Blog

  • নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফুয়াদ কাজীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফুয়াদ কাজীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজীর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য গত ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে নিজ বাড়ীর সামনে অবস্থিত চৌদ্দবুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বসে নৃশংসভাবে খুন হন তিনি।

    নিহতের স্বজনদের আয়োজনে ১২ রমজান বিকেলে আসরবাদ সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া মসজিদ বাড়ী সম্মুখ মাঠে দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

    এসময় নিহত ফুয়াদ কাজীর বোনজামাই কামরুল সালেহীন বলেন,ফুয়াদ কাজীকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। আপনারা তার সম্পর্কে সবই জানেন সে আপনাদের এলাকার সন্তান ছিল। সে এমন কোন কাজ করেনি যে তাকে এভাবে কুপিয়ে মেরে ফেলতে হবে। তিনি আরও বলেন আমরা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই কারণ তারা ইতিমধ্যে কয়েকজন কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকিদেরও তারা অচিরেই গ্রেফতার করবেন বলে আমরা আশা করি।

    এসময় আরও বক্তব্য রাখেন নলছিটি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লালন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জিকে মোস্তাফিজুর রহমান,জেলা পরিষদ সদস্য সোহরাব হোসেন মাস্টার প্রমুখ।

    দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন নিহত জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজীর পিতা আলহাজ্ব মকবুল হোসেন কাজী। এসময় ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম, ফুয়াদ কাজীর বড় ভাই ফয়সাল কাজী, সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম রাজিব, নিহতের অন্যান্য স্বজন, দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

  • তারাগঞ্জে রমজানে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে হোটেল-রেঁস্তোরায় ইউএনওর অভিযান

    তারাগঞ্জে রমজানে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে হোটেল-রেঁস্তোরায় ইউএনওর অভিযান

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    পবিত্র মাহে রমজানে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে তারাগঞ্জ উপজেলার হোটেল রেস্তোরায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত।

    রংপুরের তারাগুঞ্জে আজ শনিবার (২৩ মার্চ) পবিত্র মাহে রমজানে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হোটেল রেস্ত্রাগুলিতে অভিযান চালান ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় হোটেল রেঁস্তোরোয় খাবারের মান পর্যবেক্ষণ করে খাবারের সাথে মিশানোর জন্য নিষিদ্ধ রাসায়নিক দ্রব্য সাল্টু, পঁচা ডিম ,এবং অত্যন্ত খারাপ পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করতে দেখে , ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় ৩ টি হোটেল মালিকের কাছে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা, বণিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিনা আফান,ইজারাদার, কুর্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজালুল হক সরকারসহ তারাগঞ্জ থানা পুলিশ।

    এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা বলেন, হোটেল রেস্তোরাগুলিতে যাতে ভেজাল ও পচা বাসি খাবার বিক্রি না করার জন্য সচেতন করা হচ্ছে, নিষিদ্ধ কেমিক্যাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির দায়ে তিনটি হোটেলের মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে ।

  • ভালুকায় এসআই কালামের অভিযানে বিদ্যুতের তার চোর চক্রের ২ সদস্য আটক

    ভালুকায় এসআই কালামের অভিযানে বিদ্যুতের তার চোর চক্রের ২ সদস্য আটক

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের ভালুকা মডেল থানা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর এসআই আবুল কালাম আজাদ এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ট্রান্সফরমার, ফ্যাক্টরির জেনারেটর ও বিদ্যুতের তার চোর চক্রের ২ সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।

    শনিবার (২৩শে মার্চ) সকালে এই তথ্য জানায় থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়-শুক্রবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কাঠালী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার লালচাঁন বাবু (২৬) ও ইব্রাহিম (২২) নামে দুই সদস্যকে আটক করে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞার দিক নির্দেশনায় ভালুকা মডেল থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত করে আসছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। সেই ধারাবাহিকতায় ওসি শাহ কামাল আকন্দের নির্দেশনা মোতাবেক ভালুকা মডেল থানার এস আই আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে এস আই নুর কাশেম, এস আই মঞ্জুরুল, এ এস আই রিপন ওই অভিযান পরিচালনা করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।
    এসময় বিপুল পরিমাণ তার ও চুরির কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়।

    ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ কামাল আকন্দ জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই উপজেলায় বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার, বন্ধ ফ্যাক্টরির জেনারেটর ও বিদ্যুতের তার চুরি করে আসছে। আটককৃতদের নিয়মিত মামলায় কোর্টে চালান দেয়া হচ্ছে, এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

    ভালুকা মডেল থানার এস আই আবুল কালাম আজাদ জানান-এই দীর্ঘদিন ধরে এই চোর চক্রের সদস্যরা ময়মনসিংহ বিভিন্ন এলাকায় ট্রান্সফর্মার চুরি দোকান ঘর চুরি বিভিন্ন ফ্যাক্টরির তামার তার চুরি করে আসছিল। তাদের গ্রেফতারে অনেক চেষ্টা করে অবশেষে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনা আমি এস আই আবুল কালাম আজাদ এস আই নূর কাশেম এসআই মনজুরুল এএসআই রিপন মিয়া সহ অভিযান চালিয়ে এই চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এসময় তাদের কাছ থেকে কার্টার রশি সেলাই রেঞ্জ এবং বিপুল পরিমাণ তামার তার উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান ওসি স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • ইন্জিন বিকল হয়ে বঙ্গোপসাগরে ভাসতে থাকা ১২জেলেকে ৯৯৯এর কলে উদ্ধার করেছেন কোস্ট গার্ড

    ইন্জিন বিকল হয়ে বঙ্গোপসাগরে ভাসতে থাকা ১২জেলেকে ৯৯৯এর কলে উদ্ধার করেছেন কোস্ট গার্ড

    মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
    ইঞ্জিন বিকল হয়ে বঙ্গোপসাগরে ভাসতে থাকা ১২জেলেকে উদ্ধার করেছেন কোস্ট গার্ড। বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়া এ জেলেরা জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে শনিবার (২৩মার্চ) সন্ধ্যায় তাদের উদ্ধার করা হয়।
    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের (মোংলা) মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মুনতাসীর ইবনে মহসীন জানান, গত ১৫মার্চ বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এফ,বি হানিফ মুন্সী নামক মাছ ধরার একটি ফিশিং ট্রলার বঙ্গোপসাগরে যায়। এরপর ১৯মার্চ গভীর সাগরে ওই ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে সাগরে ভাসতে থাকেন জেলেরা। পরে বিকল ওই ট্রলারের মাঝি মাসুম মৌলভী জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯নম্বরে কল দিয়ে উদ্ধার সহায়তা চান। পরবর্তীতে মাসুম মৌলভীর মোবাইল নম্বর ট্রাকিং করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে শনিবার সন্ধ্যায় কোস্ট গার্ডের দুবলা ও কচিখালী স্টেশনের সদস্যরা সুন্দরবনের দুবলার চর সংলগ্ন সাগর থেকে ওই ট্রলারসহ ১২জেলেকে উদ্ধার করেন। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া জেলেদেরকে খাদ্য সামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে । রবিবার তাদেরকে নিজ বাড়ীতে পাঠানো হবে বলে জানান কোস্ট গার্ড। এ সকল জেলেদের বাড়ী বরগুনার পাথরঘাটায় বলেও জানায় কোস্ট গার্ড। তবে তাৎক্ষণিক জেলেদের তাদের নাম পরিচয় জানাতে পারেনি কোস্ট গার্ড।

  • বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির সম্মেলন প্রস্তুতি  নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

    বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির সম্মেলন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

    আরিফ রববানী, ময়মনসিংহ
    ক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বস্তরের সাংবাদিক… জাগো❞ শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক সংগঠন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব
    ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষে
    প্রস্তুতি সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (২২শে মার্চ) বিকেলে ময়মনসিংহের সি কে ঘোষ রোডের ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টে এই উদ্দীপনাময় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফরিদ খান। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি ও নেত্রকোনা জেলা সভাপতি শামীম তালুকদারের সভাপতিত্বে ও ময়মনসিংহ মহনাগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আমিনুর ইসলাম রাব্বির সঞ্চালননায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব শেরপুর জেলার সভাপতি নূর-ই আলম চঞ্চল,নাজমুল আলম সাধারণ সম্পাদক। জামালপুর জেলার সভাপতি জয়নাল আবেদিন, সাধারণ সম্পাদক মীর জাহাঙ্গীর, মোঃ এনামুল হক সহ-সভাপতি।গাজীপুর জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন সরকার।নেত্রকোনা জেলার সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিলা আক্তার রুবি, জেলা উপদেষ্ঠা অরবিন্দ ধর, নেত্রকোনা সদর সদস্য নূর নবী তালুকদার।

    এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক ও জেলার সভাপতি খালেদ হাসান, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হাসান, সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সজীব রাজভর (বিপিন), সহ-যুগ্ন সম্পাদক মারুফ হোসেন. সাংগঠনিক সম্পাদক সামদানি বাপ্পী, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক বিশ্বনাথ সাহা বিশু, প্রচার সম্পাদক সাদিকুর রহমান ফারুক, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ সোহাগ, সম্মানিত সদস্য সুশান্ত মজুমদার শান্ত। মহানগর শাখার ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আরিফ রব্বানি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারজানা আফরিন নুপুর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম সোহান রুকন।

    উপজেলা পর্যায়ে উপস্থিত ছিলেন গেীরিপুর শাখার সভাপতি রায়হান উদ্দিন সরকার, শ্যামগঞ্জ সভাপতি মোঃ রফিকুল হাসন আজমি, পূর্বধলার সভাপতি মোঃ মজিবর রহমান, সদস্য মোঃ আব্দুলাহ আল মামুন, মদন শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান ভুইয়া, সদস্য পাইলট মিয়া, আটপাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক মো মনির হোসেন, কেন্দুয়ার সদস্য লাভলী আক্তার, রুহুল আমিন শেখ রুবেল।

    দুই পর্বের এই অনুষ্ঠানে ইফতারের আগে সবার পরিচিত পর্ব ও সম্মেলন সম্পর্কে মতাবিনিময় করা হয়। ইফতারের পরে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। ময়মনসিংহ বিভাগীয় সম্মেলন এর প্রাক প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও মত ব্যক্ত করেন ময়মনসিংহ জেলা সাধারণ সম্পাদক সজীব রাজভর (বিপিন)।

    বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক সমাবেশ সফল করার জন্য বিভিন্ন দিক আলোকপাত করেন।সর্বশেষে বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফরিদ খান বক্তব্য রাখেন এবং বিভাগীয় সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠান শেষ পর্যায়ে নতুন দুইটি কমিটি ঘোষনা করেন ময়মনসিংহ ভালুকা উপজেলা কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান তরফদার দৈনিক ভোরের আকাশ, ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম এশিয়া টিভি । ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করেন। নেত্রকোনা সদর শাখার আহ্বায়ক মহিউদ্দিন তালুকদার ও সদস্য সচিব সারোয়ার হুসেন ।ময়মনসিংহ জেলা শাখার প্রস্তবনায় ময়মনসিংহ সদর শাখা গঠনের লক্ষে মীর মোঃ শওকত আহসান বাবুলকে ভোরের আকাশ ব্যাুরো প্রধানকে আহবায়কের দায়িত্ব প্রদান করা হয় । ময়মনসিংহ জেলার উপদেষ্ঠা সিনিয়র সাংবাদিক মুজিবর রহমান মিন্টু সম্পাদক অনিন্দ্য বাংলা, আইন উপদেষ্ঠা এ্যাডভোকেট শহীদুল্লাহ সিরাজ ও মহানগর শাখার সহ-সভাপতি রেজাউল করিম বাবু সাপ্তাহিক পরিধি, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোস্তাককে জয় বাংলা জেলা প্রতিনিধি। উক্ত কমিটি সকলের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক ফরিদ খান ।

    এছাড়াও নেত্রকোনা জেলা, শেরপুর জেলা, জামালপুর জেলা, গাজীপুর জেলা, ইসলামপুর জেলা থেকে আগত সাংবাদিকবৃন্দ, সভাপতি, সাধারন সম্পাদকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বানারীপাড়ায় হতে যাচ্ছে জমজমাট লড়াই

    আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বানারীপাড়ায় হতে যাচ্ছে জমজমাট লড়াই

    নিজস্ব প্রতিবেদক – দেশে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবার চার ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে ১৫২টি উপজেলা পরিষদ যা আগামী ৮ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় ধাপের ভোট ২৩ মে তৃতীয় ধাপের ২৯ মে ও এবং চতুর্থ ধাপে ৫ জুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে।

    এসব উপজেলায় চেয়ারম্যান, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান পদে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের এ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    আর উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বানারীপাড়ায় হতে যাচ্ছে জমজমাট লড়াই। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলহাজ্ব গোলাম ফারুক নির্বাচিত হওয়ার পর এ পর্যন্ত তিনিই সরকার দলের মনোনয়ন প্রাপ্ত হয়ে বিজয়ী হয়ে আসছেন। তিনি এ পর্যন্ত তিনবার ও একবার উপ নির্বাচন নিয়ে মোট চার বার বিজয়ী হয়েছেন। বর্তমানে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম ফারুক বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন।

    তৃতীয় চতুর্থ ও পঞ্চম উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে শক্ত কোন প্রার্থীর মুখোমুখি না হলেও এবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে বেশ শক্ত প্রার্থীর মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন গোলাম ফারুক।

    এদিকে গোলাম ফারুকের মূল প্রতিদ্বন্দী তারই দলীয় বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা। যার আওয়ামী রাজনীতিতে রয়েছে বর্নাঢ্য কর্ম জীবন। মাওলাদ হোসেন সানা তিনি এক সময়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ছিলেন। তিনি তৃতীয় উপজেলা পরিষদ সাধারন নির্বাচনে বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিপুল ভোটে সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি সুনামের সহিত আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে এবার তিনি আটঘাট বেধেঁ মাঠে নেমেছেন। দলীয় কর্মীদের একটি বিশাল অংশ তার পক্ষে মাঠে কাজ করছে। এছাড়াও বিভিন্ন দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় তিনি বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।

    অন্যদিকে গোলাম ফারুক এলাকায় দানশীল হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তার এছাড়াও ভোটের অংকে বিশাল একটা অংশ রয়েছে তার,তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় তিনিও রয়েছেন বেশ ভালো অবস্থানে।

    সর্বদিক পর্যালোচনা করলে বলা যায় আলহাজ্ব গোলাম ফারুক ও আলহাজ্ব মাওলাদ হোসেন সানা যদি দুজনই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে তাহলে লড়াই হবে জমজমাট তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে কে নির্বাচিত হবে সেটা নির্বাচনের পরই বলা যাবে। সব মিলিয়ে বলা যায় বানারীপাড়া ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারন নির্বাচন হতে চলছে হাড্ডাহাড্ডি।

    উল্লেখ্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যদি দলীয় মনোনয়ন দেয় ও বিএনপি যদি নির্বাচনে আসে তাহলে সম্ভাব্য হিসাব অন্যরকম হতে পারে।

  • নড়াইলে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  মেসের স্টুডেন্টরা ইফতারি করেন মসজিদে

    নড়াইলে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেসের স্টুডেন্টরা ইফতারি করেন মসজিদে

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
    মেসের স্টুডেন্টরা ইফতারি করেন মসজিদে।
    নড়াইল শহরে অবস্থিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন কলেজ নড়াইল সরকারী ভিক্টোরিয়া কলেজ। এছাড়াও রয়েছে আব্দুল হাই সিটি কলেজ, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে জেলার বিভিন্ন গ্রামসহ আশেপাশের জেলা থেকে শিক্ষার্থীরা ছুটে আসে। দুর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের অনেককেই থাকতে হয় মেসে। এসব শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের। ফলে তাদের চলতে হয় বাড়ি থেকে পাঠানো নির্দিষ্ট কিছু টাকা দিয়ে। কেউ কেউ চলেন টিউশনির অর্থে। যা দিয়ে এমনিতেই পড়াশোনা, মেস ভাড়া, খাবার বিলসহ অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হিমশিত খেতে হয় তাদের। তারপর আবার রমজানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে আরও বেশি দিশেহারা হয়ে পড়েছে তারা। সারাদিন রোজা থেকেও মেসে ইফতারির আয়োজন করতে পারছেন না। সেহেরিতে একটু ভালো খেলে রাতে খাবারের মান কমিয়ে আনতে হচ্ছে। দিন দিন টাকা বেশি দিলেও খাবারের মান একই থাকছে। যার প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের শারিরীক ও মানসিক স্বাস্থ্যে।
    বাধাঘাট এলাকার মৌসুমী মেসের আব্দুল বারী বলেন, বাড়ি থেকে মাসিক যে খরচ দেয় তাতে মাস চলে না জিনিসের দাম বেশি হওয়ার কারণে। তাই ইফতারি কেনা সম্ভব হয় না। তাই মেসের পাশের মসজিদে ইফতার করি। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইল সরকারী ভিক্টোরিয়া কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আলামিন হোসেন খুলনার কয়রা থেকে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে নড়াইলে এসেছেন। থাকছেন কলেজের পাশের সাত্তার মেসে। তিনি জানান, জিনিসপত্রের অনেক বেশি দাম। আগে যে দাম ছিল রমজান মাসে তা অনেক বেশি বেড়েছে। যা কেনা আমাদের জন্য সম্ভব হচ্ছে না। সারাদিন রোজা থেকেও মেসে ইফতারির আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। পাশে যে মসজিদ আছে সেখানেই ইফতার করতে হচ্ছে। রোজা থাকার জন্য সেহেরিতে যে একটু ভালো খাব, ওই সময় ভালো খেতে গেলে আবার রাতের খাবারে ভালো খাওয়া হচ্ছে না। যা আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলছে।

    মো. মান্না শিকদার নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, রমজান মাসে সবকিছুর দাম বেড়েছে। ইফতার তো মেসে করতেই পারছি না। আর সেহরিতে যদি আমরা ভালো কোন কিছু খায় তাহলে ইফতারের পরে এখানে যে মিল (রাতের খাবার) চলে ওইখানে আবার নরমাল করে দিতে হয়। আর যদি দুই বেলা ভালো খেত হয় অনেক বেশি টাকার পরিমাণ এসে যায়। আমাদের টাকার যে বাজেট ওর ভিতর হয় না।

    ফয়সাল আহমেদ বলেন, সবাই একটু ভালো খাওয়ারই চেষ্টা করেন। কিন্তু দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারনে ভালো খাওয়াটা সম্ভব হচ্ছে না। মেসে খাওয়া-দাওযার অবস্থা অনেক খারাপ হচ্ছে। খাবারের জন্য যে বাজেট আছে তা দিয়ে সেহরি ও রাতের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই ইফতারির কোন ব্যবস্থাই নেই মেসে। দ্রব্যমূল্যের দাম কম থাকলে একটা ভালো ইফতারির আয়োজন করা যেত। সেহরি ও রাতের খাবারের মানটাও ভালো করা যেত।

    যশোর থেকে পড়তে আসা ইংরেজি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বাঁধন জানান, গত বছর বাজারে যে খরচটা হত সেই তুলনায় এখন সবারই টাকার অংক বাড়াতে হয়েছে৷ টাকার পরিমাণ বাড়লেও খাবারে মান একই আছে৷ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি আমাদের ওপর প্রভাব পড়েছে। আমাদের সেহরি-ইফতারে খাওয়া-দাওয়ার মান কমে এসেছে।

    শিক্ষার্থীদের এমন দূরাবস্থা নিয়ে কথা হয় সমাজকর্মী ও কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নড়াইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, রমজানে যেসব পণ্যের ব্যবহার করি তার কোনটারই দেশে অভাব নেই। তারপরও ব্যবসায়ীরা দামের হেরফের করছে। প্রত্যেকবারই রমজান আসলে ব্যবসায়ীরা এমন করে। বাজার নিযন্ত্রণে সরকার চেষ্টা করছে, আমরাও মানুষকে বোঝাবার চেষ্টা করছি। তবে ছাত্রদের যে অবস্থার কথা শুনলাম সেখানে প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা পরিদর্শন করে সম্ভব হলে তাদের পাশে দাঁড়ানো।

