Blog

  • শেরপুর সদরে সর্বজনীন জাতীয় পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা

    শেরপুর সদরে সর্বজনীন জাতীয় পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    শেরপুর সদর উপজেলায় সর্বজনীন জাতীয় পেনশন স্কিম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবহিতকরণ, প্রচার ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০শে এপ্রিল)সকাল ১০ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপজেলা প্রশাসনের সরকারি কর্মকর্তা, বীরমুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, ইউপি চেয়ারম্যান, ব্যাংক কর্মকর্তা, শিক্ষক, ইউপি সচিব, উদ্যোক্তা, এনজিও প্রতিনিধির ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    পেনশন স্কিম বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব সহকারী কমিশনার (ভূমি)ঈফফাত জাহান তুলির পরিচালনায় সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত বলেন, বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো চালু হলো সার্বজনীন পেনশন স্কিম। এই পেনশনের আওতায় সরকারি চাকরিজীবী বাদে দেশের সকল নাগরিক পেনশন সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবে। কারো বয়স ১৮ বছরের বেশি হলেই অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন। আমাদের যারা সরকারি চাকুরিজীবী তারা তো পেনশন পান, কিন্তু যারা চাকরি করেন না তারা তো কোন পেনশন পান না, কাজেই এটা সরকারি চাকরিজীবিদের জন্য নয়। চাকরিজীবির বাইরে যে জনগোষ্ঠী আছে তাদের জন্য এই ব্যবস্থা। দেশের সর্বস্তরের জনগণকে সুবিধা দিতে এই পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশেষ করে বাংলাদেশে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে তাদের সামাজিক নিরাপত্তা দেবে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সকল শ্রেণী পেশার বাংলাদেশি নাগরিক এই পেনশন স্কিমে অংশ নিতে পারবে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশ গ্রহণ করতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। বয়সের ক্ষেত্রেও বিশেষ বিবেচনা রাখা হয়েছে। যাদের বয়স ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে তারাও সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে তিনি পেনশন পাবেন টানা ১০ বছর চাঁদা দিয়ে যাওয়ার পর। স্কিম অনুযায়ী ব্যক্তির বয়স ৬০ বছর হলেই তিনি সরকার থেকে পেনশন পেতে শুরু করবেন, তাকে আর চাঁদা দিতে হবে না। কিন্তু কেউ যদি ৫৫ বছর বয়সে এসে স্কিমে অংশ নেন তাহলে ৬৫ বয়স বয়স থেকে তিনি পেনশন পেতে শুরু করবেন। সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে আপাতত চালু হয়েছে ৪ টি স্কিম। এগুলোর নাম দেয়া হয়েছে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা। প্রবাস: এ স্কিমটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য। এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে। প্রগতি: এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য। এক্ষেত্রে তিন ভাগে চাঁদার হার ভাগ করা হয়েছে। কেউ চাইলে মাসে ২ হাজার, ৩ হাজার বা ৫ হাজার টাকা করে দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। সুরক্ষা: এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য। অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু, নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন। এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন। এই স্কিমে চাঁদার হার ৪ রকম, মাসে ১ হাজার, ২ হাজার, ৩ হাজার ও ৫ হাজার টাকা করে। সমতা: এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই নির্দিষ্ট ১ হাজার টাকা। তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে ৫শ টাকা আর বাকি ৫শ টাকা দেবে সরকার। মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম। বর্তমানে যাদের আয় বছরে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে তারাই কেবল এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত হবেন। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের জন্য ওয়েবসাইটে গিয়ে সেখানে ব্যক্তি তার জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল দিয়ে কয়েকটি ধাপে এতে নিবন্ধন করতে পারবেন। কেউ চাইলে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে নমিনি করা যাবে। আপাতত শুধুমাত্র সোনালী ব্যাংকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের হিসাব খোলা হয়েছে। কেউ চাইলে সরাসরি সোনালী ব্যাংকে গিয়েও নিবন্ধন করতে পারবেন ও চাঁদা দিতে পারবেন। অনলাইন ও যে কোন মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে চাঁদা পরিশোধ করা যাবে। প্রত্যেক পেনশনার তারা সবসময় তার অ্যাকাউন্ট চেক করতে পারবেন যে কত টাকা জমা আছে। পেনশনারগণ আজীবন অর্থাৎ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। তবে কেউ যদি ৭৫ বছর বয়স পূরণ হবার আগেই মারা যান তাহলে তার নমিনি পেনশনারের বয়স ৭৫ হওয়া পর্যন্ত পেনশন সুবিধা পাবেন। আর যদি পেনশনার ১০ বছর চাঁদা দেবার আগেই মারা যান তাহলে তার জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ তার নমিনিকে ফেরত দেয়া হবে। কারো যদি পেনশনে জমাকৃত অর্থ কোন এক পর্যায়ে উত্তোলনের দরকার হয় তাহলে সেই সুযোগও রয়েছে। তার মোট জমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ অর্থ তিনি আবেদনের প্রেক্ষিতে ঋণ হিসেবে নিতে পারবেন।

