Blog

  • দুধায় খাল প্রকল্পের সুফল পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা-এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী

    দুধায় খাল প্রকল্পের সুফল পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা-এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ীর মাঝ দিয়ে বয়ে চলা দুধায় খাল পুনঃখননের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ইতমধ্যে একনেকের সভায় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের
    অনুমোদন দিয়েছেন। এদিকে প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়ায় রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
    জানা গেছে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) উদ্যোগে “ডাবল লিফটিং পদ্ধতিতে পদ্মা নদীর পানি বরেন্দ্র এলাকায় সরবরাহ ও সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় গোদাগাড়ী উপজেলার দুধায় খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে উপকার ভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। গত ২ জুন রোববার বিকেলে গোদাগাড়ীর মোহনপুর ইউনিয়নের (ইউপি) চাঁন্দলাই পরগণা উচ্চ বিদ্যালয় চত্ত্বরে গোদাগাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম কামরুজ্জামান বকুলের সঞ্চালনায় ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। সভায় প্রধান অতিথি সাংসদ ফারুক চৌধুরী
    বলেন, এই প্রকল্পের জন্য আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারণ এই প্রকল্পটি একনেকের সভায় যদি প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন না করতেন, তাহলে আজ থেকে পাঁচ বছর পর এই বরেন্দ্র অঞ্চলের জমিতে একটি শস্য আর উৎপাদন হতো কি না বৃষ্টির পানি ছাড়া আমি বলতে পারবোনা। আর এই প্রকল্পের কারণে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা অনেক সুফল পাবেন। তিনি
    আরো বলেন, আমাদের বরেন্দ্র অঞ্চলে এখন মাটির নিচের পানি ডিপ টিউবওয়েল দিয়ে তুলে আমরা ফসল উৎপাদন করতে অভ্যস্ত। আপনারা জানেন কিনা জানি না এক কেজি ধান উৎপাদন করতে মাটির রকম ভেদে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার লিটার পানি লাগে। আস্তে আস্তে আমাদের পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে পানি পাওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাহলে করণীয় কি আছে ? করণীয় আপনাদের সামনে আসছে, যখন নদী থেকে পানি তুলে বিভিন্ন খালে নিয়ে যাওয়া হবে এবং খাল থেকে আপনারা সোলার পাম্পের দ্বারা পানি তুলে জমি চাষ করতে পারবেন। সভায় আরও বক্তব্য দেন, বিএমডিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকল্প পরিচালক নাজমুল হুদা, বিএমডিএ’র
    নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, প্রকল্প শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম, গোদাগাড়ি উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) জাহিদ হাসান, গোদাগাড়ী উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান শফিকুল সরকার, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, রিশিকুল ইউপি চেয়ারম্যান সহীদুল ইসলাম টুলু, পাকড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন, মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব খাইরুল ইসলাম ও পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী আব্দুল মতিনপ্রমুখ।#

