Blog

  • ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্রের  ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত  ঘরবাড়ি পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান- ইউএনও

    ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান- ইউএনও

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় কুষ্টিয়া ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে রুপাখালী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করেছেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফতেখার ইউনুস ।

    মঙ্গলবার দুপুরে তারা উপজেলার কুষ্টিয়া ইউনিয়নের রূপাখালী নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান মিলন, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ইউছুফ আলী,ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ রানা বিজয়সহ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।

    জানা যায়, হঠাৎ ব্রহ্মপুত্র নদে প্রবল বেগে পানি বেড়ে যায়। এসময় স্রোতের তোড়ে কুষ্টিয়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের রুপাখালী গ্রাম এলাকায় ব্রহ্মপুত্রের পাড় ভেঙে গ্রামের কয়েকটি টি ঘরবাড়ি ধসে নদী গর্ভে চলে যায়। বর্তমানে পুরো গ্রামের ঘরবাড়ি অধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান- উজান থেকে আসা ঢলে ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ক্রমাগত বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে ইতোমধ্যে জেলার সদর উপজেলার কুষ্টিয়া, বোররচর,পরানগঞ্জ,অষ্টধার, ভাবখালী,সিরতাসহ কয়েকটি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের আগ্রাসী রূপে ওই গ্রামগুলোর মানুষ ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    জানাগেছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলার প্রায় ৭টি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

    এলাকার ভাঙন অভিজ্ঞরা জানায়, কয়েকদিন ধরে ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়ছে। ক্রমাগত পানি বাড়ার কারণে নদটি যৌবনা হয়ে উন্মত্তরূপ ধারণের অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে কিছু কিছু এলাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র আগ্রাসী হলে কারো কিছু করার থাকবেনা- মুহূর্তেই বাড়িঘর-গাছপালা সহ কাঁচা বা পাকা স্থাপনা গ্রাস করে ফেলবে। মঙ্গলবার ক্ষতিগ্রস্ত কুষ্টিয়া ইউনিয়নের রূপাখালী নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইফতেখার ইউনুস।

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান -এর শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান -এর শ্রদ্ধা

    গোপালগঞ্জঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    সোমবার (২৫ জুন) দুপুরে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পরে পবিত্র ফাতেহা ও দুরুদ পাঠ শেষে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু সহ তাঁর পরিবারে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধু ভবনে সংরক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।

    এ সময় এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, সামরিক সচিব, জিওসি, ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, যশোর এরিয়াসহ সেনাসদরের উর্দ্ধতন সামরিক কর্মকর্তাগণ ও যশোর এরিয়ায় কর্মরত কর্মকর্তাগণ এবং জেলায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • তানোরে সরকারী খাল পাড়ের গাছ নিধন

    তানোরে সরকারী খাল পাড়ের গাছ নিধন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর ও নিয়ামতপুর সীমান্তের হরিপুর সরকারি খাল পাড়ের
    বন বিভাগের রোপিত বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, হরিপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের পুত্র ও হরিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক খাইরুল ইসলাম এসব গাছ স’মিল মালিকের কাছে বিক্রি করেছেন। তানোরের মাদারীপুর বাজারের শুকুর স’মিল মালিক আব্দুস শুকুর এসব গাছ কিনে কেটেছেন। অপরিপক্ক ৬টি তাল গাছ ও প্রায় ৪০টি ইউক্যালেক্টার গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। মাদারীপুর বাজারের শুকুর স’মিলে এসব গাছ স্তুপ করে রাখা হয়েছে। এভাবে নির্বিচারে পরিপক্ক-অপরিপক্ক গাছ কাটায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করেছেন স্থানীয় সুশিল সমাজ।
    স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৪ জুন সোমবার সরেজমিন দেখা গেছে, তানোর -নিয়ামতপুর সীমান্তে হরিপুর সরকারী খাল পাড়ে তিনদিন ধরে তাল ও ইউক্যালেক্টর গাছ কাটা হচ্ছে। শুকুর স’মিল মালিক আব্দুস শুকুর শ্রমিক দিয়ে এসব গাছ কাটছে। স্থানীয়রা জানান, শুকুর অবৈধ করাতকল নির্মাণ করে চোরাই কাঠের ব্যবসা করছে। তারা বলেন, শুকুর স’মিলে যেসব কাঠ স্তুপ হয়ে পড়ে আছে তার তদন্ত করা হলে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হবে
    এবিষয়ে জানতে চাইলে হরিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক খাইরুল ইসলাম বলেন, সরকারি খাড়ির ধার হলেও এসব জায়গা তাদের নিজস্ব। তিনি তার নিজের জায়গার গাছ বিক্রি করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে শুকুর স’মিল মালিক আব্দুস শুকুর এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি টাকা দিয়ে গাছ কিনেছেন, তাই কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি হলে তার দায় খাইরুল ইসলামের। এবিষয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ওই জায়গা নিয়ামতপুর উপজেলার সীমানায়। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। এবিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমতিয়াজ মোরশেদ বলেন, তিনি মিটিংয়ে আছেন,তিনি এসিল্যান্ড সাহেবের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। এবিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) বলেন, সাংবাদিকগণ তাকে বিষয়টি অবগত করেছেন। তিনি বলেন, এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মেম্বার) মতিউর রহমান মতি বলেন, ইউএনও স্যার তাকে গাছগুলো জব্দ করতে বলেছিলেন, তবে গাছগুলো নিয়ামতপুর উপজেলা সীমানায়, এছাড়াও খাইরুল ইসলাম তাকে বলেছেন জায়গাটা তাদের নিজস্ব সম্পত্তি।#

  • নড়াইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হনুমানের মৃত্যু

    নড়াইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হনুমানের মৃত্যু

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে একটি মুখপোড়া হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ৬টার দিকে পৌরসভার দক্ষিণ নড়াইল গ্রামের সৈয়দ আব্দুর রহমানের বাড়ির সামনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই হনুমানটি।
    প্রত্যক্ষদর্শি আর্টিস সাখি জানান, সকাল ৬টার দিকে আমার ও সৈয়দ আব্দুর রহমান উভয় বাড়ির সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হনুমানটি মাটিতে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মারা যায় হনুমানটি। তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর ধরে ২টি হনুমান একসঙ্গে নড়াইল শহরে বসবাস করে আসছিলো। এরমধ্যে আজ একটি হনুমান মারা যায়। আরও ১টি হনুমান আশেপাশেই রয়েছে।
    নড়াইল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ খন্দকার এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে জানান, হনুমানটি যে স্থান থেকে বিদ্যুপৃষ্ট হয়ে মারা গেছে সেখান থেকে ৫/৬ বাড়ির উত্তর পাশে নড়াইল বন বিভাগের অফিস। আমার বাড়ির দক্ষিণ পাশের বাড়ির সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হনুমানটি মাটিতে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। পরে বন বিভাগের লোকজন খবর পেয়ে এসে হনুমানটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
    এ খবর পেয়ে নড়াইল বন বিভাগের ফরেষ্টার এসকে আব্দুর রশীদ ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং মৃত্যু হনুমানটিকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর প্রাণিসম্পদ অফিসে নিয়ে যান তিনি।
    হনুমানটির মৃত্যু ও সংরক্ষণ সম্পর্কে বন বিভাগ নড়াইলে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারি বনসংরক্ষক অমিতা মন্ডল জানান, ‘নড়াইল বন বিভাগের ফরেষ্টার এস কে আব্দুর রশীদ সাহেব আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি খুলনা বন্যপ্রাণি অধিদপ্তরকে জানিয়েছি।
    এদিকে হনুমানটির ময়নাতদন্ত শেষে নিয়মানুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

  • নড়াইলে মসলা জাতীয় চুইঝালের আবাদ বাড়ছে

    নড়াইলে মসলা জাতীয় চুইঝালের আবাদ বাড়ছে

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে মসলা জাতীয় চুইঝালের আবাদ বাড়ছে। চুইঝালের আবাদে পরিশ্রম কম আবার আলাদা জমিরও প্রয়োজন হয় না। বাড়ির আঙিনা কিংবা বাগানের যেকোনো গাছের সঙ্গে সহজেই চাষ করা সম্ভব। এসব সুবিধার কারণেই দিন দিন এখানে চুইঝালের আবাদ বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ভৌগোলিক কারণেই জেলাটির মাটি মসলা জাতীয় এই পণ্য চাষের জন্য বেশ উপযোগী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সরেজমিনে মন্গবার (২৫ জুন) গিয়ে দেখা যায়, সদর উপজেলার উজিরপুর গ্রামে সাড়ে তিন একর জমিতে চুইঝালের চাষ করছেন নাজমুল ইসলাম ও স্বর্ণা ইয়াসমিন দম্পতি। তাদের বাগানে থাকা আম, কাঁঠাল, লিচু, নারকেল, সুপারিসহ প্রতিটা গাছের সঙ্গে আছে একাধিক চুইগাছ। বাগান ঘুরে ঘুরে গাছের পরিচর্যা করছেন স্বর্ণা ইয়াসমিন। সেখানে কথা হয় স্বর্ণার সঙ্গে। তিনি বলেন, ২০২১ সালে চার থেকে পাঁচটা গাছ লাগিয়েছিলাম। সেই গাছ থেকে ডগা কেটে আবার রোপণ করি। এভাবে বাড়তে বাড়তে বাগানে এখন প্রায় তিন হাজারের মতো চুইগাছ আছে। ইতিমধ্যে বিক্রিও শুরু করেছি। খরচের তুলনায় বাজারে মসলাটির দাম অনেক বেশি। চুইঝাল চাষে তেমন কোনো খরচ নেই। আলাদা জমিরও প্রয়োজন হয় না। এটা থেকে বেশি লাভ করা সম্ভব। আমাদের বাগানে আরও গাছ আছে। ভবিষ্যতে সব গাছে চুইগাছ লাগানো হবে। বাগান মালিক নাজমুল ইসলাম বলেন, বেলে দোআঁশ মাটিতে চুইঝালের চারা রোপণ করলে সবচেয়ে ভালো হয়। একটি গাছ থেকে কাটিং পদ্ধতিতে নতুন করে চারা উৎপাদন করা যায়। ফলে বারবার চারা কেনার প্রয়োজন হয় না। গাছ রোপণের পর জৈব সার ও পর্যাপ্ত পানি দিলেই হয়। বাড়তি তেমন কোনো যত্নের প্রয়োজন নেই। দুই বছর পর থেকে গাছ বিক্রি করা যায়। গাছের ওজন হিসেবে এর দাম নির্ধারণ হয়। গাছের বয়স যত বাড়ে, দামও বাড়তে থাকে। ১০ বছরে একেকটি গাছ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।
    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দেশে চুইঝাল চাষে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার পরই নড়াইলের অবস্থান। জেলার ৩টি উপজেলায় বর্তমানে ৭ হাজার ৪৩৭টি পরিবার চুইঝাল চাষ করছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে জেলায় মোট ১২ হেক্টর জমিতে ৩০ টন চুইঝাল উৎপাদিত হয়। আগের অর্থবছরে উৎপাদিত হয়েছিল ২৫ টন। এক বছরে আবাদ বেড়েছে পাঁচ টন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জেলাটিতে চুইঝালের উৎপাদন ছিল মাত্র ৯ টন। অর্থাৎ ৬ বছরে উৎপাদন বেড়েছে ২১ টন।
    নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, বাজারে চুইঝালের চাহিদা অনেক। এ অঞ্চলের যে কয়টা জেলায় চুইঝালের চাষ হয়, তার মধ্যে নড়াইল অন্যতম। স্বল্প খরচ ও অল্প পরিশ্রমী অধিক লাভবান হওয়ায় কৃষক এটি চাষে আগ্রহী।

  • রেলওয়ের পূবাঞ্চলের মহা ব্যবস্থাপকের সাথে মত বিনিময় : ঈদ স্পেশাল  স্থায়ী করণ ও বন্ধ লোকাল ট্রেন চালুর দাবি

    রেলওয়ের পূবাঞ্চলের মহা ব্যবস্থাপকের সাথে মত বিনিময় : ঈদ স্পেশাল স্থায়ী করণ ও বন্ধ লোকাল ট্রেন চালুর দাবি

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    চট্টগ্রাম -কক্সবাজার দোহাজারী রেল লাইনে
    পূর্বের বন্ধকৃত কমিউটার ট্রেন নং ১ও২ চালুকরণ, ঈদ স্পেশাল ট্রেন ৯ ও ১০ স্থায়ীকরণ এবং ঢাকা – কক্সবাজার-ঢাকাগামী সকল দুরপাল্লার রেলসমূহ পটিয়া স্টেশনে যাএা বিরতি প্রসঙ্গে রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব)কে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। পরে চট্টগ্রাম – পটিয়া -দোহাজারী – কক্সবাজার রেল যাত্রী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয় । এতে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভার মেয়র যাত্রী কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব মো আইয়ুব বাবুল,বিএফইউজের সহ সভাপতি শহীদুল আলম,যুগ্ন মহাসচিব মহসিন কাজী, পটিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অত্র পরিষদের উপদেষ্টা আবদুল হাকিম রানা,নজরুল ইসলাম, পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ আইয়ুব আলী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু সাঈদ তালুকদার খোকন, সহসভাপতি মদন দে দপ্তর সম্পাদক, শাহ আলম ,সদস্য নুরুল আমিন,হারুন রশিদ,মাহবুবুল আলম, আরিফ মহিউদ্দিন, শাফিন প্রমুখ। এতে মেয়র আলহাজ্ব আইয়ুব বাবুল দীর্ঘদিন পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়
    চালুকৃত চট্টগ্রাম – কক্সবাজার রেল লাইন লাভ জনক ও দেশের সকল মানুষের মাঝে গ্রহনযোগ্য হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন।বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৯২ সাল থেকে এ রেল লাইনের দোহাজারী র্পযন্ত সকল ট্রেন বন্ধ করে দিয়েছিল। পরে ৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে পৌর মেয়র আইয়ুব বাবুলের প্রচেষ্টায় দুটি আপ ডাউন ট্রেন মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন ও এম এ মান্নানের সুপারিশ নিয়ে চালু করার উদ্যোগ নিয়ে সফল হয়েছিলেন। পরে তা তারা আবারো ২০০১ সাল থেকে বন্ধ করে দেয়। এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার রেল বিভাগে অভূতপূর্ব সফলতার নিদর্শন হিসেবে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল চালু করে সারা দেশে রেল যাত্রীদের মাঝে নব জাগরণ সৃষ্টি করলে ও নানা অজুহাতে এখানে ট্রেন বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ ট্রেন পুন চালু ও কক্সবাজার এক্সপ্রেস স্থায়ী করণের ঘোষনা প্রদানসহ সব দূর পাল্লার ট্রেন পটিয়া মহকুমা ও বঙ্গবন্ধু ঘোষিত জেলা রেল ষ্টেশনে যাত্রা বিরতির উদ্যোগ গ্রহন না করলে বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে বলে জানান। এতে রেলওয়ের পূবঞ্চলের জিএম মেয়র আইয়ুব বাবুল সহ সব প্রতিনিধিদের বক্তব্য মনযোগ সহকারে শুনেন। তিনি উধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে এ বিষয়ে আলাপ করে দ্রততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