  • ৫২ বছরের মধ্যে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, নিম্ন আয়ের মানুষ পড়ছেন চরম বিপাকে

    ৫২ বছরের মধ্যে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, নিম্ন আয়ের মানুষ পড়ছেন চরম বিপাকে

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃগোদাগাড়ী উপজেলাসহ রাজশাহী সকল উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা, অনেকেই যখন প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না, তখন পেটের দায়ে ঠিকই কাজ করতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষদের।
    ৩০ এপ্রিল দুপুরে বাইপাস রেলগেট এলাকায় কথা হয় অটো চালক আতিকের সাথে বয়স তার ৩৭। পেটের দায়ে বের হয়েছেন কিন্তু তেমন যাত্রী পান নি। প্রচন্ড গরমে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করছেন তিনি। তাই তো যাত্রীগণকে অন্য অটোতে তুলে দিয়ে বাড়ী চলে যান আর বলেন আমার জীবনে এরকম গরম দেখি নি।

    দেশে চলমান অতি তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ‘হিট স্ট্রোকে’ এ পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে সোমবারই (২৯ এপ্রিল) তিনজন হিট স্ট্রোকে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এসব তথ্য জানায়।

    বেশ কয়েক দিন ধরে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা গড়ে ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির মধ্যে বিরাজ করছে। এর মধ্যে সোমবার (২৯ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি হয়। ৩০ এপ্রিল রাজশাহীতে ৪৩ ডিগ্রি হয়েছে। এতে নাকাল রাজশাহীসহ সারা দেশের সব বয়সী মানুষ।

    তীব্র তাপদাহে রাজশাহীসহ বিভিন্ন উপজেলার খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ পড়ছেন চরম বিপাকে। অসহ্য গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। শপিং মল, মার্কেট কিংবা বাজারেও ক্রেতা সাধারণের উপস্থিতি কম। অনেকেই পূর্ণ সময়ের বদলে ঘণ্টা চুক্তিতে কাজ করছেন।টানা দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড গরমের সাধারণ ও কর্মজীবী মানুষের ভোগান্তি আর কষ্ট বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। তীব্র রোদের কারণে দিনমজুর, রিকশাচালক ও ভ্যানচালকরা কাজ করতে পারছেন না। এদিকে কাজ না করলে খাবার জুটবে না। তাই পেটের তাড়নায় প্রচণ্ড দাবদাহ উপেক্ষা করে কাজে বেরিয়েছেন অনেকে। গরম উপেক্ষা করে বের হলেও অনেকেই হাঁসফাঁস করছেন। তীব্র গরমের কারণে খেটে খাওয়া মানুষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বেশীর ভাগ মানুষ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ী থেকে তেমন কেউ বের হচ্ছে না। শিশু ও বৃদ্ধরা নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

    মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তীব্র গরমে নাজেহাল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দেখা মিলেছে। বিশেষ করে কৃষি শ্রমিকগণ সব চেয়ে প্রখর রোদে ঠিকভাবে ধান কাটাই মাড়াই করতে পারছেন না। ইনকাম কমে গেছে। পরিবারের সদস্যদের মুখে যেন খাবার তুলে দেয়া দায়।
    শ্রমজীবী ও কর্মজীবীদের জীবন যেন বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম। তারপরও জীবন-জীবিকার তাগিদে ঘাম ঝরিয়ে ছুটতে হচ্ছে তাদের। কেউবা কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিচ্ছেন ছায়ার নিচে। গরমের কারণে দীর্ঘসময় কাজ করতে না পারায় কমে গেছে তাদের আয়ের পরিমাণও। গরমে কষ্ট কয়েকগুণ বাড়লেও আয় বাড়েনি।

