উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এসপি মেহেদী হাসান।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। আজকের প্রথম প্রহরে নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু ও চেতনা চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ বীর শহীদদের স্যালুট করেন। পরবর্তীতে যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তাদের আত্মার মাগফেরাত করে দোয়া করা হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, আজকের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বাঙালি জাতির জীবনে এক অনন্য দিন। ৫৪ বছর আগে এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশকে দখলদারমুক্ত ও হানাদার মুক্ত করেন। স্বাধিকারের দাবিতে জেগে ওঠা নিরীহ বাঙালির উপর একাত্তরের (২৫ মার্চ) কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চালিয়েছিল নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সেই কালরাত স্মরণে গতকাল সোমবার (২৫ মার্চ) গণহত্যা দিবস পালন করা হয়। গতকাল রাত ১১ঃ০০ থেকে ১১ঃ১ পর্যন্ত জরুরি স্থাপনা ছাড়া সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট বা আলো নিভিয়ে কালরাত স্মরণ করে জাতি। শোক ও স্বাধীনতার গর্বিত মুহূর্ত খুব কম জাতি জীবনে পাশাপাশি পেয়েছে।
এ সময় মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল; সুবাস চন্দ্র বোস, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান; আন্জুমান আরা, মেয়র, লড়াইল পৌরসভা; মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
Blog
-

নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এসপি মেহেদী হাসান
-

বাবুগঞ্জে উৎসবমুখ পরিবেশে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত
বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা
আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন। দীর্ঘ পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মাঝে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরপর ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয় তাই আজ উৎসবমুখো পরিবেশে বাবুগঞ্জ উপজেলায় পায়রা উড়িয়ে এবং পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, প্রধান অতিথি বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব কাজী এমদাদুল হক দুলাল,
অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শাকিলা রহমান, বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি সরদার মোঃ খালেদ হোসেন স্বপন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রহমতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আখতারুজ্জামান মিলন, এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ এই এম মাসুদ আলম, বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ
জনার এসএম মাকসুদর রহমান,
জনাব ইকবাল আহমেদ আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলাপরিষদ, বাবুগঞ্জd, জনাব ফারজানা বিনতে ওহাব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলাপরিষদ, বাবুগঞ্জ, ওয়ার্কার্স পার্টির বাবুগঞ্জ উপজেলার শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহিন খান, জাতীয় পার্টির ৬নং মাধবপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, চাঁদপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার ঢালী, কেদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নূরে আলম বেপারী, অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষকবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দরা ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের সহ সকল নেতাকর্মীরা। -

শেখ হাসিনা যতদিন প্রধানমন্ত্রী আছেন ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান বৃদ্ধি পেতেই থাকবে –পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার এমপি
আবুল বয়ান, ধামইরহাট প্রতিনিধি :
ধামইরহাটে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার এমপি বলেন, “শেখ হাসিনা যতদিন প্রধানমন্ত্রী আছেন ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান বৃদ্ধি পেতেই থাকবে।” তিনি আরো বলেন ”হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ১৯৭১ সালে যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করেছেন তাদের প্রতি জাতি কৃতজ্ঞ।” “ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ আডিটোরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা খাতুন। সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান আজাহার আলী, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জেসমিন আক্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেলদার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, ওসি হাবিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান, ইয়াকুব আলী ও আব্দুর রউফ মন্ডল। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরদারের সঞ্চালনায় ২১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের হাতে সংবর্ধনা পুরস্কার তুলে দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার এমপি। এর আগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে দিনের প্রথম প্রহরে পুলিশ প্রশাসনের তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুরুতেই স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সকাল সাড়ে ৮টায় ধামইরহাট এমএম সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে পতাকা উত্তোলন, শান্তির কপোত অবমুক্তকরণ, বেলুন উড়ানো, কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।
আবুল বয়ান।।
-

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্প স্তবক অর্পণ, স্বাধীনতার র্যালি, শিশু কিশোর সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সূর্য উদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে দিবসটির সুচানা করা হয়, সকাল সাতটার দিকে জাতীর জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্প স্তবক অর্পনের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন এবং বর্ণিল বেলুন ও শান্তির প্রতিক পায়ড়া উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি ও তেঁতুলিয়া মডেল থানা অফিসার ইনর্চাজ সুজয় কুমার রায়। এর পর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় অভিষিক্ত করা হয় এবং তাদের সম্মানে ইফতার মাহফীলের আয়োজন করা হয়েছে।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকাল সাতটার দিকে জাতীর জনকের প্রতিকৃতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিগন পুষ্প স্তবক অর্পন করেন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নজরকাড়া ডিসপ্লে ও একঝাঁক খুদে শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধুর সাজ ও ভাষন সবাইকে মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের শেষ অংশ গ্রহণ কারী দলগুলোর হাতে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়। পরিশেষে সমাপনি বক্তব্য দেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি।
এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাহবুবুল হাসান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী মন্ডল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌস, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শাহ মোঃ আল আমিন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, উপজেলা মৎস্য অফিসার মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযক্তি অধিদপ্তর তেঁতুলিয়ার সহকারী প্রোগ্রামার নবীউল করিম সরকার, উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাকির হোসেন, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রোকেয়া বেগম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ, বীরমুক্তিযোদ্ধাগণ, আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ অংশগ্রহন করেন।
-

বানারীপাড়ায় ২৬ মার্চ স্বধীনতা দিবস পালন
এস মিজানুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি : বানারীপাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত-সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন হয়েছে। সকাল ৮টায় বানারীপাড়া ডাকবাংলো মোড়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে স্থাণীয় সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেননের পক্ষে, উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন, থানা প্রশাসন, পৌরসভা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠন, ওয়ার্কার্সপার্টি ও প্রেসক্লাব সাংস্কৃতিক সংগঠন নতুনমুখ, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়।
এরপর বানারীপাড়া হাই স্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুচকাওয়াজ এবং মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবধর্না অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্তরা হালদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম ফারুক।
সাংবাদিক রাহাদ সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, ওসি মাইনুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর সাইদুর রহমান শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জগন্নাথ প্রমুখ।
এদিকে বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক ও বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানার সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন চাখার সরকারি ফজলুল হক কলেজের সাবেক ভিপি ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সাবেক উপ-পরিচালক পরিমল কুন্ডু, সাবেক জিএস ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খিজির সরদার প্রমূখ।#
-

নওগাঁয় গৃহবধু হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ি , স্বামী ও দেবরকে আটক
আবুল বয়ান, ধামইরহাট প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাটে গৃহবধু আয়না হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ি, স্বামী ও দেবর কে ঢাকার আদাবর নামক এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আটককৃত আসামীরা হলো- ধামইরহাট উপজেলার বিহারীনগর গ্রামের খোরশেদ আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম এবং ছেলে মো. নুরুল আমিন ওরফে এরশাদ (৩২) ও মো. শাকিল হোসেন (২২)।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে র্যাবের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট এর অভিযানিক দল (২৬ মার্চ) ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা জেলার আদাবর থানাধীন সুনিবির হাউজিং এলাকা হতে আমেনা হত্যা মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামীদেরকে গ্রেফতার করে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মার্চ ধামইরহাট উপজেলার উমার ইউনিয়নের বিহারীনগর গ্রামের নুরুল আমিন ওরফে এরশাদ এর স্ত্রী মহসিনা খাতুন ওরফে আয়না (৩০) কে ভোর রাতে বাড়ীর পূর্ব পার্শ্বে একটি আম গাছে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন থানা পুলিশ কে খবর দিলে সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য যে, মৃত আয়না আক্তারের সাথে তার শাশুড়ী আমেনা, স্বামী এরশাদ ও দেবর শাকিল এর সাথে প্রায়ই বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা, সোফা সেট, আলমীরা ও খাট ইত্যাদি আনার জন্য বিরোধ লেগেই থাকতো। বিরোধের জের ধরে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ী আমেনা, স্বামী এরশাদ, দেবর শাকিল এবং আমেনার জামাতা বিদ্যুৎ তাকে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আম গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে জানান মৃতের স্বজনরা। মৃতের চাচা আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় ভাতিজিকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।
মামলার রুজু হওয়ার পর থেকেই শাশুড়ী আমেনা, স্বামী এরশাদ, দেবর শাকিল ও আমেনার জামাতা বিদ্যুৎ আত্নগোপনে চলে গেলে র্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর একটি অভিযানিক দল গত (২৩ মার্চ) আমেনার জামাতা বিদ্যুৎ কে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার গোপিরামপুর নামক এলাকা থেকে গ্রেফতার করে এবং আমেনা, এরশাদ ও শাকিল কে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়।
পরবর্তীতে র্যাব-২, সিপিসি-১ এর সহায়তায় হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আমেনা, স্বামী এরশাদ ও দেবর শাকিল কে ঢাকা জেলার আদাবর থানাধীন সুনিবির হাউজিং এলাকায় আত্নগোপনে থাকাকালে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ।
আবুল বয়ান।।
-

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সুনামগঞ্জ জেলা পুনাকের শ্রদ্ধা নিবেদন
কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
২৬শে মার্চ ২০২৪ খ্রি. মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে অবস্থিত শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), সুনামগঞ্জ জেলা শাখার পক্ষ থেকে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সুনামগঞ্জ জেলা পুনাকের সাধারণ সম্পাদিকা সুনন্দা দাস। এ সময় সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।##
-

স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজা
হেলাল শেখঃ বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ৫৩তম বার্ষিকীতে জাতির বীর শহীদদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় এই আচারে এবার তাদের সঙ্গী হয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক।
মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে দিনের প্রথম প্রহরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং ভুটানের রাজা।
শহীদ বেদীতে ফুল দেওয়ার পর সেখানে দাঁড়িয়ে কিছু সময় নীরবতা পালন করেন তারা। এসময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার দেয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার আগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন৷ ভুটানের রানি জেৎসুন পেমাও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
পরে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সন্তানরা। আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের শ্রদ্ধা জানানো শেষে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় স্মৃতিসৌধ। সরকারি-বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যানার নিয়ে দলে দলে জনস্রোত প্রবেশ করে স্মৃতিসৌধে।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বজ্রবাণীর পর বাঙালির মুক্তির আন্দোলনের শ্বাসরোধ করতে ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটের নামে ঢাকাকে মৃত্যুপুরী বানিয়ে ফেলে পাকিস্তানি বাহিনী।
রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পিলখানা ইপিআরসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রতিরোধ হলেও পাকিস্তানি সেনাদের ভারী অস্ত্রের সামনে তা টিকেনি বেশিক্ষণ। মেশিনগান, কামানের গোলার পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ শুরু হয় শহরজুড়ে।
পৈশাচিক বর্বরতার মধ্যেই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আটক করে পাকিস্তানি বাহিনী। তার আগেই বাংলাদেশকে ‘স্বাধীন’ ঘোষণা করে দেশবাসীর উদ্দেশে তারবার্তা পাঠিয়ে যান তিনি, স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার হয় ইপিআরের ওয়্যারলেস বার্তায়।
মরণপণ লড়াই চলে পরের নয়টি মাস। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত, অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ধরা দেয় বিজয়। বাঙালির আত্মত্যাগ পরিণতি পায় বিশ্ব মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ’ নামের এক নতুন রাষ্ট্রের অবয়বে।
-

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের কবরে গার্ড অফ অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণ
আজিজুল ইসলামঃ
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একাত্তরের রণাঙ্গনের সাহসী সন্তান বীর শ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধীস্থলে যশোর-৪৯ বিজিবির পক্ষ থেকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অফ অনার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর সেলিমুদ্দোজা। এ সময় স্থানীয় সাংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ এর পরিবারের সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে শার্শা উপজেলার কাশিপুর তার কবরে গার্ড অফ অনার, পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা ও দোয়ার অনুষ্ঠান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শার্শার সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশি, যশোর-৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর সেলিমুদ্দোজা, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, সরকারী বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাছানুজ্জামান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোজাফ্ফর হোসেনসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। -

চারঘাটে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীর চারঘাটেও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসের কর্মসূচি মোতাবেক মঙ্গলবার সকাল ০৬:১৫ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠন।
সকাল ৮ টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে চারঘাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর সকাল ০৮:৩০ মিনিটে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, বিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস, স্কাউটস, রোভার স্কাউটস এবং গার্লস গাইড সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন।
সকাল ৯ টায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফকরুল ইসলাম।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান আলমাছ, চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজমিরা খাতুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষি বিদ আল মামুন হাসান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালী উল্লা মোল্লা, সরদহ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান মধু, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোহেল রানা, ভায়ালক্ষীপুরের ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাইফুল ইসলাম বাদশা প্রমুখ।
সবশেষে, উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ ও মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবাবের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মোঃ মোজাম্মেল হক
চারঘাট, রাজশাহী।