে দেয়া হতে পারে। এ বিষয়ে মালিক পক্ষ ও শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

  • ঠাকুরগাঁও জেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায়

    ঠাকুরগাঁও জেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায়

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    ঠাকুরগাঁও জেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায় ২ টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা।

    অদ্য ১৩.০৩.২০২৪ খ্রিস্টাব্দে জেলা প্রশাসন, ঠাকুরগাঁও এবং বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও জেলায় একটি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

    উক্ত ভ্রাম্যমান আদালতে- মেসার্স ইয়াকুব ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ, হরিহরপুর, রহিমানপুর, সদর, ঠাকুরগাঁও কে সিএম লাইসেন্স গ্রহণ না করে মানহীন লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে ২৫ হাজার টাকা এবং মেসার্স আনন্দ বেকারী, শহীদ মোহাম্মদ আলী সড়ক, সদর, ঠাকুরগাঁও কে মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণ না করে পণ্য বিক্র‍য় বা পরিবেশন করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    উক্ত ভ্রাম্যমান আদালতটি পরিচালনা করেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তারেক হাসান তাহসিন। প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী আহসান হাবীব এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌশলী মোঃ তাওহিদ আল-আমিন

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • নড়াইলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    নড়াইলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি,

    নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশের অভিযানে ছয় মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার।উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (১২ মার্চ’) বিকালে এনআই এক্টের মামলায় ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৬,০০,০০০/- টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ সম্রাট মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ সম্রাট মোল্লা নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার বয়রা গ্রামের মশিয়ার মোল্লার ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইলের লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায় এর তত্ত্বাবধানে এএসআই (নিঃ) বাচ্চু শেখ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইলের লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • তেঁতুলিয়ায় সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাসে তথাকথিত নৈশ্য প্রহরী মোফাজ্জল

    তেঁতুলিয়ায় সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাসে তথাকথিত নৈশ্য প্রহরী মোফাজ্জল

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাসে বসে চুড়ান্ত যাঁচের শুনানি কাজ করতে দেখা গেছে তথাকথিত নৈশ্য প্রহরী মোফাজ্জল হোসেনকে। সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরের দিকে সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাস যেখানে বসে একজন সহকারী কিংবা উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার তাঁর বিচার কার্যক্রম চালিয়ে থাকেন ঠিক সেই বরাবরে বসে এই কার্যক্রম চালানোর ঘটনাটি ঘটে। এছাড়াও মোফাজ্জলকে উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় আপত্তি কেস শুনানি ও আপীল কেসের শুনানিতে কপিস্ট কাম বেঞ্চ সহকারী (বিসি) হিসেবেও কাজ করতে দেখা গেছে।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মোফাজ্জল দীর্ঘদিন যাবৎ ওই অফিসে কাজ করার এক পর্যায় সু-সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর প্রায় ৪বছর আগে সু-সম্পর্কের ফাঁকফোকরে দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে নৈশ্য প্রহরীর কাজ নেন অফিসে। পরে শুরু করেন যত অনিয়ম-দুর্নীতি। সাম্প্রতিক তাঁর হাত শক্তিশালী করতে অফিসের ভিতরে যুক্ত করান আপন ভাই সুলতান আলীকে। কেউ যেন তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে সাহস না পান পরিচয় দেন তিনি একজন আওয়ামী লীগ কর্মী। এদিকে তাঁর ভাই সুলতান আলীও দল ক্ষমতায় রয়েছেন। বর্তমানে মোফাজ্জল ও তাঁর ভাই ওপেন সিক্রেটে সেটেলমেন্ট অফিসের ভিতরে অনিয়ম ও দালালি করে আসছেন। আরও জানা যায়, আপত্তি কেস শুনানি ও আপীল কেসের শুনানি শুরু হলেই শালবাহান রোড মাঝিপাড়া এলাকার সুরত আমিন, কাজী গছ এলাকার নজরুল আমিন, সলেমান, আমানসহ অফিসটি বিভিন্ন দালালে ভরপুর হয়ে যায়। এদিকে নিঃস্ব হতে হয় সাধারন জনগণকে। মোটা অংকের টাকার চুক্তিতে হয় সাধারন মানুষের কাজ।