    গোদাগাড়ী পৌর এলাকার রিকসা চালক রুবেল জানান, রোদের মধ্যে অন্য সবার মতো আমাদের ও কষ্ট হয়। কিন্তু পেটের দায়ে সংসার চালাতে ঘরে থাকার উপায় নেই। তাই বের হয়েছি কিন্তু যাত্রী না পাওয়ায় বিপদে আছি।

    মহিশালবাড়ী এলাকায় ভ্যানে সবজি বিক্রি করেন আব্দুল কুদ্দুস। তার সাথে এপ্রতিবেদকের কথা হয়, তিনি পরিবারের সদস্যদের শুখ শান্তির জন্য সাইপ্রাস গিয়েছিলাম ভিসা জটিলতার কারণে সেখানে প্রবেশ করতে পারিনি। ব্যর্থ হয়ে ১০ লাখ টাকা হারিয়ে কোনভাবে দেশে ফিরে এসে আবার সবজি ব্যবসা শুরু করেছি কিন্তু প্রচন্ড খরায় কাঁচা মালামাল শুকিয়ে যাওয়ার কারনে প্রতি সপ্তাহে ৫/৬ হাজার টাকা ক্ষতি হচ্ছে। উপায়হীনভাবে করতে হচ্ছে। একই এলাকার গরু ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিন বলেন, গরমে কোন শান্তি নেই। হাটে গরুর খুব আমদানী বিক্রি কম ৩ টি গরু বিক্রি কনে ২৫ হাজার টাকা লস হয়েছে। ক্ষতি পূরণের জন্য আবার গরু কিনছি হাটে যাব। সংসার তো চালাতে হবে।

    এপ্রিলের শুরু থেকেই রাজশাহী অঞ্চলে অব্যাহত আছে তীব্র তাপদাহ। এতে করে জনজীবনে নেমে এসেছে নাভিশ্বাস। প্রাণীকুলেও দেখা মিলেছে অস্বস্থি। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) ৫২ বছরের মধ্যে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। যা ৫২ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হলো।

    রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, এই মৌসুমে মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ ডিগ্রী সেলসিয়াম। বাতাসের আদ্রতা ১৮ শতাংশ। এর আগে ১৯৭২ সালের ১৮ মে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪৫.১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ২০০৫ সালের ২ জুন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪২.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

    এরপর ২০১৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল সর্বোচ্চা তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪২.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। পাবনার ঈশ্বরদীতে আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আগামী আরো কয়েকদিন একই রকম তাপমাত্রা অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছেন রাজশাহী আবহাওয়া অফিস।
    তীব্র দাপদাহের কারণে রাজশাহীসহ আরো ৫টি জেলার পাঠদান কার্যক্রমবন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে করে জেলার সকল মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কলেজ গুলো বন্ধ থাকতে দেখা যায়। প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী ২ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করায় অভিভাবকরা স্বস্থি প্রকাশ করেছেন।

    গত ২৮ এপ্রিল গরম থেকে বাঁচতে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে এককই স্কুলের ২ ছাত্র মারা গেছে। গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার নমীর উদ্দীন জানান, রোববার দুপুরে গোদাগাড়ীর রেল বাজার ঘাটে পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল তারা। এরা হলেন, মহিশালবাড়ি গ্রামের সাগরপাড়ার ওমর আলীর ছেলে উসমান আলী (১৪) ও নাসির উদ্দিনের ছেলে সুলতান মুহাম্মদ সাইফ (১৫)। এদের মধ্যে ওসমান আলী লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি বিভাগের কর্মীরা।
    মহিশালবাড়ি আল ইসলাহ্ ইসলামী একাডেমীর পাঁচজন ছাত্র পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। তাদের মধ্য থেকে দুইজন ওসমান ও সাইফ পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে তল্লাশী চালিয়ে একজনের লাশ উদ্ধার করে। আর সাইফের লাশ দিন সকালে ৫ কিলোমিটার দূরে থেকে উদ্ধার করা হয়।

    মহিশালবাড়ি আল ইসলাহ্ ইসলামী একাডেমীর প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) তারেক আহম্মেদ আনীক বলেন, স্কুলের নাম করে বাড়ী থেকে বের হয় ৫ জন ছাত্র কিন্তু তারা স্কুলে না এসে বাইসাইকেল করে নদীতে যায় স্কুলের ব্যাগ, পোশাক খুলে একটি নৌকায় রাখে টিউব নিয়ে ৫ ছাত্র নদীতে নামে কিছুদূর যাওয়ার পর গরমে টিউব ফেঁটে যায়, ৩ জন তীরে আসলেও ২ জন ডুবে যায়। একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে পরদিন সকালে অন্যজনের উদ্ধার করা হয়েছে এবং মহিশালবাড়ী গৌরস্থানে নামাজের জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ঝিনাইদহে হিট স্ট্রোকে  দুইজনের মৃত্যু

