Blog

  • এক মঞ্চে দুই প্রার্থী যুবকদের মুখোমুখি

    এক মঞ্চে দুই প্রার্থী যুবকদের মুখোমুখি

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি ।

    বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলা দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৫ জন প্রার্থী মধ্যে ২ জন প্রার্থী জনকে জনতার মুখোমুখি করেছে জেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও যুব ফোরাম বেতাগী।

    মঙ্গলবার (১৪ মে) সকাল ১১ টায় শহরের মুক্তি যোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রার্থী ও জনতার মুখোমুখি নিয়ে এক মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

    বেতাগী উপজেলার ২ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন । তারা হলেন- সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহামুদা খানম (কলস), নিপু রানী দাস (প্রজাপতি)।

    যুব ফোরাম বেতাগী উপজেলা আহ্বায়ক মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না’র সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এর সদস্য ও বেতাগী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম মন্টু, মুক্তি যোদ্ধাকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব সিকদার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক সিকদার, উপজেলা এনজিও সমন্বয় রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

    যুব ফোরাম বেতাগীর সহযোগিতায় আস্থা নামের প্রকল্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই রকম ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে। এতে উপজেলা শহরের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অংশ নিয়েছেন। অংশ নিয়েছেন যুব সমাজ, তরুণ প্রজন্ম। তারা প্রার্থীদেরকে নানা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি করে।

    প্রার্থীরা ভোটারদের মাঝে দেয়া প্রতিশ্রুতির মতো নিজস্ব ভঙ্গিতে উত্তর দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রার্থীরা এক ধরনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন। উপজেলার যুব সমাজ, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, শিক্ষা সংস্কৃতিসহ সকল বিষয় ওঠে আসে। প্রত্যেকেই তারা স্ব স্ব অবস্থান থেকে জনগণের পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    উপজেলার ভোট হবে আগামী ২১ মে। মোট ৩৯ টি ভোট কেন্দ্রের মাধ্যমে ১ টি পৌরসভা ও ৭ টি ইউনিয়নের ১ লাখ ১২ হাজার ৫৮৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

  • ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার, শ্রেষ্ঠ এএসআই হলেন মাসুম রানা

    ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার, শ্রেষ্ঠ এএসআই হলেন মাসুম রানা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই (নিরস্ত্র) এপ্রিল -২৪ মাসের বিভিন্ন আভিযানিক সাফল্য ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিতে পুরস্কার পেলেন কোতোয়ালী মডেল থানার এএসআই মাসুম রানা। এছাড়াও তিনি গুরুত্বপূর্ন মামলার রহস্য উদঘাটনকারী হিসাবে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস) পুরস্কার পেয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ মে) সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সুপার মুন্সী কবির উদ্দিন আহমেদ মাল্টিপারপাস শেড (কল্যাণ শেড)-এ জেলা পুলিশের অভিভাবক সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, বিপিএম, পিপিএম মহোদয়ের সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হলে উক্ত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় সম্মাননা স্মারক (ক্রেস) শ্রেষ্ঠ এএসআই মাসুম রানার হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূইয়া।

    সুত্র মতে জানা গেছে- মাদক ছিনতাইসহ , সামগ্রিক কর্মতৎপরতা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনসহ নানা কারণে কোতোয়ালি মডেল থানায় তিনি ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

    এছাড়াও এপ্রিল/২০২৪ মাসের বিভিন্ন আভিযানিক সাফল্য ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিতে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল মোঃ শাহীনুল ইসলাম ফকির, শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ – কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন, শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)- কোতোয়ালী মডেল থানার তদন্ত ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন, শ্রেষ্ঠ এসআই (প্রথম)- মুক্তাগাছা থানার এসআই (নিঃ)/মোঃ শাহীন মিয়া,
    শ্রেষ্ঠ মামলা নিষ্পত্তিকারী অফিসার-এসআই (নিঃ)/ পাগলা থানার শেখ রফিকুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ এএসআই – এএসআই (নিঃ)/ কোতোয়ালী মডেল থানার মাসুম রানা, শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার-হিসাবে এসআই(নিঃ)/ কোতোয়ালি মডেল থানার শুভ্র সাহা,
    শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার- মুক্তাগাছার টিএসআই/মোঃ নুর আলমগীর খান,এছাড়াও বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার সাফল্য এবং উদ্ধার সংক্রান্তে ১২ টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাছাড়া এসআই (নিরস্ত্র)/মো: ফিরোজ আহম্মেদ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হওয়ায় পুলিশ সুপার তাকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং ২০২৪ সালের মে মাসে পিআরএল গমনকারী ২ জন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

    কল্যাণ সভার শেষ পর্যায়ে পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূইয়া তার বক্তব্যে ফোর্সের উন্নয়নমূলক বিবিধ দিক-নির্দেশনার পাশাপাশি ডিউটি পালনকালে সর্বোচ্চ ধৈর্য্য, সততা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

    কল্যাণ সভার পরবর্তী পর্যায়ে পুলিশ সুপার সহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ মাসিক অপরাধ সভায় যোগ দান করেন। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, বিপিএম, পিপিএম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস), মোঃ শামীম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), ফাল্গুনী নন্দী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি),(পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত),এম এম মোহাইমেনুর রশিদ, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সহ ময়মনসিংহ জেলাধীন সকল সার্কেলের সম্মানিত সার্কেল অফিসারবৃন্দ এবং সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ।

    সভায় জেলার বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার, জেলার মুলতবি মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা নিষ্পত্তি, স্পর্শকাতর মামলা সমূহের অগ্রগতি সহ জেলার গোয়েন্দা কার্যক্রম নিয়ে বিশদ এবং ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।

  • রাজধানীতে ৩৫০ সিসির মোটরসাইকেল ৩০ কি:মি গতিতে চালানো কঠিন: ডিএমপি কমিশনার-হাবিব

    রাজধানীতে ৩৫০ সিসির মোটরসাইকেল ৩০ কি:মি গতিতে চালানো কঠিন: ডিএমপি কমিশনার-হাবিব

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    রাজধানীতে ৩৫০ সিসি মোটরসাইকেল ৩০ কিলোমিটার গতিসীমার মধ্যে চালানো অনেক কঠিন, এটি মহাসড়কে চালানো যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ ডিপার্টমেন্টের আইকন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব।

    মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে তেজগাঁওয়ে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ‘ট্রাফিক সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অ্যান্ড রোড সেফটি স্লোগান কন্টেস্ট-২০২৪’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও জাপান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (জাইকা) উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্ট (ডিআরএসপি)।

    একদিকে ৩৫০ সিসি মোটরসাইকেল অনুমোদন হচ্ছে, অন্যদিকে সড়কে চলাচলে গতিসীমা নির্ধারণ করা হচ্ছে ৩০ কিলোমিটার, তবে সড়কে চলতে গিয়ে এই গতিতে গাড়ি খেই হারিয়ে ফেলবে।

    এটা সাংঘর্ষিক নয় কি? আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, দুটি কথাই ঠিক। গতিসীমার কথা বলেছে, সেটিও ঠিক আবার সিসির বিষয়টিও ঠিক।

    যে আইনটি প্রচলিত রয়েছে সেটি বিআরটিএ’র মাধ্যমে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় করে থাকে। আর মোটরসাইকেল এর বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হয়।

    আমাদের রাজধানীতে এরকম সিসি মোটরসাইকেল ৩০ কিলোমিটার গতিসীসার মধ্যে চালানো অনেক কঠিন। হয়তো বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দিয়েছে, সেটি দেখতে চাই হাইওয়েতে, কারণ এই নির্দেশনা মতে রাজধানীতে চালানো কঠিন। তিনি বলেন, অন্যান্য দেশেও যদি আমরা দেখি তবে সেখানে গতিসীমা কম, সেই তুলনায় আমাদের ঢাকা শহরে গতিসীমা অনেক বেশি।

    ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই বেজ রোবটিক সিস্টেম চালু করা যায় কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এআই বেজ ট্রাফিক সিস্টেম চালুর বিষয়ে চিন্তা করা হয়েছে। একটি পরিকল্পনাপত্র পুলিশ সদর দপ্তরে রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেও চিন্তা চলছে। রাজধানীতে যদি আমরা এটি করতে পারি তবে এআই বেজ সিসি ক্যামেরার ওপর ভিত্তি করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিচালা করতে সক্ষম হব।

    সড়কের পাশে যত্রতত্র গাড়ির অবৈধ পার্কিং করে রাখা হয়। এজন্য সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা ডিএমপি নিচ্ছে কি না—এক শিক্ষার্থী করা প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে গেলেই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়। সেখানে রাজউকের কিছু শর্ত থাকে। যেমন, কতটুকু জায়গা ছাড়া হবে, পার্কিং লট রাখাসহ নানা শর্ত থাকে। কিন্তু দেখা যায় অধিকাংশ সেগুলো মানছে না। এদিকে, আমরা নিজেরাও অনেক অসচেতন, যতটুকু আইন রয়েছে ততটুকু আমরা মানছি না। ভবন মালিক, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, আমরা কেউই আইন ঠিকমতো মানছি না। সকলের সচেতন হওয়ার দরকার রয়েছে। একটি ভবন নির্মাণ করলে সেখানে পার্কিং রাখা অবশ্যই প্রয়োজন। নিজের গাড়ি ও মেহমানের গাড়িটিও যাতে পার্কিং করে রাখা যায়। এতে সড়কে আর অবৈধ পার্কিং করার প্রয়োজন হয় না। সড়কের পাশে অবৈধ পার্কিংয়ের বিষয়ে আমামাদের ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত কাজ করছে।

    ডিএমপি কমিশনার হাবিব আরও বলেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ লোকসংখ্যা, সে অনুযায়ী সড়কে পথচারী ও গাড়ির চাপে মানুষের চাপা পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ঢাকা সোনারগাঁও ক্রসিং যদি ধরি, সেখানে ৩ লাখ লোক প্রতিদিন সড়ক পাড়াপাড় হয়। যদিও সেখানে আন্ডারপাস, ফুটওভার ব্রিজ বা অন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। সুতরাং বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তুলানায় ঢাকার চিত্র অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি আমাদের শহর ভালো চলছে আবার অন্যান্য দেশের শহরের তুলনায় আমরা এগিয়ে রয়েছি এটাও সত্য।

    ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এটাও সত্য যে রাজধানীতে ১৯১টি ক্রসিং রয়েছে। এর মধ্যে একটি ক্রসিংয়ে একটি সিগন্যাল বাতি রয়েছে, সেটি হলো গুলশান ক্রসিং। কিন্তু সিগন্যাল বাতি স্থাপন বা লাগানোর বিষয়টি সিটি কর্পোরেশনের। এটি ট্রাফিকের আওতায় নয়। সড়কে শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দায়ভার কতটুকু, সেটিও আপনাদের জানা দরকার। সড়কের যানজট ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে চারটি সংস্থা কাজ করে। এরমধ্যে চার ভাগের এক ভাগের অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করে ট্রাফিক পুলিশ। শুধু আইন প্রয়োগের কাজটি করা হয়।

    তিনি বলেন, শীত, গরম, বর্ষায় সব সময় ট্রাফিক পুলিশকে সড়কে পাওয়া যায়। এটাই বাস্তবতা। এবার রমজানে আমাদের ট্রাফিক পুলিশের প্রচেষ্টায় প্রায় সবাই বাসায় গিয়ে ইফতার করতে পেরেছেন। আমাকে মন্ত্রী মহোদয় জিজ্ঞেস করেছিলেন, রমজান মাসে এত যানজট কেন হয়? আমি তাকে বললাম, রমজান মাসে সবাই একসঙ্গে সড়কে বের হন, কারণ সবাই বাসায় গিয়ে ইফতার করতে চান। আর অন্য সময় কর্মজীবীরা বিভিন্ন সময় বের হন। তাই রমজান মাসে সবাই একত্রে বের হয় বলেই সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

    ডিএমপি কমিশনার হাবিব বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কেবল পুলিশের দ্বারা সম্ভব নয়, কেবল সিটি কর্পোরেশনের দ্বারা সম্ভব নয়, কেবল পরিবহন মালিক-চালকদের দিয়ে সম্ভব নয়। সকলের আন্তরিক হতে হবে, সকলকেই নিয়ম মানতে হবে। তাহলে সকলের সহযোগিতায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো বা নিশ্চিত করা সম্ভব।

    ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার হাবিব বলেন, সড়কের যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে আমরা কিন্তু ফুটপাত থেকে হকার তুলে দিচ্ছি। এরজন্য অনেকের ফোন পাই, তারা বলে আপনার কি একটুকুও দয়ামায়া নেই! এটাও কিন্তু বাস্তবতা। তাদের রাখলে সড়কে শৃঙ্খলা থাকছে না, আবার নির্দয়ভাবে তাদের তুলে দিতে হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানের শেষে ‘ট্রাফিক সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অ্যান্ড রোড সেফটি স্লোগান কন্টেস্ট-২০২৪’ এর শুভ উদ্ভোধন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব।

    উক্তি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, জাইকা’র প্রতিনিধি ইউমি ওকাজাকি, প্রকল্প পরিচালক-ডিআরএসপি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমানের প্রকল্প ম্যানেজার ও ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের (ট্রাফিক- এডমিন ও রিসার্চ) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক ‘ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্ট (ডিআরএসপি)’ ঢাকা মহানগর এলাকায় ২০২২ সালের মার্চ থেকে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।

  • ওসি ওয়াজেদ আলীর বিরুদ্ধে  কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যাচারে হতাশ তারাকান্দাবাসী

    ওসি ওয়াজেদ আলীর বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যাচারে হতাশ তারাকান্দাবাসী

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াজেদ আলী যোগদানের পর থেকেই দক্ষতার সাথে বিভিন্ন কাজে সফলতা অর্জন করে চলছেন। জায়গা করে নিয়েছেন সাধারণ মানুষের মনে। তিনি তারাকান্দা থানায় যোগদানের পর থেকে নিজ যোগ্যতা আর দক্ষতার বলে উপজেলাবাসীকে বিভিন্ন অপরাধ বিষয়ে সচেতন করে সাধারণ এলাকাবাসীর মন জয় করেছেন। সেই সাথে একজন সফল ওসি হিসেবে যত গুণাবলী প্রয়োজন তা তিনি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। দাগী অপরাধীদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরেছেন তারাকান্দা থানা পুলিশ। আগে অলিতেগলিতে বিভিন্ন অপরাধীরা হরহামেশাই অপরাধে লিপ্ত থাকায় অতিষ্ঠ ছিলো এলাকাবাসী। যেসব এলাকায় অপরাধীদের আড্ডা ছিলো সেসব এলাকার অপরাধীদের আখড়ায় ওসি ওয়াজেদ আলী নিজেই অভিযান করেন। থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ ছিনতাইয়ের মত অপরাধ তার কঠোর হস্তক্ষেপে সহনশীল পর্যায় রয়েছে। বিভিন্ন অপকর্মে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসী ওসি ওয়াজেদ এর প্রশংসায় যেখানে পঞ্চমুখ সেখানে এক শ্রেণীর লোকজন অপকর্ম করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে হতাশ হয়েছেন তারাকান্দার সর্বস্তরের মানুষ।

    তারাকান্দার বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর মানুষের মতে- একজন সৎ, নিষ্ঠাবান, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসার, তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) – মো: ওয়াজেদ আলী। তারাকান্দার ইতিহাসে অপরাধ নির্মুলে যা হয়নি তা দেখাচ্ছেন তিনি। দ্রুত আসামী গ্রেফতার, মামলার জট কমাতে সামাজিক কোন্দল নিরসন,অসহায় বাদী-বিবাদীদের পাশে দাড়ানো এটা তার একটা বড় দায়িত্ব। কয়েকদিন আগেও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে তার প্রতিবেশীর দ্বন্দ্ব ছিলো সেটাও তিনি মামলা ছাড়া স্থানীয় ভাবে সকলকে নিয়ে আলোচনায় বসে সমাধান করেছেন। একজন মহিলা খুন হওয়ার পর তার আসামী গ্রেফতার ও নিহত মহিলার একমাত্র মেয়ের পড়াশুনা সহ যাবতীয় দায়িত্ব তিনিই নিয়েছেন এবং উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গিয়ে মাদক,বাল্য বিবাহ কিশোর গ্যাং বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড করছেন যা এর আগে তারাকান্দার কোন ওসি করেনি। তাদের ভাষ্য মতে- আমাদের এই সমাজে যে ভালো কাজ বেশী করে তার শত্রুর অভাব থাকেনা এটাই সত্য। ওসি ওয়াজেদ আলী সেই প্রতিহিংসার শিকার এমন মন্তব্য করছে তারাকান্দার মানুষ।

    সম্প্রতি ফেসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ অনলাইন মাধ্যমগুলোতে তারাকান্দা থানার ওসি’র বিরুদ্ধে সাংবাদিককের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে হত্যা মামলা রুজু করার যে অভিযোগ প্রকাশ পেয়েছে সেটিকে মুলত একটা ষড়যন্ত্র হিসাবেই দাবী তুলেছে তারাকান্দা থানায় এসে সেবা গ্রহীতা কয়েকজন ভুক্তভোগী। তারা বলেন- তারাকান্দায় একটা সাধারণ পাবলিক যেখানে থানায় আসলে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন ওসি, সেখানে একজন সাংবাদিক বা পত্রিকার সম্পাদকের হাত থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টিকে হাস্যকর বলে দাবী করছেন অনেকেই।যে মামলার বিষয়ে বলা হয়েছে মামলাটি ওয়াজেদ আলীর যোগদানের পুর্বের মামলা, ঘটনা গত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ২৪ তারিখের। তখন থানায় মামলা নেওয়া হয় নাই। পরে বাদী আদালতের শরনাপন্ন হলে আদালত ৭ দিনের মধ্যে মামলা এন্ট্রি করার নির্দেশ দিলে আদেশ পাওয়ার পর দিনই তারাকান্দা থানায় মামলাটি এফ.আই.আর করেন ওসি ওয়াজেদ আলী। এখানে টাকা নেয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।

    এর আগে যখন মামলাটি থানায় নেওয়া হয়নি তখন সাংবাদিকরা আগের ওসিকে নিয়ে লেখে নাই অথচ এখন আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক মামলাটি করার পরও ওসির বিরুদ্ধে এত ষড়যন্ত্র কেন? এমন প্রশ্ন সর্ব মহলে।

    এবিষয়ে ওসি ওয়াজেদ আলী বলেন আদালতের নির্দেশনা যথাযথ ভাবে পালন করা হয়েছে, মামলা নেওয়া হয়েছে, আসামী গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। ঘুষ গ্রহণের অভিযোগটি সঠিক নয়,থানায় বিভিন্ন অপরাধের নিয়মিত মামলা রুজু করতে কোনো টাকা পয়সা নেওয়া হয় না।

    তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, প্রকাশিত সংবাদটিতে আমাকে নিয়ে যেসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা ও বানোয়াট। হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করছে। আমি এমন মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    তারাকান্দা থানার ওসি বলেন, তারাকান্দার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতোমধ্যে অনেক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তারাকান্দা থানা পুলিশ এলাকাবাসীকে সেবা প্রদান করার জন্য সব সময় প্রস্তুত। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের ধরতে উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পুলিশ অভিযান করছে। তারাকান্দায় যতদিন আছি ততদিন অপরাধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাবো । অপরাধী যত বড় প্রভাবশালী হউক অপরাধ করলে ছাড় নেই। পুলিশ সুপারের নির্দেশে আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। ওসি ওয়াজেদ আলী আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য তারাকান্দাবাসীর প্রতি আহবান থাকবে। পুলিশকে যদি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয় তাহলে পুলিশ এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারবে। তাহলে এ দেশ একদিন অপরাধ মুক্ত দেশে রূপান্তরিত হবে।।।

  • সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযানে যুবলীগ নেতা ও ১ নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযানে যুবলীগ নেতা ও ১ নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারে ইয়াবাসহ যুবলীগ নেতা আব্দুল হামিদকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। এ সময় শীর্ষ মাদক কারবারি স্বপন পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রীকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

    গত সোমবার (১৩ মে) বিকেলে ঢাকার সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের খনিজনগর এলাকায় স্বপনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হামিদ বিরুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।

    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাভারের খনিজ নগর এলাকায় স্বপনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় স্বপন কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়। একই সাথে আব্দুল হামিদ নামে আরো এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ২০০ পিসেরও বেশি ইয়াবা পাওয়া গেছে। এখনো অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

    এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক জি এস মিজান বলেন, এখনো আমার জানা নেই। এরকম কারো বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ আসলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।

  • নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া ১৪টি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

    নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া ১৪টি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া ১৪টি মোবাইল ও নগদ ৬৫,০০০টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর
    নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল(CCIC) উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত চৌকস অফিসার এসআই(নিঃ) আলী হোসেন এবং এসআই(নিঃ) মোঃ ফিরোজ আহমেদসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নড়াইল জেলার ৪টি থানা এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় এপ্রিল মাসে চৌদ্দটি হারানো মোবাইল ও বিভিন্নভাবে অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ৬৫,০০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মন্গবার (১৪ মে) দুপুর সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক উদ্ধারকৃত বিভিন্ন মডেলের চৌদ্দটি স্মার্ট ফোন ও অনলাইন প্রতারণা মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ৬৫,০০০/- টাকা তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( ক্রাইম এন্ড অপস্) ও ফোকাল পয়েন্ট অফিসার, সিসিআইসি আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগীদের নিকট হস্তান্তর করেন।
    এসময় হারানো মোবাইল ফোন ও খোয়া যাওয়া টাকা ফেরত পেয়ে মালিকরা আনন্দে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। মোবাইল ও টাকা ফেরত পেয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা এগুলো পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, পুলিশ তাদের মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। তারা তাদের মোবাইল ও টাকা খোয়া গেলে নিকটস্থ থানায় ঘটনার বিষয়ে জিডি করে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইল টিমের সাথে যোগাযোগ করেন। যার প্রেক্ষিতে তাদের হারানো মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্বার করা হয়। তারা পুলিশ সুপার ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত সদস্যদের কাজ ও আন্তরিকতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    উক্ত অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন মোঃ শাহ্ দারা খান, ইনচার্জ, সিসিআইসি সহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

  • উল্লাপাড়ায় বাবার স্বপ্ব বাস্তবায়নে ভোট চাচ্ছেন মুক্তি মির্জা

    উল্লাপাড়ায় বাবার স্বপ্ব বাস্তবায়নে ভোট চাচ্ছেন মুক্তি মির্জা

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উল্লাপাড়ায় প্রার্থীরা করছে ব্যাপক প্রচার প্রচারনা আর ভোটারদের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিতব্য উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।তার মধ্যে শেষ মুহুর্তের গণসংযোগ ও প্রচারণায় জনজরীপে শীর্ষে রয়েছেন মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী সেলিনা মির্জা মুক্তি।নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে তার নির্বাচনী এলাকা ছুটে বেড়াচ্ছেন।সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে মোটর সাইকেল মার্কায় ভোট প্রার্থনা করছেন।পথসভা,জনসভা,উঠান বৈঠক অব্যাহত রয়েছে।তার প্রতিটি গণসংযোগ যেন জনসমুদ্রে রুপ নিচ্ছে।সেলিনা মির্জার পক্ষে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ও গণজোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা,পলাশ ডাঙ্গা যুব শিবিরের কমান্ডার,প্রয়াত এমপি আব্দুল লতিফ মির্জার সুযোগ্য কন্যা,উল্লাপাড়া উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেলিনা মির্জা মুক্তিকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় উপজেলাবাসী। সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, উল্লাপাড়ার সাবেক এমপি প্রয়াত নেতা আব্দুল লতিফ মির্জার পরিচিতি,অবদান,জনপ্রিয়তা ছিল পুরো সিরাজগঞ্জে।প্রয়াত বাবার স্বপ্ন পুরনে উল্লাপাড়া- সলঙ্গাবাসীর কাছে ভোট ও দোয়া চাইছেন তারই যোগ্য কন্যা,একজন পর্দানশীল, নীতিবান একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী মুক্তি মির্জা। ইতিমধ্যেই তিনি তার নির্বাচনী পথসভা,গণসংযোগে বলে বেড়াচ্ছেন যে,আমার বাবা প্রয়াত এমপি আব্দুল লতিফ মির্জাকে ভোট দিয়ে আপনারাই উল্লাপাড়া-সলঙ্গার এমপি বানিয়েছিলেন।তিনি শান্তির উল্লাপাড়া,স্বপ্নের সলঙ্গা রেখে গেছেন।কিন্ত তিনি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেন নি।বাবার মৃত্যুর পর উপজেলার রাজনীনিতে হাহাকার দেখা গেছে।শুন্যতা বিরাজ করছিল নেতাকর্মীদের মনে।তখন থেকেই আমাকে এমপি নির্বাচন করতে অনেকেই বলেছিলেন।সর্বোচ্চ মাঠের অবস্থান ভালো থাকার পরও যে কারনেই হোক জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিতে পারেন নাই।ওনার সিদ্ধান্ত আমি মাথা পেতে নিয়েছি।স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে না গিয়ে বাবার সহযোদ্ধা শফি চাচাকে মুরুব্বী হিসেবে সম্মান দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করি নাই।উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আমার নির্বাচনে ঈর্শ্বাম্বিত হয়ে হাতে গোনা কয়েকজন নেতা আমাকে নানা ভাবে কটুক্তি,অপদস্ত করা হচ্ছে। লতিফ মির্জা সারা জীবন আপনাদের ভাই হয়ে,বন্ধু হয়ে আপনাদের পাশে ছিল।
    আমার বাবা সারা জীবন আপনাদের পাশে ছিল।ভাইয়ের মত শ্রদ্ধা করত,বন্ধুর মত ভালো বাসতো,বাবার মত সম্মান করত। প্রয়াত বাবা লতিফ মির্জার প্রতি মানুষের ছিল দৃঢ় ভালোবাসা। সাধারন মানুষের কাছে তিনি ছিলেন একজন সাদা মনের মানুষ আর নিষ্কন্ঠক রাজনীতিবিদ।সুখে-দুখে,বিপদে-আপদে তার একটাই ধ্যান-জ্ঞান ছিল,উল্লাপাড়া-সলঙ্গার মানুষের জন্য কাজ করা। তিনি নিজের জন্য কিছুই করেন নাই।স্ত্রী,সন্তান,পরিবার রেখে দিনরাত মানুষের সেবা করে গেছেন।আমি তারই সন্তান।আপনাদের বোন, আপনাদের মা।আমি যতদিন বেঁচে আছি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।চেয়ারম্যান হয়ে নিজের কোন সুযোগ সুবিধা বা ক্ষমতার লোভ আমার প্রয়োজন নাই।প্রার্থী হয়েছি মরহুম বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে,উল্লাপাড়ায় আওয়ামী লীগের পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ফিরে আনতে।হারিয়ে যাওয়া লতিফ মির্জার নেতৃত্বকে ফিরিয়ে আনতে এবং নেতাকর্মীদের হাহাকার দুর করতে চাই।তাই আমাকে বিজয়ী করার দায়িত্ব আপনাদের হাতে।সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে বলে এসেছি,যোগ্য পিতার সন্তান মুক্তি মির্জাকে উল্লাপাড়া-সলঙ্গাবাসী ভালোবেসে ভোট দিবেন।আমি শতভাগ বিজয়ের আশাবাদী।আশা করি, উল্লাপাড়া-সলঙ্গার মানুষ এবার বুঝিয়ে দিবে,ভোটের মাধ্যমে লতিফ মির্জার মেয়ে আমি মুক্তি মির্জাকে জয়যুক্ত করবে ইনশাআল্লাহ।

  • নড়াইলে পিঠে ছুরিবিদ্ধ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ

    নড়াইলে পিঠে ছুরিবিদ্ধ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    নড়াইলের লোহাগড়ায় পিঠে ছুরিবিদ্ধ অবস্থায় ফয়সালা মুন্সী (১৫) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (১৩ মে) রাত ৯টার দিকে লোহাগড়া পৌরসভার লক্ষীপাশা গ্রামের মারকাজুল মাদরাসার উত্তর পাশের সড়ক থেকে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    নিহত ফয়সাল মুন্সী উপজেলার লোহাগড়া ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের আহমেদ মুন্সীর ছেলে। সে পেশায় ইজিভ্যান চালক ছিলেন।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে বাড়িতে ফেয়ার সময় সাংবাদিক রূপক মুখার্জি লোহাগড়া পৌরসভার মারকাজুল মাদরাসার উত্তর পাশের সড়ক দিয়ে বাড়ি ফিরছেলন প্রতিমধ্যে পিঠে ছুরিবিদ্ধ অবস্থায় এক কিশোরের মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কি কারনে কারা তাকে পিঠে ছুরিবিদ্ধ করে হত্যা করে ফেলে গেছে তা বিস্তারিত জানা যায়নি।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনা তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • রায়গঞ্জে দুৃনীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

    রায়গঞ্জে দুৃনীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    রুখবো দুর্নীতি,গড়বো দেশ,হবে সোনার বাংলাদেশ- এ প্রতিপাদ্য নিয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় দুই দিনব্যাপী দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএনও মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মুহ. শামসুল হক। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রায়গঞ্জ উপজেলা সদর ধানগড়া মহিলা কলেজের বাংলা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. সাজেদুল আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আপেল মাহমুদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হাসান শেখ, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ফিরোজ উদ্দিন খান প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নূরন্নবী মিঞা, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহমুদুর রহমান, উপজেলা আইসিটি বিভাগের সহকারী প্রোগ্রামার মো. মোহায়মেনু, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও ধানঘরা উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার সাহা, সদস্য ও শিক্ষার্থী মহুয়া সাহা, সদস্য ও রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি টিএম কামরুজ্জামান, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচএম মোনায়েম খান প্রমুখ। প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আটটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। এর আগে উপজেলা চত্বর থেকে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক- শিক্ষার্থী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অংশ নেন।

  • বাবুগঞ্জে  মেধাবী স্কুল ছাত্রী তামান্নাকে জোর পূর্বক ধর্ষনের পর হত্যার প্রতিবাদে  মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

    বাবুগঞ্জে মেধাবী স্কুল ছাত্রী তামান্নাকে জোর পূর্বক ধর্ষনের পর হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

    কেএম সোহেব জুয়েল ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুরর সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনীর মেধাবী শিক্ষা র্থী তামান্না আক্তার হত্যার প্রতিবাবে ১৪ মে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় আগরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেইন রোড সড়কে দের ঘন্টার অধিক সময়ের মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।

    এ সময় আগরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আগরপুর আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় দের হাজারের অধিক শিক্ষার্থী এবং এ সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবক সহ স্হানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তব্যে আগরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মদ প্রধান শিক্ষক কমল কান্তি দাস বলেন, তামান্না আমার বিদ্যালয়ের আদরের দ্বিতীয় শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী ছিলেন, ওকে শুধু নর পিচাশরা হত্যাই করে নাই ধর্ষনের পর হত্যা করে অপরাধকে আড়াল করার জন্য গলায় ফাঁস লাগিয়ে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছেন। তাই এই জঘন্যতম অপরাধের জন্য প্রশাসনের সর্বমহলে সর্বচ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি করেন প্রধান শিক্ষক কমল কান্তি দাস। স্কুল সভাপতি মোঃ ছানাউল হক সহ উপস্হিত ব্যাক্তি বর্গরা। এ সময় উপস্থিত থেকে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, আগরপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ এবায়দুল হক শাহীন, আগরপুর আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক ও তামান্নার বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মোঃ জামাল হোসেন , তামান্না মাতা মোসাম্মৎ তানজিলা বেগম, বাবা মোঃ আমির হোসেন ফকির প্রমুখ। এ সময় তামান্নার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তামান্না হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পরেন।

    অপর দিকে স্কুল সভাপতি মোঃ ছানাউল হক মিয়া ব্যাস্হতার কারনে প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত থাকতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করে সংবাদ কর্মিদের উদ্দেশ্য বলেন, আপনারা দেশের দর্পন তাই আপনাদের মাধ্যমে সত্য উদঘটনে তামান্না হত্যা অপরাধিদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি হবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

    উল্লেখ এ বিষয় বাবা-ছেলেসহ পরিবারের ৫ সদস্য’র বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৬ মে সোমবার নিহত শিশুর মা তানজিলা বেগম বাদী হয়ে বরিশাল নারী ও শিশু আদালতে উজিরপুর পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সুলতান হাওলাদারের ছেলে মোঃ তাওহীদ হাওলাদার ও তার বাবা সুলতান হাওলাদার, মা নাজনীন বেগম,বোন সুমি আক্তার, সিমু আক্তারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ৩ মে দুপুর ১২টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামের আমির ফকিরের মেয়ে তামান্না আক্তার (১০)এর উজিরপুর পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোঃ সুলতান হাওলাদারের একতলা ভবনের ছাদে ওঠার দরজার আড়ার সাথে ওড়না প্যাচানো অবস্থায় ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই শিশুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। নিহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়, গত ২ মে বিকেলে উজিরপুরে দূরসম্পর্কের খালু সুলতান হাওলাদারের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলো। এরপর তাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় ৩ দিন পরে ৬ মে বরিশাল নারী ও শিশু আদালতে ধর্ষণ ও শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে গলায় ওড়না পেছিয়ে ঝুলিয়ে রাখার অপরাধে আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বিচারক উজিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জকে এফআইআর করার জন্য নির্দেশ প্রধান করেন। শিশুটির মা সংবাদকর্মীকে বলেন সুলতান নিজে ও বিভিন্ন লোক দিয়ে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ।এ হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টিতে কামনা করেছেন নিহত শিশুর পরিবারসহ এলাকা বাসী