Blog

  • আগরপুরে মরা গরু জবাই

    আগরপুরে মরা গরু জবাই

    কে এম সোয়েব জুয়েল।।
    আগরপুরে মরা গরু জবাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    অর্থের বিনিময় ঘটনা ধামা চাপা দিতে মরিয়া উঠছেন আগরপুরের মাংস ব্যাবসায়িরা।

    ঘটনাটি ঘটছে আজ বুধবার ১০ জুলাই রাত ১০ টার দিকে বাবুগঞ্জর বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামের শাজাহান ফকিরের পুত্র শোহান ফকিরের বাড়িতে।

    একাধিক সুত্রে জানা গেছে গরুটি মুমুর্ষ অবস্থায় গৌরনদী উপজেলার টরকি বন্দর থেকে অল্প মুল্যে ক্রয় করে আত্ম গোপন করে রাখেন আগর পুর গ্রামের মাংস ব্যাবসায়ী সেন্টু সুমন ও ইয়ামিন।

    আজ রাত ১০ টার দিকে গরুটিকে সোহান ফকিরদের বাড়ির আড়ালে গিয়ে তরিঘরি করে জবাই দিয়ে মাংস সরাতে চেষ্টা চালালে স্হানিয়রা স্ংবাদ কর্মিদের ফোন দিলে তারা ঘটনা স্হানে এসে তথ্য ও উপাথ্য নিলে তাদেরকে টাকা পয়সা দিয়ে ধামা চাপা দিতে চেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হয় বলে জানিয়েছেন উপস্থিত এক সংবাদ কর্মি।

    এ ব্যাপারে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথে কথা হলে তিনি তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনিয় ব্যাবস্হার নেওয়া কথা জানিয়েছেন।

  • ময়মনসিংহে পিবিআই পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ৩ পুলিশ অফিসার পুরস্কৃত

    ময়মনসিংহে পিবিআই পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ৩ পুলিশ অফিসার পুরস্কৃত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহ জেলা অফিসের অফিসারদের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনায় জুন/২৪ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    বুধবার (১০জুলাই) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তারের সভাপতিত্বে ময়মনসিংহ জেলার কনফারেন্স রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভার শুরুতেই পূর্ববর্তী অপরাধ পর্যালোচনা সভার গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন বিষয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তীতে সভায় জেলার বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ডাকাতি, খুন, দস্যূতা, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা, অগ্নি সংযোগ, সাইবার অপরাধ ও ব্যবসায় অপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ,
    পিবিআই পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার, জেলার মুলতবি মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা নিষ্পত্তি, স্পর্শকাতর মামলা সমূহের অগ্রগতি সহ জেলার গোয়েন্দা কার্যক্রম বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়।

    পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামগ্রিক বিষয়াদি নিয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি দেশে বর্তমানে বিরাজমান স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য পিবিআই পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।একই সাথে পুলিশ সুপার অত্র ইউনিটে তদন্তাধীন গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিয়ে আলোচনা করেন ও মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে তাঁর মূল্যবান দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

    সভায় জুন/২০২৪ খ্রি. মাসে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন এবং ডাকাতি, খুন, দস্যূতা, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা, অগ্নি সংযোগ, সাইবার অপরাধ ও ব্যবসায় অপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত অপরাধমোলক মামলার দ্রুত নিষ্পতিতে
    চৌকস কার্য সম্পাদনের জন্য পুলিশ সুপার পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা ইউনিটে কর্মরত চৌকস ৩পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেন৷ ভাল কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন এসআই (নিঃ) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও এএসআই (নিঃ) মোঃ মনিরুজ্জামানকে পুরস্কৃত করেন পুলিশ সুপার।

    উল্লেখ্য-পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ৫ই জানুয়ারি ২০১৬ সালে পিবিআই এর জন্য একটি নিজস্ব বিধিমালা অনুমোদিত হওয়ার পর পিবিআই কর্তৃক মামলা তদন্তের কার্যক্রম শুরু হয়। পিবিআই মূলত ডাকাতি, খুন, দস্যূতা, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা, অগ্নি সংযোগ, সাইবার অপরাধ ও ব্যবসায় অপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত অপরাধ তদন্ত করে থাকে। আর এসব কাজের সফলতায় এই তিন পুলিশ অফিসারকে পুরস্কার তুলে দেন পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার।

  • তানোরে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    তানোরে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহীর তানোরে আন্তঃ উপজেলা বালক অনুর্ধ্ব ১৭ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্ধোধন করা হয়েছে।

    জানা গেছে, গত ৯ জুলাই মঙ্গলবার উপজেলা শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান তানভির রেজা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ, উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল হোসেন, বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জাকির হোসেন, পারিশো দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহা, আওয়ামী লীগ নেতা সুফি কামাল মিন্টু প্রমুখ ।

    উদ্বোধনী দিনের খেলায় বাঁধাইড় ইউনিয়ন বনাম চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে খেলা গোলশূন্য থাকায় ট্রাইবেকারে ২-১ গোলে বাঁধাইড় ইউনিয়ন বিজয়ী হয়। দ্বিতীয় ম্যাচে তানোর পৌরসভা বনাম মুন্ডুমালা পৌরসভা অংশ গ্রহন করেন। নির্ধারিত সময়ে খেলা গোলশূন্য থাকায় ট্রাইবেকারে ৫-৩ গোলে তানোর পৌরসভা বিজয়ী হয়। খেলার রেফারির দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, শরীর চর্চা শিক্ষক আব্দুল বারি, সোহরাব হোসেন, হাফিজুর রহমান, খাইরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম এবং কামরুজ্জামান। এসময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন।#

  • নড়াইলে ৭ মাসে বেপরোয়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহত ২২

    নড়াইলে ৭ মাসে বেপরোয়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহত ২২

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে সাত মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহত ২২ মোটরসাইকেল পেয়েই বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ঝরে পড়ছে তরতাজা প্রাণ। গত সাত মাসে নড়াইল জেলায় অন্তত ২২ জন হতাহত হয়েছেন। কিশোরদের আবদার মেটাতে অনেক বাবা-মা মোটরসাইকেল কিনে দিচ্ছেন। আবার অনেক কিশোর আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন। যার ফলে ব্যাপক আকারে বাড়ছে দুর্ঘটনা।উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন কিশোর রিয়াজুল ইসলাম (১৪) বাবা খাজা মিয়াকে মোটরসাইকেলে পেছনে বসিয়ে লোহাগড়া উপজেলার ঘাঘা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে লোহাগড়া শহরে আসছিল। পথিমধ্যে ঢাকা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কের লোহাগড়া ব্রিজের পূর্ব পাশে সিঅ্যান্ডবি মোড় এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা থেকে যশোরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাবা-সন্তান দুজনই রাস্তার ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তারা ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় জানান, অপ্রাপ্তবয়স্ক রিয়াজের ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রশ্নই ওঠে না এমনকি মাথায় হেলমেটও ছিল না।
    গত ১৪ জুন বেপরোয়া গতি কেড়ে নেয় লোহাগড়ার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতি গ্রামের ওহিদ শেখের ছেলে নাঈম শেখের (১৭) প্রাণ। তিনি ঢাকা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কে সদরের হাওয়াইখালী সেতু এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পিকআপে ধাক্কা দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
    ১২ জুন একই সড়কে সদরের তুলারামপুর এলাকায় মোটরসাইকেল-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে প্রাণ যায় তুলারামপুর গ্রামের রিপন খানের একমাত্র ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র রিয়ান হাসান মাফুনের (১৪)। এ সময় গুরুতর আহত হন তার বন্ধু মোটরসাইকেল আরোহী একই গ্রামের খায়রুজ্জামান (১৫)।
    শুক্রবার (২৮ জুন) নড়াইল শহরের রূপগঞ্জ এলাকায় মোটরসাইকেলের সঙ্গে ইজিবাইকের সংঘর্ষে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমি ইসলাম গুরুতর আহত হন। এভাবে মাঝে মধ্যেই নড়াইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। মোটরসাইকেলের গতি কেড়ে নিচ্ছে এসব তাজা প্রাণ। এদের অধিকাংশই কিশোর-যুবক। গত সাত মাসে নড়াইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছে কমপক্ষে ১০ জন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২ জন।
    মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত স্কুলছাত্র মাফুনের বাবা সদরের তুলারামপুর গ্রামের রিপন খান বলেন, গাড়িটি ছিল আমার ভাইয়ের। একমাত্র সন্তান মাফুন আমার জন্য ওষুধ কিনতে গিয়ে এ দুর্ঘটনার শিকার হয়। ও যদি মোটরসাইকেল চালাতে না পারত তাহলে এ অবস্থা হতো না। এ কথা বলতে বলতে বিলাপ করতে থাকেন তিনি।
    গত ৭ জুন সদরের তুলারামপুর-শেখাটি সড়কের আফরা এলাকায় নসিমন-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে আফরা গ্রামের ফসিয়ার মীরের ছেলে জিয়া মীর (৩০) নিহত হন।
    লোহাগড়ার আমাদা গ্রামের বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক আবু দাউদ চুন্নু ১১ মে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন। তিনি বাইসাইকেল চালিয়ে লক্ষীপাশা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে এলে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসা স্থানীয় যুবক মুছা বিশ্বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় আহত হন মুছা বিশ্বাস।
    মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি কেড়ে নেয় নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র শহরের রঘুনাথপুর এলাকার বাবলু সমাদ্দারের ছেলে মামুন সমাদ্দারের প্রাণ। এ সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কাজেম আলী (৩৫) নামে এক শ্রমিক গুরুতর আহত হন। ১১ মে নড়াইল-ফুলতলা-খুলনা সড়কে সদরের কাড়ারবিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    গত ১১ এপ্রিল নড়াইল-ঢাকা মহাসড়কে সদরের ডৌয়তলা এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সুপারি গাছে ধাক্কা দিলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কুমোরপট্টি গ্রামের আসাদ মাতুব্বরের ছেলে আলসাফ মাতুব্বর (২০) ও পথচারী লোহাগড়ার নওয়াপাড়া গ্রামের তরিকুল শেখ (৪৫) মারা যান। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু একই এলাকার মোস্তাক সর্দার এবং মুস্তাকিন গুরুতর আহত হন।
    ১৩ এপ্রিল একই সড়কে মুলদাইড় এলাকার সঞ্জিত ঘোষের ছেলে মোটরসাইকেলের চালক তপু ঘোষ (২৫) দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারান। এ ঘটনায় একই এলাকার যুবক সঞ্জয় ঘোষ, তানভির জিহাদ এবং যশোরের শংকরপাশা গ্রামের আয়াদ গুরুতর আহত হন।
    গত বছরের ১০ ডিসেম্বর নড়াইল-মাগুরা সড়কের সদরের কাগজীপাড়ায় পণ্যবাহী ট্রলি ও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হন। নিহতরা হলেন—লোহাগড়ার মিঠাপুর গ্রামের নবীর মোল্যার ছেলে মোটরসাইকেল চালক বাদশা মোল্যা (৪৫) ও আরোহী একই গ্রামের ছবুর শেখের ছেলে মাদরাসাছাত্র আলীম পরীক্ষার্থী কাফিল শেখ (২২)। গত এক বছরে তার জানা মতে নড়াইলে কমপক্ষে ২৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ১৪-১৫ জন মারা গিয়েছে যাদের উল্লেখযোগ্য অংশ কিশোর। নড়াইল-ঢাকা মহাসড়কের নড়াইল অংশে সড়কটি দুই লেনের হওয়ায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। সড়কটি চার লেন হলে দুর্ঘটনা কমতো। এছাড়া সারাদেশে নো হেলমেট, নো ফুয়েল চালু হলেও নড়াইলে তা এখনো কার্যকরী হয়নি। সড়ক নিরাপত্তা আইন-২০১৮ বাস্তবায়নে প্রশাসন আরও বেশি আন্তরিক হলে এ দুর্ঘটনা কমবে।
    নড়াইল ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টি আই) কাজী হাসানুজ্জামান বলেন, নড়াইলে এমন কোনো পরিবার পাওয়া যাবে না যাদের একটি মোটরসাইকেল নেই। গত এক বছরে যে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে তার অধিকাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। কিশোরদের হাতে মোটরসাইকেল তুলে দেওয়ার জন্য মা-বাবাই দায়ী। গত এক বছরে ১৮৪৩টি মোটরসাইকেল আটক এবং ৬০ লাখ ২ হাজার ৩৭৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

  • নড়াইলে বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়ন প্রতিযোগীতার উদ্বোধন

    নড়াইলে বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়ন প্রতিযোগীতার উদ্বোধন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়ন শীপ (নারী- পুরুষ)-২০২৪ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগীতা উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহম্মদ ষ্টেডিয়ামে জেলা পুলিশ, নড়াইল এর আয়োজনে নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক সহযোগীতায় এ প্রতিযোগীতার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, এ প্রতিযোগীতায় নড়াইল জেলার নড়াইল সদর, লোহাগড়া, কালিয়া ও নড়াগাতি থানার চারটি পুরুষ দল এবং নড়াইল ও নড়াগাতি থানার দুইটি মহিলা দল অংশ গ্রহন করছে।
    উদ্বোধনী খেলায় পুরুষ গ্রুপে নড়াইল সদর ও লোহাগড়া থানা দল অংশ গ্রহন করে।
    সকাল সাড়ে ১০ টায় বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী।
    পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান এর সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অর্থ ও প্রশাসন ) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জেলা ক্রিড়া সংস্থার সহ- সভাপতিমোঃআয়ুব খান বুলু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী , জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সম্পাদক কৃষ্ণপদ দাশ, জেলা পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাগন ,জেলা ক্রিড়া সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারি, গনমাধ্যম কর্মি,খেলায়ারসহ অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার। নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় হাসিবুর শেখ (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার খড়রিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার হাসিবুর শেখ উপজেলার পেরুলী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রামের মো. তবিবর শেখের ছেলে। নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ইনচার্জ মো. সাবিরুল আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই (নিঃ) মোঃ আনিসুজ্জামান ও এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে উপজেলার খড়রিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় একশত পিস ইয়াবাসহ হাসিবুর নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটকের পর কালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • বানারীপাড়ায় রেলওয়ে কর্মচারী রুবেল হত্যা মামলার আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

    বানারীপাড়ায় রেলওয়ে কর্মচারী রুবেল হত্যা মামলার আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা:
    বানাবীপাড়ায় রেলওয়ের কর্মচারী রুবেল হত্যা মামলায় আট আসামি ধরা ছোয়ার বাইরে রযে়ছে। এ ঘটনায় উপজেলার দড়িকর গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা হিসাব রক্ষাকারী মো: সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে পুত্রবধু বিনা আক্তার ও তার ভাই রানা বেপারী, বোন উর্মী খানম, বাবা মিজানুর রহমান বেপারী, মা পারভীন আক্তার ও বোন জামাই জসিম ফকিরকে আসামি করে বরিশাল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিসে্ট্রট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    আদালত ওই মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে
    তদন্ত পূর্বক প্রযে়াজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। পিবিআই’র ওসি মো, কবির হোসেন ওই মামলাটি তদন্ত শুরু করেন। পরবর্তীতে মামলার বাদী আদালতে নালিশী বহির্ভূত ওই মামলায় আরও দু’জন আসামি মো. আক্তার হোসেন আপন ও মো: সুমন হাওলাদারকে অন্তর্ভূক্ত করার আবেদন করেন।
    অপরদিকে রুবেল হত্যা মামলার বাদী মো.সোহরাব হোসেন জানিয়েছেন হত্যার সুরাতহাল ও ফরেন্সিক রিপোর্টে রুবেলকে শ্বাস রোধ ও বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়ছে প্রমান পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বাদী মো.সোহরাব হোসেন বলেন, ১৪ জানুয়ারী রাত ১১টার দিকে নিজ বাঁড়িতে পুত্রবধু বিনা আক্তার ও অন্যান্য আসামিদের যোগ সাজোসে শয়ন কক্ষে রুবেলকে বিষপান করায়। রুবেলকে বানারীপাড়া উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

    পরদিন সকালে রুবেলের পিতা মো. সোহরাব হোসেন বরিশাল শেবামেক হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন, তার ছেলে রুবেলকে হাসপাতালে ফেলে রেখে সাথে থাকা ভাতিজা আক্তার হোসেন, সুমন হাওলাদার ও স্থানীয় আবু রায়হান এবং শাহীন মোল্লা হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যায়। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ছেলে রুবেলের মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় ২৮ জানুয়ারী সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে দায়ের করা ওই নলিশী মামলায় ছয় আসামীর সঙ্গে আরও দু’জনকে সংশোধনী এনে মোট আট আসামি করেন। তিনি ওই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তারা পরস্পর যোগশাজসে ও পরিকল্পিতভাবে তার ছেলে রুবেলকে বিষ প্রয়োগ করে অজ্ঞান হওয়ার পর তার গলায় কোন কিছু দিয়ে ফাঁস দেওয়া হয়েছে। তার প্রমাণ হিসেবে রুবেলের সুরাতহাল ও ময়না তদন্ত রিপোর্টে এ বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই মামলার আসামিরা গ্রেফতার হননি।

    এ ব্যাপারে রুবেল হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরিশাল পিবিআই ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।#

  • উজিরপুরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪ এর উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১০ জুলাই বুধবার বিকাল ৩ টায় সরকারি ডব্লিউ বি ইউনিয়ন ইনিষ্টিটিউট মাঠে ফাইনাল খেলায় উজিরপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম উত্তর গড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় এর খেলায় উজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিজয়ী হয়। বিকাল ৪ টায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপের ফাইনালে উজিরপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম মুন্ডপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর খেলায় মুন্ডপাশা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বিজয়ী হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান ইকবাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম জামাল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সিপন মোল্লা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মোর্শেদা পারভীন,এসময় উপস্থিত ছিলেন ডব্লিউ বি ইউনিয়ন ইনিষ্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহে আলম, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ইকবাল হোসেন বালী, কামাল হোসেন সবুজ,উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সভাপতি আঃ রহিম সরদার সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ, সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন।
    পরে অতিথিরা বিজয়ীদের মাঝে গোল্ডকাপ ও মেডেল ও পুরস্কার প্রদান করেন।

  • মরাটিলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিলিং ফ্যান বিতরণ করেন লেঃ কর্নেল আলমগীর কবির, পিএসসি

    মরাটিলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিলিং ফ্যান বিতরণ করেন লেঃ কর্নেল আলমগীর কবির, পিএসসি

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    সীমান্ত সূরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি) বিভিন্ন ধরণের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার আওতাধীন যামিনী পাড়া জোন এর ব্যবস্থাপনায় পানছড়ি উপজেলার মরাটিলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬টি সিলিং ফ্যান বিতরণ করলেন ২৩ বিজিবি যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন এর জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আলমগীর কবির, পিএসসি।

    বুধবার ( ১০ জুলাই) বিকাল ৫টার সময় মরাটিলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তিনি এই মানবিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন মরাটিলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কার্বারী বাদশা কুমার ত্রিপুরা,প্রধান শিক্ষক প্রভাষ রায়,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অমর চান ত্রিপুরা কাখারাং,সাংবাদিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আলমগীর কবির, পিএসসি বলেন,পার্বত্য এলাকায় স্থিতিশীলতা ও শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি) সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরণের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে যামিনী পাড়া জোন এর আওতাধীন মরাটিলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬টি সিলিং ফ্যান দেওয়া হয়েছে। আমাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • নলছিটিতে সাড়া ফেলেছে রব সরদারের আখের রস

    নলছিটিতে সাড়া ফেলেছে রব সরদারের আখের রস

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ভেজালের এই রমরমা বানিজ্যের মধ্যে খাটি মানের নিশ্চয়তা পেয়ে ঝালকাঠির নলছিটিতে বেশ সাড়া ফেলেছে আ. রব সরদারের আখের রস। আখ ক্ষেতের পাশেই বিক্রি করছেন আখের রস। ক্রেতা নিজের পছন্দমত আখ ক্ষেত থেকে পছন্দ করে কেটে পাশেই রস তৈরির মেশিন দিয়ে রস তৈরি করে পান করতে পারছেন। তাই ক্রেতা পাচ্ছেন খাটি মানের পন্যের নিশ্চয়তা। তাই দুরদুরান্ত থেকে মানুষ তার আখের রসের একটু স্বাদ নিতে ছুটে আসছেন ।

    ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার কুশঙ্গল ইউনিয়নের সরহমহল গ্রামে ৮০শতাংশ জমিতে আখের চাষ করেছেন একই এলাকার বাসিন্দা মো. রব সরদার। তিনি পেশায় সরকারি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী হিসেবে আছেন। চাকুরীর পাশাপাশি ২০২০সালে একবার শখের বসে আখের চাষ করেন। সেখানে ভালো সফলতা পাওয়ায় নলছিটি কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের সহায়তা নিয়ে আবারও করেছেন আখের চাষ। সাথে যোগ করেছেন ক্ষেতের পাশেই রস তৈরির মেশিন তাতেই সাড়া পেয়েছেন সাধারন মানুষজনের।

    আ.রব সরদার জানান, নলছিটি কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সহায়তা প্রথমে অল্প একটু জমিতে একটি প্রদর্শনীর মাধ্যমে আখ চাষ করি। সেখানে তারা আমাকে উচ্চফলনশীল বিএসআরআই-৪২ জাতের আখ বীজ সরবরাহ করেন। সেই সময় ভালো ফলন পাওয়ায় আবারও জমির পরিমান বাড়িয়ে আখের চাষ করি। আলহামদুলিল্লাহ ফলন বেশ ভালো হয়েছে। আমার এখানে প্রায় ৮০শতাংশ জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে। যাতে আমার প্রায় মজুরী ও আনুষঙ্গিক খরচসহ ২লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন আমি প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টাকার আখের রস বিক্রি করছি। এখন পর্যন্ত আমার ১লাখ টাকার আখের রস বিক্রি হয়েছে আরও ৫লাখ টাকার আখের রস বিক্রি হবে বলে আমি আশাবাদী। এছাড়া কেউ যদি খাটি আখের গুড় পেতে চায় তাহলে সেটা অগ্রিম অর্ডার নিয়ে আমি তৈরি করে দেই। প্রতি কেজি তিনশত পঞ্চাশ টাকা দরে বিক্রি করি। তিনি আরও জানান, শুধু নলছিটি উপজেলাবাসী না ,ঝালকাঠি সদর,পিরোজপুর ও বরিশাল সদর থেকেও বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ তার এখানে রস খেতে আসেন। বিদ্যালয়ের ছুটির সময়ে তিনি এখানে সময় দেন। ।এছাড়া তার একজন সহযোগী সার্বক্ষনিক এখানে রস বিক্রিতে নিয়োজিত থাকেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসিন আহমেদ নাজিম জানান, আমাদের এলাকায় এখন ভেজাল মুক্ত আখের রস পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে টাকা হলেও খাটি মানের পন্য পাওয়া অনেক অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে। লোভী ব্যবসায়ীদের জন্য সাধারন মানুষজন ভেজালমুক্ত খাবার খেতে পারছে না। তবে সেই শংকার মধ্যেই আমাদের রব ভাই ক্ষেত থেকেই আখ কেটে খাটি ভেজালমুক্ত আখের রস খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। প্রতিদিন দুরদূরান্ত থেকে মানুষজন এসে আখের খেয়ে যাচ্ছে আবার অনেকেই পরিবারের জন্য নিয়েও যাচ্ছেন। তিনি সাশ্রয়ী দামেই বিক্রি করছেন। প্রতি গøাস রস তিনি মাত্র ২০টাকা করে বিক্রি করছেন যা বর্তমান বাজার অনুযায়ী মানানসই দাম বলা যায়।

    নলছিটি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা কৃষিবিদ সানজিদ আরা শাওন জানান, কৃষক আ.রব সরদার তার জমিতে প্রথমে দাজিলিং কমলা ও মাল্টা চাষ করেছিলেন কিন্তু সেই সময় তিনি ভালো ফলন পাননি। যাতে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। পরবর্তীতে আমাদের পরামর্শে তিনি উন্নত জাতের আখ চাষ শুরু করেন এবং ভালো ফলনও পেয়েছেন। এবার তিনি আর্থিকভাবে বেশ ভালো লাভবান হবে বলে আমরা আশা করছি। আমাদের কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাবৃন্দ তাকে নানান পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করে থাকেন। এছাড়া তিনিও নিয়মিত আমাদের সাথে বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ করে তার আখ ক্ষেতের ভালোমন্দ অবহিত করেন। তার আখ চাষ আরও সম্প্রসারন করতে নলছিটি কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর তাকে সার্বক্ষনিক সহায়তা দিয়ে যাবে।