    ঝিনাইদহে হিট স্ট্রোকে দুইজনের মৃত্যু

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে প্রচন্ড তাবদাহে দুইজন হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরা হলেন মহেশপুর উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস বিশ^াস ও শৈলকুপার ব্রহ্মপুর মধ্যপাড়ার জাহাঙ্গীর হোসেন। গ্রামবাসি সুত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুর মধ্যপাড়ার জাহাঙ্গীর হোসেন রাতে প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনার পথে মারা যান। অন্যদিকে মহেশপুরের সুন্দরপুর গ্রামের কুদ্দুস বিশ্বাস মঙ্গলবার দুপুরে মাঠে কাজ করতে গিয়ে হিট স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন শুভ্রা রানী দেবনাথ জানান, হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর খবর তাদের জানা নেই। তবে যে গরম আর তাপপ্রবাহ চলমান তাতে যে কেউ অসুস্থ হতেই পারে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • মহেশপুরে শত্রুতার জের ধরে ভেকু গাড়ি আগুনে পুড়ে ভূষিভুত, থানায় অভিযোগ দায়ের

    মহেশপুরে শত্রুতার জের ধরে ভেকু গাড়ি আগুনে পুড়ে ভূষিভুত, থানায় অভিযোগ দায়ের

    মহেশপুর ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ-
    শত্রুতার জের ধরে ২৯ এপ্রিল দিবাগত গভীর রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউপির চাঁদপুর বিলে মাছ চাষের উপযোগী করার লক্ষে একটি পুকুর খনন ও পাড় বাঁধার জন্য গত ২৯ এপ্রিল বিকালে পুকুরে রেখে দেওয়া মাটি কাটা ভেকু গাড়ি রাতের আধারে কে বা কাহারা আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে ভূষিভুত করে দিয়েছে। গভীর রাতে বিলে পাশে বসবাস করা ও স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে আগুন নিভাতে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভাতে সক্ষম হয়। ভেকু ড্রাইভার জুয়েল রানা জানান এতে আনুষ্ঠানিক ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল ভেকু ঠিকাদার সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উক্তেজনা বিরাজ করছে।

  • ছনহরা ওয়ার্ড ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    ছনহরা ওয়ার্ড ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।
    তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি ও SDG অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ১০ দিনে ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আওতাধীন ১৫নং ছনহরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ৫নং শাখার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ৩০ এপ্রিল বিকাল বিকালে ইউনিয়নের আলমদারপাড়া এলাকায় এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় নানান ধরণের ঔষধি ও ফলজ গাছ রোপন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছনহরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিজাম আলমদার,ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা জালাল উদ্দীন আনান,৫নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি আসিফ তালুকদার,সাধারণ সম্পাদক হাসান আকবর আলমদার, সহ সভাপতি মোহাম্মদ রিদুয়ান,যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ ওসমান, মোহাম্মদ আকিল প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

  • স্ত্রীকে নির্যাতন করার অভিযোগে চট্টগ্রাম, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-৬,এর আদালতে মামলা

    স্ত্রীকে নির্যাতন করার অভিযোগে চট্টগ্রাম, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-৬,এর আদালতে মামলা

    শহিদুল ইসলাম,
    নিজস্ব প্রতিবেদক:-

    চট্টগ্রাম জেলার, লোহাগাড়া থানার,বড় হাতিয়া,গ্রামের মাতা-রাজিয়া বেগম, পিতা- শাহ আলম,স্বামী-মো: আবু তাহের’র স্ত্রী
    জয়নাব বেগম (৩৪), বর্তমানে- চট্টগ্রাম জেলার,
    হালিশহর থানার,আর্টিলারী রোড,নিউ আই ব্লক, বাড়ী নং- ১১, ৫ম তলায় নিয়মিত বসবাস করে আসছিলেন- বাদীনি।

    চট্টগ্রাম জেলার, লোহাগাড়া থানার,চুনতি গ্রামের মাতা- মোস্তফা বেগম,পিতা- মোঃ ইব্রাহিম’র পুত্র মো: আবু তাহের(অব:), চাকরীর ঠিকানা-চট্টগ্রাম জেলার,ইপিজেড থানার, বা.নৌজা ঈশা খান, এফ আই এস, কক্ষ নং- ০১। বর্তমানে-চট্টগ্রাম জেলার, হালিশহর থানার, আর্টিলারী রোড,নিউ আই ব্লক, বাড়ী নং- ১১, ৫ম তলায় নিয়মিত বসবাস- আসামী।

    বিবরণে:-মামলার বাদীনি জয়নাব বেগম জানায়, আমার সহিত আসামীর বিগত ১৫ এপ্রিল ২০০৮ খ্রি: তারিখে ইসলামী শরা- শরীয়তের বিধান মোতাবেক ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা দেনমোহর ধার্য্যে এবং রেজিষ্ট্রারী কাবিননামা মূলে বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের পর আমার গর্ভে ও আসামীর ঔরষে ৪ (চার) টি সন্তান যথাক্রমে (১) তাসমিয়া জিহান (বয়স- ১৫ বছর), (২) তানজিম মাহমুদ (বয়স- ১১ বছর), (৩) তাসনুভা জাহান (বয়স- ৬ বছর) এবং (৪) তাইয়্যেবা মুসকান (বয়স- ১ বছর ৭ মাস) জন্মগ্রহণ করেন।

    প্রথম ঘটনার তারিখ ও সময়: ২২ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রি: রাত অনুমান ১০.৩০ ঘটিকা। ১ম ঘটনার স্থান: হালিশহর থানাধীন আসামীর বর্তমান ঠিকানার ভাড়া বাসা। সর্বশেষ ঘটনার তারিখ ও সময়: ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ খ্রি: বিকাল অনুমান ৪.৩০ ঘটিকা। সর্বশেষ ঘটনার স্থানঃ হালিশহর থানাধীন আসামীর বর্তমান ঠিকানার ভাড়া বাসা। জয়নাব বেগম জানায় যে,আমি একজন সহজ, সরল, শান্ত, ভদ্র, নম্র ও আইন প্রিয় শিক্ষিত মহিলা। দেশের প্রচলিত আইন কানুন অত্যান্ত শ্রদ্ধার সহিত মানিয়া চলি।
    আমার স্বামী মোঃ আবু তাহের জুলুমবাজ, পরধনলোভী, নারীলোভী, নারী নির্যাতনকারী, যৌতুক লোভী প্রকৃতির লোক।
    আমার বিবাহের পর জানিতে পারে যে, আসামী একজন পরনারী আসক্ত। আমি পরনারী হইতে আসামীকে বহু চেষ্টা করিয়াও বিরত রাখিতে পারি নাই। আসামী কথায় কথায় আমার নিকট যৌতুক দাবী এবং যৌতুকের দাবীতে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। যৌতুক লোভী আসামী তাহার হীনস্বার্থ চরিতার্থ করিবার জন্য প্রায় সময় আমাকে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করিয়া আসিতে থাকে। আমি তাহাতে প্রতিবাদ করিলে আসামী আমাকে অমানুষিক নির্যাতন করিত। উক্ত বিষয় নিয়া আমার ও আসামীর মধ্যে একাধিকবার শালিস-বিচার হইলেও আসামী কোন শালিস-বিচার মানেনা।

    ঘটনার তারিখ ও সময়ে অর্থাৎ গত ২২ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রি: রাত অনুমান ১০.৩০ ঘটিকার সময় উল্লেখিত ঘটনাস্থলে আসামী আমার নিকট ব্যবসা করিবার জন্য ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা যৌতুক চাহিলে আমি কোন যৌতুকের টাকা দিতে পারিবোনা বলিয়া অস্বীকার করায় আসামী যৌতুকের দাবীতে আমাকে লাথি, কিল, ঘুষি ও চুলের মুঠি ধরিয়া আঘাত করিতে থাকে। এক পর্যায়ে আসামী কাঁচের গ্লাস ভাঙ্গিয়া উক্ত ভাঙ্গা গ্লাস দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায়
    সজোরে আঘাত করিলে উক্ত আঘাত আমার কপালের বাম চোখের উপরে লাগিয়া মারাত্মক
    রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। যাহাতে দুইটি সেলাই হয়। আসামী আমাকে একই কায়দায় তাহার হাতে থাকা কাঁচের ভাঙ্গা গ্লাস দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় সজোরে আঘাত করিলে আমি আত্মরক্ষার্থে মাথা সরাইলে উক্ত আঘাত আমার ঘাড়ে লেগে মারাতাক রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। যাহাতে একটি সেলাই হয়। উক্ত বিষয়ে আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ০২ নং ওয়ার্ডে ভর্তি হইয়া চিকিৎসা গ্রহণ করি। উক্ত বিষয় নিয়া আমি একাধিক সংস্থায় অভিযোগ করিয়াও আসামীর অসহযোগীতার কারণে কোন প্রতিকার পাই নাই। সর্বশেষ ঘটনার তারিখ ও সময়ে অর্থাৎ গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রি: বিকাল অনুমান ৪.৩০ ঘটিকার সময় তাহার বাসায় সাংসারিক কাজ করাকালীন সময়ে আসামী আমাকে বলে যে, “তুই কেন আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংস্থায় অভিযোগ দায়ের করেছিস? তুই আমাকে ব্যবসা করিবার জন্য ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ)
    টাকা যৌতুক দিবি নয়তো তোর সন্তানদের নিয়া আমার বাসা হইতে এখনিই বের হয়ে যাবি”
    বলিলে আমি যৌতুকের টাকা আনিতে পারিবে না বলার সাথেসাথে আসামী পুণরায় আমাকে
    হত্যার উদ্দেশ্যে কিল, ঘুষি, লাথি মারিয়া মারাত্মকভাবে আহত করে চুলের মুঠি ধরিয়া টেনেহিচড়ে মাটিতে ফেলে সেলাইকৃত জখমের উপর মারাত্মক জখম করিলে আমার ক্ষতস্থার হইতে প্রচুর পরিমাণ রক্ত ঝড়িতে থাকে।

    আমি আসামীর নির্যাতন সহ্য করিতে না পারিয়া যন্ত্রনায় চিৎকার করিতে থাকিলে আমার
    সন্তানগণ আমার বাবা-মাকে ফোন করিলে আমার বাবা-মা ও পুলিশ আসিয়া আমাকে আসামীর কবল হইতে উদ্ধার করে। উক্ত সময়ে আসামী বলে যে, যৌতুকের ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা না দিলে তোর সাথে আর সংসার করিবনা। আরো বেশি টাকা যৌতুক নিয়া অন্যত্র বিবাহ করিব বলিয়া হুমকি প্রদান করে আসামী ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে আসামী আমাকে হুমকির দিয়া বলিতেছে যে, যৌতুকের ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা না দিলে আমাকে আসামীর জওজিয়তে রাখিবেনা এবং আমি আসামীর বিরুদ্ধে কোন সংস্থায় মামলা মোকদ্দমা দায়ের করিলে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে জানে খতম করিয়া ফেলিবে। আমি গত ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ খ্রি:
    চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি হইয়া ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রি: পর্যন্ত বি-২ নং ওয়ার্ডে ও.সি.সিতে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে আমি উক্ত ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়
    থানায় মামলা দায়ের করিতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞ আদালতে আসিয়া মামলা দায়েরের পরামর্শ প্রদান করে। ঘটনার বিষয় লইয়া স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গকে জানাইলে তাহারা আপোষ করিবে বলায় আসামী পরবর্তীতে তাহা না মানায় আমি, মাননীয়,
    নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-৬, আদালত, চট্টগ্রাম গত- ০৭ মার্চ ২০২৪ খ্রি:।
    আমার স্বামীর বিরুদ্ধে, (ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ১১ (খ) ধারা।) ফৌজদারী অভিযোগ দায়ের করিলে, বিজ্ঞ বিচারক অভিযোগ খানা আমলে নিয়ে এফ আই আর করে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহন করার জন্য সূত্র: আদালত মামলা নং ৩৩/২০২৪ খ্রি: অফিসার ইনচার্জ, হালিশহর থানাকে নির্দেশ দিয়ে প্রেরন করিলে, অফিসার ইনচার্জ অভিযোগ খানা প্রাপ্ত হইয়া হালিশহর থানার মামলা নং ২২/ তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৪ খ্রি: ধারা: ১১(খ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)।

    মামলা রেকর্ড করার পর বিভিন্ন সময় আমাকে থানায় ডেকে বিভিন্ন তথ্য নিয়েছেন, সাথে সাথে আমাকে হয়রানিও করা হয়েছে, কিন্তু আসামী আটক না করে তালবাহানা করিতেছে, আমার বিশ্বাস হালিশহর থানার পুলিশ আসামী গ্রেপ্তার করিবে না।

    এ বিষয় আমি মাননীয়, প্রধান মন্ত্রী মহোদয়, স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়, পুলিশ মহাপরিদর্শক,ও স্হানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগীতা কামনা করছি।

  • দোয়ারাবাজারে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  পুলিশের হাতে আটক যুবক

    দোয়ারাবাজারে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  পুলিশের হাতে আটক যুবক

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :: দোয়ারাবাজারে তামান্না আক্তার (১৮) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে ধর্ষণের পর শিক্ষার্থীকে হত্যা করে পিতার বাড়িতে রান্না ঘরে হাঁটু ভাঁজ করা অবস্থায় ঝুলিয়ে রেখে ঘাতক পালিয়ে যায়। সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের পান্ডারগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ দেখে পুলিশ খবর দেন পরিবার। ওইদিন ধর্ষনের পর হত্যার অভিযোগ এনে শিক্ষার্থীর পিতা দোয়ারাবাজার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর ১২/৫৮, ৩০,০৪,২০২৪)। এ ঘটনায় পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের দশনলী মোকাম এলাকা থেকে সন্দেহভাজন লিটন আহমেদ (২০) নামের এক যুবককে আটক করে। পুলিশের কাছে আটক হওয়ার পর ওই যুবক ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সত্যতা স্বীকার করে। লিটন আহমেদ সুনামগঞ্জ সদরের মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বল্লবপুর গ্রামের খলিল আহমেদের পুত্র।  সে দুইদিন আগে পান্ডারগাঁও এলাকায় তার নানা বাড়ি বেড়াতে এসেছিল। 

    জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান বলেন, আটক যুবক ধর্ষনের পর হত্যা করে শিক্ষার্থীর লাশ ঝুলিয়ে রাখার সত্যতা স্বীকার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • চারঘাটে তীব্র তাপদাহে খামারীরা হতাশা গ্রস্ত 

    চারঘাটে তীব্র তাপদাহে খামারীরা হতাশা গ্রস্ত 

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    পুরো মৌসুম জুড়ে অনাবৃষ্টির কারণে রোদের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে সেই সাথে প্রচন্দ তাপদাহে মানুষের পাশাপাশি অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পশু-পাখি, হাস, মুরগী, গরু ও ছাগলের খামারীরা। তবে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে পোল্টি খামারিদের ওপর।

    চারঘাট উপজেলার প্রাণী সম্পদ দপ্তরের তথ্য মতে, চারঘাট উপজেলায় মুরগী খামার রয়েছে ১ হাজার ৪’শ টি। 

    চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া, শলুয়া ও ইউসুফপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় সরজমিনে গিয়ে মুরগী খামারীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, বর্তমানে প্রখর রোদ ও ভ্যাপসা গরমে খামারের মুরগী গুলো ছটপট করছে। মুরগী গুলো বাঁচাতে খামারীরা ঠান্ডা পানি ও ফ্যানের বাতাস ব্যবহার করছে। কিন্তু ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে সময় মত বাতাস পাচ্ছে না। ফলে মুরগী গুলোর জীবন বাঁচাতে খামারীরা হিমসিম খাচ্ছে।

    এ ব্যাপারে চারঘাট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সরকার এনায়েত কবির এর সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করলে তিনি বলেন, বর্তমানে
    প্রচন্দ তাপদাহের কারণে মুরগী, ছাগল ও গরু সহ গৃহ পালিত জীব জন্তু বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও জ্বরের প্রভাব দেখা দিয়েছে। এ জন্য নাপা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে এবং মুরগী, ছাগল সহ সব ধরনের খামার গুলো পরিষ্কার রাখতে হবে। তবে তিনি বলেন, কোন ধরনের সমস্যা হলে আতংকিত না হয়ে উপজেলার প্রতিটি এলাকায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পশু ডাক্তার রয়েছে তাদের সাথে পরামর্শ নিতে হবে তা ছাড়া সেবা প্রদানের জন্য উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তর নিয়মিত খোলা রয়েছ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • পীরগঞ্জবাসী কল্যাণ সমিতি ঢাকা নতুন কমিটির  সভাপতি মাহাবুব জ্জামান, সাধারণ সম্পাদক বাদশা ফয়সাল

    পীরগঞ্জবাসী কল্যাণ সমিতি ঢাকা নতুন কমিটির সভাপতি মাহাবুব জ্জামান, সাধারণ সম্পাদক বাদশা ফয়সাল

