Blog

  • ঝলমলিয়া বাজারে পশু কেনা- বেচায় অতিরিক্ত  খাজনা আদায়ের  অভিযোগ 

    ঝলমলিয়া বাজারে পশু কেনা- বেচায় অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের  অভিযোগ 

    পুঠিয়া (রাজশাহী)  প্রতিনিধিঃ

    কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজারে পশু কেনা- বেচায় অতিরিক্ত

    খাজনা বা অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৩জুন) কুরবানী ঈদের আগে সাপ্তাহিক শেষ হাট হওয়ায় বাজারে খাসি ও ছাগলের আমদানির পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কেনা- বেচা শুরু হতেই বৃদ্ধি পায় হাটে খাজনা আদায়ের টাকার পরিমান। খাসি বা ছাগলের ক্ষেত্রে ক্রেতা ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার ২০০ টাকা হারে খাজনা আদায় করছে হাট ইজারাদারেরা

    সরজমিনে পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত টাকা আদায়ের জন্য অনেক ক্রেতা বাজার থেকে ফিরে চলে গেছে ছাগল ক্রয় না করে।  অনেকে আবার ছাগল বিক্রয় না করে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন।

    আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে হাটে এসেছিলাম খাসিটি বিক্রয়ের জন্য কিন্তু হাটে এসে সকাল থেকেই দেখছি খাজনার নামের চলছে চাঁদাবাজি শুরু করেছে হাট ইজারাদারের লোকজন। তাই খাসি বিক্রয় না করে, বাড়ি ফিরতে চাইলে তারা আমাকে বাঁধা দেই। এবং বলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে বাজার থেকে বের হওয়া যাবে না। 

    খাসি ক্রয় করতে আশা ফজলু রহমান জানান, এই হাটের কথা কি আর বলবো পারেলেতো আমাদের পকেট থেকে টাকা ছিনিয়ে নিবে। প্রশাসনের ব্যর্থতায় কারণে আজ হাটের এই অবস্থা। আমাদের দুঃখ কষ্ট দেখার কেউ নেই।

    নাম পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক ইজারাদারের এক কর্মচারী বলে, কি আর বলবো হাটের কথা ইনছার চাচা যেভাবে বলেছে- আমরা সেভাবেই হাটে  খাজনা আদায় করতেছি। আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের অকোত্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি কর্মচারী আমাদের যেভাবে টাকা আদায় করতে বলেছে সেভাবে খাজনার টাকা আদায় করতেছি। 

    এসব বিষয়ে সাব-ইজারাদার ইনছার আলী তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলে,কোন ভদ্র মানুষ হাট নেয় না। তাই একটু সমস্যা হয়ে থাকে। ৩৭ লাখ টাকার হাট এবার ৬২ লাখ টাকায় নিয়েছি টাকাগুলো তো সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই তুলতে হবে।

    এ বিষয়ে হাট ইজারাদার সুমন সরদার বলে, আশেপাশের সব হাটের থেকে আমার এই হাটে সবচেয়ে কম টাকা আদায় করা হয়। একা আমার পক্ষে এত বড় হার চালানো সম্ভব না। সে কারণে সাব-ইজারাদার হিসাবে ইনসার কে খাসি হাট দেওয়া আছে। তবে হাটে অনিয়ম হচ্ছে কিনা তা আমার জানা নেই।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর হোসেন নির্জর বলে, হাটে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। এর আগেও ঝলমলিহাটের অনিয়ম কিছু অভিযোগ আমরা হাতে পেয়েছি। তবে বিষয়টা অবশ্যই আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

    মাজেদুর রহমান( মাজদার) 
    পুঠিয়া রাজশাহী । 

  • সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হ্যাপি জেনারেল হসপিটালের চেয়ারম্যান ডাঃ হ্যাপি

    সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হ্যাপি জেনারেল হসপিটালের চেয়ারম্যান ডাঃ হ্যাপি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে অবস্থিত হ্যাপি জেনারেল হসপিটালের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডাঃ রাশিদা বিনতে রিয়াজ হ্যাপি’ দেশবাসী সবাইকে ঈদ-উল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    নারী উদ্যোক্তা মানবতার ফেরিওয়ালা ডাঃ রাশিদা বিনতে রিয়াজ (হ্যাপি) বলেন, হ্যাপি জেনারেল হসপিটালের পক্ষ থেকে আমি সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, তিনি আরো বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে আমি একজন নারী উদ্যোক্তা হয়েছি, গল্প নয় বাস্তব—পৃথিবীতে মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, ভালো কিছু করার মানেই হলো মানবতা। মানুষের আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তবে মানুষিক আত্মা আর দেহগত আত্মা একরকম নয়, আত্মা কারো তৈরি পাওয়া যায় না। আমরা মানুষ হিসেবে মানুষকে ভালোবাসি এটাই সাভাবিক, আমি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা করার জন্য হসপিটাল করেছি, আমি একজন ভালো সেবক হওয়ার চেষ্টা করছিমাত্র।

    তিনি আরও বলেন, মেহনতী নারী শ্রমিক গরীব মানুষের স্বাস্থ্য সেবার গল্প বলছি আজ, আমি এর আগে ঢাকার আশুলিয়ায় অনেক গরীব নারী পোশাক শ্রমিককে সহযোগিতা করেছি, এখনও অনেক মানুষের চিকিৎসা সেবা করছি।

    এক প্রসূতি নারীর নাম শ্রীমতি লিপি রানী (২৫), তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্ধগঞ্জে। তিনি ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন পলাশবাড়ি লাল মাটি এলাকায় মিজানের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ওইদিন ছিলো শুক্রবার, বিকেলে ওই নারী আশুলিয়া থানার গেটের সামনে এসে কান্না করছিলেন, তার কান্নার কারণ জানতে চাইলে জবাবে তিনি বলেন,আজ সিজারের ডেট কিন্তু তার কাছে কোনো টাকা নাই দেখে কোন ক্লিনিক বা হাসপাতালের ডাক্তার তাকে সিজার করেননি, এই কথা শোনে আমার মালিকানাধীন হ্যাপি জেনারেল হসপিটালে আমার নিজস্ব অর্থ খরচ করে তার সিজার করি এবং হসপিটালে কয়েকদিন ভর্তি রেখে সকল চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। শ্রীমতি লিপি রানীর নবজাতক কন্যা শিশুটির নাম রাখা হয়েছে শ্রীমতি দীপিকা রানী। তিনি আরো বলেন, আমি ডাঃ হ্যাপি এ রকম অনেক রোগীকে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকি, এতে “হ্যাপি জেনারেল হসপিতালের সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা পেয়েছি। তাই সবার প্রতি দোয়া ও শুভ কামনা রইলো, ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন মানবিক ওসি ছিলেন শেখ রেজাউল হক দিপু, তিনি অনেক ভালো মানুষ।

    ডাঃ হ্যাপি আরো বলেন, আমার বাবা “বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজ উদ্দিন আবারও ২০২৪ সালে সিরাজগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, সবাই তাকে ভালোবাসেন, সম্মান ও শ্রদ্ধা করেন। আমি সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কন্যা সন্তান।

    তিনি আরো বলেন, নানা বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আজ আমি ডাঃ হ্যাপি হয়েছি, আমি বিগত ২০১১ইং সাল থেকে আশুলিয়া এলাকায় পোশাক শ্রমিকসহ সকল মেহনতী মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছি, আমি দীর্ঘদিন বিজিএমই হেলথ কমপ্লেক্স জামগড়ায় ডাক্তার হিসেবে কর্মরত ছিলাম, সেই সুবাদে গার্মেন্টস কর্মী—পোশাক শ্রমিকদেন সাথে আমার সক্ষতা গড়ে উঠে। বাস্তবে আমি মেহনতী মানুষের খুব কাছে থেকে জীবন—জীবিকা উপলব্ধি করতে পারি। এখান থেকেই আমার ইচ্ছা জাগে আমি একটি হসপিটাল করে এই নিম্ন আয়ের মেহনতী মানুষদেরকে স্বাস্থ্য সেবা করবো। যে হেল্প সেন্টার আছে সেখানে আমি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলাম। সেই ইচ্ছা থেকেই আমার হসপিটালটি শুরু করি। এই “হ্যাপি জেনারেল হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে স্বল্প খরচে মেহনতী মানুষের চিকিৎসার জন্য চারিদিকে আমার হসপিটালটি সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরো বলেন, আমরা বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোতে আমাদের হসপিটালের পক্ষ থেকে ফ্রি ক্যাম্পেইন করে থাকি। পোশাক শ্রমিকসহ যেসকল নিম্ন আয়ের মানুষগুলো আছেন, আমি তাদের জন্য সবসময় সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকি। তাই এখানে প্রচুর রোগী আসতে থাকে, এখনো ধারাবাহিকতা অব্যাহত আছে।

    ডাঃ রাশিদা বিনতে রিয়াজ (হ্যাপি) আরো বলেন, আমাদের বাংলাদেশের ৫ম বারের মতো ২০২৪ সালেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, এই মমতাময়ী মা বলেছেন যে, দেশে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে, সেই লক্ষ্যে আমি একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছি। আমার উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা—কর্মচারীসহ ৬০ জনের মতো ব্যক্তি কাজ করেন। সবাইকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা-ঈদ মোবারক।

  • ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সায়েদ

    ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সায়েদ

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন মানবিক পুলিশ অফিসার আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ. এফ. এম সায়েদ। তিনি মানবিক পুলিশ অফিসার বলেই রাজনৈতিক, পেশাজীবি ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ তাঁকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

    বুধবার (১২জুন ২০২৪ইং) রাতে জানা গেছে, তিনি এর আগে ঢাকা জেলার ধামরাই থানা, ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি), সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, এরপর সাভার মডেল থানা থেকে বদলি হয় নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন।

    এরপর রূপগঞ্জ থানা থেকে বদলি হয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় আসেন ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে, তিনি সবসময় সততা ও সাহসী ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করেন এবং কিছু মানবিক কাজ করায়, বিশেষ সম্মানে ঢাকা জেলা আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে ঢাকা জেলা শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কারে পুরস্কৃত হলেন। তার জীবনে একাধিকবার এমন সম্মান অর্জন করেছেন।

    রাজনৈতিক, পেশাজীবি ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে অনেক পছন্দ করেন এবং ভালোবাসেন, সর্বসাধারণের জন্য তার দরজা সবসময়ই খোলা আছে বলেই তিনি মানবিক পুলিশ অফিসার। অনেকেই এই আশুলিয়া থানার ওসিকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করছেন যে, অভিনন্দন ও আপনার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু দান করেন।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা এ. এফ.এম সায়েদ বলেন, যেকোনো মানবিক কাজ করতে আমি প্রস্তুত আছি, সেই সাথে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে তাদেরকে আটক করার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে, অপরাধী যেইহোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।

  • সুজানগরের ১১০০ কৃষক পেল বিনামূল্যে বীজ ও সার

    সুজানগরের ১১০০ কৃষক পেল বিনামূল্যে বীজ ও সার

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান,উপজেলা মৎস্য অফিসার নূর কাজমীর জামান খান, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা,সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সবুজসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির কৃষি বান্ধব সরকারের কৃষি উন্নয়নে নানাবিধ কর্মসূচির ভুয়সী প্রসংশা করেন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগের প্রসংসা করে কৃষককে অধিক পরিমাণে ফসল ফলনে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খরিফ-২/২০২৪-২৫ মৌসুমে রোপা আমন ধানের উফশী জাতের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সুজানগর উপজেলার ১১০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হচ্ছে। এই প্রনোদনা কর্মসূচিতে ১১০০ জন কৃষকের প্রত্যেকে ০৫ কেজি করে বীজ ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • সুজানগরে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

    সুজানগরে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে ২২০২৩-২৪ আর্থিক সালে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এর আওতায় নিবন্ধিত জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উপকরণ সহায়তা হিসেবে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের বাস্তবায়নে বুধবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে বকনা বাছুর বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মৎস্য অফিসার নূর কাজমীর জামান খান। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা,সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় রোগীরা পেল সাড়ে ২০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

    সুজানগরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় রোগীরা পেল সাড়ে ২০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ ক্যান্সার সহ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত সুজানগর উপজেলার ৪১ জন অসহায় রোগীর মাঝে ২০ লাখ ৫০হাজার টাকার সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ক্যান্সার,কিডনী,লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজড,জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের সমাজসেবা অধিদফপ্তরের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বুধবার এ সহায়তা প্রদান করা হয়। সুজানগর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে এককালীন এ আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানে থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য অফিসার নূর কাজমীর জামান খান,তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা,সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সুজানগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.জিল্লুর রহমান জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফপ্তর হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম এর মাধ্যমে দুঃস্থ ও অসহায় রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমানে ক্যান্সার,কিডনী,লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজড,জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের এককালীন জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা হারে বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে এ চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • হাঁস-মুরগীর খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম(ঈৎ) ব্যবহার হচ্ছে মর্মে বিএসটিআই’র অভিযান

    হাঁস-মুরগীর খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম(ঈৎ) ব্যবহার হচ্ছে মর্মে বিএসটিআই’র অভিযান

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    হাঁস-মুরগীর খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম(ঈৎ) ব্যবহার হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়ায় রংপুর জেলার ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭টি নমুনা পরীক্ষণের জন্য ঢাকায় প্রেরণ

    অদ্য ১২.০৬.২০২৪ খ্রিস্টাব্দে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে- (১) মেসার্স এস.এস এগ্রো ফিডস লিমিটেড, জনকিনাথপুর, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর থেকে স্টার্টার এবং গ্রোয়ার ২টি হাঁস-মুরগীর খাদ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে (২) মেসার্স রংপুর পল্ট্রি লিমিটেড, কায়দাহারা, তামপাট, বড়রংপুর, সদর, রংপুর থেকে স্টার্টার, গ্রোয়ার ও ফিনিশার ৩টি হাঁস-মুরগীর খাদ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে (৩) মেসার্স জম জম এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ, দেওয়ানটুলী, মাহিগঞ্জ, মহানগর, রংপুর থেকে স্টার্টার ও গ্রোয়ার ২টি হাঁস-মুরগীর খাদ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। উক্ত ৩টি প্রতিষ্ঠানের ৭টি নমুনা সংগ্রহ করে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম (ঈৎ) সনাক্তকরণের জন্য বিএসটিআই, ঢাকার পরীক্ষণ ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে। কোন বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    উক্ত অভিযানটিতে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম), প্রকৌঃ মোঃ তাওহীদ আল আমিন, ফিল্ড অফিসার (সিএম) ও প্রকৌঃ প্রান্তজিত সরকার, পরিদর্শক (মেট্রোলজি), বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুজানগরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্টিত

    সুজানগরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্টিত

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্টিত হয়। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব। সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জালাল উদ্দিন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি মাদক-জুয়া, চুরি-ডাকাতি,বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং সহ আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন,সরকার দেশের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। তাই অপরাধ প্রবণতা বন্ধে ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের পাশাপাশি সকল নাগরিককে ভূমিকা রাখতে হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ

    সুজানগরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ সুজানগরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় (বালিকা) জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে । উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বুধবার এ ফুটবল টুর্নামেন্টের এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব,পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জালাল উদ্দিন ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার কাজী আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সুজানগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম টুকু, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের ক্রীড়া চর্চায় উদ্বুদ্ধকরণ ও শারীরিক,মানসিক ও নান্দনিক বিকাশ,প্রতিযোগীতার মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধি সহ সকল ধরণের অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করেছে সরকার।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • তানোরে দিনব্যাপি অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৪

    তানোরে দিনব্যাপি অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৪

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের কর্মরত দলিল লেখকদের দিনব্যাপী অভ্যন্তরীন দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৪ আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ১২ জুন বুধবার তানোর সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের উদ্যোগে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় চত্ত্বরে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার ইয়াসির আরাফাত ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার তানিয়া তাহের এবং অফিস সহকারী সাফিরুন নেসা।
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ,
    সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, কোষাধ্যক্ষ সোহেল, সিনিয়র দলিল লেখক
    খায়রুল ইসলাম, ওবাইদুর রহমান দুলাল, রায়হানুল হক রায়হান, আরশাদ আলী, আকতার হোসেন। নকল নবিস সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সম্পাদক আব্দুল খালেক ও কোষাধ্যক্ষ
    শাহাদাৎ হোসেনপ্রমুখ।
    এদিন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দলিল পরিচিতি, নিবন্ধন আইনের ৫২(ক) ধারা, নিবন্ধন বিধিমালার বিধি ২০ এর বিধানাবলি ও দলিল লিখন পদ্ধতি।
    নকল নবিসগণ কর্তৃক আদায়কৃত ফিস, নকল নবিসগণের অনুলিপি কাজ বাবদ অর্থ আদায় ও পরিশোধ করণ বিধিমালা-২০১৮। রেকর্ড সংরক্ষণ ও বিনষ্টকরণ এবং রেকর্ডরুম ব্যবস্থাপনা।পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন-২০১২
    ও পাওয়ার অব অ্যাটনি বিধিমালা-
    ২০১৫। দলিল লেখক (সনদ) বিধিমালা-২০১৪। মূল্যায়ন রিসোর্স পার্সন/ফ্যাকাল্টি ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরে প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।#