  • ভালুকায় সড়ক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছে থানা পুলিশ

    ভালুকায় সড়ক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছে থানা পুলিশ

    স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ ॥ এবার ময়মনসিংহের ভালুকায় মঙ্গলবার মহাসড়ক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। এসময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মল্লিক বাড়ি রোডের মাথায়ও আশেপাশে সড়কগুলোর ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করা হয়। ২৫ শে জুন মঙ্গলবার ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ এর প্রচেষ্টায় এসব ময়লার স্তুপ অপসারণ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    পুলিশ ও এলাকাবাসি জানায়, ভালুকা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মল্লিক বাড়ি রোডের মাথায় দীর্ঘদিন যাবত মহাসড়কের উপর স্থানীয় কাঁচাবাজার/ফল ব্যবসায়ীরা ময়লা রেখে মহাসড়কের অর্ধেক রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রাখতো, যে কারণে যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। ভালুকা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আশপাশের লিঙ্করোডগুলোর উপর এবং সড়ক মোড়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলের ছত্রচ্ছায়ায় অবৈধভাবে ভাসমান দোকান, কাঁচা বাজার বসছে নিয়মিত। ফলে এসব দোকান ও বাজারসহ আশেপাশের বিভিন্ন দোকান ও মার্কেটের ময়লা আবর্জনা ভালুকা মহাসড়কের পাশে ফেলে স্তুপ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনেও এসব ময়লা আবর্জনা অপসারণ না করায় সেগুলো থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এতে ওই সব সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। এছাড়াও ভাসমান দোকানপাট ও বাজারের কারনে ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। তাই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ভালুকা মডেল থানা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ এর উদ্যোগে বাসস্ট্যান্ডে এলাকাসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে ময়লা আবর্জনা অপসারনের পরিকল্পনা নিয়েছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে ভালুকা মডেল থানা পুলিশের উদ্যোগে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে লিঙ্করোডগুলোসহ আশপাশের সড়ক ও ফুটপাত থেকে ময়লা আবর্জনা অপসারণ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ভালুকা মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা ও পৌরসভার কর্মীরা যৌথভাবে অংশ নিয়ে ময়লা আবর্জনাগুলো ভ্যানযোগে অন্যত্র সরিয়ে নেয়।

    এব্যাপারে ভালুকা মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, এখন থেকে নিয়মিতভাবে এ অভিযান পরিচালিত হবে। ভালুকাকে আবর্জনা ও দুর্গন্ধমুক্ত এবং নির্বিঘ্ন ফুটপাথ প্রতিষ্ঠা করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে উড়ালসেতুর নিচে ও আশপাশে শোভাবর্ধনকারী গাছপালা রোপন করা হবে। একই সাথে ভবিষ্যতে এখানে কেউ যাতে ময়লা রেখে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

  • মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শোয়াইবের মৃত্যু

    মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শোয়াইবের মৃত্যু

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে মধুপুর ডিগ্রি কলেজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় শোয়াইব (৫০) নামে একজন আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে এক দিন পর মারা গেলেন শোয়াইব । শোয়াইব উপজেলার নাগবাড়ী এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে, এবং মধুপুর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আব্দুল হামিদ এর ভাতিজা।
    টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের পুর্ব পার্শে মধুপুর ডিগ্রি কলেজের কাছে মিলন লাইব্রেরীতে সে দীর্ঘ দিন ধরে চাকুরী করে আসছিল । সোমবার (২৪ জুন) রাত ৯ টার দিকে শোয়াইব দোকানের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় একটি ইজিবাইক (অটো) তাকে চাঁপা দিলে সে গুরুতর আহত হন। স্হানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্হা আশংকা জনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেল পাঁচ টার দিকে সে মারা যায় বলে পারিবারিক সুত্রে জানা যায়। তার এ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • আশুলিয়ায় এক গৃহবধূকে গলাকে*টে হ*ত্যা-র‍্যাব কর্তৃক হ*ত্যাকারী আটক

