Blog

  • আগৈলঝাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে রক্তদান ও বরিশাল(ROB)এর বৃক্ষরোপন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত

    আগৈলঝাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে রক্তদান ও বরিশাল(ROB)এর বৃক্ষরোপন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    রক্তদানের অপেক্ষায় বরিশাল (ROB) সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্দ‍্যগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার ৩নং বাগধা ইউনিয়ন এর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ROB সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ শাহাদাত হোসেন এর তত্বাবধানে ৪০০টি ফলজ ও বনজ চারা গাছ বিতরন করা হয়েছে। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাগধা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম‍্যান আইউব আলী মিয়া’এবং বরিশাল বিভাগের স্বর্নপদক প্রাপ্ত বর্তমান চেয়ারম‍্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি।বাগদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাটির সভাপতিত্বে বাগধা ইউনিয়নের ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং একটি স্থানীয় সেচ্ছাসেবী সংগঠন এর নিকট ৪০০টি ফলজ ও বনজ চারা গাছ হস্তান্তর করা হয়েছে।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা সাংগঠনিক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোজাম্মেল হক হাওলাদার, বাগধা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আমিনুল ইসলাম তাজ, ইউনিয়নের জন প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বারপাইকা আল-মদিনা যুব ফাউন্ডেশন, গন‍্যমান‍্য ব‍্যাক্তিবর্গ ও কোমলমতি শিক্ষার্থী প্রমুখ।

  • খাগড়াছড়িতে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিরসনে সচেতনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    খাগড়াছড়িতে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিরসনে সচেতনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়িতে জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নিরসনে সচেতনতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (০৯জুলাই) সকাল ১১টার সময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

    এসময় পুলিশ সুপার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে যেভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সেটা অর্থনৈতিক ও কৃষি হোক অথবা অন্যান্য যে কোন সেক্টরের হোক আমাদের সুনাগরিক হিসেবে সে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অন্যান্য নেতিবাচক যে সমস্ত কর্মকাণ্ড আছে প্রতিহত করার জন্য আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। আইন-শৃঙ্খলার একজন সদস্য হিসেবে বলতে পারি যে আমি ব্যক্তিগতভাবে কাজ করলে হবে না আমরা সবাই মিলে কিন্তু এই দেশকে সোনার বাংলা ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলবো।

    তিনি আরো বলেন, আমি একটি বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই আমরা যে সম্প্রীতির মধ্যে খাগড়াছড়ি জেলার সবাই একত্রে বসবাস করছি সে সম্প্রীতির মিলবন্ধন বজায় থাকবে।

    এসময় সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ খলিলুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ সহিদুজ্জামান।বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম দিদার, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা ইসলাম, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান প্রমুখ।

    আলোচনায় সভায় জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং এতিমখানা’র ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা অংশ নেন।

  • বন্যা পরবর্তী শিশুদের মধ্যে শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে 

    বন্যা পরবর্তী শিশুদের মধ্যে শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে 

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের উদ্যোগে 

    বন্যা পরবর্তী শিশুদের মধ্যে শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। 

    মঙ্গলবার (৯জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেহেরু নিগার তনুর সভাপতিত্বে উপস্থিত হয়ে, ইউনিয়ন ওয়ারী মনোনীত শিশুদের নামের তালিকা মোতাবেক ১৬৬ জন অভিভাবকদের মধ্যে এই শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়।

    খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চিনি, বিস্কুট, সুজি, মসুর ডাল, সাগু, সোয়া বিন তেল, ও ব্রাউন চাউল।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আম্বিয়া আহমদ, সমবায় কর্মকর্তা মো.মোফাজ্জল হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারী মো. আজাদুর রহমান, মো. ফরিদ মিয়া প্রমুখ।

  • এনবিআর কর্মকর্তা এনামুলের কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান

    এনবিআর কর্মকর্তা এনামুলের কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান

    হেলাল শেখঃ এনবিআর কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক। ফেনীর সোনাগাজীতে এনবিআর কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হকের কোটি টাকার সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তিনি সিলেটের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার হিসেবে কর্মরত। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলার পর আলোচনায় আসেন এনবিআরের এই কর্মকর্তা। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ফেনীর সদর ইউনিয়নের মনগাজী হলেও নতুন করে বাড়ি করেন পৌরসভার তুলাতলী এলাকায়।

    আজ মঙ্গলবার ওই এলকায় সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, তাদের এলাকায় চারপাশে বাউন্ডারি দেওয়া চারটি বহুতল ভবন রয়েছে এনামুলের। যেগুলোর একটি পাঁচতলা, একটি দোতলা, আর দুটি তিনতলা বিশিষ্ট ভবন। তৃতীয় তলা বিশিষ্ট নুরে জান্নাত ভবনটি মেয়েকে দিয়েছেন এনামুল। সেখানে বাসা ভাড়ার খোঁজে গেলে বাড়ির কেয়ারটেকার জানান, এ সকল সম্পত্তির দেখাশোনা করেন এনামুলের ভগ্নিপতি শরিফ।

    ফেনীর সোনাগাজিতে এনবিআর কর্মকর্তা এনামুল হকের সম্পত্তি। এ ছাড়াও সোনাগাজীর হাজী স্ট্যান্ড নামক এলাকায় ১২০ শতকের বাউন্ডারি দেওয়া জায়গা রয়েছে। যে সম্পত্তির বর্তমান মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি চাকরি করে এত টাকার জমি ক্রয় অবৈধ উপায় ছাড়া সম্ভব নয়। হঠাৎ এতসব সম্পত্তির মালিক বনে যাওয়া নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

    এনামুলের মায়ের ভাষ্যমতে, সোনাগাজীর চরখোন্দকার মৌজার ১২০ শতাংশ সম্পত্তি ছাড়াও থাক খোয়াজ লামছিতে আছে ১২০ শতাংশ। যেটিতে ১০-১২টি সুবিশাল দিঘী রয়েছে। 

    এনবিআর কর্মকর্তা এনামুলের বহুতল বিশিষ্ট ভবন। এনামুলের মা ছলেয়া বেগম বলেন, ‘হের টেকাটা তো ওইভাবে আইছে। টেকার ডকুমেন্ট আছে না, আপনে কত দিছেন, ওই কত দিছে, বিদেশওয়ালা কত দিছে, দেশওয়ালারা কত দিছে। চিটাগংয়ে বাড়ি করছে, সেইটা সাড়ে ৩ কোটি টাকা বেচছে। আরও কিছু জায়গা হারাইছে-টারাইছে। হেতে (এনামুল) কি করে হেতে জানে।’

    এনামুলের সম্পত্তি দেখাশোনা করেন তাঁরই ভগ্নিপতি শরিফ। এ বিষয়ে জানার জন্য সরেজমিনে গেলে শরীফ কথা বলতে রাজি হননি।

    এ নিয়ে এনামুলের প্রতিবেশী ও সোনাগাজী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর নুরুনবী লিটন বলেন, ‘এনাম ভাই আমার নিকটতম প্রতিবেশী। ভালো জানাশোনা আমাদের নাই। এলাকায় আসা-যাওয়া না করার ফলে তাঁর সাথে কারও সে রকম যোগাযোগ নাই। উনার সম্পত্তি আসলে কীভাবে, কার মাধ্যমে কিনেছেন নির্দিষ্ট করে বলা আমার পক্ষে কঠিন। তবে দুই-চার বছরের মধ্যে উনি ২-৪টি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। সেটি উনার ভগ্নিপতিকে দেখাশোনা করতে দেখেছি। উনার বিভিন্ন জায়গায় যে অঢেল সম্পত্তি কীভাবে কার মাধ্যমে কিনেছেন তা আমি জানি না।’

    ফেনীর সোনাগাজীতে এনবিআইর কর্মকর্তা এনামুলের দুইটি দোতলা বাড়ি। কাউন্সিলর আরও বলেন, ‘দুর্নীতির মাধ্যমে উনার অর্জিত সম্পত্তি দেখে আমরা অবাক, লজ্জিত, হতাশ ও ক্ষুব্ধ। আমরা চাইব এনাম ভাই হোক, মতিউর কিংবা যে কেউ হোক, সকল দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি হোক।’

    উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় এনবিআর কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হকের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেন ঢাকার একটি আদালত। গত বছরের ৩১ জুলাই এনামুলের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা অবৈধ আয়ের অভিযোগে মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম। চলতি বছরের ৫ জুন এ মামলায় কমিশনারেট অব কাস্টমস ভ্যালুয়েশন অ্যান্ড ইন্টারনাল অডিটের সাবেক কমিশনার এনামুলের সব স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত।

  • পটিয়ায় ভূয়া ডাক্তার সেজে প্রতারণা! হাতে নাতে ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট

    পটিয়ায় ভূয়া ডাক্তার সেজে প্রতারণা! হাতে নাতে ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট

    মহিউদ্দীন চৌধুরী (পটিয়া) চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।

    চট্টগ্রামের পটিয়ায় দীর্ঘ ৪ বছর ধরে স্ত্রী, প্রসূতি ও শিশুরোগের ডাক্তার পরিচয়ে উপজেলার শান্তির হাটে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন তাহেরা বেগম(৪৪)। নিয়মিত চেম্বার পরিচালনা করে প্রতিদিন রোগী প্রতি নিতেন ২শ টাকা। ডাক্তার না হয়েও ডাক্তারের পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ভুল চিকিৎসা করে আসলেও অধরায় ছিলেন তিনি। অবশেষে আর রক্ষা হলোনা তার। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুলাই) গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্লাবণ কুমার বিশ^াস অভিযান পরিচালনা করে হাতে নাতে ধরেন ভূয়া ডাক্তার তাহেরা বেগমকে। গ্রেফতারকৃত তাহেরা বেগম উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের সাততেতৈয়া এলাকার মৃত নুরুজ্জামান এর কন্যা। এসময় তার কাছ থেকে একটি মুচলেখা ও মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৯(১) ধারা লঙ্গনের অপরাধে উক্ত আইনের ২৯(২) ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
    এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্লাবণ কুমার বিশ^াস জানান, আমাদের কাছে তথ্য ছিল তাহেরা বেগম ডাক্তার না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী, প্রসূতি ও শিশুদের চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছেন। তিনি নিজেকে আর.এমপি(ঢাকা), ডি.এম.এস (ঢাকা). এম.ডবিøউ জে.আর.সি.এম.এইচ), ও.পি.ডি, ইনচার্জ জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল, আন্দরকিল্লা এর পরিচয় দিয়েছেন। আমরা তাকে হাতে নাতে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করি প্রথমে শিকার না করলেও পরে তিনি শিকার করেন তিনি একজন ভূয়া ডাক্তার। তার কাছে কোন প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট নেই। যেহেতু তিনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এ কাজ করছেন তাই ভবিষ্যতে সে যাতে এই ধরনের কাজ আর না করে তার জন্য একটি মুচলেখা ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা করি। অভিযান পরিচালনাকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ডাক্তার সাজ্জাদ ওসমান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ শাহে এমরান, উপজেলা ভূমি অফিসের পেশকার সুদীপ্ত দাশ ও পটিয়া থানার এস আই ইয়াছিন মাহমুদ ও এনএসআই চট্টগ্রাম জেলার একটি টীম।

  • নীলফামারী জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক  মিডিয়ার সাংবাদিক এর সাথে  নবাগত পুলিশ সুপারের  মতবিনিময়

    নীলফামারী জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক  মিডিয়ার সাংবাদিক এর সাথে  নবাগত পুলিশ সুপারের  মতবিনিময়

    মো: হামিদার রহমান  নীলফামারী:-

    ৯ই জুলাই ২০২৪  মঙ্গলবার  সকাল ১১ ঘটিকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কনফারেন্স রুমে নীলফামারী জেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে নবাগত পুলিশ সুপার জনাব  মোকবুল হোসেন, এর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এবিএম মঞ্জুরুল আলম সিয়াম, সভাপতি, প্রেসক্লাব, নীলফামারী; নুর আলম, সাধারণ সম্পাদক, প্রেসক্লাব, নীলফামারী;  হাসান রাব্বি প্রধান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, প্রেসক্লাব, নীলফামারী;  আল-ফারুক পারভেজ উজ্জল, সভাপতি, জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি, নীলফামারী; বাংলদেশ প্রেসক্লাব নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি  আব্দুল বারী সহ নীলফামারী জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) নীলফামারী; মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) নীলফামারী;  মোস্তফা মঞ্জুর, পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নীলফামারী সার্কেল) নীলফামারী সহ জেলা পুলিশ নীলফামারীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ভরা বর্ষা মৌসুমে নেই চারঘাট বড়াল নদীতে পানি

    ভরা বর্ষা মৌসুমে নেই চারঘাট বড়াল নদীতে পানি

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট (রাজশাহী) :

    ভরা বর্ষা মৌসুমে নেই চারঘাট বড়াল নদীতে পানি। পানির প্রবাহ না থাকায় নদীপাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকা এখন হুমকির মুখে। এক সময় বর্ষা মৌসুমে স্থানীয় জেলেরা মাছ ধরে বা নৌকা বেয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। কিন্তু বর্তমানে বড়াল নদীতে পানি না থাকায় জেলেরা অনেকেই কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এমনকি পেট চালানোর দায়ে বিকল্প পেশার দিকে ধাবিত হচ্ছে।

    বিগত বছরগুলোতে আষাঢ় মাসে বড়াল নদীতে বন্যার পানি প্রবেশ করলেও চলতি বর্ষা মৌসুমে বড়াল নদীতে কোন পানি আসে নি।ফলে নদীর বুকে ধু ধু বালুর চর এবং সবুজ ঘাসে ভরে আছে।

    বড়াল নদীর বুকে মাইলের পর মাইল জেগে উঠেছে বিশাল বালুচর। নদীতে নেই কোনো পানি, নেই কোনো গভীরতা। রবিশস্য মৌসুমে এলাকার কৃষকরা জেগে ওঠা চরে ইরি-বোরো ধানের ফসল করছেন এবং নদীর দুইপাড়ে সরিষা, মসুর সহ রবিশস্য ফসল উৎপাদন করছে। এক সময় আষাঢ় মাসে নদীর তীরবর্তী জেলেরা নতুন পানিতে আসা রেনু পোনা মাছ বা বড় মাছ এগুলো ধরে বিক্রয় করে সারাবছরের খাবার ঘড়ে তুলতো কিন্তু বর্তমানে নদীতে পানি না আসায় কর্মহীন হয়ে বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে।

    নদীর বুকে এখন কৃষিজমি। চাষাবাদ হচ্ছে ধান, গম, ভুট্টা, বাদামসহ বিভিন্ন ফসল। পর্যাপ্ত পানি না থাকায় হুমকীর মুখে পড়েছে জলজ প্রানীসহ জীব-বৈচিত্র্য।

    নদী পাড়ের কৃষক কামাল উদ্দিন বলেন, নদীর গভীরতা কমে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে নদীর দু’কূল ছাপিয়ে পানির প্রবাহিত হলেও শুকনো মৌসুমে পানি অভাবে নানা সমস্যায় পড়ছেন নদী পাড়ের মানুষ।

    ঝিকরা গ্রামের জেলে মদন কুমার বলেন, বর্তমান নদীর পানি না থাকায় আমরা খুব কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করছি।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আল মামুন হাসান বলেন, বড়াল নদীর বুকে এবং দুইপাড়ে ইরি বোরো ধান সহ রবিশস্য ৩৫০ বিঘা জমিতে ফসল উৎপাদন হয়। বড়াল নদীতে পানি না থাকায় এলাকাবাসী যেমন ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে অপর দিকে রবিশস্য মৌসুমে ফসল উৎপাদন করে কৃষকরা উপকৃতও হচ্ছে। 

    এ ব্যাপারে চারঘাট উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লা মোল্লা বলেন, বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি ঢোকার সাথে সাথে এলাকার জেলেরা রেনু পোনা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতো। বর্ষার পানিতে বিভিন্ন ধররেন ছোট থেকে বড় মাছ মেরে বাজারে বিক্রি করে তাদের সংসার চালতো।

    নাটোর প্রানী উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বড়াল নদী দীর্ঘদিন থেকেই বালীতে ভরাট হয়ে আসছে তাতে বড়াল নদীর মুসাখাঁ নদী ও নারদ নদী পানির প্রবাহ একে বারে বন্ধ হয়ে গেছে ফলে এই শাখা নদী দুটো প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন পুনঃখননের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রকল্পের চাহিদা পাঠালেও ওখানে বরাদ্দ না থাকায় পুনঃখনন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে চলতি অর্থ বছরে একটি প্রকল্প বরাদ্দের সম্ভাবনা রয়েছে। যদি প্রকল্পটি পাওয়া যায় তাহলে চলতি অর্থ বছরে শুষ্ক মৌসুমে খনন করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী। 

  • পটিয়ায় অবৈধ বালু মহাল বন্ধের দাবি স্থানীয়দের

    পটিয়ায় অবৈধ বালু মহাল বন্ধের দাবি স্থানীয়দের

    মহিউদ্দিন চৌধুরী।।
    পটিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি॥ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের হিলচিয়া গ্রামে অবৈধভাবে গড়ে উঠা বালু মহাল বন্ধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।
    এবিষয়ে গত ৭ জুলাই স্থানীয় এমপি উপজেলা প্রশাসন বরাবরে স্থানীয়রা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জানা যায়, উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড হিলচিয়া গ্রামের চামুদরিয়া বাজার সংলগ্ন খাল ব্যবহার করে ড্রেজার দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মৃত অলি আহম্মদের পুত্র মো. এরশাদ প্রকাশ বালু এরশাদ সহ তার সঙ্গীরা ট্রাক করে বালু উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে আসছে। হিলচিয়া গ্রামের একমাত্র চলাচলের পথ চামুদরিয়া বাজার হতে হিলচিয়া হিন্দু পাড়া সড়কের উপর স্ক্যাভেটর রেখে ড্রেজারের বালু আনলোড ও ট্রাক ভর্তি করা হচ্ছে। ৩০-৪০টি ট্রাক প্রতিদিন যাওয়া আসার ফলে সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী সহ ৫ হাজারেরও বেশি লোকের চলাচলের অন্যতম এ সড়ক নিয়ে বেগ পেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত সকলকে। স্থানীয় চেয়ারম্যান এহসানুল হক জানান, সাবেক এমপির ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে মো. এরশাদ অভৈধভাবে মাটি কাটা ও বালু মহাল নিয়ন্ত্রন করে আসছিল। স্থানীয়দের চলাচলের পথে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে আসছে। তাকে বিভিন্ন সময় সতর্ক করলে কিছুদিন বন্ধ রাখার পর পুনরায় শুরু করে। এবিষয়ে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্লাবণ কুমার বিশ^াস বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। স্থানীয়দের ক্ষতিসাধন হয় এমন কোন কর্মকান্ডে কেউ লিপ্ত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বেনাপোল ৯ টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারি আটক

    বেনাপোল ৯ টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারি আটক

    আজিজুল ইসলামঃ বেনাপোলের দৌলতপুর  সীমান্তে ৯টি স্বর্ণের বারসহ মনোয়ার হোসেন  (৫০) নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।

    মঙ্গলবার ভোরে ভারতে পাচারের সময় তাকে আটক করা হয়। আটক মনোয়ার হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর গ্রামের মৃত রবিউল হোসেনের ছেলে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  দৌলতপুর গ্রামের সীমান্তবর্তী ধগলীর মাঠে বিজিবি জোয়ানরা অবস্থান নেয়।  সন্দেহ ভাজন এক ব্যাক্তি বিজিবির  নিকটবর্তী আসলে তারা মনোয়ার হোসেনকে আটক করে। পরে মনোয়ারের হাতে থাকা লাল রংগের একটি ব্যাগ তল্লাশী করে ১ কেজি ৬৮ গ্রাম ওজনের ৯ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য এক কোটি আট লক্ষ ছিয়াশি হাজার একশত চব্বিশ টাকা।

    খুলনা ২১ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্নেল মোহাম্মাদ খুরশীদ আনোয়ার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,  উক্ত স্বর্ণের বারগুলো যশোর ট্রেজারী অফিসে জমা দেয়া হয়েছে।  এবং আসামীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্থান্তর করা হয়েছ।

  • মুন্সীগঞ্জে শ্রমিক লীগ নেতাকে পিটানোর অভিযোগ আ.লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে

    মুন্সীগঞ্জে শ্রমিক লীগ নেতাকে পিটানোর অভিযোগ আ.লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    মুন্সীগঞ্জে
    চাঁদা না দেয়ায় শ্রমিক লীগ নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে । সোমবার সন্ধ্যা সদর উপজেলার পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকায় এই মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে মারধরের শিকার সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি রুহুল কুদ্দুস ফরাজিকে (৪৭) কে গুরুতর অবস্থায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিনি পশ্চিম মুক্তারপুরের মৃত আকবর আলী ফরাজির ছেলে৷

    আহত শ্রমিক লীগ নেতা রুহুল কুদ্দুস ফরাজি বলেন,গত কয়েকদিন পূর্বে আমার আপন বড় ভাই আলু ব্যবসায়ী আব্দুল করিম ফরাজির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে পঞ্চসার ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল হোসেন। পরে চাঁদা দাবির বিষয়ে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগ তুলে নিতে আজ সোমবার সন্ধ্যায় আমার উপর অর্তকিত হামলা চালিয়ে মারধর করে আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল হোসেন ও তার সাথে থাকা ২০ থেকে ২৫ জন সন্ত্রাসী। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে৷ বর্তমানে আমিও আমার পুরো পরিবার চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    তবে চাঁদাদাবি ও মারধরের বিষয়টি জানানেই দাবি করে অভিযুক্ত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, উদ্দেশ্যমুলক ভাবে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
    চাঁদাদাবির অভিযোগের তদন্তকারী সদর থানার এস আই হাকিম বলেন,চাঁদাদাবির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।

    মারধরের ঘটনাটি শুনেছি তবে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম।