Blog

  • নলছিটিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

    নলছিটিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার(১৫এপ্রিল) সকাল এগারোটায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ১৪দলের মুখাপাত্র আমির হোসেন আমু(এমপি)।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুর রহমান,পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ওয়াহেদ খান,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সানজিদ আরা শাওন প্রমুখ।

    কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় ২০২৩-২৪অর্থবছরে খরিফ-১ মৌসুমে উফশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ২৫০০ কৃষকদের মাঝে জনপ্রতি ৫কেজি ধানের বীজ ও ২০কেজি সার বিতরন করা হয়েছে।

  • চট্টগ্রাম সিএসসিআর হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ টেকনাফের ডা. জামাল আর নেই

    চট্টগ্রাম সিএসসিআর হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ টেকনাফের ডা. জামাল আর নেই

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ফুলের ডেইলের এলাকার নিবাসী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও হ্নীলা গুলফরাজ-হাশেম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা
    ডাঃ জামাল আহমদ (৬৭) আর নেই।
    (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

    তিনি আজ সোমবার (১৫ এপ্রিল) ভোররাত ৩ টার দিকে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
    ডা. জামাল আহমেদের ছেলে ডা. সালাউদ্দিন জামাল মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।
    তিনি বলেন,বেশ কিছুদিন ধরে কিডনীর অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গত ১২এপ্রিল জামাল আহমেদকে ভারতে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষ করে দেশে ফিরে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আজ মৃত্যুবরণ করেন।
    আজ সোমবার বাদ জোহর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপরে তার মৃতদেহ টেকনাফের হ্নীলায় গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে।

    ডাঃ জামাল আহমেদ ছিলেন টেকনাফে প্রথম এমবিবিএস ডাক্তাটী পাস করেন। পরে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে চট্টগ্রাম সিএসসি.আর হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
    তিনি ছিলেন দেশের খ্যাতিমান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকায় তিনি একজন।

    উল্লেখ্য,১৯৯৮ সালে টেকনাফের হ্নীলায় জন্মভূমিতে পিতা-মাতার নামে গুলফরাজ-হাশেম ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে তিনি ২৫ বছরের বেশী সময় ধরে এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষায় অবদান রাখেন তাঁর মৃত্যুতে এলাকাবাসী গভীর ভাবে শোকাহত।

  • নতুন পরিবর্তন, নতুন আলোয় নববর্ষ বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ — মোঃ আতিকুর রহমান

    নতুন পরিবর্তন, নতুন আলোয় নববর্ষ বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ — মোঃ আতিকুর রহমান

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে ‘পয়লা বৈশাখ’কে বছরের প্রথম মাস হিসেবে গননা করা হয়। এই উৎসব সংস্কৃতির উৎসব, কোনও ধর্মের নয়, তাই বাংলাদেশের মুসলমান বাঙালিরাও এই দিনটি পালন করে।বাংলাদেশেও মঙ্গল শুভ যাত্রার আয়োজন করা হয় যার ধারাবাহিকতায় বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ পালনে গত রবিবার ( ১৪ এপ্রিল) সকাল ৯.০০ ঘটিকায় রঙিন পোশাকে শাজাহানপুর উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ নববর্ষের ব্যানার নিয়ে শোভাযাত্রা বের করেন।শোভাযাত্রাটি প্রতিষ্টান প্রাঙ্গন হতে বের হয়ে শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর হয়ে আবার প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসে।
    মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ ভোকেশনাল শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখে আমাদের প্রত্যাশা সকলের জীবন সূর্যের মতো দীপ্তিমান, জলের মতো শীতল আর , মধুর মতো মিষ্টি থাক ।পহেলা বৈশাখ বলি বা নববর্ষ বলি এগুলির সবকটির একই অর্থ বাংলা নববর্ষ।
    তিনি আরো বলেন বাংলা নববর্ষ বাঙালি সম্প্রদায়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক উৎসবগুলির মধ্যে একটি। পহেলা বৈশাখ হল আনন্দ, উত্তেজনা, এবং উৎসবে ভরা একটি দিন। এই দিনে শহরে মেলার আয়োজন করা হয় এবং লোকেরা নতুন জামাকাপড় পড়ে।লোকেরা সুস্বাদু খাবার তৈরি করে এবং তাদের পরিবারের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে এবং তারা তাদের ঘর বাড়ী বর্ণিল রংঙে সাজায়। এটি এমন একটি দিন যা অতীতের ঝামেলা এবং দুঃখগুলিকে পিছনে ফেলে ইতিবাচকতা এবং আশাবাদে ভরা একটি নতুন ভবিষ্যতকে আলিঙ্গন করে। পহেলা বৈশাখ বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বের ।
    পহেলা বৈশাখ হল বাঙালির নতুন বছরের শুরু। যারা ব্যবসা পরিচালনা করেন তাদের জন্যও দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এই দিন থেকেই ব্যাবসার হিসেবের খাতা অনুযায়ি হালখাতার মাধ্যমে দেনা পাওনার মিমাংশা করেন ।পহেলা বৈশাখ হল নতুন সূচনা, আশা এবং নবায়ন উদযাপনের একটি সময়। উৎসবটি শুধু বাংলায় নয়, ভারত, বাংলাদেশের অন্যান্য অংশে এবং সারা বিশ্বের বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যেও পালিত হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আশার,মাশরুম,নওশাদ সহ অন্যান্যে শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ ।

  • ময়মনসিংহ সদরে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ

    ময়মনসিংহ সদরে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, সাবেক ছাত্রনেতা ও সদর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, আশরাফ হোসাইন সদর উপজেলার
     দলীয় নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের সাথে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (১১এপ্রিল) ঈদের দিন থেকে নিয়মিত তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে আবারো বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে গণসংযোগের পাশাপাশি ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। এসময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পৌঁছলে দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজন তাদের প্রিয় নেতা আশরাফ হোসাইনকে
    কাছে পেয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান নিজে সবাইকে বুকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন। বিভিন্ন বাজারে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, বিভিন্ন পেশাজীবীসহ সকল স্তরের মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন আওয়ামীলীগ নেতা আশরাফ হোসাইন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ও প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এসময় তিনি সবার খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজন ঈদের দিনেই প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অনেকে নিজেদের বাড়িতে তাঁকে নিমন্ত্রণও করেন।

    গণসংযোগকালে মতবিনিময়কালে আশরাফ হোসাইন বলেন, সদর উপজেলার মানুষ আমার প্রাণশক্তি। এরা সবাই আমার বৃহৎ পরিবারের সদস্য, আমার আত্মার আত্মীয়। তাই সুখে দুঃখে সব সময় আমি সদরের সাধারণ মানুষের সাথে থাকতে ভালোবাসি। সাধারণ মানুষের মুখের হাসি, তাদের শরীরের গন্ধ আমাকে প্রাণশক্তি জোগায়। যতদিন বাঁচি সবাইকে নিয়ে সবার সাথে বাঁচতে চাই। মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা জনবান্ধব নেত্রী, এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোড় মডেল বলেও জানান এই চেয়ারম্যান। এসময় তিনি দলীয় নেতা কর্মীদের সাধারন মানুষের পাশে থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন।

    উপজেলা পরিষদের নির্বচনী তপসিল ঘোষণা হয়েছে জানিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে শুভেচ্ছা বিনিময় কালে তিনি বলেন-বিগত ৫বছর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। তবে কোভিট-১৯ এর কারণ প্রায় ৩বছর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে অনেকটাই বাঁধা গ্রস্থ হয়েছে। তাই উপজেলার চলমান
    উন্নয়ন ধরে রাখতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয় ধরে রাখতে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।আমি আপনাদের সন্তান আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমি আপনাদের যে কোন দুর্যোগে আগেও পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি, ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহ। আপনারা আসন্ন উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে আবারো বিজয়ী হতে আমার জন্য দোয়া সহযোগিতা করবেন বলে আমি আশাবাদী।

  • বিরামপুরে আনন্দমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    বিরামপুরে আনন্দমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা- কবিগুরুর এই পংক্তিকে মনে রেখে পুরাতনকে মুছে ফেলে নতুনকে গ্রহণ করতে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আনন্দমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ উদযাপন করা হয়েছে।

    বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাংকন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পান্তা খাওয়ার আয়োজন করা হয়।

    রবিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে পৌর শহরের ঢাকামোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে অংশ নেয় উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। শোভাযাত্রাটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

    শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুজহাত তাসনীম আওনের সভাপতিত্বে, আলোচনা সভা ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথমে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবীর।

    এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র আককাস আলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল হক, ওসি সুব্রত কুমার সরকার, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সহ-সভাপতি শীবেশ কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার, প্রেসক্লাব সভাপতি মোরশেদ মানিক, সম্পাদক কামরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান, সুধীজনসহ আরও অনেকে।

    অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসমা বানু।

    জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • গৌরনদীর সরিকলে ইকরা নুরানী ক্যাডেট মাদ্রাসার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    গৌরনদীর সরিকলে ইকরা নুরানী ক্যাডেট মাদ্রাসার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের দঃ সাকোকাঠি গ্রামের মোঃ খবির বেপারির পুত্র মোঃ রোকন উদ্দিন ব্যাপারির অক্লান্ত পরিশ্রম ও সাধনায় অবস্থিত ইকরা নুরানি ক্যাডেট মাদ্রাসার শুভ উদ্বোধনের কার্যক্রম করা হয়েছে।

    সোমবার ১৫ এপ্রিল সকাল ১০ টায় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোঃ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ নূরানী তালিমুল কোরআন বোর্ড বরিশাল বিভাগের সহকারী পরিচালক মোঃ রফি উদ্দিন নজরল ইসলাম উপস্থিত থেকে উপস্থিতিদের মাঝে বক্তব্যে বলেন, আন্ধকার জগতকে আলোকিত করতে দিন ইসলামের বিকল্প অন্য কিছুই চিন্তা করা যাবেনা।

    তাই প্রত্যেক অভিভাবকের উচিত তাদের সন্তানদের দিন ইসলাম কোরআন শিক্ষা দেওয়া। এর ভিতর থেকেই আদর্শ বয়ে আনবে। এবং পরোপারে দিন ইসলামের ভিতর থেকেই জান্নাত বয়ে আনবে এমনটি বলেন তিনি।

    এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানার জিম্মাদার মাওলানা আবুল বাসার প্রধান শিক্ষক ইকরা নূরানী ক্যাডেট মাদ্রাসা গৌরনদী, মোঃ মোবারক ফকির, আবদুর রহমান বিশ্বাস, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল বেপারি প্রমুখ।
    প্রতিষ্টতা মোঃ রোকন উদ্দিনের মহতি উদ্যেগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক শিক্ষাঅনুরাগি দানবির মো ঃ হাফিজুর রহমান মান্না। শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানোর দৃশ্য লক্ষ করা গেছে।

  • জুনের মধ্যে অর্থনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিক হবে- এমপি মেনন

    জুনের মধ্যে অর্থনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিক হবে- এমপি মেনন

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের হস্থিশুন্ড মোড়াকাঠী(এইচ এম) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি, উজিরপুর – বানারীপাড়া (বরিশাল -২) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড রাশেদ খান মেনন তিনি বলেন বৈশ্বিক মহামারী করোনা, ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধে দেশ ভয়াবহ বৈদেশিক মুদ্রা সংকটে পড়ে,এতে বড় বড় মেগা প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়,ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সড়ক মহাসড়ক, সেতুর কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
    আশা করি আগামী জুনের মধ্যে সকল অর্থনৈতিক সংকট সমাধান হবে। ১৫ এপ্রিল সকাল দশটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ আবু বকর আকন এর পৃষ্ঠপোষকতায়,ফ্রি ক্যাম্প উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ মামুন অর রশিদ তালুকদার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রহিমা আফরোজ রোজি, উজিরপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দিন বেপারী, বামরাইল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইউছুব হাওলাদার, ইউপি সদস্য মাইনুল ইসলাম তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উজিরপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সীমা রানি শীল, ওয়ার্কাস পার্টির বরিশাল জেলা নেতা,জহিরুল ইসলাম টুটুল,উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ, উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড ফাইজুল হক বালী ফারাহীন,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন,বামরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আঃ সালাম সরদার।ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করেন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আসাদুল্লাহ গালিব।

  • উজিরপুরে শুরুহলো আড়াইশো বছরের ঐতিহ্যবাহী কাটাগাছ তলার  বৈশাখী মেলা

    উজিরপুরে শুরুহলো আড়াইশো বছরের ঐতিহ্যবাহী কাটাগাছ তলার বৈশাখী মেলা

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়ামঃ

    আসে উৎসব-জাগে উল্লাস, সাজে নবপল্লবে বনবিথী। নীল গগনে সাদা আর কালো মেঘের খেলা নিরবধি। প্রলয় হুংকার কত ভয়ংকর-ঝড়ে বৃষ্টি আনে তুষ্টি। গাঁয়ের মাঠে প্রাণের মেলায় সাজিয়াছে মন্ডা-মিষ্টি।’

    নবরূপে সজ্জিত প্রকৃতির মাঝে ঘন কালো মেঘের গর্জন, সঙ্গে রং-বেরঙের উৎসব। এমন চিরায়ত রূপ নিয়ে বাংলায় আসে বৈশাখ, শুরু হয় নতুন বছর।

    আর নববর্ষ বরণ উৎসবকে আকর্ষণীয় করে তোলে বৈশাখী মেলা। ১৫৮৬ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজি, হিজরি, চন্দ্র ও সৌর সনকে ভিত্তি করে বঙ্গাব্দ প্রবর্তিত হওয়ার পর মোঘল সম্রাট আকবরের আমল থেকে বাংলা নববর্ষ পালন শুরু হয়।
    নতুন বছরের প্রথম দিন ও মাস বৈশাখকে বরণ করতে তখন মেলাসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। কালেক্রমে সেটির নাম হয় ‘বৈশাখী মেলা’।খেলনা টমটমের টুংটাং শব্দ, তালপাতার বাঁশির পু-পু-পু সুর, নাগরদোলায় দোল খাওয়া শিশু-কিশোরদের কলরবের সঙ্গে পুতুল নাচের আসর থেকে মাইকে ভেসে আসা লোকজ গান আর ঢাক ঢোলের শব্দ নিয়েই গ্রাম-বাংলায় বসে বৈশাখী মেলা। মেলায় থাকে লোকজ খাদ্যদ্রব্য মুড়ি-মুড়কি, জিলাপি, রসগোল্লা, খই-চিড়া বাতাসা
    গাঁয়ের বধূদের জন্য কাচের চুড়ি, পুঁতির মালা, রঙিন ফিতা, প্রসাধনীর সারি সারি দোকান। কারুপণ্য, কুটির শিল্প, হস্তশিল্পসহ নানা পণ্য ছাড়াও মাটির তৈরি পুতুল, কাঠের গাড়ি, বাঁশের কুলা-চালুনসহ নানা ধরণের শিশু-কিশোর খেলনা সামগ্রীর পসরা সাজায় দোকানিরা। নানা বিনোদনে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গণ। আর মেলার এ দিনটির জন্য বছরজুড়ে অপেক্ষায় থাকে গাঁয়ের বধূ, শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষ।
    মেলায় যেতে যেতে গাঁয়ের মেঠো পথে শিশু-কিশোরদের দুরন্তপনায় ছুটে চলা ও পাগলা হাওয়ায় দোল খাওয়া সবুজ ধানের ক্ষেতে ভাই-বোনের লুকোচুরি খেলা আনন্দটা আরও বাড়িয়ে দেয়। আর মেলা থেকে ফেরার পথে তালপাতার বাঁশি, খেলনা টমটম গাড়ি ও কিশোরীর হাতে কাচের চুরির ঝনঝন আওয়াজে মুখরিত থাকে পথ-প্রান্তর।

    বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার পৌরসদরের ৫ নং ওয়ার্ডের পুরান বাজারে প্রতিবছরই বসে এমন এক ঐতিহ্যবাহী মেলা। শত শত বছর ধরে চলে আসা মেলাটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বৈশাখ মাসের তিন তারিখ থেকে শুরু হয়ে চলবে ৫ তারিখ পর্যন্ত।দুই থেকে আড়াইশ বছর ধরেই এ মেলা চলে আসছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

  • শাজাহানপুরে অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে আছে মসজিদ নির্মাণের কাজ

    শাজাহানপুরে অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে আছে মসজিদ নির্মাণের কাজ

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ড ফুলকোট গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় (মাদারতোলা) অবস্থিত ফুলকোট পশ্চিমপাড়া বায়তুল ফালাহ্
    জামে মসজিদ । মসজিদটি ১৯৮২ সালে নির্মিত । মসজিদে জমিদাতা মরহুম রবিয়া আকন্দ ০৬ শতক ও মরহুম অজিউদ্দীন প্রাং ০৩ শতক । বর্তমানে মসজিদটির ১৩ শতাংশ জায়গা আছে । মসজিদটি আশির দশকে নির্মিত হলেও আধুনিকতার কোন ছোয়া না লাগার কারণে এতদিন টিনের ঘরে মানুষ নামাজ আদায় করে আসিতেছিল । এভাবেই চলছে ৪২ বছর । এলাকার বেশির ভাগ লোক দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস ও বিত্তবান কোন লোক না থাকায় মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করা সম্ভব হয়নি ।ফুলকোট পশ্চিমপাড়া বায়তুল ফালাহ্ জামে
    মসজিদের সভাপতি মোকছেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, এবং কোষাধ্যক্ষ এমদাদুল হক জানান,বাৎসরিক জালসা সহ বিভিন্ন দানের মাধ্যমে মসজিদটির ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা তহবিল ছিলো সেই টাকা দিয়ে গত ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম দিকে মসজিদটির পুনঃ নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় । যে টাকা তহবিল ছিলো সেই টাকা দিয়ে কেবল মসজিদটির কলম তোলার কাজ শেষ হয়েছে । আর বাদবাকি কাজ টাকার অভাবে সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না । তাই সকলের কাছে আকুল আবেদন আপনার আমার একটু সহযোগিতায় নির্মাণ কাজটা অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ । এভাবে একটি সুন্দর মসজিদ নির্মাণ হয়ে যাবে যা আপনি আমি এ দুনিয়া থেকে চলে যাবার পরেও মাথা উঁচু করে কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে ইনশাআল্লাহ । আর আখেরাতে নাজাতের জন্য ওছিলাও হতে পারে । মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকেও বিওবান ও দ্বীনি ভাই বোনদের কাছ থেকে অনুদান সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে । মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুক এবং সাধ্যমত সহযোগিতা করার তৌফিক দান করুক, আমিন ।
    সহযোগিতায়, বিকাশ ও নগদ -০১৭২৭৮৩৭১৯৭

  • সেনবাগে পুকুরের পানিতে ডুবে  মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

    সেনবাগে পুকুরের পানিতে ডুবে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৩নং ডমুরুয়া ইউনিয়নের পরিকোট গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শাহরিয়ার রহমান হামজা (৬) নামে এক শিশু মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫এপ্রিল) আড়াইটার দিকে ওই গ্রামের বড় বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহরিয়ার রহমান হামজা (৬) কেশারপাড় আলী আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ৩ সন্তানদের মধ্যে বড় ছেলে। সে স্থানীয় পরিকোট তাহমিদূল আলম নূরানি মাদ্রাসার শিশু শ্রেণীর ছাত্র।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর আড়াইটার দিকে পরিবারের সকল লোকজন মিলে খাবার খাওয়ার সময় নিহত শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে, পরিবারের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিক সবাই মিলে পুকুরের পানিতে খোঁজাখুঁজি করে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেএ নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারের চলছে শোকের মাতম।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গাজী মনির হোসেন দুলাল। তিনি বলেন খবর পেয়ে সরজমিনে গিয়ে পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হই।এঘটনায় স্থানীয় ডমুরুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন কানন বলেন, আমি এঘটনায় অবগত আছি।