    মোফাজ্জল হোসেন মুঠোফোনে বলেন, আপনি ভুল দেখেছেন। আমি সাইটে ছিলাম। ৩১ ধারা শেষ হওয়ার পর ফাইনাল প্রিন্ট এর জন্য যে যাঁচ করা হয় তাই করছিলাম।

    পেশকার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ময়নাগুড়ি মৌজার যাঁচের কাজ চলছে। মোফাজ্জল আতাউরের সঙ্গে যাঁচের কাজ করেন। তবে এজলাসে বসে কাজ করাটা ঠিক হয়নি। এ ভুল যেন না হয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    পদবী জানতে পারা যায়নি অফিসের আতাউর রহমান বলেন, ‘মোফাজ্জল আমার পাশে থেকে আমাকে সহযোগিতা করছিলেন। এজলাসের চেয়ারে বসেনি সে স্কুলের মতো ছোট চেয়ারগুলোতে বসেছে। আপত্তি কোনো কেসেন শুনানী হয়নি সেটা ময়নাগুড়ি মৌজার যাঁচের কাজ করা হচ্ছিল।’

    এ বিষয়ে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার ইকবাল হাসান বলেন, তিনি এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

    এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হাসান বলেন, আপনি (সাংবাদিক) ইউএনও স্যারকে জানিয়ে রাখেন। পরে বিষয়টি দেখবেন জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারকে মঠোফোনে কলা করা হলে কলটি রিসিভ হয়নি।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • ময়মনসিংহ সদরবাসীকে উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন এর শুভেচ্ছা

    ময়মনসিংহ সদরবাসীকে উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন এর শুভেচ্ছা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    নতুন চাঁদের পবিত্র মাসের মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা সর্বস্তরের জনগণকে জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। হে… রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে ৩০ দিন সঠিকভাবে রোজা রাখার তৌফিক দান করুন আমিন। নতুন চাঁদের পবিত্র মাসের মাহে রমজানের শুভেচ্ছা বার্তা জানান ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আশরাফ হোসাইন সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
    তিনি বলেন আবারও বছর ঘুরে পবিত্র মাহে রমজান মাস চলেএসেছে। আসুন আমরা সকলে মিলে মহান আল্লাহর কাছে। নিজেদেরকে সমর্পন করি এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি।
    পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে এই মাস মুসলমানদের জন্য খুবই পবিত্র ফজিলতের একটি মাস। এ মাসে সকল মুসলিম নারী পুরুষের এক মাস রোজা রাখে সারা পৃথিবীর ইসলাম ধর্মের মানুষ এই পবিত্র রমজান মাসের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আশরাফ হোসাইন।
    তিনি বলেন এই মাস মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। যদি রাখো রোজ… মন হবে তাজা। যদি পড় নামাজ… শক্ত হবে সমাজ। যদি পড় কোরআন, শক্ত হবে ঈমান। আমাদের সকলেই প্রতিদিনের রুটিন মাফিক জীবনের সঙ্গে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পানাহার থেকে নিজেকে বিরত রাখা পাশাপাশি নফল ইবাদতের মাধ্যমে ব্যস্ত থাকেন সবাই।

    রোজা বা সিয়াম হচ্ছে ইসলামের ৫ টি ফরজের মধ্যে ৩ নম্বর ফরজ। মহান আল্লাহ তাআলা সকল মুসলমান ব্যক্তির জন্য রোজা ফরজ করেছেন। মুসলিমদের জন্য রমজান মাস আল্লাহ পাকের এক অশেষ নিয়ামত। যা লিখে বুঝানো সম্ভব নয়। রমজান মাস এলে বেহেস্তের দরজা খুলে দেওয়া হয়,, দোযখের দরজা বন্ধ হয়ে যায় এবং শয়তানদের বেঁধে ফেলা হয়।

    আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহ মাফ করার জন্য বিশেষ একটি মাস লা এই রমজান মাসে আমাদের বেশি বেশি ইবাদত করার তৌফিক দান করুন। সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সামনে যা আসছে রোজার দিন, খারাপ কাজ ছেড়ে দিন, ভালো কাজে যোগ *দিন, রোজা রাখবো ৩০ দিন, ইবাদত করব প্রতিটি দিন। আসুন আমরা সকলে মিলে মহান আল্লাহর কাছে নিজেদেরকে ল সমর্পন করি এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি

  • “জেগে ওঠো বাংলার বিবেক” এবার নকলার সাংবাদিক রানা’কে নিয়ে প্রতিবাদি গান লিখলেন সুমন  গাইলেন রহিত

    “জেগে ওঠো বাংলার বিবেক” এবার নকলার সাংবাদিক রানা’কে নিয়ে প্রতিবাদি গান লিখলেন সুমন গাইলেন রহিত

    সুমন তালুকদার,
    শেরপুরের নকলার দৈনিক দেশ রূপান্তরের সাংবাদিক রানা ইউএনও অফিস বরাবর তথ্য আইনে তথ্য চাইলে তথ্য না দিয়ে উল্টো ভ্রাম্যমান আদালত মাধ্যমে তারা রানাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ ঘটনার পর-পরই বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশ অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সারাদেশে একযোগে সাংবাদিক রানাকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদের একটা ঝড় তোলেন।

    সেই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর সাংবাদিক রানা’কে নিয়ে একটি প্রতিবাদী গান প্রকাশের ইচ্ছা পোষণ করলে বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশালের গৌরনদীর সাংবাদিক সুমন তালুকদার প্রতিবাদী গানটি লিখেন এবং বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইটি বিষয়ক সদস্য ও বিএমএসএফ, বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কন্ঠশিল্পী রহিত কে গানটিতে কন্ঠ দেওয়ার জন্য বলেন।

    ওই রাতেই রহিত মেধাবি তরুণ কম্পোজার রাব্বি খানের সংগীত আয়োজনে রাতারাতি গানটির চূড়ান্ত রেকর্ড সম্পর্ণ করেন। পরের দিন ভিডিও সহ সুনামধন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আর মিডিয়ার ব্যানারে গানটি প্রকাশ করেন মুহূর্তের মধ্যেই গানটি সারা বাংলাদেশের সাংবাদিকদের মধ্যে ছড়িয়ে যায় এবং ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করে, সকলেই গানটির কথা, সুর ও সংগীত এর ভূয়সী প্রসংশাও করেন।

    উল্লেখ্য, গত বছর ৩০ জুলাই জাতীয় প্রেস কাবে অনুষ্ঠিত বিএমএসএফ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সুমন তালুকদারের কথায় ও রাব্বি খানের সুর ও সংগীতে কন্ঠশিল্পী রহিতের কন্ঠে গাওয়া “তারা চায় অধিকার” শিরোনামে একটি থীম সং উদ্বোধন করেন এবং এবার ২০২৪ মালে বিএমএসএফ এর সহযোগী সংগঠন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির জন্য আরও একটি থীম সং গত ২৮-২৯ ফেব্রুয়ারী কুয়াকাটায় ৭ম কাউন্সিলে অনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন বিএমএসএফ এর প্রতিষ্ঠাতা, ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। এবারের প্রতিবাদী গান “জেগে ্ওঠো বাংলার বিবেক” এ নিয়ে দেশে শুধুমাত্র সাংবাদিকদের নিয়ে লেখা বিএমএসএফ এর উদ্যোগে মোট ৩টি গান প্রকাশিত হলো।

    কন্ঠশিল্পী রহিত বগুড়ার সন্তান। তিনি স্থানীয় একটি দৈনিকে এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত “বাংলা পোর্টালে” সংবাদ সংশ্লিষ্ট কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন। এর আগে ২০০৮ সালে নিজের কথা ও সুরে দেশের খ্যাতনামা সংগীত পরিচালক আমজাদ হাসানের সংগীতায়জনে, ডি-মিডিয়ার ব্যানারে এবং ড্রাগন এন্টারটেইনমেন্ট এর পরিবেশনায় “সু-কন্যা” এ্যালবামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে অভিষেক ঘটে এই কন্ঠশিল্পী’র। তবে বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক গানেই তাকে বেশি কন্ঠ দিতে দেখা যায়। বর্তমানে “বগুড়ার বীর সন্তান” “টোকাই” ও “ভেজামন” “তারা চায় অধিকার” এবং “কলমের শক্তি” সহ প্রায় ডজন খানেক বিষয় ভিত্তিক গানে কন্ঠ দিয়েছেন তিনি। শিঘ্রই এই সকল গানেরও ভিডিও প্রকাশের অপোয় রয়েছে বলে জানা যায়। অসংখ্য গানে কন্ঠ দিয়েছেন এবং অগণিত গানের গীতিকার ও সুরকার তরুণ কন্ঠশিল্পী রহিত। তবে এবারের প্রতিবাদী গান “ জেগে ্ওঠো বাংলার বিবেক” নিয়ে বেশ আশাবাদী তিনি।

    এদিকে প্রতিবাদী এই গানের বিষয়ে বিএমএসএফ ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর ও যুগ্ম সম্পাদক খোকন আহমেদ হিরা বলেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি সব সময় সাংবাদিকদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে পূর্বেও কাজ করে এসেছে ভবিষ্যতেও করবে। তারা সারা দেশের সকল সাংবাদিক কে বিএমএসেফের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

  • ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে পিস্তলসহ ছিনতাইকারী আটক

    ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে পিস্তলসহ ছিনতাইকারী আটক

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ঈশ^রগঞ্জের আঠারবাড়ি থেকে ওয়াসিম আকরাম খান নামের এক ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় পুলিশ ছিনতাইকারীর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি ম্যাগজিন, ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা উদ্ধার করে।

    বুধবার(১৩ মার্চ) বেলা ১১ টায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহম্মদ ভুঞা সাংবাদিকদের সাথে প্রেসব্রিফিং কালে এসব তথ্য জানান। এ সময় ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মাজেদুর রহমানসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    পুলিশের প্রেস ব্রিফিং সুত্রে জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলার মরিচপুর এলাকা থেকে গন্ডা গ্রামের তোফায়েল আহমেদ নামক এক চালকের অটোরিক্সা ভাড়া করে ৩জন যাত্রী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের গাবরকালিয়ান নামক স্থানে নিয়ে আসে। সেখানে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা অটো থেকে নেমে চালকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে অটো ছিনতাই করে নিয়ে যায়। পরে অটো চালকের ডাক চিৎকারে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে আঠারবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও আরাফাত হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগীতায় পুরো এলাকা ঘেরাও করে গাবরকালিয়ান গ্রামের ওমর ফারুকের বাড়ির পেছনের বাশঁঝাড় থেকে ছিনতাইকৃত অটোরিক্সাটি উদ্ধার করে। এসময় ছিনতাইকারী ওয়াসিম আকরাম (৪০) এর দেহ তল্লাশীকরে ৫ রাউন্ড গুলিভর্তি ম্যাগজিনসহ একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করে ।

    পুলিশ জানায়- আসামীর নামে ২০১০ সালে অস্ত্রমামলাসহ মোট ৮ টি মামলা রয়েছে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানায় । আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ তার কিছু সহযোগীর সাথে সশস্ত্র অটো ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে। ছিনতাইকারী ওয়াসিম আকরাম নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার চরখিদিরপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র।

    ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মাজেদুর রহমান জানান, ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া থানায় খুন, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মোট ৮টি মামলা রয়েছে। আসামী র্দীঘদিন ধরে তার সহযোগীদের নিয়ে সশস্ত্র অবস্থায় অটো ছিনতাই ও জমি সংক্রান্ত অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় ছিনতাই ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য সহযোগী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • চেয়ারম্যান রাজিব পটিয়া সম্মিলিত বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের কমিটি গঠিত

    চেয়ারম্যান রাজিব পটিয়া সম্মিলিত বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের কমিটি গঠিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।। পটিয়ায় সম্মিলিত বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদ ১৪৩১ বাংলা কমিটি
    গঠন করা হয়েছে। ১৩ মার্চ (বুধবার) বিকেলে পটিয়া ক্লাব হলে সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন পটিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সরওয়ার কামাল রাজিব, সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ পলাশ ও কার্যকরি
    সদস্য সচিব শিশু সংগঠন কুসুমকলি আসরের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রনব দাশ। সম্মিলিত বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদ ১৪২৬ বাংলার সমন্বয়ক পটিয়া পৌরসভার মেয়র
    আইয়ুব বাবুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব বিশ^জিত দাশের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- বর্ষবরন উদযাপন পরিষদের নির্বাহী সদস্য ও পটিয়ার সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। এতে বক্তব্য রাখেন-নির্বাহী সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দিন আহমদ, আলমগীর আলম, চেয়ারম্যান
    মুহাম্মদ ছৈয়দ, অধ্যাপক মানু বড়–য়া, অধ্যাপক ভগীরত দাশ, চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসিম, মাষ্টার শ্যামল দে, কাউন্সিলর গোফরান রানা, সোহেল
    মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন।
    আগামী ১৩ ও ১৪ এপ্রিল পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বর্ষ বিদায় ও বর্ষ বরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।

  • গৌরনদীতে অপচিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

    গৌরনদীতে অপচিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

    বরিশালের গৌরনদীতে একটি ক্লিনিকে অপচিকিৎসা ও চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলায় দ্বীপায়ন রায় (৯) নামের এক শিশু মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সকাল নয়টার দিকে উপজেলার টিএন্ডটি মোড় সংলগ্ন সিকদার ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত দ্বীপায়ন উজিরপুর উপজেলার কারফা এলাকার দুলাল রায়ের ছেলে।

    নিহতের মেসো (খালু) সুশান্ত অভিযোগে বলেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে জ্বর, বমি ও মাথার উপসর্গ নিয়ে শিশু দ্বীপায়নকে গৌরনদী সিকদার ক্লিনিকের চিকিৎসক সামিউলের অধীনে ভর্তি করা হয়।

    সেখানে একদিন চিকিৎসারত থাকা অবস্থায় দ্বীপায়নের শারিরিক অবস্থার অবনতি হয়। মঙ্গলাবর রাতে শিশু দ্বীপায়ন বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসককে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু স্বজনদের অনুরোধ উপেক্ষা করে চিকিৎসা চালিয়ে যায় ডা. সামিউল।

    বুধবার সকালে দ্বীপায়ন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলে বারবার ওই চিকিৎসক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে ডাকলেও তাতে কর্নপাত করেনি কেউ। অপচিকিৎসা ও দায়িত্বে অবহেলার কারনে সকাল নয়টার দিকে মারা যায় শিশু দ্বীপায়ন।

    এ বিষয়ে জানতে সিকদার ক্লিনিকের মালিক আব্দুল ওহাবের মুঠোফোনে ফোন দেওয়া হলে তিনি একটি মিটিংয়ে আছেন বলে ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

    ওই ক্লিনিকের চিকিৎসক সামিউল ইসলামের ০১৯২১১২৩৫৯৭ নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
    গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানান, খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনিরুজ্জামান জানান, নিহতের পরিবার থেকে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • তেঁতুলিয়ায় সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাসে তথাকথিত নৈশ্য প্রহরী মোফাজ্জল

    তেঁতুলিয়ায় সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাসে তথাকথিত নৈশ্য প্রহরী মোফাজ্জল

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাসে বসে চুড়ান্ত যাঁচের শুনানি কাজ করতে দেখা গেছে তথাকথিত নৈশ্য প্রহরী মোফাজ্জল হোসেনকে। সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরের দিকে সেটেলমেন্ট অফিসের এজলাস যেখানে বসে একজন সহকারী কিংবা উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার তাঁর বিচার কার্যক্রম চালিয়ে থাকেন ঠিক সেই বরাবরে বসে এই কার্যক্রম চালানোর ঘটনাটি ঘটে। এছাড়াও মোফাজ্জলকে উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় আপত্তি কেস শুনানি ও আপীল কেসের শুনানিতে কপিস্ট কাম বেঞ্চ সহকারী (বিসি) হিসেবেও কাজ করতে দেখা গেছে।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মোফাজ্জল দীর্ঘদিন যাবৎ ওই অফিসে কাজ করার এক পর্যায় সু-সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর প্রায় ৪বছর আগে সু-সম্পর্কের ফাঁকফোকরে দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে নৈশ্য প্রহরীর কাজ নেন অফিসে। পরে শুরু করেন যত অনিয়ম-দুর্নীতি। সাম্প্রতিক তাঁর হাত শক্তিশালী করতে অফিসের ভিতরে যুক্ত করান আপন ভাই সুলতান আলীকে। কেউ যেন তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে সাহস না পান পরিচয় দেন তিনি একজন আওয়ামী লীগ কর্মী। এদিকে তাঁর ভাই সুলতান আলীও দল ক্ষমতায় রয়েছেন। বর্তমানে মোফাজ্জল ও তাঁর ভাই ওপেন সিক্রেটে সেটেলমেন্ট অফিসের ভিতরে অনিয়ম ও দালালি করে আসছেন। আরও জানা যায়, আপত্তি কেস শুনানি ও আপীল কেসের শুনানি শুরু হলেই শালবাহান রোড মাঝিপাড়া এলাকার সুরত আমিন, কাজী গছ এলাকার নজরুল আমিন, সলেমান, আমানসহ অফিসটি বিভিন্ন দালালে ভরপুর হয়ে যায়। এদিকে নিঃস্ব হতে হয় সাধারন জনগণকে। মোটা অংকের টাকার চুক্তিতে হয় সাধারন মানুষের কাজ।

    মোফাজ্জল হোসেন মুঠোফোনে বলেন, আপনি ভুল দেখেছেন। আমি সাইটে ছিলাম। ৩১ ধারা শেষ হওয়ার পর ফাইনাল প্রিন্ট এর জন্য যে যাঁচ করা হয় তাই করছিলাম।

    পেশকার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ময়নাগুড়ি মৌজার যাঁচের কাজ চলছে। মোফাজ্জল আতাউরের সঙ্গে যাঁচের কাজ করেন। তবে এজলাসে বসে কাজ করাটা ঠিক হয়নি। এ ভুল যেন না হয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    পদবী জানতে পারা যায়নি অফিসের আতাউর রহমান বলেন, ‘মোফাজ্জল আমার পাশে থেকে আমাকে সহযোগিতা করছিলেন। এজলাসের চেয়ারে বসেনি সে স্কুলের মতো ছোট চেয়ারগুলোতে বসেছে। আপত্তি কোনো কেসেন শুনানী হয়নি সেটা ময়নাগুড়ি মৌজার যাঁচের কাজ করা হচ্ছিল।’

    এ বিষয়ে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার ইকবাল হাসান বলেন, তিনি এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

    এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হাসান বলেন, আপনি (সাংবাদিক) ইউএনও স্যারকে জানিয়ে রাখেন। পরে বিষয়টি দেখবেন জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারকে মঠোফোনে কলা করা হলে কলটি রিসিভ হয়নি।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।