Blog

  • উজিরপুরে মৎস্য ঘেরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মামলায় সন্ত্রাসী রাসেল গ্রেফতার

    উজিরপুরে মৎস্য ঘেরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মামলায় সন্ত্রাসী রাসেল গ্রেফতার

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃবরিশালের উজিরপুরের সাতলায় গভীর রাতে মৎস্য ঘেরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মামলায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় সন্ত্রাসী রাসেল হাওলাদার (৪০)কে গ্রেফতার করেছে মডেল পুলিশ।

    সাতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার ও আসাদ হাওলাদারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাতের আঁধারে মৎস্য ঘেরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করার ঘটনায় সম্পৃক্ততা থাকায় তাকে আটক করা হয়।
    গ্রেফতার রাসেল হাওলাদার পশ্চিম সাতলা গ্রামের মোঃ জাকির হোসেন হাওলাদারের ছেলে ০৩ এপ্রিল বুধবার উজিরপুর মডেল থানার এসআই তরুণ কুমার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হারতা বজার থেকে রাসেল হাওলাদারকে গ্রেফতার করে।

    উল্লেখ্য গত ২০ ফেব্রুয়ারি রুবেল বালী,ইদ্রিস বালীসহ একাধিক ভূমি মালিক তাদের নিজস্ব অর্থায়নে নিজেদের ভোগদখলীয় জমিতে চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করলে ওই এলাকার সন্ত্রাসী আসাদ হাওলাদার, সোহেল হাওলাদার, ইলিয়াস হাওলাদার, মুফাত হাওলাদার, খলিল হাওলাদার, শাওন ভট্রি,কাইয়ুম ভট্রি,ফেরদৌস হাওলাদার, কিবরিয়া হাওলাদারসহ অজ্ঞাত ভারাটিয়া সন্ত্রাসী মিলে দেশীয় অস্ত্র সাজে সজ্জিত হয়ে মোহড়া দেয় এবং রাস্তা নির্মাণ কাজে বাঁধা দেয় এবং অতর্কিত হামলা চালিয়ে রুবেল বালীসহ কয়েকজনকে গুরুতর আহত করে। ঐ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী রুবেল বালী বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলো।
    ঐ মামলার প্রধান আসামী আসাদ হাওলাদারকে পুলিশ গ্রেফতার করে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করেছিলেন। আসামী আসাদ হাওলাদার বেশ কিছুদিন হাজতবাস করে জামিনে এসে ফের বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭ মার্চ রাতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারের নেতৃত্বে আসাদ বাহিনী রুবেল বালীর বসতবাড়ি ও মাছের ঘেরে তান্ডব চালায় এবং ড্রেজারের ৪টি মেশিন, ট্রলারের ১টি মেশিন, জেনারেটরের ২ টি মেশিন, সেচ পাম্প ২ টিসহ ১১ টি মেশিন আগুন দিয়ে সম্পুর্ন পুড়ে ফেলে এবং মজুদ রাখা কয়েক শত মুরগীর খাবারের বস্তা মাছের ঘেরে ফেলে দেয় এবং কয়েক হাজার ফুট পাইপ কেটে ফেলে ওই সন্ত্রাসীরা। হামলার ঘটনায় রুবেল বালী বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত আসাদ হাওলাদার ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহীন হাওলাদারসহ ১২ জনকে আসামি করে এবং ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উজিরপুর মডেল থানার এসআই তরুণ কুমার সাংবাদিকদের জানান- হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকায় রাসেল হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহম্মেদ জানান ঐ মামলায় যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাকেই গ্রেফতার করা হবে।

  • মধুপুরে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা পর্যায়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সফল ভাবে বাস্তবায়ন ও সমন্নয় কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার( ৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন এর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন খান, সহ-সভাপতি বাপ্পু সিদ্দিকী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইদুর রহমান, শহীদস্মৃতি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিতাই চন্দ্র কর, বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক জিহাদী, প্রমুখ। এসময় উক্ত আলোচনা সভায় বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ,সুধী সমাজ, সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পর্যায়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সুষ্ঠ ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সহকারী কমিশনার ভুমি মো জাকির হোসাইন।
    অনুষ্ঠান শেষে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে বাঙালীর ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য সকলের মতামত নিয়ে আলোচনা করা হয়।

  • বেতাগী পৌরসভায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভিজিএফ খাদ্যশস্য বিতরণ

    বেতাগী পৌরসভায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভিজিএফ খাদ্যশস্য বিতরণ

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

    পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসাবে বেতাগী পৌরসভায় ৪৬২১ পরিবারকে ভিজিএফ খাদ্যশস্য সহায়তা বিতরন।

    বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল ) সকাল ১১ টায় পৌরসভা মিলনায়তনে ভিজিএফ খাদ্যশস্য সহায়তা বিতরন এর উদ্বোধন করেন পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এবিএম গোলাম কবির।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি বিপুল সিকদার, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো:জসিম উদ্দীন, কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-১ এবি এম মাসুদুর রহমান, প্যানেল মেয়র -২ মোছাম্মদ শাহিনুর বেগম, প্যানেল মেয়র-৩ কামাল হোসেন পল্টু, কাউন্সিলর রোফেজা আক্তার, লুৎফুন্নেছা রীনা, গোলাম সারওয়ার খান, নাসির উদ্দিন, রমেন চন্দ্র দেবনাথ, মো: মান্নান হাওলাদার, মোঃ লুৎফার রহমান,এস, বি, এম, জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

  • শপথ শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ময়মনসিংহের নব-নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শ্রদ্ধা

    শপথ শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ময়মনসিংহের নব-নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শ্রদ্ধা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) নব-নির্বাচিত মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটুর নেতৃত্ব বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবনির্বাচিত কাউন্সিলরবৃন্দসহ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সকল কাউন্সিলরগণ। এর আগে দ্বিতীয় মেয়াদে বিপুল ভোটে -নির্বাচিত মেয়র হিসেবে গণভবনে শপথ গ্রহণ করে ইকরামুল হক টিটু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মেয়র টিটু বলেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি শপথ গ্রহণ করেছি। এসময় শেখ হাসিনা আমাকে বলেছেন,তিনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্বতা ও যানজট মুক্ত ময়মনসিংহ শহর দেখতে চান। আসুন আমরা যেভাবে নিজেদের ঘর সুন্দর করে গুছিয়ে রাখি, আমাদের ঘরের বাইরে আশেপাশের পরিবেশকেও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখি। আমরা সবাই নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেলে ময়মনসিংহ শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি।

    মসিক এর দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত মেয়র বলেন,‘আসলে আমরা সবাই ময়মনসিংহের মেয়র। তাই সকল কাউন্সিলর, রাজনীতিবিদ, অ-রাজনীতিবিদ, খেটে খাওয়া মানুষসহ সকলস্তরের মানুষকে নিয়ে সকলের জন্য কাজ করতে চাই। আমি সবার আগে দেখবো, বুঝবো তারপর কাজ করবো। লোক দেখানোর জন্য আমি কিছু করতে চাই না।’

    পরে দুপুর ১টায় তিনি বনানী কবরস্থানে গিয়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট শাহাদাতবরণকারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং জাতীয় চার নেতার কবর জিয়ারতের পাশাপাশি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে তাঁদের শ্রদ্ধাভওে স্মরণ করেন। তিনি এ সময় সাবেক ধর্মমন্ত্রী,মরহুম ভাষা সৈনিক শামসুল হক ও ময়মনসিংহের সাবেক মেয়র এডভোকেট আল নুর তারেক এর কবর জিয়ারত করেন। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত সকল কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • সানাকে উপজেলা চেয়ারম্যান বিজয়ী করতে আট চেয়ারম্যান মেয়র একট্টা- পাল্লা ভারী

