Blog

  • আদালতে মামলা করায়  স্ত্রীকে হ*ত্যা চেষ্টা স্বামীর

    আদালতে মামলা করায় স্ত্রীকে হ*ত্যা চেষ্টা স্বামীর

    কে এম সোহেব জুয়েল : আদলতে মামলা করায় স্ত্রীকে সু- কৌশলে মুঠোফোনে ডেকে এনে লঞ্চে তুলে হত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে পালিয়েছেন স্বামী সফিকুল ইসলাম।

    ঘটনাটি ঘটেছে ১৯ মার্চ ( মঙ্গলবার) রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেরে যাওয়া এডভ্যানসার লঞ্চের কেবিনে।

    সফিকুলের স্ত্রী মিতুর মামা জামাল খাঁন জানান গত ৫/৬ মাস পুর্বে তার বোনের মেয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চর হোগলপাতিয়া গ্রামের ভ্যান চালক কবির চৌকিদারের কন্যা মিতুকে ৩ লক্ষ টাকা মহারানা ধার্য করে কাবিন রেজিষ্টারের মাধ্যমে বিবাহ করেন পাশ্ববর্তী গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সরিকল গ্রামের ফল বিক্রেতা সহিদ খানের পুত্র সফিকুল ইসলাম ২২।

    বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য জালাতন করতেন যৌতুক লোভী স্বামী সফিকুল ও তার পরিবারের লোকজন ।সফিকুলের দাবিকৃত যৌতুক স্ত্রী মিতুর অসহায় পরিবার থেকে না পাওয়ায় নিজকে আড়াল করেন সফিক। এ নিয়ে একাধিক বার বসাবসি করেও কোন সমাধান মিলাতে না পেরে সম্প্রতি বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে স্বামী সফিকুল ও তার পিতা সহিদ খানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন স্ত্রী মিতু। এতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে স্বামী সফিকুল ক্ষুদ্ব হয়ে গত ১৯ মার্চ মঙ্গলবার স্ত্রী মিতুকে মুঠো ফোনে ডেকে সু- কৌশলে বরিশালে আনেন লম্পট স্বামী সফিকুল। স্ত্রী মিতুকে নিয়ে সংসার করবে বলে বুঝিয়ে আস্বস্ত করে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেরে যাওয়া এডভ্যানসার লঞ্চের কেবিনে তুলেন এবং মামলা তুলে নেয়ার কথা বলেন মিতুর স্বামী সফিকুল। এ নিয়ে দু জনার মধ্য বাক বিতান্ডার এক পর্যায় মিতুকে এলোপাতাড়ি মারধর ও বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাস রুদ্র করে হত্যার প্রচেষ্টা চালায় লম্পট স্বামী সফিকুল।

    মিতুর ডাক চিৎকার লঞ্চের লোকজন ছুটে আসলে হত্যা প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নিজ জীবন নিয়ে লঞ্চ থেকে পালিয়ে যায় লম্পট সফিক।

    মিতুকে স্হানীয় লঞ্চ যাত্রীরা মুমুর্শ অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন ।

    এ বিষয় সফিকুলের বিরুদ্ধে হত্যা প্রচেষ্টা আইনে মামলা করার কথা জানিয়েছেন মিতুর পরিবারের লোকজন।

  • একজন মানবিক সৎ ও নিষ্ঠাবান সমাজ সেবক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান

    একজন মানবিক সৎ ও নিষ্ঠাবান সমাজ সেবক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান

    স্টাফ রিপোর্টার

    প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা টপকে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। এমনই একজন সমাজ সেবক ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান। যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা টপকে নিজেকে একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ঘাগড়া ইউনিয়নের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান একজন সফল ব্যবসায়ী থেকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী। সদর উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের নেতৃত্বে থেকে শ্রমিকদাবী বাস্তবায়নের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কাজ করছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান। গত ইউপি চেয়ারম্যানে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই ঘাগড়া ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকাজুড়ে কৃষি খাত, শিল্প খাত, পানি সরবরাহ, শিক্ষা, মানব সম্পাদ উন্নয়ন, কুঠির শিল্প, হাট বাজারের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য খাত, সামাজিক নিরাপত্তা, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবহন ও যোগাযোগ খাত এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতিক খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেন। ছাত্র জীবন থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতি সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে আছেন, সকল শ্রেণি পেশার মানুষের ভালবাসায় আজ সফল একজন চেয়ারম্যান। এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সর্বোপরি গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত জনদরদী হিসেবে তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী ছোট বেলা থেকেই একজন সহজ-সরল-সৎ মনের অধিকারী ও মেধাবী মানুষ। যার ফলে ঘাগড়াবাসী তাকে বিপুলভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ঘাগড়ার সর্বস্তরে উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী ও মহতী মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।তিনি এ পর্যন্ত ঘাগড়া বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, শ্মশান, কবরস্থান, সহ বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন সংস্কার করে চলেছেন এবং গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা সঠিকভাবে বিতরণ করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তিনি। আলহাজ্ব সাইদুর রহমান জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কাজ করেছেন বলেই তিনি ইউনিয়ন পরিষদের একজন সফল চেয়ারম্যান। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসহ দিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মানুষের প্রত্যাশা পূরনে নিরর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। তিনি তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারন মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারু ভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এবং আগামীতে ঘাগড়া ইউনিয়নকে উন্নয়নের রুল মডেল করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। সকলের সহযোগীতা পাচ্ছেন। ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ ইউনিয়নের সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। জনসেবার ক্ষেত্রে আপোষহীন এ রাজনীতিবীদ জনবান্ধব ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই কাজে লাগিয়ে তাঁর কর্মকান্ডে মনে হয় তিনি একজন পরিশ্রমী। জনসেবার ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা অনেক। এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা। উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় ঘাগড়া এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মুখ উজ্জ্বল।

  • ডিবি পরিচয়ে টাকা ছিনতাই, শার্শার ৪ সদস্যসহ আটক ৭

    ডিবি পরিচয়ে টাকা ছিনতাই, শার্শার ৪ সদস্যসহ আটক ৭

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে সবজি বিক্রেতার সাড়ে ৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৭ জন ভুয়া ডিবি সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

    বুধবার (২০ মার্চ) রাতে যশোরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে ছিনতাই করার ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

    আটককৃতরা হলেন— ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঘুরিহুদা গাজীর বাজার গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে হারুন অর রশিদ (৩৩), শার্শার টেংরাইল মাঝেরপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলী ছেলে হাসান (২৪), চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মৃত হোসেন মোহাম্মদের গফফারের ছেলে ইসতিয়াক আহম্মেদ (২৪), যশোর সদর উপজেলার খড়কি বর্মন পাড়া এলাকার হানিফের ছেলে রাশেদ হাওলাদার (২৮), শার্শা নাভারণ রেল বাজার এলাকার মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে সোহেল আহম্মেদ বাবু (৩২), একই উপজেলার গোগা গাজিপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে উজ্জল হোসেন (৩০) ও বেনাপোল পুটখালী এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে হাফিজুর রহমান (৩২)।

    যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রুপণ কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, গত ১৬ মার্চ রাতে যশোরে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে আসামিরা সবজি বিক্রেতা সোহাগ ও হাবিবুর রহমানকে অপহরণ করে। পরে তারা তাদের কাছ থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনতাই করে কেশবপুরের একটি মাঠের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। ওই দুই সবজি বিক্রেতা ঘটনার পরের দিন যশোর পুলিশের শরণাপন্ন হলে যশোর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশের সদস্যরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপহরণকারীদেরকে শনাক্ত করে।

    তিনি আরো জানান,আটককৃতরা সবাই অপহরণকারী চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে তাদের কাছ থেকে টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করে আসছিল।

    আটককৃতদের আদালতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।

  • সুন্দরগঞ্জে স্ত্রীকে আত্মহ*ত্যার প্রচারণার দায়ে স্বামী গ্রেফতার

    সুন্দরগঞ্জে স্ত্রীকে আত্মহ*ত্যার প্রচারণার দায়ে স্বামী গ্রেফতার

    গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্রচারণা অপরাধে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ।

    থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ধুমাইটারী গ্রামের মেনহাজ উদ্দিনের মেয়ে মাহমুদার বেগমের সাথে গোপালচরণ গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে আব্দুল মালেকের সাথে ১২ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে ২ সন্তানের জন্ম হয়। তখন থেকে মাহমুদাকে সময়ে অসময়ে মানসিক শারীরিক নির্যাতন করে আসছেন স্বামী মালেক। বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার স্থানীয় ভাবে লোকাল চেয়ারম্যান মেম্বার বসে মিমাংসা করে দেন। একপর্যায়ে ঘটনার দিন বুধবার দিবাগত-রাতে মানিসক নির্যাতণ সহ্য করতে না পেরে মাহমুদা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করেন। পরে আত্বহত্যার প্ররোচনায় পুলিশ স্বামী আব্দুল মালেক কে গ্রেফতার করেন।

    এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এনিয়ে থানায় নিয়মিত মামলা রজ্জু করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত স্বামী মালেককে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • মধুপুর থানা কর্তৃক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মধুপুর থানা কর্তৃক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ- উল- ফিতর ২০২৪ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান এর আয়োজনে মধুপুর থানা চত্বরে বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টায় এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার মধুপুর সার্কেল ফারহানা আফরোজ জেমী। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মো. সিদ্দিক হোসেন খান, থানার সেকেন্ড অফিসার আপেল মাহমুদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আঃ হামিদ, সাধারণ সম্পাদক বাবুল রানা, মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম শহিদ,। এসময় উপস্হিত ছিলেন মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তা,বাস মালিক সমিতি,সিএনজি মালিক ও শ্রমিক সমিতি,স্বর্ণ ব্যাবসায়ী,বিকাশ এজেন্ট, ফিলিং স্টেশন সহ অন্যান্য ব্যবসায়ী সমিতির প্রধানগন উপস্থিত ছিলেন।
    মতবিনিময় সভায় মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, ঈদের সময় চুরি,ছিনতাই, ডাকাতি, প্রতারণা মূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যায়। সে উপলক্ষে ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতা বুদ্ধির লক্ষে আজকের এ আলোচনা সভা। মধুপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মো. সিদ্দিক হোসেন খান বলেন শহরের অপরাধ কারীদের চিহ্নিত করার লক্ষে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ স্হানে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই সিসিটিভি ক্যাম্যেরা স্হাপন করা হবে বলে তিনি জানান। সহকারী পুলিশ সুপার ফারহানা আফরোজ জেমি উপস্থিতিদের উদ্দেশ্যে বলেন রোজার ঈদে বিভিন্ন এলাকায় প্রতারণা সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে। আপনারা সবাই সচেতন থাকবেন যাতে অপরাধীরা কোন রকম অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে। আমাদের পুলিশ বাহিনী সবমসময় আপনাদের নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন আইনী সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন।

