Blog

  • চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে সংঘটিত পল্টন হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ ও খুনি সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২৫) বিকেল সাড়ে ৪ টায় চারঘাট মডেল মসজিদ থেকে চারঘাট বাজার হয়ে চারঘাট উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনতার স্বতঃফুর্ত অংশগ্রহণে এই ঐতিহাসিক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সফল ভাবে শেষ হয়।

    চারঘাট উপজেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আইয়ুব আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুল হক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলা শাখার সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওঃ মোঃ শফিকুল, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ শোয়েব আলী, রাজশাহী জেলা পূর শিবিরের সভাপতি মোঃ রুবেল আলী, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত চারঘাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ তরিকুল ইসলাম, চারঘাট উপজেলা শিবিরের সভাপতি নাহিদ হাসান শুভ।

    আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ শেরে আলম সহ উপজেলা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ এবং পৌরসভা ও ইউনিয়ন সমূহের আমীর, সভাপতি ও সেক্রেটারি গণ সহ উপজেলা জামায়াত ও শিবিরের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনতা।

    উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি সহ সম্মানিত অতিথিবৃন্দ বলেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের লগি-বৈঠার তান্ডবে প্রিয় মাতৃভূমি রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হয়েছিল। ইতিহাসের সেই বর্বরতম অধ্যায়কে বর্তমান প্রজন্ম মনে রেখেছে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই অবিলম্বে পল্টন হত্যাকান্ডে জড়িত সকল খুনি ও সন্ত্রাসীদের বিচার করুন। তিনি বলেন, ইসলামের দুশমনরা মাসুম, শিপন, মুজাহিদদের হত্যা করে ইসলামী আন্দোলনের কাজকে বন্ধ করে রাখতে পারেনি। ওরা নেই, আরো মুজাহিদ এগিয়ে আসছে ওদের শূন্যস্থান দখল করার জন্য। আল্লাহর পথে বাধা দিতে গিয়ে তারাই ধ্বংসের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে ফেরাউন ও নমরুদের মতো। এর বাস্তব প্রমাণ হলো ৩৬ শে জুলাই বিপ্লব।

    যা ছাত্ররা প্রতিবাদ করে এবং তা গণবিপ্লবে রূপ নেই। আগামীতে আর যেনো কোন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরচার না আসতে পারে এজন্য আগামীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জুলাই সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃত, চৌদ্দ দল নিষিদ্ধ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী, বিগত ফ্যাসিষ্টদের বিচার নিশ্চিত করা সহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

    সম্মানিত প্রধান অতিথি ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের সকল শহীদ, পঙ্গুত্ব বরণকারীর জন্যে দোয়া করার পাশাপাশি জুলাই-আগষ্টের শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের চেতনা বুকে লালন করে দেশের স্বাধীনতা ও সারভৌমত্ব রক্ষায় আগামী দিনে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সকলের জন্য মহান রবের নিকট কল্যান কামনা করেন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী ।

  • পুঠিয়ায় জামায়াতের বিক্ষো-ভ  মিছিল বিচার দাবি ও স্মরণ স-ভা অনুষ্ঠিত

    পুঠিয়ায় জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল বিচার দাবি ও স্মরণ স-ভা অনুষ্ঠিত

    পুঠিয়া,( রাজশাহী)  প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল, বিচার দাবি, ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৪:৩০ মিনিটে পুঠিয়া পিএন স্কুল মাঠে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনে জামায়াত নেতা-কর্মীদের নিহত হওয়ার ঘটনার বিচার দাবি এবং শহীদদের স্মরণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    পুঠিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মন্জুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী জেলার সহকারী সেক্রেটারি ও পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নুরুজ্জামান লিটন। বিশেষ অতিথি জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহমদূল্লাহ রাজশাহী জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ হাফিজুর রহমান উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা শহীদুল ইসলাম এবং সেক্রেটারী জেনারেল মুনসুর রহমান মুন্টু এবং ইউনিয়ন আমীরগণসহ দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সমাবেশে প্রধান রাজশাহী জেলার সহকারী সেক্রেটারি ও পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, “২০০৬ সালের এই দিনে পল্টনে যে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, তার বিচার আজও হয়নি। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি এবং সেই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।”

    পিএন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড প্রদক্ষিণ করে ত্রিমোহনী মসজিদের সামনে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।#

     
    মাজেদুর রহমান( মাজদার) 
    পুঠিয়া, রাজশাহী।

  • নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থানান্তরের পা-য়তারা

    নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থানান্তরের পা-য়তারা

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিমালা অমান্য করে অতি-গোপনে নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র (২৫শতাধিক ভোটার) স্থানান্তর করার অভিযোগ করেছে স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসী।
    নির্বাচনী পরিপত্র-মতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ (পরবর্তী সময়ে সংশোধিত) আইনে উল্লেখ জনগণকে অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তর করা নির্বাচনী আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে “পশ্চিম সাপখাওয়া, মন্দিসেরখামার, সাপখাওয়া, সরকারটারী ও মধুরহাল্লা” মহল্লার ২৫শতাধিক ভোটার দেশ স্বাধীনতার পর থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করে আসছিলো। নাগেশ্বরী উপজেলার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ অতি-কৌশলে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সাথে যোগসাজস করে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসারের সহায়তায় পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি, ভোটারদের বিশৃঙ্খলা তৈরি করাসহ আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন করে প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের নবাগত এমপিওভুক্ত মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করার পায়তারা চলছে। এ নিয়ে চলছে পশ্চিম সাপখাওয়াসহ ৫ মহল্লার নারী ও পুরুষ ভোটারদের মাঝে চরম উত্তেজনা। এলাকার ভোটারের দাবি পূর্বের ন্যায় পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র বহাল রাখার।

    স্থানীয় ভোটার ও অভিযোগকারী প্রভাষক এস এম হাবিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আঃ কাদের, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, হাবিবুর রহমান সরকার, খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আমরা এই ৫ গ্রামের বাসিন্দারা পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে আসছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের মাস্টার প্লানে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্রে না আসে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী বিধিবালা লঙ্ঘন করে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের পায়তারা করছে। প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাটি” মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের ষড়যন্ত্র চলছে এবং ৩কিলোমিটার দূরত্বর কারণে বৃদ্ধ ও মহিলাদের ঐ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়া একেবারে অসম্ভব। এছাড়াও এই এলাকা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সুপরিচিত। নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিবালা অমান্য করে নিজ স্বার্থ হাসিলে ভোট কেন্দ্রটি স্থানান্তরের পায়তারা করছেন। আমাদের দাবি ভোট কেন্দ্রটি পূর্ণবহাল রাখতে হবে। অন্যথায় আমরা ৫গ্রামের মানুষ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করবো। তারা আরো বলেন, গত-২২অক্টোবর ২০২৫ তারিখে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার, নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক লিখিতভাবে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত সুস্থ সমাধান হয়নি।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর প্রক্রিয়াধীন। ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি ও জনগণকে অবগত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন করতে জনগণের মতামতের প্রয়োজন নেই।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, ৬/৭জন রাজনৈতিক নেতাদের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। নির্বাচন অফিসার ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে এবং ভোটারদের কোন অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের অভিযোগ পেয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    নাগেশ্বরী পৌর বিএনপির সদস্য আজিজুল হক বলেন, ইউএনও অফিসে ভোট কেন্দ্র বিষয়ে কোন আলোচনার বিষয়ে আমি জানিনা। বাংলাদেশ জামাত ইসলামী নাগেশ্বরী উপজেলা আমির আব্দুল মান্নান বলেন, ভোটকেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিন্তু স্থানান্তরের বিষয়ে কোন আলোচনা হয়নি। ইসলামী আন্দোলনের কুড়িগ্রাম ১ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব আরিছুল বারী রনি বলেন, ভোট কেন্দ্র বিষয়ে আমার সঙ্গে কোন আলোচনা হয়নি।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, অভিযোগ হওয়ার পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে লিখিতভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জনগণকে অবগত না করে ভোট সেন্টার স্থানান্তরের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ শুনলাম। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • পঞ্চগড়ে পি-স্তল, গু-লি ও ফে-নসিডিল উদ্ধার

    পঞ্চগড়ে পি-স্তল, গু-লি ও ফে-নসিডিল উদ্ধার

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি: 

    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১টি দেশিয় তৈরি পিস্তল,২ রাউন্ড গুলি ও ৬ বোতল ফেনসিডিল।সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পঞ্চগড়ের পরিদর্শক এ এস এম মঈন উদ্দিন কবির জানান,নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিব আলীর নেতৃত্বে এনএসআই ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ দলটি অভিযান চালায়। লক্ষ্যস্থল ছিল সোনাপাতিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত দবির উদ্দীনের ছেলে আব্দুল কুদ্দুসে (৪০) এর বাড়ি।

    তল্লাশির সময় বাড়ির পূর্ব পাশের একটি ঘড়ির ঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় দেশি পিস্তল, ২টি গুলি ও ৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস পলাতক ছিলেন।

    পরিদর্শক মঈন উদ্দিন কবির বলেন,দীর্ঘদিন ধরে কুদ্দুস ওই এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় জড়িত এমন তথ্য আমাদের কাছে ছিল।সেই সূত্র ধরেই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য জব্দ করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে ২টি পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুদ্দুস দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে, যাতে জেলার অপরাধচক্র পুরোপুরি নির্মূল করা যায়।

  • চলন্ত বিআরটিসি বাসে অ-গ্নিকাণ্ড অল্পের জন্য র-ক্ষা পেল যাত্রীরা

    চলন্ত বিআরটিসি বাসে অ-গ্নিকাণ্ড অল্পের জন্য র-ক্ষা পেল যাত্রীরা

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি:
    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী টোল প্লাজা এলাকায় চলন্ত একটি বিআরটিসি বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, বরিশাল থেকে খুলনাগামী বিআরটিসি বাসটি (রেজি. নং: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ব-১১-০০০৪) ইচলাদী টোল প্লাজা এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ পিছনের দিক থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। যাত্রীরা চিৎকার শুরু করলে চালক দ্রুত গাড়ি থামান। মুহূর্তের মধ্যেই বাসের পেছনের অংশে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    চালক মোঃ শাহজালাল জানান, “যাত্রীরা ধোঁয়া দেখে চিৎকার দিলে আমি গাড়ি থামাই। তখন দেখি আগুনের কুণ্ডলী উঠছে। আল্লাহর রহমতে সবাই নিরাপদে নামতে পেরেছেন।”

    খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও বাসটির উপরের অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

    গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ আমিনুর রহমান এবং উজিরপুর মডেল থানার ওসি আব্দুস সালাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা জানান, “আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক।”

    অগ্নিকাণ্ডের কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়, যা প্রায় এক ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়।

  • পাঁচবিবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অ-ব্যবস্থাপনা ও দূ-র্নীতির অ-ভিযোগ

    পাঁচবিবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অ-ব্যবস্থাপনা ও দূ-র্নীতির অ-ভিযোগ

    দেলোয়ার হোসেন বাবু স্টাফ রিপোর্ট জয়পুরহাট

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা শহরের সমিরন নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানুর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অস্বচ্ছতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এমন অভিযোগ করে এর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান এবং এই লিখিত অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পাঁচবিবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে প্রেরণ করেন অভিযোগ কারীরা।

    অভিযোগকারীরা হলেন- একই এলাকার খালেকুজ্জামান, আব্দুর রহমান, শামীমুর রহমান, শফিকুর রহমান৷ আলমগীর কুম কুম, প্রণব বসাক, মনজুর মোরশেদ, ফাতেমা বেগমসহ ১০ জন।

    প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি হলো স্লিপের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, বিদ্যালয় চলাকালে প্রতিদিন বিকেল ৩ টার পরে পাঠদান না হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই বাড়ি চলে যায়, প্রতি বছর বরাদ্দ থাকলেও টয়লেট পরিস্কার না করা, দপ্তরি কাম প্রহরী থাকলেও শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ ও টয়লেট পরিস্কার না করা, চারু ও কারু পরীক্ষায় হাতের কাজের নামে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নগদ টাকা দিতে বাধ্য করা, কিছু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা প্রধান শিক্ষকের নিজ বিকাশ একাউন্টে নেওয়া, পাঠদান চলাকালে ক’জন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষেই ঘুমান বা মোবাইল নিয়ে ব্যস্থ থাকেন, অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান , শিক্ষকরা বিশুদ্ধ খাবার পানি পান করলেও শিক্ষার্থীরা পৌরসভার সরবরাহ করা পানি পান করে।

    সমিরন নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অভিযোগগুলো করা হয়েছে।

    পাঁচবিবি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, ” গতকাল নির্বাহী কর্মকর্তার বদলি হয়েছে, আমি আজ থেকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছি, সবকিছু জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ”

    এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জেছের আলী জানান, ” গত ৭ অক্টোবর তারিখের লেখা একটি অভিযোগ সম্প্রতি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • নোয়াখালীতে মাদ্রাসা ছাত্রকে জ-বাই করে হ-ত্যা,আ-টক ১

    নোয়াখালীতে মাদ্রাসা ছাত্রকে জ-বাই করে হ-ত্যা,আ-টক ১

    :
    রফিকুল ইসলাম সুমন
    (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি)

    নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ঘুমের মধ্যে এক মাদরাসা ছাত্রকে বিভৎসভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করা হয়েছে।সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। এর আগে, রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত মো.নাজিম উদ্দিন (১৩) উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের ওবায়েদ উল্ল্যার ছেলে। অপরদিকে, আটক আবু ছায়েদ (১৬) ময়মনসিংহ জেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসার আবাসিক বিভাগে থেকে নাজিম ২২ পারা ও ছায়েদ ২৩ পারা পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে। গত ১০-১৫ দিন আগে টুপি পরা নিয়ে নাজিম ও আবু ছায়েদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে মাদরাসার এক শিক্ষক বিষয়টি জানতে পেরে তাদের মধ্যে মিটমাট করে দেয়। কিন্ত এ ঘটনার জের ধরে নাজিমের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সোনাইমুড়ী বাজার থেকে( ৩) তিনশত টাকা দিয়ে একটি ধারালো ছুরি কিনে নিয়ে আসে ছায়েদ। প্রতিদিনের ন্যায় রোববার রাতে মাদরাসার আবাসিক কক্ষে ঘুমিয়ে যায় ১৪জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক। রাত আড়াইটার দিকে অন্য ছাত্রদের অগোচরে ছায়েদ ঘুম থেকে উঠে ঘুমের মধ্যে নাজিমকে জবাই করে দেয়। ওই সময় নাজিমের গলার গোঙরানির আওয়াজ শুনে একই কক্ষে থাকা ছাত্র-শিক্ষক ঘুম থেকে জেগে উঠে এ ঘটনা দেখতে পায়।

    সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, খবর পেয়ে ভোররাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযুক্ত ছাত্রকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি জব্দ করা হয়। টুপি পরা নিয়ে দুই ছাত্রের মধ্যে বিরোধের সূত্র ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। লাশের সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

  • ময়মনসিংহে বড় মসজিদ ও মাদরাসাকে কেন্দ্র করে ফের অ-স্থিরতা- ধৈর্য ধরার আহবান ডিসির

    ময়মনসিংহে বড় মসজিদ ও মাদরাসাকে কেন্দ্র করে ফের অ-স্থিরতা- ধৈর্য ধরার আহবান ডিসির

    আরিফ রব্বানী,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ নগরীর বড় মসজিদ ও মাদরাসায় ফের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকলকে ধৈর্য ধরার আহবান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম। সুত্র জানিয়েছে- ভারপ্রাপ্ত প্রধান মাওলানা আবদুল হকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর আগে পরিচালনা কমিটির সর্বসম্মত তদন্তের মাধ্যমে যার সত্যতা পাওয়ার ফলে কমিটি তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলো। কিন্তু আব্দুল হক নিজ স্বার্থে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহার তার একটা অদৃশ্য শক্তির উৎস হয়ে দাড়িয়েছে। এতে শিক্ষক-
    শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভাজন ও তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে নগরীতে টানা তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বড় মসজিদ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে একটা সুরাহা হলেও থেমে থাকেনি মাওলানা আব্দুল হকের
    স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতা দাপট ও ষড়যন্ত্রের প্রভাব।

    তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি (১) ষড়যন্ত্র আর ক্ষমতায় তিনি তার নিজের মেয়ের জামাই মাওলানা সারোয়ারকে নায়েবে মুহতামিম ঘোষণা করে। এতে কমিটির কোন নিয়োগপত্র বা কোন রেজুলেশন দেখাতে পারেনি। নিয়োগ তো দূরের কথা এতে কমিটির কারোর কোন পরামর্শ পর্যন্ত সে নেয়নি,(২)নিজের আরেক মেয়ের জামাই মাওলানা মোফাজ্জল কে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ।
    যিনি ত্রিশাল বড় মসজিদের ইমাম, মাদরাসার মুহতামিম এবং আরেকটি মাদরাসার শিক্ষক হ‌ওয়া সত্যেও তাকে জামিয়ার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।মুলত নিয়োগের নামে মোটা অংকের টাকা বেতন হিসেবে হাতিয়ে নেওয়াই একমাত্র লক্ষ্য। (৩)নিজের ছেলেকে শাইখুল হাদীস ঘোষণা। শাইখুল হাদীস যিনি হাদীসের সর্বোচ্চ কিতাব পড়ান। তা মুলত পড়ান যিনি হাদীসের কিতাবে অনেক পারদর্শী। বয়সের একটি পর্যায়ে তিনি শাইখুল হাদীস হোন। অথচ তিনি তার ছেলেকে একবেরেই অল্প বয়সে শাইখুল হাদীস ঘোষণা করেছেন তাও সকল নিয়ম উপেক্ষা করে।
    (৪)এক‌ই ব্যক্তি মাদরাসার মুহতামিম ও মসজিদের খতিব। নামাজ পড়ান অনিয়মিত। তিনি বিভিন্ন সভাসমিতিতে টাকার বিনিময়ে ওয়াজ করেন।যার ফলে মসজিদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। মসজিদের দায়িত্ব পালন না করেও মোটা অংকের বেতন উত্তোলন করেন। (৫)বড় মসজিদে বসে দাওয়াতুল হক নামক নিজের একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় বড় অনুদান কালেকশন করেন। বড় মসজিদের নাম ব্যবহার করে নিজের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের নামে টাকা কালেকশন করা কোন আইন বা ধর্মীয়ভাবেও তা অগ্রহণযোগ্য। (৬)নিজের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে ফয়জুর রহমান রহঃ এর নাতিন জামাই মাওলানা ফেরদৌস সাহেবের মতো সহজ সরল একজন মানুষকে চট চুরির ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে বহিস্কার করেন। যা পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
    (৭) বড় মসজিদের (ইন্টারভিউ দিয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত) ফয়জুর রহমান রহঃ এর নাতি মাওলানা সুহাইল সাহেবের সাথে অসদাচরণ ও তার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে মাদরাসায় নিয়োগ দেন না। যেখানে তার পরিবারের সদস্যদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে রেছেন।

    এতো সব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নিজে সংশোধন হ‌ওয়ার আশ্বাস দেওয়া তো দূরে থাক বরং ইতোপূর্বে
    উল্টো কমিটির ও বড় মসজিদের মুতাওয়াল্লি বর্তমান জেলা প্রশাসক,সৎ ও যোগ্য মফিদুল আলমের বিরুদ্ধে ছাত্রদের লেলিয়ে দিয়ে অস্থিরতা তৈরী করেছিলেন এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করিছিলেন। মাওলানা আব্দুল হক বড় মসজিদের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে শহরের অসংখ্য গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিজের স্বার্থে অপমানিত ও কমিটি থেকে বিতাড়িত করেছেন।যেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তার বিষয়ে মসজিদের মিম্বারে বসে গীবতের আশ্রয় নেন,এমন অভিযোগও রয়েছে।

    মাওলানা আব্দুল হক এর স্বেচ্ছাচারীতা বিরোধিতা করায় মুফতি শহিদ নামে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেন তিনি। তাই সুযোগ বুঝে হঠাৎ ২৭শে অক্টোবর রাতে মুফতি শহীদের উপর ছাত্রদের ক্ষেপিয়ি তুলেন মাওলানা আব্দুল হক। তার ষড়যন্ত্রমোলক কর্মকান্ডের কারণে মাদ্রাসায় শুরু হয় অস্থিরতা।
    জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহঃ) কে কেন্দ্র করে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মুফতি শহীদ মারাত্মক আহত হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা। এই ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী বড় মসজিদ এর মাদ্রাসা জেলা প্রশাসন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন ঘটতে না পারে সে জন্য সেনাবাহিনী, RAB ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    এব্যাপারে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম জানান-
    ২৭/১০/২০২৫ তারিখ বাদ মাগরিব জামিয়ার পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় মুফতি আব্দুল হক সহ সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মাদ্রাসার বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। আব্দুল হক সাহেব যেসব দাবী দাওয়া উপস্থাপন করেছিলেন তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়। সকল দাবী দাওয়া মেনে নেওয়া হয়।

    মিটিং শেষে জেলা প্রশাসক সকলকে আপ্যায়ন করিয়ে হাসি মুখে বিদায় দেন। আর কোন সমস্যা তৈরি হবেনা মর্মে মুফতি আব্দুল হক সাহেব ও শহিদ সাহেব উভয়ে অঙ্গীকার করেন। সকলে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করেন। হক সাহেব ও শহিদ সাহেব দুজনকে এক সাথে মাদ্রাসায় গিয়ে সমঝোতা ও সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য নসিহত করা হয়।

    অতঃপর যে যার যার মত বাসায় চলে আসেন। কিছুক্ষণের মধ্যে জানা যায় যে, মুফতি শহিদ সাহেব মাদ্রাসায় গেলে তাকে প্রতিপক্ষের লোকজন মেরে রক্তাক্ত করে ফেলেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। এই পরিস্থিতিতে সকলকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

    অপরদিকে জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহ.) মাদ্রাসার সমস্যা নিরসনে জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবী করে মাদ্রাসাটিতে চলমান পরিবারতন্ত্র মুক্ত করা উচিত বলে মনে করছেন ময়মনসিংহবাসী।

  • অবশেষে সব জ-ল্পনা ক-ল্পনার  অবসান ঘটিয়ে  ডেমাজানীতেই  নির্মাণ হচ্ছে আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস

    অবশেষে সব জ-ল্পনা ক-ল্পনার অবসান ঘটিয়ে ডেমাজানীতেই নির্মাণ হচ্ছে আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বগুড়ার শাজাহানপুরের ডেমাজানীস্থ বলিহার রাজার
    কাচারী বাড়িতেই নির্মাণ হচ্ছে আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস । সোমবার (২৭ অক্টোবর) বেজ ঢালাইয়ের মধ্য দিয়ে এই নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন সরকারি কমরউদ্দিন ইসলামিয়া কলেজের অধ্যক্ষ এ.এইচ.এম শফিকুত তারিক। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অরুণ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু শাহীন সানি, আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, কামরুজ্জামান রাজা, বিপুল রানা মোল্লা, আরিফ সরকার টিয়া,উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ চন্চল, আপেল মাহমুদ,জহুরুল ইসলাম বিএসসি সহ উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি উপস্হিত ছিলেন । উল্লেখ্য, আমরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস ভবন নির্মাণ নিয়ে কিছু কুচক্রী মহল সাধারণ মানুষের সুযোগ সুবিধার কথা চিন্তা না করে শুধু নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজ এলাকায় নিয়ে যেতে চাচ্ছিলো। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন কর্মসূচিও পালিত হয় । অবশেষে জেলা প্রশাসনের গৃহীত সঠিক সিদ্ধান্তে দু’পক্ষের রশি টানাটানির অবসান হলো । জেলা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন ।

  • নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থা-নান্তরের পা-য়তারা

    নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারি ভোট কেন্দ্র বিধি-বহির্ভূতভাবে স্থা-নান্তরের পা-য়তারা

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিমালা অমান্য করে অতি-গোপনে নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র (২৫শতাধিক ভোটার) স্থানান্তর করার অভিযোগ করেছে স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসী।
    নির্বাচনী পরিপত্র-মতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ (পরবর্তী সময়ে সংশোধিত) আইনে উল্লেখ জনগণকে অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তর করা নির্বাচনী আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভারর ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে “পশ্চিম সাপখাওয়া, মন্দিসেরখামার, সাপখাওয়া, সরকারটারী ও মধুরহাল্লা” মহল্লার ২৫শতাধিক ভোটার দেশ স্বাধীনতার পর থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করে আসছিলো। নাগেশ্বরী উপজেলার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ অতি-কৌশলে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সাথে যোগসাজস করে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসারের সহায়তায় পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি, ভোটারদের বিশৃঙ্খলা তৈরি করাসহ আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন করে প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে প্রধান শিক্ষক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের নবাগত এমপিওভুক্ত মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করার পায়তারা চলছে। এ নিয়ে চলছে পশ্চিম সাপখাওয়াসহ ৫ মহল্লার নারী ও পুরুষ ভোটারদের মাঝে চরম উত্তেজনা। এলাকার ভোটারের দাবি পূর্বের ন্যায় পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র বহাল রাখার।

    স্থানীয় ভোটার ও অভিযোগকারী প্রভাষক এস এম হাবিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আঃ কাদের, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, হাবিবুর রহমান সরকার, খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আমরা এই ৫ গ্রামের বাসিন্দারা পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে আসছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজের মাস্টার প্লানে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্রে না আসে এবং জনগণকে অবগত না করে নির্বাচনী বিধিবালা লঙ্ঘন করে ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের পায়তারা করছে। প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাটি” মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের ষড়যন্ত্র চলছে এবং ৩কিলোমিটার দূরত্বর কারণে বৃদ্ধ ও মহিলাদের ঐ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়া একেবারে অসম্ভব। এছাড়াও এই এলাকা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সুপরিচিত। নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নির্বাচনী বিধিবালা অমান্য করে নিজ স্বার্থ হাসিলে ভোট কেন্দ্রটি স্থানান্তরের পায়তারা করছেন। আমাদের দাবি ভোট কেন্দ্রটি পূর্ণবহাল রাখতে হবে। অন্যথায় আমরা ৫গ্রামের মানুষ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করবো। তারা আরো বলেন, গত-২২অক্টোবর ২০২৫ তারিখে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার, নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক লিখিতভাবে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত সুস্থ সমাধান হয়নি।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পশ্চিম সাপখাওয়া ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর প্রক্রিয়াধীন। ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি ও জনগণকে অবগত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন করতে জনগণের মতামতের প্রয়োজন নেই।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, ৬/৭জন রাজনৈতিক নেতাদের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। নির্বাচন অফিসার ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে এবং ভোটারদের কোন অবগত না করে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের অভিযোগ পেয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    নাগেশ্বরী পৌর বিএনপির সদস্য আজিজুল হক বলেন, ইউএনও অফিসে ভোট কেন্দ্র বিষয়ে কোন আলোচনার বিষয়ে আমি জানিনা। বাংলাদেশ জামাত ইসলামী নাগেশ্বরী উপজেলা আমির আব্দুল মান্নান বলেন, ভোটকেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিন্তু স্থানান্তরের বিষয়ে কোন আলোচনা হয়নি। ইসলামী আন্দোলনের কুড়িগ্রাম ১ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব আরিছুল বারী রনি বলেন, ভোট কেন্দ্র বিষয়ে আমার সঙ্গে কোন আলোচনা হয়নি।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, অভিযোগ হওয়ার পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে লিখিতভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জনগণকে অবগত না করে ভোট সেন্টার স্থানান্তরের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ শুনলাম। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।