Blog

  • অ-বৈধ কোন যানবাহন মহাসড়কে চলতে পা-রবেনা পঞ্চগড়ে বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান

    অ-বৈধ কোন যানবাহন মহাসড়কে চলতে পা-রবেনা পঞ্চগড়ে বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ে বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মহাসড়কে অবৈধ কোন যানবাহন চলতে পারবে না। এ ব্যাপারে পুলিশ, বিআরটিএ সহ সংশ্লিষ্টরা আমি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা এ ব্যাপারে কঠোর আমি আবারো বলছি এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছি। তিনি শনিবার রাতে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এবং বিআরটিএ পঞ্চগড় সার্কেলের যৌথ আয়োজনে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ (নিহত/আহত) ৩২টি পরিবারের অনুকূলে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুরিকৃত অর্থের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
    এসময় তিনি বলেন, কোন লক্কর ঝক্কর গাড়ি মহাসড়কে আমরা চলতে দিবো না। এজন্য বিআরটিএ, প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি গাড়িগুলোও কিন্তু ছাড় পাবে না। আমি বিআরটিএ’র গাড়িও ডাম্প করেছি। সবচেয়ে যে মারাত্মক বিষয়টি আপনারা আলোচনা করেন নাই সেটা হলো আমরা এখন সবাই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টে আছি। ২০৪০ সাল পর্যন্ত আমাদের ইকোনমিক টেকঅফ প্রবলেম। আমাদের অধিকাংশ ইয়াং জেনারেশন যারা দেশটাকে, ইকোনমিটাকে চাঙ্গা করবে তাদের সংখ্যাটা এখন বেশি। ৪০ এর পরে এই সংখ্যাটা কমতে থাকবে। এজন্য আমাদের সজাগ হতে হবে।
    তিনি আরো বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতদের মাঝে এটি আর্থিক সহায়তা বরং বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে সহযোগিতা। সড়ক দূর্ঘটনা কমানোর জন্য সরকার ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি এই দ্বায়িত্বে মাত্র সাড়ে তিন মাস। আমি ও আমার টিম কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা ২০২২ এই আইন অনুযায়ী ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যেমে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। এই ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার করা প্রয়োজন। যাতে সব ক্ষতিগ্রস্থরাই কিছুটা আর্থিক সহায়তা পান। সংসার পরিচালনায় তাদের কিছুটা সহযোগিতা হয়।
    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ইমাম রাজী টুলুর সঞ্চালনায় ও জেলা প্রশাসক সাবেত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) ফরহাদ হোসেন, বাস মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির সভাপতি মতিয়ার রহমান, পঞ্চগড় জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৪ এর সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন সহ নিহত পরিবারের স্বজনেরা বক্তব্য রাখেন।
    এসময় বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক তন্ময় কুমার ধর, পঞ্চগড় বিআরটিএ’র মোটরযান পরিদর্শক হিমাদ্রী ঘটক, নিহতের পরিবারের স্বজন, জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরগুনার তালতলীতে জনপ্রিয় বিএনপি নেতা বহি-স্কারাদেশ প্র-ত্যাহারের দাবি নেতাকর্মীদের

    বরগুনার তালতলীতে জনপ্রিয় বিএনপি নেতা বহি-স্কারাদেশ প্র-ত্যাহারের দাবি নেতাকর্মীদের

