Blog

  • দু, মাদক কা-রবারিকে ৫০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ আট-ক করেছে পুলিশ

    দু, মাদক কা-রবারিকে ৫০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ আট-ক করেছে পুলিশ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী ঃ মাদকের নিরাপদ ঘাটি হিসেবে কুখ্যাত রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী ও চাপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী পথগুলি। কোন না কোন ভাবে বিজিপি, পুলিশ, ডিবিপুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রবেশ করে হেরোইন, ফেনসিডিল, মরিফিন, ইয়াবা, ভারতীয় দামী মদ বিনিময়ে ভারতে পাচার পথে যাচ্ছে সোনা, ইলিশ মাছ, তামাসহ নামি-দামি সামগ্রী। ভারত থেকে অবৈধ পথে প্রবেশকৃত মাদক বিষবাষ্পের মত দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে রাজশাহী, বগুড়া, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, চিটাগং, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। ফলে যুবসমাজের অকালে মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যগুলি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থেকে কিছু মাদকের চালান আটক করলেও এর সিংহভাগ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

    গত ২৩ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি. সকাল সাড়ে ১১ টায় গোদাগাড়ী থানাধীন কুঠিপাড়া গ্রামস্থ কুঠিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বে পদ্মা নদীর ধারে মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন-সহ দুই জন মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে।

    ​গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার বকচর গ্রামের মৃত হাববুর রহমানের পুত্র মোঃ গোলাম মোস্তফা (৪৬) এবং একই গ্রামের মৃত নোমান আলী মন্ডলের পুত্র আব্দুর রশিদ (৪০)।

    গোদাগাড়ী মডেল ​থানা সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) এম এ কুদ্দুস ফোর্স-সহ ডাইংপাড়া মোড় ও সংলগ্ন এলাকায় ডিউটিতে নিয়োজিত থাকাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, দুই ব্যক্তি নৌকায় করে হেরোইন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পদ্মা নদীর ধারে অবস্থান করছেন।

    ​এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত মোঃ গোলাম মোস্তফার দেহ তল্লাশি করে তার ডান হাতে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বাজার করার ব্যাগের ভিতর ৫টি সাদা স্বচ্ছ পলিথিনের প্যাকেটে রক্ষিত ৫০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ​এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন সহযোগীর বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

    বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সাংস্থার সদস্য ও এলাকাবাসী জানান, শুধুমাত্র মাদক ব্যবসা করে গোদাগাড়ী পৌরসভার শূন্য থেকে কোটি কোটি টাকার ও শ শ বিঘার জমির মালিক, ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনায় মার্কেট, ফ্লাইটের মালিক এমন লোকের সংখ্যা ৫ শতাধিক। তারা আগে ডিম বিক্রেতা, ভ্যান, রিকশা চালক, কুলিগিরি, পান, সিগারেট, শ্রমিক, সাইকেল মেকার, ঢাকা গাড়ীর হেলপার ছিল। সংগত কারনে তারা এখন সমাজের উপরে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ নির্বাচনে কালো টাকা জড়িয়ে হয়েছেন মেয়র, কাউন্সিলর, উপজেলার চেয়ারম্যান, ইউপির চেয়ারম্যান, মেম্বার, টাকা দিয়ে পদ কিনে হয়েছেন রাজনৈতিক দলের নেতা পাতিনেতা। দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নামীদামী ব্যান্ডের মোটরসাইকেল, গাড়ী, মাইক্রো।
    সঙ্গত কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    এদিকে জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ীরা লক্ষ লক্ষ টাকা উৎকোচের বিনিময়ে আওয়ামীলীগের পদ পদবী বাগিয়ে নিয়েছেন, বিভিন্ন সংস্থার তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট, মাদক ব্যবসায়ী যাদের এক এক জনের বিরুদ্ধে ৩/৪ টিও বেশী মাদকের মামলা চলমান রয়েছে অথচ ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা উৎকোচ দিয়ে হয়েছেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা, নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি করে প্রভাব খাটিয়ে হয়েছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর, মেম্বার, ইউপি চেয়ারম্যান, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, এমপি। তারা নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে মাদক ব্যবসাকে আরও উৎসাহিত করছেন।

    ইউনিয়ন থেকে পৌরসভা, উপজেলা পর্যায়ে সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, সাংগাঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদ পেয়েছেন তারা ।
    ওই সব হাইব্রিড, পরগাছা, অনুপ্রবেশকারী নেতারা পদ পেয়ে গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন, মাদক, টেন্ডাররবাজি, চাঁদাবাজি, জমি দখল, খাসপুকুর দখল, সরকারি খাদ্যগুদামে রাতারাতি গম, ধান, চাল অবৈধভাবে প্রবেশ করিয়ে অঙ্গুল ফুলে কলাগাছ, তার পরে বটবৃক্ষ হয়েছেন। তারা এখন দল থেকে বহিস্কার হচ্ছেন। পদ হারিয়েও যেন তারা কোটিপতি, ফুলে ফেঁপে উঠেছে, কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, কউ কেউ রয়েছেন আত্নগোপনে। কিছু অসৎ পুলিশ, ডিবি পুলিশ সদস্য, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকতা, মাদকব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক রাখার অভিযোগ অনলাইন, স্থানীয়, জাতীয় পত্রিকা, টিভি সংবাদে উঠে এসেছে। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • দলের মধ্যে বি-ভাজন সৃষ্টি করবেন না -মাহমুদ হোসেন

    দলের মধ্যে বি-ভাজন সৃষ্টি করবেন না -মাহমুদ হোসেন

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বা অন্যান্য দলের মধ্যে প্রার্থী বাছাই করছে। আমি জানি এই আসনটি পিরোজপুর দুই আসন কিন্তু অনেকেই আসনটিকে নিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়। ভান্ডারিয়ার প্রার্থী কাউখালির প্রার্থী স্বরূপকাঠির প্রার্থী, ভান্ডারিয়া কাউখালী সড়ককাঠির প্রার্থী বলে কোন কথা হয় না। এটা পিরোজপুর ২ আসনের প্রার্থী।সুতারং দলের ভেতর বিভাজন সৃষ্টি করবেন না। দলের স্বার্থে সবাইকে এক হতে হবে।

    বিভাজন সৃষ্টি করা ভালো কথা নয়। দলের স্বার্থে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, যার যে অবস্থান থেকে আমরা এই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরো শক্তিশালী করতে চাই। আমাদের উদ্দেশ্য একটাই এবারের নির্বাচনে তারেক রহমান সাহেবকে ক্ষমতায় নিয়ে আসবো। যদি নিয়ে আসতে পারি তাহলেই এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

    তারেক রহমানের ঘোষিত একত্রিশ দফা বাস্তবায়নে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে উত্তর-পশ্চিম সোহাগ দল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত লিফলেট বিতরণী এক জনসভায় পিরোজপুর ২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন এই কথা বলেন,

    এসময় তিনি আরো বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি এবং নব্য যে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে এই দুই সত্যি এক হয়ে এদেশের মানুষের অনেক ক্ষতি করছে বা এখনো করতে চায়। তাই আমাদের সব সময় এক থাকতে হবে। আমারা সকলে মিলে তারেক রহমানকে আগামীতে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে। সমাজের স্বার্থে দেশের স্বার্থে, কোন ব্যক্তির স্বার্থে কথা চিন্তা না করে আমরা সবাই ধানের শীষের পক্ষে থাকবো। এবং তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন করাই আমাদের এখন একটাই কাজ।

    তিনি আরো বলেন, এদেশের যে সরকার ছিল ১৭ বছরে তারালুটপাট করে দেশটাকে শেষ করে দিয়ে গেছে বলতে গেলে এদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করে দিয়ে গেছেন। এর দায়িত্ব আমরা সবাই তারেক রহমানকে দিতে চাই। তার বাবা যে কাজটি করে যেতে পারেননি। তারই সন্তান তারেক রহমানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষ সেটা ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশ হবে একটি সুন্দর দেশ , যে দেশটির স্বপ্ন আমরা সেই পাকিস্তান আমল থেকে দেখে এসেছি। কিন্তু আমাদের সেই স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়িত হয়নি। আশা করি ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দল নিরঙ্কুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসবে ইনশাআল্লাহ।

    এ সময় জনসভায় উপস্থিত সকলের হাতে তারেক জিয়ার ঘোষিত একত্রিশ দফার লিফলেট বিতরণ করা হয়। নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি ও স্বরূপকাঠি পৌর শাখার নেতা কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিলো জাতীয়তাবাদী দলের মহিলা নেতৃবৃন্দের।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।।

  • জীবনের ঝুঁ-কি নিয়ে জীবিকার লক্ষে মাছ ধরতে পাইকগাছার জেলেদের সমু-দ্রযাত্রা

    জীবনের ঝুঁ-কি নিয়ে জীবিকার লক্ষে মাছ ধরতে পাইকগাছার জেলেদের সমু-দ্রযাত্রা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    জীবনের ঝুঁকি ও ঋণের বোঝা নিয়ে মৎস্য আহরণে সমুদ্রে যাত্রা করছে উপকুলের পাইকগাছার সমুদ্রগামী জেলারা। ইলিশ ধরার জন্য নিষিদ্ধ সময় ২৫ অক্টোবর শেষ হলে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুম শুরু হবে। সমুদ্রগামী শুটকী পল্লী জেলেরা জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে মৎস্য আহরণ করলেও নানা প্রতিকূলতায় ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেনি। ক্রমবর্ধমান ক্ষতির মুখে পড়ে পুজি, জাল ও নৌকা হারিয়ে অনেকেই পেশা বদলেছেন। আবার অনেকে চড়া হারে মহাজনদের কাছ থেকে টাকা সুধে নিয়ে এ পেশায় টিকে থাকার জন্য কঠোর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
    পাইকগাছা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা গেছে, শীত মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য পাইকগাছার জেলে পল্লীগুলো থেকে প্রায় আড়াই শত ট্রালার ও নৌকা নিয়ে ১৯৫০জন জেলে রওনা দিয়েছে। ২২ অক্টোবর বুধবার পাইকগাছা থেকে রওনা দিয়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে তারা মোংলায় অবস্থান করবে। নিষেধাজ্ঞা সময় শেষ হলে পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে অস্থায়ী জেলে পল্লী তৈরি করে থাকবে।
    জেলেরা সমুদ্রে মৎস্য আহরণকে ঘিরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় জীবনের ঝুকি নিয়ে চলেছে উপকূলের জেলেরা। সাগরে যেতে যে যার মত প্রস্তুত করছেন জাল, দড়ি, নৌকা-ট্রলার। কেউ কেউ গড়ছেন নতুন ট্রলার, আবার কেউ পুরাতন নৌকা মেরামত করে নিয়েছেন। প্রস্তুতি অনুযায়ী অনেকেই আগেভাগে রওনা দিয়েছেন।
    দুবলার চর বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি দ্বীপ যা চর নামে হিন্দুধর্মের পূণ্যস্নান, রাসমেলা এবং হরিণের জন্য বহুল পরিচিত। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। এই চরের মোট আয়তন প্রায় ৮১ বর্গমাইল। দুবলার চরে তৈরি হয় জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শোকানোর কাজ। বর্ষা মৌসুমের ইলিশ শিকারের পর বহু জেলে পাচ মাসের জন্য সুদূর কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ, বাগেরহাট, পিরোজপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা থেকে ডেরা বেঁধে সাময়িক বসতি গড়ে সেখানে। মেহেরআলীর খাল, আলোরকোল, মাঝেরচর, অফিসকেল্লা, নারিকেলবাড়িয়া, মানিকখালী, ছাফরাখালী ও শ্যালারচর ইত্যাদি এলাকায় জেলে পল্লী স্থাপিত হয়। এই পাচ মাস তারা মাছকে শুঁটকি বানাতে ব্যস্ত থাকেন। এখান থেকে শুঁটকি চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জের পাইকারী বাজারে মজুদ ও বিক্রয় করা হয়।
    খুলনা জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পলি জমে ভরাট হওয়ায় শুধুমাত্র সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল হওয়ার কারণে ও নানা প্রতিকূলতায় ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেনি জেলে পরিবারগুলো। তফশীলি ব্যাংক থেকে জেলেদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করার কথা থাকলেও বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেওয়ায় তা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হয়।
    পাইকগাছা উপজেলার বোয়ালিয়া জেলে পল্লীর বাসিন্দা শিতেনাথ বিশ্বাস বলেন, প্রতি বছর আমরা মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ করে সমুদ্রে যাই। সরকারিভাবে আমরা তেমন কোন সাহায্য সহযোগীতা পাইনা। সুন্দরবনে জলদস্যু-বনদস্যুর উৎপাত ও মুক্তিপণ আদায়সহ আসাধু বনরক্ষীদের দৌরাত্ম্য কিছুটা বন্ধ হলেও এখনও সীমাহীন সমস্যায় মধ্যে থাকতে হয় আমাদের।
    বোয়ালিয়ার জেলে দিপঙ্কর বিশ্বাস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রতিবছর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র থেকে মাছ ধরে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব দেই সরকারকে। কিন্তু আমরা সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য কোন ঋণ পাই না। জেলেদের সকল সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণসহ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা খুলনা।

  • নড়াইলের লোহাগড়ায় আই-নশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন এসপি

    নড়াইলের লোহাগড়ায় আই-নশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন এসপি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোহাগড়ায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন এসপি
    রবিউল ইসলাম। নড়াইলের লোহাগড়া থানায় সর্বস্তরের জনগণের সাথে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) লোহাগড়া থানা পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মোঃ রবিউল ইসলাম, পুলিশ সুপার, নড়াইল।
    পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে বজায় থাকে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে সমৃদ্ধ হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোন অবনতি যাতে না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কোন মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে হয়রানি করবেন না। পুলিশ জনগণের পাশে থেকে আপনাদের সব সময় সহযোগিতা করবে। পুলিশ জনগণের বন্ধু, কোন প্রকার দালাল ছাড়া নির্ভয়ে পুলিশি সেবা গ্রহণ করুন। এ সময় তিনি মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, সাইবার ক্রাইম, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা করেন এবং এর সাথে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে দুটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতারসহ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে নড়াইল জেলা পুলিশ, অপরাধী যতই আড়ালে অপরাধ করুক না কেন আইনের চোখে তা দিনের আলোর মতোই দৃশ্যমান।

    পুলিশ সুপার এসপি রবিউল ইসলাম সকলকে
    ১। আধিপত্য বিস্তার,
    ২।গ্রাম্য কাইজ্যা,
    ৩। দলীয় গ্রুপিং,
    ৪। সামাজিক ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব,
    ৫।মাদক,
    ৬। জুয়া,
    ৭। ইভটিজিং,
    ৮। মানব পাচার,
    ৯। নারী নির্যাতন ও বহুবিবাহ,
    ১০। সামাজিক অবক্ষয়,
    ১১। কিশোর অপরাধ ও দলবদ্ধ হয়ে আইন লঙ্ঘন,
    ১২। বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।
    ধর্মীয় উস্কানি, অপপ্রচার বা প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন। সংখ্যালঘু লোকজন যাতে নির্যাতিত হয়ে বাসস্থান ত্যাগে বাধ্য না হয়, সেজন্য পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কারো বিরুদ্ধে ধর্মীয় উস্কানি, অপপ্রচার, প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো অথবা সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
    থানা হচ্ছে জনগণের আস্থার আশ্রয়স্থল, থানার উপর আস্থা রাখুন, থানায় এসে নির্ভয়ে পুলিশি সেবা গ্রহণ করুন।
    উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মোঃ রকিবুল হাসান, বিপিএম সেবা, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) নড়াইল, মোঃ শরিফুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, লোহাগাড়া থানা, নড়াইল, অজিত কুমার রায়, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত), লোহাগড়া থানা, নড়াইল, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নড়াইল জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে।

  • র‌্যাব-১২ এর অ-ভিযানে ১০৮ গ্রাম হেরোইনসহ ১ জন মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২ এর অ-ভিযানে ১০৮ গ্রাম হেরোইনসহ ১ জন মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে সলংগা থানা এলাকা হতে ১০৮ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব সফলতার সাথে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ২৩ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিঃ বিকাল ১৫.১৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রামারচর নামকস্থানে সোহাগ ভাই হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে দক্ষিণ পার্শ্বে রাজশাহী হতে ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০৮ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা মাদকদ্রব্য হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ১,৫৫০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামি ০১। মোঃ লালন (২৭), পিতা- মৃত বাবু, সাং-চক জামিরা, পোস্ট-জামিরা, থানা- পুঠিয়া, জেলা-রাজশাহী।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে মাদকদ্রব্য হেরোইন বাসে বহন করে নিজ হেফাজতে রেখে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন শহর ও তার আশপাশ এলাকায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন- মাদকমুক্ত, বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • পাত্রীর প্রাপ্ত বয়স না হওয়ায় বিয়ে বাড়িতে না খেয়ে ফিরে গেলেন ইউএনও

    পাত্রীর প্রাপ্ত বয়স না হওয়ায় বিয়ে বাড়িতে না খেয়ে ফিরে গেলেন ইউএনও

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    নেছারাবাদে স্বপরিবারে বিয়ের দাওয়াতে গিয়ে কনের বয়স ১৮ বছরের নিচে জানতে পেরে দাওয়াত না খেয়েই ফিরে গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম। পরে কাজী বিয়ে না পড়িয়েই খাওয়া দাওয়া না করে চলে যান তিনিও। ফলে বিয়ে অনুষ্ঠানটি আর সম্পন্ন হয়নি।

    শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দৈহারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কনের বয়স ১৬ বছর বলে জানা গেছে। সে গেল বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়। এ বছরই তার বিয়ের আয়োজন করা হয়।

    জানা যায়, বর শেখ মো. অনিক (২৩) জগন্নাথকাঠি গ্রামের মো. জাকির হোসেনের ছেলে এবং কনে মোসাম্মৎ মুন্নি আখতার (১৬) দৈহারী গ্রামের বাবুল হাওলাদারের মেয়ে।

    বিয়ে পড়াতে যাওয়া কাজী মো. ইসহাক আলী বলেন, “প্রথমে আমাকে জানানো হয় মেয়ের বয়স ১৮ বছর। পরে কনের প্রকৃত বয়স ১৬ জেনে আমি বিয়ে পড়াইনি। ইউএনও সাহেবও বিষয়টি জানার পর স্বপরিবারে না খেয়েই চলে যান।”

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আল আমীন জানান, “বিয়ে বাড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। ইউএনও সাহেব স্বপরিবারে দাওয়াতি ছিলেন। কনের বয়স কম শুনেই চলে গেলে কাজী এবং আমি নিজেও ফিরে এসেছি। আমরা কোন খাওয়া দাওয়া করিনি।

    ইউএনও মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি ব্যক্তিগত অনুরোধে দাওয়াতে গিয়েছিলাম। কনের বয়স কম জেনে আইনগত ও নৈতিক দিক বিবেচনায় দাওয়াত না খেয়েই ফিরে এসেছি। পরে জানতে পেরেছি, বিয়েটি আর হয়নি।

  • আশুলিয়ায় কু-খ্যাত মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় কু-খ্যাত মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আজম মোল্লাকে গ্রেফতার!

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর ২০২৫ইং) সকালে ডিবি পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক জনাব মোঃ আনিসুজ্জামান (পিপিএম), পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ মোঃ জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আঃ মুত্তালিব সংগীয় ফোর্সসহ অদ্য (২৩/১০/২০২৫ইং) দিবাগত ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল পশ্চিমপাড়া সাকিনস্থ জনৈকা হাসিনা ইয়াসমিন এর বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে আসামী ১। মোঃ আজম মোল্লা (৪৮) কে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আজম মোল্লা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী পাথরঘাটা গ্রামের মোঃ বাদশা মোল্লার ছেলে বলে ডিবি পুলিশ জানায়। এ/পি সাং কলমা, মুড়ী ফ্যাক্টরির পশ্চিম পার্শ্বে,থানা- সাভার, জেলা-ঢাকা’কে ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেন। উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

  • গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিনামূল্যে গাছের চারা বি-তরণ

    গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিনামূল্যে গাছের চারা বি-তরণ

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র উদ্যোগে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও দূষণমুক্ত সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোলাবাড়িয়া বাজার ও কাঠি বাজারে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ সময় উক্ত অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন সরদার উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি নিজ হাতে সাধারণ মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন। এসময় বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী গোপালগঞ্জ জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিবেশ রক্ষায় এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় ভূয়সি প্রশংসা করেন।

  • মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওবায়দুর ইসলামের প-দত্যাগের ঘোষণা

    মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওবায়দুর ইসলামের প-দত্যাগের ঘোষণা

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ওবায়দুর ইসলাম দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

    আজ শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ ওবায়দুর ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি বিগত দিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আজ থেকে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব ধরনের পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করছি। ভবিষ্যতে আর কখনও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকবো না। দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।”

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোঃ ওবায়দুর ইসলাম জানান, তাদের ওপর কোনো ধরনের চাপ নেই। আওয়ামী লীগের বর্তমান রাজনৈতিক নীতি ও আদর্শের সঙ্গে তারা একমত নন, সেই কারণেই দল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।

  • রায়গঞ্জে অ-নৈতিক সম্পর্কের ঘটনায় মা-মলা, নি-র্দোষ শিক্ষার্থীর

    রায়গঞ্জে অ-নৈতিক সম্পর্কের ঘটনায় মা-মলা, নি-র্দোষ শিক্ষার্থীর

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি অভিজিৎ কুমার দাস:

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে এক যুগলকে অবরুদ্ধ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলাকে ‘ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চার কলেজ শিক্ষার্থী।

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের বাশুড়িয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন শিক্ষার্থী ইউনুস খান, নাইম শেখ, সাব্বির ও আব্দুল হাকিম। এসময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, স্থানীয় আব্দুল মতিনের মেয়ে মুক্তা ও পাশের গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে বায়জিদ দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিল। গত ৯ অক্টোবর রাতে সুযোগ পেয়ে তারা মুক্তার বাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ঘরের ভেতর তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। এতে আশপাশের মানুষও ভিড় জমায়।

    অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, তবে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে আমরা জড়িত ছিলাম না। ওই রাতেই বায়জিদ মুক্তার বাড়িতে অবস্থান করেছিল, তার সঙ্গে আরও দুইজন বন্ধু ছিল। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছে বহু স্থানীয় মানুষ, যার ভিডিওচিত্রও রয়েছে।”

    তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার কয়েকদিন পর পূর্বশত্রুতার জেরে মেয়েটির মা ফরিদা বেগম বাদী হয়ে তাদের নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যমূলক এবং মানহানিকর বলে দাবি করেন অভিযুক্তরা।

    সংবাদ সম্মেলনে চার শিক্ষার্থী প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের মানহানির সঠিক বিচার দাবি জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে এলাকারটির একাংশের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।