উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//
নড়াইলে অতিরিক্ত দামে গরুর মাংস ও তরমুজ বিক্রি করায় জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুপুরে শহরের রুপগঞ্জ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট শিবু দাস। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, এসময় গরুর মাংস বশি দাম বিক্রি করায় শাহিন গোস্ত ভান্ডারের প্রোপাইটার শাহিন শেখ কে ৫ হাজার ও অতিরিক্ত দামে তরমুজ বিক্রি করায় তরমুজ ব্যবসায়ী হানিফ শেখ কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ বিষয় সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট শিবু দাস বলেন, ‘বাজারে অতিরিক্ত দামে গরুর মাংস ও কেজিত তরমুজ বিক্রি করায় দুই ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ও রমজানের বাজার নিয়ন্ত্রণ পুরা রমজান মাস জুড়ে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Blog
-

নড়াইলে অতিরিক্ত দামে মাংস ও তরমুজ বিক্রি করায় জরিমানা
-

তানোর পুলিশের অভিযানে জুয়ারী আটক
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী তানোর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ ৪ জন জুয়ারীকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৮ মার্চ সোমবার দিবাগত রাতে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিমের নির্দেশনায় এসআই আলতাফ হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে উপজেলার কামারগাঁ ইউপির মালশিরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে চারজন জুয়ারীকে আটক করেন। আটককৃতরা হলেন উপজেলার কামারগাঁ ইউপির মালশিরা গ্রামের মৃত অমুল্য দাসের পুত্র রঘুনাথ দাস (৪৯), আব্দুস সাজসের পুত্র আতাউর রহমান (৩২), সালাউদ্দিন ভুট্টুর পুত্র নাঈম মন্ডল (২০) ও রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের পুত্র সইমুউদ্দীন (৪৮)।
এদিকে ঘটনাস্থল হইতে জব্দকৃত আলামত জুয়া খেলায় ব্যবহৃত তাস= ১০৪টি (একশত চার) (যাহার প্যাকেটের গায়ে ইংরেজীতে DON লেখা আছে), একটি সাদা প্লাস্টিকের চট, যাহার দৈর্ঘ্য ৪৬ ইঞ্চি, প্রস্থ ৩৮ ইঞ্চি, জয়া গোগা আসরে পড়ে থাকা জুয়া খেলার নগদ টাকা, যাহার পরিমান ২,২৭০/- (দুই হাজার দুইশত সত্তর) টাকা। যথাক্রমে (৫০০ X ৩) = ১৫০০/- টাকা, (১০০ X ৬) = ৬০০/- টাকা, (২০ X ৫) = ১০০/- টাকা, (১০X৬) = ৬০/- টাকা, (০৫ X ২) = ১০/- টাকা। -

ময়মনসিংহ সদরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক ছাত্রনেতা মিলন
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
একাদশ জাতীয় সংসদ ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই গ্রামে-গঞ্জে, চায়ের দোকান কিংবা বিভিন্ন আড্ডাখানায় শুরু হয়েছে উপজেলা নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীতা বাছাই নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা।
ব্যতিক্রম ঘটেনি ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার ক্ষেত্রেও।চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে কয়েকজন প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনৈতিক অঙ্গণে মাঠ কাঁপানো ছাত্র নেতা, ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান মিলন আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে উপজেলার সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীর একাধিক নাম শোনা গেলেও মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান মিলনের নামই আলোচনায় আসছে খুব জোরেশোরে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতায় তারুণ্যের গণজোয়ার ও তাঁর বিশাল কর্মীবাহিনী বলে দিচ্ছে জনপ্রিয়তায় মিলন প্রার্থী হলে বিজয় নিশ্চিত।
স্থানীয় বিজ্ঞজনেরা মনে করছেন, ওয়াহিদুজ্জামান মিলন একজন উদীয়মান সাহসী, ত্যাগী, সৎ, নিষ্ঠাবান ও নির্যাতিত ছাত্র নেতা। তিনি ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে উপজেলা পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন উপজেলা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবেন।
উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী সংক্রান্ত বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর কয়েকজন নেতা ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করে বলেন, ছাত্রলীগের সাবেক উদীয়মান ছাত্র নেতা হিসেবে ওয়াহিদুজ্জামান মিলন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ্য প্রার্থী। সকল সম্প্রদায়ের ভারসাম্যতা বজায় রাখতে বা প্রতিনিধিত্বের অংশীদারী করতে পারে তেমন প্রার্থীকেই এবার বাছাই করে নিবে সদর উপজেলার ভোটাররা। সেক্ষেত্রে উপজেলার সর্বস্তরের জনতার পছন্দের প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান মিলন।
