Blog

  • আশুলিয়ায় জমকালো  আয়োজনে দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    আশুলিয়ায় জমকালো আয়োজনে দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ বহুল প্রচারিত দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার ৬ ষ্ঠ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গত ৩০ শে মার্চ রোজ শনিবার বিকাল ৫ ঘটিকায় দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল-শাহরিয়ার বাবুল খাঁনের সঞ্চালনায় ঢাকা ইপিজেড সংলগ্ন হাসেম প্লাজার ২য় তলা লাসানিয়া চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আলোচনা সভা ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    উক্ত আলোচনা সভা ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (DUJ), এর সাবেক সভাপতি ও ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক জনাব আবু জাফর সূর্য, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া থানা পরিদর্শক (ওসি) তদন্ত জনাব মাসুদুর রহমান ও পরিদর্শক (ওসি) অপারেশন নির্মল কুমার,

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার সহ-সম্পাদক এ্যাডঃ আবু জাফর শিকদার, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন , আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি জনাব শহিদুল্লাহ মুন্সি, আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি মেহেদী হাসান মিঠু, সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক করতোয়া পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি মুঞ্জুরুল মোর্শেদ, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল হক রিপন, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মানিক।

    আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ), সাধারণ সম্পাদক মোঃ কলিম উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকা প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা আশুলিয়া প্রতিনিধি এ্যাডঃ মোতালেব হোসেন, আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান মুন্সি, এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার মোঃ নাসিম খাঁন, আশুলিয়া মডেল সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম সোহাগ, মোঃ শাহ আলম সরকার সহ সাভার আশুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

    এসময় আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি জনাব আবু জাফর সূর্য গণমাধ্যম বিষয় বস্তু নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য রাখেন এবং দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এবং আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় প্রধান অতিথি আবু জাফর সূর্য কে ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় প্রধান আলোচক এ এফ এম সায়েদকে দৈনিক আমাদের খবরের পত্রিকার পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

    সেই সাথে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায়, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল-শাহরিয়ার বাবুল খান, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দু হক রিপন, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মানিক, দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি মনির হোসেন, ও সুমনকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন দৈনিক আমাদের খবর পত্রিকার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, প্রধান অতিথি আবু জাফর সূর্য, প্রধান আলোচক সহ সম্মানিত অতিথিগণ।

  • একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন- ইয়ামিন বাঁচাতে সাহায্য করুন

    একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন- ইয়ামিন বাঁচাতে সাহায্য করুন

    ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের নলচিড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ উজ্জ্বল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে ইয়ামিন। বয়স ১৭মাস। জন্মগতভাবেই হ্রদরোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবনের সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তাকে বাঁচাতে হলে তার হার্ট অপারেশন করতে হবে। এজন্য ভারতে চিকিৎসার খরচ হবে প্রায় ৬,০০,০০০/= (৬ লক্ষ) টাকা, যা ইয়ামিনের বাবা শ্রমিক উজ্জল বা পরিবারের পক্ষে যোগাড় করা একেবারেই সম্ভব নয়।

    জানা যায়, ইয়ামিন তার পরিবারের দ্বিতীয় পুত্র। গরীব খেটে খাওয়া শ্রমিক বাবা উজ্জ্বল , সে তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি। টাকার অভাবে ইয়ামিন ক্রমশ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ৬ লক্ষ টাকা যোগার হলে তবেই ইয়ামিনের অপারেশন করতে তাকে নিয়ে ভারতে যাবে তার পরিবারবর্গ।

    মাহে রমজান উপলক্ষে অনেকে দান ও ফিতরা বিতরণ করে থাকেন। অপনাদের একটুখানি সহায়তাই কেবল পারে ইয়ামিনকে দ্বিতীয় জীবন উপহার দিতে। আর তাই ইয়ামিনের পরিবারের লোকজন এখন নিরুপায় হয়ে সমাজের বিত্তশালীদের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করছেন।

    সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা : হিসাব নং- 0935010011193 রুপালী ব্যাংক, ফাতেমা নগর শাখা ত্রিশাল ময়মনসিংহ, অথবা সরাসরি যোগাযোগ করতে ফোন করুন 01707265965 (বিকাশ-নগদ) নম্বরে।

  • সুন্দরগঞ্জে জাপা নেতা শাহীনের মাতার ইন্তেকাল

    সুন্দরগঞ্জে জাপা নেতা শাহীনের মাতার ইন্তেকাল

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়ন জাতীয় পাটির সভাপতি ও ধুবনী মহিলা কলেজের প্রভাষক শরিফুল ইসলাম শাহীনের মাতা সেলিনা হোসেন (৬৬) অসুস্থ্যজনিত কারনে রবিবার সকালে শান্তিরাম পরান গ্রামস্থ তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ……..রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। ওইদিন তার নিজ বাড়িতে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে সাবেক সাংসদ ও জাপা নেতা ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা, পৌর মেয়র মো. আব্দুর রশিদ রেজা সরকার ডাবলু, উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান আকন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিক্ষক ও সাংবাদিকগণ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপনসহ মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

  • সুখে-দুঃখে পাশে থেকে সদরবাসীকে এ জীবন বিলিয়ে দিতে চাই-আশরাফ হোসাইন

    সুখে-দুঃখে পাশে থেকে সদরবাসীকে এ জীবন বিলিয়ে দিতে চাই-আশরাফ হোসাইন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আগামী ১১ই মে দ্বিতীয় দাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ময়মনসিংহ সদর ও মুক্তাগাছা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এই উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নেতাকর্মীরাও সক্রিয় রাজনীতির মাঠে। দল ও দলের বাইরে সবাইকে এক করে মাঠে আনার প্রচষ্টা যেমন প্রার্থীদের, তেমনই দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটাররাও চান ভালো মানুষ আসুক আগামীর নেতৃত্বে। ময়মনসিংহ সদর উপজেলাবাসীর চাওয়া এমনই একজন ভালো মানুষ বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফ হোসাইন। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সদস্য। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে যিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈচার বিরোধী আন্দোলনসহ বিএনপি জামাতে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। যিনি প্রকৃত অর্থেই আপাদমস্তক একজন ভালো মানুষ বলে প্রতীয়মান সদরবাসীর কাছে। তাদের ভাষ্য মতে, উপজেলা চেয়ারম্যান ( আশরাফ হোসাইন ) এর মতো পরোপকারী মানুষ এই ময়মনসিংহ ( সদর ) অঞ্চলে বিরল। খালি হাতে কেউ কখনও ফিরে আসেনি। তিনি ভিন্ন মতাদর্শের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও বলে জানান অনেকে। সদর উপজেলাবাসীর মাঝে আপনাকে নিয়ে এতো ইতিবাচক মনোভাব, যা বর্তমান সময়ের অনেক ডাকসাইটের রাজনৈতিকের মাঝেও অনুপস্থিত । এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিবেদককে তিনি বিনয়ের সঙ্গে বলেন, জবীনটা খুব বড় নই, মানুষের জন্য কিছু করতে পারার মাঝে যে আনন্দ আছে, তা অন্য কিছুতে নেই।

    আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আপনার মাধ্যমে সকলকে অবহিত করতে চাই- ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করি না, সাধারণ মানুষ ও রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরপরই উপজেলার কৃষি খাত, পানি সরবরাহ, শিক্ষা, মানব সম্পাদ উন্নয়ন, কুঠির শিল্প, হাট বাজারের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য খাত, সামাজিক নিরাপত্তা, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবহন ও যোগাযোগ খাত এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতিক খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করার চেষ্টা করেছি। সত্যি বলতে, আমার কোন চাওয়া পাওয়া নেই। আমার চাওয়া শুধু এই জনপদের ( উপজেলাবাসীর ) মানুষের কিসে মঙ্গল নিহিত হয়, তার জন্য কাজ করে যাওয়া। এর বাইরে আমার বিন্দু মাত্র ভাবার অবকাশ নেই। আমি যদি তাদের ( সদরবাসীর ) মুখে হাসি ফুটাতে পারি, তবেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার মত ক্ষুদ্র একজন রাজনৈতিক কর্মীর স্বার্থকতা।বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবীত হয়েই ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে আজ এই অবস্থায় এসেছি। একথা অস্বীকার করবো না, মনের মাঝে সুপ্ত বাসনা ছিল; আল্লাহ যদি কখনও জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সেবা করার সুযোগ করে দেন, তবে মানুষের ভালোবাসা অর্জনে যা কিছু করার সব করে যাব। এর ব্যত্যয় করবো না। মানুষ যেন বলে- ‘আশরাফ’ কিছু করেছে। তার কথা ও কাজে গড়মিল নেই। এর বেশি চাওয়া-পাওয়া নেই। পবিত্র এই রমজান মাসে উপজেলাবাসীর উদ্দেশ্য এটুকু না বললেই নয় – আমি আপনাদের ( সদর ) সন্তান। সুখে-দুঃখে আপনাদের পাশে থেকে এ জীবন বিলিয়ে দিতে চাই। স্মার্ট ও আধুনিক উপজেলা বিনির্মানে আপনাদের ভোটে আরও একবার সুযোগ চান বলে জানান তিনি। দেশের মানুষ যেন বলে ময়মনসিংহ সদর, প্রকৃত অর্থেই স্মার্ট ও আধুনিক উপজেলা।

    শনিবার (৩০ মার্চ ২০২৪) প্রতিবেদকের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফ হোসাইন এসব কথা বলেন।

    সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম, আর ইসলামের সংবিধান হলো মহাপবিত্র আল কুরআন। এটি কিয়ামত পর্যন্ত সকল মানুষের জন্য ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির পথপ্রদর্শক। মুসলিমদের জন্য রয়েছে আরেকটি বিধান সেটি হলো মহানবী (স.) এর হাদীস। এই দুটিকে আঁকড়ে ধরতে পারলে পথভ্রষ্ট হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। বরং কুরআন ও হাদীসের আলোকে জীবন পরিচালনা করতে পারলে পরকালে পুরস্কার হিসেবে রয়েছে চির শান্তির জান্নাত।

    আশরাফ হোসাইন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে আমাদের মত ক্ষুদ্র কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছি। নেত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য নৈতিক, মানবিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সততা ও মেধা দিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তার সততা, মেধা, মনন, প্রজ্ঞা, এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে এমন এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন যে, শুধু বাংলাদেশ নয়-আন্তর্জাতিক মহলও আজ নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমাদের মতো ক্ষুদ্রকর্মী দলে যারা আছেন, অর্থাৎ যার যার অবস্থান থেকে সততার সঙ্গে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাংলাদেশ একদিন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সেই স্বপ্ন পূরণ ও ‘রূপকল্প ২০২১’-এর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ‘রূপকল্প ২০৪১’ গ্রহণ করা হয়। ২০ বছর মেয়াদি সুদূরপ্রসারী এই স্বপ্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত এবং জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত বাংলাদেশ সরকারের একটি জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনায় বাংলাদেশের লক্ষ্য শিল্পায়নের মাধ্যমে উচ্চ আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের প্রসারকে উৎসাহ দেওয়া রূপকল্প ২০৪১-এর মূল উদ্দেশ্য। নেত্রীর উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার সারথি হতে সম্মানিত ভোটারদের কাছে আরও একবার ভোট চান তিনি।

  • কুড়িগ্রামে হ*ত্যাকে অপমৃ*ত্যু চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ

    কুড়িগ্রামে হ*ত্যাকে অপমৃ*ত্যু চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরীতে পশ্চিম মন্নেয়ারপাড় এলাকায় ঘাতক স্বামী ছলিম উদ্দিনের হাতে গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডকে অপমৃত্যু বলে চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেন গৃহবধূর বাবা-মা ও এলাকাবাসী। তবে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ বলছেন লাশ পোস্টমর্টেমর তথ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কালীগঞ্জ ইউনিয়নের পুর্ব মন্নেয়ারপাড় এলাকার মনির উদ্দিনের কন্যা মহুয়া বেগমের সাথে ভিতরবন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম মন্নেয়ারপাড় এলাকার মৃত খয়বর আলীর পুত্র ছলিম উদ্দিনের সাথে প্রায় ২৪বছর পুর্বে বিবাহ হয়। ছলিম উদ্দিন ও মহুয়া বেগমের ঘরে প্রথম কন্যা ছকিনা বেগম ও দুই পুত্র মামুন, মাছুম মিয়ার মধ্য কন্যা ছকিনা বেগম বিবাহীত আর দ্বিতীয় সন্তান মামুন ঢাকায় কাজ করেন। তাদের সংসার জীবন ভালোই চলছিল। খয়বর আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগম হচ্ছেন ছলিম উদ্দিনের সৎ মা। দীর্ঘদিন থেকে ছলিম উদ্দিন তার সৎ মা সুফিয়া বেগমের কু-পরামর্শে তার স্ত্রী মহুয়া বেগম কে বিনা-অপরাধে নির্যাতন করে মানসিক রোগী করেন।

