Blog

  • বাবুগঞ্জে আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী গ্রে/ফতার সভাপতির নি-ন্দা ও নিঃ-শর্ত মুক্তির দাবি

    বাবুগঞ্জে আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী গ্রে/ফতার সভাপতির নি-ন্দা ও নিঃ-শর্ত মুক্তির দাবি

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন দেহেরগতি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তপন লস্কর, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শিমু আকন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. করিম মেম্বার এবং কেদারপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মানিক শিকদার।

    এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোঃ খালিদ হোসেন স্বপনসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যবৃন্দ। তারা অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

    উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোঃ খালিদ হোসেন স্বপন বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গ্রেফতার পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত নেবে।

  • গোপালগঞ্জে কৃষি জমিতে অ/বৈধভাবে ঘের কাটা চললেও দেখার কেউ নেই?

    গোপালগঞ্জে কৃষি জমিতে অ/বৈধভাবে ঘের কাটা চললেও দেখার কেউ নেই?

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে ঘের কাটা চললেও দেখার যেন কেউ নেই?

    বর্ষার পানি শুকিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই শুরু হয় মাছের ঘের কাটার কাজ। এ প্রক্রিয়ায় প্রতি বছরই অবৈধভাবে বাড়ছে জমির শ্রেণি পরিবর্তন। একই সাথে যথেচ্ছ এক্সকাভেটর মেশিন দিয়ে ঘের কাটায় উল্লেখযোগ্য হারে কমছে চাষযোগ্য জমির পরিমান। যে জমি কেটে ঘের তৈরি করা হচ্ছে তার পাশ্ববর্তী জমিগুলিও ক্রমান্বয়ে ঘের তৈরি করতে উদ্যোগ নিচ্ছে কৃষি জমির মালিকেরা। অপরিকল্পিতভাবে ঘের কাটার ফলে উৎপাদিত ফসল আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রেও বিপাকে পড়ছেন কৃষকেরা।

    গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সিংগা মধ্যপাড়া এলাকায় প্রায় ৬ বিঘা চাষযোগ্য জমি ক্রয় করে চলতি মাসের শুরু থেকে ঘের কাটা শুরু করেছেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কংশুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদের জিলানী (২৪)।

    সরকারি অনুমোদন না নিয়ে অবৈধভাবে কৃষি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে মাছের ঘের কাটার অভিযোগ পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সরেজমিনে সেখানে গিয়ে দেখেন যে যথেষ্ট গভীর করে ঘের কাটা হচ্ছে। পাশ্ববর্তী জমির মালিকেরা এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এদিকে অবৈধ ঘের কাটায় জমি থেকে পানি নিষ্কাসন ব্যাহত হয় বলে জানা গেছে।
    কেনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শ্রেণি পরিবর্তন না করে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে ঘের কাটছে তা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমার জমিতে আমি ঘের কাটবো, এটা আমার ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত। একাজে কেউ বাঁধা দিলে তা আমি মানবোনা।

    এ ব্যাপারে আলাপ করা হলে জেলার কাশিয়ানি উপজেলার রাজপাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, কৃষি জমিতে অবৈধভাবে ঘের বা পুকুর বা মাটি কাটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের কাজ করলে বালু মহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন-২০১০ মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা বা বেশি জরিমানা এবং দুই বছরের জেল হতে পারে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে এধরণের শাস্তি প্রদানের বিধান রয়েছে। আমি সিংগা মিয়াঝির কান্দি এলাকায় ঘের কাটার বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। জিলানিকে ঘের কাটতে নিষেধ করলে তিনি বলেন, “আমি আমার জমিতে ঘের কাটবো। আপনার যা করার করতে পারেন।” এরপর এ ঘটনাটি আমি কাশিয়ানী সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যারকে অবগত করলেও কোনো পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই।

  • পঞ্চগড়ে ১১০ কোটি টাকার সেতু মেগা প্রকল্পে অনি/য়মের মহোৎসব: দায় এড়ানোর চেষ্টা ঠি/কাদারি প্রতিষ্ঠান

