Blog

  • লালমনিরহাটে ডিবির অভিযানে ফেন্সিডিল উদ্ধার

    লালমনিরহাটে ডিবির অভিযানে ফেন্সিডিল উদ্ধার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮০বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন। গত(২৯শে এপ্রিল)২০২৪ইং সোমবার ভোর ০৪.৪৫ ঘটিকায় লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই/ মোঃ ইসমাইল হোসেন সঙ্গীয় অফিসার এসআই/ নিজাম উদ দৌলা, এসআই/ মোঃ ফেরদৌস সরকার, এএসআই/ মোঃ শাহজালাল হোসেন ও ডিবির সঙ্গীয় ফোর্স সহ  জেলার কালিগঞ্জ থানধীন গোড়ল ইউপিস্থ জনৈক মোঃ দেলোয়ার হেসেন (৫০), পিতা-আসগার গারিয়াল, সাং-গোড়ল,০৮ নং ওয়ার্ড থানা- কালিগঞ্জ জেলা-লালমনিরহাট এর বসতবাড়ীর দক্ষিনে অবস্থিত প্রজেক্টের পুকুড়ে উত্তর দিকের পাড়ে  ছোট সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি ছোট সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের বস্তা যার প্রতিটি বস্তার ভিতর ৪০বোতল করে ৮০বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছেন ডিবি পুলিশ। জেলা ডিবি অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে চালিয়ে জেলার কালীগঞ্জ থানাধীন গোড়ল ইউনিয়ন থেকে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন ডিবি পুলিশ। 

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • তীব্র তাপদাহে শেরপুরে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করল আলোকিত শেরপুর

    তীব্র তাপদাহে শেরপুরে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করল আলোকিত শেরপুর

    নাটোর প্রতিনিধি
    তীব্র দাবদাহে যেন সারা দেশ পুড়ছে। দিনদিন তাপমাত্রার পারদ উপরের দিকে উঠছে। গরম ও অস্বস্তিতে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। প্রখর তাপে বিপর্যস্ত জনজীবন। বিশেষ করে নাভিশ্বাস উঠেছে শ্রমজীবী মানুষের। এমন অবস্থাতে “মানব সেবাই নিয়জিত আমরা” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আলোকিত শেরপুর” এর পক্ষ থেকে পিপাসার্ত শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত সুপেয় পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করেছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে শহরের স্থানীয় ধুনটমোড় এলাকায় বিতরণ করা হয়। আলোকিত শেরপুরের সাধারণ সম্পাদক ও শেরপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উদ্বোধণ করেন মোহনা টেলিভিশন ও কালের কন্ঠ এর সিংড়া উপজেলা প্রতিনিধি সিংড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোল্লা মোঃ এমরান আলী রানা। এই মহতি উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, গরম পরিস্থিতিতে আমাদের আশেপাশে অবস্থান করা শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষদেরকে ভুলে গেলে চলবে না। তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিশেষ করে সুপেয় খাবার পানি, স্যালাইন, প্রাথমিক ওষুধসহ যাবতীয় উপকরণ এসব মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আহবান জানান।
    আলোকিত শেরপুর এর সহ-সভাপতি মজিবর রহমান মজনুর পরিচালানায় বিতরণ অনুষ্ঠানে আলোকিত শেরপুর এর কোষাধ্যক্ষ আলহাজ¦ মজনু মিয়া, সদস্য ও দৈনিক দেশ বাংলা পত্রিকার শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আবুল খায়ের, জাহাঙ্গীর ইসলাম, শেরপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু জাহেরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
    সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রচণ্ড তাপদাহের কারণে জনজীবনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আলোকিত শেরপুর। এরই অংশ হিসেবে পিপাসার্ত শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে সুপেয় পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকবে।