    মংচিন থান
    তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মিয়া. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ জনপ্রিয় নাম। তিনি দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভরসা ও আশ্রয়স্থল। মানবিক এই নেতার বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পালন করে আসছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দলের দুঃসময়ে সাহসী নেতৃত্ব, আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহযোগিতায় পাশে ছিলেন তিনি। তাই আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রিয় বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার চান উপজেলা বিএনপি ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে মিয়া. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির হাতেখড়ি হয়। পরে তালতলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ-সম্পাদক ও আহ্বায়ক -এর দায়িত্ব পালন করেন। বরিশাল বি.এম. কলেজ ছাত্রলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, তালতলী উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ-সম্পাদক, বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য হন। এরপর বিপুল ভোটের ব্যবধানে তালতলী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের ৫ জুন চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। কিন্তু দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হলেও ৫ আগষ্ট পূর্ববর্তী কালীন সময়ে ১দফাসহ দলীয় নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয় তার নেতৃত্বে। বর্তমানেও দলীয় যেকোন কর্মসূচিতে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে তার রয়েছে স্বরব উপস্থিতি। তিনি দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ২০০৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ওয়ান ইলেভেন সরকার ও ফ্যাসিষ্ট সরকার কতৃক ২৫ টি মামলায় আসামি হয়ে ৪ বার কারাবরণ করেন।

    তৃণমূল নেতাকর্মীরে ভাষ্য মতে, তিনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে জেল-জুলুম, নির্যাতন, গ্রেপ্তার, মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন। তার নেতৃত্বে হাজার হাজার তৃণমূল নেতাকর্মীরা রাজপথে থেকে বিভিন্ন সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন সচল রেখেছিলেন। বারবার কারাবরণ করেও তিনি কখনো আপস করেননি। অনেক সময় নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আহতকর্মীরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, জেলহাজতে থাকা পরিবারগুলোকে আইনি সহায়তা করেছেন। এ কারণেই তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা বেশি। এছাড়াও দলীয় আনুগত্য এবং জিয়া পরিবারের প্রতি তার অকুণ্ঠ সমর্থন, ভালোবাসা, বিরামহীনভাবে দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজ-খবর নেওয়ার যে মানসিকতা তা জিয়া পরিবারের মানবিক রাজনীতির মতোই উজ্জ্বল। প্রতিহিংসামুক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের কারণে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী মতের মানুষও তার প্রতি সন্তুষ্ট। তাই আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের প্রাণভোমরা, জনপ্রিয় ও মানবিক বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার চান উপজেলা বিএনপি ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    তালতলী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান সুমন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া. রিয়াজুল ইসলাম, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আল-আমিন হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসলাম আকন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া. শামীম আহসান, মিঃ মংসেলেন, লিটন মোল্লা বলেন, ‘তার নেতৃত্বে আমরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করেছি। এ সময় আমরা জেল-জুলুম, নির্যাতন, গ্রেপ্তার, মামলা, হামলার শিকার হয়েছি। তিনি দলের দুঃসময়ে উপজেলা বিএনপি ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তাই আমরা উপজেলা বিএনপি, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ তৃনমূলের সকল নেতাকর্মীরা বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী মিয়া মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানাই। তার মতো নির্যাতিত নেতা বিএনপিতে প্রয়োজন।’

    এ বিষয়ে মিয়া. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার প্রয়াত বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ কর্মী ও সমর্থক ছিলেন। বাবার হাত ধরেই আমার বিএনপির রাজনীতিতে পদার্পণ। রাজনীতি করতে হলে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের নানান প্রত্যাশা থাকে। আমি কর্মী-সর্মকদের প্রত্যাশা ও জনগণের চাপে পড়ে নির্বাচন করতে বাধ্য হয়েছিলাম। তবে দলের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচন করা আমার ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো। যেহেতু দলের দুঃসময়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি আশা করি দল আমার এই ভুল শুধরানোর সুযোগ দিবেন। আমি আমার প্রয়াত বাবার দেখানো পথে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’তে অমৃত্যই থাকব।’

    এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ-উজ-জামান মামুন মোল্লা বলেন, ‘মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে দলের হাইকমান্ডে আবেদন দেওয়া আছে। আশা করি, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করবে।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।

  • যশোরে দুই কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আ-টক

    যশোরে দুই কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আ-টক

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ

    যশোরের মুড়লী মোড় এলাকা হতে ১ কেজি বিশ গ্রাম ওজনের আট টি স্বর্ণের বার, এবং ১দশমিক ৪৫ গ্রাম ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটিসহ, শেখ অলিউল্লা নামে এক ব্যাক্তিকে আটক কোরেছে বিজিবি।