    মনির উদ্দিন, স্ত্রী আকলিমা বেগম ও তার পুত্র কামাল মিয়া, হাসান আলী অভিযোগ করে বলেন, জামাই ছলিম উদ্দিন (গত ১৪আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ) রাতে আমাদের জানান মহুয়া বেগম বাড়ীতে নেই আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মহুয়া কে মেরে ফেলার সন্দেহ করাসহ শোকে কাতর আমরা। মহুয়া কে খুঁজতে থাকি ও অবশেষে গত ২২আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ সন্ধ্যায় মহুয়ার মাতা আকলিমা বেগম তার জামাই ছলিম উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তার ঘরের পেছনে পুকুরে দেখতে পায় দুটো পা ভেসে আছে এবং তিনি চিৎকার করলে সেখানে লোকজনের ভীর জমায়। ২২আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ দিবাগত রাত ৩টায় নাগেশ্বরী থানার এসআই অলক বাবুর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে (৮দিনের পচাঁ লাশ) নেতরের মাধ্যমে উত্তোলনের সময় দেখা যায় পুকুরে লাশ মশারী দিয়ে পেচানো, তার উপরে চটের বস্তা, বাঁশের চট্টি, তার উপরে বাঁশের ঝিক ও কচরীপানা দিয়ে ঢাকা। মহুয়া বেগমের শরীরে লবণ দেয়ার কারণে লাশ পচেঁ গেছে। ততক্ষণিক মহুয়ার ঘাতক স্বামী ছলিম উদ্দিন নাগেশ্বরী থানায় বাদী হয়ে অপমৃত্যু মামলা করেন। অপমৃত্যু মামলা নম্বর- ২৯/২৩, তারিখ- ২৩আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ। পরদিন নাগেশ্বরী থানা পুলিশ মহুয়ার লাশ পোস্টমর্টেমর জন্য কুড়িগ্রাম পাঠায়। সেদিনই মহুয়ার লাশ বিকেল ৫টা তার বাবার এলাকায় দাফন হয়। সে সময় মহুয়া বেগমের পিতা, মাতা ও ভাইরা থানায় অভিযোগ করার জন্য গেলে পুলিশ তাদের অভিযোগ নেয়নি এবং এই ঘটনার পেছনের মূল হোতা মহুয়া বেগমের সম্পর্কে মামা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য এনামুল হক বলে তারা জানান।

    পুর্ব মন্নেয়ারপাড় এলাকার মোস্তফা মিয়া, রাবেয়া বেগম, কমিলা বেগম, নুরবানু বেগম, দুলালী বেগম, সহিভান বেওয়া, রাবেয়া বেওয়া বলেন, লাশ উত্তোলনের সময় আমরা দেখছি পুকুরে লাশ মশারী দিয়ে পেচানো, তার উপরে চটের বস্তা, বাঁশের চট্টি, তার উপরে বাঁশের ঝিক ও কচরীপানা দিয়ে ঢাকা। মহুয়া বেগম কে তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা হত্যা করেছে। আমরা এর ন্যায্য বিচার দাবি করছি।

    সরেজমিনে মহুয়া বেগমের অপমৃত্যু না হত্যাকাণ্ডের সংবাদ সংগ্রহের জন্য ছলিম উদ্দিনের বাড়ীতে উপস্থিত হওয়া মাত্র ছলিম উদ্দিনের পরিবার ততক্ষণিক বাড়ীতে তালা লাগিয়ে উধাও হয়ে যায়। তবে ছলিম উদ্দিনের সৎ মা সুফিয়া বেগম ক্যামেরার সামনে বলেন, মহুয়া বেগম মারা গেছে। না না না হারিয়ে গেছে। পড়ে সড়িয়ে পরেন।