    মোঃ এমরান আলী রানা
    নাটোর প্রতিনিধি

  • উজিরপুরে সর্বজনীন পেনশন স্কীম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে সর্বজনীন পেনশন স্কীম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সর্বজনীন পেনশন স্কীম উপজেলা পর্যায়ে সুষ্ঠু ও সফল ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম।
    এ সময় তিনি বলেন সর্বজনীন পেনশন স্কীম একটি নিরাপদ সঞ্চয় স্কীম। জমাকৃত টাকা মুনাফা সহ বৃদ্ধ বয়সে মাসে মাসে ভাতা উত্তোলন করা যুগ উপযোগ পদক্ষেপ। এ টাকা নস্ট বা খোয়া যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশের ভূখন্ড যতোদিন থাকবে টাকার নিশ্চয়তা ততোদিন থাকবে।
    ২৯ এপ্রিল সোমবার বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডর ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াদুদ সরদার, উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অপুর্ব কুমার বাইন রন্টু, সীমা রানী শীল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি ) হাসনাত জাহান খান, মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার প্রমুখ।
    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শওকত আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইসরাত জাহান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুল হাকিম সেরনিয়াবাত , অশোক কুমার হাওলাদার, শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মোঃ নজরুল ইসলাম মাঝি,উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি অসিম কুমার ঘরামী, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান মাসুম।
    অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব,পৌর সচিব, উপজেলা পরিষদের সকল কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    এসময় বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সরকারি, বেসরকারি, প্রবাসী, মধ্যবিত্ত, নিন্ন মধ্যবিত্ত, কৃষক,শ্রমিক, জেলে, তাতী, কামার, কুমার, সকল শ্রেনী পেশার মানুষ বৃদ্ধ বয়সে এবং পরিবারের ক্লান্তি লগ্নে সার্বজনীন পেনশন স্কীমের সুবিধা ভোগ করতে পারে একটি নির্ধারিত সঞ্চয়ের মাধ্যমে নিজে ও পরিবারকে প্রতিষ্ঠিত করার একটি প্রকল্প।এটি একটি আর্থসামাজিক প্রকল্প। প্রবাসীদের জন্য প্রেরিত চাদার ২.৫ শতাংশ প্রনদনা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটি আয়কর মুক্ত। এই স্কিমের আওতায় ১৮ বছর হইতে ৫০ বছর পর্যন্ত সকল নাগরিক জাতীয় পরিচয় পত্রের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট মুল্যমানের চাদা দাতা হিসেবে সার্বজনীন পেনশন স্কীমে আংশগ্রহন করতে পারবে। পরে জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম উপজেলায় একটি হেল্প ডেস্কের উদ্ভোধন করেন।

  • হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মঞ্জুর রহমানের  ইন্তেকাল

    হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মঞ্জুর রহমানের ইন্তেকাল

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের
    অফিস সহকারি আলহাজ্ব মুঞ্জুর রহমান আজ সোমবার ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের সময় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তিকাল করেছেন, ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন) মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্নীয়স্বজন রেখে গেছেন।

    আজ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের সময় হুজরাপুর গোরস্থানে মরহুমের নামাজের জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি এমএন রিদওয়ান ফিরদৌস, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হায়দার আলীসহ সমিতির সদস্যগন গভীরভাবে শোকাহত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপনসহ মরহুমের আত্মার অনাবিল শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেছেন। হে পরম করুনাময় আল্লাহতায়ালা আপনি তাকে বেহেস্তের সর্বোত্তম স্থান জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আরও শোক প্রকাশ করেছেন গোগ্রাম আর্দশ বহুমূখি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসদার হোসেন, গুনিগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, রাজাবাড়ীহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান, প্রধান শিক্ষক, মাফরুদ্দিন, আব্দুল বারী, আসগর আলী, সাইফুল ইসলামসহ শিক্ষক, কর্মচারিগণ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষাপরিবারও গভীর ভাবে শোকাহত। মরহুমের রুহের মাগফরাত কামনা করেছেন।
    উল্লেখ্য অফিস সহকারী হিসেবে আলহাজ্ব মোঃ মুঞ্জুর রহমান প্রতিষ্ঠা কাল ১৫/০২/১৯৯৩ ইং সাল থেকে আজ অদ্যবদি পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বলে জানা গেছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • লক্ষ্মীপুরে  ছাত্রলীগ নেতা সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

    লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতা সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

    নাজিম উদ্দিন রানা:
    লক্ষ্মীপুরের ছাত্রলীগ নেতা এম সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামি (৫ নং) আনোয়ার হোসেন দুলাল ওরপে পাহাড়ি দুলালকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তার দেয়া তথ্যমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহুত একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তাজু ভূঁইয়াসহ মোট ৬জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফ্রিংয়ের আয়োজন করে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার তারেক বিন রশীদ। এর আগে খুলনার ডুমুরিয়া থানাধীন শরাপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃত দুলাল সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের মান্দারের দিঘির পাড়া এলাকার মৃত আবদুল আজিজের ছেলে।
    পুলিশ সুপার জানান,
    সে সজিব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত ৫ নম্বর আসামি দুলাল ঘটনার পর আত্মগোপন করে। পরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ এবং খুলনা জেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করে।
    দুলালকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা সে স্বীকার করে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে সোমবার (২৯ এপ্রিল) ভোররাতে তার বসতবাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।দুলালের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এ মামলার অন্য আসামিদের নামও বলেছেন। তাদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুকেও গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, গেল ১২ এপ্রিল রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পাঁচপাড়া গ্রামের যৈদের পুকুরপাড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী সজীব, সাইফুল পাটোয়ারী, মো. রাফি ও সাইফুল ইসলাম জয়ের ওপর অতর্কিত হামলা ও গুলি বর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। পরে ১৬ এপ্রিল রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এম সজিব।এঘটনায় সজিবের মা বুলি বেগম বাদি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কাজী বাবলুসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। এতে ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

  • নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি খলিল আটক

    নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি খলিল আটক

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি মো.খলিলুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে নলছিটির গোদন্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    আটক খলিল সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা গ্রামের ফারুক খানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা চলমান আছে। অভিযোগ রয়েছে সে এলাকার উঠতি যুবকদের মাদকে আসক্তি করার জন্য ফ্রিতে মাদক খাওয়াতেন।

    এলাকাবাসী আরও জানায়,সে আগেও অনেকবার পুলিশের হাতে ধরা পরেছিল কিন্তু জামিনে এসেই আবারও মাদক বিক্রি চালিয়ে যান। এলাকায় তার একাধিক সোর্স আছে যার কারণে পুলিশ আসার আগেই সে সটকে পরে।

    পুলিশ জানিয়েছে, নলছিটি থানায় কর্মরত এসআই মো. শহিদুল ইসলামসহ একাধিক পুলিশের সদস্য তাকে সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা এলাকার একটি বিলের ভিতর থেকে তাকে আটক করে। এসময় তার কাছে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৪২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

    নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ আলী জানিয়েছেন খলিলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে এর সাথে জরিত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

  • উজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের নারী কেলেঙ্কারি ফাঁস

    উজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের নারী কেলেঙ্কারি ফাঁস

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সুনিল কুমার বিশ্বাস (৬৫) এর নোংরামি ও নারী কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছে। একটি কলেজ পড়ুয়া যুবতী মেয়েকে দীর্ঘ ১০ বছর লোক চক্ষুর অন্তরালে রেখে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রেমের অভিনয় করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে অবশেষে বিবাহ করতে বাধ্য হয়। নির্যাতিত অসহায় ঐ যুবতী (লতা ছদ্মনাম) জানান , তার বাড়ি জামবড়ি গ্রামে , আর অভিযুক্ত সুনিল কুমার বিশ্বাসের বাড়ি পাশের গ্রাম হারতায়। তিনি ( সুনিল কুমার বিশ্বাস ) ২০১২ সালে লতা কলেজে পড়াশোনা করার সুবাদে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে দৈহিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করে। এক পর্যায়ে ২০১৪ সালে রেজিস্ট্রির মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ২০১৫ সালে বরিশালে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ২০১৭ সালে তার গর্ভে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে তার বয়স ৭ বছর। এদিকে দ্বিতীয় সন্তান গর্ভে আসায় তিনি যেন কোন কুল কিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না। তাকে বার বার অনুরোধ করা সত্যেও প্রকাশ্যে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে নারাজ সুনিল। কেননা তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা রয়েছে এবং সমাজে ছোট হওয়ার ভয়তে। এ নিয়ে প্রায়ই চলতো স্বামী- স্ত্রীর দন্দ। শত প্রতিকুলতার মাঝেও (লতা )তার পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে বর্তমানে আইন বিভাগের পড়াশোনা শেষ করেন। এদিকে প্রায়ই ঘড় ভাড়া ও পরিবারের খরচা-খরচ নিয়ে চলতো ঝামেলা। কোন উপায় না পেয়ে দক্ষিণ অঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারির স্বরণাপন্ন হন। এতে সুনিল কুমার বিশ্বাস আরো ক্ষিপ্ত হয়ে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দেওয়ার আবেদন করলে উভয় পক্ষের শুনানিতে তার আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। ঐ অসহায় নারী লতা, সন্তান নিয়ে গত ২২ এপ্রিল সোমবার দুপুরে হারতায় সুনিল কুমার বিশ্বাসের বাড়িতে গেলে তাকে মারধর করে ঘর থেকে টেনে হিচরে বের করে দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তিনি (লতা ছদ্মনাম) আরো জানান এ ছাড়া ও তার আরো অনেক নোংরামি প্রয়োজনে ফাঁস করে দেয়া হবে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ দিকে অভিযুক্ত সুনিল কুমার বিশ্বাস প্রথমে সাংবাদিকদের কাছে বিবাহের কথা অস্বীকার করলেও পরে বিবাহিত স্ত্রী হিসেবে তাকে তালাক দিয়েছেন বলে জানান। তবে সন্তান ডিএনএ টেস্টের প্রমাণ পেলে বউ ও সন্তানদের গ্রহন করবেন বলে জানান ঐ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুনিল বিশ্বাস। বিষয়টি নিয়ে চলছে পুরো উপজেলায় আলোচনা সমালোচনার ঝড়।

  • দেখার কেউ নেই- কুকুর-বিড়ালের সঙ্গে মমেক হাসপাতালে রোগীদের বসবাস

    দেখার কেউ নেই- কুকুর-বিড়ালের সঙ্গে মমেক হাসপাতালে রোগীদের বসবাস

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি বৃহত্তর বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬ জেলা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গার রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে আশা রোগীর চিকিৎসা সেবার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্ব দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। ময়মনসিংহের ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটিরও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। এতে ৩৩টি বিভাগ/ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ৩০০০ হতে ৩৫০০ রোগী চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে এবং বহির্বিভাগে বর্তমানে ৩০০০ হতে ৪০০০ রোগী চিকিৎসা গ্রহন করে থকেন।

    তবে হাসপাপাতালটির অবকাঠামোর উন্নড হলেও উন্নত হয়নি এর চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা। রেগীর হয়রানী,দালালের দৌরাত্ম, রোগীদের অবহেলা,রোগীর সসথে নার্স ও চিকিৎসকদের অসৌজন্যমোলক আচরণ,সরকারী ঔষধ প্রদানেও রয়েছে বিভিন্ন অভিযোগ আলোচনা-সমালোচনা । সেবার মানে উন্নয়ন ঘটেনি জেলা শহরের এই হাসপাতালে। দক্ষ চিকিৎসক স্বল্পতার অভাবে ঘরবন্দিভাবে পড়ে রয়েছে কোটি কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রাংশ।

