Blog

  • নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের দূর্নীতিতে একাডেমীর শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

    নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের দূর্নীতিতে একাডেমীর শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের দূর্নীতিতে একাডেমীর শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষ্য, দীর্ঘ এক মাস শিল্পকলা একাডেমীর ক্লাস বন্ধ, নড়াইলের সংস্কৃতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবি। নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি একাডেমীর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংস্কৃতিক কর্মী ও ব্যবসায়ীদের স্বাক্ষ্য নিলেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিকেলে নড়াইল সার্কিট হাউসে জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদসহ তিন জন কর্মকর্তা এ স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন । কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর উপ-পরিচালক এ.এম মুস্তাক আহম্মেদ এবং সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) হাসান মাহমুদ।
    জানা গেছে, গত ডিসেম্বর মাস থেকে নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানের একের পর এক স্বেচ্ছাচারিতা,দূর্বব্যহার, অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষক-কর্মচারি,শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে আসছিল। গত ১৩ ডিসেম্বর নড়াইল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতির লিখিত অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। এর প্রেক্ষিতে ২৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসন ৫২জন সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বাক্ষ্য গ্রহন করে এবং আনিত অভিযোগের সত্যতা পায়। গত ৬ ফেব্রæয়ারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠায়। এসবের প্রতিবাদে গত ৫ মার্চ থেকে শিল্পকলা একাডেমীর বিভিন্ন বিভাগের ৯জন শিক্ষক তার অপসারণের দাবিতে ক্লাস বর্জন শরু করেন এবং তা অব্যাহত রয়েছে। এরই সূত্র ধরে পূনরায় জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত দল তদন্ত করতে নড়াইলে আসেন।
    তদন্তে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ, অর্ধ শতাধিক সাংস্কৃতিক কর্মী, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর ১০জন শিক্ষক, ৪০-৫০জন একাডেমীর শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এবং ২জন সাউন্ড ও ডেকোরেটরের স্বত্ত্বাধিকারী কালচারাল অফিসারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।
    অভিযোগে জানা গেছে, মোঃ হামিদুর রহমান ২০২৩ সালের জানুয়ারী মাসে নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে একের পর এক স্বেচ্ছাচারিতা, শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের বেতন দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠে। এই অফিসারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠন, শিল্পী, যন্ত্রশিল্পী, কলাকুশলী, উপস্থাপক, বিচারক ও উৎসব সমন্বয়কারীর সম্মানী ও যাতায়াতভাড়া না দেওয়া, ব্যানার, সাজসজ্জা, ডকুমেন্টেশন ও প্রচার, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা থেকে অর্থ আতœসাৎ, জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামের সাউন্ড, ইলেকট্রিক ও ভবন সংস্কারসহ বিভিন্ন খাত থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার দূর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
    জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংগীত বিভাগের শিক্ষক আশিষ কুমার স্বপন, নৃত্য বিভাগের শিক্ষক মোঃ মহিউদ্দিনসহ একাধিক শিক্ষক বলেন, জেলা কালচারাল অফিসার কোন অনুষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত সম্মানী ও শিল্পীদের যাতায়াত ভাড়া প্রদান করেনা। সম্মানি দেবার কথা বলে শিক্ষকদের কাছ থেকে ফাঁকা স্বাক্ষর রেখে সেখানে শিক্ষকদের নামে ভূয়া বিল-ভাউচার করেছেন। এভাবে শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন।
    অংকন লাইট হাউসের মালিক পলাশ দেবনাথ ও পাওয়ার ভয়েস সাউন্ডের মালিক রুবেল মোল্যা বলেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টাকা দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে বর্তমান কালচারাল অফিসার অনেক ফাঁকা বিল নিলেও তাদের কোনো অর্থ প্রদান করেনি।
    সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, নড়াইলের সাধারণ সম্পাদক শরফুল আলম লিটু বলেন, যতদিন এই দূর্নীতিবাজ কালচারাল অফিসার নড়াইলে থাকবে ততদিন নড়াইলের সাংস্কৃতিক কর্মীরা শিল্পকলা একাডেমীর কোনো অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন না। তিনি নড়াইলের সংস্কৃতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে স্বেচ্ছাচারী ও দূর্নীতিপরায়ণ জেলা কালচারাল অফিসারের দ্রæত অপসারণ ও বিভাগীয় শাস্তির দাবি জানান। তদন্ত কমিটির সদস্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) হাসান মাহমুদ বুধবার এ প্রতিবেদককে বলেন,আগামি ৩-৫ কার্য দিবসের মধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক বরাবর এ প্রতিবেদন দেয়া হবে।

  • মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সুমন খান:

    সাংবাদিকতা করার সময় আমরা যেন মিথ্যার আশ্রয় না নিই, এটাই আমাদের দায়বদ্ধতা। কারণ, আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে বলেছেন। তাছাড়া সাংবাদিকতায় আরও একটা বিষয় আছে, সেটা হলো ধৈর্য। সাংবাদিকতায় ধৈর্য ধারণ করতে হবে। কারণ এটা ধৈর্যের পেশা। মহানবীর (সা:) আদর্শ মতো ধৈর্য্য নিয়ে ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠভাবে আমরা সাংবাদিকতা করবো। সেই ধারাবাহিকতায় মধ্য দিয়ে !

    গতকাল মিরপুর ১০ নাম্বারস্থ শের-ই- বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ” মিরপুর প্রেস ক্লাব ” এর উদ্যোগে সাংবাদিকতা শীর্ষক আলোচনা এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান , মিরপুর প্রেসক্লাব উপদেষ্টা আফজাল হোসেন জাকির । মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সেলিম রায়হান , মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা , সহ-সভাপতি নেওয়াজ শরীফ লালন, সাধারণ সম্পাদক – এম মনির হোসেন , সাংগঠনিক সম্পাদক, আনিচ লিমন , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল , কোষাধ্যক্ষ আলি আফজাল আকাশ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দৈনিক খবরের আলো সম্পাদক মোঃ আমিরুজ্জামান , আনন্দ বিনোদন এর সম্পাদক এস এ এম সুমন , মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি‌ আমিনুল ইসলাম রিপন , মিরপুর প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব উদ্দিন মোঃ নজরুল ইসলাম অর্থ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব , রাশেদা হামিদ অনি , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মিরপুর প্রেসক্লাব ,সরদার মাজারুল ইসলাম যুগ্ম সম্পাদক- মিরপুর প্রেস ক্লাব , কাকলি আক্তার ,মহিলা বিষয়ক সম্পাদক -মিরপুর প্রেসক্লাব , সোহরাব হোসেন বাবু,সহ -প্রচার সম্পাদক ,মিরপুর প্রেসক্লাব ,মুরাদ হোসেন লিটন ,সাধারণ সম্পাদক- রূপনগর প্রেসক্লাব । মিরপুর প্রেসক্লাব উপদেষ্টা বিহারী সেলিম , রূপনগর প্রেস ক্লাব , বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব এবং মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাব এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।সকলের বক্তব্যে যে বিষয়গুলো উঠে আসে তা হলো। আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সোহাগ , আসাদুজ্জামান আসাদ, মাসুম বিল্লাহ,, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন , জাতীয় দৈনিক সংবাদ দিগন্তের পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সুমন খান প্রমুখ।

    পবিত্র মাহে রমজানের সিয়াম সাধনার মাসে সকল সাংবাদিকদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ রাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরা।
    মানব সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত কারণ ইসলামে মানুষের সহযোগিতা সহমর্মিতা এই সিয়াম সাধনার মূল লক্ষ্য।
    কলম সৈনিকেরা রোজা রেখেও জাতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মানুষের কাছে তুলে ধরেন।
    সাংবাদিক,প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে সু-সম্পর্কের সেতু বন্ধন থাকতে হবে।

  • আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান

    আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পল্লী চিকিৎসকদের সংগঠন আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি পাইকগাছা উপজেলা শাখার বার্ষিক ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে সংগঠনের হাসপাতাল সংলগ্ন কার্যালয়ে এ ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সোসাইটির উপজেলা সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সহ—সভাপতি প্রভাষক এস রোহতাব উদ্দীন আহম্মেদ, নিজাম উদ্দীন গাজী, নূরুল ইসলাম, মানস কুমার মন্ডল, আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, যুগ্ম—সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, সহ—সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ গোবিন্দ কুমার পাল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক নিত্যানন্দ মন্ডল, প্রচার সম্পাদক মিনারুল ইসলাম, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুস সালাম গাজী, ক্রীড়া সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম, ইয়াছিন আলী, আব্দুস সালাম, তানভীর আহম্মেদ, আব্দুল মান্নান, কবিন্দ্রনাথ সানা, সুমন ঘোষ, মিজানুর রহমান, রেজাউল করিম ও গোফরান। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে স্লুইচ গেট; গভীর খাদে ধ্বসে পড়লো যাতায়াতের রাস্তা; ব্যাহত যোগাযোগ ব্যবস্থা

    অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে স্লুইচ গেট; গভীর খাদে ধ্বসে পড়লো যাতায়াতের রাস্তা; ব্যাহত যোগাযোগ ব্যবস্থা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় স্লুইচ গেট নির্মাণ কাজের খাঁদে যাতায়াতের রাস্তা ধ্বসে পড়ায় বন্ধ হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। উপজেলার আলমতলা গড়ইখালী সড়কের বাইনতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিকল্প রাস্তা তৈরী না করেই স্লুইচ গেট নির্মাণ করছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ফলে মঙ্গলবার বিকালে প্রায় ৭৫ ফুট রাস্তা নির্মাণ কাজের গভীর খাদে ধ্বসে পড়ে। এতে যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তর এলজিইডি’র তত্ত্বাবধায়নে বুধবার দিনভর সংস্কার করার পর রাস্তাটির সংযোগ স্থাপন করা গেলেও ভারি কোন যানবাহন যেতে পারছিল না। এর ফলে পাশ^বর্তী ব্রীজ নির্মাণ কাজের মালামাল সামগ্রী পরিবহন সহ যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বর্ষা মৌসুমের আগেই বিকল্প রাস্তা তৈরী সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে বাইনতলা বাজার সহ আশপাশ এলাকা হুমকির মুখে পড়বে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী। উল্লেখ্য, উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক আলমতলা গড়ইখালী সড়ক। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এবং বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। এ সড়ক দিয়ে গড়ইখালী ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ এবং পাশ^বর্তী কয়রা সহ আশপাশ এলাকার বহুমানুষ চলাচল করে থাকে। এমনকি এ সড়ক দিয়ে সুন্দরবনের ভ্রমন পিপাসু মানুষও যাতায়াত করে থাকে। এ সড়কের মাঝেই দুটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। যার একটি হচ্ছে বাইনতলা সংলগ্ন কড়ুলিয়া নদীর উপর নির্মাণ করা হচ্ছে এলজিইডি’র একটি নান্দনিক আধুনিক মানের ব্রীজ। ব্রীজ নির্মাণ এলাকা এবং বাইনতলা বাজার এর মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণ করা হচ্ছে বাইনতলা স্লুইচ গেট। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ অপরিকল্পিতভাবে বিকল্প কোন রাস্তা তৈরী না করে জনগুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতের প্রধান সড়কের পাশেই গভীর খাদ করে মাসের পর মাস ফেলে রেখেছে। ফলে মঙ্গলবার বিকালে যাতায়াতের রাস্তাটি গভীর খাদে ধ্বসে পড়ে। এর ফলে যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নছিমন চালক খড়িয়া গ্রামের কবিরুল ইসলাম জানান, এটি অত্র এলাকার অন্যতম একটি ব্যস্ততম সড়ক। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন মালামাল পরিবহন সহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। রাস্তাটি ধ্বসে যাওয়ার ফলে বুধবার সকালে প্রাণহানী সহ চরম দুর্ঘটনার সম্মুখিন হয় একাধিক যানবাহন চালকরা। পথযাত্রী শফিউল ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতো একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান বিকল্প রাস্তা তৈরী না করে প্রধান সড়কের সাথেই এতো গভীর খাদ করে নির্মাণ কাজ করা সঠিক হয়নি। এর ফলে এমন দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্রীজ নির্মাণ কাজের সাহেব আলী জানান, সড়কটি ধ্বসে যাওয়ায় ব্রীজের মালামাল পরিবহন সহ নির্মাণ কাজ চরম ব্যাহত হয়। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং এলজিইডি কতৃর্পক্ষকে অবহিত করা হয় এবং বুধবার সকাল থেকে এলজিইডি’র তত্ত্বাবধায়নে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়। উপ—সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও স্বজল বিশ^াস জানান, বিষয়টি জানার পর আমরা দুই জন উপ—সহকারী প্রকৌশলী ঘটনাস্থলে উপস্থিতি থেকেই যাতায়াতের রাস্তাটি মেরামত করি। এমন খবর পেয়েছি এবং এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার জানান।