    সানাকে উপজেলা চেয়ারম্যান বিজয়ী করতে আট চেয়ারম্যান মেয়র একট্টা- পাল্লা ভারী

    বিশেষ প্রতিনিধি :- আসন্ন উপজেলা পরিষদ সাধারন নির্বাচনের প্রথম ধাপ ও দ্বিতীয় ধাপের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত সোমবার (১ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম দ্বিতীয় ধাপের এ তফসিল ঘোষণা করেন। এই ধাপে আগামী ২১ মে দেশের ১৬১টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপে যেসব উপজেলায় নির্বাচন হবে তারমধ্যে বানারীপাড়া উপজেলা একটি সেখানে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়ন বাছাই হবে ২৩ এপ্রিল এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩০ এপ্রিল।

    তফসিল ঘোষনার পরপরই বানারীপাড়ায় জমে উঠেছে উপজেলা পরিষদ সাধারন নির্বাচন। প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা লবিং তদবির বেড়েছে শতগুন। এরই মধ্যে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাচনে হেবিওয়েট চারজন সরকার দলীয় প্রার্থীদের নাম শোনা গেলেও তারই এক হেবিওয়েট প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব মাওলাদ হোসেন সানার পক্ষে বর্তামান পাচঁ ইউপি চেয়ারম্যান,সাবেক দুই ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক এক মেয়র সহ সর্বমোট আট চেয়ারম্যান ও মেয়র একট্টা হয়ে মাঠে নেমে প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তারা শোডাউন করে জানান দিয়েছেন ওই হেবিওয়েট প্রার্থীর মাওলাদ হোসেন সানার পক্ষে তারা।

    এদিকে মাওলাদ হোসেন সানার পক্ষে যারা অবস্থান নিয়েছেন তারা হলেন বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক তিনবারের বিজয়ী মেয়র গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা যিনি প্রয়াত সম্পাদক একুশে পদক প্রাপ্ত গোলাম সারওয়ারের ছোট ভাই ,বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়েনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মজিবুল হক টুকু ,সাবেক চেয়ারম্যান খিজির হোসেন সরদার, বাকপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো.ছিদ্দিকুর রহমান( মাষ্টার),বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ,বিশারকান্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শান্ত,সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন মৃধা,উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রাহাদ আহমদ ননী সহ এই আটজন সরাসরি মাওলাদ হোসেন সানার পক্ষ নিয়ে সরাসরি তাদের অবস্থান পরিস্কার করছেন।

    এদিকে সানার পক্ষে তারা অবস্থান নেয়ায় ধীরে ধীরে সকলে খোলস ছেরে বের হতে শুরু করছে। অন্যদিকে তারা বানারীপাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময় কালে মাওলাদ হোসেন সানার অতীত রাজনৈতিক জীবন এবং ভবিষ্যতে এলাকার উন্নয়ন ও রাজনীতিতে কর্ম পরিকল্পনা কথা জানান দিচ্ছেন তারা। সব মিলিয়ে বলা যায় মাওলাদ হোসেন সানার পাল্লা ভারী হয়ে উঠেছে।

    উল্লেখ্য বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানার আওয়ামী রাজনীতিতে রয়েছে বর্নাঢ্য কর্ম জীবন। মাওলাদ হোসেন সানা তিনি এক সময়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ছিলেন। তিনি তৃতীয় উপজেলা পরিষদ সাধারন নির্বাচনে বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিপুল ভোটে সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি সুনামের সহিত আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন।

  • সুজানগরে যোগদান করলেন নবাগত ইউএনও রাশেদুজ্জামান

    সুজানগরে যোগদান করলেন নবাগত ইউএনও রাশেদুজ্জামান

    এম এ আলিম রিপন,পাবনার সুজানগরে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ যোগদান করেছেন। ইতিপূর্র্বে তিনি মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার(ভূমি অধিগ্রহণ শাখা,নেজারত শাখা,পর্যটন সেল,টি সেল এবং রেকর্ডরুম শাখা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ৩৫তম বিসিএস(প্রশাসন) ক্যাডার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ সুজানগরে ইউএনও হিসেবে বুধবার যোগদানের পর এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সকলের সহযোগিতায় সুজানগর উপজেলাকে আরো সমৃদ্ধ করতে আমি বদ্ধ পরিকর। সুজানগর উপজেলা প্রশাসনকে জনবান্ধব হিসেবে হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সে ক্ষেত্রে সরকারি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুজানগর উপজেলার জনপ্রতিনিধি,সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম কর্মীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করছি। উল্লেখ্য, বদলিকৃত ইউএনও সুখময় সরকার পদোন্নতি পেয়ে নেত্রকোনা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে বদলি হয়েছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে হাফ ডজন প্রার্থী মাঠে,এগিয়ে জাহাঙ্গীর

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে হাফ ডজন প্রার্থী মাঠে,এগিয়ে জাহাঙ্গীর

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন সামনে রেখে প্রায় হাফ ডজন সম্ভব্য প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগ ও ইফতার মাহফিলে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গোদাগাড়ী উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা এটি। বিগত দিনে জাতীয় পাটি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিল। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন। এবার চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছেন গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ব্যবসায়ী রবিউল আলম,দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বেলালউদ্দীন সোহেল, সাবেক সহকারী কমিশনার (কাস্টমস) সুনন্দন দাস রতন, জামায়াত ইসলামীর রাজশাহী জেলা (পশ্চিম) আব্দুল খালেক, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) ড.আব্দুর রহমান মুহসেনী ও বিএনপি নেতা সাজেদুর রহমান মার্কনী। আওয়ামী লীগের সম্ভব্য চার প্রার্থী স্থানীয় সংসদ সদস্য ওমর ফারক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। তবে এমপি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে সমর্থন জানিয়ে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে ভোটের মাঠে জাহাঙ্গীর আলমের জন্য কাজ করতে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
    এসব সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে গোদাগাড়ী পৌর এলাকায় বাড়ী জাহাঙ্গীর আলম, রবিউল আলম, ড. আব্দুর রহমান মুহসেনী ও আব্দুল খালেকের। অন্যদিকে দেওপাড়ায় বেলালউদ্দীন সোহেল ও মাটিকাটায় সুনন্দন দাস রতনের। গত নির্বাচনে সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বদিউজ্জামান বদিকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন ক্লিণ ইমেজের জাহাঙ্গীর আলম। ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি সুফিয়া বেগম মিলি, সাধারন সম্পাদক এবং জেলা পরিষদ সাবেক সদস্য কৃঞ্চাদেবী, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে কুলসুম মেমোরী মাঠে রয়েছেন। গত নির্বাচনে বিনা প্রতিদন্দীতায় নির্বাচিত হন নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসাবে পরিচিত সুফিয়া খাতুন মিলি। এদিকে ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল সরকার, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সম্পাদক নাজমুল হক ও পৌর যুবলীগ সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের বিমল চন্দ্র রাজোয়াড়, জামায়াতের মুহাম্মদ কামরুজ্জামান মাঠে রয়েছেন। গত নির্বাচনে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের কাছে পরাজিত হন শফিকুল সরকার। বাকী তিনজন এবার নির্বাচনে নতুন।
    স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাচনে সম্ভব্য প্রার্থীদের মধ্যে জনসমর্থন, প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগ ও বিজয়ী হবার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। কারণ হিসেবে তারা বলছে, সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে গোদাগাড়ী পৌর এলাকায় বাড়ী জাহাঙ্গীর আলম, রবিউল আলম, ড. আব্দুর রহমান মুহসেনী ও আব্দুল খালেকের।
    অন্যদিকে দেওপাড়া ইউপিতে বেলালউদ্দীন সোহেল ও মাটিকাটায় সুনন্দন দাস রতনের।বাড়ি। এদের মধ্যে রবিউল আলমের জনপ্রিয়তা মুলত পৌর এলাকা কেন্দ্রিক। তিনি দীর্ঘদিন যাবত পৌরসভা কেন্দ্রিক রাজনীতি করে আসছেন। পৌর এলাকায় তার নিজস্ব ভোটব্যাংক ও কর্মী বাহিনী রয়েছে সত্য। তবে উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হতে গেলে, উপজেলা জুড়ে যেমন ভোটব্যাংক ও কর্মী বাহিনী প্রয়োজন তা তার নাই।
    অন্যদিকে দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও তরুণ শিল্পপতি বেলাল উদ্দিন সোহেলের জনসমর্থন ও কর্মী বাহিনী রয়েছে। তবে তিনি বয়সে তরুণ ও দলে নবাগত নেতৃত্ব, তার সামনে আরো অনেক সময় রয়েছে। তাকে সমর্থন দিলে দলের প্রবীণ ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের মাঝে মতবিরোধ দেখা দেবার সম্ভবনা রয়েছে। তাই তাকে এবার দলের সমর্থন না দেবার কথা শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও গত ইউপি নির্বাচনে এমপি ফারুক চৌধুরী কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে তাকে প্রার্থী ও বিজয়ী করেছিলেন।কিন্ত্ত ইউপি চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষ না করেই উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হবার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য বেলালের সামনে আরো অনেক পথ রয়েছে, হুট করেই তিনি যদি উপজেলা চেয়ারম্যান হন, তাহলে আগামিতে তিনি যে এমপির টিকেট চাইবেন না তার নিশ্চয়তা কি ?
    এই বিষয়টি তৃণমুলের নেতাকর্মীরা সহজভাবে মেনে নিতে পারছে না বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে সুনন্দন দাস রতন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা। কিন্ত্ত মাঠ পর্যায়ে তার জনবল ও কর্মী বাহিনীর সংকট রয়েছে বলে মনে করছেন দলের তৃণমুল। এছাড়াও বিএনপি নেতা সাজেদুর রহমান মার্কনীর কিছুটা সম্ভবনা ছিল। কিন্ত্ত প্রয়াত ডাকমন্ত্রী ব্যারিষ্টার আমিনুলের পরিবারের সঙে বিরোধ ও দলীয়কোন্দল তাকে পিছিয়ে দিয়েছে। এসব বিবেচনায় গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম আবারো বিজয়ী হবার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। গত নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান বদিকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছিলেন ক্লিণ ইমেজের জাহাঙ্গীর আলম। এবিষয়ে রিশিকুল ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম টুলু বলেন, উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জাহাঙ্গীর আলমের কোনো বিকল্প নাই। এছাড়াও তিনি দলের সমর্থিত প্রার্থী তার বিজয় নিশ্চিত করা তিনিসহ দলের সকল নেতাকর্মীর নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেন।#

  • নড়াইলে আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান করেন এসপি মেহেদী হাসান

    নড়াইলে আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান করেন এসপি মেহেদী হাসান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:নড়াইলে আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান করেন এসপি মেহেদী হাসান। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, গতকাল
    নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ ড্রিল শেডে জেলা পুলিশে কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের জন্য ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ উপহার প্রদান করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। ঈদের খুশি ভাগাভাগি করতেই পুলিশ সুপার’র এ মহতি উদ্যোগ। নড়াইল জেলা পুলিশে কর্মরত মোট তেইশ জন আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। পুলিশ সুপার নড়াইল মহোদয় কর্তৃক প্রদত্ত ঈদ উপহারের মধ্যে ছিল চাল ১৫ কেজি, পোলাও চাল ২ কেজি, মসুর ডাল ২ কেজি, চিনি ২ কেজি, তেল ২ কেজি, সেমাই ১ কেজি, গুঁড়ো দুধ ৫০০ গ্রাম, সাবান (লাক্স) ১টি, আলু ৩ কেজি, পেঁয়াজ ২ কেজি, রসুন ৫০০ গ্রাম, লবণ ১ কেজি। ঈদ উপহার বিতরণ শেষে পুলিশ সুপার বলেন আউটসোর্সিং সদস্যরা কোন বোনাস পায় না। ইদ সামনে রেখে তাদের হাতে এই সামান্য উপহার তুলে দিতে পেরে ভাল লাগছে। এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); নড়াইল সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের দূর্নীতিতে একাডেমীর শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

    নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের দূর্নীতিতে একাডেমীর শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের দূর্নীতিতে একাডেমীর শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষ্য, দীর্ঘ এক মাস শিল্পকলা একাডেমীর ক্লাস বন্ধ, নড়াইলের সংস্কৃতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবি। নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি একাডেমীর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংস্কৃতিক কর্মী ও ব্যবসায়ীদের স্বাক্ষ্য নিলেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিকেলে নড়াইল সার্কিট হাউসে জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদসহ তিন জন কর্মকর্তা এ স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন । কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর উপ-পরিচালক এ.এম মুস্তাক আহম্মেদ এবং সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) হাসান মাহমুদ।
    জানা গেছে, গত ডিসেম্বর মাস থেকে নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানের একের পর এক স্বেচ্ছাচারিতা,দূর্বব্যহার, অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষক-কর্মচারি,শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে আসছিল। গত ১৩ ডিসেম্বর নড়াইল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতির লিখিত অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। এর প্রেক্ষিতে ২৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসন ৫২জন সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বাক্ষ্য গ্রহন করে এবং আনিত অভিযোগের সত্যতা পায়। গত ৬ ফেব্রæয়ারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠায়। এসবের প্রতিবাদে গত ৫ মার্চ থেকে শিল্পকলা একাডেমীর বিভিন্ন বিভাগের ৯জন শিক্ষক তার অপসারণের দাবিতে ক্লাস বর্জন শরু করেন এবং তা অব্যাহত রয়েছে। এরই সূত্র ধরে পূনরায় জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত দল তদন্ত করতে নড়াইলে আসেন।
    তদন্তে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ, অর্ধ শতাধিক সাংস্কৃতিক কর্মী, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর ১০জন শিক্ষক, ৪০-৫০জন একাডেমীর শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এবং ২জন সাউন্ড ও ডেকোরেটরের স্বত্ত্বাধিকারী কালচারাল অফিসারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।
    অভিযোগে জানা গেছে, মোঃ হামিদুর রহমান ২০২৩ সালের জানুয়ারী মাসে নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে একের পর এক স্বেচ্ছাচারিতা, শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের বেতন দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠে। এই অফিসারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠন, শিল্পী, যন্ত্রশিল্পী, কলাকুশলী, উপস্থাপক, বিচারক ও উৎসব সমন্বয়কারীর সম্মানী ও যাতায়াতভাড়া না দেওয়া, ব্যানার, সাজসজ্জা, ডকুমেন্টেশন ও প্রচার, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা থেকে অর্থ আতœসাৎ, জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামের সাউন্ড, ইলেকট্রিক ও ভবন সংস্কারসহ বিভিন্ন খাত থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার দূর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
    জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংগীত বিভাগের শিক্ষক আশিষ কুমার স্বপন, নৃত্য বিভাগের শিক্ষক মোঃ মহিউদ্দিনসহ একাধিক শিক্ষক বলেন, জেলা কালচারাল অফিসার কোন অনুষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত সম্মানী ও শিল্পীদের যাতায়াত ভাড়া প্রদান করেনা। সম্মানি দেবার কথা বলে শিক্ষকদের কাছ থেকে ফাঁকা স্বাক্ষর রেখে সেখানে শিক্ষকদের নামে ভূয়া বিল-ভাউচার করেছেন। এভাবে শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন।
    অংকন লাইট হাউসের মালিক পলাশ দেবনাথ ও পাওয়ার ভয়েস সাউন্ডের মালিক রুবেল মোল্যা বলেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টাকা দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে বর্তমান কালচারাল অফিসার অনেক ফাঁকা বিল নিলেও তাদের কোনো অর্থ প্রদান করেনি।
    সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, নড়াইলের সাধারণ সম্পাদক শরফুল আলম লিটু বলেন, যতদিন এই দূর্নীতিবাজ কালচারাল অফিসার নড়াইলে থাকবে ততদিন নড়াইলের সাংস্কৃতিক কর্মীরা শিল্পকলা একাডেমীর কোনো অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন না। তিনি নড়াইলের সংস্কৃতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে স্বেচ্ছাচারী ও দূর্নীতিপরায়ণ জেলা কালচারাল অফিসারের দ্রæত অপসারণ ও বিভাগীয় শাস্তির দাবি জানান। তদন্ত কমিটির সদস্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) হাসান মাহমুদ বুধবার এ প্রতিবেদককে বলেন,আগামি ৩-৫ কার্য দিবসের মধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক বরাবর এ প্রতিবেদন দেয়া হবে।

  • মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সুমন খান:

    সাংবাদিকতা করার সময় আমরা যেন মিথ্যার আশ্রয় না নিই, এটাই আমাদের দায়বদ্ধতা। কারণ, আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে বলেছেন। তাছাড়া সাংবাদিকতায় আরও একটা বিষয় আছে, সেটা হলো ধৈর্য। সাংবাদিকতায় ধৈর্য ধারণ করতে হবে। কারণ এটা ধৈর্যের পেশা। মহানবীর (সা:) আদর্শ মতো ধৈর্য্য নিয়ে ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠভাবে আমরা সাংবাদিকতা করবো। সেই ধারাবাহিকতায় মধ্য দিয়ে !

    গতকাল মিরপুর ১০ নাম্বারস্থ শের-ই- বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ” মিরপুর প্রেস ক্লাব ” এর উদ্যোগে সাংবাদিকতা শীর্ষক আলোচনা এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান , মিরপুর প্রেসক্লাব উপদেষ্টা আফজাল হোসেন জাকির । মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সেলিম রায়হান , মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা , সহ-সভাপতি নেওয়াজ শরীফ লালন, সাধারণ সম্পাদক – এম মনির হোসেন , সাংগঠনিক সম্পাদক, আনিচ লিমন , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল , কোষাধ্যক্ষ আলি আফজাল আকাশ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দৈনিক খবরের আলো সম্পাদক মোঃ আমিরুজ্জামান , আনন্দ বিনোদন এর সম্পাদক এস এ এম সুমন , মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি‌ আমিনুল ইসলাম রিপন , মিরপুর প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব উদ্দিন মোঃ নজরুল ইসলাম অর্থ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব , রাশেদা হামিদ অনি , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মিরপুর প্রেসক্লাব ,সরদার মাজারুল ইসলাম যুগ্ম সম্পাদক- মিরপুর প্রেস ক্লাব , কাকলি আক্তার ,মহিলা বিষয়ক সম্পাদক -মিরপুর প্রেসক্লাব , সোহরাব হোসেন বাবু,সহ -প্রচার সম্পাদক ,মিরপুর প্রেসক্লাব ,মুরাদ হোসেন লিটন ,সাধারণ সম্পাদক- রূপনগর প্রেসক্লাব । মিরপুর প্রেসক্লাব উপদেষ্টা বিহারী সেলিম , রূপনগর প্রেস ক্লাব , বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব এবং মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাব এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।সকলের বক্তব্যে যে বিষয়গুলো উঠে আসে তা হলো। আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সোহাগ , আসাদুজ্জামান আসাদ, মাসুম বিল্লাহ,, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন , জাতীয় দৈনিক সংবাদ দিগন্তের পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সুমন খান প্রমুখ।

    পবিত্র মাহে রমজানের সিয়াম সাধনার মাসে সকল সাংবাদিকদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ রাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরা।
    মানব সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত কারণ ইসলামে মানুষের সহযোগিতা সহমর্মিতা এই সিয়াম সাধনার মূল লক্ষ্য।
    কলম সৈনিকেরা রোজা রেখেও জাতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মানুষের কাছে তুলে ধরেন।
    সাংবাদিক,প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে সু-সম্পর্কের সেতু বন্ধন থাকতে হবে।