    পঞ্চগড়ে ১১০ কোটি টাকার সেতু মেগা প্রকল্পে অনি/য়মের মহোৎসব: দায় এড়ানোর চেষ্টা ঠি/কাদারি প্রতিষ্ঠান

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
    পঞ্চগড়েররবোদা উপজেলার মাড়েয়া আউলিয়া ঘাটে করতোয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন ১১০ কোটি টাকার মেগা সেতু প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের মেয়াদ প্রায় শেষ হলেও এখনো বাকি অর্ধেকের বেশি কাজ। আর এই তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করতে গিয়ে পাথরের বদলে পুরনো কংক্রিট ভেঙে ব্যবহারের মতো গুরুতর অনিয়ম করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
    নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যাবহারের ফলে সেতুর স্হায়িত্ব নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম সংশয়। এদিকে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও এলজিইডি একে অপরের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।

    ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বোদা উপজেলার মাড়েয়া আউলিয়া ঘাটে ভয়াবহ নৌকাডুবিতে নারী ও শিশু সহ ৭২ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। সেই শোকাবহ ঘটনার পর জোড়ালো ভাবে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি মেটাতে ২০২৩ সালে ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আউলিয়া ঘাট -কালিয়াগঞ্জ রুটে ৩৪৫ মিটার এবং মাড়েয়া- বড়শশী রুটে ৫৪৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতু দুইটির কাজ পায় ‘ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইন্জিনিয়ারিং লিমিটেড (এনডিই) নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

    প্রকল্পের নথিপত্র অনুযায়ী, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও। কিন্তু বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও এলজিইডির তথ্য মতে এ পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি মাত্র ৬২ শতাংশ। কাজের শুরুর দিকে বন বিভাগ এবং পরে আবার ব্যাক্তি মালিকানা ভূমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় এখনো দুই ধারের হাজার হাজার মানুষ শুস্ক মৌসুমে বাঁশের সাঁকো আর বর্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় নদী পারাপার হচ্ছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা আফরোজা বলেন, “বর্ষায় রোগী নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নদীর পাড়ে বসে থাকতে হয়। আমাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার এই ব্রিজটি দ্রুত হওয়া খুব দরকার।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে বর্ধিত মেয়াদে কাজ দ্রুত শেষ করতে দিন-রাত কাজ চলছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, স্লোপ প্রটেকশন ও কাস্টিংয়ের কাজে নতুন পাথরের বদলে আগে ব্যবহৃত পাইলিংয়ের হেড মেশিনে ক্রাশ করে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া গার্ডারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশে ব্যবহৃত ব্ল্যাকস্টোনের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসী সারওয়ার হোসেন ও সোলেমান হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “চোখের সামনে পাইলিংয়ের মাথা ভেঙে সেই পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে, দেখার কেউ নেই। এভাবে কাজ হলে এই ব্রিজ টিকবে তো?

    অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী হাসনাত কবীর দাবি করেন, তারা যা করছেন তা স্থানীয় এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর সম্মতিতেই করছেন। তবে এলজিইডি পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ জামান বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পে পুরনো মালামাল (রি-ইউজ ম্যাটেরিয়ালস) ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। যদি এমন কিছু করা হয়, তবে তা গ্রহণ করা হবে না।

    এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান বলেন, “এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসঙ্গতি মেনে নেওয়া হবে না। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।”
    ​যে করতোয়া নদীতে স্বজন হারিয়েছেন পঞ্চগড়বাসী, সেই নদীর ওপর স্বপ্নের সেতুটি যেন দুর্নীতির কারণে নতুন কোনো ‘মৃত্যু ফাঁদে’ পরিণত না হয়—এমনটাই এখন বোদা ও মাড়েয়া উপজেলার হাজারো মানুষের আকুতি।