    রবিবার  সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর খুলনা মহাসড়কের মুড়লীর মোড় হতে স্বর্ণসহ তাকে আটক করা হয়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মধ্য কাটিয়া গ্রামের শেখ আরিজুল্লার ছেলে।

    প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঢাকা থেকে যশোর হয়ে ভারতে পাচার করার উদ্দেশ্যে স্বর্ণগুলো সে নিয়ে যাচ্ছিল। সে আরো জানায়, ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার চোরাকারবারীদের নিকট হতে স্বর্ণের বারগুলো সংগ্রহ করে যশোর হয়ে সাতক্ষীরা যাওয়ার পথে তাকে আটক করা হয়।  

    আটককৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য এক কোটি তিরাশি লক্ষ দুই হাজার তিনশত একচল্লিশ টাকা। এছাড়াও তার কাছ থেকে একটি মোবাইল জব্দ করা হয়। যার মুল্য বিশ হাজার টাকা। এবং ১ হাজার ৭৬০ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়।

    আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

    এ ব্যাপারে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • বিএনপি’র ‘৩১ দফা’ প্রচারে ঝালকাঠির নলছিটিতে গ-ণসংযোগ ও পথসভা

    বিএনপি’র ‘৩১ দফা’ প্রচারে ঝালকাঠির নলছিটিতে গ-ণসংযোগ ও পথসভা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা’ সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নলছিটি উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে। প্রথমে উপজেলা চত্বরে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়, এরপর নেতাকর্মীরা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন।
    প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট শাহাদাত হোসেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট শাহাদাত হোসেন বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ৩১টি রূপরেখা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল ভিত্তি। আমরা যদি এই ৩১ দফা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারি, তবে আগামী বাংলাদেশ হবে একটি স্বনির্ভর, উন্নত, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ।”
    তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি এই ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
    পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম গাজী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুম শরীফ, জেলা বিএনপির সদস্য এডভোকেট মুবিন,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কামরুজ্জামান সুমন, সদস্য সচিব সোহেল রানা।
    এছাড়াও জেলা ও উপজেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নেন।

  • নাব্যতা হারিয়ে ঝালকাঠির খরশ্রোতা বাসন্ডা নদী খালে পরিনত হচ্ছে, খ-ননের দাবী এলাকাবাসীর

    নাব্যতা হারিয়ে ঝালকাঠির খরশ্রোতা বাসন্ডা নদী খালে পরিনত হচ্ছে, খ-ননের দাবী এলাকাবাসীর

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান 

    ঝালকাঠির এক সময়ের খরশ্রোতা বাসন্ডা নদী নাব্যতা হারিয়ে  এখন খালে পরিনত হচ্ছে। সুগন্ধা নদীর তীর ঘেষা ঝালকাঠি শহরের পশ্চিমে সুগন্ধার শাখা এক সময়কার খরশ্রোতা বাসন্ডা নদী দিন দিন বিভিন্ন কারনে ভরাট হয়ে খালে পরিনত হচ্ছে। ঝালকাঠি জেলা শহর তথা ঝালকাঠি পৌরসভার দক্ষিনে সুগন্ধা নদী আর সেই সুগন্ধা নদী থেকে উত্তরে শহরের বুক চিরে শহরটিকে দ্বিখন্ডিত অর্থাৎ শহরটিকে দুটি অংশে বিভক্ত করেছে সুগন্ধার শাখা নদী বাসন্ডা নদী। 

