Blog

  • সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ২৪-এর শ-হীদদের কবর জিয়ারত করলেন

    সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ২৪-এর শ-হীদদের কবর জিয়ারত করলেন

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুর রহমান ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারত করেছেন।

    সোমবার (২৭শে অক্টোবর ২০২৫ইং) দুপুরে তিনি তালবাগ কবরস্থানে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ তানজীর খান মুন্না ও শহীদ শফিকুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাভার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম হোসাইন ডালিম, সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্বাস উদ্দিন পাপ্পু,সাভার উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী জুলকারনাইন আন্নু।

    দিনের শুরুতেই নবনিযুক্ত সাভার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহাবুবুর রহমানের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, এসময় ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দীন,আমিন বাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মোঃ রিয়াজ উদ্দিন ফালান, সাভার সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাভার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ হোসেন,পাথালিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম,বনগাঁ ইউনিয়নের প্রশাসক মোঃ সেলিম রেজা, বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রশাসক মনোয়ারা আক্তার এবং ভাকুত্তা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন ও আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের প্রশাসক মোঃ আল মামুন, সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রাকিব, সাভার থানা ছাত্রদল নেতা রাসেল শাহ, এ ছাড়াও প্রিন্ট মিডিয়া, সেটেলাইট, অনলাইন নিউজের গণমাধ্যম কর্মীসহ অনেকেই এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • উল্লাপাড়ায় চাকুরির আ-শ্বাসে ৫ লাখ টাকা ও স্বাক্ষরিত ব্লাঙ্ক চেক নেয়ার অভিযোগ

    উল্লাপাড়ায় চাকুরির আ-শ্বাসে ৫ লাখ টাকা ও স্বাক্ষরিত ব্লাঙ্ক চেক নেয়ার অভিযোগ

    এম এ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে নগদ ৫ লাখ টাকা ও বাদীর স্বাক্ষরিত ব্লাঙ্ক চেক নেয়ার অভিযোগে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া আমলি আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। ভুক্তভোগী উল্লাপাড়া উপজেলার চয়ড়া খোর্দ্দ গজাইল গ্রামের জাহিদ হাসান বাদী হয়ে অভিযুক্ত আসামী পাবনার সাথিয়া উপজেলার মহিষাখোলা  গ্রামের লুৎফর আলী খাঁর ছেলে হাসমত আলী ও উল্লাপাড়া উপজেলার ফাজিলনগর গ্রামের মৃত রোকনুজ্জামানের ছেলে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে গত ২৪ অক্টোবর আদালতে প্রতারণামুলক দু’টি মামলা দায়ের করেন। সিরাজগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত। 

    আজ সোমবার অভিযুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে বাদী অভিযোগ করে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, আসামীদ্বয় যোগ সাজশে সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে চাকুরির নাম করে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে  আমার সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে। আমি আইন, আদালত ও সরকারের কাছে এর ন্যায়সঙ্গত সুষ্ঠু বিচার চাই। 
    অভিযুক্ত হাসমত আলী ও মিজানুর রহমানের মন্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের উভয়ের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

