Blog

  • আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরী বাড়ী

    আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরী বাড়ী

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ পিছিয়ে নেই গ্রামাঞ্চল আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে এখানেও। মাটির ঘর/ছনের ঘরের জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্রাসাদসম অট্টালিকা। মাটির ঘরের স্থান দখল করে নিচ্ছে ইট-পাথরের দালান। একটু সুখের আশায় মানুষ কত কিছুই না করছে। মাটির ঘরের শান্তি ইট পাথরের দালান কোঠায় খুঁজে পাওয়া ভার।

    তারপরও মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নগরায়ণের সাথে সাথে পাঁকা দালান কোঠায় তৈরি করছেন। এতে করে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর কিংবা মাটির দোতলা বাড়ী। বেশিদিন আগের কথা নয়, প্রতিটি গ্রামে একসময় মানুষের নজর কাড়তো সুন্দর এ মাটির ঘর। ঝড়, বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও খুবই শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি এসব ঘর এখন আর তেমন চোখে পড়ে না।

    আধুনিকতার ছোঁয়া আর কালের বিবর্তনে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এ চিরচেনা মাটির ঘর বিলুপ্তির পথে বললেই চলে। অতীতে মাটির ঘর গরীবের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর বলে পরিচিত ছিল। এ ঘর শীত ও গরম সব মৌসুমে আরামদায়ক তাই আরামের জন্য গ্রামের দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি অনেক বিত্তবান ও মাটির ঘর তৈরি করতেন।

    জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই মাটির ঘরের প্রচলন ছিল। এটেল বা আঠালো মাটি কাঁদায় পরিনত করে দুই-তিন ফুট চওড়া করে দেয়াল তৈরি করা হত। ১০-১৫ ফুট উচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় থড় অথবা টিনের ছাউনি দেয়া হত। মাটির ঘর অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। এসব মাটির ঘর তৈরি করতে কারিগরদের তিন-চার মাসের অধিক সময় লাগতো। গৃহিনীরা মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা একে তাদের নিজ বসত ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তুলতেন।
    এক সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক পরিবার মাটির ঘরে বাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতো। তবে বর্ষার সময় মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বেশি। ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি মাটির ঘর শত বছরেরও বেশি স্থায়ী হয়।

    কিন্তু কালের আর্বতনে দালান-কোঠা আর অট্টালিকার কাছে হার মানছে সে চিরচেনা শান্তির নিড় ‘মাটির ঘর’। গোদাগাড়ী উপজেলার কম বেশি সব গ্রামেরই দেখা যেতো শান্তির নীড় ‘মাটির ঘর’ কিন্তু সে মাটির ঘর এখন আর চোখে পড়ে না।

    গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের সৈয়দপুর, এনায়েতপুর গ্রামের দুলাল হাজির বাড়িতে সেই পুরোনো স্মৃতিভরা শান্তির নীড় মাটির ঘরে চোখ পড়লো, কথা হলো বাড়ির মালিকের সাথে তিনি বলেন, বাবা ও দাদাদের সেই পুরোনো স্মৃতি ধরে রাখতে এখনো মাটির ঘর রেখে দিয়েছি। তবে যুগের সাথে তাল মেলাতে এখন অনেকে ইটের ঘর তৈরি করছে, তাই ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঘর।

    গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল গণি মাসুদ জানান, বাপ দাদার স্মৃতি এখনও ধরে রেখেছি। যা এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রচন্ড তাপদাহে বাড়ির লোকজন শান্তির পরশ হিসেবে আমাদের মাটির ঘরকে বেঁছে নেয়। বিদ্যুৎ না থাকলেও মাটির দোতলায় আরামে বসবাস করা যায়।

    দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ ইফতেখার হোসেন বলেন, মাটির ঘর বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের বিবরর্তনে অধিকাংশই মানুষ মাটির ঘর ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় অনেক লোকের বসবাসের জন্য ইটের ঘরকে প্রথম প্রচন্দের তালিকা নিয়ে আসছে। তাই তো দিনে দিনে হারিয়ে যেতে বসেছে ওই সব মাটির ঘরবাড়ী।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • মঞ্জুরুল আলম রাজীব’কে পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে সাভারবাসী

    মঞ্জুরুল আলম রাজীব’কে পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে সাভারবাসী

    হেলাল শেখঃ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ আবিস্কার সাভার উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব’কে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাভার উপজেলা পরিষদের পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাভারবাসী।
    ঢাকার সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মঞ্জুরুল আলম রাজীব বলেন, সাভারবাসীর উন্নয়নের জন্য আমি সবসময় নিয়োজিত আছি। মানুষ হিসেবে বিপদে আপদে এলাকাবাসীর পাশে থেকেছি, আগামীতেও তাদের পাশে থাকবো। তিনি মন্তব্য করেছেন, আসন্ন সাভার উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে কথিপয় কিছু স্বার্থলোভী মহল আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট খবর প্রকাশে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এর আগে মঞ্জুরুল আলম রাজীব গত (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) তার নিজ অফিসে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেছিলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, যারা আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট খবর প্রকাশে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, আমি তাদেরকে বলবো,আমার সমালোচনা না করে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করুন। আমাকে জনগণ ভালোবেসে এখানে বসিয়েছেন, জনগণই আমার শক্তি। তিনি আরো বলেন যে, যতদিন বাঁচবো সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। বিএনপির আমলে আমাকে পুলিশের পিকাপ ভ্যানের পিছনে বাইন্দা পুরা সাভার ঘুরিয়েছে, রক্তে সারা শরীর ভিজে গেছে আমার, তারপরও আমি আওয়ামী লীগ ছাড়ি নাই। সে সময় বিএনপির নাজমুল হুদা আমাকে বিএনপিতে নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছিলো কিন্তু এত নির্যাতন সহ্য করেছি তবুও আমি দল থেকে বের হয়ে যায়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে প্রতিটি লড়াই সংগ্রামে নিজেকে শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি। আমি দলের স্বার্থে আমার জনগণের জন্য কাজ করে যাবো। তিনি আরো বলেন, আমার সাভারবাসীর জন্য আমার অনেক বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামীতে সাভারবাসী তার সুফল পাবেন।
    জননেতা মঞ্জুরুল আলম রাজীব বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগকে তৃনমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন, আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছিলেন, সাংগঠনিক ভিত মজবুত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু যেভাবে সংগঠনকে গড়ে তুলেছিলেন সেই ভিত্তিকে থিউরি করে আজকের সাভারের আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেছি। দলকে উজ্জীবিত রাখতে রাত দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন জানিয়ে এই জননেতা আরো বলেন, গতিশীল নেতৃত্বে সাভারে এখন আওয়ামী লীগ সংগঠিত। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রাণবন্ত করে তুলেছি। অপশক্তি আন্দোলনের চেষ্টা করলে রাজপথেই তার জবার দিতেও এক পাও পিছপা হবো না আমরা। তরুণ নেতাদের নেতৃত্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, শ্রমিক লীগসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রেখেছেন জননেতা রাজীব এমনই অভিমত প্রকাশ করেন দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ মানেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মজবুত একটি ঘাটি। কখনো এখানে আন্দোলনের নামে বিএনপি জামায়াতকে কোনো প্রকার বিধ্বংসী কার্যক্রম করতে দেয়া হয়নি। মঞ্জুরুল আলম রাজীব ৭ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে যুক্ত হন-বাকীটা ইতিহাস।
    উক্ত জননেতা জনাব মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর “রাজনৈতিক পরিচিতি”চেয়ারম্যান-সাভার উপজেলা পরিষদ (২০১৯ থেকে চলমান) সাধারণ সম্পাদক-সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ, সাভার (২০১৯ থেকে চলমান), সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ (২০১৫-২০১৯), সাবেক সহ-সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (২০০২-২০০৬), সাবেক সভাপতি ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ (১৯৯৪-১৯৯৮), সাবেক ভিপি সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদ (১৯৯৩-১৯৯৪), সভাপতি-বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সাভার উপজেলা শাখা (১৯৯০-১৯৯১)। উক্ত ত্যাগী ও সাহসী নেতার সাথে অন্য কারো তুলনা করা যায়না বলে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী অভিমত প্রকাশ করেছেন। ৭৫ এর কালো অধ্যায়ের পর যখন গুটি কয়েক লোক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হত্যার বিচার চেয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও তার পরিবারের সকলেই সেই আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হোন। রাজীব এর পিতা প্রবীন সাংবাদিক ওয়াসিল উদ্দিন ছিলেন একজন কলমযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ও মুক্তিকামি বাঙ্গালির পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করায় গান পাওডার দিয়ে তার বসতবাড়ি পুরিয়ে দিয়েছিলো পাক হানাদাররা-বাকিটা ইতিহাস। বর্তমানে “ আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাব” এর প্রধান উপদেষ্টা-জনাব মঞ্জুরুল আলম রাজীব চেয়ারম্যান সাভার উপজেলা পরিষদ, সাভার ঢাকা।

  • নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে জেলা অপরাজিতাদের সাথে  অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে জেলা অপরাজিতাদের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আনোয়ার হোসেন,
    পিরোজপুর প্রতিনিধি//

    নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর প্রতিনিধিদের সাথে জেলা অপরাজিতা নেটওয়ার্ক-এর অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৪শে মার্চ রবিবার বেলা ১১টায় পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক – সাইফ মিজান স্মৃতি সভাকক্ষ, অপরাজিতাদের নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)জনাব মাধবী রায়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুর জেলা অপরাজিতা নেটওর্য়াকের এর সভাপতি নার্গিস জাহান। উক্ত সভায় সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন পিরোজপুর জেলা অপরাজিতা নেটওয়ার্ক এর সাধারন সম্পাদক ফাহমিদা মুন্নী

    উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম –উপপরিচালক,কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, মো: সোহেল পারভেজ- উপপরিচালক, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, জনাব মমিনুল হক বাকাউল- উপপরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জনাব ইকবাল কবির –উপপরিচালক, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর, জনাব ডা: মো: রানা মিয়া-জেলা প্রানী সম্পদ অফিসার. প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর, জনাব কুমারেশ চন্দ্র গাছি-জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মো: জহুরুল হক-জেলা শিক্ষা অফিস,এস এম মনিরুজ্জামান-কৃষি প্রকৌশলী,প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি -খেলাফত খসরু, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, আব্দুস সালাম বাতেন-পৌর কমিশনার,আফিজা আক্তার খুশি–পৌর কমিশনার ।আরো উপস্থিত ছিলেন আনসার ভিডিপি প্রতিনিধি,এসএমসি প্রতিনিধি, কাজী , ইমাম ও জেলা অপরাজিতাবৃন্দ।আরো ছিলেন রূপান্তরের বরিশাল ক্লাস্টারের বিভাগীয় সমন্বকারী ঝুমু কর্মকার, ও জেলা সমন্বয়কারী সাহিদা বানু সোনিয়া এবং মাঠ সমন্বকারী জাহাংগীর ফকির মিঠু ও আজিজূল হক প্রমুখ।

  • বানারীপাড়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া(বরিশাল) সংবাদদাতা: বানারীপাড়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজনীন হক মিনু বানারীপাড়া ডাক বাংলোয় সকাল ১০ সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষনা দেন। উপজেলার আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন এনজিও’র কমিটি, অপরাজিতা, নারীনেত্রী নেট ওয়ার্ক সংগঠন এর সাথে কাজ করছেন। করোনাকালীন সময়ে তিনি মানুষকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য -সহযোগিতা করেছেন। মিনু বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন। নারীর অধিকার বিষয়ে কাছ করেছন। তিনি নির্বাচিত হলে প্রাপ্ত সম্মানী অতি দরিদ্র ও দুস্থ নারীদের মাঝে বিতরণ করার কথা বলেন। সমাজকে কিছু দেয়ায় জন্য এবং উপজেলাবাসীকে সেবা প্রদান করার কথা বলেন।
    তিনি সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন শুভ মোগল, সুজন মোল্লা, মোঃ জাকির হোসেন জীবন, মোঃ ইলিয়াস হোসেন, আব্দুল আউয়াল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন #

  • বানারীপাড়ায় বঙ্গবন্ধু  সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা: রবিবার ২৪ মার্চ সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়িত উপজেলা পর্যায়ে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম, চাখার সরকারি ফজলুল হক কলেজ শিক্ষক সুমন মন্ডল, উজিরপুরের পাপিয়া ইয়াসমিন, বানারীপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাছুদা আক্তার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় ভাষা ও সাহিত্য, গণিত ও কম্পিউটার, দৈনন্দিন বিজ্ঞান এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন(অটিজম) বিষয়ে চারটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ৪ টি বিভাগের ১২ জনকে পুরস্কার বিতরণ করা হবে বলে উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা জানান।#

  • স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়েক স্থরের নিরাপত্তা জোরদার

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়েক স্থরের নিরাপত্তা জোরদার

    হেলাল শেখঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সাথে এ বছর ড্রোন ক্যামেরা দ্বারা পুরো এলাকাটি মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) মোঃ আবদুল্লাহিল কাফী।

    রবিবার (২৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা জেলার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এ সময় ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) আবদুল্লাহিল কাফী বলেন, আপনারা জানেন যে, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং ভুটানের যিনি রাজা উনারা নবীনগরে অবস্থিত এই জাতীয় স্মৃতিসৌধে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসবেন। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমাদের ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম আমাদের যে পরিকল্পনা সেটি গ্রহণ করা হয়েছে।

    নিরাপত্তার বিষয়ে এ সময় তিনি আরো বলেন, আমাদের কয়েক স্তরে নিরাপত্তা থাকবে, সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। আমাদের রাস্তায় রোড কেন্দ্রিক পুলিশ থাকবে। এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্রিক আমাদের বড় একটি টিম কাজ করবে। এর বাহিরে এ বছর আমরা ড্রোন দ্বারা পুরো এলাকার পরিস্থিতি মনিটরিং করবো। আমাদের কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পুলিশ সদস্য এই মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নিরাপত্তায় কাজ করবে।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিবসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে, বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান হতে পারে। যেহেতু এটি রমজান মাস চলছে, সবকিছু আমাদের ঢাকা জেলা পুলিশ এখানে একটি সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। কেননা কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য যেন কোথাও অনুষ্ঠিত না হয় সে লক্ষ্যে পুলিশ সচেষ্ট থাকবে।

    এ সময় আবদুল্লাহিল কাফী আরও বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং ভুটানের যিনি রাজা উনারা আসবেন ভোর বেলা। তার আগে আমাদের স্মৃতিসৌধের যে মেইন গেট তার আশপাশে, ওই সময় সাধারণ দর্শনার্থীরা থাকতে পারবেন না৷ তবে উনারা চলে যাওয়ার পরে সর্বসাধারণের জন্য এটি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে এবং আমাদের সড়কের যে ব্যবস্থা সেটি নরমাল থাকবে। কেননা এখানে সাধারণ যে নাগরিকবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসবেন। তারা যেন দ্রুত আসতে পারেন এবং দ্রুত ফিরে যেতে পারেন সে লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশ কাজ করবে।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম সায়েদ, ওসি ইন্টেলিজেন্ট মিজানুর রহমান, উপ-পরিদর্শক অমিতাভ চৌধুরী অমিত, উপ-পরিদর্শক বিপুল হোসেনসহ ঢাকা জেলা বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

    অন্যদিকে দিবসটি পালনে জন্য সবুজে ঘেরা ১০৮ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ চত্বরটি গণপূর্তের কয়েক’শ কর্মীর নিরলস পরিশ্রমে এক নতুন রূপ পেয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করার পর রং তুলির নতুন সাঁজে সেজেছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ চত্বরের প্রতিটি স্থাপনা।

    স্মৃতিসৌধ চত্বরের চারপাশের শোভা পাচ্ছে নানা ধরনের রঙ্গিন ফুল।

  • গোদাগাড়ীতে সিসিবিভিও’র আয়োজনে   পশু, পাখি  পালনের উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে সিসিবিভিও’র আয়োজনে পশু, পাখি পালনের উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট এলাকায় সিসিবিভিও’র আয়োজনে ও ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড জার্মানীর সহায়তায় ‘রাজশাহীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর রক্ষাগোলা গ্রাম ভিত্তিক স্থিতিশীল খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচী’-এর আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ের ১০টি রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনসমূহের ২০ জন সদস্যের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ ২৪ মার্চ, ২০২৪ তারিখ রোজ রবিবার সিসিবিভিও শাখা কার্যালয় কাঁকনহাট প্রশিক্ষণ কক্ষে দিনব্যাপী হাঁস-মুরগী ও গবাদী পশু পালন বৃদ্ধিকরণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহন করা হয়।

    এ প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজাবাড়ীহাট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দের উর্দ্ধতন প্রশিক্ষক মু: আসাদুজ্জামান ও সিসিবিভিও’র উর্দ্ধতন মাঠ কর্মকর্তা নিরাবুল ইসলাম । প্রশিক্ষণের আলোচ্য সূচি ছিল গবাদি পশু-পাখি পালনের আধুনিক পদ্ধতি, গবাদি পশু-পাখির বিভিন্ন রোগ ও তার প্রতিকার, গবাদি পশু-পাখি পালনে বিভিন্ন সমস্যার প্রশ্নোত্তর এবং গবাদি পশু-পাখি পালনের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজারজাতকরণের উপায় । প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন সিসিবিভিও’র প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা সৌমিক ডুমরী।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • উজিরপুরে রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ -আহত ২

    উজিরপুরে রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ -আহত ২

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর রাস্তা নির্মান নিয়ে বিরোধের জেরে দুইজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের একটি সরকারি রাস্তা নির্মান নিয়ে পুর্ব বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ ঘটে।

    স্থানীয় ও অভিযোগ সুত্রে যানা যায়, একই বাড়ির একটি রাস্তা নির্মান শুরু হলে মোঃ হায়দার আলী(৪৩)গং ও রাসেল বালী(২৫) গং দের কিছু জমি রাস্তার ভিতরে পরে। এ নিয়ে শুরু হয় উভয় পক্ষের বিরোধ। ২৩ মার্চ সন্ধা ৬ টায় বিরোধের এক পর্যায়ে মোহাম্মাদ আলী পাইক এর স্ত্রী হিরা বেগমের উপর একই বাড়ির রাসেল বালীর (২৫) নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জন অতর্কিত হামলা চালায়। হিরা বেগমের ডাক চিৎকারে হায়দার আলী ও জব্বার পাইক ছুটে আসলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়।

    হামলায় আহত জব্বার পাইক ও হিরা বেগমকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    হামলার শিকার জব্বার পাইক ও হিরা বেগম বলেন বিনা কারনে আমাদের উপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।রাসেল বালী রাম দা সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। তার সহযোগী ছিলো জহুরা বেগম, ভাসাই বালী,রাশিদা বেগম, শিল্পি বেগম,পারভীন বেগম সহ আরো কয়েকজন। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ বলেন, রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারি সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মায়ের সাথে অভিমান করে বিষ পানে ছেলের আত্মহত্যা

    মায়ের সাথে অভিমান করে বিষ পানে ছেলের আত্মহত্যা

    নাঈম ইসলাম তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

    বরগুনার তালতলীতে মাত্র ১০০ টাকার জন্য মায়ের সাথে অভিমান করে মো. ইমরান হোসেন (১৮) নামের এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে। রবিবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বড় আমখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. ইমরান হোসেন একই গ্রামের মো. ইব্রাহিম হাওলাদারের ছেলে ও লাউপাড়া সাগর সৈকত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন রবিবার স্থানীয় দোকানে ইমরানের কাছে পাওনা ১০০ টাকা পরিশোধের জন্য দোকানদার চাপ দেয়। পরবর্তীতে ইমরান তার পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য মায়ের কাছে ১০০ টাকা চায়। এ টাকা দিতে তার মা অস্বীকার করলে ইমরান হোসেন অভিমান করে কীটনাশক পান করে। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অব¯’ার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। পরে বরিশালে নিয়ে যাওয়ার পথে ইমরানের মৃত্যু হয়।

    তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হয়েছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    নাঈম ইসলাম
    তালতলী বরগুনা

  • সুন্দরবনের নদী খালে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্টগার্ড’র অভিযান

    সুন্দরবনের নদী খালে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্টগার্ড’র অভিযান

    মোংলা বাগেরহাট, প্রতিনিধি।

    সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী সুন্দরবন সহ পার্শবর্তী নদী-খালের অভয়ারন্য এলাকায় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অভিযান শুরু করেছে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদস্যরা। রবিবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বনের নন্দবালা ও হারবাড়িয়া সহ অন্যান্য অভয়ারণ্য এলাকাগুলোতে অভিযান চালান তারা। এসময় জেলেদের এসকল এলাকা থেকে বের করে দেয়া সহ নিষিদ্ধ সময়ের সরকারী লিফলেট বিতারণও করা হয়। কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের কর্মকর্তা লে. ইকবাল জানায়, পুর্ব সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকা ও এর আশপাশের নদী ও খালে সকল প্রকারের মাছ ধরা পরিবহন ও নৌযান চলাচল করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে সরকার। তাই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এসকল স্থানে জেলেরা যাতে প্রবেশ করে মাছ ধরতে না পারে, পর্যটকবাহী বোট যাওয়া এবং সকল ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়। চলমান এ দুই মাস মাছের ডিম ছাড়ার মৌসুম, তাই ডিম থেকে বাচ্চা বড় হওয়া সহ মাছের বংশ বৃদ্ধির নিরাপদ স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে বনের অভয়ারণ্য এলাকা। এই সময় যাতে জেলে নামধারী দুবৃত্তরা এসকল এলাকায় মাছ শিকার করতে না পারে সে জন্যই কোস্ট গার্ডের এ অভিযান। এসময় জেলিপুশকৃত চিংড়ি, চিংড়ি রেনু পোনা, ফাইস্যা পোনা, কচ্ছপ, কাঁকড়া, অবৈধ বোট ও অবৈধ জাল আটকসহ বিভিন্ন বিষয়ে রোধে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করবে কোস্ট গার্ড সদস্যরা। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট সুন্দরবনের চার ভাগের ৩ ভাগ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে মোংলা, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের ১টি বেইস ও ১৪টি স্টেশন, আউটপোস্ট নিয়ে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
    এছাড়াও মোংলা বন্দরে আগত বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা প্রদান এবং বিভিন্ন সময় সমুদ্রে ডুবে যাওয়া জাহাজ, ট্রলার এবং বোটের উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন তার এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে চোরাকারবারী, পাঁচারকারী, বিদেশী মদ, গাঁজা, ইয়াবা, হরিণের মাংস, মাথা ও চামড়া আটকসহ বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে অবৈধ মৎস্য আহরণ, মাদক ও মানব পাচার রোধ, অবৈধ জালের ব্যবহার, বনজ সম্পদ রক্ষা, নৌযান ও নৌপথে জানমালের নিরাপত্তা বিষয়ে স্থানীয় জেলে, মাঝি ও পেশাজীবীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক বক্তব্য ও দিন-রাত টহলরত রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন মোংলা সদর দপ্তরের সদস্যরা।