  • তালতলীতে অবাধে রেনু পোনা নিধনের মহোৎসব, প্রশাসন নিরব

    তালতলীতে অবাধে রেনু পোনা নিধনের মহোৎসব, প্রশাসন নিরব

    নাঈম ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের যোগসাজসে পায়রা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট চলছে চিংড়ির রেণু পোনা নিধনের মহোৎসব। এর ফলে গড়ে প্রতিদিন ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির লাখ লাখ মাছের পোনা। মৎস্য বিভাগ এসব নদ-নদীর রেনু পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হওয়া সত্বেও তা বন্ধে নিচ্ছে না কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। সরেজমিনে দেখা যায়, তালতলী উপজেলার তেতুলবাড়িয়া, ফকিরহাট, নিশানবাড়িয়া, পচাকোড়ালীয়া ও ছোটবগী এলাকায় প্রতিদিন কয়েক শত নারী-পুরুষ ও শিশুরা মশারি জালের মাধ্যমে বাগদা চিংড়ির রেনু শিকার করছে। বিশেষ এক ধরনের সাদা চামচের পাত্র থেকে বাগদা রেণু বাছাই করে অন্য পাত্রে মজুদ করছে। এক একটি রেণু পোনা মহাজনের কাছে বিক্রি হয় ২ থেকে ৩ টাকায়, মহাজন বিক্রি করছেন ৬ থেকে ১০ টাকায় এ পেশায় অনেকটা লাভজনক হওয়ায় জেলে পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশুরা ঝুকে পরছেন এ পেশায়। রেনু পোনা শিকারি মজিদ বলেন, সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রেণু সংগ্রহ করলে প্রতিদিন জন প্রতি ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করা যায়। শিশু বাগদা শিকারি তানিম বলেন, শুনছি, রেনু পোনা ধরা নিষেধ, কিন্তু কেউ কোন দিন আমগোরে বাধা দেয় নাই। বেশি লাভ হওয়ায় সারা দিন নদীতেই পইড়া থাকি। স্থানীয় সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন বলেন, স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন তালতলী প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিকদের প্রতিমাসে মাশোহারা দিয়ে এ অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখছেন অবৈধ ব্যবসায়ীরা। তালতলী উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে গভীর রাতে মিনিট্রাক, ট্রলারযোগে রেনু পোনাগুলো বরিশালে নিয়ে যান আড়ৎদার। সেখান থেকে খুলনা, বাগেরহাট, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। পায়রা নদী সহ উপজেলার তিন শতাধিক পয়েন্টে প্রায় ২০ হাজার জেলে প্রতিদিন এই রেনু আহরণ করছেন। পাশাপাশি লাখ লাখ অন্য মাছের রেনু ও ডিম নিধন করছেন। তেঁতুলবেড়িয়া এলাকার অবৈধ রেনু পোনা ব্যবসায়ী মোঃ বশির, ফকিরহাট বাজারের মোঃ খালেক হাওলাদার বাজার সভাপতি,ছগির খলিফা,সালাম হাওলাদার,মজিবর ফরাজি, মোঃরিপন ফকির,আরিফ শিকদার,জালাল খা,বাদল হাওলাদার, নাসির সিকদার,জসিম খা বলেন, বাগদা চিংড়ি আহরণ নিষিদ্ধ হলেও জেলেরা শিকার করে বলে আমরা কিনে রাখি। অবৈধ হলেও কি আর করুম। তাছাড়া নৌ-পুলিশ ও মৎস বিভাগ থানা পুলিশ সব জানে। এ বিষয়ে নিদ্রার নৌ- ফাড়ির ইনচার্জ আশরাফুল আলম বলেন,তবে রেনু পোনার বিষয় আমি এখনো জানিনা তবে কালবেলার সাংবাদিকের কাছে শুনেছি খোজ খবর নিয়ে আমি দেখবো। এবিষয় তালতলী উপজেলা মৎস কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন,আমাদের অভিযান চলমান এরমধ্যে তিনটি অভিযান দেওয়া হয়েছে এক লক্ষ রেনু পোনা আটক করেছি পরে নদীর মোহনায় অবমুক্ত করেছি আশা করি আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে আমরা অবশ্যই বন্ধ করতে পারবো। তালতলী থানার (ওসি) শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন,রেনু পোনা আমার নজরে পড়েনি যদি আমার নজরে পড়ে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন,রেনু পোনা পুরোপরি অবৈধ আমরা কিছুদিন আগে মোবাইল কোড পরিচালনা করেছি যাদের পেয়েছি জেল দিয়েছি জরিমানা করেছি এবং মালামাল জব্দ করা হয়। প্রশাসন শক্ত ভুমিকায় আছে আপনারা মৎস্য ডিপার্টমেন্টেকে জানাবেন।

  • সেনবাগে বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সেনবাগে বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে, দেশবাসীসহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ দোয়া কামনা করে,নোয়াখালীর সেনবাগে ৪নং কাদরা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার হিজলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী ২ আসনের সাবেক সাংসদ ও সাবেক বিরোধী দলীয় চীফহুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুক। কাদরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আমিন মেম্বারের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবুল বাশার লিটনের সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আমিন উল্লাহ বিএসসি, পৌর বিএনপির আহবায়ক আবদুল হান্নান লিটন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ফারুক বাবুল, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা এডভোকেট বেলায়েত হোসেন, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির হুমু, কাবিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির নেতা মোঃ শহীদুল আলম চৌধুরী, জেলা যুবদলের সহভাপতি মহিন উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্চাসেবকদলের আহবায়ক কামরুল হাসান তুহিন সহ বিএনপি, যুবদল, শ্রমিকদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দগণ।
    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রায় সহস্রাধিক লোকেট সমাগম ঘটে।

  • সাভার ও আশুলিয়ায় মরা গরুর পঁচা মাংস বিক্রি

    সাভার ও আশুলিয়ায় মরা গরুর পঁচা মাংস বিক্রি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মরা গরুর পঁচা মাংস বিক্রি হয়। এর আগে সাভারে কাদের মিয়া নামে এক দোকানদারকে মরা গরুর মাংস বিক্রির সময় হাতেনাতে আটক করে পুলিশ।

    বুধবার (২০ মার্চ ২০২৪ইং) রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ছয়তলা বেরুন হাউজিং বাজারে মানিকগঞ্জের মোঃ সানি কসাইয়ের মাংসের দোকানে দুর্গন্ধ পচা মাংস বিক্রি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে ক্রেতার কাছে, এসময় উপস্থিত জনতা দোকানের পঁচা মাংস গোস্ত রাস্তায় ফেলে দেয়, বাজারের লোকজনের অনুরোধে দোকানের কর্মচারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়, এসময় দোকান মালিক সানিকে পাওয়া যায়নি।

    এর আগে গত (০৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের কাঁচা বাজারে কাদের মিয়ার মাংসের দোকানে মরা গরুর মাংস বিক্রি করার সময় অভিযান চালায় পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে কাদের মিয়ার মাংসের দোকানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মরা গরুর মাংসসহ কাদের মিয়াকে আটক করে পুলিশ।

    স্থানীয়রা জানায়, সকালে একটি অসুস্থ গরু দোকানে আনেন কাদের মিয়া। পরে ওই গরুটি মারা যায়। এ সময় গরুটি জবাই করে মাংস বিক্রি শুরু করেন কাদের। বিষয়টি দেখে জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন এক ক্রেতা। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পরে হাতেনাতে কাদের মিয়াকে আটক করা হয়।

    জানা গেছে, সাভার আশুলিয়ায় হাট-বাজারে বিভিন্ন সময় আদামরা ও মৃত গরু এবং শিয়াল ও কুকুর জবাই করে মাংস (গোস্ত) বিক্রি করার ঘটনা ঘটে। কিছু অসাধু কসাই মাংস বিক্রেতা যেখানে সেখানে পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিরব ভূমিকায় থাকার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লাখ লাখ মানুষ। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

  • গৌরনদী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে ইফতার ও সাংবাদিক দের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    গৌরনদী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে ইফতার ও সাংবাদিক দের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    বরিশাল জেলার গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের উদ্যোগে ১৯ মার্চ মঙ্গলবার থানা কম্পাউন্ডে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এই দোয়া ইফতার ও সৌজন্যো সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়। থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলামের সঞ্চালনায় ইফতার ও দোয়া মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ লুতফুর রহমান দিপের দিকনির্দেশনায় সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমারের নেত্রীত্তে প্রেসক্লাব ও উপজেলা রিপোর্টাস ইউনিটির সাংবাদিক গন,রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি কাজী আল আমীন এর সভাপতিত্বে রিপোর্টাস ইউনিটির সাংবাদিক গন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বাবুর সভাপতিত্বে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক গনসহ বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি দৈনিক আজকের খবর পত্রিকার প্রকাশক বি এম মনির হোসেন, দৈনিক আজকের খবর পত্রিকার সম্পাদক মোঃ রাজিব ইসলাম তারীম,আগৈলঝাড়া উপজেলা রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি মোঃ সাইফুল মৃধা,দৈনিক হিরন্ময় পত্রিকার প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন, গৌরনদী মডেল থানার এসআই মোঃ সহিদুল ইসলাম, এসআই মোঃ শাহাবউদ্দন, এসআই ইসরাত জাহান, এসআই আঃ হক শিকদার, এসআই মোঃ মজিবুর রহমান, এসআই মোঃ ইলিয়াস মাহমুদ, এসআই রিদয় কুমার চাকলাদার, এসআই মোঃ দেলোয়ার হোসেন, এসআই মোঃ কামাল হোসেন, এসআই শেখ শহিদুল ইসলাম, এসআই শ্রী সজিব মন্ডল, এএসআই মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই মোঃ হুমায়ুন, এএসআই মোঃ ফিরোজ আলম, এএসআই সুজন চন্দ্র দে, এএসআই কৃষ্ণকান্ত, এএসআই এস এম আসাদুল ইসলাম, এএসআই মোঃ সোহেল রানা, এএসআই মোঃ জসিম উদ্দিন, এএসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম, এএসআই আল আমিন, এএসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোঃ কামাল, পুলিশ সদস্য মোঃ ফরিদ উদ্দিন, আল আমীনসহ পুলিশ সদস্য গন। গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানুল মোবারক, পরম করুণাময় আল্লাহতাআলার বিশেষ করুণা ও দয়া লাভের উত্তম সময় কোরআন নাজিলের মাস হিসেবে রমজান অতি ফজিলত ও তাৎপর্যপূর্ণ মাহে রমজানের মধ্যে জাগতিক কল্যাণ ও পারলৌকিক মুক্তির বার্তা রয়েছে এ মাসে ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে ও সর্বশক্তিমান আল্লার নৈকট্যলাভের সুযোগ হয়, গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন গৌরনদী বাসীকে রমজানের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সব ধরনের অকল্যাণ পরিহার করে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে ব্যক্তিগত ও সমাজ জীবনে শান্তি-সম্প্রীতি-সৌভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় পরস্পরকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

  • তানোরে অসময়ে বৃষ্টি নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগ চরমে

    তানোরে অসময়ে বৃষ্টি নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগ চরমে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে উঠতি ফসল বিশেষ করে আলুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পেঁয়াজ, ভুট্টা, আলু, লাউসহ বিভিন্ন সবজি খেতে হালকা জমেছে পানি। ইটভাটার কাঁচা ইট পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে উপজেলার ২টি ইটভাটায় লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছ। এমনটাই দাবি করেছেন ইটভাটার মালিকেরা। গত বুধবার উপজেলার দুটি ইটভাটার প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার চিত্র দেখা গেছে। এছাড়াও তানোরের সীমান্তবর্তী মান্দার বাঁকাপুর অনেক ইটভাটায় পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনের চেষ্টা করছেন শ্রমিকেরা দেখা গেছে।উপজেলায় মৌসুমের শুরুতে ইটভাটায় ইট পোড়ানো শুরু হয়েছে। তবে হঠাৎ করে বৃষ্টি হওয়ায় সাজানো কাঁচা ইটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই এত বড় ক্ষতির কারণে ব্যাপক লোকসান গুনতে হবে ভাটার মালিকদের এমনটিই জানালেন মালিকেরা।
    সরেজমিনে তানোরের মুন্ডুমালা ও মান্দার বাঁকাপুর ইটভাটা ঘুরে দেখা যায়, বুধবার দিনের বৃষ্টিতে প্রায় সব ইটভাটার কাঁচা ইট ভিজে যাচ্ছে। বেশির ভাগ ইটভাটা নিচু এলাকায়। ইট ভাটার শ্রমিক আব্দুল রশিদ ও আলমগীর হোসেন জানান, তাঁরা এসেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে। আবহাওয়া ভালো থাকায় ভাটায় প্রতিদিনই কাজ হচ্ছিল। কিন্তু মঙলবার দিবাগত রাত থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। তাই কাজ বন্ধ তাঁদের। কাজ বন্ধ থাকলে টাকাও পান না। মুন্ডুমালা পৌর এলাকার ইটভাটার মালিক শামসুল ইসলাম বলেন, মৌসুমের শুরুতে ভাটায় আগুন দেওয়া হয়েছে মাত্র। এছাড়াও প্রায় এক লাখ কাঁচা ইট প্রস্তুত করা হয়েছিল। গত এক দিনের বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে প্রায় সব কাঁচা ইট ভিজে গেছে। এতে ৮০ লাখ থেকে এক কোটি টাকা ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাঁকাপুর গ্রামের হিরোভাটা মালিক টোকেন বলেন, ‘ভাটাতে প্রায় দেড় লাখ কাঁচা ইট প্রস্তুত করা হয়েছিল। হঠাৎ বৃষ্টি মোকাবিলায় তেমন কোনো প্রস্তুতি ছিল না। এক দিনের বৃষ্টিতে কাঁচা ইট ভিজে গেছে। ভিজা ইট আগুনে পোড়ালেও ভালো দাম পাওয়া যায় না। সব ইটভাটা মালিকরাই ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তানোরের আলু চাষি শামসুল ও আব্দুল বলেন একদিন আগে জমি থেকে আলু গাছ তোলা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে জমিতে হালকা পানি জমেছে। আর এক দিন এ ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আলু পচে যাবে। এতে তাদের ব্যাপক লোকসান হবে।’ তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন,গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে উঠতি ফসলে কিছু সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে আজ কালের মধ্যে বৈরী আবহাওয়া কেটে গেলে আশা করছি ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না।
    এদিকে বৃষ্টিতে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তানোরের সীমান্তবর্তী শ্যামপুর গ্রামের ভ্যানগাড়ি চালক মজিবুর বলেন, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে মানুষজন তেমন বের হচ্ছে না। ভ্যানগাড়ির যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। এ সপ্তাহে কিস্তি দিতে হবে এক হাজার টাকা। সে টাকা বৃষ্টির কারণে উঠবে বলে মনে হচ্ছে না।
    রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আনোয়ারা বলেন,
    রাজশাহীতে গত ২৪ ঘন্টায় ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতে সকাল থেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত ৮ মিলিমিটার রের্কড করা হয়েছে। তবে এই বৃষ্টি আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।এছাড়া আগামীকাল ও পরশুদিনও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ অবস্থায় বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীসহ বেশ কয়েকটি বিভাগের অনেক জায়গায় এবং কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা এক থেকে তিন ডিগ্রি এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে।#