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঢাকায় বসবাসরত ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জবাসীর সংগঠন পীরগঞ্জ কল্যাণ সমিতি, ঢাকা- নিবন্ধন নং ঢ-০৯৪৬৫ এর ১১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    গত শুক্রবার রাজধাণী মোহাম্মদপুরে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
    এই কমিটিতে সভাপতি পদে মো. মাহাবুব জ্জামান, সাধারণ সম্পাদক পদে বাদশা ফয়সাল, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ্ আল মাসুদ এবং অর্থ সম্পাদক পদে আলী আকবর সকলের সম্মতিক্রমে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য সদস্য পদে বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার পর থেকে বহুমুখী সেবা মুলক কাজে নিয়োজিত আছে এই সংগঠনটি।

  • শ্রমজীবী মানুষের মাঝে স্যালাইন ও পানি বিতরণ যুব মহিলা লীগ নেত্রী স্বপ্না খন্দকারের

    শ্রমজীবী মানুষের মাঝে স্যালাইন ও পানি বিতরণ যুব মহিলা লীগ নেত্রী স্বপ্না খন্দকারের

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    দেশজুড়ে চলমান তাপপ্রবাহে ময়মনসিংহের শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাবার স্যালাইন ও পানি বিতরণ করেছেন তরুণ জনবান্ধব নাটী নেত্রী,যুব মহিলা লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সপ্না খন্দকার।

    মঙ্গলবার (৩০এপ্রিল) বিকালে নগরীর বাইপাস মোড় পয়েন্ট,চড়পাড়া মোড় এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে রিকশা-ভ‌্যানচালক, দিনমজুর,পথচারীসহ প্রায় ৫শতা‌ধিক পথচারী, শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করেন তিনি।

    এ বিষয়ে স্বপ্না খন্দকার বলেন, ‘চলমান তাপপ্রবাহে শ্রমজীবী মানুষ খুবই কষ্ট করে জীবন নির্বাহ করছেন‌। তাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আজ বাইপাস মোড়, চরপাড়া মোর পয়েন্টে পথচারী, রিকশাচালক, সিএনজিচালকসহ শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাবার স্যালাইন ও পানি বিতরণ করেছি। তাপপ্রবাহ চলমান থাকলে এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’তিনি বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য– এই নীতিতে বিশ্বাস রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সামর্থ্য অনুযায়ী শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এই তীব্র তাপপ্রবাহে শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছি সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের।’ শুধু ময়মনসিংহেই নয়, বৃষ্টির জন্য সারা দেশে চলছে হাহাকার। প্রায় ৩ সপ্তাহ ধরে চলমান তাপপ্রবাহে দেশের মধ্যে যেন মরুর গরম নেমেছে।

    এ বিষয়ে নেত্রী স্বপ্না খন্দকার আরো জানান, তাপমাত্রা অনেক বেড়ে গেছে,এই তাপদাহে ঘর থেকে বের হওয়াটাই ঝুকি,এই তাপদাহে অসহণীয় গরমে জরুরী প্রযোজন বা সাংসারিক চাহিদা পুরণে অনেকেই রোদ্রে পুড়ে কাজ করছে। অনেকেই তীব্র তাপদাহে অসুস্থ হয়ে পড়ছে সেই চিন্তা থেকেই আমাদের ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকরামুল হক টিটু ভাই ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিনুল হক শামীম সিআইপি মহোদয়ের পরামর্শে আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্যালাইন ও সুপেয় পানি বিতরণের আয়োজন। আমি চাই আমার এ আয়োজন দেখে সারাদেশে এমন আরও আয়োজন হোক। গাড়িতে চলাচলরত তীব্র তাপদাহে রিক্সা চালক,ভ্যান চালক ও পথচারীদের জন্য এক প্যাকেট স্যালাইন ও ঠান্ডা পানি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি বলেন, সমাজের সব বিত্তবানরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসেন তাহলে তীব্র তাপদাহে কোনো পথচারী অসুস্থ হয়ে পড়বেনা।

    স্থানীয়রা জানান, স্বপ্না খন্দকার শুধু তীব্র তাপদাহের মত দুর্যোগেই নয়, গত কোভিট-১৯ করোনাভাইরা‌সসহ প্রতিটি দুর্যোগ মুহুর্তেই অসহায় ও নিম্ন আ‌য়ের মানুষের পাশে থেকে তাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন।