Blog

  • বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষধ নির্বাচনে স্বপনের বিকল্প নেই

    বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষধ নির্বাচনে স্বপনের বিকল্প নেই

    কেএম সোহেব জুয়েল ঃ বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে স্বপনের বিকল্প অন্য কাউকে চিন্তা করা যাবেনা বলে ধারনা করেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

    তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ঠাকুরমল্লিক গ্রামের মৃত কাশেম সরদারের পুত্র ও বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা পরিষদের সফল চেয়ারম্যান উন্নয়নের রুপকার সৎ সাহসী অসহায় মেহনতী মানুষের বন্ধু ও নির্ভর যোগ্য নেতা সরদার মোঃ খালেদ হোসেন স্বপন। তার বিকল্প অন্য কাউকে চিন্তা করা যাবেনা বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার হাজারো মানুষ।

    স্বপন করনা মহামারী দুর্যোগ মোকাবেলায় বাবুগঞ্জ বাসির পাশে থেকে দৃষ্টান্ত মুলক উধারন রেখে গেছেন যা অন্য কাউর সাথে তুলনা করা যাবেনা।

    এ ছারাও জন নেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রেখে উন্নয়নকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময়ে , স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা হাটবাজার এলাকার রাস্তা ঘাট উন্নয়ন ও মাদক মুক্ত করার লক্ষে যথেষ্ট ভুমিকা রেখে গেছেন তিনি।

    তারি ধারাবাহিকতা আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে এমনি অভিপ্রায় ব্যাক্ত করেন ওই উপজেলার সর্বস্হরের লোক জন। তাই এক যোগে তাকে ভোটাধিকার প্রয়োগে নির্বাচিত করে এ সুযোগ বলবত রাখার অঙ্গিকার ব্যাক্ত করেন তারা।

  • কারাগারে আটক চেয়ারম্যান প্রার্থীর মুক্তির দাবিতে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন

    কারাগারে আটক চেয়ারম্যান প্রার্থীর মুক্তির দাবিতে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন

    বরগুনা প্রতিনিধি :

    বরগুনার আমতলীর সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার নয়ন মৃধাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে দাবী করে প্রতিবাদ ও মুক্তি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার মেয়ে ফারহিন বাসার জিমি।

    রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বরগুনা প্রেসক্লাবে এ সম্মেলন করেন তিনি।

    লিখিত বক্তব্যে জিমি বলেন, আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমার বাবাসহ আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং শুভাকাঙ্ক্ষী কর্মি সমর্থকরা বর্তমানে চরম হয়রানির শিকার। আমরা স্বাভাবিক প্রচার প্রচারনা চালাতে পারছিনা। আমার বাবা বর্তমানে উদ্দেশ্যমূলক সাজানো ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা মামলায় জেল হাজতে রয়েছেন। অথচ উক্ত মামলার ঘটনা সম্পর্কে আমার বাবা কিছুই জানেনা। উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল আমতলী শহর থেকে ৬/৭ কিলোমিটার দূরে নাচনা পাড়া গ্রামে অবস্থিত। অথচ ওই সময় আমার বাবাসহ উক্ত মামলার ১ থেকে ৩ নং আসামী আমতলী শহরে অবস্থান করছিলো। যার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং মোবাইল কলরেকডিং পর্যলোচনা করলে জানা যাবে। আমার বাবা যাতে নির্বাচন না করতে পারে সে জন্যই উদ্দেশ্যমূলক হত্যাকান্ড মামলায় তাকে জড়িত করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, নাচনাপাড়া এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে ১০ এপ্রিল হিরন গাজী নিহত হয়। ওই নির্মম হত্যাকান্ডে আমার পরিবার শোকাহত। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীর বিচারের দাবি জানাই। আমাদের প্রতিপক্ষ প্রার্থী মোতাহার উদ্দিন মৃধা আমতলী ইউনিয়নের বেশিরভাগ খালগুলো দখল করে অবৈধভাবে মাছ চাষ করে আসছিল। এই খালগুলো সাধারন মানুষ ব্যবহার করতে পারে না। আমার বাবা এই খালগুলো উদ্ধার করে জনসাধারনের ব্যবহরের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষনা দেয়। এই ঘোষনা বাস্তবায়নের জন্য গত ৮ এপ্রিল আমার বাবা নয়ন মৃধা প্রশাসনের সহয়াতা কামনা করে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। বরগুনার জেলা প্রশাশক ও পুলিশ সুপার তদন্ত করে এই অবৈধ খালগুলো অবমুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহন করে। এই অবৈধ খাল মুক্ত করার ঘোষনা ও প্রশাসনের অভিযোগের পর থেকে আমাদের প্রতিপক্ষ প্রার্থী আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিলো। তাহার বিরুদ্ধে আমার বাবার এমন পদক্ষেপ নেওয়ায় আমার বাবাকে নির্বাচন হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ভাবে তাকে আসামি করা হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, আমার বাবা নয়ন মৃধা এই হত্যা কান্ডের পর বাসায় অবস্থান ও নির্বাচনী প্রচারনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। তাকে ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার নির্বাচনী অফিস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমান চেয়ারম্যান মোতাহার উদ্দিন মৃধার প্ররোচনায় হিরনের স্ত্রী প্রকৃত আসামী আড়াল করে আমার বাবাসহ তার কর্মীদের হত্যা মামলায় আসামী করে। যা সঠিকভাবে তদন্ত করলে প্রকৃত রহস্য বেড়িয়ে আসবে। এই মামলায় অজ্ঞাত ৪০/৫০ জন আসামী করায় বর্তমানে আমাদের কর্মীরা আতঙ্কে নির্বিঘ্নে মাঠে প্রচারনা চালাতে পারছে না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোতাহার উদ্দিন মৃধার লোকজন আমাদের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রেফতারসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এমতাবস্থায় নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগনের মাঝে ভীতি ও সংশয় কাজ করছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচন এবং তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকান্ডের বিচারের জোর দাবীসহ দ্রুত আমার বাবার মুক্তি কামনা করছি।

    সংবাদ সম্মেলনে কারাগারে আটক চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার নয়ন মৃধার বড়ভাই কামরুজ্জামান হিরু মৃধা, জাকির হোসেন কবির সহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝালকাঠির নবগ্রাম ছফেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠির নবগ্রাম ছফেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন নবগ্রাম ছফেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রক্তন ছাত্রদের আয়োজনে পূণর্মিলনী অুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ এপ্রিল রবিবার সকালে ৯টায় প্রাক্তন ছাত্রদের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা সবুজ চত্তর প্রাঙ্গন এক মিলন মেলায় পরিনত হয়।

    সকাল ১০টায় প্রক্তান (এসএসসি ব্যাচ ১৯৯৫) ছাত্র মো: হাবিবুল্লাহ খান রাজার সঞ্চালনায় প্রাক্তন ছাত্র ক্বারী মোহাম্মাদ মিজবাহ বিন বাশারের কন্ঠে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। তেলোয়াত শেষে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সম্মেলিত কন্ঠে জাতীয় সংঙ্গীত পরিবশন করা হয়। জাতীয় সংঙ্গীত শেষে প্রাক্তন ছাত্র মো: আশরাফুল ইসলাম আলিম (২০১৭ ব্যাচ) এর নেতৃত্বে সম্মেলিত কন্ঠে একটি ইসলামি সংঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।

    পরে পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান ২০২৪ অনুষ্ঠানের সভাপতি ছায়িদা সুলতানা স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সভাপতির বক্তব্য শেষে মাদ্রাসার বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্য থেকে হামদ ও নাত, কোরআন তেলোয়াত পরিবেশন করেন। পরে বিভিন্ন সনের এসএসসি ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্য থেকে আলোচনা অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম, মাও: মো: নূরুল হক, মো: তৈয়বুর রহমান, মো: ইউনুস শীরফ, মো: বেলায়েত হোসেন সহ আরো অনেকে । প্রাক্তন ছাত্রদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থী, হাফেজ ও দাতা সদস্যদের সম্মামনা ক্রেষ্ট প্রদান করেন।

    প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ছায়িদা সুলতানা এলাচির সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান, ৩নং নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবুল হক আকন্দ, সাবেক চেয়ারম্যান ওয়ালিউর রহমান হিরু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী মশিউর রহমান ভুলু, নবগ্রাম জেবুন্নেচ্ছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদ, নবগ্রাম মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো: আক্তার হোসেন প্রমুখ।

  • গফরগাঁওযে যথাযথ মর্যাদায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    গফরগাঁওযে যথাযথ মর্যাদায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    নতুন স্বপ্ন ও নতুন প্রত্যয় নিয়ে সব অশুভ আর অসুন্দরকে পেছনে ফেলে বছর ঘুরে আবারো ফিরে এসেছে বাংলা নববর্ষের পহেলা বৈশাখ।

    সারা দেশের মতো ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলাতেও নতুন বছরের আগমনে ১লা বৈশাখ
    বাংলা নববর্ষ- ১৪৩১ উদযাপন করা হয়েছে।

    ১লা বৈশাখ-১৪৩১ বাংলা নববর্ষ যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে তানোর উপজেলা প্রশাসন নানা কর্মসুচি পালন করেছেন । এদিন দিবসের শুরুতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রা পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা চত্ত্বরে এসে সমাপ্ত  হয়। উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা আয়োজনা সভা ও উপজেলা পরিষদের চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা করা হয়। এছাড়াও বাঙালির ঐতিহ্য পান্তা-ইলিশ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা ও কবিতা আবৃতি আয়োজন করা হয়েছে।

