Blog

  • বাবুগঞ্জে আদালতের আদেশকে অমান্য করে পাকা স্হাপনা তৈরি

    বাবুগঞ্জে আদালতের আদেশকে অমান্য করে পাকা স্হাপনা তৈরি

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    বিশেষ প্রতিনিধি ঃ বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে জাহাপুর গ্রামে মৃত আবদুল আজিজ চৌকিদারের পুত্র মোঃ আবুল কালাম আজাদের পৌত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে পাকা স্হাপনা তৈরি করছেন একই বাড়ির মৃত নুর মোহাম্মদ চৌকিদারের পুত্র ভূমিদস্যু কালাম ( কালুমিস্ত্রী) ।

    এ ব্যাপারে আবুল কালাম বাবুগঞ্জ থানায় অভিযোগ করে কোন সুফল না পেয়ে অবশেষে বরিশাল বিজ্ঞ (বাবুগঞ্জ) সহকারি জজ দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করেন
    ভুক্তভোগী মোঃ আবুল কালাম আজাদ। যার মামলা নং- ৪৩/২৪।

    মামলা দায়েরে পরে বিজ্ঞ আদালত ২০ মার্চ প্রতিপক্ষদ্বয়কে ১৫ দিনের কারন দর্শানের নির্দেশ প্রদান করেন। বিবাদিগন বিজ্ঞ আদালতের কোন প্রকার কারন না দর্শাইয়া ভবন নির্মানের কাজ অব্যাহত রাখিলে বিজ্ঞ আদালত ১৭ এপ্রিল আবুল কালালামের ভোগদখলিয় বিএস ৩৪৯,৮০,১০৭৮,১০৭৯, খতিয়ানের ১১৫৫,১১৫৬, ১১৫৭ দাগের ভূমিতে স্ব-স্ব দখল অনুযায়ী বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষকে স্হতী শিলতা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।

    প্রতিপক্ষ ভূমিদস্যুরা আদালতের আদেশকে অমান্য করে তাদের খেয়াল খুশি মত ভবন নির্মানের কাজ অব্যত রাখেন। এ বিষয় প্রতিপক্ষ ভূমিদস্যুদের হাত থেকে প্ররিত্রান পেতে প্রসাশনের সার্বিক সহোযোগিতা কামনা করছেন ভুক্তভোগী আবুল কালাম ও তার পরিবারের লোকজন।

  • টঙ্গীবাড়ী ইউএনও এর সাথে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    টঙ্গীবাড়ী ইউএনও এর সাথে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আসলাম হোসেনই
    এর সাথে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার ষ্ঠাফ রিপোর্টার আব্দুল কাদের খান পবিত্র ঈদুল ফিতর ও
    পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।

    পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীবাড়ী
    উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ফারজানা ববি মিতু ,টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাচন কমিশনের এম কে আহম্মেদ ।

  • নাগেশ্বরীর মনিরহাটে সফিকুল কর্তৃক ড্রেজারে বালু উত্তোলন

    নাগেশ্বরীর মনিরহাটে সফিকুল কর্তৃক ড্রেজারে বালু উত্তোলন

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরীর মনিরহাট বাজারের দক্ষিণে কানিবাড়ী গ্রামের সফিকুল ইসলাম প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে দাপটের সাথে দীর্ঘ দুই মাস ধরে গিড়াই নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রির মাধ্যমে ফায়দা লুটে নিচ্ছেন। এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের মনিরহাট বাজারের দক্ষিণে কানিবাড়ী গ্রামের হাজী আব্দুল গফুর এর পুত্র সফিকুল ইসলাম প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে দাপটের সাথে দীর্ঘ দুই মাস থেকে মনিরহাট বাজারের দক্ষিণে কানিবাড়ী গ্রাম ও তার বাড়ীর পার্শ্বে গিড়াই নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রির মাধ্যমে ফায়দা লুটে নিচ্ছে। কৃষি জমি থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে পাশ্ববর্তী মানুষের ফসলি জমি ক্ষেত অনেকটা হুমকির মুখে রয়েছে। ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলকারীর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

    স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করে জানান, আমাদের ফসলী জমির পার্শ্বে দীর্ঘ দুই মাস থেকে সফিকুল ইসলাম ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করেন। এতে ফসলী জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    বালু ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম সংবাদ সংগ্রহকালে মিডিয়া কর্মীদের বাধাঁ প্রদানসহ হুমকি প্রদান করে বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করি বিষয়টি নাগেশ্বরী এসিল্যান্ড দেখবে। সফিকুল ইসলাম আবার ক্ষমতাসীন দলের নেতার পরিচয় দেন।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে অবশ্যই তদন্ত করা হবে। সরকারী বিধি নির্দেশনা অমান্য করে যদি কেউ ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, কুড়িগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসন যৌথ উদ্যোগে মোবাইল কোর্টসহ বহুমাত্রিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এ ব্যাপারে আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করি।

  • সুজানগরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

    সুজানগরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী স্টলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ১ম,২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী খামারীদের পুরস্কার হিসেবে নগদ অর্থের চেক ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ এর সভাপতিত্বে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, জেলা ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডাঃ সেলিম হোসেন শেখ ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। স্বাগত বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ আবু রেজা তালুকদার। প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প(এলডিডিপি) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এর সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বাস্তবায়নে সুজানগর পৌর গবাদি পশুর হাট মাঠ চত্বরে প্রাণিসম্পদ সেবা উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এ প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সরদার, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই,সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে একযোগে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হচ্ছে উপজেলার খামারীদের প্রাণিসম্পদ প্রতিপালনে উদ্বুদ্ধকরণসহ আধুনিক কলাকৌশল বিষয়গুলো জানানো। এছাড়া খামারিদের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ প্রতিপালন করে আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ আমিষের যোগান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ আবু রেজা তালুকদার জানান,প্রদর্শনীতে ৩৫টির অধিক স্টলে উন্নত জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, মুরগী,কবুতরসহ বিভিন্ন পশুপাখি প্রদর্শন করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • তেঁতুলিয়ায় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলায় দায়সারা আয়োজনে খামারিদের দুর্ভোগ

    তেঁতুলিয়ায় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলায় দায়সারা আয়োজনে খামারিদের দুর্ভোগ

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলায় দায়সারা আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইউনুস আলীর বিরুদ্ধে। প্রদর্শনীতে পশু নিয়ে এসে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে বলে অভিযোগ খামারিদের। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত মাত্র এক মুঠো ঘাস আর এক কেজি ভুসি খাইয়ে পশুদের রাখতে বাধ্য হয়েছেন তারা। কেউ কেউ বাজার থেকে অতিরিক্ত খাবার কিনে এনে পশুকে খেতে দিয়েছেন।

    এমনকি তাদের ভাগ্যেও মেলেনি মানসম্মত খাবার। খিদেয় কষ্ট পেয়েছে পশুরা। দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে খামারিদেরও। দিন শেষে তাদের ভাগ্যে মেলে দেড় শ থেকে সাড়ে তিন শ টাকা আর একটি করে প্লাস্টিকের বালতি বা গামলা।

    আগে এমন প্রদর্শনী শেষে খামারিদের ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা করে যাতায়াত খরচ দেওয়া হলেও এবারের এমন অনিয়মে ক্ষুব্ধ খামারিরা। এই অনুষ্ঠানের জন্য প্রতি উপজেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আড়াই লাখ টাকা।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলার আয়োজনে শুরু থেকেই ছিল অব্যবস্থাপনা। স্টলগুলোতে ফ্যানের ব্যবস্থা না থাকায় উন্নত জাতের গরুসহ পশুদের কষ্ট পোহাতে হয়।

    ৭ ঘণ্টায় সামান্য খাবার দেওয়ায় খামারিদের বাজার থেকে অতিরিক্ত খাবার কিনে এনে প্রাণীদের পেট ভরাতে হয়। ৫০টি স্টল থাকলেও অংশ নেন ৪৮ জন খামারি। আয়োজনে শুধু সদর ইউনিয়নের খামারিরাই অংশ নিয়েছেন। অন্য ইউনিয়নগুলোর খামারিরা এ বিষয়ে তেমন কিছুই জানেন না।
    বিকেলে প্রদর্শনী শেষে মহিষ খামারিদের ৩৫০ টাকা ও একটি বালতি, গরু খামারিদের ছোট-বড়ভেদে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা ও একটি বালতি, ছাগল খামারিদের ২০০ টাকা ও একটি গামলা এবং মুরগি, কবুতর ও পাখি নিয়ে আসা খামারিদের ১৫০ টাকা ও একটি করে প্লাস্টিকের ছোট গামলা দেওয়া হয়েছে।

    অথচ আগের বছরেই এমন প্রদর্শনী শেষে দেওয়া হয়েছিল ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা করে।
    মেলায় অংশ নেওয়া খামারি তারেকুল ইসলাম তমাল বলেন, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আমাদের পশুদের জন্য মাত্র ৭০ টাকার খাবার দেওয়া হয়েছে। এক আঁটি ঘাস আর এক কেজি ভুসি। অনেককে পুরস্কার পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া প্রদর্শনী শেষে প্রতি খামারিকে পশু ও প্রাণিভেদে মাত্র ১৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা দেওয়া হয়েছে। এর আগের বছর পেয়েছিলাম ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা। প্রদর্শনী মেলায় অংশ নিয়ে সব খামারিই আনন্দের বদলে দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন।

    মেলায় অংশ নেওয়া খামারি আব্দুল মোমিন বলেন, এই খাদ্য দিয়ে কি একটা প্রাণীর পেট ভরে? আমরা বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে খাওয়াতে বাধ্য হয়েছি। এ ছাড়া যে খাবার দিয়েছে, তা-ও নিম্ন মানের। খাবারের সঙ্গে পানিও দেওয়া হয়নি।

    তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইউনুস আলীর কাছে এই আয়োজনে খামারিদের জন্য বরাদ্দ কত টাকা রয়েছে তা জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের কোনো উত্তর না দিয়ে সটকে পড়েন।

    জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বাবুল হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগিতায় পঞ্চগড়ের প্রতি উপজেলায় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী করার জন্য দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভ্যাট আইটি বাদ দিয়ে তাদের ২ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে।

    এদিকে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে রাব্বি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, মেলার মূল উদ্দেশ্য হলো খামারিরা যেন গরু, মহিষসহ বিভিন্ন প্রাণীসম্পদ পালনে আগ্রহী হয়। সরকারের যে বিভিন্ন প্রণোদনা আসে এগুলো যেন তাদের অনুপ্রাণিত করতে পারি তার জন্য এই মেলা। আমরা খামারিদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনলাম আমরা চেষ্টা করব এগুলো সমাধান করার।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের পাক্ষিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় পাইকগাছার নতুন বাজারস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাহিত্য আসরে সভাপতিত্ব করেন,সংগঠনের সভাপতি লেখক ও সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান।
    সাহিত্য আসরে কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধ ও গল্প পাঠে অংশ গ্রহন করেন, ছড়াকার এ্যাড.শফিকুল ইসলাম কচি, কবি লুৎফর রহমান, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের দপ্তর সম্পাদক রোজী সিদ্দিকী, ফারজানা আক্তার ময়না, লিনজা আক্তার মিথিলা, র্তষা বিশ্বাস, গৌতম ভদ্র, পুষ্পিতা শীল জ্যতি, দিবাশিস সাধু প্রমুখ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • পাইকগাছায় বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেল কিশোরী

    পাইকগাছায় বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেল কিশোরী

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
    পাইকগাছায় স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। জানা যায়,শুক্রবার দুপুরে পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়নের ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামের আক্তার হোসেনের ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে পার্শ্ববর্তী কপিলমুনি ইউনিয়নের বারুইডাঙ্গা গ্রামের আলাউদ্দীন গাজীর ছেলের সাথে গোপনে বাল্য বিবাহের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহেরা নাজনীন তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান এবং উক্ত বাল্য বিবাহটি বন্ধ করে দেন। প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে দিবেন না মর্মে মেয়ের অভিভাবকের নিকট হতে মুচলেকা নেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপস্থিত গ্রামবাসীর সামনে বাল্য বিবাহের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেন, আনসার সদস্য সাইফুল ইসলাম, পেশকার দীপংকর প্রসাদ মল্লিক এবং কিশোর কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটর হিরন্ময় ব্যানার্জী উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে  তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে

    পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। ১৪৪৫ হেক্টর জমিতে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদিত হয়েছে। এসব তরমুজের বাজারমূল্য ৭৭ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে দাবি করছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উৎপাদিত এসব তরমুজ উচ্চমূল্যে বিক্রি করতে পেরে খুশি কৃষক। গত বছরের বৃষ্টিতে তরমুজ চাষের ক্ষতি পুষিয়ে এবার লাভবান চাষিরা। তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
    উপকূল এলাকার চারপাশে লবণপানি, বেড়ীবাধের মধ্যে মিষ্টি পানির আঁধার তৈরি করে পাইকগাছার দেলুটি,গড়ুইখালী ও চাদখালী ইউনিয়ানে তরমুজ চাষে হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এ বছর তরমুজের আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৪ শত ৪৫ হেক্টর জমিতে।হেক্টর প্রতি ফলন ৩৮ থেকে৪২ টন।মোট ফলন ৫৪ হাজার ৯১০টন।যার বাজার মূল্য ৭৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার বেশী হবে। পাইকগাছায় ১০টি ইউনিয়ন মধ্য ৩টি ইউনিয়নে তরমুজ চাষ হয়। এর মধ্যে গড়ুইখালী, দেলুটি ও চাদখালীতে তরমুজ চাষ হয়। সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে দেলুটি ইউনিয়নে।উপকূরের লবণ পানির এলাকায় গড়ুইখালী ইউনিয়নের ঘোষখালী নদী ও দেলুটি ইউনিয়নের ডিহিবুড়া খাল খননে বৃষ্টির (মিষ্টি) পানি সংরক্ষণ করে তরমুজের চাষ করা হয়েছে।
    সরেজমিনে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ তরমুজ ক্ষেত। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে তরমুজ।আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে জড়ো করে রেখেছেন বিক্রির জন্য। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাপারীরা তরমুজ কিনতে ক্ষেতে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে দরদাম করে ক্ষেতে কিনে নিচ্ছেন। এই তরমুজ ক্ষেত থেকে ট্রলি বোঝাই করে ট্রাক ও কার্গ ভর্তি করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। শ্রমিকরা ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে ট্রলিতে করে এনে ট্রাক ও কার্গ লোড করছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ক্ষেত থেকে তুলে বাজারজাত করার জন্য ব্যস্ত চাষি ও ব্যাপারীরা। বাজার দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকেরা। কেউ খেত হিসাবে তরমুজ বিক্রি করছেন আবার কেউবা পাইকারি বাজারে তরমুজ বিক্রি করছেন। এতে উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। ইতিমধ্যে ৬০ শতাংশ তরমুজ খেত বিক্রি হয়ে গেছে। ৪০ শতাংশ তরমুজ কৃষকের খেতে রয়েছে।প্রতিদিন পাইকগাছা ও পাশের আমাদি থেকে ২ থেকে ৩ শত ট্রাক তরমুজ ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাচ্ছে ব্যাবসাহীরা।
    স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বিগত বছরে তরমুজ চাষে আর্থিকভাবে লোকসান হলেও এবার লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা।তবে অনাবৃস্টির কারণে পানি দিতে অধিক টাকা খরচ হয়েছে। দেলুটি ইউনিয়নের লোচন সরকার বলেন, আমি ৫ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। আমার বিঘা প্রতি ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বিঘা তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছি। গড়ুইখালী ইউনিয়নের কানাখালী গ্রামের বিজন কুমার মণ্ডল বলেন, আমি চার বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। আমার জমিতে খরচ বাদে দেড় লাখ টাকা লাভ থাকবে বলে আশা করছি।
    এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে।তবে মিষ্টি পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় তরমুজ চাষে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এসব এলাকায় খাল খনন করে মিষ্টি পানি সংরক্ষণ করতে পারলে তরমুজের চাষ আরও বাড়ানো যেত। এখন পর্যন্ত বাজারে তরমুজের দাম সন্তোষজনক।ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ক্ষেতের ৬০ ভাগ তরমুজ বিক্রি হয়ে গেছে। এ বছর বাম্পার ফলন হওয়ায় আগামীতে তরমুজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • গোদাগাড়ীতে  হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার ২

    গোদাগাড়ীতে হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার ২

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে রুহুল আমিন হত্যা মামলার প্রধান আসামী আওয়ীমীলীগ নেতাসহ দুইজন আটক হয়েছে।

    পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের সেতারাপুর গ্রাম থেকে মামলার প্রধান আসামী ও ওয়ার্ড আওয়ীমী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজুল হক (৬২) ও গোদাগাড়ী উপজেলা সাগুয়ানঘুন্টি গ্রামের কামরুজ্জামান ছেলে মনিরুর ইসলাম (৪৫) কে আটক করে।

    ছাগলে গাছের পাতা খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংর্ঘর্ষে রুহুল আমিন নিহত হয়। ২০জন আসামী করে মামলা হয়। পুলিশ এ মামলায় ৫ জন আটক করল।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার (ওসি) আব্দুল মতিন বলেন, বাকি আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান

    নড়াইলে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান।
    নড়াইল জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় জন পুলিশ সদস্যকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার
    (১৮ এপ্রিল) পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন ১। নায়েক/৯৪ মোঃ কবির হোসেন ২। নায়েক/৩৬ মোঃ নাজমুল হক ৩। নায়েক/৯১ মোঃ রুহুল আমিন ৪। নায়েক/১৯ মোঃ ফরহাদ আলী ৫। নায়েক/৩৯ জোবায়ের হোসেন ৬। নায়েক/৪৩ সুমন কুমার সকলেই এএসআই (সশস্ত্র) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়েছেন। পুলিশ সুপার মহোদয় প্রথমেই পদোন্নতিপ্রাপ্ত সকল পুলিশ সদস্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সকলকেই পদোন্নতিপ্রাপ্ত নতুন র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় পুলিশ সুপার পদোন্নতিপ্রাপ্ত সকল সদস্যদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
    এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।