    নাগেশ্বরী থানার এসআই অলক বাবু বলেন, মহুয়া বেগমের লাশ পোস্টমর্টেমর তথ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো: শহিদুল্লাহ লিংকন বলেন, মহুয়া বেগমের লাশ ময়না তদন্ত হয়েছে। দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট দেয়া হবে।

  • গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রংপুর থেকে আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল গতকাল স্থানীয় রংপুর কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর সভাপতি কৃষিবিদ শওকত আলী সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত আয়োজনে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন সরকার, সাবেক সভাপতি ড.এস এম আবু তাওয়াব, সিনিয়র সভাপতি আব্দুল লতিফ সরকার, দপ্তর সম্পাদক আকতারুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক সরকার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক সিকান্দার আলী, ক্রীড়া ও শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল আলীম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাজনীন সুলতানা বিথী , অর্থ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন চঞ্চল, কার্যকরী সদস্য নূরুল ইসলাম সরদার, এস এম আব্দুর রহিম, ডাঃ মোজাহারুল ইসলাম, সাহাবুল ইসলাম , এটি এম মাহবুবুল আলম মুকুল ,সদস্য জাইফুল ইসলাম, খন্দকার মাহফুজার রহমান, নূরুল ইসলাম সরদার, হাকিম আতাউর রহমান লিটন, কে এ এম আবুল হোসেন, আনওয়ারুল ইসলাম রাজু, শরীফ আহমাদ, মোর্শেদা পারভীন লুনা,ফরিয়াদুর রহমান, রকিবুজ্জামান রাকিব, মোঃ জাকারিয়া, আলমগীর সরকার, নূরুন্নাহার বেগম, সরদার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন,মকবুল হোসেন নূরী,রেজাউল করিম মিজান, রওশন আরা সোহেলী, আবিদা সুলতানা মিলি,ডাঃ আব্দুল হাই, নাহিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।
    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন।
    উল্লেখ্য ইফতার মাহফিল, আলোচনা ও দোয়ার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রায় দুই শত সদস্য।
    আগামী ঈদুল ফিতরের পর একটি স্মরণীকা প্রকাশ,এবং কুরবানির ঈদের পর ঈদ পূনঃমিলনীর আয়োজন করা হবে বলে সভাপতি কৃষিবিদ শওকত আলী ঘোষণা করেন।

  • সেনবাগের আলজাহিদ মাদ্রাসায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সেনবাগের আলজাহিদ মাদ্রাসায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দেশবাসীর জন্য বিশেষ দোয়া কামনা করে, নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ৩০ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরশহরে ডাকবাংলা সংলগ্ন প্রতিষ্ঠানের হলরুমে প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক খোরশেদ আলম, জাহাঙ্গীর আলম (সায়েস্তানগরী),ফখর উদ্দিন, মনোয়ারুল হক,ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ রিপন,মো: হারুন, রফিকুল ইসলাম সুমন, জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী, হাবিবুর রহমান হারুন, জুয়েল রানা,আমজাদ শিবলুসহ, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -শিক্ষার্থী, অভিভাবকবৃন্দ, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ অনেকেই। উক্ত অনুষ্ঠানে মাদ্রাসাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে ও দেশবাসীর জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার, প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলাম।

  • ত্রিশালে ইউএনও’র উপহার হুইল চেয়ার পেয়ে খুশী প্রতিবন্ধী আহসান হাবীব

    ত্রিশালে ইউএনও’র উপহার হুইল চেয়ার পেয়ে খুশী প্রতিবন্ধী আহসান হাবীব

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জন্ম থেকে বিকলাঙ্গ ত্রিশাল উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ উদ্দিনের ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী আহসান হাবীবের পাশে দাড়ালেন ত্রিশাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) জুয়েল আহমেদ।দুই হাত ও পায়ের হাঁটুর উপর ভর দিয়ে চলাচলই তার একমাত্র উপায়।দুই হাত ও পা যার চলাচলের ভরসা তার পক্ষে জিবীকা ও রোজগার করে সংসার চালানো কষ্টকর। খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করলেও ব্যাপারটি নজরে পড়েনি কারো। অবশেষে ধরা খেলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ এর মানবিক দৃষ্টিতে। তিনি দাড়ালের হাবিবের পাশে,বাড়িয়ে দিলেন সহযোগিতার হাত।

    শনিবার (৩০ মার্চ) বিকেলে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নামাপাড়া গ্রামের আদর্শ বাজারে আহসান হাবীবের ওষুধের দোকানে হাজির হয়ে হুইল চেয়ার প্রদান করেন উপজেলার এই সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। পরে তার শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থার বিষয়েও খোঁজ-খবর নেন। ইউএনওর’র সাথে আলাপচারিতায়
    দীর্ঘ কষ্টের ইতি টেনে চলাচলের জন্য হুইল চেয়ার পেলেন এই প্রতিবন্ধী।

    হুইল চেয়ার প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আপেল মাহমুদ, সাংবাদিক সাইফুল আলম তুহিন, সাংবাদিক রাকিবুল হাসান সুমন প্রমূখ।

    হুইল চেয়ার পেয়ে আহসান হাবীব ইউএনও জুয়েল আহমেদ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমি শারীরিক ভাবে বিকলাঙ্গ। চেষ্টা করি ব্যবসা করে চলতে। এই ব্যবসা দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভই প্রায়, তবু কষ্ট করে চলি। আমার এ কষ্টের কথা জেনে ইউএনও স্যার আমাকে একটি হুইল চেয়ার উপহার দিয়েছেন। এটা পেয়ে আমার অনেক আনন্দ, খুশি লাগতাছে। আমি এখন সারাদিন ফুর্তিতে দোকানদারি করবাম। ইউএনও স্যার ও স্যারের পরিবারের জন্য আমি সবসময় দোয়া করবো।’

    উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল আহমেদ বলেন, ‘আহসান হাবীব যেনো চলাচল করতে পারে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি হুইল চেয়ার দেওয়া হয়েছে। সে যে ঘরে ব্যবসা-বানিজ্য করে তা একেবারেই ভাঙাচোরা। তার ব্যবসা যেনো ভালোভাবে চালাতে পারে সেজন্য আমি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বলেছি ঘরটা যেনো ঠিক করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। সে যেনো বিনা সুদে ঋণ পায় এবং নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি কোনো আর্থিক সহায়তার আওতায় আসে তার চেষ্টা করবো।’

    উল্লেখ্য, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিলেন আহসান হাবীব (৩৫)। আহসান হাবীবের দুই হাত ও দুই পা বিকলাঙ্গ (প্রতিবন্ধী)। প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও কারও কাছে হাত বাড়ান না তিনি। কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করার প্রত্যয়ে বেছে নেন কর্ম। অন্যের উপর বোঝা নয়, নিজ কর্মে আয় উপার্জন করে বেঁচে থাকতে চায় আহসান হাবীব।

  • দুলাই ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন  বিতরণ

    দুলাই ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।শনিবার উপজেলা দুলাই ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স চত্বরে এ স্প্রে মেশিন বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার। এ সময় দুলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহানসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে  পচ্ছন্দের শীর্ষে জাহাঙ্গীর

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে পচ্ছন্দের শীর্ষে জাহাঙ্গীর

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। উপজেলার দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ আবারো জাহাঙ্গীর আলমের ওপরেই আস্থা রেখে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।
    জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল থেকে একাধিক সাম্ভব্য
    প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। কিন্ত্ত প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগ ও ভোটারদের সমর্থনে জাহাঙ্গীর আলম অন্যদের থেকে এগিয়ে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীরকে বিজয়ী করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। এদিকে সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন এলাকায় তিনি প্রতিদিন নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্যে সাক্ষাৎ, ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা করছেন।
    অন্যদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। কাজেই সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। যার জ্বলন্ত উদাহরণ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।বিগত রাজশাহী সিটি নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে বিজয়ী করে কিভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছিল রাজশাহীর মানুষ সেটা ভুলেনি। ফলে গোদাগাড়ী উপজেলার মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে কোনো ব্যক্তি নয়, সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় চাই।
    এদিকে আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের বোধদয় এটা দলের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে সরকার সমর্থক প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না। তাদের অভিমত, ভুল থাকতে পারে প্রার্থী বা কোনো নেতাকর্মীর। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধি স্থানীয় সাংসদ ফারুক চৌধুরী কোনো ভুল করেননি। ফলে তাদের সম্মান রক্ষায় তাদের সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত বিকল্প নাই। কারণ তাদের সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় ঘটলে কেউ প্রার্থীর পরাজয়ের কথা বলবে না, বলবে দলের পরাজয় ঘটেছে, আর এটা আওয়ামী লীগের আদর্শিক কোনো নেতা বা কর্মী-সমর্থকের কাম্য হতে পারে না ? অপরদিকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা অভিমান বা মোহের বসে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। তারা সেই ভুল অনুধাবন করে এখন অনুতপ্ত। এবার তারা শপথ নিয়েছে উপজেলা নির্বাচনে সরকার সমর্থিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে তারা তাদের সেই ভুল শোধরাতে চাই।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম আদর্শিক, পরিক্ষিত, জন ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে সর্ব মহলে প্রশংসিত। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন এটা নিশ্চিত। কারণ এখন পর্যন্ত তার বিপক্ষে দলের সমর্থন পাবেন এমন কারো নাম শোনা যায়নি। তার বিপক্ষে দলীয় সমর্থন পাবেন এমন সক্ষমতা সম্পন্ন কোনো নেতাও নাই। প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে, তবে স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে নানা প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন তিনিই হন সফল। এমনই একজন সফল জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্ব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম । যিনি রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই অনেক বাধা, বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।তিনি রাজনীতিক নেতা হিসেবেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়নে ও গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন সর্বদায়। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করে দলকে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে নিতে নিরলস ভাবে শ্রম দিয়েছেন এখানো দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে নিরলস ভাবে জনগণের সেবায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জাহাঙ্গীর আলম তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার মধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তাঁর সময়ে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে (ইউপি) সরকারের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিটা, কাবিখা ও কর্মসৃজন কর্মসূচিসহ প্রতিটি উন্নয়ন কাজ সঠিক ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলীয় সমর্থন পাবার দৌড়ে অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। দলীয় সমর্থন পেলে এবারো তার বিজয় নিশ্চিত।
    আসন্ন নির্বাচনে আবারও বড় ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এলাকায় তিনি একজন ক্রীড়ামোদী সাদা মনের, উদার মানসিকতা ও দানশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত।স্থানীয় বাসিন্দাগণ বলেন, তারা নেতা বা চেয়ারম্যান বোঝেন না। জাহাঙ্গীর ভাই একজন ভাল মানুষ, তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। তারা বলেন,জাহাঙ্গীর ভাই রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কতটা সফল বা ব্যর্থ তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হতেই পারে, তবে সংগঠন শক্তিশালী করতে তার যে অবদান সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই। আবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে শতভাগ সফল এটা অস্বীকার বা এনিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নাই। একটা সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয় ছিল অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া। কিন্ত্ত তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর বদলে গেছে পুরো উপজেলা পরিষদের চিত্র। এখানো তাদের দু:খ-দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী, মেধাবী জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণায় সময়ে সাধারণ মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর উন্নয়নে মহা- পরিকল্পনা গ্রহন করেন। স্থানীয় সাংসদের সার্বিক সহযোগিতায় গৃহীত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক সেসব উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী ও মহতী মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছেন জনগণ। তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীন উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, কালভাট, ব্রীজ স্কুল,মাদ্রাসা,কবরস্থান, মসজিদ ,ঈদগা মাঠ সংস্কার করেছেন। অসহায় গরীব দু:খী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ইত্যাদি বিতরণ কার্যক্রম দেখভাল করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন।অন্যদিকে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) গ্রাম আদালত কার্যক্রম তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন। এছাড়াও তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। আগামী দিনে তিনি তার সততা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে উপজেলা বাসীকে সেবা দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।#