  • রাজশাহী-১ আসনে সৌভাগ্য দূত শরিফ উদ্দিন

    রাজশাহী-১ আসনে সৌভাগ্য দূত শরিফ উদ্দিন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে সৌভাগ্য দূত হয়ে এসেছেন মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।এই জনপদের মানুষের ভাগ্যে উন্নয়নে তার কোনো বিকল্প নাই। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁছাতে চাই,সেখান থেকে শরিফ উদ্দিনের রাজনীতি শুরু। নির্বাচনী এই এলাকা ভৌগোলিক বৈচিত্র্যেঘেরা। গোদাগাড়ীতে পদ্মার ধু-ধু বালুচর, তানোরে ঠা-ঠা বরেন্দ্রভূমি। এই আসনের মানুষের প্রত্যাশাও একটু ভিন্নমাত্রার। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব যার কাঁধে পড়ে, ভোটের আগে তাকে ঘিরেই হিসাব-নিকাশের পালা চলে। গেল তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে সে হিসাব মেলেনি। এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার (সাবেক) সামরিক সচিব ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে নিয়ে সেই প্রত্যাশা পুরুণের স্বপ্ন দেখছেন এই জনপদের মানুষ। ইতমধ্যে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে এরই মধ্যে অনেকে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। তবে প্রায় ৬ আগে থেকেই শরিফ উদ্দিনকে মাঠ গোছানোর পরামর্শ দিয়ে তাকে সহযোগিতা করার জন্য বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল থেকে তৃণমুল নেতাকর্মীদের বার্তা দেয়া হয়েছে বলে মাঠ পর্যায়ে প্রায় প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে এমন আলোচনা হচ্ছে।
    খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব, স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব তিনি রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁছাতে চাই,সেখান থেকেই শরিফ উদ্দিনের রাজনীতি শুরু। তার যে পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা,ব্যক্তি অর্জন তাতে রাজনীতি থেকে তার নেয়ার কিছু নেই, তবে দেবার অনেক কিছুই রয়েছে। তিনি যদি এমপি-মন্ত্রী হতে পারেন তাহলে তানোর-গোদাগাড়ীর উন্নয়নে বিপ্লব ঘটবে।কারণ বিএনপি সরকার গঠন করলে তার যোগাযোগ হবে সরাসরি (শেঁকড়) দল ও সরকার প্রধানের সঙ্গে।আওয়ামী লীগের ১৫ বছর অন্যরা যখন আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপণ আঁতাত করে নিজেদের ভাগ্যবদল করেছেন,তখন বিএনপি করার অপরাধে শরিফ উদ্দিনকে সময়ের আগেই চাকরি থেকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। এই একটি ঘটনায় প্রমাণ করে আদর্শিক বিএনপি কে বা কারা ?
    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তরাজশাহী-১ আসনে বিএনপির অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে তৃণমূলে শরিফ উদ্দিন আলোচনা ও পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুলের অবর্তমানে যদি কেউ নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে নিতে ও ব্যারিষ্টারের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে পারেন সেটা শরিফ উদ্দিন ব্যতিত আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুলের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো তার পক্ষেই সমাপ্ত করা সম্ভব বলে মনে করেন ভোটারগণ।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি দলের ও দুজন সরকার প্রধানের সামরিক সচিব এবং সাবেক মেজর জেনারেল পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে সরাসরি নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। এটা নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য পরম সৌভাগ্যর যে এতো বড় মর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব তাদের মাঝে এসেছেন। এটা তাদের গৌরবও বটে।তিনি এই জনপদের মানুষের
    সৌভাগ্য দূত হয়ে এসেছেন।এই জনপদের মানুষের উচিৎ দলমত নির্বিশেষে সকলের উর্ধ্বে উঠে সকল মতপার্থক্যে বা ভেদাভেদ ভুলে
    সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাকে বিজয়ী করা। কারণ তার মতো এত বড় মাপের পদমর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব এই জনপদের মানুষ আগামি একশ’ বছরেও পাবেন কি না তা ভাগ্যের বিষয়। এদিকে বিএনপির তৃণমূলের দাবি এই জনপদের মানুষ প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব কখানো কোনো অবস্থাতেই কল্পনাও করে না।
    জানা গেছে, রাজশাহী-১ আসনে ২টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ২৪২। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৫১০ ও নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে তিনজন। এই আসনের নতুন ভোটারের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৪২। এছাড়াও এই দুই উপজেলার বিএনপির দায়িত্বশীল
    সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দগণ সরাসরি ও প্রকশ্যে শরিফ উদ্দিনের পক্ষে মাঠে রয়েছেন। এ আসনে সবচেয়ে বেশি ভোটার চরের বাসিন্দা,সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর। মূলত তাদের ভোটেই জয়-পরাজয় নিশ্চিত হয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এবিষয়ে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন জানান, দলের কিছু নেতা তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। কেন্দ্র বিষয়টি জানে। তিনি বলেন, দলের আদর্শিক ও মুলধারার নেতা এবং কর্মী-সমর্থকগণ তাকেই প্রার্থী হিসেবে চায়।#

  • বানারীপাড়ায় ৩১ দফা বাস্ত-বায়নে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা টিপু

    বানারীপাড়ায় ৩১ দফা বাস্ত-বায়নে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা টিপু