    ১৫.৭৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাসন্ডা নদী ঝালকাঠি থেকে শুরু হয়ে ঝালকাঠির উত্তর সীমান্তবর্তী বিনয়কাঠি ইউনিয়নের গগন বাজার পর্যন্ত বয়ে গেছে। আবার গগন বাজার হয়ে উত্তরে সীমান্তবর্তী জেলা বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া নদী ও পূর্বে বিনয়কাঠি ইউনিয়নের পাস দিয়ে বয়ে চলা কালিজিরা নদীর সাথে মিলিত হয়। গগন বাজার সংলগ্ন তিনটি নদীর মোহনা থেকে উত্তরে গুঠিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর বাজার পর্যন্ত ৭.০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য সর্বমোট ২২.৭৮০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য নদীটি নাব্যতা হারিয়ে খালে পরিনত হয়েছে। 

    ৯০ দশকে যে নদী দিয়ে ঝালকাঠি-শিকাড়পুর রুটে লঞ্চ চলাচল করতো, সেই নদী আজ খালে পরিনত হয়েছে। প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নদীটি খনন না করায় এবং পলি ভরাটের ফলে নদীর নাব্যতা কমায় মাছের উৎপাদন হ্রাসসহ এই অঞ্চলের বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এসব ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে নদী খননের দাবি জানিয়েছেন ঝালকাঠি সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ও উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের মানুষ।

    সরেজমিনে নদী তীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বসন্ডা নদীর তীর ঘেসা ঝালকাঠি সদরের গগন, আশিয়ার, বালিঘোনা, মুড়াশাতা, নবগ্রাম, শিমুলিয়া, বেতরা গ্রাম সহ বিভিন্ন স্থানে জেগেছে বিশাল বিশাল চর। এসব চরের কারণে বর্ষায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা,বেরিবাধ প্রায় ৩ শ ফুটেরও অধিক ভাঙন দেখা দেয়। একদিকে ভাঙ্গনের মাটি অপরদিকে জমে থাকা পলির কারণে নদীর তলভাগ ভরাট হয়ে বাসন্ডা ও গুঠিয়া নদীর নাব্যতা হারাচ্ছে। 

    নদী তীরবর্তী এলাকার স্থানীয়দের সাথে কথা বললে তারা জানান, নদীতে অতিরিক্ত পলি জমার কারনে বাসন্ডা নদী ক্রমশই ভরাট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন থেকে খনন না করায় বর্ষায় নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে আমরা বন্যার কবলে পড়ি। একদিকে বর্ষার সময় বন্যায় আমাদের কৃষি জমি ও ফসলের ক্ষতি হয় অপরদিকে শুকনা সিজনে খালের পানি শুকিয়ে গেলে ধান সহ বিভিন্ন রবিশস্য চাষাবাদে পানির সংকটে পড়তে হয়। এ ছাড়াও এই নদীতে একসময় ব্যাপক হারে দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমানে পলির কারণে নদীর তল ভরাট হয়ে মাছের উৎপাদন কমেছে। নদীর মাঝখানে পানি না থাকায় আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না। নদী খননে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

    এ বিষয় মুড়াসাতা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মো: রুস্তম আলী মৃধা ( অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ) কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, নদীর নাব্যতা হারানো অন্যতম আরেকটি কারন হলো নদীর মাঝে গাছের ডাল, বাঁশ দিয়ে মাছ ধরার ফাঁদ ( ঝাউ আঞ্চলিক নাম)  তৈরি করায় দিন দিন নতুন নতুন চরের সৃষ্টি হচ্ছে। এ বিষয় প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নিলেও তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অসাধুরা নদী ও মৎস সম্পদের ক্ষতি করে যাচ্ছে। 

    পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানাযায়, চলতি বছর এপ্রিল (২২ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ)  মাসে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব উন্নয়ন বরাবর আলহাজ্ব মানিক মিয়া নামের এক ব্যক্তি  আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল, (স্মারক নং ৪২,০০০০.০০০.০৩৬.১৪০০০৮.১৪.১১৪) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কতৃক নদীর পরিদর্শন পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হলে গত ১ জুলাই বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড,  নির্বাহী প্রকৌশলী, মো: জাবেদ ইকবাল নদী খননের প্রয়োজন সম্পর্কিত প্রতিবেদন দাখিল করেন। 

    এ বিষয় বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জাবেদ ইকবালের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বর্তমান বিষয়টি নিয়ে সমীক্ষা করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দিয়ে মন্ত্রণালয় পাঠিয়েছি। অপরদিকে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমাদের অংশে সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে, ডিজাইনের জন্য পাঠানো হবে।  এটা পাস হলে আমারা দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করতে পারবো।

  • উজিরপুরে পোস্ট অফিসের বেহাল দশা,ভাড়া ঘরে চলছে সেবা কার্যক্রম, ভো-গান্তিতে গ্রাহ-করা

    উজিরপুরে পোস্ট অফিসের বেহাল দশা,ভাড়া ঘরে চলছে সেবা কার্যক্রম, ভো-গান্তিতে গ্রাহ-করা

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা সদর পোস্ট অফিসের সেবা কার্যক্রম দীর্ঘ ৬ বছর যাবৎ চলছে একাধিক ভাড়া বাসায়। ২০১৯ সালে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যায়ে পুরাতন ভবনের সংস্কার কাজের টেন্ডার হলেও ঠিকাদার ৫০ ভাগ কাজ শেষ না করেই উধাও হয়েছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উজিরপুর বাজারের শেষ প্রান্তে একটি দ্বিতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়া বাসায় চলছে কার্যক্রম। খুজে পেতেও সময় লাগে দুএকদিন। সুউচ্চ চিকন খাড়া সিড়ি দিয়ে বয়স্ক গ্রাহকেরা চরম ভোগান্তির স্বীকার হয়। দেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও প্রাচীন সেবা কার্যক্রমের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এটি। সরকারি সকল ডকুমেন্ট, পরিক্ষার খাতা, মেয়াদি হিসাব, সঞ্চয়ী হিসাব সহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র আদান-প্রদান করে থাকেন এই প্রতিষ্ঠান। আর এটি রয়েছে বর্তমানে অনিরাপদ। উপজেলা পোস্ট মাস্টার আঃ লতিফ জানান ২০১৯ সালে ৪৪ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা ব্যায়ে ভবনের সংস্কার কাজ শুরু হয়। কিন্তু অদ্যাবধি কাজের ৫০ ভাগ ও শেষ হয়নি। ঠিকাদার উধাও হয়েছেন। গ্রাহকদের অনেক কস্ট হচ্ছে। ৬ বছর যাবৎ ভাড়া বাসায় অফিস করছি। বরিশাল বিভাগীয় পোস্ট অফিসের পরিদর্শক প্রশাসন মোঃ মোশারেফ হোসেন জানান, ডিজি অফিস কাজ দেখভাল করছেন। ঠিকাদারা তাদের কথা শুনছেনা। উজিরপুর, বানারীপাড়া,বাবুগঞ্জ, কাউখালি সহ অনেক পোস্ট অফিসের কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রধান কার্যালয়ে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মোঃ মনজুর আলম ফোন রিসিভ করেননী। ঠিকাদার মোঃ জালাল হোসেন জানান, বিভিন্ন কারনে কাজ শেষ করতে পারিনি। ডিসেম্বরে প্রোজেক্ট শেষ হয়েছে। কাজে লোকসান হবে, তারপরেও চেস্টা করছি। তবে কবে শেষ করবেন কিছুই বলতে পারেন না। গ্রাহক রিফাত আরা বলেন ভাড়া বাসার অফিসে আসতে খুব কষ্ট হয়। দ্রুত স্থায়ী ভবনে কার্যক্রম চালু করার দাবী জানান। অফিসে স্থায়ী নাইট গার্ড,পরিছন্নতা কর্মী, সহকারী পোস্ট মাস্টার,
    কম্পিউটার অপারেটর সহ অনেক পদই শুন্য রয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আহম্মেদ জানান পোস্ট অফিসের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সহ সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য উদ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

  • রাজশাহীর দুর্গাপুরে স্থানীয় সেবা খাতে নাগরিক পরিবীক্ষণ সেবা খাতের প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে ম-তবিনিময় সভা

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে স্থানীয় সেবা খাতে নাগরিক পরিবীক্ষণ সেবা খাতের প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে ম-তবিনিময় সভা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে “Voices for Change Project এর সহযোগিতায় স্থানীয় সেবা খাতে নাগরিক পরিবীক্ষণ সেবা খাতের প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    নাগরিক ফোরামের আয়োজনে ও আর্থিক সহযোগিতায় এসডিসি এবং কানাডা ও জিএফ এর কারিগরি সহায়তায় রবিবার (২৬ অক্টোবর ২৫) বিকেল ৩ টায় হোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    যুব প্রতিনিধি মৌমিতা তাসনীম নদীর উপস্থাপনায় ও নাগরিক ফোরাম কমিটির সভাপতি মহামিন খন্দকারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, দুর্গাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলহাজ্ব মাহাবুব আলম, Voices for Change এর জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, প্রকল্প কর্মকর্তা শিরিন আক্তার, প্রকল্প কর্মকর্তা নিমাই সরকার সহ নাগরিক ফোরামের সদস্য, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য, বিভিন্ন সংগঠনের পুরুষ ও নারীনেত্রী গন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী ।

  • টিকাদানে শতভাগ সফ-লতার জন্য সাংবাদিকদের  প্রচার-প্রচারণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ-অতিরিক্ত সচিব

    টিকাদানে শতভাগ সফ-লতার জন্য সাংবাদিকদের প্রচার-প্রচারণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ-অতিরিক্ত সচিব

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও কর্মশালার প্রধান অতিথি ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম বলেছেন, টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে শতভাগ সফলতা অর্জন করতে হলে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রচার ও প্রচারণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেতার, বিটিভি, গণযোগাযোগ, পিআইডি শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, টিকাদানের প্রচারণায় বেসরকারি গণমাধ্যমগুলো শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে, আপনারা তার ব্যতিক্রম নয়।

    রবিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘ডিভিশনাল লেভেল কনসাল্টেশন ওয়ার্কশপ অন টিসিভি ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন ২০২৫ উইথ মিডিয়া পিপল’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত সচিব এসব কথা বলেন। গণমাধ্যমকর্মীসহ প্রায় অর্ধশতাধিকের বেশি অংশগ্রহণকারী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

    তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ টিকাদানের সাথে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রচারণার কাজটি করছে। সারা দেশে ১২ই অক্টোবর থেকে টিকাদান শুরু হয়েছে। এ টিকাকে নিয়ে কিছুটা গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আমরা সেটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। প্রচার প্রচারণায় যথেষ্ট সচেতন হয়েছি। আরো বেশি সচেতনতা সৃষ্টি করা, আমাদের প্রচারের কাজটি আরো বেশি বেগবান করা, শিশুদের টিকা গ্রহণে গণমানুষকে উদ্বুদ্ধ করা, এসবের জন্যই আপনাদেরকে নিয়ে আজকের এ কর্মশালা।

    অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় ডা. নুসরাত আজরীন মহসীন টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ এর ওপর একটি তথ্যবহুল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। এতে জানা যায়, দেশের আটটি বিভাগের মধ্যে টিকাদানে ময়মনসিংহ বিভাগে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ অর্জন। এটা প্রায় ৯৫.০৩%। যেখানে জামালপুর জেলায় ৯৪.২৯%, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে ৯১%, ময়মনসিংহ জেলায় ৯৫.৮৬%, নেত্রকোনা জেলায় ৯২.৬৯% এবং শেরপুর জেলায় ৯৯.১%। ৪কোটি ৩৭ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭৯০টি শিশুর টিকার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার এ ক্যাম্পেইন করছে। শুরু থেকে এ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রায় ১ কোটি ৯৩ লক্ষ টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে। সেদিক থেকে অর্জন খুবই ভালো। ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের টাইফয়েড টিকাদানে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে অষ্টম। টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় ৬ হাজার শিশু মারা যায়।

    ময়মনসিংহ বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ এর সঞ্চালনায় কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন (ভার্চুয়ালি) জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি। এছাড়াও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও উপ-প্রকল্প পরিচালক মোঃ আলতাফ হোসেন, ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ড. প্রদীপ কুমার সাহা, ময়মনসিংহ আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি) এর উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান,, ইউনিসেফ ময়মনসিংহের প্রধান মোঃ ওমর ফারুক। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এর পরিচালক ড. মোঃ মারুফ নাওয়াজ-সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, সিভিল সার্জন ডা. ফয়সল আহমেদ, ইউনিসেফের এসবিসি স্পেশালিস্ট এআরএমএম কামাল-সহ ময়মনসিংহের জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের গণমাধ্যমেকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মুন্সীগঞ্জে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে নারী সমাবেশ

    মুন্সীগঞ্জে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে নারী সমাবেশ

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
    জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার তুলে ধরতে এবং জনমত গঠনের লক্ষ্যে নারী সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার বিকেল ৪টায় মুন্সীগঞ্জ শহরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে এই নারী সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসয়ম সমাবেশটি পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শুরু হয়ে সুপার মার্কেট এলাকায় দলীয় কার্যালয় চত্বর পর্যন্ত অসংখ্য নারী সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

    এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি একেএম ইরাদত মানু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতোয়ার হোসেন বাবুল, শাহাদাৎ হোসেন সরকার, কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব, সাইদুর ফকির, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মাহবুব আলম স্বপন, বিএনপি নেতা ভিপি শাহীন, আব্দুল মতিন, বাদশা সিকদার, কাইয়ুম মৃধা, মীর শরিফ, জামাল গাজী, তোফাজ্জল হোসেন তপন মোল্লা, মো. মহিউদ্দিন, যুবদল নেতা বুরজাহান ঢালী, মাকসুদুল আলম বাবু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হাসান তুষার, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা হাবিবে আলম শাহরিয়ার, ছাত্রদল নেতা রোমান হোসেন, রাফসান, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা জাকির সরকার এবং পলাশ মাহমুদ প্রমুখ।

  • যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে- এমদাদুল হক খসরু এর শুভেচ্ছা

    যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে- এমদাদুল হক খসরু এর শুভেচ্ছা

    ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ-
    ২৭ অক্টোবর বিএনপির অন্যতম সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কারা নির্যাতিত সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান যুবনেতা এবং সভাপতি পদপ্রার্থী ১০ নং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলনেতা এমদাদুল হক খসরু

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি যুবদলের সকল নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, যুবদল সবসময় দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, বর্তমানেও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। দলের প্রতি তাদের অবিচল আনুগত্য এবং সংগ্রামী মনোভাব দেশের তরুণদের জন্য উদাহরণস্বরূপ।
    এমদাদুল হক খসরু আরো বলেন, “যুবদল শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়, এটি দেশের তরুণদের সংগ্রামী চেতনা এবং দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করার প্রেরণা। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নতুন করে সংকল্প করার দিন, সুসংগঠিত হওয়ার দিন যাতে দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় আরও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করা যায় । আমরা সকলেই জানি, বর্তমান সময়টা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু যুবদলের ইতিহাস এই শিক্ষা দেয় যে, কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, যুবদল আগামী দিনগুলোতে দেশের সার্বিক উন্নয়নে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে এমদাদুল হক খসরু যুবদলের সকল নেতাকর্মীদের একসাথে থাকার ও দলীয় ঐক্য শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, “একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে আমাদের সবার দায়িত্ব দেশের কল্যাণে কাজ করা। যুবদল যেন সবসময় মানুষের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় থাকে, আমরা সেই কামনা করি।