Blog

  • বানারীপাড়ায় ভৃমিহীন-গৃহহীনদের মাঝে দলিল হস্তান্তর

    বানারীপাড়ায় ভৃমিহীন-গৃহহীনদের মাঝে দলিল হস্তান্তর

    এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া(বরিশাল) প্রতিনিধি।। মঙ্গলবার ১১ জুন বানারীপাড়ায় ভৃমিহীন-গৃহহীন পরিবারদের মাঝে দলিল হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্তরা হালদার। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসিন তাসমিন রহমান অনিন্দ্র এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফসানা আরেফিন, পিআইও মহসিন উল ইসলাম, সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম প্রমূখ।
    এসময় বানারীপাড়ার বিভিন্ন আবাসনে১৩৯ জনকে ভৃমিহীন-গৃহহীনদের মাঝে দলিল হস্তান্তর করা হয়। #

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল

  • পুঠিয়ার বেলপুকুরে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

    পুঠিয়ার বেলপুকুরে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

    পুঠিয়া(রাজশাহী)প্রতিনিধি:

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘স্কুল ভিজিটিং প্রোগ্রাম’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর থানার উদ্যেগে ধাদাস উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ মতবিনিময় সভায় আরএমপি’র বেলপুকুর থানার ওসি মোঃ মামুনুর রশিদ, এস আই, রিমন হোসাইন, ধাদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একরামুল হক উপস্থিত থেকে মাদক, ইভটিজিং, সাইবার ইস্যু ট্রাফিক রুলস এবং সামাজিক অপরাধ যেমন বাল্যবিবাহ, যৌতুক, কিশোর গ্যাং ও মানবপাচার প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। স্বতঃস্ফুর্ত এ মুক্ত আলোচনা সভায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কর্মকর্তাদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা উপস্থাপন করেন।

    মতবিনিময় সভায় মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরেন। মাদক থেকে দূরে থাকতে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অনুরোধ করেন। এছাড়াও সতর্ক থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে পরামর্শ প্রদান করেন। কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হলে কীভাবে প্রতিকার পাওয়া যাবে সে বিষয়ে আলোচনা করেন। তাছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের ট্রাফিক আইন জেনে ও মেনে নিরাপদে পথ চলা, নিয়ম মেনে রাস্তা পারাপারসহ প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতা গ্রহণ করতে বলেন। রাস্তায় বিপদে পড়লে বা কেউ ইভটিজিংয়ের শিকার হলে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করতে বলাসহ বাল্যবিবাহ, যৌতুক, কিশোর গ্যাং ও মানবপাচার সংক্রান্ত সচেতনতামূলক পরামর্শ দেন। #

    মাজেদুর রহমান  (মাজদার)  

    পুঠিয়া -রাজশাহী। 

  • উজিরপুরে পশুর হাটের ইজারা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কায় হাট বন্ধ

    উজিরপুরে পশুর হাটের ইজারা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কায় হাট বন্ধ

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম,উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার একটি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধে সংঘর্ষের আশঙ্কা হাট বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

    ১১ জুন মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলায় দুই পক্ষের সমর্থকদের উপস্থিতি হৈ চৈ এর কারণে দুপুরে উপজেলা প্রশাসন অস্থায়ী পশুর হাট বন্ধ নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর উপজেলা প্রশাসন এ বছর ধামুরা বাজারের মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর জন্য নির্ধারণ করা হয়।
    এ বছর ঈদুল আযহার পশুর হাটের জন্য ধামুরার দু’টি প্রভাবশালী গ্রুপ ইজারা নেওয়ার চেষ্টা চালয়। বিষয়টি নিয়ে নবনির্বাচিত ভাই চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম শিপন মোল্লা উভয়পক্ষকে হাট মিলানোর জন্য অনুরোধ করেন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাজী হুমায়ুন কবির উভয়পক্ষ একসাথে মিলে হাটের ইজারা অপরাগতা প্রকাশ করলে হট্টগোলর সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই লোকজন উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এসে ভিড় করতে থাকে। ওই সময়ে হাটের ইজারা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা বাকবিতণ্ডা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন জানান আইন শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কার কারণে ধামুরার অস্থায়ী পশুর হাটটি স্থগিত করা হয়েছে।

