Blog

  • পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে কাঁঠালের ফলন ভাল হয়নি

    পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে কাঁঠালের ফলন ভাল হয়নি

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।। বৈরী আবহাওয়ায় পাইকগাছায় কাঁঠালের আশানারূপ ফলন হয়নি। মৌসুম শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় কাঁঠাল বৃদ্ধি কম হওয়ায় আকার ছোট হয়েছে। কাঁঠালের আকার এবড়ো-খেবড়ো ও ছোট হওয়ায় কাঁঠালের কোষ বড় হয়নি। তারপর ঘুর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে কাঠাল ঝরে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।ঝড়ে কাঠালের বোটা দুমড়ে- মুছড়ে যাওয়ায় কাঠাল আর বড়ো হবে না। জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে কাঁঠাল পাঁকা শুরু হয়েছে। বর্তমানে কাঁঠালের ভরা মৌসুম চলছে।বাজারে চড়া দামে কাঠাল বিক্রি হচ্ছে।
    উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাযায়, উপজেলায় ৬০ হেক্টর জমিতে কাঁঠাল গাছ রয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়ুলীতে কাঁঠালের বাগান আছে। তাছাড়া চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় কিছু কিছু কাঁঠাল গাছ রয়েছে। এলাকায় পরিকল্পিত ভাবে কাঁঠাল বাগান গড়ে ওঠেনি। তবে মিশ্র বাগানে কাঁঠাল বাগান রয়েছে। কাঁঠাল কাঁঠের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এলাকার বড় বড় গাছ গুলো বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া সে ভাবে কোন কাঁঠাল বাগান গড়ে ওঠেনি এবং এলাকায় বড় কোন কাঁঠাল গাছ তেমন একটা চোখে পড়ে না।
    উপজেলায় প্রায় ৮শ মেট্রিকটন কাঁঠাল উৎপাদন হবে বলে কৃষি অফিস ধারণা করছে। কাঁঠাল সবজি হিসাবেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রচুর।একটি কাঁঠাল ৮০ টাকা থেকে ৩শ টাকার অধিক দামে বিক্রি হচ্ছে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাস কাঁঠাল পাঁকার উৎকৃষ্ট সময়। তবে জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁঠাল বাজার বেঁচা-কেনা হচ্ছে। কাঁঠাল রসালো ও সু-স্বাদু একটি ফল। কাঁঠাল প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল। শহর ও গ্রাম অঞ্চলের উভয় মানুষের কাছে খুবই পছন্দের। মানুষের সুস্থ্য সবল স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিনের অভাব পূরণে কাঁঠাল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কাঁঠালের একটি বড়গুণ এর কোন কিছু বাদ যায় না। কাঁঠালের কোষ, খোসা ও বিচি সব কিছুই প্রয়োজনীয়। বিচি উৎকৃষ্টমানের সবজি হিসাবে তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। কাঁঠালের খোসা গরু-ছাগলের প্রিয় খাদ্য। তাছাড়া কাঁঠালের পাতা ছাগল-ভেড়া-গরুর প্রিয় খাবার হিসাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কাঁঠাল উৎপাদনে কোন খরচ না থাকায় চাষীরা লাভবান বেশি হয়।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় এ বছর উপজেলায় কাঁঠালের ফলন ভাল হয়নি। তবে কাঠাল ভালো দামে বিক্রি হয়। ব্যক্তি উদ্যগে কাঁঠাল গাছ লাগানোর জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কাঁঠাল আবাদে তেমন কোন খরচ হয় না। শুধু বাগান পরিচর্যা করলে চলে। এতে করে কৃষকরা কাঁঠালগাছ থেকে বেশি লাভবান হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাল্ডবে পাইকগাছায় সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে

    ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাল্ডবে পাইকগাছায় সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে পাকইগাছায় জলোচ্ছ্বাসে লবন পানিতে প্লাবিত হয়ে বহু গ্রামের মানুষ তিব্র সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে।ঘূর্ণিঝড়র প্রভাবে সৃষ্ট জলচ্ছাসে পাকইগাছায় বেশির ভাগ এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। লবণ পানি প্রবেশ করেছে সুপেয় পানির আধার সরকারি-বেসরকারি পুকুরে। ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার পিএসএফ ও টিউবওয়েল। যার ফলে উপজেলার দেলুটি,লতা,সোলাদানা,গড়ুখালী, লস্কর ও চাদখালী ইউনিযানে বেশির ভাগ এলাকায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার অনেকে বাধ্য হয়ে লবণ পানি পান করছেন। লবণ পানি পান ও ব্যবহার করায় অনেকের চর্মরোগ ও পেটের পীড়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ জীবন বাঁচাতে দূর-দূরান্ত থেকে পানি ক্রয় করে আনছেন। ঝড়ের তান্ডব শেষ হওয়ার পরে জেলা-উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার পাওয়া গেলেও, সুপেয় পানির কোন সরবরাহ ছিল না দুর্গত এলাকায়। সরকারি ভাবে নদী তীরবর্তী এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
    উপজেলা সদর পৌরসভা,গদাইপুর,কপিলমুনি ও রাড়ুলী ইউনিয়নের বাইরে সব জায়গায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রেমালের আঘাতে জলোচ্ছ্বাসে লবন পানিতে প্লাবিত হয়ে এই উপজেলার দেলুটি,লতা, সোলাদানা ও গড়ুইখালী ইউনিয়নের সর্বত্রই এখন সুপেয় পানির সংকট। এসব ইউনিয়নের বহু গ্রামের মানুষ তিব্র সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে। জলমগ্ন গ্রাম গুলোর মধ্যে ২২নং পোল্ডারের দেলুটি ইউপি’র তেলিখালী,হাটবাড়ী,কালিনগর,ফুলবাড়ী,গোপিপাগলা,গেউবুনিয়া চকরি-বকরিসহ ১২গ্রাম ও ২৩ নং পোল্ডারের সোলাদানা ইউপি’র ছালুবুনিয়া,খালিযারচক, আমুরকাটা,সোলাদানা, বয়ারঝাপা,দীঘাসহ ২১গ্রাম ও লস্কর ইউপি’র করুলিয়া ও লস্কর,১৯/২০ পোল্ডারের লতা, হানি-মুনকিয়া,পুটিমারী,১০/১২ পোল্ডারের গড়ইখালী।
    সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব এলাকায় স্নান ও গৃহস্থলীর কাজ ব্যবহৃত পানি ও সুপেয় খাবার পানির তিব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে লবন পানিতে প্লাবিত হয়ে মিষ্টি পানির উৎস্য পুকুর-খাল ও জলাশয় নষ্ট হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও মিষ্টি পানির মাছ ও শামুক,ঝিনুক জলজপ্রানী মরে দুর্ঘন্ধ ছড়াছে। দেলাটি ইউনিয়নের তেলিখালি গ্রামের সবিতা মণ্ডল বলেন, ঝড়ে গাছ পড়ছে, ঘর ভাঙছে রাস্তা ও বাড়ি-ঘরে পানি উঠছে। সেসব এখন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। কিন্তু যে পুকুরের পানি যে লবণ হয়ে গেছে, তা মিষ্টি করবো কি দিয়ে। পানির যে কি কষ্ট তা বলে বুঝানো যাবে না। একই গ্রামের ঝর্ণা আক্তার বলেন, ঝড় চলে গেছে, কিন্তু আমাদের সব জায়গায় লবণ পানি দিয়ে গেছে। মূলত বৃষ্টির পানি খাচ্ছি আমরা। কিন্তু গোসল রান্না এসব কাজের জন্য বাধ্য হয়ে লবণ পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। অনেকের চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। পেটের পীড়াও হচ্ছে সাধারণ মানুষের। উপজেলার মানুষও সুপেয় পানির একই ধরনের সংকটে ভুগছেন। সোলাদানার আমুরকাটার বাসিন্দা বিকাশেন্দু সরকার জানান, ইউনিয়নের মানুষ এমনিতেই সুপেয় পানি সংকট আছে।এর পরেই ঘুর্নিঝড়ে বেঁড়িবাঁধ ভেঙ্গে একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে খাবার জলের সংকট আরো তিব্র হয়েছে।
    লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস জানান, এমনিতেই লতাসহ আশপাশ ইউনিয়নগুলো টিউবওয়ের সাকসেসফুল না। এ দুর্যোগে এলাকা প্লাবিত হয়ে পুটিমারী,লতাসহ কযেকটি গ্রামের মানুষের স্নান ও খাবার জলের সমস্যায় পড়েছে। গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস সালাম কেরু বলেন,স্থানীয় আলমশাহী ইনস্টিটিউটের পুকুর থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে শিবসা নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ সুপেয় পানি চাহিদা পূরন করছেন। লস্করের দীপঙ্কর মন্ডল জানান,দুর্যোগে আমরা গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত পানি ও খাবার পানি কষ্টে আছি। আইলায় পোল্ডারে লবন জল ঢুকলেও গ্রাম বাসির একমাত্র ভরসা মিষ্টি পানির বড় দীঘি অক্ষত ছিল। কিন্তু রেমালে এ দীঘি প্লাবিত হয়ে তছনছ করে দিয়েছে। মাছ,শামুক-ঝিনুক মরে দুর্ঘন্ধ ছড়াছে।সোলাদানা গ্রামের মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে এত বেশি পানি হয়েছিল পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। এখনও বেশির ভাগ জায়গায় পানি জমে আছে। যে পুকুরের পানি সবাই পান করতো, সেই পুকুরের পানি এখন লবণাক্ত। বাধ্য হয়ে অনেকেই লবণ পানি পান করছেন। একই এলাকার কহিনুর বেগম বলেন, চারদিকে পানি কিন্তু খাবার ও গোসলের পানি নেই। বাধ্য হয়ে লবণ পানি খাচ্ছি। প্রথম দুই দিন কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু জীবনতো বাঁচাতে হবে।
    প্লাবিত এলাকায় তিব্র খাবার পানির সংকট নিরসনে মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে সুপেয় পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘন্টা করে খাবার পানি সরবরাহ করছেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহাদাৎ হুসাইন জানান,দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ দেলুটি, সোলাদানা ও গড়ইখালী ইউনিয়নে মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় ৬৬০ লিটার করে বিনামূল্যে খাবার পানি বিতরণ কর্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে ইতোপুর্বে ১০ ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ৩ হাজার লিটারের ৫ হাজার পানির ট্যাংকি বিতরন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এটি চলবে। তবে ঘূর্ণিঝড় রিমালে দুর্গত স্থানীয়রা বলছেন, এই পানিতে আসলে সংকট মিটবে না। এটা উপজেলার একটি জায়গায় দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যন্ত এলাকায় যেতেও পারছে না। সুপেয় পানির সংকট মেটানোর জন্য ভ্রাম্যমাণ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার।

  • নড়াইলে পুলিশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ-এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    নড়াইলে পুলিশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ-এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ মাঠে জেলা পুলিশের আয়োজনে “পুলিশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ-২০২৪” এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। তিনি প্রথমে ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণকারী দুই দলের খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হন। পরে তিনি নিজে ব্যাটার হিসেবে খেলে খেলার উদ্বোধন করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (৩১ মে) খেলা শেষে পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে বলেন, নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলার বিকল্প নেই। শরীর ও মনকে সুস্থ ও সবল রাখতে খেলাধুলা করতে হবে। পুলিশ লাইনস এ সুন্দর মাঠ রয়েছে। ডিউটির পাশাপাশি ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেটসহ সব ধরনের খেলায় এধরনের প্রতিযোগিতা খেলার আয়োজন করা হবে। অতঃপর তিনি চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। এছাড়া ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্য সিরিজ খেলোয়াড়দের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব সুন্দরভাবে করার জন্য বিশেষ পুরস্কার প্রদান করেন। পরিশেষে সম্মাননা স্মারক হিসেবে পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত।
    এ সময় তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); নড়াইল সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নকল ভারতীয় ধান বীজে সয়লাব তেঁতুলিয়ার বাজারগুলো প্রতারিত হচ্ছেন কৃষকরা

    নকল ভারতীয় ধান বীজে সয়লাব তেঁতুলিয়ার বাজারগুলো প্রতারিত হচ্ছেন কৃষকরা

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তেঁতুলিয়ায় নকল ভারতীয় ধান বীজে সয়লাব বাজারগুলো প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন অসহায় কৃষকরা।
    রোপা-আমন মওসুম সামনে রেখে অসাধু বীজ ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তারা কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় র্স্বণা জাতের ভারতীয় একটি ধান বীজের নামে লোকাল বিভিন্ন ধান বীজ বিক্রি করে প্রতারণা শুরু করেছে। অথচ স্বর্ণা নামে বাংলাদেশে কোনো ধান নেই। ওই মুনাফাখোর বীজ ব্যবসায়ীরা ভারতীয় ধান বীজ প্যাকেটের আদলে নকল প্যাকেট তৈরি করে বাজার থেকে ধান ক্রয় করে প্যাকেটজাত করছে। পরে তা স্বর্ণা ধানের বীজ হিসেবে বাজারে বিক্রি করছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন নামকরা কোম্পানির মোড়কে নিম্নমানের ধান বীজ প্যাকেটজাত করে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কৃষক না জেনে এসব নকল বীজ কিনে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এতে ধানের ফলনে ধ্বস নামবে এবং কাঙ্খিত খাদ্য উৎপাদন হবে না। ফলে খাদ্য সংকট থেকেই যাবে।

    এদিকে মানসম্মত বীজ না পেয়ে কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সরকারের কৃষি বিভাগ বিষয়টি জেনেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তেমন একটা উদ্যোগী হচ্ছে না বলে জোর অভিযোগ উঠেছে।

    ২৬ মে রোববার উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের ভজনপুর বাজার এবং ২৯ মে শালবাহান ইউনিয়নের শালবাহান বাজাওে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অসাধু ব্যবসায়ীরা লাল র্স্বণা জাতের ভারতীয় বীজের প্যাকেটে লোকাল সাদা র্স্বণা ধানের বীজ দিয়ে তাদের প্রতারিত করা হচ্ছে। টাইগার ব্রান্ডের র্স্বণা ধানের বীজ ও ভারত সীড নামে ধানের বীজের প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ নেই, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ নেই। এছাড়া বিএসটিআই-এর অনুমোদনও নেই৷ এদিকে পান ৮০৪ যমুনা ধানের বীজ ও পান সীড নামে বীজের প্যাকেটে লোকাল সাদা র্স্বণা ধানের বীজ দিয়ে কৃষকদের প্রতারিত করা হচ্ছে। প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ থাকলেও সাদা গুডি স্বর্ণা লেখাটি সীল মারা রয়েছে এবং প্যাকেটটি কলকাতার দেখা গেছে।
    জানা যায়, উপজেলায় ১৭টি হাট-বাজার রয়েছে তারমধ্যে শালবাহান ও ভজনপুর হাটেই এই নকল ধানের বীজ বেশি কেনাবেচা হয়ে আসছে। আরও জানা যায়, প্রতি শনিবার ও বুধবার শালবাহান হাট বসে এবং প্রতি রোববার ও বৃহস্পতিবার ভজনপুর হাট বসে।

    কৃষকরা জানান, সরকার স্বল্প মূল্যে সার-বীজ দেয়ার পাশাপাশি কৃষি প্রণোদনা দিচ্ছেন। কিন্তু বাজারে ভেজাল ও নকল বীজ বিক্রি হওয়ায় তা ক্রয় করে কৃষকরা প্রতারিত হচ্ছে। ফলে সরকারের দেয়া কৃষি প্রণোদনার সফলতা পাচ্ছেন না কৃষকরা। তারা বলছেন, বেশি দাম হলেও যদি কৃষকরা ভালো বীজ পেয়ে থাকেন তাহলে তাদের ফসলের উৎপাদন বেড়ে যাবে। এতে আয়ও বেড়ে যাবে। কিন্তু ভেজাল বীজে কৃষকদের পুঁজি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই জরুরি ভিত্তিতে ওইসব নকল বীজ বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারা জোর দাবি জানান।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভজনপুর বাজারের এক বীজ ব্যবসায়ী দোকানদার বলেন, আমরা জগদল থেকে ক্রয় করে বাজারে বিক্রি করি। আটোয়ারী ও জগদলে ভারতীয় এই প্যাকেটের ধান পাওয়া যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারা যায় গত বছর মে মাসে জেলার আটোয়ারী উপজেলার ফকিরগঞ্জ বাজারের আপন বীজ ভান্ডারের মালিক আনিছুর রহমান লেবুর বাড়ি, দোকান ও গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন মোড়কের এই নকল বীজ উদ্ধার করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন বীজ ভান্ডার মালিকগণ গোপনে এই ব্যবসা চালিয়ে আসছেন বলে জানা গেছে।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জীবন ইসলাম বলেন, ভারতীয় প্যাকেটে নকল ধানের বীজ বিক্রির বিষয়ে মিটিং এ আলোচনা হয়েছে দ্রুত ইউএনও মহোদয়ের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে রাব্বি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম

  • আশুলিয়ায় এক পুলিশ অফিসার কর্তৃক বাড়ির ভাড়াটিয়া ও সাংবাদিককে গুলি করার হুমকি

    আশুলিয়ায় এক পুলিশ অফিসার কর্তৃক বাড়ির ভাড়াটিয়া ও সাংবাদিককে গুলি করার হুমকি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় বাড়ির ভাড়াটিয়াকে পেটে লাথি দিয়ে ভুড়ি বের করার হুমকি ও এক সাংবাদিককে ‘গুলির’ করার হুঙ্কার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

    শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরের দিকে আশুলিয়া থানার অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম মো. দুলাল। তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সশস্ত্র হিসেবে কর্মরত বলে নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী ভাড়াটিয়া মো. শামীম মিয়া রংপুরের পীরগঞ্জের ভগবানপুরের বাসিন্দা। তিনি আশুলিয়ার মুসলিমটেক নামাপাড়া এলাকার মো. দুলালের স্ত্রী শাহনাজ পারভীনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

    শামীম মিয়া অভিযোগ করে জানান, ওই পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর বাড়িতে পরিবারসহ ভাড়া থাকতেন। মে মাসের শুরুতেই বাড়িওয়ালী শাহনাজ পারভীনকে জানান মাস শেষে বাসা ছেড়ে দেবেন তারা। সে অনুযায়ী শনিবার বাসা ছাড়বেন বলে বাড়িওয়ালীকে জানান। শুক্রবার সকালে বাসার মালামাল গোছানো শুরু করেন। এরমধ্যেই সকালের দিকে এসে বাড়িওয়ালী শুক্রবারই দুপুর ১২ টার ভিতর তাদের বাসা ছেড়ে দিতে বলেন। এ নিয়ে তর্কের জেরে ভাড়াটিয়াকে মারধর করেন শাহনাজ পারভীন।

    ভুক্তভোগী শামীম মিয়া অভিযোগ করে আরও বলেন, মারধরের একপর্যায়ে তার স্ত্রীর হাতে বটি দিয়ে কোপ দেন বাড়িওয়ালা শাহনাজ পারভীন। মারধর করা হয় তার কন্যাকেও। আহত অবস্থায় তার স্ত্রীকে ধামরাইয়ে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তার হাতে পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করতে আশুলিয়া থানায় যান তারা। সেখানে সেই সময় উপস্থিত হন বাড়ির মালিকের স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা মো. দুলাল। তাকে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন। বিষয়টি দেখে সেখানে এগিয়ে যান সাভারে কর্মরত বার্তা টুয়েন্টিফোর ডট কমের সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান। তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আইন তো সবার জন্য বলার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং রাগারাগি করে সেখান থেকে সরে যান।

    থানায় উপস্থিত উভয়পক্ষ ও থানা সূত্র জানায়, বিষয়টি সমাধানে উভয় পক্ষকে নিয়ে থানার দ্বিতীয় তলায় আলোচনায় বসেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোতালেব। এতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ভাড়াটিয়ারা নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করেন না ও বাসায় অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেশি হয়। এক পর্যায়ে ভাড়াটিয়া শামীম কথা বলতে গেলে দুলাল তাকে পেটে লাথি দিয়ে ভুড়ি বের করার হুমকি দেন। এছাড়া সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান ভাড়াটিয়ারা বাসা ভাড়া ঠিকমতো না দিলে ৫ বছর ধরে কিভাবে বাসায় থাকলেন জিজ্ঞেস করলে দুলাল তাকে গুলি করে শেষ করে দেয়ার হুমকি দেন। এসময় উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোতালেব ধমক দিয়ে দুলালকে থামিয়ে দেন।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান বলেন, থানার সামনে দুইজনকে বাগবিতন্ডা করতে দেখি। একজন অন্যজনকে বলছিলেন, থানা তোদের জন্য নয়। এটা শুনে সেখানে গিয়ে আইন সবার জন্য সমান বলার সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তি ক্ষেপে যান। একপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে থানায় দ্বিতীয় তলায় গিয়েও ওই ব্যক্তিকে ক্ষিপ্ত হয়ে কথা বলতে দেখি। তিনি বলছিলেন, ভাড়াটিয়া নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করেন না। তখন আমি তার কাছে জানতে চাই, ভাড়া ঠিকমতো না দিলে পাঁচ বছর বাসায় কেন থাকতে দিয়েছেন? এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তিনি আমাকে গুলি করার হুমকি দেন। পরবর্তীতে জানতে পারি তিনি পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং তিনি গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ লাইনে কর্মরত আছেন। 

    এ ব্যাপারে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনের সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সশস্ত্র মো. দুলাল বলেন, ‘বাসার ভাড়াটিয়ার সঙ্গে আমার স্ত্রীর সমস্যা হয়েছিল। তেমন কিছু হয়নি। সাংবাদিককে হুমকি দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তো জানতাম না তিনি সাংবাদিক। জানার পর আমি তাকে সরি বলেছি’

    আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, এই বিষয়ে আমি এখনও কিছু জানি না। আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো, অভিযোগ পেলে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • রায়গঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী শুভনের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    রায়গঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী শুভনের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    অভিজিৎ কুমার রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    আগামী ৫ই জুন আসন্ন রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোড়া মার্কার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম হোসেন শুভন সরকারের সাথে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা করেছেন।

    শনিবার দুপুরে উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ মোস্তফা নুরুল আমীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এসএম নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ মতবিনিময় সভা হয়।

    ঘোড়া মার্কার উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গোলাম হোসেন শুভন সরকার জানান, তিনি ব্যক্তিগত জীবনে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতির মানুষ। ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগ শেষে বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

    তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে এলাকার সন্ত্রাস, মাদক নির্মূলসহ সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাবেন।

  • সভাপতি আজাদ,সম্পাদক রতন ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবের পুর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা

    সভাপতি আজাদ,সম্পাদক রতন ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবের পুর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবের ৩য় বার্ষিক সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ আতিকুর রহমান আজাদকে সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক মানবকন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি রতন-দে কে সম্পাদক নির্বাচিত করে ২০২৪-২৬ সালের জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট পুর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়।
    আজ ১লা জুন শনিবার বিকেলে উত্তর ডাসার কাঠালতলা বাজার সংলগ্ন ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ের সামনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ আফরোজ।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি শেখ হাসিনা উইমেন্স কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ লুৎফর রহমান,ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এসএম শফিকুল ইসলাম,কালকিনি উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক ইকবাল হোসেন,গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ মাতুব্বর,নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল তালুকদার,কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ হাওলাদার।
    এসময় সঞ্জয় সরকারকে সহসভাপতি,মোঃ সাব্বির হোসেন যুগ্ন সম্পাদক,কাজী মাহফুজুল হাসান যুগ্ন সম্পাদক,কাজী নাফিস ফুয়াদ সাংগঠনিক সম্পাদক,মোঃ নাজমুল হোসেন দপ্তর সম্পাদক,বিজন নাগ প্রচার সম্পাদক,মোঃ সিরাজুল ইসলাম কোষাধ্যক্ষ, কার্যকরী সদস্য সৈয়দ আশরাফুল আলম লাহিদ,রায়হান উদ্দিন রুবেল,সাদ্দাম হোসেন,নজরুল ইসলাম,সাধারন সদস্য মোসাঃ শিলা বেগম,মোঃ নাসির সিকদার,সৈয়দ সোহেলও মোঃ আসাদুজ্জামান।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা ও কালকিনি উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্টও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকসহ ডাসার উপজেলার সাংবাদিক বৃন্দ।

  • জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুরাদনগর উপজেলা শাখার সাংবাদিকদের  সাথে পিআই বির পরিচালকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুরাদনগর উপজেলা শাখার সাংবাদিকদের সাথে পিআই বির পরিচালকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুরাদনগর উপজেলার শাখার সাংবাদিক দের সাথে মত বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, শনিবার বিকালে মুরাদনগর উপজেলা সদরে একটি অফিস কক্ষে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুরাদনগর উপজেলার শাখার সভাপতি এম কে আই জাবেদের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রেস ইনিস্টিউটের পরিচালক প্রশাসন মোঃ জাকির হোসেন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা সভাপতি সাংবাদিক মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুরাদনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, সংগঠনের মুরাদনগর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রায়হান চৌধুরী, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম খান, এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন তুহিন, সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকির হোসেন বলেন দক্ষ সাংবাদিক হতে হলে প্রশিক্ষনের বিকল্প নেই, এসময় আরো বলেন মুরাদনগর উপজেলার বাঁছাই কৃত নতুন ও মানের পত্রিকার প্রতিনিধি দের দক্ষ সাংবাদিক গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই, অতিসহসাই মুরাদনগর উপজেলা বাছাই কৃত সাংবাদিকদের ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা কমিটির একটি দলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার আশ্বাস দেন।

  • দীর্ঘ ৭৩ বছর পর বেনাপোল-মোংলা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

    দীর্ঘ ৭৩ বছর পর বেনাপোল-মোংলা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

    আজিজুল ইসলাম, বেনাপোল থেকেঃ দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের সাথে মোংলা সমুদ্র বন্দরের রেল যোগাযোগ স্থাপন হলো। দীর্ঘ ৭৩ বছর পর বেনাপোল মোংলা বন্দর রেল চলাচল শুরু হয়েছে । ‘মোংলা কমিউটার’ ট্রেন নামে যাত্রীবাহী ট্রেনটি খুলনা মোংলার ৬শ জন যাত্রী নিয়ে শনিবার সকাল ১০টায় প্রথম মোংলাবন্দর অভিমূখে যাত্রা শুরু করে।

    গত ১ নভেম্বর খুলনা থেকে মোংলা পর্যস্ত নতুন রেল লাইনের উদ্বোধন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের প্রায় ৭ মাস পর এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। চার হাজার ২২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুট চালু করা হয়।

    বর্তমানে বেনাপোল-খুলনা ভায়া যশোর হয়ে চলাচল করছে বেতনা এক্সপ্রেস ট্রেন। পুরোনো বগি ও ইঞ্ছিন দিয়ে রেলওয়ের মোংলা রুট বাড়ানো হয়েছে। এই ট্রেনটি মোংলা কমিউটার নাম দিয়ে যশোর-ফুলতলা হয়ে বাইপাস দিয়ে মোংলায় যাবে।

    নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক প্রধান প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলার সঙ্গে দেশের রেলওয়ের বর্তমান নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন এবং মোংলা বন্দরের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের রেলযোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করা, মোংলা পোর্ট পর্যন্ত রেলপথে আরামদায়ক ভ্রমণের সুব্যবস্থা করা, রেলের নেটওয়ার্ক সপ্রসারণ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে খুলনা-মোংলা পোর্ট রেলপথ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

    আজ শনিবার সকাল সোয়া ৯টায় বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটা সকাল ১০টায় বেনাপোল থেকে ছেড়ে যায় মোংলার উদ্দেশে। ট্রেনটি পৌঁছাবে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে। এরপর মোংলা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে দুপুর ১টায় এবং বেনাপোলে পৌঁছাবে বিকেল সাড়ে ৪ টায়। বেনাপোল থেকে বিকেল ৫ টায় ছেড়ে খুলনায় পৌছাবে রাত সাড়ে ৭ টায়। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন এ রুটে একই সময়ে একবার করে ট্রেন চলাচল করবে। এই রুটের দূরত্ব ১৩৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার।

    বেনাপোল থেকে ট্রেন ছাড়ার পর নাভারণ, ঝিকরগাছা, যশোর জংশন, রূপদিয়া, সিঙ্গিয়া, চেঙ্গুটিয়া, নওয়াপাড়া, বেজেরডাঙ্গা, ফুলতলা, আড়ংঘাটা, মোহাম্মদনগর, কাটাখালি, চুলকাটি বাজার, ভাগা ও দিগরাজ স্টেশনে যাত্রাবিরতির পর মোংলায় যাবে।

    রেলযাত্রী রোমান জানান, এই ট্রেনটি চালু করায় আমরা অনেক উপকৃত হবো। বেনাপোল থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরে কাজ করতে পারবো। আগে বেনাপোল থেকে খুলনা ও খুলনা থেকে অন্যবাসে করে মোংলায় যেতাম। প্রায় ৩০০ টাকা খরচ হতো। এখন মাত্র ৮৫ টাকায় মোংলা যেতে পারছি।

    রেলযাত্রী অর্পিতা রায় জানান, আমার বাড়ি মোংলাতে। বেনাপোল থেকে সরাসরি মোংলায় টিকিট কেটেছি। আমাদের খুব সুবিধা হলো। আসর সময় বাস পাল্টিয়ে পাল্টিয়ে এসেছি।

    বেনাপোল রেলস্টেশনের মাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, বেনাপোল থেকে মোংলার ভাড়া নির্ধারন করা হয়েছে ৮৫ টাকা। পুরোনো ট্রেন দিয়ে মোংলা-বেনাপোল রুটে আজ থেকে নিয়মিতভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও কোরবানির ঈদের পর এ রুটে নতুন ট্রেন সংযোজন করা হবে এবং ট্রেনের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।

  • পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউপি সদস্যের পরকীয়া,থানায় অভিযোগ

    পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউপি সদস্যের পরকীয়া,থানায় অভিযোগ

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনিভূষন রায়, পরিষদের সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য মোছা.রাশেদা বেগমের পরকীয়ার বিরুদ্ধে তার স্বামী আবু সাঈদ থানায় লিখিত অভিযোগ করে,আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন।আবু সাঈদ হাসানপুর কাঠালতলী এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,রাশেদা বেগম আমার বিবাহিত স্ত্রী দুইটি সন্তানও আছে আমাদের।তাদের কথা চিন্তা করে আমি দেশের বাইরে যাই কাজ করে স্ত্রীর হিসাব নম্বরে টাকা পাঠানো হয়।একপর্যায়ে স্থানীয় বিভিন্ন লোকজনদের নিকট জানিতে পারি আমার স্ত্রী পামুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনিভূষন রায়ের সাথে পরকিয়াতে আসক্ত।বিদেশে চার বছর থেকে দেশে চলে আসে টাকা হিসাব চাইলে বিভিন্ন তালবাহানা করে।পরে পরকীয়া আর কিছু টাকা চেয়ারম্যানকে দেওয়ার বিষয়টি ভুল স্বীকার করে।আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়ে ঢাকায় চাকুরি করতে যাই।৮-১২ মাস পর পর বাড়িতে আসি।তাদের পরকীয়া চলমান আছে,প্রায় সময় রাতে মনিভূষন রায় বাড়িতে আসে এবং তারা ভারতেও যায়।চেয়ারম্যানকে এবিষয়ে বাঁধা দিলে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয় তিনি।প্রায় এক বছর ধরে স্ত্রীর সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক না হলেও সে ছয় মাসের বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা রয়েছে।

    সরেজমিনে হাসানপুর কাঠালতলি এলাকার জামাল আবেদীন,

    আবু,রিপন,জয়নাল আবেদীন,হায়দার আলী,সাজেদা বেগম,রাবেয়া, মনোয়ারা,আনোয়ারাসহ আরো একাধিক স্থানীয়রা জানান,চেয়ারম্যান মনিভূষন রায় প্রতি সপ্তাহে তিন চারদিন সন্ধ্যায় আসে ২-৩ ঘন্টা রাশেদার বাড়িতে থেকে পরে চলে যায়।রাস্তায় উঠতে গিয়ে দুইদিন পরেও গেছিলো চেয়ারম্যান।এমনকি চেয়ারম্যান সেখানে জগৎনাথ নামে একজন গ্রাম পুলিশ রেখেছেন।সে ওই বাড়ির গরুর গোবর ফেলা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ করে দেন।

    আবু সাঈদ বলেন,আমার স্ত্রী চেয়ারম্যানের সাথে যে পরকীয়া করে এলাকায় গেলে শত শত মানুষ সাক্ষী দিবে।পরকীয়ার কারনে স্ত্রী আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।আমি দেশের বাইরে এবং ঢাকায় থাকা কালীন সময়ে যে টাকা দিয়েছি আমার নামে জমি ক্রয়ের কথা। আমার নামে ক্রয় না করে নিজের নামে ক্রয় করেছে।এখন আমি নি:স্ব ।আমাকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেয় না।

    মোছা. রাশেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী আমাকে না বলে গরু বিক্রি করে দিয়েছে।কিছু টাকা আছে এজন্য মানুষের পরামর্শে চলে। সংসারে একটু কলহ বিবাদ থাকতেই পারে।

    অভিযুক্ত পামুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনিভূষন রায় জানান,সাবেক ইউপি সদস্য ছিল রাশেদা বেগম।এজন্য প্রয়োজনে মাঝে মাঝে যাওয়া হতো তবে গত ৬ মাস থেকে যাইনি।

    দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যান- সাবেক ইউপি সদস্যের পরকীয়া,থানায় অভিযোগ

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনিভূষন রায়, পরিষদের সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য মোছা.রাশেদা বেগমের পরকীয়ার বিরুদ্ধে তার স্বামী আবু সাঈদ থানায় লিখিত অভিযোগ করে,আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন।আবু সাঈদ হাসানপুর কাঠালতলী এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,রাশেদা বেগম আমার বিবাহিত স্ত্রী দুইটি সন্তানও আছে আমাদের।তাদের কথা চিন্তা করে আমি দেশের বাইরে যাই কাজ করে স্ত্রীর হিসাব নম্বরে টাকা পাঠানো হয়।একপর্যায়ে স্থানীয় বিভিন্ন লোকজনদের নিকট জানিতে পারি আমার স্ত্রী পামুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনিভূষন রায়ের সাথে পরকিয়াতে আসক্ত।বিদেশে চার বছর থেকে দেশে চলে আসে টাকা হিসাব চাইলে বিভিন্ন তালবাহানা করে।পরে পরকীয়া আর কিছু টাকা চেয়ারম্যানকে দেওয়ার বিষয়টি ভুল স্বীকার করে।আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়ে ঢাকায় চাকুরি করতে যাই।৮-১২ মাস পর পর বাড়িতে আসি।তাদের পরকীয়া চলমান আছে,প্রায় সময় রাতে মনিভূষন রায় বাড়িতে আসে এবং তারা ভারতেও যায়।চেয়ারম্যানকে এবিষয়ে বাঁধা দিলে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয় তিনি।প্রায় এক বছর ধরে স্ত্রীর সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক না হলেও সে ছয় মাসের বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা রয়েছে।

    সরেজমিনে হাসানপুর কাঠালতলি এলাকার জামাল আবেদীন,

    আবু,রিপন,জয়নাল আবেদীন,হায়দার আলী,সাজেদা বেগম,রাবেয়া, মনোয়ারা,আনোয়ারাসহ আরো একাধিক স্থানীয়রা জানান,চেয়ারম্যান মনিভূষন রায় প্রতি সপ্তাহে তিন চারদিন সন্ধ্যায় আসে ২-৩ ঘন্টা রাশেদার বাড়িতে থেকে পরে চলে যায়।রাস্তায় উঠতে গিয়ে দুইদিন পরেও গেছিলো চেয়ারম্যান।এমনকি চেয়ারম্যান সেখানে জগৎনাথ নামে একজন গ্রাম পুলিশ রেখেছেন।সে ওই বাড়ির গরুর গোবর ফেলা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ করে দেন।

    আবু সাঈদ বলেন,আমার স্ত্রী চেয়ারম্যানের সাথে যে পরকীয়া করে এলাকায় গেলে শত শত মানুষ সাক্ষী দিবে।পরকীয়ার কারনে স্ত্রী আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।আমি দেশের বাইরে এবং ঢাকায় থাকা কালীন সময়ে যে টাকা দিয়েছি আমার নামে জমি ক্রয়ের কথা। আমার নামে ক্রয় না করে নিজের নামে ক্রয় করেছে।এখন আমি নি:স্ব ।আমাকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেয় না।

    মোছা. রাশেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী আমাকে না বলে গরু বিক্রি করে দিয়েছে।কিছু টাকা আছে এজন্য মানুষের পরামর্শে চলে। সংসারে একটু কলহ বিবাদ থাকতেই পারে।

    অভিযুক্ত পামুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনিভূষন রায় জানান,সাবেক ইউপি সদস্য ছিল রাশেদা বেগম।এজন্য প্রয়োজনে মাঝে মাঝে যাওয়া হতো তবে গত ৬ মাস থেকে যাইনি।

    দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।