Blog

  • গোদাগাড়ীতে  আইন শৃঙ্খলাকমিটির  সভা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে আইন শৃঙ্খলাকমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। গোদাগাড়ী উপজেলা সন্মেলন কক্ষে সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল উদ্দীন সোহেল, বিশেষ অতিথি হিসেবে ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল সরকার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খাতুন মিলি
    সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অশোক কুমার চৌধুরী, বাসুদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলামসহ জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, দপ্তরের প্রধানগণ সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তাগণ গুরুত্বপূর্ন মতামত প্রদান করেন সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম মাথা চাড়া দিতে না পারে এজন্য প্রশাসন, পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ আব্দুল মতিন বলেন, গ্রাম পুলিশকে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার না করার ব্যপারে নির্দেশনা দেয়া হয়। গোদাগাড়ী থানায় ১ টি খুন সহ ৬১ মামলা হয়েছে এগুলির মধ্যে বেশীর ভাগই মাদক মামলা হয়েছে। বিজিবির ক্যাম্পে গরু নিয়ে গিয়ে নিবন্ধন করতে হয়, এটা গরু পালনকারীদের নিকট খুবই কষ্টকর। এটা উদ্ধোর্তন কতৃপক্ষের নিকট আলোচনা করে বিজিবিকে বিষয়টি সুরাহা করার পরামার্শ দেয়া হয়।

    অন্যান্য বক্তাগণ বলেন, মাদক বিরোধী অভিযান করলে মাদক গডফাদাররেরা আপনার বিরুদ্ধে লাগবে। মাদক ব্যবসায়ীরা খুবই শক্তিশালি
    মাদক ব্যবসা করে বীর দাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু পুলিশ তাদের ধরেন না কেন? পুলিশ, বিজিপি, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন বাহনীর নিকট মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না কেন? তাদের গ্রেফতার করা হলে, কোন তদবির করা হবে না বক্তরা জানান, প্রধান মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন। এতে প্রমান হয় মাদকের পক্ষে কেউ নেই।
    সীমান্ত এলাকায় কাঁটা তারের বেড়া থাকা শর্তেও হেরোইন, ফেনসিডিল, মদসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য আসে কি করে। সবাকে আরও আন্তরিক ও সচেতন আরও হলে কোন মাদকদ্রব্য দেশে আসবে না।

    এদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ করে গড়ে তোলা হলে মাদক অনেক অংশে কমে আসবে। ক্রিকেট জুয়াড়ি, বাল্যবিয়ে, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা দেয়া।

    মাটিকাট ইউপআমার ইউপি এলাকায় হেরোইন, ইয়াবা, মাদক ইদানিং ব্যপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিদিরপুর ক্লাবে মাদকের হাট বসে, মাদক ব্যবসায়ীরা বিদিরপুর ক্যাম্পে মাদক ব্যবসায়ীরা মিনি চেকপোষ্ট বসায় ফলে বিজিপি মাদক ধরতে পারবেন না। মাদক আসে সীমান্ত দিয়ে, বিজিপি সজাগ থাকলে ৯০ ভাগ মাদক আসা বন্ধ হয়ে যাবে। মাদক ব্যবসা কমে যাবে।

    গোদাগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসিদুল গনি বলেন, আমাদের গ্রাম পুলিশের ব্যপারে পাঠানো তালিকা ওসি সাহেব ছিঁড়ে ফেলেছেন। এব্যপারে হাউজ উপ্তাপ্ত হয়। সভাপতি উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম নির্দেশনায় পরিবেশ ঠান্ডা হয়। সকল দপ্তর মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। দেশের উন্নয়নে সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে।

    উপজেলার বসুদেবপুর, মাদারপুর, গোপালপুর মিষ্টির দোকানের সামনে হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিলের কারবার চলে এছাড়া রাজাবাড়ী, প্রেমতলী হাসপাতাল এলাকা, রেলবাজার মনির হোটেল, কসাইপাড়া, মহিশালবাড়ী গরুরহাট, সুলতানগজ্ঞ, ফিরোজচত্তর, সুলতানগজ্ঞ, বাসুদেবপুর, পিরিজপুর, কুমুরপুর, মাদারপুর, শিবসাগর প্রভূতি এলাকায় অবাদে হোরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্নধরের মাদকসেবন, বেচাবিক্রিসহ ছোটবড় অপরাধ হয়। ওই স্থানে অভিযান ও মোবাইল কোর্টসহ মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন।
    বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, গোদাগাড়ীর আইনশৃঙ্খলা ভালই আছে, তবে আরও ভাল রাখার জন্য উপজেলার পুলিশ, বিজিপি, সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অনেক সচেতন হতে হবে। গোদাগাড়ীর একটাই বদনাম মাদক, হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল,গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ব্যবসায়ী গডফাদার এখানে রয়েছে। গোদাগাড়ীতে পুলিশের তালিকাভুক্ত ১৭৩ জন মাদকব্যসায়ী রযেছে। তাদেরকে গ্রেফতার করলে মাদক ব্যবসা কমে আসে।
    প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন তাই কোনভাবে মাদকব্যবসায়ীরা যেন কোনভাবে পার পেতে না পারেন সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে শক্ত মামলা, চার্জসীট প্রদান করতে হবে।

    উপজেলা চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দীন সোহেল বলেন, গোদাগাড়ীর দূর- দূরাত্বের মানুষ যেন কষ্ট না পাই সেদিকে সবাইকে নজর দেন। সুলতানগজ্ঞ মোড়ে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার হয় সেখানে একজন ট্রাফিক পুলিশ কে দায়িত্ব দেয়ার কথা বলেন। দেওপাড়া ইউনিয়নের ড্রাইভারের বেতন ভাতা আমি দিতাম, আমি দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার পর থেকে এম্বুলেন্সটি বন্ধ হয়ে গেছে। গোগ্রাম ও দেওপাড়া ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ীতে রিকসা চালককে মধ্যযুগীয় কায়দায় সারা রাত নির্যাতন-প্রধান আসামী গ্রেফতার

    গোদাগাড়ীতে রিকসা চালককে মধ্যযুগীয় কায়দায় সারা রাত নির্যাতন-প্রধান আসামী গ্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক রিকশা চালককে লোহার রড গরম করে বাড়ির ভিতরে হাত পা বেঁধে রাতভর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির সামনে অচেতন অবস্থায় পরে থাকতে দেখে উদ্ধার করে গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

    এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ জুন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গোদাগাড়ী পৌর এলাকার মাদারপুর গ্রামে। নির্যাতনের শিকার ওই যুবকের নাম মোঃ সুজন (২৪) পিতা মৃত সাহজাহান আলী।

    এই ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এতে মামলার প্রধান আসামী কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

    রিকশা চালক সুজন জানান, গত ২২ জুন রাতে রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তি রিক্সা ভাড়ার নেওয়ার জন্য আমাকে তার বসত বাড়ীতে ডাকে, আমি তার বাড়িতে গেলে দলবদ্ধ হয়ে তার বসত বাড়ীর শয়ন ঘরের ভিতর আমাকে আটকে রাখে। হাতে থাকা লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথারিভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। ৫-৭জন ব্যাক্তি মাটিতে শুইয়ে তার হাত-পা চেপে ধরে থাকে এবং হাতে থাকা লোহার রড আগুনে গরম করে হত্যার উদ্দেশ্যে তার পিঠে একাধিক স্থানে ছেঁকা দিয়ে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করে।

    স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ বাবু জানান রিকশা চালক সুজনকে পশুর মত নির্যাতন করা হয়েছে। এভাবে মানুষ মানুষকে মারতে পারে? তার শরীরে যে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে তা দেখে সবাই আঁতকে উঠবে। যাঁরা এভাবে তাঁকে নির্যাতন করেছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হোক। আমরা এর বিচার চাই।

    নির্যাতিতর বড় ভাই মোঃ জামিল হোসেন গোদাগাড়ী মডেল থানায় পাঁচজনের নামসহ অঙ্গাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামীরা হলেন মাদারপুর গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে মোঃ কামরুল ইসলাম এই এলাকার রবিউল ইসলাম , মোঃ বাবু (২৫), মোসাঃ পারভীন (৪৫), মোসাঃ মরিয়ম (৩০)।

    এই বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল মতিন জানান, রিকশা চলক সুজনকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী

  • উত্তরা ব্যাংক  মহিশালবাড়ী শাখায় প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

    উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখায় প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখার ম্যানেজার, কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি, গ্রাহকের লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার, হোন্ডি, হেরোইন ব্যবসায়ীদের গভীর সখ্যতা, গ্রাহকদের ঘাড়ে হাত দিয়ে কথা বলা, অধীনাস্ত কর্মচারীদের সাথে ছোটখাট বিষয় নিয়ে তর্কবিতর্ক লেগে থাকায় ব্যাংকের চেন অফ কমান্ড ভেঙে পড়েছে। এক সময়ে গোদাগাড়ীর সব ব্যাংকের চেয়ে গ্রাহক সেবা, লেনদেন, ঋনের কিস্তি উত্তোলন, ঋন প্রদান, স্টুডেন্টস একাউন্ট, নতুন একাউন্ড খোলাসহ বিভিন্ন দিক থেকে এগিয়ে ছিল ব্যাংকটি কিন্তু ম্যানেজার মেহেদী হাসান যোগদান করার পর থেকে দিনে দিনে গ্রাহকসেবা তলানীতে নেমে এসেছে।

    এবছর ১৪ জানুয়ারী মেহেদী হাসান উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখায় যোগদান করার পর থেকে ব্যাংকে চেন অফ কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে, গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচারণ, তাদের ঘাড়ে হাত দিয়ে কথা বলাসহ নানা কারনে গ্রাহকসেবার মান নিন্মগামী হওয়ায় উত্তরা ব্যাংক বিমুখ হয়ে পড়েছেন।

    উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখার কর্মকর্তা আবু তাহের কর্মরত থাকার সময় শতাধিক গ্রাহকের এসডিপিস, সঞ্চয় হিসেব, বিভিন্ন হিসেব নম্বরে টাকা জমা দেয়ার সময় এন্টি না করে ভাউচার নষ্ট করে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ করার অভিযোগে রয়েছে। ভুক্তভোগি অনেকে টাকা ফেরত পেলেও এখনো বেশ কিছু গ্রাহককে টাকা ফেরত না দিয়ে দিনের পর দিন ঘুরছেন। কিন্তু ম্যানেজার মেহেদী হাসানের সাথে প্রতারক ব্যাংক কর্মকর্তা আবু তাহেরের গোপন সখ্যতা থাকায় এতদিন পরেও গ্রাহকগণ টাকা ফেরত পাচ্ছেন না বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।

    গ্রাহকের টাকা আত্নসাৎ করা, শাস্তি না হওয়ায় অনেকে এ ব্যাংককে গ্রামীণ বলে আখ্যায়িত করছেন। প্রতারিত অনেক গ্রাহক এখনও টাকা ফেরত না পেয়ে দিনের পর দিন ম্যানেজারের নিকট ঘুরচ্ছেন কিন্তু কাজের কিছুই না। শুধু কি তাই ওই ব্যাংক কর্মকর্তা আবু তাহের বিরুদ্ধে উত্তরা ব্যাংক চাঁপাই নবাবগঞ্জ শাখায় ডেপুটেশনে গিয়েও একই কায়দায় বেশ কিছু গ্রাহকের ভাউচার নষ্ট করে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্নসাতের অভিযোগ রয়েছে।

    উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখা ম্যানেজার তিনি যোগদান করে হেরোইন, হন্ডি ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন। এমন কি তিনি নিজেই গরুর রাখাল দিয়ে কর্মজীরন শুরু করা হন্ডি, মাদক ব্যবসায়ীর আনোয়ার হোসেন বিরুর বাড়ী ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন। এ দিকে ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার হিসেবে সম্পতি আরঙ্গজেব দেওয়ান ও জেনারেল অফিসার মানষ দাস মজুমদার যোগদান করে ম্যানেজারের পথ ধরে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী, মাদক মামলার আসামী, একধিক বিয়ে করা প্রশাসনের তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট লোকমান হোসেনের রাজকীয় বাড়ীতে ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন। মাদক ও হোন্ডি ব্যবসায়ীদের টাকা বাড়ী থেকে এনে ব্যাংকে জমা দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এসব হোন্ডি মাদক ব্যবসায়ীরা শূন্য থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার উৎস কিসের আর ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে তাদের সখ্যতা কেন? দুদকসহ অন্য সংস্থা তদন্ত করলে কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসবেই।

    ম্যানেজার মেহেদী হাসান, সেকেন্ড অফিসার, জেনারেল অফিসার মানষ দাস মজুমদার মাদক, হন্ডি ব্যবসায়ীদের বাড়ী ভাড়া নেয়া এবং সখ্যতা গড়ে তোলার বিষয়টি সাধারণ বৈধ ব্যবসায়ী, শিক্ষিত মানুষ উত্তরা ব্যাংকের প্রতি বিমুখ হয়ে পড়েছেন। অনেকে এ তিন ব্যাংক কর্মকর্তার আচারনেও নাখোশ।

    এ ব্যপারে উত্তরা ব্যাংকের জেনারেল অফিসার মানষ দাস মজুমদারের সাথে গত ২০ জুন দুপুরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হোন্ডি, মাদক ব্যাবসায়ী সাথে সখ্যতা ও তাদের টাকা বহন করার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার বাড়ী মান্দায়, এখানে বাসা ভাড়া নিয়ে আমাকে থাকতে হয়। যে বাসা ভাড়া নিতে যায় সেটাই হোন্ডি ও মাদক ব্যবসায়ীদের বাসা। সেকেন্ড অফিসার বিষয়টি জানতে পেরে এ বাসা ছেড়ে দিয়েছেন। ম্যানেজার পাশের বাসায় ভাড়া থাকেন সেটও নাকি মাদক ও হোন্ডি ব্যবসায়ীর।

    গত ৮ এপ্রিল রমিসা বেগম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল পড়া প্রকৌশলী মেয়ে নিয়ে উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখায় গিয়েছিলেন। স্বামী নকিমুদ্দিন শাহ গত বছর ডিসেম্বরে মারা যান। তিনি হাটপাড়ার বাড়ী মরগেজ রেখে ৫ লাখ টাকা সিসি লোন নিয়েছিলেন। ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছিলেন। ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা বেড়ে হয় ৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। মেয়ের প্রাইভেট, বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের মাধ্যমে কিছু টাকা ম্যানেজ করে ব্যাংক, লোন থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন। ম্যানেজার মেহেদী হাসানের নিকট অনুরোধ করেছিলেন রমিসা বেগম ও তার মেয়ে। আমাদেরকে টাকা কমানোর জন্য ঢাকায় আবেদন করার সুযোগ করে দেন। কিন্তু তিনি কোন কর্নপাত করেন নি। তারা জানান, নকিমুদ্দিন মারা যাওয়ার সময় সাবেক ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম আমাদের কথা দিয়েছিলেন এব্যপারে সাহায্য করবেন একথা শুনার বর্তমান ম্যানেজার খুব রাগ করেন। এসময় ব্যাংকে আসেন এক মাদক ব্যবসায়ী হোন্ডি ব্যবসায়ীর গড ফাদার ৮ লাখ টাকা জমা দেয়ার জন্য। ম্যানেজার চিয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান তার সাথে কুশালাদি বিনিময় করে তাকে সেকেন্ড অফিসারের নিকট নিয়ে গিয়ে পরিচয় করে দেন। এদিকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েটি মা রমিসা বেগমকে বলেন, কান্না করো না তুমি দোয়া কর একদিন বড় হয়ে তোমার মুখে হাসি ফুটাবো। বাবা নেই আমি আছি মা। এ বলে ৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ম্যানেজারের মাধ্যমে পরিশোধ করে মৃত্যু বাবাকে ঋণ মুক্ত করেন।

    ওই সময় ব্যাংকের ক্যাশে তুমুল হৈ চৈ শুনা যায় এক গ্রাহককে ছেঁড়া টাকা দিয়েছেন এক বাউন্ডিল গ্রাহক বুঝতে না পেরে বাড়ী চলে যান। পরে ফিরে এসে ছেঁড়া টাকাগুলি পরিবর্তন করতে এলে বর্কবির্তক হৈ হুল্লা শুরু হয়। আর ম্যানেজার সেকেন্ড অফিসার মাদক ও হোন্ডি ব্যবসায়ীর গড় ফাদারের সাথে খোস গল্পে ব্যস্ত ছিল। ওই গ্রাহক ছেঁড়া টাকা পরিবর্তন না পেয়ে রাগ করে ব্যাংক ত্যাগ করেন। বিষয়টি সেদিন উপস্থিত অনেক গ্রাহক অবগত আছেন।

    গত ১৪ ফ্রেব্রুয়ারি এ ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে পূবালী ব্যাংক গোদাগাড়ী উপ-শাখায় একজন আওয়ামীনেতা, ব্যবসায়ী ১০ লাখ টাকা, দুজন শিক্ষক যথাক্রমে ১০ লাখ ও ৩ লাখ টাকা এফডিআর করেছেন। শিক্ষক সমিতি করেছেন ৩৭ লাখ টাকার এফডিআর।

    বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সহঃ সাধারন সম্পাদক, গোগ্রাম আদর্শ বহুমূখি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যাংক ম্যানেজার মেহেদী হাসান এ ব্যাংকে যোগদান করার পর থেকে গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচারণ, গ্রাহক হয়রানীর ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ শাখা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রাহকদের বিভিন্ন হিসেবের ভাউচার নষ্ট করে, লাখ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন, এখনও অনেক গ্রাহক টাকা ফেরত পেতে দিনের পর দিন ঘুরছেন। এর তদন্ত করে সুষ্ঠ বিচার করার দাবী জানাচ্ছি।

    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী বলেন, ব্যাংক ম্যানেজার মেহেদী হাসান এ ব্যাংকে যোগদান করার পর থেকে গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচারণ, গ্রাহক হয়রানীর ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আমার ব্যক্তিগত ও স্কুলের বেশ কয়েকটি একাউন্ট রয়েছে। কাজের প্রয়োজনে ব্যাংকে উপস্থিত হলে তিনি ঘাড়ে হাত দিয়ে কথা বলেন। কয়েকটি হিসেব নম্বরের স্টেটমেন্ট নেয়ার জন্য ব্যাংককে গত ১৬ মে ব্যাংকে যায় তিনি স্টেটমেন্ট দিতে দেরী করেন, আমাকে চা অফার করেন, আমি বলি দুপুরে চা পান করবো না বাসায় গিয়ে লাঞ্চ করবো। তিনি উত্তর দেন চা খাবেন না তো কি কারনে ব্যাংকে এসেছেন। আমার সব একাউন্ট বন্ধ করে দেন আপনার ব্যাংকে আসবো না। তিনি বলেন সমস্যা নেই বন্ধ করে দিব আমার বেতন কমবে জানান, বিষয়টি ডিজিএম ডিজিএম অলক কুমার ও উত্তরা ব্যাংকের ডিএমডি – ৩ মোঃ আসরাফুজ্জামানকে আবহিত করেও কোন লাভ হয় নি বলে জানান এই ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক।

    প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ গ্রাহকের সাথে খারাপ আচারণের ব্যপারে ডিজিএম অলক কুমারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সে এখন চাকুরীচ্যুত। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে কী না এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিন হেড অফিসে যোগাযোগ করার কথা বলেন, ব্যাংক কর্মকর্তাদের গ্রাহকদের সাথে খারাপ অচারণের বিষয়টি আমি দেখবে করো কোন সমস্যা হবে না বলে জানান। কিন্তু দুদিন পরে পল্টি নিয়ে ম্যানেজার মেহেদী হাসান পক্ষে সাফায় গান ওই কর্মকর্তা।

    ওই সব অনিয়ম, গ্রাহকের লাখ লাখ টাকা আত্নসাতের, গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচারণের বিষয়গুলি উত্তরা ব্যাংকের ডিএমডি -৩ মোঃ আসরাফুজ্জামানের সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান,
    আমাদের অভিযোগ সেল আছে সেখানে অভিযোগ করেন। এটা সাংবাদিকদের কাজ নয় এমন সময় তিনি নরম সুরে বলেন, গ্রাহকদের অভিযোগ করতে বলার পরামার্শ দেন।

    এদিকে গোদাগাড়ীর একটি ব্যাংকের ম্যানেজার নাম প্রকাশ না করা শর্তে এ প্রতিবেদককে জানান, মহিশালবাড়ী উত্তরা ব্যাংক চলে হন্ডি ব্যবসায়ী, মাদক ব্যবসায়ীদের টাকায়। তাদের খেলাপী ঋন, খারাপ ঋনের সংখ্যা অনেক বেশী। ওদের ওখানে শিক্ষিত, বৈধ ব্যবসায়ীদের সম্মান নেই, সম্মান আছে লুঙ্গী পড়া, ব-কলম অবৈধ টাকার মালিকদের, একজন ব্যাংক কর্মকতা হিসেবে লজ্জা পায় যখন শুনি ম্যানেজার, সেকেন্ড অফিসার, জেনারেল অফিসার চিহ্নিত হেরোইন ও হন্ডি ব্যবসায়ীর বাসায় ভাড়া থাকেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে অনেকে আমাদের এখানে গ্রাহক হচ্ছেন। একই মন্তব্য করেন, গ্রাহক নাজমুল হক, মাহাতাব, শাহীন, মাসুদ আলম, এমএন রেদওয়ান, শহিদুল ইসলামন, মাইনুল, আব্দুল কুদ্দুস তুসারসহ অনেকে।

    এ ব্যপারে ম্যানেজার মেহেদী হাসানের সাথে মোবাইলে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মোবাইল কেটে দেন।

    এ ব্যপারে সেকেন্ড অফিসার অরঙ্গজেব দেওয়ানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি নতুন এসেছি জেনারেল অফিসার মানষ দাস মজুমদার ওই বাসায় আগে থেকে ভাড়া ছিল তিনি আমাকে ওই বাসা ভাড়া করে দিয়েছিলেন।
    সে যে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এটা অবগত হওয়ার পর একমাস থেকে বাসা ছেড়ে দিয়েছি। এখন আমি রাজশাহীতে ভাড়া থাকি।

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • তানোরে বিএনপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পন্ড

    তানোরে বিএনপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পন্ড

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বিএনপির একাংশের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় উপজেলা ও পৌর কৃষক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র এবং পরিক্ষিত, আদর্শিক, ত্যাগী ও তৃণমুলের নেতৃত্ব মিজানুর মিজানকে উপেক্ষা করে কর্মসুচি দেয়া হয়।এখবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির মুলধারার আদর্শিক নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তাদের ধাওয়ায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতেই পারেনি। তানোর পৌরসভার সুমাসপুর মহল্লা থেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়। এঘটনায় বিএনপির দুগ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওদিকে পৌর বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতাকর্মী বলেন, তানোর বিএনপির রাজনীতিতে মিজানকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নাই, তানোর বিএনপির রাজনীতি করলে মিজানের নেতৃত্ব মেনে নিয়েই রাজনীতি করতে হবে। মিজান তো উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতৃত্ব নয, তিনি তৃণমুল থেকে তিলে তিলে গড়ে উঠা নেতৃত্ব। এদিন যার একটি ট্রেলার দেখানো হয়েছে মাত্র। উপজেলা বিএনপির এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, শরিফ সাহেবের রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দলের চেইন অব কমান্ড বা নেতৃত্বই ঠিক নাই, সেখানে কেনো তিনি এমন কর্মসূচি দিলেন। আবার কর্মসূচি যখন দিলেন তখন সেটা অবশ্যই পালন করবেন রাজনীতিতে তো বাধা আসবেই। তিনি তা না করে কৌশলে সটকে পড়লেন, কিন্ত্ত বিএনপির তৃণমুলে তিনি যে কোন্দলের বিঁষবাস্প ছড়িয়ে গেলেন এর দায় নিবে কে ?
    জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপার্সন
    বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হয়েছেন মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দিন। তিনি বেগম জিয়ার সামরিক সচিবও ছিলেন।
    এদিকে গত ২৪ জুন সোমবার তানোর উপজেলা ও পৌরসভা কৃষক দলের উদ্যোগে গোকুল মহল্লার বাদলের বাড়ির উঠানে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দিনের।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন শরিফ উদ্দিনের আগমন ঠেকাতে দুপুর থেকেই বিএনপির একাংশের বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেন। এমনতাবস্থায় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শরিফ উদ্দিনের আগমণের খবরে বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা তালন্দ বাজারে শরিফ উদ্দিনের অনুসারিদের ধাওয়া করে। অন্যদিকে মঞ্চ ভাঙচুর ও ব্যানার ছিড়ে মঞ্চে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এছাড়াও মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
    এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। তা না হলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। ওদিকে পরিস্থিতি প্রতিকুল বুঝতে পেরেই মেজর জেনারেল অব শরিফ উদ্দিন সুমাসপুর মহল্লা থেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, কর্মসুচির কোনো অনুমতি ছিলো না। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। তবে এবিষয়ে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। এবিষয়ে সাবেক মেযর মিজানুর রহমান মিজান বলেন, তিনি ব্যবসার কাজে ঢাকায় আছেন। এবিষয়ে উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুর রশিদ বলেন, সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে মঞ্চ ভাঙচুর ও গাড়ি ভাঙচুর করে আয়োজন পন্ড করেছে। তারা এঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি মিজানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।#

  • শোক সংবাদ

    শোক সংবাদ

    মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ডাকে সাড়া দিয়ে বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাদামনের মানুষ নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ বাজারের অর্ধাংশের স্বাধিকার মোঃ নাইমুল হোসেন গত ২১জুন-২০২৪ বেলা ১২-০০ ঘটিকায় ঢাকাস্থ একটি হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন। মৃত্যু কালে
    স্ত্রী ও তিন কন্যা রেখে যান।তার মৃত্যু তে ঢাকা,ব্রাহ্মনবাড়ীয়ার নবীনগর, কুমিল্লাতে স্বজন দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
    তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা হিসেবে বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদে কাজ করে সর্বশেষ পরীক্ষা উপ-নিয়ন্ত্রক পদ হতে অবসরে যান। তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী এক্স জিএম প্রশাসন আফরোজা বেগম প্রতিবেদক কে জানান
    পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন যেন মরহুমকে তাঁর জীবনের সকল গুনাহ থেকে মাফ করে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন, আমিন। তার কর্ম জীবনের সফল কাজ গুলো চলমান রাখতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাবো।সকলের সহযোগিতা চাই।

  • কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় আওয়ামী লীগের নেতার মৃত্যু

    কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় আওয়ামী লীগের নেতার মৃত্যু

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় আওয়ামীলীগের নেতা আবদুল মমিন (৫৭) নামে মৃত্যু বরন করেন।

    আজ সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার শিকারপুর রেললাইন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান

    নিহত মমিন উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং শিকারপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    স্থানীয়রা আরো জানান, প্রতিদিনের মতো আজ (সোমবার) ভোরেও রেললাইন দিয়ে শারীরিক ব্যায়ামের উদ্দেশ্যে হাঁটতে বের হন মমিন। এ সময় ওই রেলপথে চলা ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
    স্থানীয়রা লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

    সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সারওয়ার বলেন, বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। আমরা একজন ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাকে হারালাম। তার অকাল মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।

    এ বিষয়ে লাকসাম রেলওয়ে ক্রসিং থানার ইনচার্জ মুরাদ উল্লাহ বাহার বলেন, আমি অসুস্থ, ছুটিতে আছি। বিষয়টি শুনেছি। দুঃখ জনক, তার মৃত্যু তে স্বজন ও দলের নেতাকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

  • মুন্সীগঞ্জে গজারিয়ায় আ”লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৬জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

    মুন্সীগঞ্জে গজারিয়ায় আ”লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৬জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।

    আহতদের মধ্যে ৭ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    আহতরা হলেন, হারুন অর রশিদ (৩৫), রনি (৩৪), আক্তার (৪০), মুক্তার (৪২), আনন্দ(২৫),হাসিব (২২) শাহিনূর বেগম(৫৫), শাহ পরান গ্রুপের রিয়াদ হোসেন (২৪),আক্তার হোসেন (৪০),জাকির হোসেন (৩৫)।

    জানাগেছে আজ সোমবার (২৪ জূন)বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের গোয়ালগাঁও গ্রামের দিলা মিয়ার মুদি দোকানের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

     

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হোসেন্দী ইউনিয়নে শাহ পরান গ্রুপের সাথে প্রতিপক্ষ হারুন অর রশিদ গ্রুপের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শাহ পরান মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহর পক্ষে অবস্থান নেন অন্যদিকে হারুন অর রশিদ গ্রুপের লোকজন অবস্থান নেন আমিরুল ইসলামের পক্ষে। নির্বাচনে আমিরুল ইসলাম পরাজিত এবং মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ জয়লাভ করায় চাপে ছিল হারুন গ্রুপের লোকজন। এর মধ্যে রবিবার (২৩ জুন) আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার (২৪জুন) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে গোয়ালগাঁও গ্রামের দিলা মিয়ার মুদি দোকানের সামনে সংঘর্ষে জড়ায় উভয় পক্ষ। এতে হোসেন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতি হারুন অর রশিদসহ তার সমর্থক রনি (৩৪), আক্তার (৪০), মুক্তার (৪২), আনন্দ(২৫),হাসিব (২২) গুলিবিদ্ধ হয়। হামলার খবর পেয়ে হারুনের চাচী শাহিনূর আক্তার এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করা হয়। অন্যদিকে শাহ পরান গ্রুপের রিয়াদ, আক্তার ও জাকির হোসেন নামে দুই জন আহত হয়।

     

    গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার জাহিদুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ কেউ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা নিতে আসেনি। তবে গোয়ালগাও গ্রামের তিনজন মো. ইকবাল হোসেন, রিয়াদ হোসেন ও মো. আক্তার হোসেন আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন এদের মধ্যে দুজন ভর্তি আছেন একজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।

     

    এ ব্যাপারে গজারিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওসি রাজিব খান বলেন, শুনেছি তিন থেকে চার জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। যারা গুলিবিদ্ধ হয়েছে তারা এক পক্ষের লোকজন। তবে অপরপক্ষের লোকজনও সংঘর্ষে আহত হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।

  • মুন্সীগঞ্জে সিরাজদিখানে  নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল মাহেন্দ্রা ,চালক নিহত

    মুন্সীগঞ্জে সিরাজদিখানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল মাহেন্দ্রা ,চালক নিহত

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান সড়ক দুর্ঘটনায় সোহেল ফকির (২৭)নামে এক মহেন্দ্র চালক নিহত হয়েছেন।

    ২৪ জুন সোমবার বিকাল ৫ টায় উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের শাসনগাঁও এলাকার এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত সোহেল ফকির মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার বেজগাঁও গ্রামের মৃত ফজু ফকির ছেলে।

    সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.মুজাহিদুল ইসলাম জানান , বৌলতলী এলাকা হতে একটি খালি মহেন্দ্র শাসনগাঁও যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে খাদে পড়ে যায়।

    ঘটনাস্থলেই চালক মারা যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • গৌরনদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মাছ ব্যাবসায়ী ও ভ্যান চালকের মৃত্যু

    গৌরনদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মাছ ব্যাবসায়ী ও ভ্যান চালকের মৃত্যু

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বরিশাল – ঢাকা মহাসড়কে ট্রাক ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনা স্হানেই দু- জনার মৃত্যু হয়েছে বলে সরজমিনে দেখা গেছে।

    সোমবার ২৪ জুন গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের বাইচখোলা নামক স্হানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত বরুন দাশ -৫৫ গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সাকোকাঠি গ্রামের জেলে পল্লীর স্হায়ী বাসিন্দা। অপর দিকে তার সহযোগী নিহত ভ্যান ড্রাইভার আয়নাল বেপারি ৬০ বাবুগঞ্জ উপজেলার তার (বরুন) পাশ্ববর্তী জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    প্রতক্ষদর্শি ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে প্রতিদিনের ন্যায় আজ খুব সকালে আগরপুর থেকে মাছ আনতে গৌরনদী উপজেলার মাহিলারা বাজারে যাওয়ার পথে বাটাজোর ইউনিয়নের বাইচখোলা নামক স্হানে ভ্যানটি পৌছালে বরিশাল অভিমুখে যাওয়া ট্রাকটি ব্যাটারি চালিত ভ্যানটিকে চাপা দেওয়ায় ঘটনা স্হানে মাছ ব্যাবসায়ি বরুন দাস ও তার ড্রাইভার আয়নাল বেপারির মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় পুলিশ ট্রাকটিকে আটক করে লাশ উদ্ধারের পরে সুরাতহালের কাছ শেষ করে নিহতদের পরিবারের কাছে লাশ পৌছে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

  • উজিরপুরে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যানদের দায়িত্বগ্রহন

    উজিরপুরে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যানদের দায়িত্বগ্রহন

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম,উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৪ জুন সোমবার সকাল দশটায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের মাধ্যমে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ইকবাল ও ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম শিপন মোল্লা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট মোর্শেদা পারভীনকে দায়িত্ব ভার ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এবং নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদেরকে নিয়ে প্রথম মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি হাসনাত জাহান খান, উজিরপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন, সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারী,উপজেলার সকল ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।পরে উপজেলা পরিষদ হল রুমে নেতাকর্মীরা নবনির্বাচিতদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।