    আশুলিয়ায় এক গৃহবধূকে গলাকে*টে হ*ত্যা-র‍্যাব কর্তৃক হ*ত্যাকারী আটক

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সুমাইয়া আক্তার নামে এক গৃহবধূকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় শহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎ নামের এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব-৪।

    মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল তালতলা এলাকার সোহাগ মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এর আগে বিকাল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান।

    নিহত সুমাইয়া আক্তার রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার মাসুদ রানার স্ত্রী। তাদের আড়াই বছরের এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। তারা ৩ জনেই ওই বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। নিহতের স্বামী মাসুদ রানা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।

    আটককৃত শহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎ (৩২) নাটোর জেলার লালপুর থানার বিজয়পুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি একই বাসায় পাশের রুমেই ভাড়া থাকতেন। পেশায় ছিলেন পোশাক শ্রমিক।

    বাড়ির মালিকের স্ত্রী জানান, সুমাইয়ার মেয়ের কান্না শুনে ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন হাতে রক্ত মাখানো অবস্থাতেই ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল শহিদুল ইসলাম, বাড়ির অন্য রুমের ভাড়াটিয়া মো. সবুজ বলেন, বাড়ির মালিক ডাকলে আমি আমার রুম থেকে বের হয়ে আসি আর রুমে গিয়ে দেখি ওই নারীকে চাকু দিয়ে গলা কেটেছে শহিদুল। ওই লোক চাকু নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলো। পরে আমি বাইরে গিয়ে আরও কয়েকজনকে ডেকে এনে পুলিশে খবর দেই।

    র‍্যাব জানায়, গত ১ বছর ধরে একই বাসায় পাশাপাশি রুমে ভাড়া থাকার সুবাদে সুমাইয়া আক্তারের সাথে বিদ্যুৎ এর সাথে পরিচিত হয় । পরিচয়ের পর থেকেই সুমাইয়াকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল বিদ্যুৎ, তার অবৈধ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মঙ্গলবার দুপুরে সুমাইয়ার কক্ষে প্রবেশ করে ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করে, এতে অচেতন হয়ে পরলে তাকে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে শহিদুল।

    র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, শহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনার কথা স্বীকার করেছে বিদ্যুৎ। সে প্রেমে প্রত্যাখান হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।

    তিনি আরও বলেন, ওই গৃহবধূকে এক বছর ধরে উত্যক্ত করে আসছিল শহিদুল কিন্ত গৃহবধূ এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলায় কয়েকটি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেছে শহিদুল।

  • তেঁতুলিয়ায় হোটেল ভাঙচুর, টাকা লুটপাট

    তেঁতুলিয়ায় হোটেল ভাঙচুর, টাকা লুটপাট

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের শিলাইকুঠি বাজারে গাঁজার বিষয়কে কেন্দ্র করে ‘মাসফিয়া জান্নাত মাইশা হোটেল’ ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট করা হয়েছে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের শিলাইকুঠি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

    মাসফিয়া জান্নাত মাইশা হোটেলের মালিক মনজু ইসলাম ওই ইউনিয়নের রাজুগছ গ্রামের দুলালের ছেলে ফরিদ, শিলাইকুঠি গ্রামের মৃত গফার উদ্দিনের ছেলে বাচ্চাম উদ্দিন, বাচ্চাম উদ্দিনেরর ছেলে আল আমিন, আকালু মোহাম্মদের ছেলে রব্বানী ও আব্দুর রউফ, তোফাজুলের ছেলে সোহেল ও আনিছ এবং বৈদ্য বদিউজ্জামানের ছেলে মনিরসহ আরও ৫/৭জন তার হোটেলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে প্রাথমিকভাবে পুলিশকে অভিযোগ করেন।

    জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ জুন) হোটেল মালিক মনজুর মেচিয়ারের গাঁজা সেবনের বিষয়ে ওই ইউনিয়নের শিলাইকুঠি গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আরিফুলের সঙ্গে বিরোধ হয়ে আসছিল। পরে বিষয়টি নিয়ে দুই ধফায় সালিশ বসা হয়েছিল। উভয়ের মধ্যে সালিশ সম্পূর্ণ না হতেই উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাটি ঘটে।

    হোটেল মালিক মনজু অভিযোগ করে জানান, গত শুক্রবার (২১ জুন) ঘটনার ওই দিন রাতেই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির মাধ্যমে আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করেন। অভিযুক্তরা আমাদের বিচার না মেনে দোকান ভাঙচুর করার হুমকি দেন। তাই তিনি শনিবার (২২ জুন) অভিযুক্তরাসহ আরও কিশোর গ্যাংদের ভয়ে হোটেল বন্ধ করে রাখেন। শনিবার রাতেও বিচার মিমাংসা করার চেষ্টা করেন মনজু। কিন্তু তাঁরা মিমাংসাকে তোয়াক্কা না কের ওই দিন রাতেও হোটেল ভাঙচুর করার হুমকি দেয়। পরের দিন রোববার (২২ জুন) আগের মতোই হোটেল খুলে ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে আসতে থাকলে রাত ৯ টার সময়ে কয়েক জন কিশোর গ্যাং তার হোটেলের পিছনে ও সাইটে তাকে ফাঁসানোর জন্য ওৎ পেতে থাকে। তিনি বিষয়টি বুঝতে পেরে সর্তক হোন। মিনিট কয়েকের মধ্যেই কয়েক জন তার হোটেলের ভিতর ঢুকে পড়েন। তিনি দোকান থেকে বের হতে বললে, তার উপর চড়াও হয়ে উঠেন। এক পর্যায় হোটেলের সমস্ত মালামাল মাটিতে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। লাঠিসোঁটা দিয়ে দোকান ভাঙচুর করে। এতে তার লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। তিনি বলেন, ক্যাশে থাকা সারাদিনের বেচাকেনার ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় অভিযুক্ত রব্বানী এবং তার পকেট থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় অভিযুক্ত আল আমিন।

    মনজু আরোও জানান, ওরা আসছিল তাকে ফাঁসাতে হোটেলে গাঁজা ঢুকিয়ে দিতে। অভিযুক্তরা ইতিপুর্বে তার কাছে চাঁদা চাইতে গেলে চাঁদা না দেওয়ায় তারই জের ধরে এই ঘটনা ঘটান বলেও জানান তিনি।

    আল আমিনের বাবা বাচ্চাম উদ্দিন মনজুর হোটেলে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তার ছেলেকে মারধর করা হচ্ছে তাৎক্ষণিক মনজুর হোটেলে গেছেন। তবে তার ছেলে কারো সাথে মারপিট ও কোনো দোকানপাট ভাঙচুর করেননি জানান তিনি।

    বাজারে অবস্থিত স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দোকান ভাঙচুর তাদের চোখের সামনে হয়েছে। একটা ব্যবসা বাণিজ্যের উপর হামলা চালা একটা ন্যাক্কার জনক ঘটনা। এই ঘটনায় সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর জামান বলেন, দোকান ভাঙচুরের ঘটনাটি তার সামনে ঘটেছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিরাই এ অমানবিক ঘটনায় জড়িত বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। তিনি একজন ইউপি সদস্য হয়ে এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
    ঘটনাস্থলে আসা তেঁতুলিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক চন্দ্র ও উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ বলেন, সরেজমিনে গেছেন এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ বিষয়ে জানতে রাতেই তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায়কে মুঠোফোনে কল করা হলে কলটি রিসিভ হয়নি।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।