ওয়াহিদুজ্জামান মিলন সকলের দোয়া কামনা করে জানান, দলীয় কাজের সবকিছু মূল্যায়ণ করে আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অবশ্যই আমাকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে বেছেে নিবেন। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমর্থন পেলে উপজেলাবাসীর দোয়া থাকলে বিজয় সুনিশ্চিত মনে করেন তিনি। জনসাধারণের দোয়া ও ভালবাসায় নির্বাচিত হলে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সকল সম্প্রদায়ের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন তিনি।
-

উজিরপুরে আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় সভায় এমপি- রাশেদ খাঁন মেনন
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুরে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কমরেড রাশেদ খাঁন মেনন। ১৯ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৪ টায় উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারী , উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম জামাল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান অপূর্ব কুমার বাইন রন্টু, সীমা রানী শীল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য অশোক কুমার হাওলাদার,উজিরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ মহসিন মিয়া লিটন, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাবেক প্রেসক্লাবের সভাপতি আঃ রহিম সরদার , প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন শরীফ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ শওকত আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অয়ন সাহা, উপজেলা সাবরেজিস্টার মোঃ ইমরান খান, উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কপিল বিশ্বাস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ শাহিনুর জামান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইশরাত জাহান, উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা গোলাম মাওলা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, উজিরপুর মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইউসুব হোসেন হাওলাদার, মোঃ নজরুল ইসলাম মাঝি, আওরঙ্গজেব হাওলাদার, আঃ খালেক রাড়ী,বেবি রানী দাস,উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শাহানা পারভীন,উপজেলা পরিসংখ্যান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নুর হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এসময় প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কমরেড রাশেদ খাঁন মেনন বলেন, উপজেলার সকল দপ্তরের সমস্যা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ে রেজুলেশনের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করে অগ্রাধিকার ভিক্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রীদের মাধ্যমে সমাধান করা হবে।
-

নেতা নয়,সেবক হয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চাই-ময়মনসিংহ সদরে সাঈদ
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী,
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মোহ আবু সাঈদ
বলেছেন, ‘আমি সেবক হতে চাই, নেতা হতে চাই না। আমি আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী। আপনাদের সাথে থেকে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’মঙ্গলবার (১৯মার্চ) দিনব্যাপী সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বড়বাড়িতে গণসংযোগ ও মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আলহাজ্ব আবু সাঈদ বলেন, ‘আমরা আপনাদের সহযোগিতা করবো এবং আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। তার জন্য কোনো বাহিনী প্রয়োজন নাই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো। আমরা সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করি না। আমাদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের যারা আছেন তাদেরকে সম্মান করাটা আমাদের শিক্ষা।