  • আশুলিয়ায় এক আসামি গ্রে/ফতার করতে গিয়ে পুলিশ অফিসার নৃ-শংস হামলার শি/কার

    আশুলিয়ায় এক আসামি গ্রে/ফতার করতে গিয়ে পুলিশ অফিসার নৃ-শংস হামলার শি/কার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় মামলার আসামি গ্রেফতারের সময় পুলিশের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় আশুলিয়া থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)সহ দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়নের গোমাইল বাংলাবাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য হলেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম ও এক পুলিশ কনস্টেবল।

    এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে (এসআই) মনিরুল ইসলাম একটি মামলার আসামিকে গ্রেফতারের জন্য গোমাইল বাংলাবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় হঠাৎ করে একদল সন্ত্রাসী তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ হামলায় মারপিটে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। হামলার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অপরাধী যেইহোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পুলিশ বাইপাইলে ২ পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে লাশ ওভার ব্রীজে ঝুলিয়ে রাখে সন্ত্রাসী খুনিরা, আবারও ২০২৬ সালে পুলিশের উপর নৃশংস হামলা মানবাধিকার লঙ্ঘন।

  • আশুলিয়ায় পুলিশ অফিসারের উপর নৃ/শংস হা/মলার ঘটনায় শিহাব হোসেন গ্রে/ফতার

    আশুলিয়ায় পুলিশ অফিসারের উপর নৃ/শংস হা/মলার ঘটনায় শিহাব হোসেন গ্রে/ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বাংলাবাজার এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি ধরতে গিয়ে নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। এ ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে শিহাব হোসেন নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সকাল ১০টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার। এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়ার গোমাইল বাংলাবাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার পুলিশ সদস্য হলেন, আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    গ্রেফতারকৃত শিহাব হোসেন (২২) আশুলিয়ার গোমাইল এলাকার মঞ্জুর আহমেদের ছেলে। তিনি হত্যা মামলার পলাতক আসামি ও স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল শিকদারের শ্যালক বলে জানা যায়। থানা পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দায়ের হওয়া হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা সোহেল শিকদারকে গ্রেফতার করতে গোমাইল বাংলাবাজার বাঁশঝাড় এলাকায় অভিযানে যান। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা এসআই মনিরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত নৃশংস হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হোন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

  • আইন অ/মান্য করে ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ- সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরবতা

    আইন অ/মান্য করে ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ- সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরবতা

    হেলাল শেখঃ সরকারি আইন ও বিধিনিষেধ অমান্য করে মানিকগঞ্জ, ধামরাই, সাভার-আশুলিয়া, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এক শ্রেণীর অসাধু ভূমিখেকো ও মাটি ব্যবসায়ী রাতের আঁধারে কিংবা দিনের আলোতেই কৃষিজমি নষ্ট করে ট্রাকভর্তি মাটি বিভিন্ন ইটভাটা ও ভরাট প্রকল্পে সরবরাহ করছে।

    স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর চাষাবাদ করে আসা উর্বর জমি কেটে নেওয়ায় তারা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জমির উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ভবিষ্যতে সেখানে আর ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করছেন তারা। অনেক ক্ষেত্রে জমির মালিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কিংবা লোভ দেখিয়ে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    বিশেষ করে সাভার-আশুলিয়া, ধামরাই ও গাজীপুর এলাকায় গভীর রাতে ভেকু মেশিন দিয়ে জমি কেটে ডাম্প ট্রাকে করে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে। কোথাও কোথাও খোলা গর্তে পানি জমে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও কৃষিজমি সুরক্ষা আইন থাকলেও কার্যকর তদারকির অভাবে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না। অনেক সময় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিংবা প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এসব কাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল অবিলম্বে অবৈধভাবে ফসলি জমি কাটা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত অভিযান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • আশুলিয়ার বাইপাইল- আবদুল্লাহপুর সড়ক হাজার হাজার অবৈধ অটোরিকশার দ/খলে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নীরব

    আশুলিয়ার বাইপাইল- আবদুল্লাহপুর সড়ক হাজার হাজার অবৈধ অটোরিকশার দ/খলে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নীরব

    হেলাল শেখঃ ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়ক বাইপাইল–আবদুল্লাহপুর সড়ক বর্তমানে হাজার হাজার অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দখলে রয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব অবৈধ যানবাহনের দাপটে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রী, শ্রমজীবী মানুষ ও পথচারীরা।

    সরেজমিনে দেখা যায়, লাইসেন্স ও রুট পারমিটবিহীন অটোরিকশাগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করছে। এতে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচলের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট। ব্যস্ত এই সড়কে প্রায়ই যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে দেখা যায়।
    শুধু অটোরিকশাই নয়, সড়কের দুই পাশের ফুটপাতও দখল করে রেখেছে হকাররা। ফলে পথচারীদের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং অনেককে বাধ্য হয়ে মূল সড়কে নামতে হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা এখানে এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা জানান, একাধিকবার প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের মতে, অবৈধ অটোরিকশা ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বশীলদের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত অবৈধ যানবাহন উচ্ছেদ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

  • গৃহবধূ সুমি দাশ চৌধুরীর আত্মহ/ত্যা এখন হ/ত্যা মামলায় পরিণত ফেঁ/সে গেলেন শশুর শাশুরী ও স্বামী

    গৃহবধূ সুমি দাশ চৌধুরীর আত্মহ/ত্যা এখন হ/ত্যা মামলায় পরিণত ফেঁ/সে গেলেন শশুর শাশুরী ও স্বামী

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর ধোপাখালি এলাকায় গৃহ-বধূ সুমিদাশ চৌধুরীর আত্ম-হত্যা এখন হত্যা মামলায় পরিণত হয়েছে? মেয়ে পক্ষের মামলায় ফেঁসে গেলেন শশুর, শাশুরী ও স্বামী? জানা যায় ঘটনাটি ঘটে ৭ জানুয়ারি ২০২৬ইং তারিখ রোজ বুধবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ শহরের ধোপাখালি এলাকায় । ঘটনার দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে গৃহ-বধূর শাশুরি ভারাটিয়া বাসার চাদের উপর থেকে শোকানো জামা কাপড় আনতে বিল্ডিং এর চাদে যান, সেখান থেকে রুমে এসে দেখেন পুত্র-বধূ সুমি দাশ তার রুমের দরজা বন্ধ করে রেখেছে, তখন শাশুড়ী সুমি দাশকে ডাকতে শুরু করেন। কোন উত্তর না পেয়ে দরজা খুলে দেখেন সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় কাপড় লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় সুমি দাশকে? চিৎকার চেচামেচি করে শাশুরী ও পাশের ঘরের লোকজন তাৎক্ষনিক থাকে কাপড় কেটে নামিয়ে হাসপাতালে বাঁচানোর জন্য নিয়ে আসা হলে ডাক্তার সুমি দাসকে মৃত ঘোষনা করেন, এমনটি জানা যায় সুমি দাসের শাশুড়ী ও আশপাশের মানুষের কাছ থেকে। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান সুমি দাশের শশুর,স্বামীসহ আত্নীয় স্বজনেরা। স্বজনদের কান্নায় বারি হয়ে উঠে হাসপাতালের চারপাশ। কেন সবাইকে কাদিয়ে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন সুমি দাশ ? এটাকি গৃহ-বধূ সুমি দাশের অভিমান ছিল? কার সাথে অভিমান করে অনার্স পড়ুয়া গৃহ-বধূ আত্ম-হত্যার পথ বেঁছে নিলেন? নাকি অন্য কিছু? এই অন্য কিছুটাই কি? এমন প্রশ্নের জন্যই সমাজে তৈরি হয় নানান প্রতিক্রিয়া। এমন ঘটনা ঘটলে কেউবা বলেন আত্ম-হত্যা, আবার অনেকে বলেন হত্যা? আর এসব প্রশ্নের উত্তর খোজঁতে কাজ করেন প্রশাসন। গৃহ-বধূ সুমি দাশের এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করেও সৃষ্টি হয়েছে ঠিক তেমনটি । শশুর বাড়ির লোকদের দাবী সুমি দাশ আত্ম-হত্যা করেছেন? অন্য দিকে মৃত সুমি দাসের বাড়ির স্বজনদের দাবী গৃহ-বধূ সুমি দাশকে হত্যা করা হয়েছে? সুমি দাশের এই মৃত্যু আত্ম-হত্যা, নাকি হত্যা? শশুর, শাশুড়ী, স্বামী মিলে কেন সুমি দাশকে হত্যা করবেন? সুমি দাশের এই মৃত্যু এখন মোড় নিল অন্য দিকে? পোস্টমেটাম রিপোট আশার আগেই প্রাথমিক ভাবে আত্ম-হত্যার ধারণাকে পাল্টে দিয়ে অপমৃত্যু মামলার পরিবর্তে সুমি দাশের স্বজনদের আর্তনাথের দাবীতে ৮ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা রুজু হয়। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার মামলা নং-৯, তারিখ- ০৮ জানুয়ারি, ২০২৬; জি আর নং-৯, ধারা- 302/34 The Penal Code, 1860;
    নি*হতের নাম- সুমি দাশ চৌধুরী (২১), মামলার বাদী হলেন নিহত সুমি দাশের মা বাবলী রানী চৌধুরী (৫০)। আসামীরা হলেন মৃত সুমি দাশের স্বামী ১নং আসামী কিশাল শেখর দাস (২৪), যাকে দেখা গেছে সুমি দাশের মৃত্যুর পর হাসপাতালে সুমি সুমি করে চিৎকার করে কাদঁতে কাঁদতে দুবার হাসপাতালে অসুস্থ হতে এবং ৭ ডিসেম্বর রাতে পুলিশের ডাকে সারা দিয়ে থানায় নিজ ইচ্ছায় ছুটে যেতে, গিয়ে সারারাত সুমি সুমি করে কাঁদতে। সে যদি হত্যা করতো তাহলে পালিয়ে গেলনা কেন ? ২নং আসামী হলেন মৃত সুমি দাশের শাশুড়ী রিপা (৫০), যিনি বলছেন আশপাশের লোকজনদের ডেকে এনে সুমি দাসকে বাচাঁতে চেষ্টা করেছেন এবং হাসপাতালে নিয়ে আসেন তিনি কেন তার আদরের পুত্র বধূকে হত্যা করবেন? তবে মাঝে মধ্যে কিশাল দাস এবং সুমি দাস স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে শশুর শাশুরী ছেলেকেই শাসন করতেন। সুমি দাশকে তারা অনেক আদর যত্ন করতেন বলেও জানান।
    ৩নং আসামী হলেন সুমি দাশের শশুর কুলেন্দু শেখর দাস, যিনি হলেন মোহনা টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, তিনি একজন সাংবাদিক সারাদিন সুনামগঞ্জ পৌর মার্কেটে তার অফিসে নিউজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, ঘটনার দিন সকালে বাসা থেকে বেড়িয়ে অফিসেই ছিলেন সারাদিন, ছেলের বউ আত্ম- হত্যা করেছে খবর পেয়ে বাসায় না গিয়ে সরাসরি হাসপাতালে ছুটে যান এবং সেখানে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি সহকর্মী সকল সাংবাদিকদেরসহ থানা পুলিশকে অবগত করেন। যিনি সারাদিন বাসায় ছিলেন না থাকেও হত্যা মামলার আসামী করা হয়েছে?
    অন্য দিকে মৃত সুমি দাশের ভাই মিল্টন চৌধুরীর দাবী করেন তার বোন সুমি দাশকে হত্যা করেছে শশুর বাড়ীর লোকেরা। তিনি বলেন ১ বছরও হয়নি সুমি এবং কিশাল একজন আরেকজনকে পছন্দ করে বিয়ে হয়েছে। বিবাহের পর প্রায় সময় সুমি দাশের স্বামী কিশাল শেখর সুমিকে মারধর করতো? তিনি আরও বলেন গত কয়েক মাস আগে মারধরের কারনে সুমি দাশকে তাদের নিজ বাড়িতে নিয়ে যান এবং নবীগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা করান গত দুই মাস আগে মিল্টন চৌধুরীর বাড়িতে সুমির শশুর,শাশুড়ী সুমিকে আনতে নবীগঞ্জ দত্ত গ্রামে যান সুমির শশুরও শাশুড়ী বুঝিয়ে সুঝিয়ে সুনামগঞ্জ শশুর বাড়িতে নিয়ে আসেন। মিল্টন আরও বলেন দুই মাস যেতে না যেতেই ৭ ডিসেম্বর সুমির শশুর আমাদের ফোন করে জানান সুমি আত্ম-হত্যা করেছে। খবর পেয়ে আমরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে গিয়ে আমার বোন সুমি দাশের মরাদেহ দেখতে পাই এবং ময়না তদন্ত শেষে ৮ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করি, আমার বোন সুমি দাশের মরাদেহ আমাদের নিজ বাড়ি নবীগঞ্জের দত্ত গ্রামে এনে সুমির মরাদেহ চিতায় না দিয়ে তার লাশ সমাধী করা হয়। আমরা আমার বোনের হত্যার বিচার চাই।
    এব্যপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান খবর পেয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মৃত্যুর আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মেয়ে পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে মৃতের স্বামী অভিযুক্ত কিশালকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পোস্টমেটাম রিপোর্ট আসলেই মৃত সুমি দাশের মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।##

    পর্ব – ১।।

  • বগুড়া শাজাহানপুরে শীতে কম্বল পেয়ে উল্লাসিত ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা

    বগুড়া শাজাহানপুরে শীতে কম্বল পেয়ে উল্লাসিত ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা

    মিজানুর রহমান মিলন
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :
    শীতের কনকনে ঠান্ডায় উষ্ণতার পরশ পেয়ে আনন্দে মুখর হয়ে উঠেছে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বেজোড়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে অবস্থিত ছামচুন-জয়গুন মাদ্রাসার প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শীতার্ত ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।
    দূর জার্মান প্রবাসী মানবিক বন্ধু সৈয়দ শাকিলের আর্থিক সহযোগিতায় এসব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) সৈয়দ শাকিলের পক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে কম্বল তুলে দেন বগুড়া শহর শাখার ১৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মোত্তালেব সরকার বাদল।
    কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বগুড়ার সহকারী পরিচালক গোলাম মোর্তজা, প্রশিক্ষক শাহ্ আলম আব্দুল্লাহ্, শাজাহানপুর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম কাজিনুর, রোটারিয়ান মেছবাউল আলম, বেজোড়া দক্ষিণপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, এক্সট্রা মহরার এসোসিয়েশন শাজাহানপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোস্তফা গোলাপ।
    ছামচুন-জয়গুন মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং মুঞ্জুরুল করিমের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক করতোয়া এবং দৈনিক ইনকিলাবের শাজাহানপুর উপজেলা সংবাদদাতা সাজেদুর রহমান সবুজ, সমাজসেবক খলিলুর রহমান, শিক্ষিকা নাজনীন আক্তার ও লাভলী আক্তার, সাংবাদিক রমজান আলী রঞ্জু, প্রামাণিক রতনসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
    বক্তারা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এমন মানবিক উদ্যোগ শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং মানবিক সমাজ গঠনে অনুপ্রেরণা জোগায়।
    উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ছামচুন-জয়গুন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি প্রতিবছর শীত মৌসুমে এ মাদ্রাসার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিয়মিত শীতবস্ত্র বিতরণ করে আসছেন জার্মান প্রবাসী সৈয়দ শাকিল। তাঁর এই ধারাবাহিক মানবিক সহায়তায় তিনি এ এলাকার মানুষের কাছে এক অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

  • ঐতিহাসিক প্রাচীন রাজা গনেশের নিদর্শন সংরকক্ষনের অভাবে বি/লুপ্তির পথে

    ঐতিহাসিক প্রাচীন রাজা গনেশের নিদর্শন সংরকক্ষনের অভাবে বি/লুপ্তির পথে

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর উপজেলার ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের গড়ভবানিপুর মৌজায় অবস্থিত ঐতিহাসিক প্রাচীন রাজ চব্বিশ পরগনা জেলার ভাতুরিয়া রাজা গণেশের বসতভিটা, গড়, পুকুর ও দুটি নদসহ সকল নিদর্শনসমূহ সংরক্ষনের অভাবেই এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।

    জানাযায়,ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা থেকে প্রায় ৭ কি.মি দূরত্বে ভাতুরিয়া রাজা গণেশের ঐতিহ্য ও নিদর্শনসমূহ।এখান থেকে মাত্র ১-২ কি.মি দূরত্বে ভারত সীমান্তে কাটাতারের বেড়া। তার শাসনকাল ছিল ১৪১৪ খ্রিঃ থেকে ১৫১৫ খ্রিঃ পর্যন্ত।পরবর্তীতে রাজা গণেশের পত্র যুদু রায় তার শাসন আমল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ শত বছর অতিবাহিত হতে চলেছে। অথচ এ সময়ের মধ্যে সরকারি ভাবে কখনই রাজা গণেশের বসতভিটা, গড়, পুকুর ও নদের সংস্কার বা রক্ষানাবেক্ষনের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি শুধু ইতিহাসের পাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সীমান্তবর্তীর এলাকায় এর অবস্থান হওয়ার কারণে এটি সরকারের দৃষ্টিতে পড়ছে না। প্রায় ৫০ একর জমিতে রয়েছে রাজা গণেশের বাড়ি, নদ ও পুকুর। কালের বিবর্তনে এখন তার বাড়ির ভিটারও অস্থিত্ব খুজে পাওয়া দূস্কর হয়ে পড়েছে। এখানে একটি বিশাল গড় রয়েছে। রাজা গণেশের বাড়ির দুপাশে দুটি নদ ছিল। এ নদের উৎপত্তি ছিল কুলিক নদী থেকে। সেগুলোও ভরাট হয়ে গেছে। এ নদ দুটি সংস্কার করে পূনরুজ্জীবিত করলে কৃষিখাতে ব্যাপক সাফল্য ঘটবে। গড়ের পাশে ত্বন্নীদিঘী নামারে ১০ একরে বিশাল পুকুর,পুকুরটির চতুর পার্শ্বে ৭৫ ফিট প্রস্ত বিশিষ্ট মাটির প্রাচির দ্বারা ঘেড়া ছিল। সংস্কারের অভাবে শুষ্ক মৌসুমে পুকুরের পানি থাকে না।এই পুকুরে চতুর পাশ্ব দিয়ে রাজার ঘোড়া দৌড়ের প্রশিক্ষন দিত বলে জানা গেছে। তবে পুকুরের মধ্যে এক অংশে অলৌকিক একটি বিশাল শাল কাঠের খুটিঁ এখনও বিদ্যমান রয়েছে এর পিছনে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনার কল্প কাহিনী। পুকুরের পূর্বপাড়ে রয়েছে শাহাজালাল কুতুবে আলম পীরের মাজার। মাজারের সংলন্ম বর্তমানে রয়েছে বিশাল এক কবরস্থান, সেই কবর স্থানের বর্তমান নামকরণ করা হয়েছে তন্নিদিঘী পারিবারিক কবরস্থান। কবরস্থানের পূর্ব-দক্ষিণে প্রায় ৩শত গজ দূরে রয়েছে শাহা তিসতিয়া পীরের মাজার। কবরস্থানের পূর্বে রয়েছে প্রাচীনতম অজ্ঞাত নামা একটি কবর, কবরস্থানের দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে আরো একটি প্রাচীনতম কবর যা আজও বিরাজ মান। ১৯৯০ সালে ঐ পুকুর পাড়ে ৩৮টি পরিবারে নিয়ে একটি গুচ্ছগ্রাম তৈরি করে সরকার। কিন্তু এসকল বিষয়ের দেখভালের কেউ না থাকায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক রাজা গণেশের গড়।