Blog

  • জেলা আইনজীবী সমিতির  নির্বাচনে বিজয়ী  পীরগঞ্জের ৫ আইনজীবীর সংবর্ধনা

    জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী পীরগঞ্জের ৫ আইনজীবীর সংবর্ধনা

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী সভাপতিসহ পীরগঞ্জের ৫ আইনজীবীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রোববার বিকেলে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব হলরুমে পীরগঞ্জ অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন এ সংবর্ধনার আয়োজন করে ।
    সংবর্ধনা প্রাপ্ত আইনজীবীগণ হলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি এ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সিনিয়র সহসভাপতি হাসিনুজ্জামান মিলার, সহসভাপতি একরামুল হক, ক্যাশিয়ার হারুনুর রশিদ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোবারক আলী।
    পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. মেহের এলাহীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. বদরুল হুদা, জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি এ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সহসভাপতি হাসিনুজ্জামান মিলার ও একরামুল হক, পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ইত্তাশাম উল হক মীম, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি আজম রেহমান, এ্যাডভোকেট হাবিবুল্লাহ চৌধুরি, এ্যাডভোকেট আল মামুনুর রশিদ, পীরগঞ্জ পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মফিজুল হক, উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি আসাদুজ্জামান চৌধুরি মানু ও আয়োজক পীরগঞ্জ অনলাইন জার্নালিষ্ট সভাপতি বাদল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    এন এন রানা
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • রাঙ্গাবালীর জেলে পল্লীতে নেই কোরবানির আনন্দ, ঈদ এসেছে দুঃখ নিয়ে

    রাঙ্গাবালীর জেলে পল্লীতে নেই কোরবানির আনন্দ, ঈদ এসেছে দুঃখ নিয়ে

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালীঃ
    এক মাসের বেশি সময় মাছ ধরা বন্ধ। এখনো পৌছায়নি জেলেদের জন্য সরকারি সাহায্যের চাল। এর মাঝেই এসে হানা দিয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, তছনছ করেছে বসতভিটা। তাই সম্পূর্ণ কর্মহীন পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারী জেলেরা। বেকার এসব জেলেদের দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে। এ অবস্থায় এবারের ঈদ যেন জেলে পরিবারের কাছে এসেছে খুশির বদলে দুঃখ নিয়ে।

    বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন রাঙ্গাবালীর জেলেরা। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ এক মাস ধরে মাছ ধরা বন্ধ। এদিকে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে নিবন্ধিত জেলেদের কে ৮৬ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো দেয়া হয় নি, নিবন্ধন না থাকায় সরকারি কোন সহায়তাও পাননা উপজেলার কয়েক হাজার জেলে। তাদের দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে। এ অবস্থায় ঈদের আনন্দ নেই জেলে পল্লীতে। পকেটে টাকা না থাকায় দৈনন্দিন খরচ নির্বাহ করতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। কর্মহীন জেলেদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হলেও, নিবন্ধন না থাকায় তা থেকেও বঞ্চিত হন অনেক জেলে।

    উপকূলের আলমগীর মাঝি জানান, সারাজীবন অন্যের নৌকায় মাছ ধরেছেন। ছেলেরাও ছোটবেলা থেকে জীবিকার অন্বেষণে অন্যের নৌকায় মাছ ধরছে; যা রোজগার হয় সেটাই খরচ হয়ে যায়। অবশিষ্ট কিছুই থাকে না। বেশি মাছ পড়লে একটু ভালো খাই। কম মাছ পড়লে সমস্যা বেশি হয়। সাগরে অভিযানের কারণে মাছ ধরাই বন্ধ হয়ে গেছে। তার মতো অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে বহু জেলে পরিবার। অনেক জেলে এই কুরবানির ঈদে তার সন্তানদের মুখে এক টুকরো মাংসও তুলে দিতে না পেরে মুখ লুকিয়ে কাঁদবেন।

    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদানের চাল দেয়ার কারনে জেলেদের চাল আসতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। শীঘ্রই প্রথম কিস্তির চাল জেলেদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

    ইলিশসহ সব ধরনের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০মে থেকে ২৩ জুলাই টানা ৬৫ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তের বঙ্গোপসাগরের সমগ্র এলাকা।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা ।

  • উল্লাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহন

    উল্লাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহন

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ন কবীরের নিকট শপথ গ্রহনের পর সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী সেলিনা মির্জা মুক্তি দায়িত্ব গ্রহন করেন। উল্লাপাড়ায় এই প্রথম নারী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন তিনি।তার সাথে ভোটের রেকর্ড গড়া ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাইদ সরকার স্বপন ও সংস্কৃতিমনা,সর্ব কনিষ্ঠ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সবিতা প্লাবণী সুইটি’ও দায়িত্ব গ্রহন করেন।গত বুধবার সকালে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা খাতুন এর উপস্থিতিতে দায়িত্বভার গ্রহন করেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফুল দিয়ে তাদেরকে বরন করে নেন।দায়িত্ব গ্রহনের পরই সকলের সাথে পরিচয় পর্ব ও অনেকেই ফুল দিয়ে তাদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করেন।এ সময় উল্লাপাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,উপজেলার বিভিন্ন দফতরের প্রধানগন,সাংবাদিক,রাজনৈতিক,সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।দায়িত্ব গ্রহনের পরই তারা উপজেলা চত্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন এবং দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।পরিষদের চেয়ারে বসার পর আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া জ্ঞাপনসহ সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন।উল্লেখ্য,গত ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮৯০১৮ ভোট অর্থাৎ প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬৯৯৫ ভোট বেশী পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সেলিনা মির্জা মুক্তি।৫৮৩৫০ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ের মালা গলায় পরেন আবু সাইদ সরকার স্বপন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোটযুদ্ধে নেমে ৫৬৯৬০ ভোট পেয়ে এবারে ভোটের মাঠ কাঁপিয়েছেন,সদা হাস্যোজ্বল,তরুণ প্রজন্মের অহঙ্কার,সকলের আস্থাভাজন,নারী নেত্রী সবিতা প্লাবনী সুইটি।

  • মানবতার ফেরিওয়ালা এমপি ফারুক চৌধুরী

    মানবতার ফেরিওয়ালা এমপি ফারুক চৌধুরী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের চাঁন্দুড়িয়া ইউপির ফসলি মাঠ থেকে গরুর খাবার ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন জীর্ণ-শীর্ণ কাপড় পরিহিত বয়োজৈষ্ঠ এক নারী।দেওতলা মোড়ে যখন তিনি পৌঁচ্ছান। তখন সময় প্রায় দুপুর।গত ১৪ জুন শনিবার (এটা ঈদুল-আযহার দুই দিন আগের ঘটনা)
    এদিন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী রাজশাহী শহর থেকে সড়ক যোগে তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) চৌরখৈর গ্রামের পৈতৃক বাড়িতে যাচ্ছিলেন। দেওতলা মোড়ে আশামাত্র বয়োজৈষ্ঠ ওই নারীর দিকে চোখ পড়ে তাকে দেখেই থমকে দাঁড়ায় সাংসদ। এ সময় তিনি গাড়ী থামিয়ে নেমে এসে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে মা সম্বোধন করে জানতে চান তিনি কেমন আছেন এবং তার সমস্যা কি ? জবাবে ওই নারী জানান, তিনি ভাল আছেন বাড়ির গরু-ছাগলের জন্য ফসলী মাঠ থেকে ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছেন। এসময় এমপি ফারুক চৌধুরী তার গাড়ী থেকে শুকনো খাবার, মাস্ক ও কিছু নগদ অর্থ ওই নারীর হাতে তুলে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশবাসীর জন্য দোয়া করার আহবান জানান। একজন এমপির এমন সৌহার্দপূর্ণ আচরণে মুগ্ধ হন ওই নারীসহ সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ। এদিন যাত্রা পথে চাঁন্দুড়িয়া ইউপি থেকে কলমা ইউপি পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও খাবার বিতরণ করেন সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে বয়োজ্যেষ্ঠ
    ওই নারী জানান, এমপি সাহেব অনেক ভালো মানুষ। তিনি আসলেই যে গরীব মানুষের খোঁজ খবর নেন বা গরীবের
    এমপি তার প্রমাণ পেলাম। আমরা এমন এমপিকেই আমাদের পাশে চাই। যিনি বিপদে-আপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। নেবেন গরীবের খোঁজ খবর। একেবারে প্রত্যন্ত পল্লীর ঘাঁমে-ভেঁজা-পা-ফাটা কৃষক কিংবা শহরের রিক্সাচালক যে কেউ খুব সহজেই ফারুক ভাই সম্বোধন করে তার কাছে যেতে পারে বলতে পারে যে কোনো সমস্যার কথা। এমপি ফারুক চৌধুরী
    কর্মী-জনবান্ধব এই রাজনৈতিক নেতাকে গরীবের এমপি বলা হয়।জমিদার পরিবারের সন্তান হয়েও তার মধ্য নেই কোনো অহংকার জীবনযাপনেও অনেকটা সাদাসিধে নেই কোনো জড়তা স্পস্টবাদী ও কৌতুক প্রিয় এই নেতা যেকোনো অনুষ্ঠান বা রাজনৈতিক কর্মসুচি যেখানেই যায় সেখানেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজেই মিশে হয়ে উঠে তাদেরই একজন। আর তাইতো তাকে মানবতার ফেরিওয়ালা এ গরীবের এমপি বলা হয়। বাংলাদেশের গতানুগতিক রাজনীতিতে যা অনেকটা বিরল। কারণ এখানো যেখানে অধিকাংশ মেয়র বা ইউপি চেয়ারম্যানের সাক্ষাত পেতে সাধারণ মানুষকে তাদের মুরিদ ধরে আসতে হয় সেখানে এমপি ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে সরাসরি যেকোনো মানুষ যেকোনো সময় যেকোনো কথা বলতে পারেন।এছাড়াও অন্যরা যখন ঢাকায় বা শহরে অবস্থান করতে পচ্ছন্দ করেন, তখন এমপি ফারুক চৌধুরী নির্বাচনী এলাকায় থাকতেই স্বাচ্ছন্দবোধ করেন।এসব বিবেচনায় যে যতো বড় বগী আওয়াজ দিক এখানে এমপি ফারুক
    চৌধুরীর কোনো বিকল্প নাই।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব, স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব এই মানুষটি ছাত্র রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই।

  • পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গরিব, অসহায় ও দু:স্থ ৯৪৬ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) এর চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    রোববার (১৬ জুন) সকালে ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নিজাম উদ্দিন খান এই চাল বিতরণের উদ্বোধন করেন।

    এসময় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মসলিম উদ্দিন, ইউপি সচিব আশুতোষ সরকার, ট্যাগ অফিসার পক্ষে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহায়ক সুমন্ত চন্দ্র রায়, ইউপি সদস্য তবিবর রহমান, ইউপি সদস্য শামসুল হক, ইউপি সদস্য মোকবুল হোসেন, ইউপি সদস্য রিয়াজ উর রহমান, ইউপি সদস্য কাজিম উদ্দিন, ইউপি সদস্য ইউসুফ আলী সহ এমপি প্রতিনিধি আফসার আলী উপস্থিত ছিলেন।

    জানা যায়, দেশব্যাপী ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মানবিক কর্মসূচির আওতায় আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১০কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের ন্যায় তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নে এই চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • বোররচরে নে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার  ভিজিএফ  চাউল পেলেন দুই হাজার ২৪৫টি পরিবার

    বোররচরে নে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ চাউল পেলেন দুই হাজার ২৪৫টি পরিবার

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ৩নং-বোররচর ইউনিয়নের গরীব অসহায় ও দুস্থ্য মানুষের মাঝে পবিত্র ঈদ- উল আযহা ২০২৪ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসেবে ১০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরন করা হয়েছে ।

    শনিবার (১৫ জুন) সকাল ১০ টায় বোররচর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায়, ত্রাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায়,উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে এবং ইউনিয়ন পরিষদের এর সুষ্ঠু ব্যাবস্থাপনায় এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম সাব্বির ।

    এময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নারায়ন চন্দ্র দাস সহ ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া ইউপি সদস্য তৈয়ব আলী, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন ইউপি সদস্য মালেখা খাতুন ইউপি সদস্য শিল্পী আক্তার সহ, বোররচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সাব্বির জানান,খাদ্যসামগ্রী ভিজিএফের চাউল বিতরণ সারাদিন অব্যাহত থাকবে। মানবিক নেত্রী ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসাবে বরাদ্দের ১০ কেজি পরিমাণ চাউল অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ।

    বঙ্গবন্ধু সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদে যাতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ কোন কষ্ট না পায় সে বিবেচনায় এ বিশেষ ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

    চরাঞ্চলের পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্যসামগ্রী ভিজিএফের ১০ কেজি চাউল পেয়ে খুশি বোররচর ইউনিয়নের দুই হাজার ২৪৫ টি পরিবার। প্রতিটি হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ কেজি করে চাউল দেওয়া হয়েছে ।
    এসব মানুষ যেন একটু স্বস্তিতে ঈদ করতে পারে এজন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরন করা হচ্ছে।
    বোররচর ইউনিয়নে ঈদের আগে বিনামূল্যে ১০ কেজি ভিজিএফের চাউল পেয়ে খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ ,ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ঈদ উপহার ১০ কেজি চাল পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে বলে জানান বলেন মাহমুদা বেগম।

    উপকারভূগী রাবিয়া খাতুন বলেন আমি চাল হাতে পেয়ে অনেক খুশি বিনামূল্যে চাল পেলাম এতে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ভালোভাবে ঈদটা কাটবে আমার সাংবাদিকদের বলেন গরিবের ১০ কেজি চাল অনেক কিছু।

    রহিমা নামে আরও এক বৃদ্ধা বলেন, ‘ঈদের আগে সরকার থেকে আজকে আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিলো, চাল পেয়ে আমরা খুব খুশি; সরকারকে ধন্যবাদ দেই ।

    এসময় ভুক্তভোগীরা জানান, ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ ১০ কোজি চাল বিতরণ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বিতরণ হয়েছে। এতে করে সকলেই অনেক খুশি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গরিব- অসহায় এসব মানুষেরা।

  • ডাসার উপ‌জেলা বাসী‌কে প‌বিত্র ঈদুল আযহার শু‌ভেচ্চা জানা‌লেন কাতার প্রবাসী নাজমুল হাসান বেলাল

    ডাসার উপ‌জেলা বাসী‌কে প‌বিত্র ঈদুল আযহার শু‌ভেচ্চা জানা‌লেন কাতার প্রবাসী নাজমুল হাসান বেলাল

    মোঃ মিজানুর রহমান,বিশেষ প্র‌তি‌নি‌ধি/ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নবগ‌ঠিদ ডাসার উপ‌জেলা বাসী‌কে প‌বিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন কাতার প্নবাসী কাজী বাকাই ইউ‌নিয়‌নের আঃ ল‌তিফ বেপারীর জৈষ্ঠ পুত্র বি, এম, নাজমুল হাসান বেলাল নবগ‌ঠিত আসন্ন ডাসার উপ‌জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে ভাইস চেয়ারম‌্যান প‌দে সর্বস্ত‌রের জনগ‌নের দোয়া ও সমর্থন কামনা ক‌রে‌ছেন।
    এ সময় মুঠ‌ফো‌নে নাজমুল হাসান বেলাল বলেন, ত্যাগের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করি। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক- এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা। হাসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। দীর্ঘ এক বছর শেষে এসেছে আনন্দময় উৎসব ঈদুল আজহা। সব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে বুকে জড়ানোর দিন, সাম্য, সৌহার্দ্য, ভালোবাসা, মিলনের দিন পবিত্র ঈদুল আযহা।

  • পাইকগাছায় কোরবানি ঈদে চুইঝালের চাহিদা বেড়েছে

    পাইকগাছায় কোরবানি ঈদে চুইঝালের চাহিদা বেড়েছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে পাইকগাছায় চুইঝালের দাম ও চাহিদা বেড়েছে। মাংসের স্বাদ বাড়াতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ যুগ যুগ ধরে অন্যান্য মশলার সাথে চুইঝাল ব্যবহার করে আসছে। এই অঞ্চলের মানুষের কাছে মশলাটি অনেক প্রিয়।চুই ঝালের কাণ্ড মাংসের মসলা হিসেবে ব্যবহার হয়। চুইঝাল ছাড় মাংস বা বিরিয়ানী রান্না যেন পূর্ণতা পায় না।চুইঝাল লাগবেই লাগবে।
    খুলনা সাতক্ষীরা, বাগেরহাট যশোর এলাকায় বিখ্যাত মসলা এই চুইঝাল। চুইঝালের শিকড়, পাতা ও ফুল ,ফলে ঔষধি গুণ আছে। চুইঝাল মাছ ও মাংসের সাথে রান্না করে খাওয়া হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলের জেলা খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট এ সব এলাকায় চুইঝাল মসলা খুব জনপ্রিয়। বর্তমানে দেশের অন্যান্য জেলাতেও ঝাল হিসেবে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
    খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের কাণ্ড, শিকড় বা লতাকে ছোট ছোট টুকরো করে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেকোনো ধরনের মাংস, গরুর বা খাসির মাংস রান্না করা হয়। চুইঝালের রান্না মাংস এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এবং খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। তবে চুই এর শিকড়ের মধ্যে কাণ্ডের তুলনায় কড়া সুঘ্রাণ ও ঝাঁঝালো স্বাদ বেশি থাকার কারণে এটি কাণ্ডের তুলনায় বেশি ব্যবহৃত হয়। চুইঝাল দিয়ে রান্না করলে মাংসে একধরনের কড়া সুঘ্রাণ এবং ঝাল প্রকৃতির, ঝাঁঝালো ও টক স্বাদ যুক্ত হয় যা মাংসের মধ্যে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের স্বাদ এনে দেয়।
    সারাবছরই চাহিদা ও দামের দিক থেকে উপরে থাকে মশলাটি। তবে ঈদ আসলেই চুইঝালের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা পকেট কাটেন ভোক্তাদের। কুরবানির সময় যত ঘনিয়ে আসছে পাইকগাছায় চুইঝালের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে চুইঝালের দোকান নিয়ে বসেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। দোকানগুলোতে ভীড়ও বাড়ছে ক্রেতাদের। সাধারণ সময়ে চুইঝাল কেজি প্রতি ৪০০ থেকে হাজার টাকা থাকালেও বর্তমানে আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮শত থেকে ১৫শত টাকা পর্যন্ত।
    দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট, নড়াইল, যশোর, সাতক্ষীরা,নড়াইল এলাকায় চুইঝালের চাষ হয়। মশলাটি এসব জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়। বর্তমানে দেশের অন্যান্য জেলাতেও মশলা হিসেবে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
    গদাইপুর বাজারে চুইঝাল বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, চুইঝাল সারাবছর মোটামুটি ভালোই বিক্রি হয়। তবে কোরবানির উৎসবে চুইয়ের বিক্রি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।যার ফলে পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেন,তাই ক্রেতাদের কাছে আমাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হয়। নতুন বাজারের চুইঝাল বিক্রেতা মীর কাজল বলেন, তার দোকানে মাংস বা বিরিয়ানী রান্নার সব রকম মশলা পাওয়া যায়। আর আদা-চুইঝাল তো আছেই। কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে চুইঝালের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে। আর এক বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, আগে চুইঝাল চিকন (আকারে ছোট) ৪ শত থেকে ৬শ টাকায় ও কিছুটা বড় চুইঝাল ৮শত টাকা কেজিতে বিক্রি করতাম। কোরবানি উপলক্ষে বাজারে চাহিদা বাড়ায় পাইকারী দরে কিনতেই বেশি টাকা গুণতে হচ্ছে। তাই চুইঝালের সাইজ অনুযায়ী কেজি প্রতি ৮শত থেকে ১৫শত টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। চুইঝাল কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, সারা বছর মাঝে মধ্যে চুইঝাল খাওয়া মাংসের সাথে। কিন্তু কুরবানির সময় গরুর মাংসের সাথে চুইঝাল না হলে চলে না।
    গদাইপুর বাজারে চুইঝালের ক্রেতা আব্দুল করিম বলেন, চুইঝালের দাম ঈদের আগে আরো বাড়তে পারে। তাই ভিড় এড়াতে আগেভাগেই চুইঝাল কিনতে এসেছি। আমরা শুধু গরুর মাংস না, সব ধরণের মাংস,বড় মাছ ও মজাদার খাবারেই চুইঝাল খাই। তবে কুরবানি উপলক্ষে দাম কিছুটা বেড়েছে। ঈদের সময় চুইঝাল দিয়ে রান্না করা মাংস অতিথিদের খুবই পছন্দের। দাম একটু বৃদ্ধি পেলেও, মাংস খেতে চুইঝাল লাগবেই। চুইঝালের মাংস রান্নার স্বাদই অন্যরকম উপলব্ধ হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় শেষ মূহুর্তে  কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে

    পাইকগাছায় শেষ মূহুর্তে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী গদাইপুর কোরবানীর পশুর হাট শেষ মূহুর্তে জমে উঠছে।হাটে প্রচুর পরিমাণ কোরবানীর পশুর উঠেছে। কোরবানীর পশুর হাটে ক্রেতার উপছে পড়া ভীড় পড়েছে। উপজেলার চাঁদখালী, গদাইপুর, পৌরসভা বালির মাঠ, কাশিমনগর ও রাড়ুলী’র শ্রীকন্ঠপুর ঈদগাহ মাঠে কোরবানীর পশুর হাট বসেছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রতিদিনই হাট বসবে।
    প্রচন্ড গরমের মধ্যে ক্রেত-বিক্রেতার ভীড়ে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে।। পর্যাপ্ত গরু ছাগল উঠলেও ক্রেতা সংকটের কারণে গরুর মালিকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। ক্রেতা সংকটের কারণে তাদের সে আশা পূরণ হচ্ছে না। বাজারে প্রচুর পরিমাণে গরু-ছাগল উঠলেও বিক্রি তেমন হচ্ছে না এমনটি জানান বিক্রেতারা।
    গদাইপুর কোরবানীর পশুর হাটে ছোট-বড়, মাঝারি সাইজের গরু হাটে উঠেছে।এ বছর গরু-ছাগরের দাম বেশী বলছেন ক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে খুঁশি না কোন পক্ষই।খামার মালিক ও বিক্রেতারা বলছেন,বর্তমানে গো-খাদের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদেরকে বেশী দামে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।তবে গৃহস্থদের পালা দেশী জাতের গরু ক্রেতা ও ব্যাপারীদের কাছে চাহিদা বেশি।যাহা স্থানীয় হাটগুলোতে টাইট গরু হিসাবে পরিচিত।বড় সাইজের গরুর চাহিদাও রয়েছে বিক্রিও হচ্ছে বেশি দামে।পশুর হাটে সব থেকে বড় গরু কালোষাড়। গরু বিক্রেতা ছহিল উদ্দিন জানান, তার গরুর দাম চেয়েছেন ৫ লাখ টাকা। ক্রেতারা বলেছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গরু লালন পালন করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ টাকা।এতে করে গরুর যে দাম উঠেছে তাতে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।আর বিক্রি না হলে পালতে গেলে আরোও খরচ হবে। এদিকে ক্রেতারা গরুর দাম বেশী বলে সময় নিয়ে দেখে বুঝে গরু কিনছে।
    উপজেলার চাঁদখালী ও কাশিমনগর দুটি স্থায়ী এবং গদাইপুর, বাকা শ্রীকন্ঠপুর ও পৌরসভা শিববাটি মাঠে পশুর হাট বসেছে। হাট গুলোতে ছোট ট্রাকে করে ফড়িয়ারা গরু নিয়ে আসছে। এ সব বাজারে ছোট গরু সর্বনিন্ম ৬০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকায় গরু বিক্রি হচ্ছে। বিগত বছর গুলোতে বিদেশী জাতের গরুর চাহিদা বেশি থাকলেও এ বছর দেশীয় জাতের ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। দেশি জাতের ৬০ হাজার টাকার মধ্যে ছোট গরুর চাহিদা বেশি। তাছাড়া ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকা দামের গৃহপালিত গরুর বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ। বড় গরু ১ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে ৪ লাখ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ছাগল ১৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
    পশুর হাট কর্তপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মাইকিং করে বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরকে উদ্ভুদ্ধ করছে। গদাইপুর পশুর হাটের ইজারাদার জানান, ক্রেতাদের সুবিধার্থে পুলিশের পাশাপাশি বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তাছাড়া পশুর স্বাস্থ পরিক্ষার জন্য ডাক্তার এর তদারকি রয়েছে। ক্রেতারা সাচ্ছন্দের সহিত হাট থেকে পছন্দের পশুটি ক্রয় করতে পারছেন।

  • সুন্দরগঞ্জে বুড়িমারী এক্সপ্রেসের যাত্রা বিরতির দাবীতে মানববন্ধনে এমপি নাহিদ নিগার

    সুন্দরগঞ্জে বুড়িমারী এক্সপ্রেসের যাত্রা বিরতির দাবীতে মানববন্ধনে এমপি নাহিদ নিগার

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন,গাইবান্ধা থেকেঃ

    উত্তরের জেলা লালমনিরহাট হতে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত চালু হওয়া বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতির দাবিতে মানববন্ধন ও গণ অবস্থান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকালে স্থানীয় এলাকাবাসীর ব‍্যানারে বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে এ মানববন্ধন ও গণ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত থেকে কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার সাগর। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস আফরুজা বারী।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মজনু হিরো, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল, ইউপি সদস্য রানু মিয়া, মোহনা পাঠাগারের সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাসেল প্রমূখ।

    মানববন্ধনে বক্তাগণ শীঘ্রই জনবহুল বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বিরতি দাবি জানান। পাশাপাশি ট্রেনটির যাত্রা বিরতি না দেয়া না হলে বৃহত্তর আন্দোলন ও গণজমায়েতের ঘোষণা দেন।