  • সাভারে হত্যা মামলার আসামী সিরিয়াল কিলার স্বপনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    সাভারে হত্যা মামলার আসামী সিরিয়াল কিলার স্বপনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার মডেল থানাধীন আনন্দপুর সিটি লেন এ অবস্থিত মাদক সম্রাট এবং অপকর্মের মূল হোতা সিরিয়াল কিলার স্বপন এর নির্মাণাধীন বাড়ির একটি ফ্লোর এর অনুমান ০৭ ফুট গভীর হতে প্রায় দেড় বছর আগে অপহৃত তোফাজ্জল হোসেন তনুর হাড় সাদৃশ্য হাড় উদ্ধার।

    মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ইং উক্ত বিষয়ে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব), তিনি জানান, গত ২রা জুন সীমা নামক একজন এনজিও কর্মী অপহরণ হন সাভারের বিরুলিয়ার খনিজ নগর থেকে। ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান, বিপিএম, পিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) জনাব মোবাশশিরা হাবীব খান, পিপিএম-সেবা মহোদয়ের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা ডিবি উত্তরের একটি চৌকস টিম কাজ শুরু করে।

    পরবর্তীতে ৬ জুন বৃহস্পতিবার সকালে ডিবি পুলিশ সীমা হত্যা মামলার একজন আসামি সাইফুল কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। সাইফুলের দেওয়া তথ্যমতে ডিবি পুলিশ গত বৃহস্পতিবার ৬ জুন সীমা আক্তারের মৃতদেহ উদ্ধার করে। সাইফুলের স্বীকারোক্তি থেকে জানা যায় সীমা অপহরণ ও হত্যা মামলায় মূল হোতা ছিল স্বপন । স্বপনের নেতৃত্বে সাইফুল, রেজাউল, তাইরান, আসিফ সীমাকে অপহরণ করে বর্বর ভাবে পানিতে চুবিয়ে অজ্ঞান করে খনিজ নগরে স্বপনের বাড়ির পাশের দেয়াল ঘেঁষে পুতে ফেলে। পরবর্তীতে উক্ত মামলার সূত্র ধরে ডিবির কাছে তদন্তাধীন আরও একটি অপহরণ মামলার তথ্য পাওয়া যায়। এই তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস টিম অপহৃত তোফাজ্জল হোসেন টুনুর লাশ উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করে এবং আরো একটি চৌকস টিম সীমা হত্যার মূল হোতা সিরিয়াল কিলার স্বপনকে গ্রেফতারের কার্যক্রম শুরু করে।

    আজ সকালে ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশ স্বপনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এবং তার দেখানো মতে তার বাড়ি ও মাদক স্পট থেকে প্রায় দেড় বছর আগে অপহৃত তোফাজ্জল হোসেন তনুর লাশের কয়েক টুকরা হাড় এবং খুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সাভার মডেল থানাধীন আনন্দপুর সিটি লেন এ অবস্থিত মাদক সম্রাট এবং অপকর্মের মূল হোতা স্বপন এর নির্মাণাধীন বাড়ির একটি ফ্লোর এর অনুমান ০৭ ফুট গভীর হতে মানুষের হাড় সাদৃশ্য হাড় উদ্ধার করা হয়। স্বপন কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তনুকে নৃশংসভাবে কম্বল দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মাটি চাপা দেয় এই সিরিয়াল কিলার। তনু অপহরণের সময় যে শার্টটি পরিহিত ছিলো সেটিও পাওয়া যায়।গ্রেপ্তারের সময় স্বপনের কাছ থেকে পিস্তল এবং বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য হিরোইন উদ্ধার করা হয়।। স্বপনকে কুল্লা ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    ঢাকা জেলা ডিবি উত্তরের প্রতিটি সদস্যের অসীম আন্তরিকতা অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেড় বছর আগের অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের লাশের কয়েক টুকরা হার ও খুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয় ।

  • ৭ বার টাঙ্গাইল জেলায় শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হলেন  মোল্লা আজিজুর রহমান

    ৭ বার টাঙ্গাইল জেলায় শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হলেন মোল্লা আজিজুর রহমান

    আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান ৭ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
    টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সরকার মোহাম্মদ কায়ছার এর সভাপতিত্বে পুলিশ সুপারের কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে ২০২৪ সালের জুন মাসের মাসিক অপরাধ সভা সোমবার ১০ জুন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জঙ্গি দমন, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিট পুলিশিং কার্যক্রম, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল, স্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি, জেলার গোয়েন্দা কার্যক্রম নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার, সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
    এ সময় পুলিশ সুপার জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিতকরণে সকলকে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন এবং বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, মাদক, জঙ্গিবাদ ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল করার বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
    ২০২৪ সালের মে মাসের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও অর্জন এবং চৌকস কার্য সম্পাদনের জন্য পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়ছার টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ভালো কাজের পুরস্কার স্বরূপ ক্রেস্ট প্রদান করেছেন।
    ২০২৪ সালের মে মাসে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান ও ওয়ারেন্ট তামিলে সেরা সাফল্যের জন্য মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমানকে পূরষ্কৃত করেন জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বিপিএম।
    মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, এ সাফল্য আমার সকল সহকর্মী সহ প্রিয় মধুপুরবাসীর সহযোগিতার ফল। সকলের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন। সকলের সহযোগিতা পেলে আগামীতে আরও ভালো কাজের প্রত্যাশা করেন তিনি । তিনি মধুপুরবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা নিয়ে জনগনকে আরও ভাল সেবা প্রদান করবেন বলেও জানান।

  • ধামইরহাটে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    ধামইরহাটে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টূর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। ১১ জুন সকাল ৯ টায় ধামইরহাট শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহার আলী। উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সভাপতি ইউএনও আসমা খাতুন ও উদ্বোধক প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার কর্মজীবনের বর্ননা ও সেই আদর্শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ধারণ করার আহ্বান জানান। উপজেলার ১১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাছাই পর্বে বিজয়ী ৯টি বালিকা দল এবং ৯টি বালক দলের মধ্যে সেমিফাইনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদুল ইসলাম মাজেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম রব্বানী, আপেল মাহমুদ, শাফিউজ্জামান, ইউ আর সি ইন্সট্রাক্টর খুরশিদা পারভীন, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবু ইউসুফ মো. বদিউজ্জামান বকুল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান কবীর, ধামইরহাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম সবুজ, প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম, আবু সালেহ, মেরি ক্লেতিন্ডা সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • বিএনপি নেতা নান্নু খাঁনের জানাজা নামাজ সম্পন্ন

    বিএনপি নেতা নান্নু খাঁনের জানাজা নামাজ সম্পন্ন

    বাবুগঞ্জ উপজেলা জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ঠাকুর মুল্লিক গ্রামের মৃত আবদুল জব্বার খানের পুত্র জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি) এর যুগ্ম আহবায়ক মোঃ নান্নু খাঁন ৫৫ স্ট্রোক জনীত রোগে আজ ১১ জুন মঙ্গলবার সকাল ৫ টায় নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। ইন্না-লিল্লাহ —— রাজেউন।

    মৃত্যু কালে স্ত্রী ও তিন কন্যা এক পুত্র সন্তান সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বাদ জহুর তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উক্ত জানাজার নামাজে স্হানীয় ধর্মপ্রান মুসলমান ও ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেত্রী বৃন্দ সহ স্হানীয় শতাধিক লোক উপস্হিত ছিলেন। জানাজা নামাজ শেষে মরহুমের লাশ পারিবারিক কবর স্হানে দাফন করা হয়।

  • আমার মেয়েটার জীবন ওরা নষ্ট করে দিচ্ছে

    আমার মেয়েটার জীবন ওরা নষ্ট করে দিচ্ছে

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    ভূরুঙ্গামারীর হাটেরকুটি গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের আরফিনা আক্তারের সাথে পারিবারিকভাবে আইকুমারীভাতি গ্রামের সুমন মিয়ার বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে শশুড় বিএনপি নেতা নান্নু মিয়া তার পুত্রবধু আরফিনাকে কু-প্রস্তাব দেয়াসহ ভূয়া এভিডেভিট ও ভূয়া রেজিস্টারের মাধ্যমে একক তালাকের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    অভিযোগ ও ভূক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝার ইউনিয়নের হাটেরকুটি গ্রামের হতদরিদ্র খবির উদ্দিন ও ফজিলা বেগমের তিন কন্যার মধ্যে ২য় কন্যা আরফিনা আক্তারের সাথে পারিবারিকভাবে জয়মনিরহাট ইউনিয়নের আইকুমারীভাতি গ্রামের বিএনপি নেতা নান্নু মিয়া ও সুফিয়া বেগমের পুত্র সুমন মিয়ার সাথে গত ১২সেপ্টেম্বর ২৩সালে ১লাখ ৪০হাজার টাকা দেনমোহরে বিবাহ হয় ও খবির উদ্দিন যৌতুক বাবদ নগত সুমনের বাবা নান্নু মিয়াকে ১লাখ ৩হাজার টাকা দেয় এবং আসবাবপত্র দেয়। আরফিনা ও সুমনের সংসার ভালোই চলছিলো। বিয়ের ৩মাসের মধ্যে পুত্রবধুর লোভে দিশেহারা হয়ে শশুড় নান্নু মিয়া আরফিনাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন এবং গত ২৫নভেম্বর ২৩সালে পুত্রবধু কু-প্রস্তাব অস্বীকার করায় স্বামী শশুড় মিলে আরফিনাকে বিনাদোষে বেদম মারধর করে তার বাবার বাড়িতে রেখে যান। সে সময় আরফিনার হতদরিদ্র বাবা ও মা দুজন ঢাকায় কাজ করতেন আর এই সুযোগে আজমাতা কম্পেরহাট এলাকার বাবলু দেওয়ানি ও জয়মনিরহাট ক্লাব মোড়ের বিয়ের বিখ্যাত জাল ঘটক জাহাঙ্গীর আলমের পরামর্শে বিএনপি নেতা নান্নু মিয়া তার কন্যা নিলুফা বেগমকে নাটকিয়ভাবে পুত্রবধুকে আরফিনা আক্তার সাজিয়ে জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে গত ৭ডিসেম্বর ২৩সালে এডভোকেট মানিক চন্দ্র বর্মনের মাধ্যমে ১৭৪৬/২৩এভিডেভিটে একক ভূয়া তালাক দেয় এবং সেদিনই নান্নু মিয়া তার স্ত্রী সুফিয়া বেগমকে আরফিনার মা ফজিলা বেগম সাজিয়ে জাল স্বাক্ষরে নাগেশ^রীর ভিতরবন্দ ইউপি নিকাহ রেজিস্টার হাবিবুর রহমানের সাথে যোগসাজস করে একক ভূয়া তালাক নেয়। বিএনপি নেতা নান্নু মিয়ার এ গল্প যেনো সিনেমাকেও হার মানায়। আরফিনার পিতা দিশেহারা হয়ে জয়মনিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে লিখিত অভিযোগ দিয়েও বিচার থেকে বঞ্চিত। অপরদিকে বিএনপি নেতা নান্নু মিয়া তার পুত্র সুমনকে নাখারগঞ্জ এলাকায় বিয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের যৌতুক হাতিয়ে নিয়েছেন। নান্নু মিয়া ও তার দলবল হতদরিদ্র খবির উদ্দিন ও তার পরিবারকে মামলা না করাসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।

    হাটেরকুটি গ্রামের বাচ্চু মিয়া, সাদ্দাম হোসেন ও আব্দুল্লাহসহ অনেকে বলেন, হতদরিদ্র খবির উদ্দিনের কন্যা আরফিনা আক্তারের সাথে আইকুমারীভাতি গ্রামের বিএনপি নেতা নান্নু মিয়ার পুত্র সুমন মিয়ার সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের সময় খবির উদ্দিন তার শ্রমবিক্রির টাকা যৌতুক বাবদ সুমনের বাবাকে ১লাখ ৩হাজার টাকা এবং আসবাবপত্র দেয়। বিএনপি নেতা নান্নু মিয়ার চরিত্র জঘন্য।

    নান্নু মিয়া ও বাবলু দেওয়ানির সঙ্গে ফোনে কথা হলে স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া এভিডেভিট এবং সাজানো তালাকনামার কথা স্বীকার করে বলেন, জোর যার মুল্লুক তার, টাকা হলে আইকেও কেনা যায়। নিউজ বন্ধের জন্য অনুরোধ করেন।

    নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউপি নিকাহ রেজিস্টার হাবিবুর রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা হলে নান্নুর স্ত্রীর জাল স্বাক্ষরে তালাকনামার কথা স্বীকার করে বলেন, যা হবার হয়েছে। মেয়ের বাবা আমাকে ৫শত টাকা দিয়েছে বাকি ৪হাজার ৫শত টাকা দিলে আমি একটি কাগজ দিবো আর কিছুই হবেনা।

    ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন জানান, এটি একটি বড় প্রতারণা। ব্র্যাকের মাধ্যমে মামলা করলে ভালো হবে।

    কুড়িগ্রাম জেলা রেজিস্টার মোস্তাফিজ আহম্মেদ জানান, এটাতো সিনেমার চেয়েও বড় কাহিনি। ভিতরবন্দ ইউপি নিকাহ রেজিস্টার হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

  • উজিরপুরে ইউপি সদস্যের বসত ঘরে আগুন, ভুমিদস্যু ও মামলাবাজ জাকিরের বিরুদ্ধে মামলা

    উজিরপুরে ইউপি সদস্যের বসত ঘরে আগুন, ভুমিদস্যু ও মামলাবাজ জাকিরের বিরুদ্ধে মামলা

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম,উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য প্রফুল্ল হাওলাদারের বসতঘরে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ কাংশি গ্রামের জাকির হোসেন সরদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রফুল্ল হালদার। স্থানীয় ও অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উপজেলার বড়াকোঠা ২নং ওয়ার্ডের মৃত রাজেন্দ্রনাথ হালদারেরর ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য প্রফুল্ল কুমার হালদারের সাথে পার্শ্ববর্তী শোলক ইউনিয়নের কাংশী গ্রামের নুরমোহাম্মদ সরদারের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন সরদারের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে ৬ জুন বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে সাবেক ইউপি সদস্য প্রফুল্ল হাওলাদারের ঘরের চালে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।ঘরের মধ্যে প্রচন্ড তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় প্রফুল্ল হালদার বাদী হয়ে চিহ্নিত ভূমি দস্যু ও মামলাবাজ নামে খ্যাত মোঃ জাকির সর্দারকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এতে জাকির ক্ষিপ্ত হয়ে সাবেক ইউপি সদস্য প্রফুল্লকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে বলে সাংবাদিকদের কে জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ জাকির সরদার জানান, প্রভাবশালী ভূমিদস্যু প্রফুল্ল কুমার হালদার আমাকে ও বড়াকোঠা গ্রামের সুশীল হালদার ও সুখরঞ্জন হালদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধণ করেছে এবং একাধিক মিথ্যা মামলা অভিযোগ করে আমাকে হয়রানি করছে। আমি তার বসত ঘরে অগ্নি সংযোগ করি নাই কে বা কারা করেছে আমার জানা নেই। উজিরপুর মডেল থানার এসআই আব্দুর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে তদন্ত চলছে। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাফর আহমেদ জানান, প্রফুল্লর অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই দেবাশীষ সাহা

    ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই দেবাশীষ সাহা

    ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
    ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর ( এসআই) দেবাশীষ সাহা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১১জুন) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় এ ঘোষনা দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা তার হাতে শ্রেষ্টত্বের এই সম্মাননা ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট তুলে দেন।

    ২০২৪ এর মে মাসে মাদক বিরোদী অভিযানে ভারতীয় মদ ও মামলা নিষ্পতি এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় অপরাধ পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে কোতোয়ালী মডেল থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) দেবাশীষ সাহা কৃতিত্বের সাথে অপরাধ দমনে সফলতা অর্জন করায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

    কোতোয়ালী মডেল থানায় গত মে মাসে দাখিলকৃত মাদক মামলায় আসামী গ্রেপ্তার, ধৃত আসামীদের নিকট থেকে মাদক উদ্ধার,ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে এস আই দেবাশীষ সাহা শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়িত্ব পালন করছেন।

    পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভূতি জানতে চাইলে এসআই দেবাশীষ সাহা বলেন, জনগণের টাকায় আমার চাকরি। জনগণকে সেবা দেওয়া আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করি। এ ধরনের পুরস্কারে কাজের প্রতি স্পৃহা আরও কয়েকগুণে বেড়ে যায়। আমি ধন্যবাদ জানাই আমার শ্রদ্ধাভাজন অভিভাবক জেলা পুলিশ সুপার স্যার,কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্যারসহ থানা কর্মরত সহকর্মী পুলিশ কর্মকর্তাদের। তাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অর্জন। একই সাথে আগামী দিনে সফলতায় কোতোয়ালিবাসীসহ সকল সহকর্মীদের সার্বিক সহযোগীতও প্রত্যাশা করেন তিনি।