তিনি বলেন, আসুন আমরা-আপনারা সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যেতে চাই। সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে একচিন্তা এবং একচেতনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।উল্লেখ্য-ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীরা উপজেলার সর্বত্র মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠক, আলোচনা সভা, পরিচয় সভা, নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। প্রতিটি এলাকায় প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটার, নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষও প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে।
সেই ধারাবাহিকতাশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবু সাঈদ দিন-রাত ব্যাপক গণসংযোগ করছেন। এ সময় তিনি বর্তমান সরকারে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, উপজেলা পরিষদের আগামী উন্নয়ন ভাবনা ও পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছেন। এ ধরনের গণসংযোগের ফলে প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মানুষের সমর্থন পেতে আলহাজ্ব আবু সাঈদ তার নিজস্ব নানা কৌশলে গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। তিনি উপজেলার কুষ্টিয়া,খাগডহর,অষ্টধার, চর ঈশ্বরদিয়া, চর নিলক্ষিয়া, বোররচর ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন সহ প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ সময় তার সঙ্গে থেকে গণসংযোগ কে উৎসবমুখর পরিবেশে রুপ দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আবু সাঈদ বলেন, উপজেলা পরিষদ হচ্ছে জনগনের উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে বর্তমান সরকারে উন্নয়নের সব কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হলে জনগণ উপকৃত হবে। সৎ আর্দশ মানুষ নির্বাচিত হলে জনগণ ভালো সেবা পাবে। তাই জনগণের কল্যাণে কাজ করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই।
-

বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর মনোনীত হলেন উজিরপুর মডেল থানার রাকিবুল ইসলাম
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃবরিশাল জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সামগ্রিক পারফর্মেন্সের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারী মাসের শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর মনোনীত হলেন উজিরপুর মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর রাকিবুল ইসলাম।
১৯ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে জেলার পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম বিপিএম তাকে সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট, তুলে দেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাজহারুল ইসলাম সহ সকল সার্কেল ও বরিশাল জেলার ১০ থানার অফিসার ইনচার্জ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ।
উল্লেখ্য সাব ইন্সপেক্টর রাকিবুল ইসলাম এর আগেও একাধিক বার শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
-

তালতলীতে পুলিশ কনস্টেবলের রাজকীয় বিদায়
বিশেষ প্রতিনিধিঃ অবসরের বিষন্নতা কাটিয়ে ৩৯ বছরের কর্মজীবন শেষে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা পেলেন তালতলী থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্য। আর এই সংবর্ধনা দিলেন থানার (ওসি) শহিদুল ইসলাম মিলন।
মঙ্গলবার বিকাল ৩ঃ০০ ঘটিকায় তালতলী থানা চত্বরে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রফিকুল ইসলামের জন্য এক বিদায় সংবধর্নার আয়োজন করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃশহিদুল ইসলাম মিলন।
এ সময় বরগুনা জেলার তালতলী থানার পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে সাজানো এক গাড়িতে কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়ি পটুয়াখালীতে পৌঁছে দেওয়া হয় মোঃ রফিকুল ইসলাম কে।
ওসির এমন উদ্যোগে খুশিতে আত্মহারা হয়ে বিদায় নেয়ার আগ মুহূর্তে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রফিকুল ইসলাম বলে বিদায়ের বেলায় তেমন কোনও আনুষ্ঠানিকতা থাকে না। তবে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম মিলন স্যারের এমন উদ্যোগ আমাকে কর্মজীবনের শেষে এক সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে। আমরা চাই পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে এভাবেই বিদায় জানানো হোক।
অবসর জনিত পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম বলেন,অবসরজনিত কারনে বিদায় প্রোগ্রাম আজকের দিনটা খুবই ভালো লাগছে। সবার সাথে মিলেমিশে চলে যাচ্ছি এটা আমার কাছে খুবই আমার কাছে আনন্দের। আর বিগত দিনে এভাবে এরকম ছিল না। নতুন ভাবে আরম্ভ হওয়ার পরে আমরা এখন আনন্দ উপভোগ করতেছি। তালতলীতে আড়াই বছর চাকরি জীবন শেষ। করলাম আপনাদের উদ্দেশ্যে আমি একটা কথাই বলবো আপনার ভালো থাকবেন, আমার জন্য দোয়া করবেন এই প্রত্যাশাই করি। কনস্টেবল পদে চাকরির ৩৯ বছর পার করার পরে। এই তালতলী থানা থেকে বিদায় গ্রহণ করলাম এখানে মোটামুটি আমার কাছে ভালো লেগেছে নীরিবিলি জায়গা তালতলীর মানুষ আমায় ভালোবাসে। আমার মনে হয় আমি কারো সাথে খারাপ আচরণ করেনি খুব ভালোভাবে ছিলাম আশা করি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন
তালতলী থানা পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ বশির বলেন, প্রথমে কৃতজ্ঞতা জানাই তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম স্যারকে, অসংখ্য ধন্যবাদ দীর্ঘ ৩৯ বছর চাকরি করার পরে তাকে যে একটা সম্মানজনক বিদায় দিয়েছেন। স্যার এটা আসলে নজিরবিহীন বাংলাদেশের প্রতিটা থানা প্রতিটা ইউনিটে তাদের এটা করা উচিত কারণ আমরা যে যেখানে চাকরি করি
মনে করি আপন ভাই এর মতন। ওসি স্যার এত বড় একটা মহান উদ্যোগ নিয়েছেন তাকে ধন্যবাদ। জানাই অবসরজনিত রফিক ভাই ও আমি পাশাপাশি বেডে ছিলাম রফিক ভাই অত্যন্ত ভালো মানুষ।তালতলী থানার অফিসারস ইনচার্জ বলেন, তালতলী থানায় কর্মরত কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম,তিনি দীর্ঘ ৩৯ বছর পুলিশ বিভাগে চাকরি করেছেন এবং তিনি অবসরজনিতে যাচ্ছেন এই উপলক্ষে আমাদের তালতলী থানা পক্ষ থেকে
তাকে সম্বর্ধনা জানিয়েছে এবং একটা লোক দীর্ঘদিন এই ডিপার্টমেন্টে শ্রম দিয়েছেন জীবন-যৌবন উৎসর্গ, করেছেন এবং ডিপার্টমেন্টের জন্য কাজ করেছেন। এজন্য তাকে আমরা সম্মানজনক ভাবে তাকে এই থানা থেকে আমরা বিদায় দিয়েছি এবং আমাদের সরকারি গাড়িকে সুসজ্জিত করে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।আগামিতেও সবার বিদায় বেলায় সুখস্মৃতি হয়ে থাকার মতো এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
-

উজিরপুরে মাছের ঘেরে তাণ্ডব ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাতলা ইউপি চেয়ারম্যান সহ ১২জনের বিরুদ্ধে মামলা
জুনায়েদ খান সিয়াম,
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ
বরিশালের উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা গ্রামে ঘের নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে গভীর রাতের তাণ্ডব চালিয়ে ছয়টি পানির সেচ পাম্প, ট্রলারে সংযোগ, মুরগির খামারে পানির সংযোগ বিছিন্ন,কয়েক হাজার মিটার প্লাস্টিকের পাইপ ও ঘরবাড়ি ভাংচুর সহ কোটি টাকার মালামাল লুটপাটের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জনকে আসামি করে উজিরপুর মডেল থানা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, ১৭ মার্চ গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড ও লুটপাটের ঘটনায় মোঃ আসাদ হাওলাদের এক নম্বর ও সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদারকে দুই নম্বর আসামি করে মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
মৎস্য ঘের ও মুরগি খামার মালিক ও ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলাদার বাদী হয়ে ১৮ মার্চ উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আসাদ হাওলাদার ও তার ভাই বিএনপি নেতা ইলিয়াস ও কিবরিয়ার নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল ১৭ মার্চ রাত ৩ টার দিকে রুবেল বালি, ইদ্রিস হাওলাদার ও মাহফুজ বালীর মাছ ও মুরগির প্রজেক্টে তান্ডব চালিয়ে ছয়টি সেচ পাম্প ও একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার , পাইপ, টিউবওয়েল সহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এ সময় ভাড়াটি সন্ত্রাসীরা মাইক্রবাস যোগে পালানোর সময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে বাসটিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে । ঘের মালিক রুবেল বালির মুরগির খামার ও মৎস ঘের হইতে পশ্চিম সাতলা মৌজা হইতে পাকা রাস্তা পর্যন্ত স্থানীয় জনগণ ও খামার মালিকদের মুরগি ও মাছের খাদ্য আনার জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয় গত এক মাস যাবত এতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার বাধা প্রদান করেন ।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মার্চ গভীর রাতে আসাদ , ইলিয়াস , কিবরিয়া, রাসেল, জুয়েল, সোহেল, মশিউর বালী, রায়হান, শামীম সহ ৪০-৫০ জনের সশস্ত্র একদল সন্ত্রাসী ট্রলার যোগে প্রজেক্টে ঢুকে খামারের গুদাম লুট করে মাছ ও মুরগির খাবার নিয়ে যায়। শেচ পাম্পের পাইপ কুপিয়ে খন্ড বিখন্ড করে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে।
