Blog

  • ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচি পা-লিত

    ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচি পা-লিত

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    মিডিয়াকর্মী স্বর্ণময়ীর মৃত্যু রহস্যের সঠিকভাবে উদঘাটন ও প্ররোচনাকারীদের শাস্তির দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেন ঝিনাইদহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। নুরুন্নাহার মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সুষেন্দু কুমার ভৌমিকের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা গণশিল্পির সভাপতি আব্দুস সালাম,রেল আব্দুল্লাহসহসাংস্কৃতিক অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন , এটি আত্মহত্যা নয়, এটি একটি হত্যা। তিনি কখনই স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করতে পারেন না। কারণ স্বর্ণময়ী একজন প্রগতিশীল নারী ছিলেন। এই আত্মহত্যার কারণ হিসেবে উঠে আসে একই হাউজের একই জেলার সিনিয়র পুরুষ সহকর্মী আলতাফ শাহনেওয়াজ নয়নের যৌন হয়রানির কথা। স্বর্ণময়ী ঝিনাইদহ শহরের আদর্শপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ভক্তি গোপাল বিশ্বাসের মেয়ে। আর আলতাফ শাহনেওয়াজ নয়ন শহরের হামদহ এলাকার লিয়াকত হোসেনে ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি একই ইউনিয়নে। উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর ঢাকা স্ট্রিম হাউজের মিডিয়া কর্মী স্বর্ণময়ী শেরেবাংলা নগরের নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইহ।

  • র‌্যাব-১২ এবং র‌্যাব-১১ এর যৌথ অভিযানে  কিশোরী ধ-র্ষণ মামলার প্রধান আ-সামী গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২ এবং র‌্যাব-১১ এর যৌথ অভিযানে কিশোরী ধ-র্ষণ মামলার প্রধান আ-সামী গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এবং র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর যৌথ অভিযানে বহুল আলোচিত সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানাধীন রেস্টুরেন্টে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়াড়ী, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি এবং অপহরণ সহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব সফলতার সাথে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    ১। উল্লিখিত মামলার এজাহারের বর্ণনা মতে, ভিকটিম মোছাঃ খাদিজা আক্তার (১৪) সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানাধীন কর্ণসুতী দাখিল মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত ৭ম শ্রেণীর একজন ছাত্রী। গত ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় ভিকটিম মোছাঃ খাদিজা আক্তার (১৪) কর্ণসুতী দাখিল মাদ্রাসায় যায়। একই তারিখ বিকাল ১৬.০০ ঘটিকায় মাদ্রাসা ছুটি হলেও ভিকটিম মোছাঃ খাদিজা আক্তার (১৪) বাড়িতে ফিরে না আসলে তার পরিবার কর্নসুতী দাখিল মাদ্রাসা সহ আত্মীয়-স্বজনের বাড়ী ও আশেপাশে খোঁজাখুজি করতে থাকেন। খোঁজাখুজি করার সময় একই তারিখ বিকেল ১৭.৪৫ ঘটিকায় অজ্ঞাত একজন ব্যক্তি ভিকটিমের পরিবারকে ফোন দিয়ে জানান যে, খাদিজা নামে একটি মেয়ে সিরাজগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিকে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। উক্ত সংবাদ পেয়ে ভিকটিমের পরিবার সন্ধ্যা ১৯.০০ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিকে পৌছে ভিকটিম মোছাঃ খাদিজা আক্তার (১৪) এর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখতে পেয়ে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় এম.মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করেন। ইং ২০/১০/২০২৫ তারিখ রাত্রী ০০.৩০ ঘটিকায় ভিকটিম মোছাঃ খাদিজা আক্তার (১৪) এর জ্ঞান ফিরলে সে জানায় যে, ইং ১৯/১০/২০২৫ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০.৩০ ঘটিকার সময় মাদ্রাসা হতে কলম কেনার জন্য সে কামারখন্দ থানাধীন কর্নসুতী গ্রামস্থ তালুকদারবাড়ী পারিবারিক কবরস্থানের পার্শ্বে পাঁকা রাস্তা দিয়ে দোকানের দিকে যাওয়ার সময় সিএনজি নিয়ে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামীগণ ভিকটিমের সামনে এসে দাঁড়ায় এবং মুখ চেপে ধরে জোর পূর্বক তাকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে দ্রæত গতিতে জামতৈল রেলগেটের দিকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে একই তারিখ সকাল আনুমানিক ১১.০০ ঘটিকার সময় কামারখন্দ থানাধীন উপজেলা সেন্ট্রাল পার্কের দক্ষিণ পার্শ্বে ডেরা ফাস্ট ফুড এ্যান্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এর ভিতরে নিয়ে রেস্টুরেন্টের পূর্ব সাইডে ডান পার্শ্বের কেবিনে বসার লম্বা সোফার উপর শোয়াইয়া মুখ চেপে ধরে মূল আসামী মোঃ নাইম হোসেন ভিকটিম মোছাঃ খাদিজা আক্তার (১৪) কে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। ঐ সময় তার সহযোগী অন্যান্য আসামীগণ রেস্টুরেন্টের ভিতরের গেটে পাহারা দেয় এবং ভিকটিম মোছাঃ খাদিজা আক্তারের কান্নাকাটি বাহির থেকে কেউ যেন শুনতে না পারে সে জন্য জোরে জোরে উচ্চস্বরে ডেকসেটে গান বাজায়। প্রধান আসামী মোঃ নাইম হোসেন এর দ্বারা ধর্ষণের ফলে ভিকটিমের যৌনাঙ্গ দিয়ে রক্তপাত হতে থাকে। রক্তপাত দেখে ভিকটিম রেস্টুরেন্ট এর ভিতরেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ভিকটিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রধান আসামী নাইম অন্যান্য সহযোগী আসামীদের সহায়তায় তাকে সিরাজগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিকে ভর্তি করে রেখে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করে যার মামলা নং-০৯, তারিখ- ২০/১০/২৫ খ্রি., ধারা- ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী-০৩) এর ৭/৩০/৯(১)। উক্ত ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রধান আসামী মোঃ নাইম হোসেন পলাতক ছিলেন।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিঃ, ভোর ০৪.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি এবং র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি চৌকস যৌথ আভিযানিক দল ‘‘কুমিল্লা জেলার তিতাস থানাধীন জিয়ারকান্দি এলাকায়’’ অভিযান পরিচালনা করে অত্র মামলার প্রধান আসামী অভিযুক্ত মোঃ নাইম হোসেন (২০), পিতা- মোঃ রহমত আলী, সাং- চর কামারখন্দ থানা- কামারখন্দ, জেলা- সিরাজগঞ্জ ‘কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ নাইম হোসেন (২০), পিতা- মোঃ রহমত আলী, সাং- চর কামারখন্দ থানা- কামারখন্দ, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

  • হালিশহর মুন্সীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ,কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৫

    হালিশহর মুন্সীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ,কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৫

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে উচ্ছ্বাসমুখর আয়োজন চট্টগ্রামের হালিশহর মুন্সীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর ২০২৫) অনুষ্ঠিত হয়েছে বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত আয়োজন— বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ, রঙিন সাজসজ্জা আর শিক্ষার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত এক দিন। উপস্থিত অতিথি ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই আয়োজন পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি)-এর সম্মানিত পরিচালক জনাব মোহাম্মদ শফিউল আলম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন—

    “একটি আদর্শ সমাজ গঠনের ভিত্তি হলো শিক্ষা, আর সেই শিক্ষার পরিপূর্ণ রূপ ঘটে সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার চর্চায়। বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের জন্য প্রস্তুত করে—এই চেতনা থেকেই আমাদের অগ্রযাত্রা।”

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব জাফর ইকবাল স্বাগত বক্তব্যে বলেন—“আমাদের বিদ্যালয় শুধু পাঠ্যপুস্তকনির্ভর শিক্ষা নয়, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক চেতনা বিকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছে।”

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক জনাব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি বলেন—“আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তারা যেন সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে বেড়ে ওঠে—এ জন্য এমন আয়োজন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

    প্রধান বক্তা ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি লায়নএম.এইচ.শাহ বেলাল। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন—“পাঠ্যবইয়ের বাইরে যাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত হয়, তারাই প্রকৃত অর্থে নেতৃত্ব দিতে পারে। ক্রীড়া ও সংস্কৃতি হচ্ছে সেই নেতৃত্বের অনুশীলন।”

    বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মোহাম্মদ মনজুর আলম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মনোতোষ চন্দ্র দাশ, সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, খাস্তগীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক শাহনাজ বেগম, এনআরবি ব্যাংকের হেড অব আইসিসিডি মোহাম্মদ কায়সার, কর পরিদর্শক এস.এম. নুরুল্লাহ জাহেদ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক রাশেদা বেগম, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন রাজু, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল্লাহ আল রিফাত আদনান (শাওন), ডা. ফাহমিদা মনসুর, প্রকৌশলী রকি মল্লিক, এডভোকেট মোহাম্মদ মোরশেদ, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল নোমান মজুমদার, ডা. ফোরকানুর রহমান আজাদ, ডা. ফারজানা জামাল ও ডা. নুরুল আফসার আশিক প্রমুখ।

    অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, হালিশহর মুন্সীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেবল একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতীক নয়, এটি চট্টগ্রামের শিক্ষা-সংস্কৃতি অঙ্গনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁরা বলেন— “শিক্ষার্থীদে আত্মবিশ্বাস, সৌন্দর্যবোধ ও নেতৃত্বগুণ গড়ে তুলতে এই বিদ্যালয় ইতোমধ্যে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”

    দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষার্থীরা দৌড়, লং জাম্প, চেয়ার দৌড়, বস্তা দৌড়, ফল ধরো খেলা সহ নানা ইভেন্টে অংশ নেয়। বিকেলে সাংস্কৃতিক পর্বে শিক্ষার্থীদের গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশনায় মুগ্ধ হন অতিথি ও অভিভাবকরা। করতালি আর উল্লাসে বারবার মুখরিত হয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

    অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রধান শিক্ষক জনাব জাফর ইকবাল, অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারী, স্কাউট ও গার্লস গাইড সদস্যবৃন্দ। সমাপনী পর্বে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং শিক্ষার্থীদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, অধ্যবসায় ও দেশপ্রেমের চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

    উৎসব শেষে বিদ্যালয় মাঠজুড়ে একটাই প্রতিধ্বনি—“শিক্ষার আলো, সংস্কৃতির সৌন্দর্য আর ক্রীড়ার চেতনায় এগিয়ে যাক মুন্সীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়।”

  • টঙ্গির নি-খোঁজ ইমামকে পঞ্চগড়ে শি-কলবন্দী অবস্থায় উ-দ্ধার

    টঙ্গির নি-খোঁজ ইমামকে পঞ্চগড়ে শি-কলবন্দী অবস্থায় উ-দ্ধার

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    গাজীপুরের টঙ্গীর মরকুন বিটিসিএল টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ ক্বারি মুফতি মহিবুল্লাহ (৬০) মিয়াজীকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পঞ্চগড় সদর উপজেলার হেলিবোর্ড এলাকা থেকে শিকলে হাত বাঁধা ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে স্থানীয়রা তাকে দেখতে পেয়ে জাতীয় জরুরিসেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাওলানা মহিবুল্লাহকে একটি গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় ফেলে রাখা হয়।

    জানা যায়, মুফতি মহিবুল্লাহ জুমার খুৎবায় সামাজিক অবক্ষয়, পারিবারিক মূল্যবোধ ও উগ্রপন্থি সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর থেকে ১২ বার চিঠি দিয়ে তাকে হুমকি দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২১ অক্টোবরও তাকে হুমকি দেওয়া হয়। এর পরদিন ২২ অক্টোবর (বুধবার) তিনি নিখোঁজ হন।

    মুফতি মহিবুল্লাহ বলেন, গতকাল সকাল ৭টার দিকে হাঁটতে বের হলে পাঁচজন লোক একটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে এসে আমাকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর মাথায় আঘাত করে অচেতন করে ফেলে। আমাকে উলঙ্গ করে অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং গালিগালাজ করে। তারা শুদ্ধ বাংলায় কথা বলছিল, মনে হয় না তারা বাংলাদেশের নাগরিক।

  • সাভারের পৌরসভা ও আশুলিয়া নিয়ে গঠিত হতে যাচ্ছে “সাভার সিটি করপোরেশন”

    সাভারের পৌরসভা ও আশুলিয়া নিয়ে গঠিত হতে যাচ্ছে “সাভার সিটি করপোরেশন”

    হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকার মধ্যে “সাভার পৌরসভা ও আশুলিয়া মিলিয়ে ‘সাভার সিটি করপোরেশন’ হতে যাচ্ছে এবং কেরানীগঞ্জকে পৌরসভা বা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের পর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা।

    গত (১২ অক্টোবর ২০২৫ইং) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

    সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সাভার পৌরসভা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোর কার্যক্রম বিলুপ্ত হয়ে যাবে। বিভাগীয় কমিশনারের পাঠানো চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন শুরু করে।

    প্রধান উপদেষ্টার কাছে উত্থাপিত ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অপরিকল্পিতভাবে শিল্পকারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র ও জনসংখ্যার চাপ মিলিয়ে সাভার এখন এক বিশাল নগর এলাকায় পরিণত হয়েছে। সাভার পৌরসভা থাকলেও তা নাগরিক চাহিদার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। পৌরসভার সীমিত সম্পদ ও জনবল দিয়ে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার নাগরিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

    সাভারের আশুলিয়া অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক গার্মেন্টস শিল্প, শ্রমিকবসতি এবং আবাসিক এলাকা গড়ে উঠেছে। আশুলিয়া এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে পরিকল্পিত নগরায়ণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সুবিধা, নিরাপদ পানি সরবরাহ কিংবা পরিবেশ সংরক্ষণের মতো নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার সক্ষমতাও নেই। ফলে আশুলিয়া এলাকার জনগণ যানজট, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ও অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

    অন্যদিকে, ঢাকা শহরের প্রসার ও জনসংখ্যার চাপে কেরানীগঞ্জ উপজেলা অপরিকল্পিতভাবে দ্রুত নগরায়ণের মুখোমুখি হচ্ছে। পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের মতো প্রতিষ্ঠান না থাকায় সড়ক, ড্রেনেজ, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক নাগরিক সেবা প্রদান করা যাচ্ছে না। কেরানীগঞ্জে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হলে রাজধানীর পাশে একটি আধুনিক ও প্রাণবন্ত উপশহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    এমতাবস্থায়, সাভার পৌরসভা ও আশুলিয়া মিলিয়ে ‘সাভার সিটি করপোরেশন’ গঠন এবং কেরানীগঞ্জকে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা বা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করার প্রস্তাব পেশ করা হয়।

    পরে প্রস্তাবটি প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক অনুমোদনের পর প্রস্তাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করতে বলা হয়।

    ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত যুগান্তকারী। এর ফলে উন্নয়নবঞ্চিত ও অবহেলিত এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা কিছুটা হলেও পূরণ হবে এবং প্রাপ্য নাগরিক সুবিধা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা যাবে বলে তিনি জানান।

  • আলো মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আহমেদ হোসাইন ছানু  আজ এক সপ্তাহের সফরে খুলনায় আসছেন

    আলো মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আহমেদ হোসাইন ছানু আজ এক সপ্তাহের সফরে খুলনায় আসছেন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি:

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগত প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমের ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে আলো মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংগঠক আহমেদ হোসাইন ছানু আজ এক সপ্তাহের সফরে খুলনায় আসছেন। তিনি খুলনায় সাংবাদিক, গণমাধ্যম কর্মী ও সহযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করবেন এবং সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণে দিকনির্দেশনা দেবেন।
    সফরের লক্ষ্য ও গুরুত্ব
    আহমেদ হোসাইন ছানুর এ সফর মূলত একটি “আলো ছড়ানোর অভিযান” খুলনায় মিডিয়ার ভিত্তি মজবুত করা, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা বাড়ানো, এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য। আলো মিডিয়া গ্রুপ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দায়বদ্ধ ও মানবকেন্দ্রিক সাংবাদিকতা প্রচারে কাজ করছে। এই সফর সেই ধারাকে আরও গতিশীল করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
    সফরের প্রধান কার্যসূচি
    প্রথম দিন: খুলনায় আগমন, সাংবাদিক ও মিডিয়া সহকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা সভা।
    দ্বিতীয় দিন: খুলনা শহর ও সদর এলাকার মিডিয়া অফিস পরিদর্শন, কবি সাহিত্যিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে সংলাপ।
    তৃতীয় দিন: সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়।
    চতুর্থ দিন: বাগেরহাটে ষাট গম্বুজ মসজিদ ও খাজা খান জাহান আলী মাজার পরিদর্শন, স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা।
    পঞ্চম দিন: গণমাধ্যম সচেতনতামূলক সেমিনার ও সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
    ষষ্ঠ দিন: আলো মিডিয়া গ্রুপ খুলনা শাখার অফিস সভা, সংগঠনের কার্যক্রম মূল্যায়ন ও নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা।
    সপ্তম দিন: সংবাদ সম্মেলন, সফরের সারসংক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ।
    সফরের প্রত্যাশিত ফলাফল
    ১. খুলনায় আলো মিডিয়ার উপস্থিতি ও কার্যক্রম দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি পাবে।
    ২. সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সক্ষমতা উন্নত হবে।
    ৩. স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরিবেশ সংবাদে নতুন মাত্রা পাবে।
    ৪. সাধারণ জনগণের সঙ্গে মিডিয়ার সংযোগ ও সচেতনতা বাড়বে।
    ৫. স্থানীয় সংগঠন ও স্পন্সরদের সঙ্গে সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    চ্যালেঞ্জ ও প্রস্তুতি
    আবহাওয়া ও পরিবহন সমস্যা, স্থানীয় অংশগ্রহণের বৈচিত্র্য এবং সময়সূচি রক্ষা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আলো মিডিয়া গ্রুপ আগেই বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে।
    সংস্কৃতি, ইতিহাস ও মানুষের গল্প
    সফরের একটি বিশেষ দিক হবে খুলনা ও বাগেরহাটের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোকে সংবাদ কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করা। সুন্দরবন, ষাট গম্বুজ মসজিদ, খাজা খান জাহান আলী মাজারসহ স্থানীয় জীবনধারা ও পরিবেশ-সংক্রান্ত বিষয়গুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

    সমাপনী ঘোষণা
    সফর শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আহমেদ হোসাইন ছানু খুলনায় আলো মিডিয়া গ্রুপ এর একটি উপ-শাখা অফিস স্থাপনের ঘোষণা দেবেন, যেখানে স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও স্টুডিও কার্যক্রম চালু করা হবে।তিনি বলেন, “এই সফর শুধু খবরের যাত্রা নয় এটি মানুষের জীবনের গল্প জানার, সমাজের পরিবর্তনের পথে আলোর ছোঁয়া ছড়ানোর একটি অধ্যায়।”

  • নারী অধিকার বিষয়ে স-চেতনতা সৃষ্টি করতে সুশীল সমাজের প্রতি সমাজসেবা কর্মকর্তার আহ্বান

    নারী অধিকার বিষয়ে স-চেতনতা সৃষ্টি করতে সুশীল সমাজের প্রতি সমাজসেবা কর্মকর্তার আহ্বান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাকসুদা খাতুন বলেছেন, সামাজিক নিষেধের প্রাচীর ভেঙ্গে নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায় থেকে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে সরকারের প্রচেষ্টায় দেশের সুশীল সমাজের সহযোগিতা প্রয়োজন। এসময় তিনি সরকারের পাশাপাশি প্রতিটি বৃত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

    বুধবার (২২অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামে নাগরিকতা সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ট (সিইএফ) পারায়ন অন্তর্ভুক্তিকরণ প্রকল্প এর আওতায় আয়োজিত নারীর অধিকার নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠানে স্থানীয় নারীদের সাথে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন।

    সমাজসেবা অফিসার বলেন, বাংলাদেশ সরকার নারী-পুরুষের সমান সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি নারীর রাজনৈতিক সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এবং নারীর আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা দেশের উন্নয়নের মূলধারায় নারীদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিভিন্ন সময় উপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছি কারণ জনসংখ্যার অর্ধেককে পিছনে ফেলে রেখে টেকসই উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব নয়।”

    এর আগে তিনি স্থানীয় অসহায় হাছু মিয়া জেলের খোজ খবর নেন এবং আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মহিলা ও মা বোনদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শুনেন। এভাবেই তিনি প্রতিনিয়ত জনগণের কাজে তাদের কল্যাণে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিটি প্রকল্পকে পৌছে দিতে অসহায় মানুষের কাছে ছুটে চলছেন। এমন মানবিক সমাজসবা অফিসার সদর উপজেলায় থাকায় সরকারি সেবা সঠিকভাবে জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়ায় সদর উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

  • বেগমগঞ্জে ৯৪ পিস বোত-ল বিদেশি মদসহ ডিবির হাতে গ্রে-ফতার ১

    বেগমগঞ্জে ৯৪ পিস বোত-ল বিদেশি মদসহ ডিবির হাতে গ্রে-ফতার ১

    রফিকুল ইসলাম সুমন;
    নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:-

    জেলা গোয়েন্দা শাখা, নোয়াখালী কর্তৃক বেগমগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ৯৪ (চুরানব্বই) বোতল বিদেশী মদসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে।
    গ্রেফতারকৃত আসামীর নামঃ- ১। মোঃ ইয়াছিন আরাফাত(২২), পিতা-মৃত জসিম উদ্দিন, মাতা-শাহিনুর আক্তার রেখা, সাং-পৌর হাজীপুর (মহাজন বাড়ী) ০৯নং পৌর ওয়ার্ড, চৌমুহনী পৌরসভা, থানা-বেগমগঞ্জ, জেলা-নোয়াখালী।

    জেলা গোয়েন্দা শাখা, নোয়াখালীর সদস্যগণ অদ্য ২২/১০/২০২৫ইং তারিখ ১৩.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সূত্রে জানিতে পারেন যে, বেগমগঞ্জ মডেল থানাধীন চৌমুহনী পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ডের পৌর হাজীপুর সাকিনস্থ মহাজন বাড়িতে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করিতেছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়।অতঃপর মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আব্‌দুল্লাহ্‌
    আল ফারুক, নোয়াখালী মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায়, জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নোয়াখালীর তত্ত্বাবধানে ও জনাব মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, নোয়াখালী এর নেতৃত্বে এসআই(নিঃ) মোঃ জাকির হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সের সহায়তায় বর্ণিত ঘটনাস্থলে পৌঁছাইয়া আসামী মোঃ ইয়াছিন আরাফাত(২২) কে ধৃত করেন ও তাহার হেফাজত থেকে ০৫(পাঁচ) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করেন। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া ঘটনাস্থল থেকে আসামী মোঃ আরমান হোসেন(২৫) তাহার বসতঘরের পিছনের দরজা দিয়া পালাইয়া যায়। ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে সে তাহার বসতঘর সংলগ্ন ডোবাতে আরো মদের বোতল রক্ষিত আছে মর্মে স্বীকার করে। তখন ধৃত আসামীর দেখানো ও ডোবাতে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থা থেকে বাহির করিয়া দেওয়া মতে আরো ৮৯(ঊননব্বই) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ সর্বমোট ৯৪(চুরানব্বই) বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশী মদ জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদ্বয় পেশাদার মাদক কারবারি। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • বেগমগঞ্জে পি-স্তল গু-লি ও ইয়া-বাসহ মা-দক কারবারি গ্রে-প্তার

    বেগমগঞ্জে পি-স্তল গু-লি ও ইয়া-বাসহ মা-দক কারবারি গ্রে-প্তার

    রফিকুল ইসলাম সুমন:-
    নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক মাদক কারবারিকে ৩৬ পিস ইয়াবা, পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের নানুপুর গ্রামের শহীদ উল্লার নতুন বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    স্থানীয়রা জানায়, চিহ্নিত মাদক কারবারি ফয়েজ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবার করে আসছে। সম্প্রতি মাদক ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে তিনি অবৈধ পিস্তল ও ৪ রাউন্ড বুলেট সংগ্রহ করে। গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর র‍্যাব-১১ এর সহযোগিতায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামির নিজ বাড়ি থেকে ১টি পিস্তল, ৪ রাউন্ড বুলেট এবং ৩৬ ইয়াবাসহ ফয়েজকে গ্রেপ্তার করে।

  • প্রার্থী মাওলানা আজিজুল হকের নেতৃত্বে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ম-তবিনিময়

    প্রার্থী মাওলানা আজিজুল হকের নেতৃত্বে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ম-তবিনিময়

    আরিফুর রহমান, মাদারীপুর

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর হযরত পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা এস. এম. আজিজুল হকের নেতৃত্বে আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় কালকিনি উপজেলা ও পৌর শাখার একটি প্রতিনিধি দল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    এ সময় প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

    মাওলানা এস. এম. আজিজুল হক বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সর্বদা শান্তিপূর্ণ ও গণমানুষের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করি।”

    সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কালকিনি উপজেলা শাখার সভাপতি, সম্পাদকসহ পৌর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিনিধি দল ইউএনও-কে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে প্রশাসনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

    আরিফুর রহমান, মাদারীপুর।।।