  • তানোরে স্কুল ছাত্রকে দিগম্বর ও গলায় জুতার মালা পরানোর হুমকি শিক্ষকের

    তানোরে স্কুল ছাত্রকে দিগম্বর ও গলায় জুতার মালা পরানোর হুমকি শিক্ষকের

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে তৃতীয় শ্রেণীর এক মেধাবী শিক্ষার্থীকে দিগম্বর ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে গ্রামে ঘোরানোর হুমকি দিয়েছেন ওই স্কুলেরই সহকারি শিক্ষক। উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটেছে। স্কুলের সহকারী শিক্ষক তানিয়া খাতুন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী মোসাব্বির হোসেন আলিফকে দিগম্বর ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে গ্রামে ঘোরাতে চেয়েছেন। এ ঘটনায় গত ৩ জুন সোমবার অভিভাবক রুমি খাতুন বাদি হয়ে সহকারী শিক্ষক তানিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। স্থানীয় অভিভাবক মহল অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃস্টান্তমুলক শাস্তি ও অপসারণের দাবিতে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে।
    অভিযোগে বলা হয়েছে, নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থী মোসাব্বির হোসেন (আলিফ)। গত ২৯ মে বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে যান।এদিন সহকারী তানিয়া খাতুন ক্লাস রুমে সকল শিক্ষার্থীদের সামনে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে আলিফকে বলে যে, তোকে ল্যাংটা করে, গলায় জুতোর মালা দিয়ে, বদনা কানের দুল বানিয়ে, তোর মুখে চুন-কালি দিয়ে পুরো গ্রাম ঘুরাবো। আলিফ কারণ জানতে চাইলে তানিয়া বলে তুই নাকি তোর প্যান্ট খুলতে চেয়েছিস। তখন আলিফ বলে সে এই কথা বলেনি। কিন্ত্ত তানিয়া শিক্ষার্থী আলিফকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদান করা সহ কুরুচিপূর্ণ কথাবর্তা বলে এবং স্কুলে যেতে নিষেধ করে। এ ঘটনার পর থেকে আলিফ স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।এদিকে অন্য অভিভাবকগণ এই ঘটনার বিচার না হলে তাদের সন্তানদের এই স্কুলে লেখাপড়া করাবে না বলে ঘোষণা দিযেছে।
    অপরদিকে,গত ৩০মে বৃহস্পতিবার আলিফের মা ও দাদী বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে এঘটনা জানালে প্রধান শিক্ষক অনুতপ্ত এবং ভুল স্বীকার করেন।কিন্ত্ত সহকারী শিক্ষক তানিয়া তাদেরকে বলে তোরা এখানে কেন ? তোরা কিসের অভিযোগ নিয়ে এসেছিস ? তোদের ব্যবস্থা করা হবে বলে হুমকি দেন। কিন্তু এসময় তানিয়ার স্বামী মাদারিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তোহিদুর রহমান মুকুল এসে আলিফ ও তার মাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি এমনকি তাদের গলাধাক্কা দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেবার হুমকি দেন। শিক্ষার্থী আলিফ এর মা রুমি খাতুব বলেন, তারা ছোট শিশু আর শিক্ষিকা মায়ের মতো।অথচ তারাই যদি এসব কোমলমতি শিশুদের এমন কথাবার্তা বলে তাহলে তারা তাদের কি শিক্ষা দিবে।
    প্রসঙ্গত, সহকারী শিক্ষক তানিয়ার বিভিন্ন ধরণের খারাপ আচরণ ও দূর্ব্যবহারের কারণে ইতিপূর্বে আরো অনেক শিক্ষার্থী নড়িয়াল স্কুল থেকে অন্য স্কুলে চলে গেছে। তদন্ত করলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক তানিয়া খাতুন বলেন, আমার কথা কি বিশ্বাস করবেন, পরে কথা বলছি বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এবিষয়ে নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মিমাংসা করে দিয়েছিলাম, শিক্ষিকা ও ভূল স্বীকার করেছিল। কিন্তু তার স্বামী বেশি বাড়াবাড়ি করার কারনে এসব হয়েছে।
    এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

  • ধামইরহাটে ৪টি ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে ৪টি ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি :

    নওগাঁর ধামাইরহাটে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের সহযোগিতায় ৪টি ইউনিয়নকে বাল্য বিবাহমুক্ত ঘোষণা করতে প্রস্তুতিমুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ০৩ জুন সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ইউএনও আসমা খাতুনের সভাপতিত্বে ১নং ধামইরহাট ইউনিয়ন, ৩নং আলমপুর, ৪নং উমার ও ৬ নং জাহানপুর ইউনিয়নকে বাল্য বিবাহমুক্ত ঘোষণা করতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জনপ্রিয় নারী নেত্রী আনজুয়ারা বেগম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সমাজসেবা অফিসার এ.টি.এম ফসিউল আলম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বেদারুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে এ.টি.এম বদিউল আলম, ওসমান গণি, গোলাম কিবরিয়া, মাহফুজুল আলম লাকি, ইসমাইল হোসেন মোস্তাক, মোসাদ্দেকুর রহমান, আলহিল মাহমুদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান, খুরশিদা পারভীন, লুৎফর রহমান, অনুষ্ঠানের মাল্টিমিডিয়ায় বাল্য বিবাহমুক্ত স্মার্ট পরিবারের চিত্র উপস্থাপক ওয়ার্ল্ড ম্যানেজার মানুয়েল হাসদা, ওয়ার্ল্ড ভিশনের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নাথন চৌকিদার, মুকুল বৈরাগি, রোজলিন মিতু কোড়াইয়াু, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শারমিন আকতার সুরভী, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেক, কাজী সমিতির সভাপতি কাজী মজিবর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অতি শ্রীঘ্রই ৪টি ইউনিয়নকে বাল্য বিবাহমুক্ত ঘোষনা করা হবে এবং পরবর্তী ইউনিয়নগুলোকে এর আওতায় আনা হবে বলে অনুষ্ঠানে ইউএনও আসমা খাতুন জানান। সবশেষে ইউপি চেয়ারম্যান নিকট স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যানকে বাল্য বিবাহমুক্ত ইউনিয়ন তথ্য বোর্ড ও কাজীদেরকে অঙ্গীকারনামা বোর্ড হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • বানারীপাড়ায় বৈরী আবহাওয়ার মাঝেও সানার উঠান বৈঠক জনসমুদ্রে পরিনত

