Blog

  • পাবনায় প্রচারণায় এগিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ খান

    পাবনায় প্রচারণায় এগিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ খান

    এম এ আলিম রিপন ঃ আগামী ২৯ মে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় এগিয়ে আছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ¦ মোঃআবু সাঈদ খান বলে ভোটারেরা জানিয়েছেন। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে সরগম হয়ে উঠেছে ভোটের মাঠ। প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের নির্বাচনী পোস্টারে ছেয়ে গেছে গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজার,অলিগলি শহরের গুরুত্বপূর্র্ণ সড়কগুলো। গণসংযোগসহ উঠান বৈঠক ও পথসভা চলছে প্রতিদিন। জমজমাট হয়ে উঠেছে নির্বাচনের প্রচারণা। এ উপজেলার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা জানাগেছে ,যে কয়জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তার মধ্যে ভোটযুদ্ধে ও জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বার বার নির্বাচিত সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ও বর্তমানে পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থী আলহাজ¦ আবু সাঈদ খান। দিন যত ঘনিয়ে আসছে হেলিকপ্টার প্রতীকের পক্ষে বিপুল জনসমর্থন লক্ষ্য করা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়,গ্রহণযোগ্যতা ও প্রচারণায় বহুগুণ এগিয়ে রয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ¦ আবু সাঈদ খান। পাবনা পৌর শহরের কাঁলাচাদপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাজন বিশ^াস বলেন পাবনা সদর উপজেলাকে একটি স্মার্ট উপজেলা গড়তে আবু সাঈদ খানের বিকল্প নেই। ভাঁড়ারা ইউনিয়নের বাসিন্দা রবি শেখ বলেন, হেলিকপ্টার মার্কা ভোটারদের মাঝে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে। কোলাদী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বিশ^াস বলেন, আবু সাঈদ খান সবসময় বিপদে আপদে জনগণের পাশে থাকেন ,তাই এবারে আমরা তাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবো । চরতারাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল মতিন জানান, দিনরাত উপজেলার আনাচে-কানাচে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ইতিমধ্যে ভোটারদের মন জয় করে নিয়েছেন আবু সাঈদ খান। নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে গতকাল উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের তারাবাড়িয়া মাদ্রাসা মাঠে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ¦ আবু সাঈদ খানের এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে সভাটি জনসভায় পরিণত হয়। সভায় আলতাব হোসেন খান, মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন । সভায় পাবনা সদর উপজেলাকে একটি স্মার্ট উপজেলা গড়তে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থী আলহাজ¦ আবু সাঈদ খান বলেন, আমি সাধারণ মানুষের প্রার্থী হয়েছি।উপজেলার মানুষ আমার পক্ষে কাজ করছে।আপনারা আমাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী করলে এ উপজেলা থেকে মাদক,ইভটিজিং,বাল্যবিবাহ বন্ধ করার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া উপজেলার রাস্তাঘাট,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি । জয়ের ব্যাপারে ইনশআল্লাহ শতভাগ আশাবাদী উল্লেখ করে তিনি উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চান এবং তাদের মাধ্যমে উপজেলাবাসীর কাছে দোয়া ও ভোট কামনা করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা খচিত জাতীয় স্মার্ট কার্ড পেলেন কেশবপুরের মোসলেম উদ্দীন

    বীর মুক্তিযোদ্ধা খচিত জাতীয় স্মার্ট কার্ড পেলেন কেশবপুরের মোসলেম উদ্দীন

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধ খচিত স্মার্ট কার্ড ও সম্মান সূচক ক্রেস্ট পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ মোসলেম উদ্দীনসহ দেশের ১০৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা কে। ২৩ মে সকালে নির্বাচন ভবন অডিটরিয়ামে (বেইজমেন্ট-২) সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের নিকট থেকে তিনি এই বীর মুক্তিযোদ্ধা খচিত স্মার্ট কার্ড ও সম্মানসূচক ক্রেস্ট গ্রহন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান, নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা এবং নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।
    বীর মুক্তিযোদ্ধা খচিত স্মার্ট কার্ড ও সম্মানসূচক ক্রেস্টে ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ মোসলেম উদ্দীন কেশবপুর উপজেলার ১১নং হাসানপুর ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামের মৃত মহাতাব উদ্দীন ও মাতা আমেনা খাতুনের বড় ছেলে। তার এই সম্মাননায় বুড়িহাটি গ্রাম সহ কেশবপুর উপজেলাবাসী গর্বিত।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর

  • ধামইরহাটে ৩দিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

    ধামইরহাটে ৩দিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারনের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

    কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের আয়োজনে ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি প্রযুক্তি মেলা উপলক্ষে একটি র‌্যালী উপজেলা প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালী শেষে মেলার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান সরকার এম.পি। উদ্বোধন শেষে তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সহকারী কমিশনার ভূমি জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দেলদার হোসেন, পৌর মেয়র আমিনুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদুল ইসলাম, স্বাগত বক্তা উপজেলা কৃষি অফিসার তৌফিক আল জুবায়ের, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনছুর আলী, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বেদারুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মিলন কুমার, বিসিআইসি সার ডিলার কামরুজ্জামান, প্যানেল মেয়র মেহেদী হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে ২০০ জন কৃষকের মাঝে নাসিক এন-৫৩ জাতের গ্রীষ্মকালীন ১ কেজি পেয়াজের বীজ, ২০ কেজি এমওপি (পটাশ) ২০ কেজি করে ডিএপি ও ২ প্যাকেট করে কীটনাশক প্রদান করা হয়।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট নওগাঁ

  • পাইকগাছায় চেতনা নাশক খাইয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

    পাইকগাছায় চেতনা নাশক খাইয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
    পাইকগাছায় খাবারের সাথে চেতনা নাশক জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কৃষ্ণ নগর গ্রামের চাঁদখালী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল শিক্ষক কাজল কুমার রায়ের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসী অচেতন অবস্থায় পরিবারের চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
    অসুস্থ স্কুল শিক্ষক কাজল কুমার রায়ের স্ত্রী সুস্মিতা রায় জানান, শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমরা সকলে ঘুমিয়ে পড়ি। শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আমার মেয়ের প্রাইভেট শিক্ষক ডাকাডাকি করলে আমি কিছুটা বুঝতে পরি। সে সময় শিক্ষকসহ এলাকাবাসী আমাদের পরিবারের ৪ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে দেন। আমার স্বামী ও শাশুড়ি অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন। আমি এবং আমার ১১ বছরের মেয়ে আমরা এখনো অনেকটাই অসুস্থ। স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী আরো জানান, বাড়িতে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৭ লক্ষ টাকা আলমারিতে ছিল। পরে দেখা গেছে আলমারী ভেঙ্গে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে। থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পরিবারের সদস্যরা সুস্থ হলে অভিযোগ দিতে বলেছি। চক্রটি খুব শিঘ্রই গ্রেফতার হবে বলে আশা করছি।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • খুলনা জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    খুলনা জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
    খুলনা জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় পাইকগাছা এর দলিল লেখক সমিতি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পাইকগাছার সভাপতি আলহাজ¦ গাজী বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে গুরুত্বপূর্ণ এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সদরের দপ্তর সম্পাদক সালমান শেখ ও জেলা কমিটির কোষাধ্যক্ষ গাব্রিয়েল বিশ^াস এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা সদরের সভাপতি আলহাজ¦ বাহার উদ্দীন খন্দকার, বটিয়াঘাটার সভাপতি ও জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, তেরখাদার সভাপতি সেকেন্দার আলী, দাকোপ সভাপতি মহাসিন আলী, খুলনা সদরের সহ-সভাপতি ও জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক সুবোধ চক্রবর্তী, মইনুর রহমান, ইভান আলম, কবিরুল ইসলাম, মাহবুর রহমান মাসুম, সুভাষ সরকার, তরুণ কান্তি বৈরাগী ও মিলন। সভায় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নতুন জেলা কমিটি গঠন সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

  • প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভুক্তভোগী উপকূলীয় জনপদের মানুষ…এমপি রশীদুজ্জামান

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভুক্তভোগী উপকূলীয় জনপদের মানুষ…এমপি রশীদুজ্জামান

    ইমদাদুল হক পাইকগাছা (খুলনা)।।
    খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান বলেছেন, গণমানুষের রাজনৈতিক দল, দলটির রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা পরবর্তী প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রয়েছে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ন্যায় দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ দেশের প্রতিটি দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের কর্মীরা সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। স্থানীয় এ সংসদ সদস্য বলেন, মহামারী করোনাকালীন সময়ে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এ জন্য কোন মানুষের দুর্ভোগ হয়নি। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি বৈশি^ক সমস্যা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়েছে। যার ভুক্তভোগী দেশের উপক‚লীয় জনপদের মানুষ। তিনি বলেন, আমরা ইচ্ছে করলেই দুর্যোগ রোধ করতে পারি না। তবে সচেতন ও পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। তিনি অতিতের ন্যায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মীকে দুর্যোগ কবলিত মানুষের পাশে সেবকের ভ‚মিকায় থেকে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য দলীয় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি আহŸান জানান। তিনি শনিবার বিকালে ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠন আয়োজিত সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ শিমুল বিল্লাল বাপ্পি, নূরুল ইসলাম, মৃন্ময় মন্ডল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আমিনুর রহমান লিটু, জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার, পৌর সভাপতি আবির আক্তার আকাশ, সাধারণ সম্পাদক আরিফ আহম্মেদ জয়, ছাত্রলীগনেতা রিপন রায়, রাকিব ও ইমরান হোসেন।

  • সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির ফলে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন

    সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির ফলে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন

    মোংলা প্রতিনিধি

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এ পরিনত হয়েছে। এর ফলে মোংলা সমুদ্র বন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে মোংলা বন্দরে জারি করা হয়েছে নিজস্ব এলার্ট নম্বর ‘থ্রি’। বন্দরে অবস্থানরত সকল প্রকার বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য ওঠানামার কাজসহ অপারেশনাল কার্যক্রম সম্পর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল শাহীন রহমান শনিবার (২৫ মে) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মোংলা বন্দরের জেটিসহ পশুর চ্যানেলে নোঙর করা দেশি-বিদেশি ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজে পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধসহ ওই সকল জাহাজকে নিরাপদ নোঙ্গরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্দর কর্তৃপক্ষের অপারেশনাল সকল কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।

    বন্দরে একটি কন্ট্রোল রুম খোলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থেকে ঝড় মোকাবেলায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির ফলে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না বলেন, এরই মধ্যে ১০৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। ১৬’শ স্বেচ্ছাসেবক তাদের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন। প্রর্যাপ্ত শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত কোন আশ্রয় কেন্দ্রে দূর্গতরা আশ্রয় নেয়নি। উপজেলা ও পৌরসভায় পৃথক দুটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে বলেও জানান ইউএনও নিশাত তামান্না।

    পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র ও পর্যটন স্পটের ওসি হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির পর পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের প্রতিটি ষ্টেশনসহ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও বনরক্ষকীদের নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। করমজল বন্যপ্রাণী ও প্রজনন কেন্দ্রের বণ্যপ্রাণীদেরও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

  • বেতাগীতে রেমাল মোকাবেলায় প্রস্তুুত ১২৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র

    বেতাগীতে রেমাল মোকাবেলায় প্রস্তুুত ১২৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় বেতাগীতে প্রস্তুুত ১২৯টি আশ্রয় কেন্দ্র। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত ও জলোচ্ছ¡াসের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এই প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
    শনিবার (২৫ মে) স›দ্ব্যায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সহকারি কমিশনার (ভ’মি) বিপূল সিকদার জানান, ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয়ের জন্য বেতাগী উপজেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ১১৯টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে মেডিকেল টিম ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল।
    এছাড়া মজুদ করা হয়েছে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত আছে। সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারির ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য ১টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
    বেতাগী উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ফারুক আহমেদ বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে সেখানে আগাম সতর্কতার বিজ্ঞপ্তি প্রচার ও জনগণকে সচেতন করা, মানবিক কার্যাবলি গ্রহণ, প্রশাসনের সকলের সাথে সমন্বয়, নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা, আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত, আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনা খাবার, শিশু খাদ্য এবং গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করা, জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে।
    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.ওয়াহিদুর রহমান, বেতাগী থানার তদন্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় মজুমদার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স‘র উপজেলা ষ্টেশন আব্দুল লতিফ, বেতাগী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, উপজেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি লায়ন শামীম সিকদার, উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের দলনেতা সোহেল মীর. প্রশাসনের প্রধান খাইরুল ইসলাম মুন্না সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

  • আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে ২২জন জামায়েত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে ২২জন জামায়েত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ. এফ. এম সায়েদ এর নেতৃত্বে একদল চৌকস পুলিশ অফিসার অভিযান চালিয়ে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে ২২জন জামায়াত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছেন।

    পুলিশ জানায়, গত বছর মহাসড়কে নাশকতার মামলায় আশুলিয়ায় ২২ জন জামায়েত ইসলামীর নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছেন।

    শনিবার দুপুরে আশুলিয়া থানা থেকে গ্রেফতারকৃত আসামীদের ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠকের সময় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদেরকে গত বছরের ১ আগষ্টের নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

    পুলিশ জানায়, পূর্বের মামলায় তারা অজ্ঞাত আসামী ছিল। আটকের পর তাদের যাছাই বাছাই করে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে আশুলিয়ার জিরাবোতে মহাসড়কে জামায়েত ইসলামীর বিভিন্ন নেতাকর্মীর মুক্তির দাবীতে মিছিল ও বাস ভাংচুরের অভিযোগে মামলা হয়েছিল। সেই সময় জামায়েত ইসলামী ২৩ জন আজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ১আগষ্ট আশুলিয়া থানায় মামলা হয়েছিল বলে পুলিশ জানান।

  • যশোরের  বাগআঁড়ায় ভুতুড়ে  বিদ্যুৎ বিল

    যশোরের বাগআঁড়ায় ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল

    আজিজুল ইসলামঃ
    মিটার রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করা ও সময় মত বিল না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যশোরের বাগআঁচড়া অঞ্চলের পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

    যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -১ এর আওতায় বাগআচড়া সাব জোনাল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ গ্রাহকরা।

    প্রতি মাসে বাড়ি বাড়ি যেয়ে মিটার রিডিং না নেওয়া ও সময়মত বিদ্যুৎ বিল বাড়িতে পৌঁছে না দেওয়া টা তাদের নিয়মে পরিনত হয়েছে।গ্রাহকরা বলছেন,কয়েক মাস ধরে চলছে এ অবস্থা।অভিযোগ করেও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

    বাগআচড়ার জামতলা এলাকার আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ তারিখ প্রতিমাসের ২৬ তারিখ।অথচ ২৪মে শুক্রবার পর্যন্ত এলাকার কেউই মে মাসের বিলটি হাতে পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।

    একজন বিদ্যুৎ গ্রাহক লেছি ইয়াসমিন বলেন,মিটার রিডাররা প্রতিমাসে না এসে মাঝে মাঝে আসে।সব সময় তারা অনুমান নির্ভর বিল করে থাকে।এতে প্রকৃত বিল আমরা দিতে পারি না।বিশেষ বিশেষ সময় মিটার দেখে রিডিং নিয়ে আমাদের উপর বাড়তি বিলের বোঝা চাপিয়ে দেয়।

    অনুমান নির্ভর বিদ্যুৎ বিল হলেও, এত টাকার বিল তো হওয়ার কথা নয়। আর তারা অনুমান নির্ভর বিল দেবেই বা কেন?

    বিদ্যুৎ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও মিটার রিডারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর মিটার রিডাররা বাসায় বাসায় গিয়ে মিটারের বর্তমান রিডিং নিয়ে আসেন। সেই রিডিং থেকে আগের মাসের প্রাপ্ত রিডিং বাদ দিলেই এই মাসের ব্যবহৃত বিদ্যুতের হিসাব পাওয়া যায়। সেগুলো বিভিন্ন স্ল্যাব অনুযায়ী হিসাব করে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল করা হয়।

    মিটার রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা।

    সামটা গ্রামের সেলিম রেজা বলেন,এদের পলিসিটা হলো এরা দু-চার মাস প্রকৃত বিলের চাইতে ইউনিট কম লেখে।বিশেষ করে জুন ও ডিসেম্বর মাসে প্রকৃত ইউনিট দিয়ে বিল করে তাতে এদের লাভ হচ্ছে বেশি ইউনিটে রেট বেশি পাওয়া যায়। আমরা জনগন আমাদের কিছু করার থাকে না। এ যেন শরতবাবুর শুভঙ্করের ফাঁকি।
    জামতলা জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান বলেন, গত মাসের
    (এপ্রিল) জামতলা জামে মসজিদের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ওরা দেয়নি।আজ ২৪মে।মে মাসের বিল দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬মে অথচ মে মাসের বিলের কাগজও পায়নি।দায় তাদের,অথচ জরিমানা দিতে হবে আমাদের।
    একই কথা বলেন সোহেল রানা।তিনি বলেন,আমিও গত মাসের বিলের কাগজ পায়নি।মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দেখে বিল দিলাম। এখনও এমাসের বিলের কাগজ পায়নি।

    বাগআচড়ার গোলাম রব্বানী বলেন,ওরা আমার মিটারের রিডিং না দেখে বিল করেছে ১২হাজার ৭৩৮ টাকা।এব্যাপারে অফিসে যোগাযোগ করলে তারা বলছে, ‘তোমার বাড়ি এসি চলে তাই অতিরিক্ত বিল এসেছে।’ অথচ আমার বাড়ি কোন এসি নেই।বুঝিয়েও কোন লাভ হয়নি কারন ওদের রিডিং বই এ লেখা আছে আমার বাসায় এসি চলে।
    টেংরা গ্রামের শামীম আহমেদ বলেন,
    গত মাসে এক দিন আগে বিলের কাগজ পাইছি।বিদ্যুৎ অফিসের লোকেদের গ্রামে কিছু খাসচামচা (ইলেকট্রিশিয়ান)আছে যাদের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কপি দিয়ে যায়।এরাই মুলত গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেয়।একারনেই সময় মত গ্রাহকরা বিল হাতে পায় না।

    বাগআচড়া সাব জোনাল অফিসের এজিএম গাজী সোহরাব হোসেনের কাছে জানাতে চাইলে তিনি বলেন,বিদ্যুৎ বিল রিডিং যারা করেন তারা বাড়ি বাড়ি গিয়েই তো বিল রিডিং করে।তারা কেন অফিসে বসে বিল রিডিং করবে।এটা কোন সমস্যা না দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।আমাদের নতুন বিল রিডার এসেছে অনেক সময় বাড়ি খুজে পাইনা এজন্য হয়তো দেরি হয়ে গেছে। তবে সব কিছু দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।