  • পাইকগাছায় নবাগত ইউএনও হিসেবে মাহেরা নাজনীন এর যোগদান

    পাইকগাছায় নবাগত ইউএনও হিসেবে মাহেরা নাজনীন এর যোগদান

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন মাহেরা নাজনীন। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে বিদায়ী ইউএনও মুহাম্মদ আল-আমিন এর নিকট থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন। নবাগত ইউএনও মাহেরা নাজনীন এর জন্মস্থান সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা স্থলবন্দর ল²ীদাড়ী গ্রাম। পিতা মোহাম্মদ আলী সরদার, মাতা মমতাজ পারভীন। স্বামী মোঃ জুবায়ের হোসেন সাব-রেজিষ্ট্রার হিসেবে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কর্মরত রয়েছেন। ইউএনও মাহেরা নাজনীন জাহাঙ্গীর নগর বিশ^বিদ্যালয়ের ভুগোল ও পরিবেশ অনুষদ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করে ২০১৭ সালে ৩৫তম বিসিএস’এর প্রশাসনিক ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেন। প্রথমে তিনি সহকারী কমিশনার হিসেবে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে, এরপর কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে, পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) হিসেবে বাগেরহাটের কচুয়া’য়, সর্বশেষ তিনি বিগত প্রায় ২ বছর খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ইউএনও মাহেরা নাজনীন এর ১ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তান রয়েছে। এদিকে বিদায়ী ইউএনও মুহাম্মদ আল-আমিন ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে অত্র উপজেলায় যোগদান করেন। মাত্র ৭ মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি এলাকার মানুষের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন। যোগদানের পর উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে নবাগত ইউএনও’কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। সকলের সহযোগিতায় এলাকার উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মানুষের শতভাগ সরকারি সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নবাগত ইউএনও মাহেরা নাজনীন। উল্লেখ্য, গত ১৮ মার্চ খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিনকে জেলার ডুমুরিয়া’য় এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে কর্মরত সহকারী কমিশনার মাহেরা নাজনীনকে পাইকগাছাতে বদলি করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় সজিনার বাম্পার ফলন হয়েছে

    পাইকগাছায় সজিনার বাম্পার ফলন হয়েছে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় সজিনার ব্যাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এ বছর সজিনার ফলন ভালো হয়েছে। সজিনায় উচ্চ মূল্য পাওয়ায় চাষীরা খুশি। শুরুতে বাজারে সজিনার কেজি ১৬০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ১২০-১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা ক্ষেত থেকে একশত থেকে একশত দশ টাকা দরে পাইকারি ক্রয় করছে। মূল্য বেশি পাওয়ায় কৃষকরা সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহিত হচ্ছে। বসতবাড়ীর আশে পাশে রাস্তার ধারে ক্ষেতের আইলে লাগানো সজনে গাছ যত্ন ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা পুষ্টি ও ভেজষগুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী।
    কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায ৩৫ হেক্টর জমিতে ৩৫ থেকে ৩৭ হাজার সজিনা গাছ আছে। প্রতি হেক্টরে ফলন ৪ থেকে সাড়ে ৪ টন। দেশে ২টি জাত আছে, একটি হালো সজিনা ও আর একটি নজিনা। ভারত থেকে হাইব্রিড সজিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপন করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দু’বার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারী-মার্চ ও জুন-জুলাই মাস। গত বছর উপজেলায় ২১ হাজার সজিনার ডাল রোপন করা হয়েছে।
    সজিনা গাছের পাতা, ফুল, ফল, ব্যাকল ও শিকড় সবই মানুষের উপকারে আসে। সজিনার পুষ্টি গুন অনেক বেশী। এ গাছের অনেক গুন থাকায়, এ গাছকে যাদুর গাছ বলা হয়। কাঁচা সবুজ পাতা রান্না করে, ভত্তা করে ও বড়া ভেজে খাওয়া যায়। ফল সবজির মত রান্না করে খাওয়া যায়, ফল পাকলে সে সব ফলের বীজ বাদামের মতো ভেজে খাওয়া যায়। সজিনার পাতা, ফল, ফুল, বীজ, ছাল, মুলের ভেজষ গুনও আছে। তাই সজিনা গাছের বিভিন্ন অংশ ভেজষ চিকিৎসায় কাজে লাগে। সজিনার পাতার পুষ্টিগুন বেশী, যেভাবে খাওয়া হোক না কেন তা শরীরে পুষ্টি যোগাবে, আর ঔষধীগুন তো আছেই। সজিনার পাতায় যে পরিমাণ পুষ্টি রয়েছে তা অনেক পুষ্টিকর খাবারেও নেই। যেমন, ডিমের চেয়ে বেশী আমিষ, দুধের চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, কমলার চেয়ে বেশী ভিটামিন সি, কলার চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, গাজরের চেয়ে বেশী ভিটামিন এ আছে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর সজিনার ভালো ফলন হয়েছে। তিনি আরো জানান, উপজেলার প্রতি বাড়ীতে কমবেশি সজিনা গাছ আছে। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে।