  • র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অভিযানে ৭ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অভিযানে ৭ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানা এলাকা হতে ৭ কেজি ৫৮০ গ্রাম নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ০২ এপ্রিল ২০২৪ খ্রিঃ রাত ২২.১৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন শহীদ বাজারস্থ পাঁচলিয়া হতে বড়হড়গামী পাঁকা রাস্তার উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৭ কেজি ৫৮০ গ্রাম নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহত ০২টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২৫০০ টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ আসাদুল ইসলাম (৩৯), পিতা- মৃত আব্দুল হক, সাং- মন্ডল পাড়া, থানা- নাগেশ্বরী, জেলা- কুড়িগ্রাম ২। মোছাঃ সুমনা আকতার (১৯), পিতা- মৃত রাজন সিকদার, সেকশন-১২, বøক-৩, রোড নং-১, বাড়ী নং-০৯, থানা- পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা ও ৩। মোছাঃ নিলুফা বেগম (১৯), স্বামী- মোঃ উজ্জল মিয়া, সাং- উত্তর পানাপুকুর গিড়িয়ার পাড়, থানা- গঙ্গাচড়া, জেলা- রংপুর।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিগণ দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদক দ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উপরোক্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রদর্শনের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো।

    তথ্য দিন –

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানী, সিরাজগঞ্জ।

  • লালমনিরহাটে শিশু রোমান: হত্যাকারী গ্রেফতার

    লালমনিরহাটে শিশু রোমান: হত্যাকারী গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের খোলাহাটি গ্রামে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার ০৬ বছরের শিশু রোমান: হত্যাকারী গ্রেফতার। এ বিষয় গত(২ই এপ্রিল) ২০২৪ইং মঙ্গলবার বিকালে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তি অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশ সুপার এসব তথ্য প্রধান করেন। মামলার বাদী মোঃ আমিনুর ইসলাম (৪৫), পিতা-মোঃ রফিকুল ইসলাম আদিতমারী থানাধীন ভাদাই খোলাহাটি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। বাদী ভাদাই ইউপির ত্রিমোহনী সেতু বাজারে কম্পিউটার দোকান করেন। ছেলে মোঃ রোমান হোসেন (০৬)। তিনি প্রতিদিনের ন্যায় গত ইং- ২৯/০৩/২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় ত্রিমোহনী সেতু বাজারে তাহার ব্যবসায়ীক দোকানে যান। ঐদিন বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকার সময় বাদীর দুই ছেলে আসিফ মিয়া ও রোমান হোসেন বাদীর দোকানে বেড়াতে যান। বাদী তাহাদেরকে উক্ত দোকানের কম্পিউটারে কার্টুন ভিডিও দেখিতে দিয়া বাড়ীতে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য যান। ঐদিন বিকাল অনুমান ৫.৩০ ঘটিক সময় বাদী বাড়ী হইতে দোকানে আসিয়া দেখেন যে, তাহার ছোট ছেলে রোমান দোকান ঘরের মধ্যে নাই। পরবর্তীতে বাদী তাহার পাশের দোকানদার শ্রী ভগো চন্দ্র রায়কে ও বড় ছেলে আসিফ মিয়াকে ছোট ছেলের কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানায় যে, একটু আগে কোথায় যেন গেল। পরবর্তীতে ইফতার শেষে বাদী তাহার দোকান ঘরে অবস্থান করাকালে বাদীর স্ত্রী তাহার দোকানে আসিয়া বলে যে, ‘আমার ছোট ছেলে রোমান হোসেন কেন বাড়ীতে যায় নাই সে কোথায়”। তখন বাদী সহ স্থানীয় লোকজন বাদীর ছোট ছেলেকে আশেপাশের দোকানসহ বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করেন। তাহাকে কোথাও না পেয়ে একপর্যায়ে বাদী তাহার ছেলে নিখোঁজ মর্মে এলাকায় মাইকিং করেন। এমতাবস্থায় বাদীর ছেলেকে খোঁজাখুঁজি কালে গত ৩০/০৩/২৪ ইং তারিখ দুপুর অনুমান ০৩.৪৫ ঘটিকার সময় সেতু বাজারের পাশে বর্গা অনেক চিল্লাচিল্লি শুনে চাষি মোঃ মজমুল হক (৪০), পিতা- মৃত আজিজার রহমান, সাং- ভাদাই খোলাহাটি, থানা- আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাট এর তামাক ক্ষেতে গিয়ে বাদী উক্ত ক্ষেতে তাহার ছেলেকে মৃত অবস্থায় তামাক পাতা ও কিছু মাটি দ্বারা চাপা অবস্থায় দেখতে পান। বাদী সহ স্থানীয় লোকজন বাদীর ছেলেকে মৃত্যু অবস্থায় পাইয়া স্থানীয় লোকজন ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশকে সংবাদ দিলে আদিতমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া বাদীর ছেলের লাশ পাইয়া সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে লাশ ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাদী অজ্ঞাতনামা আসামী উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করিলে আদিতমারী থানার মামলা নং- ০১, তাং- ০১/০৪/২৪, ধারা- ৩০২/২০১/৩৪, পেনাল কোড- ১৮৬০ রুজুপূর্বক মামলার তদন্তভার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম এর উপর অর্পণ করা হয়।

    হত্যাকান্ড সংক্রান্তে সংবাদ প্রাপ্তীর সাথে সাথেই  লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা মহোদয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ আলমগীর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ- সার্কেল) এ. কে. এম ফজলুল হক ও অফিসার ইনচার্জ, আদিতমারী থানা মাহমুদ উন নবী, ও তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের নিমিত্তে এবং অজ্ঞাতনামা আসামী সনাক্তপূর্বক আসামী গ্রেফতারের জন্য একাধিক টিম গঠন করা সহ প্রয়োজনীয় সকল ধরনের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। দিকনির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত সক্রান্ত সকল বিষয় সামনে রেখে হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করার পর স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তথ্য এবং তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীকে সনাক্ত করা হয়। অতঃপর অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সহ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকারী আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ আশিকুর রহমান (১৪), পিতা- মোঃ মুছা মিয়া, সাং- ভাদাই খোলাহাটি, থানা- আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাট। গত ০১/০৪/২৪ ইং তারিখ দুপুর ১২.০০ ঘটিকার সময় তাহার বসতবাড়ী এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন। গ্রেপ্তারের পর আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, মোঃ আশিকুর রহমান বিভিন্ন ধরনের চুরির অপরাধের সাথে জড়িত। ঘটনার অনুমান এক মাস আগে আশিকুর স্থানীয় জনৈক মোকসেদুল এর মায়ের একটি ছাগল চুরি করে হাটে নিয়ে বিক্রি করেন। চুরি করার সময় ভিকটিম রোমান দেখে ফেলে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে এলাকায় সালিশি বৈঠকও হয়। উক্ত সালিশি বৈঠকে মোঃ আশিকুর রহমানকে অভিযুক্ত করে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তারপর থেকে মৃত রোমান আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু আশিকুর কে দেখা পেলেই ছাগলচোরা, ছাগলচোরা বলতে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ হয়ে আশিকুর ভিকটিম রোমানকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনার অংশ হিসাবে আশিকুর ঘটনার দিন ২৯/০৩/২৪ ইং তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম রোমানকে ডেকে নিয়ে যায় এবং তার সাথে বিভিন্ন ভাবে সখ্যতা তৈরি করে খেলাধুলা করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় একই তারিখ ০৬.১৫ ঘটিকার সময় আশিকুর ভিকটিম রোমানকে জনৈক মজমুল হক এর তামাক ক্ষেতে নিয়ে গলাচিপে শ্বাসরোধ করে এবং ঘাড় মটকে হত্যা করে। অতঃপর ভিকটিমের শরীর উক্ত তামাক ক্ষেতের দুই সারির মাঝে ড্রেনের মধ্যে শুয়াইয়ে কিছু তামাক পাতা এবং মাটি দিয়ে চাপা দিয়ে রাখে। গ্রেফতারকৃত আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু আশিক বিজ্ঞ আদালতে হত্যাকান্ডের কারনসহ হত্যাকান্ডের বিস্তারিত বিষয়ে ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে। পরবর্তী তদন্তে ঘটনার বিষয়ে আরো বিস্তারিত প্রকাশ পাইবে।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • উজিরপুরে শিক্ষক কতৃক ছাত্রীকে ধর্ষন চেষ্টা

    উজিরপুরে শিক্ষক কতৃক ছাত্রীকে ধর্ষন চেষ্টা

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে এক প্রাইভেট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

    স্থানীয় ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাত ৮ টার দিকে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে এক ছাত্রীর বাসায় পড়াতে যায় পার্শ্ববর্তী ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও পৌরসভার (৪-৫-৬) নং ওয়ার্ডের সাবেক মহিলা কাউন্সিল ছবি রানী নন্দীর স্বামী লম্পট শিক্ষক বাবুল কুমার জয়ন্ত নন্দী (৪৫)।

    শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন উজিরপুর বাজারে বাজার করতে গেলে এই সুযোগে প্রাইভেট পড়ানের কথা বলে দরজা নক করে এবং ঘরে প্রবেশ করে লম্পট শিক্ষক জয়ন্ত নন্দী। এক পর্যায় ঘরের দরজা বন্ধ করে ছাত্রীকে বিভিন্ন আপত্তিকর কাজের প্রস্তাব দেয়। তখন ছাত্রী তার অবৈধ ও আপত্তিকর কাজে রাজি না হওয়ায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং জোর পুর্বক ধর্ষন চেষ্টা করে। জোরাজুরির একপর্যায়ে ছাত্রী ডাকচিৎকার দিলে লম্পট শিক্ষক পালিয়ে যায়। পার্শবর্তী বাড়ির লোকজন এসে ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

    পরে ৩ এপ্রিল বুধবার ছাত্রী উজিরপুর মডেল থানায় বাদী হয়ে লম্পট চরিত্রহীন শিক্ষক বাবুল কুমার জয়ন্ত নন্দীর(৪৫) বিরুদ্ধে ধর্ষন চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

    একজন শিক্ষক কতৃত একজন ছাত্রীকে ধর্ষন চেষ্টার বিষয়ে এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলেন একজন শিক্ষক কখনোই এমন কাজ করতে পারে না। আমরা তার কঠিক বিচার চাই।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ বলেন একজন প্রাইভেট শিক্ষক কতৃক ছাত্রীকে ধর্ষন চেষ্টার একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ইতি মধ্যে শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া দিলেই ব্যবস্থা…জেলা পুলিশ সুপার

    রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া দিলেই ব্যবস্থা…জেলা পুলিশ সুপার

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া দিলে ভাড়া বাসার মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম(বিপিএম,পিপিএম বার)।

    বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে টেকনাফ কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এর উদ্যোগে আয়োজিত রঙ্গীখালী দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা মাঠে অপরাধ প্রতিরোধ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা গুলো বলেন জেলা পুলিশ সুপার।

    তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা স্থানীয়দের আশ্রয়ে ভাড়া বাসায় থেকে অপহরণ মাদক চোরাচালান করছে, তাদেরকে ভাড়া দেওয়া বন্ধ করুন। যদি কেউ রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাড়ি ভাড়া দেয় তাহলে ভাড়া বাসার মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

    মাহফুজুল ইসলাম আরো বলেন, স্থানীয় এবং রোহিঙ্গারা মিলে অপহরণ করছে। এই পর্যটন শহরে কোনো দূর্বৃত্তদের ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধ দমনে স্থানীয়দেরও সহযোগিতা ছেয়েছেন তিনি।

    এসময় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও স্থানীয়রা বিভিন্ন মতামত উপস্থাপন করে বলেন, আইনশৃংখলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অপহরণের অভয়ারণ্য থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
    সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম,টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনি,উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম হোসেন, টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুর রাজ্জাক, টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি মো. আলম বাহাদুর, কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের নেতৃবৃন্দসহ উখিয়া-টেকনাফের জনপ্রতিনিধিরা।

  • রচনা প্রতিযোগিতায় বরিশাল জেলায় প্রথম উজিরপুরের শিক্ষিকা রত্না মন্ডল

    রচনা প্রতিযোগিতায় বরিশাল জেলায় প্রথম উজিরপুরের শিক্ষিকা রত্না মন্ডল

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রত্না মন্ডল রচনা প্রতিযোগিতায় বরিশাল জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

    ২ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় বিভাগীয় গ্রন্থাগার বরিশালের সেমিনার কক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন,আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগার বরিশালের উপপরিচালক ড. মোঃ আহছান উল্যাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ ইউনুস আলী সিদ্দিকী, বিশেষ অতিথি ছিলেন সচেতন নাগরিক কমিটি(সনাক) বরিশালের সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা।

    অনুষ্ঠানে অতিথিরা বরিশাল জেলায় ‘গ’ গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকারকারী শিক্ষিকা রত্না মন্ডলকে সনদ পত্র ও উপহার তুলে দেন।

  • উজিরপুরে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সিকদারের মৃত্যু আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ সহ বিভিন্ন মহলের শোক

    উজিরপুরে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সিকদারের মৃত্যু আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ সহ বিভিন্ন মহলের শোক

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেনের মেঝ ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সিকদার ০৩ এপ্রিল রাত সোয়া ১ টায় বড়াকোঠাস্থ নিজ বাড়িতে মৃত্যু বরন করেন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর । ঐ দিন মঙ্গলবার জোহর নামাজ শেষে বেলা ২ টায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বরিশাল ১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ , জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডঃ তালুকদার মোঃ ইউনুস , গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারিছুর রহমান , আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে আশিক আব্দুল্লাহ , নিহতের ভাই উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন , সহ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল,উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারি , উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন , মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহম্মেদ ,গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলাদ হোসেন ছানা ,

    বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্রাম হোসেন হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সেকান্দার আলী হাওলাদার সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ । রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন । সালাম প্রদান করেন মডেল থানার এস আই মোঃ ওসমান গনি সহ সঙ্গীয় ফোর্স।