  • পটিয়ার পিঙ্গলায় বুখারী শরীফ অনুষ্ঠিত

    পটিয়ার পিঙ্গলায় বুখারী শরীফ অনুষ্ঠিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের পিঙ্গলা শেখপাড়া এলাকায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ মো. রাশেদুল আলম রাসেলের উদ্যোগে পবিত্র খতমে বুখারী শরীফ গত শনিবার বিকালে
    অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেমের উদ্বোধনী বক্তব্য শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সাগরিকা শীপ ব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামসুল আলম, প্রধান বক্তা ছিলেন ষোলশহর জামেয়া আহম্মদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মৌলানা মুফতি সৈয়দ অছিউর রহমান আল কাদেরী (মা.আ.)। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার,দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাছির উদ্দীন,
    ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি
    জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, শেখ মোজাম্মেল হক,তাজবিদ তাহামিদ (হিমেল) জহির,নাজিম মেম্বার,
    শেখ জাহাঙ্গীর আলম,আব্দুস সালাম,রুমান,তাফসির সওদাগর, আহমদ নুর,ফরিদুল আলম,শেখ সরোয়ার।।

  • পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ৩

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ৩

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় ঈদের দিন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরো তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে দেবীগঞ্জ পৌর সদরের নতুন বন্দর এলাকার সোনাহার-দেবীগঞ্জ সড়কের মগবাজার সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- দেবীগঞ্জ উপজেলার দন্ডপাল ইউনিয়নের লোহাগাড়া সুপারি তলা এলাকার বাছের আলীর ছেলে কাউসার আলী (১৬) ও একই এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে সাব্বির (১৭) এবং দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের খাঁ পাড়া এলাকার মজনুর ছেলে সাব্বির (২২)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন দুপুর আনুমানিক একটার সময় আনন্দের উদ্দেশ্যে দুটি পৃথক মোটরসাইকেলে তিনজন কিশোর খাঁ পাড়া থেকে দেবীগঞ্জে আসছিলো এবং অপর একটি মোটরসাইকেলে তিনজন কিশোর কালীগঞ্জের লোহাগার থেকে নীলসাগরের উদ্দেশ্য রওনা হয়। পথিমধ্যে নতুন বন্দর এলাকার দেবীগঞ্জ-সোনাহার সড়কে একটি ভ্যানকে সাইড দিতে গিয়ে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ছয়জনকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন সময় কাউসার আলী নামে একজনের মৃত্যু হয়। বাকীদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রংপুর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। রংপুরে যাওয়ার পথে লোহাগাড়া এলাকার সাব্বির (২২) নামে একজনের মৃত্যু হয় এবং রংপুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাব্বির নামে আরেকজনের মৃত্যু হয়।

    রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাব্বিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তার চাচাতো ভাই মনির বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় সাব্বিরকে রংপুরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়। তার মরদেহ বাসায় আনা হচ্ছে।

    এদিকে হাসপাতালে আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বরকত, জাকারিয়া এবং সোহেল। তবে বরকতের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা।

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা অফিসিয়ালি দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত মামলা রুজু করা হবে।

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • পঞ্চগড়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাতে গৃহবধূ খু*ন

    পঞ্চগড়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাতে গৃহবধূ খু*ন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় শাহনাজ পারভীন (২৫) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে পরকীয়া প্রেমিক। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ঈদের দিন সকালে উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের মতিয়ারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    নিহত শাহনাজ পারভীন ওই এলাকার আব্দুল মজিদের স্ত্রী। তার ৬ বছর ও ৪ মাস বয়সী দুটি মেয়ে রয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহনাজ পারভীনের স্বামী আব্দুল মজিদ দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন স্থানে কাজের সুবাদে ঢাকায় থাকতেন। সেই সুযোগে দুই বছর আগে প্রতিবেশী রাজু (২৭) নামে এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন শাহনাজ। রাজু ওই গ্রামের আইনুলের ছেলে। তবে কোনো কারণে এক সময় ভেঙে যায় সেই প্রেমের সম্পর্ক। বিষয়টি নিয়ে ক্ষীপ্ত ছিলেন রাজু।
    ঈদের দিন সকালে পরিবারের অন্য সদস্যসহ স্বামী আব্দুল মজিদ ঈদের নামাজ পড়তে ঈদগাহ মাঠে চলে গেলে শাহনাজের বাড়িতে যান রাজু। সুযোগ বুঝে ঘরে প্রবেশ করেই শাহনাজের বড় মেয়ের সামনেই শাহনাজকে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতারি আঘাতের পর গলা কেটে পালিয়ে যান। এ সময় বড় মেয়ের কান্না ও চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে শাহনাজের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও থানা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করেন।

    দেবীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম জানান, শাহনাজ নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের সময় মরদেহের পাশ থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক রাজুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে অপহরণকৃত মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ও ৫ জন আসামি গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে অপহরণকৃত মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ও ৫ জন আসামি গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন ঝুরঝুরি এলাকা হতে অপহরণকৃত মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ও ০৫ জন আসামি গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ০৫ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি. তারিখ রোজ শুক্রবার বেলা অনুমান ১৫.০০ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন ঝুরঝুরি এলাকা হতে মোঃ মারুফ হাসান (১২) বাড়ির বাহিরে যায়। অতঃপর সন্ধ্যা হয়ে এলেও ভিকটিম মারুফ হাসান বাড়িতে ফিরে না আসায় তার অভিভাবকেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এবং সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরেও ভিকটিম মারুফ হাসানকে না পেয়ে তার বাবা মোঃ মোশারফ হোসেন গত ০৫/০৪/২০২৪ খ্রি. তারিখ তাড়াশ থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নং-২৬৮, তারিখ-০৫/০৪/২০২৪ খ্রি.। ভিকটিম মারুফ হাসানকে উদ্ধারের জন্য অভিযানে নামে র‌্যাব-১২।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ভিকটিম মারুফকে অপহরণের সন্দেহে প্রথমে ০৩ (তিন) জনকে আটক করা হয় এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে অদ্য ১১ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি. ভোর অনুমান ০৪.৫৫ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন ঝুরঝুরি বাজারস্থ তালুকদার মার্কেটের পিছনে সেপটি ট্যাংকের ভেতর হতে র‌্যাব-১২’র ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক টিম অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র ভিকটিম মারুফ হাসানের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র মারুফ হাসানের হত্যাকারী হিসেবে সন্দেহভাজন আরো ০২(দুই) জনসহ মোট ০৫ (পাঁচ) জন সন্দিগ্ধ হত্যাকারীকে আটক করা হয়েছে।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ আবুল হাশেম @ হাসু (৪৮), পিতা- মৃত- তফের, ২। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৫), পিতা- মোঃ মোশারফ হোসেন, ৩। মোঃ আল আমিন হোসেন (২২), পিতা- মোঃ নজরুল ইসলাম, ৪। মোঃ ওমর ফারুক (২২), পিতা- মোঃ রফিক হোসেন, ৫। মোঃ কাওছার হোসেন (১৯), পিতা- মোঃ সাইদুর রহমান, সকলের সাং- ঝুরঝুরি, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় হস্তান্তর করার আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন ।

    র‌্যাবের এ ধরণের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার অভিযান কার্যক্রম চলমান থাকবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরণের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধ মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • বরিশাল বাসীকে পবিত্র ঈদ’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্

    বরিশাল বাসীকে পবিত্র ঈদ’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্

    নিউজ ডেস্ক।।

    বরিশাল বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার সংসদ সদস্য,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি,বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্।

    তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় জানান, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। তিনি বরিশাল বাসীর অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

    শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরও জানান, বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় একটি দিন ঈদ উল ফিতর,এই দিনে ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি,আত্মসংযম,সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন সকলের মাঝে লাভ করুক এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।

    হাঁসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। তিনি একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে সকলে একসঙ্গে মিলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উৎসব উদযাপন করতে বলেছেন।

    পরিশেষে তিনি দল মত জাতী ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সবাইকে জানিয়েছেন ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক!

  • পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- অ্যাডভোকেট জুয়েল

    পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- অ্যাডভোকেট জুয়েল

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজকল্যান সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান জুয়েল।

    তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় জানান, আমি সকলকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আমি সকলের অব্যাহত সুখ,শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।

    শুভেচ্ছা বার্তায় আতিকুর রহমান জুয়েল আরও জানান,বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন ঈদ উল ফিতর আমাদের মধ্যে সমাগত। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম,সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।

    হাঁসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। ঈদ এর অর্থটাই হচ্ছে ফিরে আসা। এমন এই দিনকে ঈদ বলা হয়, একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে এই দিনে যে মানুষ বারবার একত্রিত হয় এবং সাধ্যমতো যার যা উপার্জন তা নিয়েই আনন্দ উৎসব করে। তাই ঈদ দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকেন।

    মহান আল্লাহ পাক বিশ্বের সকল মানুষের প্রতি নিয়ামত হিসেবেই ঈদ দান করেছে। তাই এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা। আমি এই কামনা করি। সবাইকে জানাই ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক!