Blog

  • কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে ‌চেয়ারম‌্যান প‌দে-৪, ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩,ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩ ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন

    কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে ‌চেয়ারম‌্যান প‌দে-৪, ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩,ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে-৩ ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন

    ‌মোঃ মিজানুর রহমান, কাল‌কি‌নি থে‌কে/
    মাদারীপু‌রের কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা নির্বাচ‌নে যারা ম‌নোনয়ন পত্র যারা জমা দি‌য়ে‌ছেন তারা হ‌লেন,কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান মীর গোলাম ফারুক,
    কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সাধারণ ও সা‌বেক উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান তৌ‌ফিকুজ্জামান শা‌হিন,
    .যুক্তরাষ্ট্র সেচ্ছা‌সেবকলী‌গের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান সরদার ও
    ওআ‌মিনুল ইসলাম,

    ভাইস‌ চেয়ারম‌্যান প‌দে ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন
    কাল‌কি‌নি প্রেস‌ক্লা‌বের সভাপ‌তি মোঃ শ‌হিদুল ইসলাম সরদার,
    কাল‌কি‌নি উপ‌জেলা প্রেসক্লা‌বের সভাপ‌তি মোঃ ইকবাল হো‌সেন,
    মোঃ আসাদুজ্জামান জামাল,এবং
    ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে ম‌নোনয়ন পত্র দা‌খিল ক‌রে‌ছেন ,আ‌রিফা আক্তারব বি‌থী
    সা‌বেক ভাইস চেয়ারম‌্যান কাজী নাস‌রিন ও ক চায়না খানম।

  • বাগআঁচড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কথিত সাংবাদিককে গণধোলাই

    বাগআঁচড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কথিত সাংবাদিককে গণধোলাই

    আজিজুল ইসলাম,

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ শার্শার বাগআঁচড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে সোহাগ হোসেন নামে কতিথ এক সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয় ক্লিনিক ব্যাবসায়ীরা। পরে তাকে বাগআঁচড়া পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সোহাগ হোসেন বাগুড়ী বেলতলা গ্রামের চা বিক্রেতা আব্দুস সামাদের ছেলে। সে তার বাবার দোকানে চা বিক্রী করতে করতে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি করতো বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

    রবিবার দুপুরে যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক যশোর বার্তায় ” চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা বাগআঁচড়ায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার” শিরোনামে প্রকাশিত একটি নিউজ দেখিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে তিনি বাগআঁচড়া বাজারে ক্লিনিক মালিকদের দারা গণধোলাইয়ের শিকার হন। এ ঘটনায় শার্শা থানায় সাজু আহম্মেদ, গোলাম সারওয়ার ও কামরুজ্জামান নামে ৩ ব্যাক্তি পৃথক তিনটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগে জানাগেছে, সোহাগ হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সহ বাজারে অবস্থিত বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে মোবাইলে ছবি উঠিয়ে নিজেকে বড় মাপের সাংবাদিক পরিচয় দিতেন। এবং তিনি এভাবে চাঁদা দাবি করতেন। চাঁদা না দিলে তার ফেইসবুকে ঐ সমস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকের নামে পোষ্ট করতেন। ঘটনার দিন দুপুরে সে বাগআঁড়ায় জনসেবা ক্লিনিক ও আল-মদিনা হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে চাঁদা দাবি করে। বার বার চাঁদা দাবি করার কারনে ক্লিনিকের আসে পাশে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে গান ধোলাই দেন।

    সম্প্রতি সে বাগআঁচড়া আব্দুল্লাহ সুইটস এ চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা খায়। স্থানীয়দের সহায়তায় সে যাত্রায় কোন রকম বেঁচে যায়।এর কয়েকদিন আগে বাগআঁচড়া বাজারের বেত্রাবতী সড়কে অবস্থিত হযরতের আইসক্রীম ফ্যাক্টরীতে ঢুকে কিছু ছবি তুলে চাঁদা দাবীর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া বাগুড়ী বেলতলায় বেকারীর দোকানে ও মিলন ও তুহিনের ফার্মেসীর দোকানে এবং স্থানীয় আ.লীগ নেতা মনিরুলের কাছে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গনধোলাইয়ের শিকার হয় সোহাগ হোসেন। পরবর্তিতে তাদের করা চাঁদাবাজি মামলায় দীর্ঘদিন জেল খেটে বের হয়ে আবারও চাঁদাবাজি শুরু করে। এ ছাড়াও একধিক প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবীর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শার্শা থানায় অভিযোগ রয়েছে।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মনিরুজ্জামান জানান,আমি এখন থানার বাইরে আছি। এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

  • মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে নিরলস ভাবে হারবাল চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন মোঃ হাফিজুর রহমান

    মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে নিরলস ভাবে হারবাল চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন মোঃ হাফিজুর রহমান

    লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জঃ

    মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কামারখারা ইউনিয়নের অন্তর্গত বেশনাল চৌরাস্তা হারবাল চিকিৎসালয় যার নাম হচ্ছে মদিনা হারবাল সেন্টার।

    মোঃহাফিজুর রহমান গোল্ডষ্টার GS চিকিৎসায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সুনামের সাথে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে ।

    তার এই চিকিৎসা সেবার সুনাম টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহ বিভিন্ন মু্ন্সীগঞ্জ জেলা ছড়িয়ে পড়েছে।

    মোঃ হাফিজুর রহমান গোল্ডষ্টার আমাদের কে বলেন, আমি নিঃস্ব ভাবে জনগণের মাঝে দীর্ঘ দিন ধরে স্বাস্থ সেবা দিয়ে আসছি। আমি গরীব মানুষ বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছি ।

  • মহালছড়িতে মারমা উন্নয়ন সংসদ উদ্যোগে পানি খেলা ও নানা আয়োজনে সাংগ্রাইং অনুষ্ঠানে মঙ্গল কামনা

    মহালছড়িতে মারমা উন্নয়ন সংসদ উদ্যোগে পানি খেলা ও নানা আয়োজনে সাংগ্রাইং অনুষ্ঠানে মঙ্গল কামনা

    রিপন ওঝা, মহালছড়ি

    খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের ২৫২নং মৌজার আওতাধীন এলাকায় আজ ২০এপ্রিল-২৪ শনিবার
    জলকেলি বা জল উৎসব পালনসহ বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেষ হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব সাংগ্রাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে মঙ্গল কামনা করেন।

    উক্ত জলকেলি বা জল উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মারমা উন্নয়ন সংসদ মহালছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি হ্লাশিং মং চৌধুরী সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক কংজরী মারমা সঞ্চালনা করেন এবং থলিপাড়ার অংম্রাং ক্লাবের উদ্যোগে ও মারমা উন্নয়ন সংসদের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে।

    মারমা গানের তালে তালে নৃত্য করতে করতে পাইনুচিং চৌধুরী বলেন, আজকের সাংগ্রাইং উপলক্ষ্যে পানিখেলায় খুব ভালো লাগছে। সবাই একই কালারের পোশাক পরেছি। বান্দবীসহ সকল বয়সের তরুন ও তরুনী একসাথে এখন নাচ করছি।
    এছাড়াও পানি খেলা উৎসবে নানা বয়সের মানুষজন পানি খেলায় অংশ নিয়ে আনন্দে মেতে উঠে। মাঠে দুই সারিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একদল তরুণ- তরুণী পরস্পরের দিকে নৌকা হতে পানি ছিটান। পরে বাকি সবাইও তাতে যোগ দেন। স্প্রে, পানির বোতল কিংবা ওয়াটার গান ভেজান একে অপরকে। গ্রাম্য বিভিন্ন খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বান্দরবন, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি হতে আগত জনপ্রিয় শিল্পীসহ স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এবারের সাংগ্রাই উৎসবে নদীতে বুদ্ধ স্নান, সমবেত প্রার্থনা, পানি খেলা, পিঠা তৈরি, হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন, বয়স্কদের পূজা এবং সম্প্রদায়গুলোর নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-গানসহ বৈসাবি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২৪ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উক্ত জলকেলি বা জল উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মেজর মোঃ মেজবাহ উদ্দিন পিএসসি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে লেফটেন্যান্ট শেখ আব্দুল্লাহ মারজুক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুইনুচিং চৌধুরী, সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুইনুমং চৌধুরী, ২৫২নং মৌজার হেডম্যান কালাচান চৌধুরী, মহালছড়ি বাজার চৌধুরী মংসুইপ্রু চৌধুরী, ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী সমর চাকমা, জেএসএস (এমএন লারমা) থানা কমিটির সভাপতি নীল রঞ্জন চাকমা, খ্যাংসাপাড়া নিবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ঠিকাদার কংজরী মারমা, স্থানীয় জনতা ও গণমাধ্যম উপস্থিত ছিলেন।

    ঐতিহ্যবাহী পানি খেলার মধ্য দিয়ে শেষ হয় মারমাদের পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর এ উৎসব।

  • সেনবাগের আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় প্যারেন্টিং ও ছবক প্রদান  অনুষ্ঠিত

    সেনবাগের আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় প্যারেন্টিং ও ছবক প্রদান অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায়
    শিশু শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহনে উদ্বুদ্ধকরণ, সার্বিক পরিচর্যা , শিক্ষাগ্রহনে মনোযোগী হওয়ার নানাবিধ কলাকৌশল প্রয়োগে অভিভাবকদের ভুমিকা শীর্ষক এক প্যারেন্টিং ও ২০ জন ছাত্রকে ছবক প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। ২১ এপ্রিল রবিবার সকালে মাদ্রাসা অডিটোরিয়ামে মাদ্রাসার কো-অর্ডিনেটর মোয়াজ্জেম হোসেনের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে মোটিভেশনাল বক্তব্য পেশ করেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী কোরআান তেলওয়াত ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,সেনবাগ সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক মো: মাহমুদুল হক ফজলু, শুভপুর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম,সেনবাগ সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক মো: এয়াকুব ভুঞাঁ,সাংবাদিক ও সমাজসেবক আরিফুল ইসলাম, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম সুমনসহ অনেকেই। আলোচনা শেষে ২০ জন শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআন শরীফের ছবক প্রদান করেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
    প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলাম।পরবর্তীতে বিশেষ
    দোয়া,মুনাজাত ও তবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক -শিক্ষার্থীসহ প্রায় শতাধিক অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রাইমারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মান নিয়ে চরম বিরোধ মানববন্ধন

    প্রাইমারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মান নিয়ে চরম বিরোধ মানববন্ধন

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ৮১ বছর পূর্বে স্থাপিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মানের কাজ শুরুর পর রহস্যজনক কারণে স্থান পরিবর্তন করার ষড়যন্ত্রকে ঘিরে স্থানীয় দুইগ্রæপের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। এনিয়ে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এ নিয়ে উত্তেজিত এলাকার শত শত নারী-পুরুষ, স্কুল ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবক সদস্যরা রবিবার সকালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। ঘটনাটি জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রমজানকাঠী এলাকার। সকাল দশটা থেকে সাড়ে এগারোটার পর্যন্ত স্কুল প্রাঙ্গণে মানববন্ধন চলাকালীন সময় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দিন মনিরের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, ১৯৪৩ সালে ১নং রমজানকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত হয়। ৩০ বছর পূর্বে ১৯৯৪ সালে স্কুলর ভবন পূনঃনির্মান করা হয়েছে। শুরু থেকে অদ্যবর্ধি স্কুলটি সুনামের সাথে পরিচালিত হচ্ছে।

    বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি সময়ে স্কুলের নতুন ভবন বরাদ্দ করা হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মের্সাস মালাসি এন্টারপ্রাইজের সত্ত¡াধীকারী আশিকুর রহমান শাওন ভবন নির্মান কাজের দায়িপ্ত পান। পরবর্তীতে উপজেলা প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে ঠিকাদার ভবন নির্মানের কাজ শুরু করেন।

    ঠিকাদার আশিকুর রহমান শাওন অভিযোগ করে বলেন, ভবন নির্মানের কাজ শুরুর ১৫দিন পর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম তার (ঠিকাদার) কাছে তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার দাবিকৃত টাকা না দিলে স্কুলের ভবন নির্মান করতে দিবেন না বলেও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ঘুষের টাকা না পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম নানা অজুহাতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে উপজেলা প্রকৌশলীকে দিয়ে ভবন নির্মানের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য পত্র প্রেরণ করান।

    স্থানীয় শিক্ষানুরাগী সৈয়দ আবুল কালাম বলেন, সু-চতুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ঘুষের টাকা না পেয়ে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। যেকারণে ৮১ বছরের স্কুল ভবনটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বের উজিরপুর সীমান্তে নির্মানের জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল জজ কোর্টের সরনাপন্ন হওয়ার পর বর্তমান স্থানেই স্কুল ভবন নির্মানের রায় ঘোষণা করা হয়। এ রায়ের পর ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম নতুন করে ৮১ বছরের স্কুলটি অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসি হাইকোর্টের মাধ্যমে স্কুল অন্যত্র সরিয়ে না নেওয়ার জন্য স্থগিতাদেশ জারি করেন।

    শিক্ষানুরাগী সৈয়দ আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে অতিসম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ভবনটি অন্যত্র নির্মানের জন্য চিঠি প্রেরণ করেন। এ ঘটনার পর এলাকাবাসির মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। ফলশ্রæতিতে বর্তমান স্থানেই নতুন ভবন নির্মানের দাবিসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শত শত গ্রামবাসি একত্রিত হয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।

    এরপূর্বে ঠিকাদারের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগে ঠিকাদার উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন। ওই অভিযোগের তদন্ত করে অভিযুক্ত সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভবন নির্মানের কাজ শুরু করার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। যার অনুলিপি জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে।

    রমজাকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দিন মনির বলেন, ঠিকাদারের লিখিত অভিযোগ ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরেও স্কুলটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চিঠি প্রেরণ করেছেন। এ অবস্থায় প্রাথমিকভাবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    অভিযুক্ত উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম ঘুষ দাবির অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, সরকারি নিয়মের বাহিরে গিয়ে ভবন নির্মান না করতে ঠিকাদারকে নিষেধ করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে কি হয়েছে তা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।

    সরেজমিনে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে রমজানকাঠী গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানের ৮১ বছরের পুরনো এ স্কুল ভবনটি গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে ও বিপক্ষে দুইগ্রæপ অবস্থান করায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। এনিয়ে যেকোন সময় দুই গ্রæপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন সচেতন এলাকাবাসী।

  • পুলিশিং সেবাকে স্মার্ট করতে অতিরিক্ত ডিআইজি পংকজ চন্দ্র রায় পিপিএম মহোদয়ের কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিস পরিদর্শন

    পুলিশিং সেবাকে স্মার্ট করতে অতিরিক্ত ডিআইজি পংকজ চন্দ্র রায় পিপিএম মহোদয়ের কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিস পরিদর্শন

    এম এস সাগর, কুড়িগ্রাম:

    বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনের প্রত্যয়ে বহুমাত্রিক পন্থায় সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। যে-কোন টেকসই উন্নয়নের প্রধানতম পূর্বশর্ত টেকসই নিরাপত্তা, যাহা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে নিরন্তন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে পুলিশ।

    এরই ধারাবহিকতায় ২১এপ্রিল ২০২৪খ্রিঃ কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিস এর ১ম অর্ধ-বার্ষিক হিসাব পরিদর্শন করেন রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্) পংকজ চন্দ্র রায়, পিপিএম মহোদয়। পরিদর্শন-কালে তিনি কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, হিসাব ও বাজেট সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র, ফাইল ও নথিসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খু পর্যবেক্ষণ, পাশাপাশি পুলিশের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে অধিকতর গতিশীলতা আনয়নের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এ সময় অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয়ের সাথে সার্বক্ষণিক উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) [পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত] মোঃ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও কুড়িগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম ওহিদুন্নবী।

    পরিদর্শনান্তে পুলিশ সুপার মহোদয় অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয়ের প্রদত্ত সকল পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা যথাযথ অনুসরণ ও প্রতিপালনের জন্য প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। টেকসই নিরাপত্তা ও উন্নয়নের নির্মোহ সারথী কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ।

  • কেন্দুয়ায় বিনামূল্যে ডিম পেল এতিম শিশু-শিক্ষার্থীরা

    কেন্দুয়ায় বিনামূল্যে ডিম পেল এতিম শিশু-শিক্ষার্থীরা

    মো: হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া( নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
    ‘প্রাণি সম্পদে ভরবো দেশ,গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’
    এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ-২০২৪ আওতায় ২৫০ জন এতিম শিশু-শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ডিম খাওয়ানো হয়েছে।

    রোববার দুপুরে কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের সরাপাড়া ও কেন্দুয়া পৌরসভার ওয়াশেরপুর এতিমখানা মাদ্রাসার ২৫০জন
    শিশু-শিক্ষার্থীদের ডিম খাওয়ানো হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রাজিব হোসেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভাস্কর চন্দ্র তালুকদার ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ইউনুস রহমান প্রমুখ সহ মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দু।

    মো: হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া নেত্রকোনা থেকে।।

  • নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ৩জন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ৩জন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    আসন্ন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন রোববার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত মোট ১৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দ্বীতিয় ধাপের এ নির্বাচনে আগামী ২১ মে উপজেলার ভোটারগন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

    চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন রয়েছেন। উপজেলা নির্বাচন ও সহকারি রিটানিং অফিসার মো. মেজবা উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    উপজেলা নির্বাচন অফিসসূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নলছিটি পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা তছলিম উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিকে মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন খান সেলিম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মফিজুর রহমান শাহিন, ঝালকাঠি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য জেএম. হাতেম, মো. মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শরীফ মিজানুর রহমান লালন , মো. বদরুল আলম ও উপজেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি মো.হানিফ হাওলাদার। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছন-উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোর্শেদা বেগম, জাকিয়া খাতুন সিমা, দিলরুবা মাহমুদ, মোসা. নাছিমা আক্তার ও দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য আয়েশা আক্তার ।

    এদের মধ্যে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী দিলরুবা মাহমুদ ছাড়া অন্য সবাই আওয়ামী লীগ দলীয় নেতা-কর্মী। তবে বিএনপি, জামায়াত বা অন্য কোনো দলের কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

  • স্বপ্নময় সুন্দরগঞ্জ গড়তে ওসি মাহবুবের নানাবিধ প্রচেষ্টা

    স্বপ্নময় সুন্দরগঞ্জ গড়তে ওসি মাহবুবের নানাবিধ প্রচেষ্টা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম স্বপ্ন ও সম্ভাবনাময় সুন্দরগঞ্জ গড়ে তোলার মানসে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

    খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানা হতে বদলি হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় নতুন কর্মস্থল হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এসেই অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। এতে রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন মহলে বেশ ভূয়সী প্রশংসার পাত্র বনে যান ওসি মাহবুব। সে ত ছিল মাত্র শুরু। তিনি আসা মাত্র মাসখানেকের ব্যবধানেই থানার অবকাঠামোগত পরিবর্তনসহ প্রত্যেকটি বিষয়ে আমূল-পরিবর্তন ঘটে। পাল্টে যায় থানার ভিতর-বাহিরের অবয়ব ও আকার-আকৃতি। ওসি মাহবুব আলম বেশ সৌখিন ও রুচিশীল, মননশীল, সুন্দর এবং উদার মনের মানুষ। তিনি তাঁর চারপাশে মোটামুটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি রাখতে ও থাকতে খুব ভালবাসেন। পাশাপাশি অতিথি পরায়ণতায়ও তাঁর কোন জুরি নাই। তিনি নিজ উদ্যোগে নিজ অর্থায়নে করেছেন অনেক জনহিতকর কার্যাবলী। সেই সাথে তার কারণে প্রশাসনের চেইন অফ কমান্ড ফিরে পায় তার কাজের প্রকৃত গতি। শুরু হয় সুন্দরগঞ্জের অলিগলিতে ঘাপটি মেরে থাকা কীট পতঙ্গের মত অপরাধীদের পতন লীলা। তিনি পুলিশ সুপার মোঃ কামাল হোসেনের দিকনির্দেশনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন উপজেলার আনাচেকানাচে থাকা, মাদক কারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবি, গাঁজা ও মাদক চোরাচালান, বিভিন্ন ভাবে খেলা জুয়াচুরি, জুয়ারি, বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি, ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি, নিয়মিত মামলার আসামি, ছিনতাইকারী, কালোবাজারি, রাস্তাঘাটে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অপরাধীসহ যে কোন রাষ্ট্র বা আইনবিরোধী কাজে লিপ্তকারীদের যেন যমদূত হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন। বিশেষ করে তিনি উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের মরণব্যাধি মদ, গাঁজা ও জুয়া থেকে বিরত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া শিক্ষানুরাগি ও জনবান্ধব এই থানা অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম স্কুল, কলেজেসহ যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে বা পিছনে, রাস্তাঘাটে কোন প্রকার বখাটে ছেলে দেখলেই গ্রেফতার করেন। যাতে করে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন। অপরদিকে তিনি স্থানীয় পার্কগুলোতে কোন প্রকার ছেলেমেয়েদের অবৈধ ভাবে ঘোরাফেরা ও আড্ডা দিতে নিষেধ করে নির্দেশনা দিয়েছেন। এরইমধ্যে এই দূর্দশী দক্ষ, বিজ্ঞ-বিচক্ষণ পুলিশ অফিসার তাঁর কর্মদক্ষতার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পুলিশ পদক লাভ করেন স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট থেকে। অন্যদিকে তিনি যে কোনো সমস্যা নিয়ে জনসাধারণকে সরাসরি থানায় আসার জন্য বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছেন। সাধারণ মানুষকে যে কোন ধরনের হয়রানি করাকে তিনি কখনও বরদাস্ত করেন না। ইতোমধ্যে সুন্দরগঞ্জের জনমনে তাঁর বেশ সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে মনে করেন একজন ওসিকে এরকমই নিষ্ঠাবান, দায়িত্ববান, কর্মঠ ও আন্তরিক হতে হয়। তবেই সাধারণ জনগণ সুখে শান্তিতে বসবাস ও চলাফেরা করতে পারে। সবমিলে ওসি মোঃ মাহবুব আলম সুন্দরগঞ্জবাসীর মনে অনেকটাই আসন করে নিয়েছেন। তিনি গাঁজা, মাদক ও জুয়ারিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করায় অনেক অভিভাবক তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছেন। এজন্য বিভিন্ন মহল তাঁর নিকট দাবি ও প্রত্যাশা করেন তিনি আরও বেশি আন্তরিকতার সহিত দায়িত্ব পালন করার মধ্য দিয়ে সুন্দরগঞ্জবাসীর পাশে থাকবেন। জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় এই মানবিক পুলিশ অফিসারের গ্রামের বাড়ি বলে জানা গেছে।