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
    বরিশালের বানারীপাড়ায় বিএনপির তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ- বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম। রবিবার ২৬ অক্টোবর বানারীপাড়া উপজেলার বন্দর বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লিফলেট বিতরণ শেষে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাজেদ তালুকদার মান্নান মাস্টার, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজীব মৃধা, বরিশাল জেলা যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মিলন,সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল শিকদারসহ বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এসময়ে বিএনপি নেতা কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেন,আমরা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়ন কর্মসূচি সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে অবহিত করছি। বাংলাদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ৩১ দফা কর্মসূচি অতুলনীয় ভূমিকা রাখবে। আগামীর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, বিএনপির কেন্দ্র ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দলের স্বার্থে যাকে মনোনয়ন দিবে আমি তার সাথে দলের পক্ষে কাজ করবো।তবে আমাকে যদি বরিশাল-২ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তবে জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

    মোঃ সাব্বির হোসেন।।

  • নলডাঙ্গায় বিএনপির মত বিনিময় সভা অ-নুষ্ঠিত

    নলডাঙ্গায় বিএনপির মত বিনিময় সভা অ-নুষ্ঠিত

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ

    নাটোরের নলডাঙ্গা পৌর বিএনপি আয়োজনে মত বিনিময় শোভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    আজ নলডাঙ্গা পৌরসভার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে বুড়ির ভাগ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিকেল ৫টায় এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত মতবিনিময় সভায় আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফজলার রহমান সাবেক সভাপতি ৭ নং ওয়ার্ড এর সভাপতিত্বে উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুন্জুরুল হক সবুজের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমপির সহধর্মিনী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব রহিম নেওয়াজ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব নলডাঙ্গা উপজেলার বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল সাবেক পৌর প্রশাসক এমএ হাফিজ সাবেক মেয়র মোহাম্মদ আব্বাস আলী নান্নু পৌরসভার সাবেক সহ-সভাপতি জাফর মাস্টার সাবেক পৌর সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পাঠান উপজেলা বিএনপির যুবদলের সভাপতি মামুনুর রশিদ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন উজ্জল পৌর যুবদলের সভাপতি রূপচাঁদ নলডাঙ্গা শহীদ নজমুল হক সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সহ আরো অনেকেই।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণমানুষের নেতা এমপি সাবেক মন্ত্রী এম কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন আগামীতে ধানের শীষে প্রতীকে বিজয় অর্জন করে নলডাঙ্গা প্রাণ কোম্পানির চেয়ে বড় একটি শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে যেখানে এই এলাকার লোকজন চাকরি করবে কাউকে আর চাকরির জন্য ঘুরতে হবে না,এছাড়া নাটোর থেকে গ্যাস লাইন নলডাঙ্গা নিয়ে আসা হবে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা হবে সবাইকে ধানের শীর্ষে প্রতীকে ভোট দেওয়া আহ্বান জানান।

  • সুন্দরবনের উপকূলে মোরেলগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকায় নির্মিত অত্যাধুনিক সাইক্লোন শে-ল্টারের উদ্বোধন

    সুন্দরবনের উপকূলে মোরেলগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকায় নির্মিত অত্যাধুনিক সাইক্লোন শে-ল্টারের উদ্বোধন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি :দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাতবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দুর্যোগকে করব জয়, এ দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় গ্রামীণ জনপদের মানুষের আশ্রয়ের জন্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অত্যাধুনিক সাইক্লোন শেল্টারের উদ্ধোধন করা হয়েছে।

    সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা খাউলিয়া ইউনিয়নের ফাঁসিয়াতলা এলাকায় এ সাইক্লোনটি প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন সিসিডিবির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়েট কেয়া মালাকার।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ, খাউলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও জমিদাতা মো. সেলিম মিয়া, থমার্স মনিটর মনিটরিং অফিসার (ডাইকোনিয়া), প্রকৌশলী রাহাতুল আরেফিন, কনস্যালটেন্ট রেবেকা ট্রেগারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে এ সময় প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

    জানাগেছে, জার্মান সরকারের অর্থায়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি’র উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তনতার প্রকল্পের মাধ্যমে খাউলিয়া ইউনিয়নের বলেশ^র ও পানগুছি নদীর মোহনায় ফাসিয়াতলা গ্রামে ২৩ শতক জমির ওপরে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে অত্যাধুনিক এ সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে। দুর্যোগকালিন এ গ্রামীণ জনপদের ৪ শতাধিক মানুষ এ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে পারবেন। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের জন্য আশ্রয়নে ব্যবস্থা রয়েছে। গবাদি পশুর জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা, আপতকালিন সময়ে আশ্রয়ণ শেল্টারের অবস্থান নেওয়া মানুষের জন্য রয়েছে সুপেয় পানির ব্যবস্থা, বীজ সংরক্ষণ, দুর্যোগকালিন স্বাস্থ্য সেবা, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা, বায়োগ্যাস পদ্ধতি, সৌর চালিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।

    প্রধান অতিথি বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান বলেন, উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ উপজেলায় অত্যাধুনিক এ সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মিত হওয়ার ফলে বিশেষ করে নদী তীরবর্তী মানুষের আশ্রয়ে একটি বড় মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। সাধারণ জনগনের কথা চিন্তা করে জমিটি যিনি দান করেছেন তিনি নিশ্চিত একজন বড় মনের মানুষ। আমাদের কাজ হবে প্রতিটি মানুষের নিজের মনে করে সংরক্ষনে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রাখা।

  • ‎আওয়ামী সরকার প-তনের পর সুনামগঞ্জে প্রথম নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নৌকা প্রার্থী শামছু উদ্দিন  ‎

    ‎আওয়ামী সরকার প-তনের পর সুনামগঞ্জে প্রথম নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নৌকা প্রার্থী শামছু উদ্দিন ‎

    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎আওয়ামী সরকার পতনের পর এই প্রথম ওপেন নির্বাচনে অংশ নিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন সুনামগঞ্জ কোরবান নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় নৌকা প্রতীক নিয়ে,পরাজিত আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শামছু উদ্দিন। তবে এবার যে নির্বাচনে তিনি অংশ নিয়েছেন সেখানে পরজিত না হওয়ার কৌশল তৈরি করেই তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। খোজঁনিয়ে জানা যায় ৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর সুনামগঞ্জ জেলায় গা ডাকা দিয়ে বিদেশ পারি দিয়েছেন অনেক আওয়ামী লীগের নেতারা।  আবার কেউ কেউ সুনামগঞ্জ  ৪আগষ্ট নিরীহ ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনার মামলা গলায় নিয়ে ঝুলছেন।
    ‎৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর বর্তমান পেক্ষাপটে সুনামগঞ্জ আওয়ামীলীগ  নেতাদের তেমন প্রকাশ্যে কোন মিটিং মিছিল বা  সভা করতে  দেখা যায়নি। অবশেষে মিলেছে গত নির্বাচনে কোরবান নগর ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে অংশ গ্রহনকারী পরাজিত আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শামছু উদ্দিনের দেখা। যিনি আওয়ামী সরকার পতনের পর বই লাইব্রেরীর এজেন্টার হিসেবে কাজ করছেন বলে একটি সূত্রে জানা যায়। তাই লাইব্রেরির ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ছাত্রদের কাছে বই বিক্রি করতে সহজ উপায় বেঁচে নিলেন, স্কুল অভিভাবক ম্যানিজিং কমিটির  নির্বাচন। তাই তিনি আগামী ৯/১১/২০২৫ ইং তারিখ রোজ রবিবার হাজী মকবুল পুরকায়স্থ উচ্চ বিদ্যালয় (এইচ,এমপি,হাইস্কুল)”এ অনুষ্ঠিত হবে অভিভাবক ম্যানিজিং কমিটির  নির্বাচন। তিনি সেখানে ঐ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছেন এবং মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। যা জেনে হতভঙ্গ  হয়ে অবাক হয়েছেন  অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা। এই প্রথম সুনামগঞ্জে কোন আওয়ামীলীগের নেতা ওপেন একটি নির্বাচনে  অংশ নিচ্ছেন। তার এই ওপেন নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিয়ে শিক্ষার্থী ও অন্যান্য দলীয় নেতা কর্মীদের মাঝে ক্ষুভ সৃষ্টি হয়েছে। ইতি মধ্যে শহরজুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা ঝড়। এমনকি বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে চলছে উত্তেজনা। বর্তমান পেক্ষাপটে  কোন চিন্হিত আওয়ামী লীগের নেতা স্কুল কমিটির নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারবে কিনা সেই বিষয়টি জানতে চান আবার অনেকে?
    ‎এব্যাপারে হাজী মকবুল পুরকায়স্থ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইনসান মির্ঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি  স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা নিয়ে ব্যাস্ত, কে কোন দলের নেতা সেটা আমার  বিষয় না, আমার কাছে সকল ছাত্রদের অভিভাবক সমান, নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন প্রিজাইডিং অফিসার।
    ‎এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও ( অতিরিক্ত দায়িত্ব)  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুনামগঞ্জ সদর,সুনামগঞ্জ ও হাজী মকবুল পুরকায়স্থ উচ্চবিদ্যালের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন প্রিজাইডিং অফিসার  মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোন আওয়ামীলীগ নেতা অংশ গ্রহন করতে পারবে কিনা, আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে পরে জানাবো।
    ‎এব্যাপারে নির্বাচনে অংশ গ্রহনকারী আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শামছু উদ্দিন এর কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  • গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উ-দযাপন

    গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উ-দযাপন

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পাশে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা যুবদলের সভাপতি শেখ রিয়াজ উদ্দিন লিপটন বক্তব্য রাখেন।

    এ কর্মসূচিতে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, জেলা বিএনপির সদস্য ডা. কে এম বাবর, অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির দারা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিকাইল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।

    এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা, কাশিয়ানী, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় প্রীতক পৃথকভাবে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • ডাঃ জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের  পদন্নোতিতে কুমিল্লা বাসী আনন্দিত

    ডাঃ জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের পদন্নোতিতে কুমিল্লা বাসী আনন্দিত

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন ।।

    চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কুমিল্লার মফস্বল ও শহর অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসা ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর সম্প্রতি কুমেকের সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর এই পদোন্নতিতে চিকিৎসক সমাজ,সাংবাদিক সমাজ,রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, রোগী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং কুমেক সূত্রে জানা যায়
    ডা. বাবর এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (চর্ম ও যৌন) ডিগ্রিধারী। তিনি ডার্মাটো সার্জারিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ভারত, থাইল্যান্ড ও দুবাই থেকে।
    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে যোগদানের পর থেকে তিনি শিক্ষক ও চিকিৎসক—দুই ভূমিকাতেই সমানভাবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও শিক্ষণপদ্ধতি একাডেমিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত। তাঁর শিক্ষার্থীরা বলেন, “ডা. বাবর স্যার কেবল একজন শিক্ষক নন, তিনি আমাদের অভিভাবকও বটে। তিনি সবসময় রোগীর কষ্ট বুঝতে শেখান এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চিকিৎসা করতে উদ্বুদ্ধ করেন।”
    রোগীদের কাছেও তিনি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে সমানভাবে পরিচিত। আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের প্রতি তাঁর সহানুভূতিশীল আচরণ তাঁকে কুমিল্লা অঞ্চলের জনপ্রিয় চিকিৎসকদের মধ্যে অনন্য করেছে। বিভিন্ন সময়ে তিনি সংগঠনের উদ্যোগে ও নিজস্বভাবে “ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প” আয়োজন করে হাজার হাজার রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি রোগীর আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে চিকিৎসা ফি নেননি। চিকিৎসা সেবাকে তিনি শুধুমাত্র পেশা নয়, এক মানবিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখেন।
    ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বর্তমানে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)-এর কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে চিকিৎসক কল্যাণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সেবামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে তিনি সহকর্মী চিকিৎসকদের নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে গিয়ে সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
    চিকিৎসা কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে তিনি দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত বক্তৃতা দেন। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে ত্বক পরিচর্যা, যৌনস্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে তাঁর উদ্যোগ প্রশংসিত।
    মানবিক গুণাবলি, পেশাদারিত্ব এবং সমাজসেবার মনোভাবের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ডা. বাবর চিকিৎসা পেশায় এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সহকর্মীদের মতে, তিনি সবসময় রোগী, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখেন। তিনি বিশ্বাস করেন, “একজন চিকিৎসকের প্রকৃত সফলতা তখনই আসে, যখন তাঁর রোগী শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে আশ্বস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে পারে।”
    পদোন্নতির পর এক প্রতিক্রিয়ায় ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, “এ অর্জন শুধু আমার নয়, এটি আমার সহকর্মী, শিক্ষার্থী, রোগী এবং পরিবার— সবার যৌথ প্রেরণার ফসল। চিকিৎসা মানে কেবল রোগ সারানো নয়, এটি এক মানবিক দায়িত্ব, এক আজীবনের অঙ্গীকার।”
    স্থানীয় চিকিৎসক সমাজ ছাড়াও ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহ নানা পেশার মানুষ তাঁর পদোন্নতিতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেন, “ডা. বাবর এমন একজন চিকিৎসক, যিনি নিজের পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সমাজের প্রতি ও দায়বদ্ধ। তাঁর মতো মানবিক ও সৎ চিকিৎসকরা দেশের গর্ব।”
    ডা. বাবর শুধু চিকিৎসক হিসেবেই নয়, একজন সফল শিক্ষক ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন সংগঠক হিসেবেও পরিচিত। তাঁর নেতৃত্বে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে গবেষণা, সেমিনার ও চিকিৎসাবিষয়ক কর্মশালার পরিসর বেড়েছে। তরুণ চিকিৎসক ও ইন্টার্নদের তিনি নিয়মিতভাবে গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহিত করেন।
    ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের শিকড় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের শংকুচাইল উত্তরপাড়া গ্রামে। তিনি এক শিক্ষিত ও সম্মানিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা অধ্যাপক আমীর হোসেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ এবং কুমিল্লা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিশিষ্ট শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর বাবার অবদান এবং মানবিক মূল্যবোধই ডা. বাবরের জীবনে প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
    শৈশবে তিনি শংকুচাইল হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে বরিশাল মেডিকেল কলেজ থেকে মেধার স্বাক্ষর রেখে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। তিনি ২৫তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন এবং এরপর ধাপে ধাপে তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
    চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতা, সামাজিক সচেতনতা এবং জনকল্যাণে নিরলস কাজ তাঁকে কুমিল্লার মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে দিয়েছে। সহকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ— সবার কাছেই তিনি একজন “মানবিক ডাক্তার” হিসেবে পরিচিত। আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে তিনি সরাসরি ও পরোক্ষভাবে একাধিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
    কুমিল্লার চিকিৎসা অঙ্গনে যাঁরা ডা. বাবরকে কাছ থেকে চেনেন, তাঁরা বলেন— “তিনি শুধু ভালো চিকিৎসক নন, একজন ভালো মানুষও। তাঁর আচরণ, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিকতা আগামী প্রজন্মের চিকিৎসকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”
    সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে তাঁর এই পদোন্নতি কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এবং জেলার চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য এক গৌরবের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

  • থানচিতে বলিপাড়া বাজারে অগ্নি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৩৮ বিজিবি’র মা-নবিক সহায়তা প্রদান

    থানচিতে বলিপাড়া বাজারে অগ্নি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৩৮ বিজিবি’র মা-নবিক সহায়তা প্রদান

    বান্দরবান (থানচি) প্রতিনিধি : মথি ত্রিপুরা।

    গত ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মধ্যরাতে থানচি উপজেলার বলিপাড়া বাজারে সংঘটিত অগ্নি দুর্ঘটনায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি থেকে ৩৮ বিজিবি’র সকল সদস্য আগুন নেভাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এ প্রেক্ষিতে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে অদ্য ২৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ জন দোকান মালিকের প্রত্যেককে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা করে মোট ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতেও বিজিবি জনগণের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।
    তিনি আরও জানান, ‘বলিপাড়া জোন তথা ৩৮ বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জনগণের জানমাল রক্ষা ও মানবিক সহায়তায় সর্বদা অঙ্গীকারাবদ্ধ’।

    আরও বলেন, স্থানীয় জনগণ ও ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই অনুদান প্রদানের মাধ্যমে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে যা সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।