  • সুজানগরে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর নামে ভুয়া জন্মসনদ,ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবকে শোকজ

    সুজানগরে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর নামে ভুয়া জন্মসনদ,ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবকে শোকজ

    এম এ আলিম রিপনঃ
    কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নামে পাবনার সুজানগর উপজেলায় ভুয়া জন্মসনদ এর ঘটনায় আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান(ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রউফ মোল্লা ও ইউপি সচিব আওলাদ হাসানকে শোকজ করা হয়েছে।শুক্রবার ২২ মার্চ শোকজের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আহম্মদপুর ইউপি সচিব আওলাদ হাসান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,সুজানগর উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়ন থেকে ট্রুডোর নামে ইস্যু করা হয় ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ। ঘটনাটি জানাজানি হলে তা টক অব দ্যা কান্ট্রিতে পরিণত হয়। এ ঘটনায় সরকারের রেজিষ্ট্রেশন জেনারেল এর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসনকে তদন্ত কমিটি করে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সার্ভারে জন্মসনদটি ছিল। বিষয়টি জানাজানির পর দুপুর থেকে সার্ভারে জন্মসনদটি আর পাওয়া যায়নি।। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়,ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে জন্মনিবন্ধন সনদ দেয়া হয়েছে তাতে দেখা গেছে, নাম জাস্টিন ট্রুডো, পিতা- পিয়েরে ট্রুডো, মাতা- মার্গারেট ট্রডো- তিনি কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু সম্প্রতি বিশ্বের এই আলোচিত প্রধানমন্ত্রীকেই জন্মসূত্রে নাগরিক হিসেবে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়েছে আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। স্থানীয়রা জানান, গত বছরের শেষের দিকে আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া মারা যান। এরপর থেকে আব্দুর রউফ মোল্লা নামে এক ইউপি সদস্য(মেম্বার) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্ত ইউনিয়নের নানা কাজকর্ম ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আওলাদ হাসানের হাতেই থাকে। সচিবের তদারকিতে পরিষদের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর নিলয় পারভেজ ইমন টাকার বিনিময়ে সেবা গ্রহিতাদের কাজ করে দিতেন। ইমন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও জন্ম নিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপুর্ণ সেবার ক্ষেত্রে ওটিপি নম্বর সচিবের কাছে থাকে। সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, জাষ্টিন ট্রুডোর নামে যে জন্ম নিবন্ধন দেয়া হয়েছে সেটির প্রিন্ট দেয়া হয়েছে রাত ৯টায়। কাজেই ওই সময় ওটিপি নম্বর সচিব না দিলে ইমন তা কোথায় পেয়েছে। এবিষয়ে কম্পিউটার অপারেটর নিলয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ইউপি সচিব আওলাদ হাসান বলেন, ‘আমি এসব ঘটনায় কিছুই জানি না। সার্ভারের ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড আমার কাছে থাকলেও নিলয় হয়তো কোনো সময়ে জেনে গেছে। আমার অগোচরে সে ওটিপি কোড নিয়ে এসব করেছে। এই ঘটনায় আমি দায়ী নই। সচিব জানান, আমি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এ ব্যাপারে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বলেন, যারা এটি করেছেন তারাই ভাল বলতে পারবেন। তদন্ত শেষ হলে সব জানা যাবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।