মামলার বিষয়ে সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার জানান, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে আমরা আদালতের মাধ্যমে ১৯ মার্চ সবাই জামিন নিয়েছি ।
-

পাইকগাছা পৌর বাজার যেন ময়লার ভাগাড় ; কতৃপক্ষ নিরব
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা পৌরসভার নির্দিষ্ট কোন ময়লা আবর্জনার ডাস্টবিন না থাকায় যতত্র ময়লা ফেলায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পৌর বাজারে চলাচলকারী মানুষ ও ব্যাবসায়ীরা। বাজার সংলগ্ন নদীর পাড় যেন ময়লা আবর্জনার স্তুপে পরিণত হয়েছে। বিষাক্ত দুর্গন্ধের কবলে ব্যবসায়ীরা সহ সর্বস্তরের জনগণ। দক্ষিণে হাওয়া আসলেই নাকে কাপড় দিয়ে পথ চলতে হয় জন সাধারনের। অপরদিকে পৌর সদরের প্রানকেন্দ্রে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিত্যাক্ত ভবনও ডাস্টবিনে পরিনত হয়েছে। পৌর বাজারে মদিনা মার্কেটের পাশে স্বাস্থ্যবিভাগের একটি উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। তার পাশেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একটি পরিত্যাক্ত ভবন রয়েছে। বর্তমানে ভবনটি ডাস্টবিন হিসাবে ব্যাবহার করছে এলাকাবাসী। পরিত্যাক্ত ওই ভবনের পাশে পৌরসভা একটি ডাস্টবিন তৈরি করেছে। যেখানে সব সময় ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে।যার কারনে রমযান মাসে দূষিত বাতাস আর দূর্গন্ধময় পরিবেশে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পৌর সদরে চলাচলকারী জনগন ও এলাকাবাসী। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা দেখেও না দেখার ভান করছে
পৌর কর্তৃপক্ষ। পরিবেশ দুষিত হলেও কর্তৃপক্ষের নেই কোন মাথা ব্যাথা। মনে হচ্ছে, পাইকগাছা পৌরসভা ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ১ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলার একমাত্র পৌরসভা পাইকগাছা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে দ্বিতীয় শ্রেণী ও পরবর্তীতে প্রথম শ্রেণীতে স্থান করে নিলেও অবকাঠামো কোন উন্নয়ন হয়নি পৌরসভার জনগণের। তারই ধারাবাহিকতায় পাইকগাছা পৌরসভার হাট বাজারের দক্ষিণ পার্শের শিবসা নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে ময়লা আবর্জনার স্তুপ। এর কোল ঘেষে রয়েছে চা পট্টি, কাঁচা বাজার, মুদি ব্যবসায়ীরা, মাছ বাজার, মাংস বাজার সহ পাইকগাছার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। পাশেই রয়েছে ক্লিনিক,পাইকগাছা থানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দুঃখের বিষয় পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীরা বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করে বাজার সংলগ্ন স্থানে ফেলে বাজারকে দুষিত করে ফেলছে। গরু-ছাগল-এর মল-মুত্র, হাঁস-মুরগীর আবর্জনা, মানুষের মল-মুত্র সহ বিভিন্ন আবর্জনা ভ্যান অথবা ট্রাকে করে বাজার সংলগ্ন স্থানে ফেলে আবর্জনার স্তুপে পরিণত করেছে। ময়লা আবর্জনার কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষের কোন দিকে নজর নেই।
আবার বাজারের ব্যবসায়ীদের খুলনা থেকে ট্রলারযোগে আমদানী করা সকল মালামাল উক্ত স্থান নিয়ে ওঠা-নামা করে। যে সমস্ত মালামাল ট্রলার থেকে নামিয়ে ময়লা আবর্জনার উপর রাখতে দেখা যায়। সামান্য বৃষ্টি হলে ও মাঝে মধ্যো পৌর সভার শহর রক্ষা বাঁধ উপচে ময়লা-আবর্জনা ধুয়ে দুষিত গন্ধ পানি বাজারের দোকানপাট ও রাস্তায় প্লাবিত হয়। সে সময় ব্যবসায়ীরা সহ বাজারে আসা সর্বত্র জনগণ রাস্তায় বের হতে পারে না। আবার দখিণা বাতাস এলে বিষক্ত দুর্গন্ধে সাধারণ জনগণ মুখে কাপড় দিয়েও গন্ধ রোধ করতে পারে না। ফলে বিভিন্ন ধরণের রোগ ছড়িয়ে পড়ে। পৌর কর্তৃপক্ষ অদ্যাবধি পর্যন্ত ময়লা আবর্জনা ফেলার কোন নির্দিষ্ট স্থান তৈরী না করায় অপরিকল্পিতভাবে পৌর সদরকে দুষিত করে ফেলা হচ্ছে। এছাড়া মনে করা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা ফেলে শিবসা নদী ভরাট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। আবার ময়লনা আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোন স্থান না থাকায় বাজারের ব্যাবসায়ীদের বিভিন্ন পচা দ্রব্যাদি এখানেই ফেলছে। পৌর সদর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বে নিয়োজিত পরিচ্ছন্নকর্মীরা খামখেয়ালীভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। পৌর কর্তৃপক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা নেই। কেউ খেয়াল করছেন না পৌরসভা ও সাধারণ মানুষের কথা। বাজারের অনেক ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে যে খরিদ্দার আসে তারা নাকে রুমাল অথবা কাপড় বেঁধে এখানে আসে। আমরা তো ব্যবসার স্বার্থে দুর্গন্ধ সহ্য করে নিয়েছি। প্যানেল মেয়র শেখ মাহাবুবুর রহমান রঞ্জু বলেন, পৌর সভার নিজস্ব কোন জায়গা নেই। ময়লা ফেলার ডাম্পিং এর জন্য জায়গা দেখা হচ্ছে। জায়গার ব্যাবস্থা হয়ে গেলে পৌর বাজারের পাশে আর ময়লা ফেলা হবে না। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি জায়গার ব্যাবস্থা হয়ে যাবে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

গলাচিপায় রমজানে দ্বিতীয়বার অসহায় পরিবারকে বাজার ও চিকিৎসা ফ্রী করে দিলো “নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন”
গলাচিপা প্রতিনিধি :
পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড গজালিয়ার নুরুল ইসলাম ’র মেয়ে রেখা বেগম(২৮)। ৫ বছর আগে বিবাহ হলেও স্বামী ফেলে গেছেন ৩ বছর। একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে রেখার।এক ভাই ও এক বোনের সংসারে রেখা যেন ভাইয়ের কাঁধে মরার উপর খারার ঘা। রেখার নিজের নেই কোন আয় বানিজ্য।চলেন ভিক্ষা করে,এর থেকে চেয়ে এনে কোন রকম দিনাতিপাত করছিলেন। অসহায় রেখার তার মেয়েকে নিয়ে ভাইয়ের ঘরের একটি কোনে কোনরকম বসবাস।
এমন অবস্থান দেখে তাকে রমজানের ১ মাসের বাজার করে ও তাদের দুই মা ও মেয়ের ৫ বছরের জন্য চিকিৎসা সেবা ফ্রী করে দিয়েছে “নবজাগরন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন ” ১৯ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১টার সময় তার পরিবারের মাঝে এ বাজার বিতরণ করা হয়।খাবারের মধ্যে চাল চিড়া মুড়ি ছোলাবুট পেঁয়াজ রোশন আদা লবন গরমমসলা সাবান সয়াবিন তেল আলু এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।এসময় উপস্থিত ছিলেন নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. হুজ্জাতুল ইসলাম , গলাচিপা উপজেলা শাখার সহ সভাপতি মোসা: ইরা খাঁন , সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: রিফাত রহমান, প্রচার সম্পাদক আদনান সাকিব, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মো: রাব্বি খাঁন কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এস এম সাইদুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো: রাকিবুল হাসান।
এ বিষয়ে নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি – মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন বলেন , মানুষ মানুষের জন্য – এই কথাটি মনে ধারন করে অসহায়, ও বাক প্রতিবন্ধী রেখা বেগম কে নিজস্ব অর্থায়নে ১ মাসের বাজার করে উপহার দিয়েছি।এছাড়াও তার ও তার মেয়ের আগামী ৫ বছরে সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা ফ্রী তে প্রদান করা হবে। এই ১ মাস পর তার কি অবস্থা হবে সে স্হানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলেছি।নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতে ও আরও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াবে, এছাড়াও ছিন্নমূল পথশিশুদের নিয়ে ইফতারির আয়োজন ও ঈদের সময় তাদেরকে নতুন জামা প্রদান করা হবে । গলাচিপাবাসীর কাছে আমরা দোয়া কামনা করছি সকল অসহায় মানুষের পাশে যেন আমরা সর্বদা এভাবে দাড়াতে পারি।
সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার ফারজানা বলেন, আমরা সত্যিই গর্বিত তাদেরকে সহযোগিতা করতে পেরে। তাদের মতন অসহায় মানুষ আসলেই এই সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য। এমনিতেই অসহায় তার উপর নিজে চলাফেরা করতে পারে না। আমরা নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে এমন অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো।
নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার হুজ্জাতুল ইসলাম বলেন, নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন একটি সামাজিক সংগঠন, এখানের সকল সদস্য একেকজন খুব এক্টিভ সদস্য, সবাই অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। এটি সত্যিই গর্বের বিষয়। আশা করি নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর এমন উদ্যোগ চলমান থাকবে।