    এতে করে চিকিৎসা সেবার মান নিয়েও রয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন। সরকারি হাসপাতালের সেবা নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। ছোট-খাট বিষয় নিয়েও দৌড়াতে হয় ঢাকা পর্যন্ত। হাসপাতালের পরিবেশ এবং অব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে হাসপাতালটি। জরুরি সেবা ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোতেই যেন স্বস্তি রোগীদের।

    হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে না স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কোন ব্যবস্থা। সামনে দু-একটা হাত ধোয়ার জন্য বেসিন বসিয়ে রাখলেও যত্নের অভাবে তা ব্যবহার অযোগ্য হয়ে গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীন ভূমিকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা রয়েছেন চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।

    অপরদিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দা এবং শয্যাগুলোতে অবাধেই ঘোরাফেরা করছে কুকুর। সিঁড়ির কোনায় কোনায় জমে আছে ময়লার স্তূপ। হাসপাতাল ভবনের ভেতরে কুকুরের অবাধ বিচরণের কারণে রোগী এবং স্বজনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীন ভূমিকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা রয়েছেন চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা জানান, সরকার যখন পুরো দেশবাসীকে সচেতন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে নানামুখী কর্মসূচি নিচ্ছে সেই মুহূর্তে হাসপাতালের ভেতরে কুকুরের অবাধ আনাগোনা কাম্য নয়। কারণ কুকুর জলাতঙ্ক রোগ বহন করে। সেই কুকুরগুলো হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে রয়েছে। রোগী ওয়ার্ডের যাতায়াতের রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে কুকুরগুলো ঘুমিয়ে রয়েছে। বিড়ালগুলো ওয়ার্ডের এপাশ থেকে ওপাশ দৌড়চ্ছে, মুখ দিচ্ছে খাবারে। হাসপাতাল ভবনের ভেতরে বিড়াল-কুকুরের অবাধ বিচরণের কারণে রোগী এবং স্বজনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

    হাসপাতালটি কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।এ ব্যাপারে বাংলাদেশ টেক্স লইয়ার্স এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এডভোকেট সাদিক হোসেন বলেন- এই যদি হাসপাতালে অবস্থা হয় কুকুর এবং মানুষ কি একসাথে বসবাস করতে পারে। এটাতো একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি। এটা নিয়ে মন্তব্য করার কোন ভাষা নেই।এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: জাকিরুল ইসলামকে ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন ইন্তাজ উদ্দীন বলেন, ‘এই তাপদাহের সময় সরকার যখন পুরো দেশবাসীকে সচেতন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে নানামুখী কর্মসূচি নিচ্ছে সেই মুহূর্তে হাসপাতালের ভেতরে কুকুরের অবাধ আনাগোনা কাম্য নয়। কারণ কুকুর জলাতঙ্ক রোগ বহন করে। সেই কুকুরগুলো হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে রয়েছে। হাসপাতালটি কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।’

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরেক রোগীকে দেখতে আসা স্বজন রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেশ যখন হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়তই তীব্র তাপদাহের কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ঠিক সেই মুহূর্তে চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র হাসপাতালে যদি এমনভাবে কুকুর শুয়ে থাকে তা হলে সেই হাসপাতালে রোগী কতটুকু নিরাপদ তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই জানেন। আমরা যখন নিজ গৃহেই নিরাপদ নই, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওস্বাস্থ্যমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও দাবী করেন তিনি।

    নারী ওয়ার্ডে রোগীর সাথে আসা আরও এক স্বজন পারভেজ মিয়া বলেন, ‘স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য প্রতিনিয়ত ম্যাজিস্ট্রেট জেল-জরিমানা করে যাচ্ছে, যাতে কমে মানুষ সচেতন হয়। সকলেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে। কিন্তু হাসপাতালের মত জায়গাতে এই নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কখনোই কাম্য নয়। প্রশাসনের লোকজন এই দিকে নজর দিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সচেতন হবে বলে জানান তিনি।

    উল্লেখ-ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল টি ১৯৬২ ইং সালে ৮৩ একর জমির মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। হাসপাতাল সৃষ্টির শুরু থেকেই ৩০০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। তখন প্রতিনিয়তই ৮০০ হতে ১০০০ রোগী ভর্তি অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহন করতেন। তখন মুল ইউনিট ছিল ১০টি। তৎকালীন সময়ে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি অভাবে চিকিৎসার পুর্নাঙ্গ রুপ লাভ করতে পারেনি। বর্তমানে এই হাসপাতালটি টার্সিয়ারী লেভেল ও একাডেমিক হাসপাতাল। নবগঠিত ময়মনসিংহ বিভাগ সহ আশেপাশে বিভিন্ন জেলার প্রায় আড়াই কোটি জনগনের সরকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। ২০১০ সালে ৮ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন স্থাপনের মাধ্যমে ২০১৩ ইং সনে জানুয়ারী মাসে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক নতুন হাসপাতাল ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে নতুন হাসপাতাল ভবনটিতে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।

  • চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নে মেম্বার প্রার্থী  সিরাজুল ইসলামের সমর্থনে মতবিনিময় সভা

    চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নে মেম্বার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের সমর্থনে মতবিনিময় সভা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা না হলেও ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বিজয়নগর মধ্যপাড়া জামে মসজিদ মাঠে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হিসাবে মোঃ সিরাজুল ইসলামের সমর্থনে বিশাল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর আয়োজনে স্থানীয় মুরুব্বি জৈনদ্দিন মন্ডলের সভাপতিত্বে ও কাওসারের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ সিরাজুল ইসলাম চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের উন্নয়নকে আরো বেগবান করে ওয়ার্ড সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত এলাকা উপহার দিতে মেম্বার পদে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করে সকলের পাশে থাকার অঙ্গিকার করেন।

    এসময় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা দেলোয়ার হোসাইন প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দিয়ে সকলের সমর্থন, দোয়া ও ভোট প্রত্যাশা করেন।

    এছাড়াও স্থানীয় হুমায়ুন কবির সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাল, রুহুল আমিন, আবুল হাসিম, আব্দুল জলিল, তাইজ উদ্দিন, আলহাজ্ব আহাম্মদ আলী, সোলাইমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্যব্যাক্তিবর্গ ইউপি সদস্য প্রার্থী সিরাজুল ইসলামকে সমর্থন করে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সকলের সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করেন।

    এসময় উপস্থিত শতশত জনতা ইউপি সদস্য প্রার্থী সিরাজুল ইসলামকে সমর্থন করে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে ভোট প্রদানের মাধ্যমে বিজয়ী করার আসস্ত করেন।

  • বাগআঁচড়ায় মোবাইল ফোনের কারণে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

    বাগআঁচড়ায় মোবাইল ফোনের কারণে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

    আজিজুল ইসলাম : শার্শার বাগআঁচড়ায় মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ার কারণে নিশিতা ইসলাম (১৩) নামে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করে। পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

    নিশিতা গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার চন্দ্রদিঘলীয়া গ্রামের আবু আনসারের মেয়ে। আবু আনসার চাকরির সুবাদে বাগআঁচড়ায় মাহাবুব আলমের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

    পুলিশ জানায়, বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী নিশীতা স্মার্ট ফোন কিনে দেয়ার জন্য তার বাবা মায়ের কাছে আব্দার করে। কিন্তু বাবা মা নিশীতার সে আব্দার পুরোন করতে ব্যার্থ হয়। যে কারনে ঘটনার দিন সকালে সে বাবা মায়ের সাথে অভিমান করে ঘরে যেয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শেখ মনিরুজ্জামান জানান,এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে এবং পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।