    বানারীপাড়ায় বৈরী আবহাওয়ার মাঝেও সানার উঠান বৈঠক জনসমুদ্রে পরিনত

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় ৩ জুন সোমবার বিকেলে সরকারী ইউনিয়ন ইনষ্টিটিউশন বিদ্যালয় (হাইস্কুল) মাঠে আগামী ৫ই জুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এডঃ মোঃ মাওলাদ হোসেন সানার মোটর সাইকেল মার্কার সমর্থনে নির্বাচনী শেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন দুপুর থেকেই বৈরী আবহাওয়া ও ভারী বৃষ্টির কারনে স্কুল মাঠ পানিতে নিমজ্জিত হয়। পরে পানি সেচ দিয়ে কিছুটা কমিয়ে কোনমতে মানুষ দাড়াবার সুযোগ পায়। এসময় মানুষের ঢলে জনসভাস্থল মুহুর্তেই জনসমুদ্রে পরিনত হয়। পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল সুমনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এন বি আর এর সাবেক সদস্য আলী আহমেদ কালেক্টর। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাবেক ৩ বারের সংসদ সদস্য বরিশাল -২ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম মনি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট মোঃ মাওলাদ হোসেন সানা,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চাখার ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুজিবুল ইসলাম টুকু,সৈয়দ কাঠী ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টু, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, ৩নং পৌর কাউন্সিলর জাকির হোসেন মোল্লা,উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনিসুর রহমান মিলন, প্রবাসী সুইডেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান প্রমূখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহধর্মিনী আনার কলি ঝুমুর, ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন মৃধা, সিদ্দিকুর রহমান, মোঃ সাইফুল ইসলাম শান্ত, রাহাদ আহম্মেদ ননি, সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, আবুল কালাম আজাদ। আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম কিবরিয়া সৈকত, যুবলীগ নেতা জিয়াউদ্দিন আহমেদ সিরণ, মোঃ তপু খান,মোঃ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ বাবুল হোসেন, মনির খান, আব্দুল আউয়াল, নজরুল ইসলাম, সনেট, মোঃ শহিদুল ইসলাম,কালু পাল ও উপজেলা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, ফজলে রাব্বী,রেজাউদ্দৌলা রিফাত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট মোঃ মাওলাদ হোসেন সানা তার বক্তব্যে বলেন, এই বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আপনারা সকলে আমাকে সমর্থন করতে এসেছেন এজন্য আমি আপনাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকব।এবং তিনি জনতার ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে এ উপজেলা থেকে সকল ধরনের দূর্ন ীতি মুক্ত করবেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।

  • লন্ডনের মাটিতে আধিপত্য সিলেট কে হারিয়ে কুমিল্লা চ্যাম্পিয়ান

    লন্ডনের মাটিতে আধিপত্য সিলেট কে হারিয়ে কুমিল্লা চ্যাম্পিয়ান

    কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, তথ্য চিত্রে।

    বাংলাদেশ স্পোর্টস নেটওয়ার্ক এবং মুসলিম চ্যারিটি কর্তৃক আয়োজিত , প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ উপজেলা কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সিলেট সদর কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে কুমিল্লা সদর।
    ১৬ টি উপজেলার অংশ গ্রহণে ১ মাস ব্যাপী নিরলস পরিশ্রম করে লন্ডনের মাটিতে বসবাস কারী এক ঝাক তরুন ক্রিকেট প্রেমীর সমন্বয়ে এই টূর্নামেন্ট পরিচালিত হয়।
    গ্রুপ পর্যায়ে কুমিল্লা সদর গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হয়ে কোয়ার্টেফিনাল এ নৌয়াখালীর চাটখিল উপজেলা কে হারান।
    তারপর সেমি ফাইনালএ ডেরাই উপজেলা কে হারিয়ে ফাইনাল এ যায় কুমিল্লা সদর উপজেলা টিম।
    ফাইনালে সিলেট সদর বনাম কুমিল্লা সদর এ খেলায় কুমিল্লা টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।
    প্রথমে বোলিং করে সিলেট সদর কে ১১৩ রানে আটকিয়ে দেয়।
    কুমিল্লার হয়ে মুনিরুল ইসলাম ৩ উইকেট , গাজী হোসাইন ২ উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লার ওপেনার আমিনুল ইসলাম সিহান এবং হোসাইন আহমেদ এর ৩৮ রানের পার্টনারশীপ এর পরে হালিম হোসাইন বিপ্লব এবং মুনিরুল ইসলাম এর ঝড়োয়া ব্যাটিং এ ১৩ ওভার এ ৬ উইকেট হাতে রেখে কুমিল্লা সদর চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
    ম্যান অফ টি ফাইনাল হয় কুমিল্লার মুনিরুল ইসলাম , বেস্ট বোলার গাজী হোসাইন।
    ইয়ং প্লেয়ার অফ দা টুর্নামেন্টে হোসাইন আহমেদ। এ বিষয়ে

    চ্যাম্পিয়ান হওয়ার বিষয় নিয়ে কুমিল্লা দলের ম্যানেজার , কুমিল্লার কৃতি সন্তান মানবতার ফেরিওয়ালা মোঃ হাসানের দ্বিতীয় পুত্র মোঃ
    মো: আমিনুল ইসলাম সিহান বলেন , ৪ টি বছর আমরা অপেক্ষা করেছি এই ট্রফির জন্য। আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে আমরা চ্যাম্পিয়ান হতে পেরেছি আমাদের ভালো খেলার কারণে। কুমিল্লা নামটা একটা আবেগের জায়গা। কুমিল্লার নাম বিশ্বের দরবারে পৌঁছানো টাই আমার উদ্দেশ্য। ধন্যবাদ জানাই সকল খেলোয়াড়দের যারা এত ব্যস্ত থাকার পরেও এই টুর্নামেন্টে এ দলের হয়ে খেলেছেন। খেলোয়ার রা হচ্ছে , হালিম হোসাইন বিপ্লব , মোজাহারুল হক সজীব , কাজী তাইমুল ইসলাম , গাজী ইমাম হোসাইন , হোসাইন আহমেদ , ফয়সাল , মুনিরুল ইসলাম , জিহান , জহিরুল ইসলাম , ইব্রাহিম খলিল , আলামীন।কুমিল্লা বিজয়ে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায় কুমিল্লার সম্মান ই আমাদের সম্মান, খেলোয়াড় দের ও কুমিল্লা দলের ম্যানেজার কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

  • উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জনে যুবদলের লিফলেট বিতরণ ও মিছিল

    উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জনে যুবদলের লিফলেট বিতরণ ও মিছিল

    কেএম সোহেব জুয়েল ঃ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন উপলক্ষে যুবদলের লিফলেট বিতরণ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গতাকল ২ জুন রবিবার বিকেল সারে চার ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে প্রত্যাখান করে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এইচএম তসলিম উদ্দিনের নেতৃত্বে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট বর্জন আহবানে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর কামিনী পেট্রোল পাম্প হতে বিমান বন্দর মোড় পর্যন্ত (ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে) ভোট বর্জনে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ, মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো: নাহিদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মাহফুজুল আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো: রাকিবুল হাসান খান রাকিব প্রমুখ সহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • আগৈলঝাড়ায় আনারস প্রতীকের পক্ষে রাজিহার ইউনিয়নে অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে ভোট চাইলেন চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার

    আগৈলঝাড়ায় আনারস প্রতীকের পক্ষে রাজিহার ইউনিয়নে অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে ভোট চাইলেন চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    আগৈলঝাড়ায় রাজিহার ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইলেন রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার এবং আগামী ৯ জুন আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে তিন জুন রবিবার রাতে উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাশাইল পশ্চিম পাড়া বাজারে মন্দিরের সামনে পাগলের মেলায়, বাটরা কাঁঠাল বাড়ী এক অনুষ্ঠানে, রামানন্দেরআঁক গ্রামের আমতলায় মন্দিরের সামনে, রাজিহার বাজারের পুর্বপাশে হাওলাদার বাড়ির এক অনুষ্ঠানে,রাংতা সার্বজনীন রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সামনে নাম কির্তন,পাগলের মেলায়, পূজায় ও অনুষ্ঠানে আগত মেহমান, ভক্ত ও অনুরাগীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস মার্কায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতের পক্ষে বর্তমান রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার। পূজায় ও অনুষ্ঠানে আগত মেহমান, ভক্ত ও অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে রাজিহার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার বলেন আপনারা সবাই আমাকে পবিত্র ভোট দিয়ে রাজিহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বানিয়েছেন আমি সবাইকে এক ভাবে দেখি আমার কাছে কে মুসলমান কে হিন্দু কে ক্ষৃষ্টান সেটা আমি দেখিনা আমার কাছে সবাই মানুষ। চেয়ারম্যান এর কথা শেষে বাটরা কাঁঠাল বাড়ীর এক জনে বলেন চেয়ারম্যান সাহেব আপনি চেয়ারম্যান হওয়ার পরেই আমাদের এই রাস্তা হয়েছে, রাংতা সার্বজনীন রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সভাপতি বলেন আপনার অনুদানের টাকা দিয়ে মন্দিরের ওয়াল বানিয়েছি। ইলিয়াস তালুকদার আরও বলেন এই আওয়ামী লীগ সরকার আমলে দেশের উন্নয়ন হয়েছে আরও হবে, আর আমার ও আপনাদের নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ভাইর জন্য সবাই দোয়া করবেন এবং আমাদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতের আনারস মার্কায় ভোট দিবেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি বাবু হরেকৃষ্ণ হালদার, বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সহ সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশের আলো দৈনিক হিরন্ময় পত্রিকার আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি বি এম মনির হোসেন, আঃ সালাম হাওলাদার,গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সাধন চন্দ্র দাশ, ইদ্রিস হোসেন হাওলাদার,
    রাজিহার ইউনিয়ন যুবলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টুটুল গাইন, ছাত্র লীগ নেতা মোঃ সেলিম মোল্লা, জাকির হোসেন হাওলাদারসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • গ্রামীণ জনপদের অবস্থাসম্পন্ন অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর

    গ্রামীণ জনপদের অবস্থাসম্পন্ন অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর

    হেলাল শেখঃ আমাদেরও কাচারিঘর ছিল, গ্রাম-বাংলার ইতিহাস এমন কাছারিঘর, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ। কালের বিবর্তনে আজ কাচারিঘর বাঙালির সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। গেস্টরুম কিংবা ড্রয়িং রুমের আদি ভার্সন কাচারিঘর এখন আর গ্রামীণ জনপদে দেখা যায় না।

    কাচারিঘর মূল বাড়ির একটু বাইরে আলাদা খোলামেলা ঘর। অতিথি, পথচারী কিংবা সাক্ষাৎ প্রার্থীরা এই ঘরে এসেই বসতেন। প্রয়োজনে দু-এক দিন রাতযাপনেরও ব্যবস্থা থাকত কাচারিঘরে। কাচারিঘর ছিল বাংলার অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থের আভিজাত্যের প্রতীক। কাঠের কারুকাজ করা টিন অথবা ছনের ছাউনি থাকত কাচারিঘরে। আলোচনা, শালিস বৈঠক, গল্প-আড্ডার আসর বসত কাচারিঘরে। বর্ষা মৌসুমে গ্রামের লোকজনদের উপস্থিতিতে কাচারিঘরে বসত পুঁথিপাঠ। পথচারীরা এই কাচারিঘরে ক্ষণিকের জন্য বিশ্রাম নিতেন।

    বিপদে পড়লে রাতযাপনের ব্যবস্থা থাকত কাচারিঘরে। গৃহস্থের বাড়ির ভেতর থেকে খাবার পাঠানো হতো কাচারিঘরের অতিথির জন্য। আবাসিক গৃহশিক্ষকের (লজিং মাস্টার) থাকার ব্যবস্থা থাকত কাচারিঘরেই। কোনো কোনো বাড়ির কাচারিঘর সকাল বেলা মক্তব হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।

    বিলুপ্ত প্রায় ‘বাংলো ঘর’ নামে খ্যাত ‘কাচারি ঘর’। এখন সে জায়গায় স্থান করে নিয়েছে ড্রয়িং রুম। বর্তমানে যে কয়টি কাচারিঘর অবশিষ্ট আছে তাও অবহেলা-অযত্নে ধ্বংস প্রায়।

    সময়ের বিবর্তনে শহরের পাশাপাশি গ্রামের পরিবার গুলোও ছোট ও আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। তাই বিলুপ্তির পথে শতবর্ষের বাঙালি ঐতিহ্য কাচারি ঘর নামে খ্যাত বাহির বাড়ির বাংলো ঘরটি। দাদার বাবা ও দাদারা গত হয়েছেন আমরাও একদিন গত হবো, জন্ম হলে মৃত্যু হবেই।

  • সুজানগরে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতার উন্নয়নে দুর্নীতি বিরোধী রচনা প্রতিযোগিতা

    সুজানগরে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতার উন্নয়নে দুর্নীতি বিরোধী রচনা প্রতিযোগিতা

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ঃ রুখবো দুর্নীতি,গড়বো দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে নিয়ে পাবনার সুজানগরে শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতার উন্নয়ন ও উত্তম চর্চার বিকাশের প্রয়াসে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনা ও সুজানগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভা ও দুর্নীতি বিরোধী রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুজানগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপনের স ালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দুর্নীতি বিরোধী রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। অনুষ্ঠানে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, অধ্যক্ষ তরিত কুমার কুন্ডু,তাতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক, সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি অনার্স কলেজের প্রভাষক শ্রী ছন্দা সরকার, প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য জাফরুল ইসলাম,দুলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম,সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাদারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান জর্জ, যায়যায়দিন প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। সবাই সচেতন হলেই কেবল দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইল জেলা পুলিশে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বক্তব্য রাখছেন এসপি মেহেদী হাসান

    নড়াইল জেলা পুলিশে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বক্তব্য রাখছেন এসপি মেহেদী হাসান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল জেলা পুলিশে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বক্তব্য রাখছেন এসপি মেহেদী হাসান। নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ ড্রিলশেডে এসসিডি (অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট) এর আয়োজনে যৌন নির্যাতনে শিকার শিশু অনুসন্ধান, উদ্ধার এবং শিশু বান্ধব আদালত পদ্ধতি বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নড়াইল জেলা পুলিশে কর্মরত ২০ জন নারী ও ৫ জন পুরুষ মোট ২৫ জন পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (১ জুন)
    সকাল ১০ টার সময় এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় উদ্বোধনী স্বাগত বক্তব্য সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাৎপর্যপূর্ণ লেকচার উপস্থাপন করেন। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস্) তারেক আল মেহেদী ভিকটিম রেফার পদ্ধতি এবং জরুরি আইনী সহায়তা লাভের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করেন।পরিশেষে পুলিশ সুপার কর্মশালার আয়োজকবৃৃন্দ, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণপ্রার্থীদের সাথে গ্রুপ ছবি তোলেন।
    এ সময়ে এ্যাসোসিয়েশন পর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট এর রং প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ মনিরুল ইসলাম এবং প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।